25/07/2025
এমন দূর্লভ মানব দেহ
পাহিয়া কি কর ভাবনা কেহ ।
এবে না ভজিলে যশোদা সুত
চরমে পড়িবে লাজে ।।
প্রতিটি পদ যাত্রার একটা শেষ থাকে, প্রতিটি কর্মের একটা উদ্দেশ্য থাকে, স্বপ্ন বাস্তবায়নের একটা প্রস্তুতি ও থাকে আর এই জীবন যাত্রার ও একটা গন্তব্য রয়েছে আর তা হল নিজ গৃহে প্রত্যাবর্তন। চলুন বিষয়টা একটু বোঝার চেষ্টা করি।
এই পৃথিবীতে ৮৪ লক্ষ প্রজাতির জীব রয়েছে। তাদের মধ্যে এই মনুষ্য প্রজাতি অন্যতম। কারন মানুষের জ্ঞান, বুদ্ধি, বিচার বিবেচনার ক্ষমতা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ অন্য সকল জীবের চেয়ে উন্নত। কিন্তু তা সত্ত্বেও প্রতিটি মানুষকে প্রতি মুহুর্তে কষ্ট ভোগ করতে হয়। কোন ভাবেই যেন এই কষ্ট নিরুপম করা যাচ্ছে না। তাহলে কি কখনোই জীব তার এই কষ্ট লাঘব করতে পারবে না?
অবশ্যই সেটা সম্ভব। ভক্তিবিনোদ ঠাকুর লিখেছেন- "এবে না ভজিলে যশোদা সুত, চরমে পড়িবে লাজে" এখানে "যশোদা সুত" মানে যশোদা নন্দন অর্থাৎ পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ। তাহলে কৃষ্ণকে বজনা করা মানে হচ্ছে কৃষ্ণের কথা শুনা ও তার শরণাগত হওয়া গীতা ১৮/৬৬। যদি কোন ব্যক্তি তার সমগ্র জীবন কৃষ্ণের কথা অনুসারে অতি বাহিত করে তবে সে অবশ্যই এই ভূলোকের কষ্ট থেকে পরিত্রান পেতে পারবে।
উপরোক্ত আলোচনা থেকে প্রশ্ন হতে পারে-
* নিজ গৃহ প্রত্যাবর্তন মানে কি?
* জীব কেন কষ্ট ভোগ করে?
* এ জগতের কষ্ট গুলো কি কি?
* শুধু মাত্র কৃষ্ণকেই কেন ভজনা করব?
ঠিক এমনি শত শত প্রশ্ন, উত্তর ও তার বাস্তবিক প্রয়োগ কেমন হবে তার বিস্তারিত আলোচনা থাকছে আমাদের ফ্রী লাইভ কোর্সে। ফ্রী লাইভ কোর্স সম্পর্কে জানতে মনোযোগ দিন পরবর্তী পোস্ট গুলো তে।