পবিত্র কুরআন ও হাদীসের আলোকে জীবন গড়ি

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • পবিত্র কুরআন ও হাদীসের আলোকে জীবন গড়ি

পবিত্র কুরআন ও হাদীসের আলোকে জীবন গড়ি পবিত্র আল কুরআন ও সুন্নাহের আলোকে জীবন গড়ার আহবানে.....
If u can lead ur life based on Al Quran & Sunnah, U can follow this page...

28/08/2026
28/08/2026

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ ﷺ –এর কাছে এসেছিলো কিছু সম্পদ লাভের আশায়। সে রাসূলুল্লাহ ﷺ –এর কাছে সম্পদ চেয়েও ফেললো!

রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁকে ছাগল দান করলেন।

একটি-দুটি ছাগল না। হাদীসে উল্লেখ আছে- “তাকে এত বেশী ছাগল দিলেন যাতে দু’উপত্যকার মাঝামাঝি স্থান পরিপূর্ণ হয়ে যাবে।”

এখন চিন্তা করুন, দুই উপত্যকার মাঝামাঝি স্থান পূর্ণ হয়ে যাবে, এরকম কতো ছাগল লাগতে পারে?

৫০০? ১০০০ ছাগল? সংখ্যা শখানেক হোক বা হাজার, কিন্তু এটা স্পষ্ট যে, অনেক ছাগল দেয়া হয়। যা সে ভাবতেও পারেনি!

একসাথে এতো সম্পদ পেয়ে সেই বেদুইনের প্রতিক্রিয়া কী ছিলো জানেন?

সে খুশিতে আত্মাহারা হয়ে তার গোত্রে চলে গেলো চিৎকার করতে করতে- “হে আমার জাতির ভাইয়েরা! তোমরা ইসলাম গ্রহণ করো। কারণ মুহাম্মদ ﷺ অভাবের আশঙ্কা না করে এতো দান করতে থাকেন (তোমরা ভাবতেও পারবে না)!” (সহীহ মুসলিম: ৫৯১৪)


এই হাদীসের ব্যাখ্যায় ইমাম নববী রাহিমাহুল্লাহ বলেন- “এই বেদুঈন প্রথমে কেবল দুনিয়াবি লাভের আশায় নবী ﷺ–এর কাছে এসেছিলেন। কিন্তু রাসূল ﷺ–এর অসাধারণ উদারতা ও দানশীলতা দেখে তাঁর অন্তর ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয় এবং তিনি আন্তরিকভাবে ইসলাম গ্রহণ করেন। এরপর তাঁর গোত্রও ইসলাম গ্রহণ করে।”


জীবনের প্রথম পরিচয়ে যে বেদুঈনের কাছে মনে হলো- রাসূলুল্লাহ ﷺ গরীব নন, তিনি অভাবের আশঙ্কা করেন না, তিনি দুহাত খুলে দান করেন, আর সেই রাসূল ﷺ সম্পর্কে আমরা কী মন্তব্য করি?

যেই নবী ﷺ একটি সুন্দর জামা পরে আসলে কেউ যদি বলতো জামাটা আমাকে দিবেন? তিনি সাথে সাথে জামা খুলে দিতেন, সেই নবীর অর্থনৈতিক জীবন বলতে গিয়ে আমরা শুধু তাঁর দারিদ্র্যের গল্প শুনাই?

আমাদের সময়ের প্রেক্ষাপটে রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর জীবনে কোটি কোটি টাকা দান করেছেন। সেই রাসূলুল্লাহ ﷺ –এর ইমেইজ দাঁড় করানো হয়েছে কেবল ৩ মাস চুলোয় আগুন জ্বলেনি এই থিমের ওপর!

অথচ আমার রাসূলকে দুনিয়া অফার করা সত্ত্বেও তিনি দুনিয়া বেছে নেননি, তারপরও দুনিয়া তাঁর কাছে এসেছিলো। সেই দুনিয়াটাও তিনি গ্রহণ না করে দান করে গেছেন।

যার দানশীলতা দেখে একজন-দুজন না, একেকটা গোত্র ইসলাম গ্রহণ করতো, মক্কার কাফিররা যারা মক্কা বিজয়ের পরও মনে প্রাণে ইসলাম গ্রহণ করেনি, তাঁর দানশীলতা দেখে মুগ্ধ হয়ে পরবর্তীতে তাদের মন জয় হয়।

সেই রাসূলকে কিনা বলা হয় গরীব ছিলেন! অনাহারে থাকতেন।


রাসূলুল্লাহ ﷺ –কে ভালোবাসতে তাঁকে সম্পূর্ণভাবে জেনেই ভালোবাসতে হবে। আপনার কল্পিত ধারণা অনুযায়ী যে ইমেইজ দাঁড় করাতে চাচ্ছেন, সেভাবে না। বরং তিনি যেমন ছিলেন, ঠিক তেমনভাবেই তাঁকে চিন্তা করুন।

জোর করে ভালোবাসতে হবে না। ঐ ঘটনাগুলো পড়লে এমনিতেই ভালোবাসা জন্মাবে।

© আরিফুল ইসলাম

25/08/2026

সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম 💚💚💚

05/08/2026

হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক সাহেব হুজুর দামাত বারাকাতুহুম বলেন, যদি কোন দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তিকে, একটি বা কয়েকটি পিঁপড়া কামড় দেয়, তাহলে ঐ ব্যক্তি এক সাথে অনেকগুলো পিঁপড়া মেরে ফেলে। এমন হয় না যে, বাছাঁই করে শুধু ঐ পিঁপড়াগুলোকে মারে যেগুলো তাকে কামড় দিয়েছে। একইভাবে আমাদের মধ্য হতে কোন একজন বা গুটি কয়েকজন যদি গুনাহ করে, তাহলে তার কারণে সবার উপর আযাব চলে আসে।

#ইসলামী_যিন্দেগী

02/08/2026

"আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যের বাইরে বোঝা দেন না"
[সূরা বাকারাহ,আয়াত ২৮৬]

29/07/2026

রাসুলুল্লাহ এর চোখে, ১০ প্রকার শেষ্ট মানুষ :

১. যে কুরআন শিক্ষা করে এবং অন্যকে শিক্ষা দেয়। (সহীহ বুখারী: ৫০২৭)
​২. যে উত্তম চরিত্রের অধিকারী। (সহীহ বুখারী: ৩৫৫৯)
​৩. যে ঋণ পরিশোধে উত্তম। (সহীহ বুখারী: ২৩৯৩)
​৪. যার থেকে মানুষ কল্যাণের আশা করে। (সুনান আত তিরমিযী: ২২৬৩)
​৫. যে নিজ পরিবারের কাছে উত্তম। (সুনান আত তিরমিযী: ৩৮৯৫)
​৬. যে দীর্ঘ জীবন এবং সৎ আমলের অধিকারী। (সুনান আত তিরমিযী, তাহকীককৃত: ২৩২৯)
​৭. যে মানুষের সবচেয়ে বেশি উপকারী। (জামেউস সগীর: ৩২৮৯)
​৮. যে পবিত্র অন্তর ও সত্যবাদী জিহ্বার অধিকারী। (সুনান ইবনে মাজাহ: ৪২১৬)
​৯. যে প্রতিবেশী ও সঙ্গীর প্রতি উত্তম আচরণকারী। (সুনান আত তিরমিযী, তাহকীককৃত: ১৯৪৪)
​১০. যে সুন্দর চরিত্রের অধিকারী। (সহীহ বুখারী: ৬০৩৫)

27/07/2026

“এমন মানুষের সাথে চলবে না, যে তোমাকে বার বার মনে করিয়ে দেয়—সে তোমার জন্য কী কী করেছে।”

— ইমাম সুফিয়ান সাওরী (রহ.)
[শুআবুল ঈমান, ৮৮৮২]

23/07/2026

"হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই—তোমার নিয়ামত চলে যাওয়া থেকে; তোমার ক্ষমা ও নিরাপত্তার মোড় ঘুরে যাওয়া থেকে; তোমার হঠাৎ শাস্তি থেকে এবং তোমার সকল ক্রোধ থেকে।" [মুসলিম, ২৭৩৯]

17/07/2026

‘যে ব্যক্তি বেশি বেশি ইস্তিগফার পড়বে, আল্লাহ তার সব সংকট থেকে উত্তরণের পথ বের করে দেবেন, সব দুশ্চিন্তা মিটিয়ে দেবেন এবং অকল্পনীয় উৎস থেকে তার রিজিকের ব্যবস্থা করে দেবেন।’

[সুনানে বাইহাকি: ৬৩৬; মুস্তাদরাকে হাকিম: ৭৬৭৭]

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when পবিত্র কুরআন ও হাদীসের আলোকে জীবন গড়ি posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share