Bhagavan Darshan

Bhagavan Darshan Welcome to Bhagavan Darshan page.The Key to happiness is the reduction of desires.

DM for collaboration and promotion or mail
[email protected]

03/03/2026

বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী (BST)

তারিখ: ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২। ৩ মার্চ ২০২৬, মঙ্গলবার

গ্রহণ স্পর্শ (আরম্ভ): বেলা ৩:৫০ মিনিট (দিগন্তের নিচে)

পূর্ণগ্রাস শুরু: বিকাল ৫:০৪ মিনিট

গ্রহণের মধ্যকাল: বিকাল ৫:৫৪ মিনিট

পূর্ণগ্রাস সমাপ্তি: সন্ধ্যা ৬:৪৩ মিনিট

গ্রহণ মোক্ষ (সমাপ্তি): রাত ৭:১৮ মিনিট

মোট স্থিতি: ৩ ঘণ্টা ২৮ মিনিট

বিশেষ দ্রষ্টব্য: বাংলাদেশে ওইদিন চন্দ্রোদয় হবে প্রায় সন্ধ্যা ৫:৫৬ মিনিটে (স্থানভেদে সামান্য পরিবর্তন হতে পারে)। ফলে পূর্ণগ্রাসের শেষ অংশ এবং মোক্ষকাল স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হবে।
(সংগৃহীত পোস্ট)

শিব স্তুতি:আশুতোষ শশাঙ্ক শেখর, চন্দ্রমৌলী চিদম্বরা, কোটি কোটি প্রণাম শম্ভু, কোটি নমন দিগম্বরা।।নির্বিকার ওমকার অবিনাশী, ...
23/02/2026

শিব স্তুতি:
আশুতোষ শশাঙ্ক শেখর, চন্দ্রমৌলী চিদম্বরা, কোটি কোটি প্রণাম শম্ভু, কোটি নমন দিগম্বরা।।
নির্বিকার ওমকার অবিনাশী, তুমহি দেবাধি দেব, জগত সর্জক প্রলয় করতা, শিবম সত্যম সুন্দরা।।
নিরঙ্কার স্বরূপ কালেশ্বর, মহা যোগিশ্বরা, দয়ানিধি দানিশ্বর জয়, জটাধার অভয়ঙ্করা।।
শূল পানী ত্রিশূল ধারী, ঔগড়ী বাঘম্বরী, জয় মহেশ ত্রিলোচনায়, বিশ্বনাথ বিশম্ভরা।।
নাথ নাগেশ্বর হরো হর, পাপ সাপ অভিশাপ তম, মহাদেব মহান ভোলে, সদা শিব শিব সঙ্করা।।
জগত পতি অনুরকতী ভক্তি, সদৈব তেরে চরণ হো, ক্ষমা হো অপরাধ সব, জয় জয়তি জগদীশ্বরা।।
জনম জীবন জগত কা, সন্তান তাপ মিটে সভী, ওম নমঃ শিবায় মন, জপতা রহে পঞ্চাক্ষরা।।
আশুতোষ শশাঙ্ক শেখর, চন্দ্রমৌলী চিদম্বরা, কোটি কোটি প্রণাম শম্ভূ, কোটি নমন দিগম্বরা।।

Happy Maha shivratri 🔱📿🌿🕉️  It is celebrated as the "Great Night of Shiva," representing spiritual awakening, self-reali...
15/02/2026

Happy Maha shivratri 🔱📿🌿🕉️ It is celebrated as the "Great Night of Shiva," representing spiritual awakening, self-realization, and the destruction of ignorance.
Special prayers, chanting of "Om Namah Shivaya,"
Devotees perform four Prahars of Puja (four sessions throughout the night), offering water, milk, curd, ghee, honey, and Bilva leaves (Bel Patra) to the Shiva Linga.

মহাশিবরাত্রি ব্রতের সময়সূচী(চন্দ্রসিদ্ধান্ত)[ব্রত ১৫-ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রবিবার]চতুর্দশী সময় ১৫-ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এর বিকেল...
02/02/2026

মহাশিবরাত্রি ব্রতের সময়সূচী
(চন্দ্রসিদ্ধান্ত)
[ব্রত ১৫-ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রবিবার]

চতুর্দশী সময় ১৫-ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এর বিকেল ০৫:০৪ মিনিট থেকে ১৬-ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এর বিকেল ০৫:৩৪ মিনিট পর্যন্ত।

(বাংলাদেশী সময় ১৫-ই ফেব্রুয়ারি বিকেল ০৫:৩৪ থেকে ১৬-ই ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ০৬:০৪ মিনিট পর্যন্ত।)

* প্রহর পূজার সময় ১৫-ই ফেব্রুয়ারি রাত্রি

প্রথম প্রহর সন্ধ্যা ০৬:১১ মিনিট থেকে রাত্রি ০৯:২৩ মিনিট পর্যন্ত।

(বাংলাদেশ -সন্ধ্যা ০৬:৪১ মিনিট থেকে রাত্রি ০৯: ৫৩ মিনিট পর্যন্ত)

দ্বিতীয় প্রহর রাত্রি ০৯:২৪ মিনিট থেকে রাত্রি ১২: ৩৫ মিনিট পর্যন্ত।

(বাংলাদেশ-রাত্রি ০৯:৫৪ মিনিট থেকেরাত্রি ০১:০৫ মিনিট পর্যন্ত)

তৃতীয় প্রহর রাত্রি ১২:৩৬ মিনিট থেকে ১৬-ই ফেব্রুয়ারি ভোর ০৩:৪৭মিনিট পর্যন্ত।

(বাংলাদেশ রাত্রি ০১:০৬ মিনিট থেকে ভোর ০৪.১৭ মিনিট পর্যন্ত)

চতুর্থ প্রহর ভোর ০৩:৪৮ মিনিট থেকে সকাল ০৬:৫৯ মিনিট পর্যন্ত।

(বাংলাদেশ ভোর ০৪.১৮ মিনিট থেকে সকাল ০৭.২৯ মিনিট পর্যন্ত)

পারনের সময় ১৬-ই ফেব্রুয়ারি সকাল ০৭:০০ মিনিট থেকে বিকেল ০৩:২৪ মিনিট পর্যন্ত।

(বাংলাদেশ ১৬-ই ফেব্রুয়ারি সকাল ০৭.৩০ মিনিট থেকে বিকেল ০৩:৫৪ মিনিট পর্যন্ত)

[চতুর্দশী শেষেও পারন করতে পারেন।]
(সংগৃহীত পোস্ট)

🏵️ হনুমান চল্লিশা 🏵️দোহাশ্রী গুরু চরণ সরোজ রজ নিজমন মুকুর সুধারি ।বরণৌ রঘুবর বিমলযশ জো দায়ক ফলচারি ॥বুদ্ধিহীন তনুজানিকৈ...
09/12/2025

🏵️ হনুমান চল্লিশা 🏵️

দোহা
শ্রী গুরু চরণ সরোজ রজ নিজমন মুকুর সুধারি ।
বরণৌ রঘুবর বিমলযশ জো দায়ক ফলচারি ॥
বুদ্ধিহীন তনুজানিকৈ সুমিরৌ পবন কুমার ।
বল বুদ্ধি বিদ্যা দেহু মোহি হরহু কলেশ বিকার ॥

ধ্যানম্
গোষ্পদীকৃত বারাশিং মশকীকৃত রাক্ষসম্ ।
রামাযণ মহামালা রত্নং বংদে-(অ)নিলাত্মজম্ ॥
যত্র যত্র রঘুনাথ কীর্তনং তত্র তত্র কৃতমস্তকাংজলিম্ ।
ভাষ্পবারি পরিপূর্ণ লোচনং মারুতিং নমত রাক্ষসাংতকম্ ॥

🙏চৌপাঈ
জয় হনুমান জ্ঞান গুণ সাগর ।
জয় কপীশ তিহু লোক উজাগর ॥ 1 ॥

রামদূত অতুলিত বলধামা ।
অঞ্জনি পুত্র পবনসুত নামা ॥ 2 ॥

মহাবীর বিক্রম বজরংগী ।
কুমতি নিবার সুমতি কে সংগী ॥3 ॥

কাঞ্চন বরণ বিরাজ সুবেশা ।
কানন কুন্ডল কুঞ্চিত কেশা ॥ 4 ॥

হাথবজ্র ঔ ধ্বজা বিরাজৈ ।
কাধৈ মূংজ জনেবূ সাজৈ ॥ 5॥

শংকর সুবন কেসরী নন্দন ।
তেজ প্রতাপ মহাজগ বন্দন ॥ 6 ॥

বিদ্যাবান গুণী অতি চাতুর ।
রাম কাজ করিবে কো আতুর ॥ 7 ॥

প্রভু চরিত্র সুনিবে কো রসিয়া ।
রামলখন সীতা মন বসিয়া ॥ 8॥

সূক্ষ্ম রূপধরি সিয়হি দিখাবা ।
বিকট রূপধরি লঙ্কা জলাবা ॥ 9 ॥

ভীম রূপধরি অসুর সংহারে ।
রামচন্দ্র কে কাজ সংবারে ॥ 10 ॥

লায় সংজীবন লখন জিয়ায়ে ।
শ্রী রঘুবীর হরষি উরলাযয় ॥ 11 ॥

রঘুপতি কীন্হী বহুত বড়াই ।
তুম মম প্রিয় ভরতহী সম ভাই ॥ 12 ॥

সহস্র বদন তুম্হরো যশগাবৈ ।
অস কহি শ্রীপতি কন্ঠ লগাবৈ ॥ 13 ॥

সনকাদিক ব্রহ্মাদি মুনীশা ।
নারদ শারদ সহিত অহীশা ॥ 14 ॥

যম কুবের দিকপাল জহাং তে ।
কবি কোবিদ কহি সকে কহাং তে ॥ 15 ॥

তুম উপকার সুগ্রীবহি কীন্হা ।
রাম মিলায় রাজপদ দীন্হা ॥ 16 ॥

তুম্হরো মন্ত্র বিভীষণ মানা ।
লংকেশ্বর ভয় সব জগ জানা ॥ 17 ॥

যুগ সহস্র যোজন পর ভানূ ।
লীল্যো তাহি মধুর ফল জানূ ॥ 18 ॥

প্রভু মুদ্রিকা মেলি মুখ মাহী ।
জলধি লাগি গয়ে অচরজ নাহী ॥ 19 ॥

দুর্গম কাজ জগত কে জেতে ।
সুগম অনুগ্রহ তুম্হরে তেতে ॥ 20 ॥

রাম দুআরে তুম রখবারে ।
হোত ন আজ্ঞা বিনু পৈসারে ॥ 21 ॥

সব সুখ লহৈ তুম্হারী শরণা ।
তুম রক্ষক কাহূ কো ডরনা ॥ 22 ॥

আপন তেজ সম্হারো আপৈ ।
তিন লোক হাংক তে কাপৈ ॥ 23 ॥

ভূত পিশাচ নিকট নহি আবৈ ।
মহবীর জব নাম সুনাবৈ ॥ 24 ॥

নাসৈ রোগ হরৈ সব পীরা ।
জপত নিরংতর হনুমত বীরা ॥ 25 ॥

সংকট সে হনুমান ছুড়াবৈ ।
মন ক্রম বচন ধ্যান জো লাবৈ ॥ 26 ॥

সব পর রাম তপস্বী রাজা ।
তিনকে কাজ সকল তুম সাজা ॥ 27 ॥

ঔর মনোরধ জো কোই লাবৈ ।
সোই অমিত জীবন ফল পাবৈ ॥ 28 ॥

চারো যুগ প্রতাপ তুম্হারা ।
হৈ প্রসিদ্ধ জগত উজিয়ারা ॥ 29 ॥

সাধুসন্ত কে তুম রখবারে ।
অসুর নিকংদন রাম দুলারে ॥ 30 ॥

অষ্ঠসিদ্ধি নৌ নিধি কে দাতা ।
অস বর দীন্হ জানকী মাতা ॥ 31 ॥

রাম রসায়ন তুম্হারে পাসা ।
সদা রহো রঘুপতি কে দাসা ॥ 32 ॥

তুম্হরে ভজন রামকো পাবৈ ।
জন্ম জন্ম কে দুখ বিসরাবৈ ॥ 33 ॥

অন্ত কাল রঘুপতি পুরজায়ী ।
জহা জন্ম হরিভক্ত কহায়ী ॥ 34 ॥

ঔর দেবতা চিত্ত ন ধরয়ী ।
হনুমত সেযি সর্ব সুখ করয়ী ॥ 35 ॥

সংকট ক(হ)টৈ মিটৈ সব পীরা ।
জো সুমিরৈ হনুমত বল বীরা ॥ 36 ॥

জৈ জৈ জৈ হনুমান গোসায়ী ।
কৃপা করহু গুরুদেব কী নায়ী ॥ 37 ॥

জো শত বার পাঠ কর কোয়ী ।
ছূটহি বন্দী মহা সুখ হোয়ী ॥ 38 ॥

জো য়হ পড়ৈ হনুমান চালীসা ।
সিদ্ধি হয়ঈ সাখী গৌরীশা ॥ 39 ॥

তুলসীদাস সদা হরি চেরা ।
কীজৈ নাথ হৃদয় মহ ডেরা ॥ 40 ॥

দোহা
পবন তনয় সংকট হরণ – মঙ্গল মূরতি রূপ্ ।
রাম লখন সীতা সহিত – হৃদয় বসহু সুরভূপ্ ॥
সিয়াবর রামচন্দ্রকী জয় ।
পবনসুত হনুমানকী জয় ।
বোলো ভায়ী সব সংতনকী জয় ।

🏵️সম্পূর্ণ হনুমান চল্লিশা বাংলায় 🏵️

দোহা
শ্রী রামের চরণ পদ্ম করিয়া স্মরণ।
চতুর্বর্গ ফল যাহে লভি অনুক্ষণ।।
বুদ্ধিহীন জনে ওহে পবন কুমার।
ঘুচাও মনের যত ক্লেশ ও বিকার।।

চৌপাঈ

1। জয় হনুমান জ্ঞান গুণের সাগর।
জয় হে কপীশ প্রভু কৃপার সাগর।।

2। শ্রী রামের দুত অতলিত বলধাম।
অঞ্জনার পুত্র পবনসুত নাম।।

3। মহাবীর বজরঙ্গি তুমি হনুমান।
কুমতি নাশিয়া করো সুমতি প্রদান।।

4। কাঞ্চন বরন তব তুমি হে সুবেশ।
কর্নেতে কুন্ডল শোভে কুঞ্চিত কেশ।।

5। হাতে বজ্র তব আর ধ্বজা বিরাজে।
সুন্দর গদাটি কাঁধে তোমার যে সাজে।।

6। অপরূপ বাহু পবন নন্দন।
মহাতেজ ও প্রতাপ জগত বন্দন।।

7। বিদ্যাবান গুণবান তুমি হে চতুর।
রামচন্দ্রের কার্যে তুমি হে আতুর।।

8। সর্বদা রামের আজ্ঞা করিতে পালন।
হৃদয়ে রাখ সদা রাম, সীতা ও লক্ষণ।।

9। সুক্ষরুপ ধরি তুমি লঙ্কা প্রবেশিলে।
ধরিয়া বিকট রুপ লঙ্কা দগ্ধ করিলে।।

10। ভীমরুপ ধরি তুমি অসুর সংহার।
শ্রীরামচন্দ্রের তুমি সর্ব কাজ করো।।

11। সঞ্জীবন আনী তুমি বাঁচালে লক্ষণ।
রঘুবীর হোন তাতে আনন্দিত মন।।

12। রঘুনাথ দিল তোমায় আলিঙ্গন দান।
কহিলেন তুমি ভাই ভরত সমান।।

13। সহস্ত্র বদন তব গাবে যশ-খ্যাতি।
এ বলি আলিঙ্গন করেন শ্রীপতি।।

14। সনকাদী ব্রহ্মাদী যাতক দেবগন।
নারদ-সারদ আদি দেব ঋষিগণ।।

15। যম ও কুবের আদি দিকপাল গণে।
কবি ও কোবিদ যত আছে ত্রিভুবনে।।

16। সুগ্রীবের উপকার তুমি যে করিলে।
রাম সহ মিলাইয়া রাজপদ দিলে।।

17। তোমার মন্ত্রণা সব বিভীষণ মানিল।
লঙ্কেশ্বর ভয়ে সবে কম্পমান ছিল।।

18। সহস্র যোজন ঊর্ধ্বে সূর্যদেবে দেখে।
সুমধুর ফল বলি ধাইলে গ্রাসিতে।।

19। জয়রাম বলি তুমি অসীম সাগর।
পার হয়ে প্রবেশিলে লংকার ভিতর।।

20। দুর্গম যত কাজ আছে ত্রিভুবনে।
সুগম করিলে তুমি সব রামগানে।।

21। চিরদ্বারী আছো তুমি শ্রী রামের দ্বারে।
তব আজ্ঞা বিনা কেহ প্রবেশিকা পারে।।

22। শরন লইনু প্রভু আমি যে তোমারি।
তুমিই রক্ষক মোর আর কারে ডরি।।

23। নিজ তেজ নিজে তুমি করো সম্বরন।
তোমার হুংকারে দেখো কাঁপে ত্রিভুবন।।

24। ভূত প্রেত পিশাচ কাছে আসিতে না পারে।
মহাবীর তব নামে যেইজন স্মরে।।

25। রোগ নাশ করো আর সর্ব পীড়া হর।
মহাবীর নাম যেবা স্মরে নিরন্তর।।

26। সংকটেতে হনুমান উদ্ধার করিবে।
তাহার চরণে যেবা মন-প্রাণ দিবে।।

27। সর্বোপরি রামচন্দ্র তপস্বী ও রাজা।
শ্রী রামের অরিগণে তুমি দিলে সাজা।।

28। তোমার চরণে যেবা মন-প্রাণ দিবে।
এই জীবনে সেইজন সদা সুখ পাবে।।

29। প্রবল প্রতাপ তব হে বায়ু নন্দন।
চারযুগ উজ্জ্বল রহিবে ত্রিভুবন।।

30। সাধু সন্ন্যাসীরে রক্ষা করো মতিমান।
শ্রী রামের প্রিয় তুমি অতি গুণবান।।

31। অষ্টসিদ্ধি নবনিদ্ধি যাহা কিছু রয়।
সকলেই সিদ্ধ হয় তোমার কৃপায়।।

32। রাম-রামায়ন আছে তব নিকটেই।
শ্রী রামের দাস হয়ে রয়েছো সদাই।।

33। তোমার ভজন কইলে রামকে পাইবে।
জনমে জনমে তার দুঃখ ঘুঁচে যাবে।।

34। অন্তকালে পাবে সেই রামের চরণ।
এই সার কথা সব শুনে ভক্তগণ।।

35। সব ছাড়ি বল সবে জয় হনুমান।
হনুমন্ত তো সর্বসুখ করিবে প্রদান।।

36। সর্ব দুঃখ যাবে সংকট কাটিবে।
যেইজন হনুমন্ত স্মরণ করিবে।।

37। জয় জয় জয় হনুমান গোসাই।
তব কৃপা ভিন্ন আর কোন গতি নাই।।

38। যেইজন শতবার ইহা পাঠ করে।
সকল অশান্তি তার চলে যায় দূরে।।

39। হনুমান চালিশা যে করেন পঠন।
সর্ব কার্যে সিদ্ধি লাভ করে সেই জন।।

40। তুলসীদাস সর্বদাই শ্রীহরির দাস।
মনের মন্দিরে প্রভু কর সদা বাস।।

দোহা পবন নন্দন সংকট হরন। মঙ্গল মূর্তি রূপ। শ্রী রাম লক্ষণ জনপ্রিয়। একজন তুমি হৃদয়ের ভূপ।।

পবন নন্দন প্রবল বিক্রম রাম আনুগত অতি।চালিসা হেথায় সামাপন হয় পদে থাকে যেন মতি।।🙏

#জয়শ্রীরাম #জয়হনুমান #হনুমানজী
#হনুমানচালিসা

03/12/2025

আদিত্য হৃদয়ম্ স্তোত্রম্
ভগবান সূর্যের আশীর্বাদ পেতে ভক্তি সহকারে এটি প্রতিদিন জপ করা যেতে পারে।

নমস্যবিত্রে জগদেকচক্ষুসে জগৎপ্রসূতি স্থিতিনাশহেতবে।
ত্রয়ীময়ায় ত্রিগুণাত্মধারিণে বিরিঞ্চি নারায়ণ শঙ্করাত্মনে॥
বঙ্গানুবাদ : সাবিত্রকে নমস্কার। আপনি মহাবিশ্বের সৃষ্টি, সংরক্ষণ এবং ধ্বংসের কারণ। আপনি তিনটি গুণের (সত্ত্ব, রজস এবং তমস) মূর্ত প্রতীক। আপনিই একমাত্র ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শঙ্কর।

॥ অথ আদিত্যহৃদয়ম্ ॥

ততো যুদ্ধপরিশ্রান্তমং সমরে চিন্তয়াস্থিতম্‌ ।
রাবণং চাগ্রতো দৃষ্ট্বা যুদ্ধায় সমুপস্থিতম্‌ ॥১॥

বঙ্গানুবাদ : ক্লান্ত হয়ে শ্রীরাম যুদ্ধের মাঝে গভীর চিন্তায় মগ্ন ছিলেন। আর রাবণ কি তার সামনে যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন!

দৈবতৈশ্চ সমাগম্য দ্রষ্টুমভ্যাগতোরণম্‌।
উপাগম্যাব্রবীদ্রামং অগস্ত্য়ো ভগবান ঋষিঃ ॥২॥

বঙ্গানুবাদ : ঋষি অগস্ত্য, যিনি অন্যান্য দেবতাদের সাথে যুদ্ধ দেখতে সেখানে এসেছিলেন, তিনি রামের কাছে এসেছিলেন, তিনি উদ্বিগ্ন হয়ে বললেন -

রাম রাম মহাবাহো শৃণুগুহ্যং সনাতনম্‌ ।
য়েনসর্বানরীন্‌বৎস সমরে বিজয়িষ্যসি ॥৩॥

বঙ্গানুবাদ : হে মহান যোদ্ধা রাম, আমি যে আশ্চর্য রহস্য বলছি তা শোন। যার দ্বারা, আমার প্রিয়, আপনি সমস্ত শত্রুকে জয় করেন।

আদিত্যহৃদয়ং পুণ্যং সর্বশত্রুবিনাশনম্‌ ।
জযাবহং জপেন্নিত্যং অক্ষয়ং পরমং শিবম্‌ ॥৪॥

বঙ্গানুবাদ : আদিত্য হৃদয়ম একটি পবিত্র স্তোত্র যা সমস্ত শত্রুকে ধ্বংস করে। যা প্রতিদিন জপ করিলে বিজয় এবং সীমাহীন আনন্দ নিয়ে আসে।

সর্বমঙ্গল মাঙ্গল্যং সর্বপাপ প্রণাশনম্‌ ।
চিন্তাশোক প্রশমনং আয়ুর্বর্ধন মুত্তমম্‌ ॥৫॥

বঙ্গানুবাদ : এই শুভ স্তোত্রটি সমৃদ্ধি আনে এবং সমস্ত পাপ ধ্বংস করে। এটি সমস্ত দুশ্চিন্তা ও দুঃখ দূর করে এবং আয়ু বৃদ্ধি করে।

রশ্মিমংতং সমুদ্যন্তং দেবাসুর নমস্কৃতম্‌ ।
পূজয়স্ব বিবস্বংতং ভাস্করং ভুবনেশ্বরম্‌ ॥৬॥

বঙ্গানুবাদ : সূর্য দেবতাকে নমস্কার, যিনি রশ্মিতে ভরা যা সকলকে সমানভাবে পুষ্ট করে, দেবতা এবং দানব উভয়ই একইভাবে উপাসনা করেন এবং এই বিশ্বজগতের অধিপতি।

সর্বদেবাত্মকো হ্যেষ তেজস্বী রশ্মিভাবনঃ।
এষ দেবাসুর গণান্‌ লোকান্‌ পাতি গভস্তিভিঃ ॥৭॥

বঙ্গানুবাদ : তিনিই সকল ঈশ্বরের আত্মা, উজ্জ্বল রশ্মি দিয়ে আলোকিত, জগৎকে উজ্জীবিত করেন এবং তাঁর রশ্মি দিয়ে দেবতা ও অসুরদের রক্ষা করেন।

এষ ব্রহ্মা চ বিষ্ণুশ্চ শিবঃ স্কন্দঃ প্রজাপতিঃ ।
মহেন্দ্রো ধনদঃ কালো যমঃ সোমোহ্যপাংপতিঃ ॥৮॥

বঙ্গানুবাদ : ব্রহ্মা (স্রষ্টা), বিষ্ণু (রক্ষক), শিব (ধ্বংসকারী), স্কন্দ (শিবের পুত্র), প্রজাপতি (প্রাণীর অধিপতি), ইন্দ্র (দেবতাদের রাজা), কুবের (ধনের দেবতা), কাল (সময়ের দেবতা), যম (মৃত্যুর দেবতা), চন্দ্র (মনের দেবতা) এবং বরুণ (জলের দেবতা) হলেন ভগবান সূর্যের বিভিন্ন প্রকাশ।

পিতরো বসবঃ সাধ্যা হ্যশ্বিনৌ মরুতো মনুঃ ।
বায়ুর্বহ্নিঃ প্রজাপ্রাণ ঋতুকর্তা প্রভাকরঃ ॥৯॥

বঙ্গানুবাদ : পিতৃ (পূর্বপুরুষ), আট ভাসু (অনুচর দেবতা), সাধ্য (ধর্মের পুত্র), অশ্বিন (দেবতাদের চিকিৎসক), মারুত (বায়ু দেবতা), মনু (প্রথম পুরুষ), বায়ু (বাতাসের দেবতা) ), অগ্নি (আগুনের দেবতা), প্রাণ (শ্বাস), ঋতুকর্তা (ঋতুর নির্মাতা) এবং প্রভাকর (আলোর দাতা) হল ভগবান সূর্যের বিভিন্ন প্রকাশ।

আদিত্যঃ সবিতা সূর্যঃ খগঃ পূষা গভস্তিমান্‌ ।
সুবর্ণসদৃশো ভানুঃ হিরণ্যরেতা দিবাকরঃ ॥১০॥

বঙ্গানুবাদ : তার অন্যান্য নামগুলি হল আদিত্য (অদিতির পুত্র), সবিতা (সকল প্রাণীর উৎস), সূর্য (সূর্য দেবতা), খাগা (মহাকাশে প্রবর্তক), পুষা (পুষ্টির দেবতা), গাভাস্তিমন (রশ্মি সহ)। তিনি তার মূল থেকে সোনালি রশ্মি বিকিরণ করেন এবং সবার জন্য একটি উজ্জ্বল দিন তৈরি করেন।

হরিদশ্বঃ সহস্রার্চিঃ সপ্তসপ্তির্মরীচিমান্‌ ।
তিমিরোন্মথনঃ শংভুঃ ত্বষ্টা মার্তণ্ডকোংশুমান্‌ ॥১১॥

বঙ্গানুবাদ : হাজার হাজার সোনালী রঙের রশ্মি তার থেকে ঘোড়ার মতো বেরিয়ে আসে। রশ্মিতে সাতটি ঘোড়া (সাত ধরনের রঙ) থাকে যা আলো তৈরি করে। এই রশ্মিগুলি সর্বত্র প্রবেশ করে যা অন্ধকার দূর করে, আনন্দ দেয় এবং জীবনকে পুনরুজ্জীবিত করে (মার্তান্ডা)।

হিরণ্যগর্ভঃ শিশিরঃ তপনো ভাস্করো রবিঃ ।
অগ্নিগর্ভঃদিতেঃ পুত্রঃ শংখঃ শিশিরনাশনঃ ॥১২॥

বঙ্গানুবাদ : তার সোনার গর্ভ জ্বলে আকাশে আলো দেয়। অদিতির (সূর্য) পুত্রের গর্ভে আগুন অনিশ্চয়তা ও জড়তা দূর করে।

ব্যোমনাথ স্তমোভেদী ঋগ্যজু:সামপারগঃ।
ঘনাবৃষ্টিরপাং মিত্রো বিন্ধ্যবীথী প্লবঙ্গমঃ ॥১৩॥

বঙ্গানুবাদ : আকাশের অধিপতি হওয়ায় তিনি জ্ঞান দান করে (ঋগ, যজুর, সাম বেদের মতো বেদে পারদর্শী হয়ে) আমাদের মধ্যে অজ্ঞতা দূর করতে সাহায্য করেন। তিনি, জ্ঞানের অধিপতি (মিত্র), আকাশ জুড়ে বিচরণ করেন এবং প্রবল বৃষ্টির মতো জ্ঞান বর্ষণ করেন।

আতপী মংডলী মৃত্যুঃ পিংগলঃ সর্বতাপনঃ ।
কবির্বিশ্বো মহাতেজা রক্তঃ সর্বভবোদ্ভবঃ ॥১৪॥

বঙ্গানুবাদ : সৌর শক্তি প্রণালীর (পিঙ্গলা নদী) মধ্য দিয়ে যে শক্তি প্রবাহিত হয় তা জীবন ও মৃত্যুর চক্র সৃষ্টি করে। তাকে একজন কবির মতো, যিনি তার তেজ এবং জ্বলন্ত শক্তি দিয়ে এই বিস্ময়কর পৃথিবী তৈরি এবং নিয়ন্ত্রণ করেন।

নক্ষত্রগ্রহ তারাণাং অধিপো বিশ্বভাবনঃ ।
তেজসামপি তেজস্বী দ্বাদশাত্মন্নমোহস্তুতে ॥১৫॥

বঙ্গানুবাদ : তিনি নক্ষত্রমন্ডল, গ্রহ, নক্ষত্রের অধিপতি এবং এই মহাবিশ্বের স্রষ্টা। তাঁকে নমস্কার করি, যিনি অত্যন্ত উদ্যমী এবং বারোটি রূপে আবির্ভূত হন।

নমঃ পূর্বায় গিরয়ে পশ্চিমায়াদ্রয়ে নমঃ ।
জ্যোতির্গণানাং পতয়ে দীনাধিপতয়ে নমঃ ॥১৬॥

বঙ্গানুবাদ : তাকে নমস্কার যিনি পূর্ব দিকে উঠেন এবং পশ্চিম দিকে অস্তমিত হন। নক্ষত্রদলের প্রভু এবং দিনের প্রভুকে নমস্কার।

জয়ায় জয়ভদ্রায় হর্যশ্বায় নমো নমঃ ।
নমো নমঃ সহস্রাংশো আদিত্যায় নমো নমঃ ॥১৭॥

বঙ্গানুবাদ : যিনি বিজয় দান করেন, এবং যিনি বিজয়ের সাথে সৌভাগ্যও দেন তাকে নমস্কার। অদিতির পুত্রকে নমস্কার, যে রশ্মি রূপে নিজেকে হাজার ভাগে ছড়িয়ে দেয়।

নমঃ উগ্রায় বীরায় সারঙ্গায় নমো নমঃ ।
নমঃ পদ্মপ্রবোধায় মার্তাণ্ডায় নমো নমঃ ॥১৮॥

বঙ্গানুবাদ : যিনি পরাক্রমশালী, সাহসী এবং দ্রুত ভ্রমণ করেন তাকে নমস্কার। যিনি পদ্ম ফুল করেন (বা শরীরে চক্র জাগ্রত করেন) এবং যিনি জীবনকে পুনরুজ্জীবিত করেন তাকে নমস্কার।

ব্রহ্মেশানাচ্যুতেশায় সূর্যায়াদিত্য বর্চসে ।
ভাস্বতে সর্বভক্ষায় রৌদ্রায় বপুষে নমঃ ॥১৯॥

বঙ্গানুবাদ : যিনি স্বয়ং ব্রহ্মা, বিষ্ণু ও শিব, তাঁকে নমস্কার। যিনি তাঁর শক্তি ও মহিমায় জগৎকে আলোকিত করেন এবং একই সঙ্গে রুদ্রের মতো, যিনি অত্যন্ত উগ্র এবং সমস্ত কিছুকে ধ্বংস করেন তাঁকে নমস্কার।

তমোঘ্নায় হিমঘ্নায় শত্রুঘ্নায়া মিতাত্মনে ।
কৃতঘ্নঘ্নায় দেবায় জ্যোতিষাং পতয়ে নমঃ ॥২০॥

বঙ্গানুবাদ : যিনি অজ্ঞতা নাশকারী, তুষার ধ্বংসকারী, শত্রুদের বিনাশকারী এবং নিয়ন্ত্রিত ইন্দ্রিয়ের অধিকারী তাকে নমস্কার। যিনি অকৃতজ্ঞদের শাস্তিদাতা, যিনি ঐশ্বরিক এবং গ্রহের অধিপতি তাকে নমস্কার।
তপ্ত চামীকরাভায় বহ্নয়ে বিশ্বকর্মণে ।
নমস্তমোঽভি নিঘ্নায় রুচয়ে লোকসাক্ষিণে ॥২১॥

বঙ্গানুবাদ : যিনি গলিত সোনার মত জ্বলজ্বল করেন, এবং যাঁর শক্তি জগতের সমস্ত কর্মকাণ্ড সৃষ্টি করে তাকে নমস্কার। যিনি অজ্ঞতা ও পাপ দূর করেন, যিনি দীপ্তিমান এবং যিনি জগতের সবকিছু প্রত্যক্ষ করেন তাকে নমস্কার।

নাশয়ত্যেষ বৈ ভূতং তদেব সৃজতি প্রভুঃ ।
পায়ত্যেষ তপত্যেষ বর্ষত্যেষ গভস্তিভিঃ ॥২২॥

বঙ্গানুবাদ : তিনিই একমাত্র ঈশ্বর যিনি শেষ পর্যন্ত সবকিছু ধ্বংস করেন এবং আবার সৃষ্টি করেন। তিনি তার রশ্মি দিয়ে জল গ্রাস করেন, তাদের উত্তপ্ত করেন এবং বৃষ্টি হিসাবে ফিরিয়ে আনেন।

এষ সুপ্তেষু জাগর্তি ভূতেষু পরিনিষ্ঠিতঃ ।
এষ এবাগ্নিহোত্রং চ ফলং চৈবাগ্নি হোত্রিণাম্‌ ॥২৩॥

বঙ্গানুবাদ : তিনিই সকল প্রাণীর মধ্যে বাস করেন, তারা নিদ্রিত হোক বা জাগ্রত হোক। তিনি নিজেই অগ্নিহোত্র (যজ্ঞের অগ্নি) এবং তিনি অগ্নিহোত্র সমাপ্তির পর প্রাপ্ত ফলও।

বেদাশ্চ ক্রতবশ্চৈব ক্রতূনাং ফলমেব চ ।
য়ানি কৃত্যানি লোকেষু সর্ব এষ রবিঃ প্রভুঃ ॥২৪॥

বঙ্গানুবাদ : তিনি বৈদিক আচার-অনুষ্ঠান এবং তাদের ফল সহ এই ব্রহ্মাণ্ডের সমস্ত কর্মের অধিপতি। তিনি জগতের সকল কর্মের অধিপতি এবং তিনিই পরমেশ্বর রবি।

ফলশ্রুতিঃ (আদিত্য হৃদয় স্তোত্রের উপকারিতা)
এনমাপৎসু কৃচ্ছ্রেষু কান্তারেষু ভয়েষু চ ।
কীর্তয়ন্‌ পুরুষঃ কশ্চিন্নাবশী দতি রাঘব ॥২৫॥

বঙ্গানুবাদ : ওহ, রাম! কষ্টের সময়, বা প্রান্তরে হারিয়ে গেলে বা ভয়ের সময়ে আদিত্য হূদয়ম পাঠ করলে সর্বদা সুরক্ষিত থাকবে।

পূজয়স্বৈন মেকাগ্রো দেবদেবং জগৎপতিম্‌ ।
এতত্‌ ত্রিগুণিতং জপ্ত্বা যুদ্ধেষু বিজয়িষ্যসি ॥২৬॥

বঙ্গানুবাদ : আপনি যদি পরম একাগ্রতা ও প্রশংসার সাথে প্রভুর অধিপতি এবং বিশ্বজগতের অধিপতির উপাসনা করেন এবং প্রভুর প্রশংসায় এই স্তোত্রটি তিনবার পাঠ করেন তবে আপনি যে কোনও যুদ্ধে বিজয়ী হবেন।

অস্মিন্‌ ক্ষণে মহাবাহো রাবণং ত্বং বধিষ্যসি ।
এবমুক্ত্বা তদাঃগস্ত্যো জগাম চ যথাগতম্‌ ॥২৭॥

বঙ্গানুবাদ : এই মুহূর্তে হে পরাক্রমশালী রাম, তুমি রাবণকে বধ করবে। এই কথা বলে অগস্ত্য যেভাবে এসেছিলেন সেভাবেই চলে গেলেন।

এতচ্ছ্রুত্বা মহাতেজাঃ নষ্টশোকোঽভবত্তদা ।
ধারয়ামাস সুপ্রীতো রাঘবঃ প্রযতাত্মবান্‌ ॥২৮॥

বঙ্গানুবাদ : একথা শুনে মহিমান্বিত রাম সমস্ত দুঃখ থেকে মুক্ত হলেন। সংযত মনে, রাম পরম আনন্দে উপদেশ গ্রহণ করলেন।

আদিত্য়ং প্রেক্ষ্য জপ্ত্বাতু পরং হর্ষমবাপ্তবান্‌ ।
ত্রিরাচম্য শুচির্ভূত্বা ধনুরাদায় বীর্য়বান্‌ ॥২৯॥

বঙ্গানুবাদ : আচমন করে (তিনবার জলে চুমুক দিয়ে) শুদ্ধ হয়ে রাম সূর্যের দিকে তাকিয়ে পরম ভক্তি সহকারে আদিত্য হৃদয়ম পাঠ করে, তিনি পরম আনন্দ অনুভব করলেন। সমস্ত আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি ধনুক তুলে নিলেন।

রাবণং প্রেক্ষ্য হৃষ্টাত্মা য়ুদ্ধায় সমুপাগমত্‌ ।
সর্বয়ত্নেন মহতা বধে তস্য ধৃতোঽভবত্‌ ॥৩০॥

বঙ্গানুবাদ : রাবণকে দেখে রাম আনন্দিত হলেন এবং নিজেকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করলেন। প্রচণ্ড প্রচেষ্টায় তিনি শত্রুকে হত্যা করার সংকল্প গ্রহণ করেন।

অথ রবিরবদন্নিরীক্ষ্য রামং মুদিতমনাঃ পরমং প্রহৃক্ষ্যমাণঃ ।
নিশিচরপতিসংক্ষয়ং বিদিত্বা সুরগণ মধ্যগতো বচস্ত্বরেতি ॥৩১॥

বঙ্গানুবাদ : এইভাবে সূর্যদেব অত্যন্ত আনন্দিত হলেন এবং রামের দিকে অত্যন্ত আনন্দিত দৃষ্টিতে তাকালেন। অসুরদের রাজার ধ্বংস সন্নিকটে জেনে সূর্যদেব অন্যান্য দেবতাদের সাথে যুদ্ধ দেখেছিলেন।
|| সমাপ্ত ||



Jay Ma Durga❣️❤️
29/07/2025

Jay Ma Durga❣️❤️

1. ঢাকা মেডিক্যাল বার্ন ইউনিট2. কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল 3. উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ 4. কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল 5. উ...
21/07/2025

1. ঢাকা মেডিক্যাল বার্ন ইউনিট
2. কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল
3. উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ
4. কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল
5. উত্তরা উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজ
6. মনসুরআলী মেডিকেল কলেজ

রক্তদানে আগ্রহীরা এই হাসপাতাল গুলোতে আসুন, প্রচুর রক্ত লাগতে পারে।

দুর্ঘটনাস্থলে ভিড় করে উদ্ধারকাজ বাধাগ্রস্থ করবেন না প্লিজ।

©️ Abdullah Al Jaber

এক একটা পোস্ট/ভিডিও দেখছি আর শরীরে কাঁটা দিয়ে উঠছে...শীত লাগছে, জ্বর জ্বর অনুভব হচ্ছে, মাথায় রক্তক্ষরণের মতো ফিল হচ্ছে...কেমন যেন ট্রমাটাইজড হয়ে যাচ্ছি...আল্লাহ সবাইকে রক্ষা করুন! 🤲

আর নিতে পারছি না এসব...প্লিজ, আপনারা যার যার জায়গা থেকে সাহায্য করার চেষ্টা করুন! ব্লাড ডোনেট করতে পারলে সেটা করুন...হাসপাতালে যাওয়ার জন্য রাস্তা ক্লিয়ার করতে সাহায্য করুন...যানবাহনের ব্যবস্থা করুন! প্লিজ 😭

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bhagavan Darshan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Bhagavan Darshan:

Share