Ahoban

Ahoban This page is to share the Islamic knowledge among people. Just about to send message of human rights with religious view to whole nation.
(1)

21/05/2026

এখন প্রকাশ্যে বিচার করতে সমস্যা কোথায়?

05/05/2026

সুবহানাল্লাহ 😊🌸

04/05/2026

Surat Furqan

03/05/2026

জীবন সঙ্গিনী যেমন হতে হয়?

❤️

02/05/2026

আত্মহত্যার গুনাহ কি আল্লাহ মাফ করবেন?

01/05/2026

Surah Furqan, verses 70-73

❤️

30/04/2026

আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়া'সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ(ﷺ)

❤️

29/04/2026

বদ - নজর জীন সয়তান থেকে মুক্ত পাওয়া দোয়া

❤️

বনী ইসরায়েলের এক প্রতাপশালী ও ধার্মিক রাজা ছিলেন। আল্লাহ তা‘আলা তাঁকে দীর্ঘায়ু, অগাধ সম্পদ এবং অসংখ্য সন্তান-সন্ততি দান ...
28/04/2026

বনী ইসরায়েলের এক প্রতাপশালী ও ধার্মিক রাজা ছিলেন। আল্লাহ তা‘আলা তাঁকে দীর্ঘায়ু, অগাধ সম্পদ এবং অসংখ্য সন্তান-সন্ততি দান করেছিলেন। কিন্তু রাজার অন্তরে এক গভীর দুঃখ লুকিয়ে ছিল। তাঁর সকল পুত্রই বড় হয়ে দুনিয়ার মোহ ত্যাগ করে সন্ন্যাস জীবন গ্রহণ করতেন। তারা রাজকীয় বিলাসী পোশাক ছেড়ে রুক্ষ পশমের কাপড় পরিধান করতেন এবং পাহাড়-জঙ্গলে গিয়ে আল্লাহর ইবাদতে নিমগ্ন হয়ে যেতেন। রাজা বারবার এ দুঃখে ভুগতেন যে, তাঁর রাজত্বের উত্তরাধিকারী কে হবে?

অবশেষে বৃদ্ধ বয়সে তাঁর কোলে একটি পুত্রসন্তান এলো। রাজা ভাবলেন, “এবার এ সন্তানকে যেন অন্যদের মতো না হারাই। যেন সে দুনিয়ার বাস্তবতা না জেনে বিলাসিতায় মগ্ন থাকে।” তাই তিনি রাজপুত্রের জন্য চারদিকে উঁচু দেয়াল ঘেরা এক বিশাল, বিলাসবহুল প্রাসাদ নির্মাণ করলেন। প্রাসাদের ভেতরে ছিল সব ধরনের আরাম-আয়েশ, দামি খাবার, সুন্দর উদ্যান—কিন্তু বাইরের জগতের কোনো দুঃখ-কষ্ট, রোগ-শোক বা মৃত্যুর ছায়া যেন তার চোখে না পড়ে। রাজপুত্র সেখানেই বড় হতে লাগলেন, দুনিয়ার কঠিন সত্য থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন।

যখন রাজপুত্র যুবক হয়ে উঠলেন, তাঁর মনে বাইরের জগত দেখার প্রবল ইচ্ছা জাগ্রত হলো। রাজা অনিচ্ছা সত্ত্বেও তাঁকে বাইরে যাওয়ার অনুমতি দিলেন, তবে সুসজ্জিত রথ, অসংখ্য পাহারাদার ও সঙ্গী দিয়ে।

প্রথমবার বাইরে যাওয়া:
পথে রাজপুত্র এক অসুস্থ, দুর্বল ও বিপর্যস্ত মানুষ দেখলেন। অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “এ কী অবস্থা?” সঙ্গীরা বললেন, “এটি রোগ।”
রাজপুত্র প্রশ্ন করলেন, “এ কি শুধু এই ব্যক্তির হয়, নাকি সবার হতে পারে?”
উত্তর এল, “যে কোনো মানুষই রোগে আক্রান্ত হতে পারে—রাজা হোক বা প্রজা।”
রাজপুত্রের মন বিষণ্ণ হয়ে উঠল। তিনি ভাবলেন, “যদি এই বিলাসিতাও একদিন রোগে নষ্ট হয়ে যায়, তবে এর কোনো মূল্যই নেই।” বিমর্ষ মনে প্রাসাদে ফিরে এলেন।

দ্বিতীয়বার বাইরে যাওয়া:
কিছুদিন পর আবার বের হলেন। এবার দেখলেন এক অতি বৃদ্ধ মানুষ—মুখ থেকে লালা ঝরছে, শরীর কাঁপছে, চলতে পারছে না।
রাজপুত্র জিজ্ঞেস করলেন, “এর এই দশা কেন?”
সঙ্গীরা বললেন, “এটি বার্ধক্য। যে দীর্ঘজীবী হয়, তাকেই এই অবস্থা পোহাতে হয়।”
রাজপুত্র আঁতকে উঠলেন এবং বললেন, “তাহলে তো এ দুনিয়ার জীবন কেবল এক ধোঁকা! যা শেষ পর্যন্ত এমন দুর্বলতায় পরিণত হয়।”

তৃতীয়বার বাইরে যাওয়া:
তৃতীয়বার বের হলে দেখলেন কয়েকজন মানুষ কাঁধে একটি খাটিয়া বহন করে নিয়ে যাচ্ছে। খাটিয়ায় শুয়ে আছে এক নিথর দেহ।
রাজপুত্র প্রশ্ন করলেন, “এ কী? এ লোকটিকে কি বসানো যাবে না? সে কি কথা বলবে না?”
সঙ্গীরা বললেন, “এটি মৃত্যু। এই ব্যক্তির জীবন শেষ হয়ে গেছে। এখন তাকে মাটির নিচে দাফন করা হবে।”
রাজপুত্র আরও জিজ্ঞেস করলেন, “এরপর কী হবে?”
উত্তর এল, “এরপর হাশরের দিন আসবে। কিয়ামত হবে। সেদিন দুনিয়ার প্রতিটি ভালো-মন্দের হিসাব দিতে হবে।”

মৃত্যু ও পরকালের এই ভয়ংকর সত্য শুনে রাজপুত্রের হৃদয়ে বিদ্যুৎ খেলে গেল। তিনি ঘোড়া থেকে লাফিয়ে নেমে পড়লেন, ধুলায় মুখ ঘষতে লাগলেন এবং কাঁদতে কাঁদতে বলতে লাগলেন:
“হায়! আমি এতদিন এই ভয়ানক সত্য না জেনে বিলাসিতায় ডুবে ছিলাম!”

প্রাসাদে ফিরে পিতাকে বললেন, “আমি আর এ রাজপ্রাসাদে থাকব না। যেখানে হিসাব দিতে হবে, সেখানে বিলাসিতা করা যায় না।” রাজা অনেক বোঝালেন, কান্নাকাটি করলেন, কিন্তু রাজপুত্রকে ফেরাতে পারলেন না।

মাঝরাতে তিনি সাধারণ পোশাক পরে গোপনে প্রাসাদ ত্যাগ করলেন। বের হওয়ার সময় আল্লাহর দরবারে ক্রন্দনরত অবস্থায় দো‘আ করতে লাগলেন:
“হে আল্লাহ! আমি দুনিয়ার মোহে পড়ে আমার জীবন নষ্ট করতে চাই না। আমি আপনার কাছে তওবা করছি। আপনি আমার তওবা কবুল করুন।”

বিখ্যাত তাবি‘ঈ হযরত বকর বিন আব্দুল্লাহ আল-মুযানী (রহ.) এই হৃদয়স্পর্শী ঘটনা বর্ণনা করে বলেছিলেন:

“এই যুবকটি মাত্র একটি গোনাহ—দুনিয়ার মোহ—থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্যই এমন আন্তরিক তওবা করে সব ত্যাগ করেছিলেন। অথচ আমরা যারা জেনে-শুনে প্রতিদিন অগণিত গোনাহ করি, আমাদের অন্তরে কেন অনুশোচনা জাগে না? কেন আমরা তওবা করে আল্লাহর দিকে ফিরে আসি না?”

সূত্র: কিতাব আত-তাওয়াবীন (ইমাম ইবনে কুদামা আল-মাকদিসী রহ.)

এ কাহিনী আমাদের শিক্ষা দেয় যে, দুনিয়ার বিলাসিতা ক্ষণস্থায়ী। রোগ, বার্ধক্য ও মৃত্যু অনিবার্য। সত্যিকারের সুখ আল্লাহর স্মরণে ও তাঁর পথে। আসুন আমরাও তওবা করে আল্লাহর দিকে ফিরি—যেন পরকালে লাঞ্ছিত না হই।

হযরত ইউনুস (আ.) আল্লাহ তাআলার একজন সম্মানিত নবী। তাঁকে প্রেরণ করা হয়েছিল প্রাচীন ইরাকের মোসুল অঞ্চলের নিনেভা (নীনাওয়া) ন...
27/04/2026

হযরত ইউনুস (আ.) আল্লাহ তাআলার একজন সম্মানিত নবী। তাঁকে প্রেরণ করা হয়েছিল প্রাচীন ইরাকের মোসুল অঞ্চলের নিনেভা (নীনাওয়া) নগরীর অধিবাসীদের কাছে। এই জাতি ছিল মূর্তিপূজক এবং গভীর কুফরি ও পাপাচারে লিপ্ত। হযরত ইউনুস (আ.) দীর্ঘদিন তাদের তাওহীদের দাওয়াত দেন, সৎকর্মের প্রতি আহ্বান জানান এবং আল্লাহর আযাব থেকে সতর্ক করেন। কিন্তু তারা তাঁর দাওয়াত প্রত্যাখ্যান করে এবং অবাধ্যতা প্রদর্শন করে।

দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর হযরত ইউনুস (আ.) তাদের ঈমান আনার ব্যাপারে নিরাশ হয়ে পড়েন। তিনি আল্লাহর অনুমতি ছাড়াই রাগান্বিত অবস্থায় নগরী ত্যাগ করেন, ধারণা করে যে আযাব অবশ্যই নেমে আসবে। (কুরআনের ভাষায়: “যখন সে রাগান্বিত হয়ে চলে গেল এবং মনে করল যে, আমি তার উপর ক্ষমতা প্রয়োগ করব না।” – সূরা আম্বিয়া: ৮৭) তিনি জানিয়ে দিয়ে যান যে, কয়েকদিনের মধ্যে (তাফসীরে তিন দিন বা চল্লিশ দিন বলা হয়েছে) আযাব আসবে।

ইউনুস (আ.) চলে যাওয়ার পর নিনেভাবাসীরা আযাবের আলামত দেখতে পান – আকাশ অন্ধকার হয়ে যায়, প্রচণ্ড তাপদাহ পড়ে এবং আযাবের মেঘ তাদের মাথার উপর ঘুরপাক খেতে থাকে। তারা বুঝতে পারে যে নবী সত্য বলেছেন। তারা ইউনুস (আ.)-কে খুঁজতে থাকে, কিন্তু না পেয়ে সিদ্ধান্ত নেয় যে সবাই মিলে আল্লাহর কাছে তওবা করবে।

তারা শহর ছেড়ে একটি উন্মুক্ত স্থানে (কোনো কোনো বর্ণনায় ‘তাল আল-রামাদ’ বা ছাইয়ের পাহাড়) সমবেত হয়। তাদের তওবা ছিল অত্যন্ত আন্তরিক ও মর্মস্পর্শী। তারা উপবাস করেন, ছাই মাখেন, খসখসে কাপড় পরেন, কাঁদতে কাঁদতে আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং পাপ থেকে ফিরে আসেন। কোনো কোনো বর্ণনায় বলা হয়েছে যে, তারা শিশু ও পশুপাখিদেরও সাথে নিয়ে এসেছিল এবং মা-বাচ্চাদের আলাদা করে দিয়েছিল, যাতে তাদের করুণ আর্তনাদে আল্লাহর রহমত নেমে আসে। এতে চারদিকে হৃদয়বিদারক কান্নার ধ্বনি ছড়িয়ে পড়ে।

আল্লাহ তাআলা তাদের খাঁটি তওবা দেখে কবুল করেন এবং আযাব তুলে নেন। পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে:

“ফালাও কানাত কারিয়াতুন আমানাত ফানফা‘আহা ঈমানুহা ইল্লা কাওমা ইউনুসা লাম্মা আমানূ কাশাফনা ‘আনহুম ‘আযাবাল খিযয়ি ফিল হায়াতিদ দুনইয়া ওয়া মাত্তা‘নাহুম ইলা হীন।”

(অর্থ: “ইউনুসের জাতি ছাড়া এমন কোনো জনপদ ছিল না যারা (আযাব দেখার পর) ঈমান এনেছে এবং তাদের ঈমান তাদের উপকারে এসেছে। তারা যখন ঈমান আনল, আমি তাদের থেকে দুনিয়ার লাঞ্ছনাদায়ক আযাব তুলে নিলাম এবং তাদেরকে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ভোগ করার সুযোগ দিলাম।” – সূরা ইউনুস: ৯৮)

এটি ইতিহাসে এক অনন্য ঘটনা – একটি পুরো জাতি আযাবের চিহ্ন দেখে খাঁটি তওবা করে এবং আল্লাহ তাদের ক্ষমা করেন। অন্য কোনো জাতির ক্ষেত্রে এমন হয়নি যে আযাব দেখার পর ঈমান এনে তারা দুনিয়ার আযাব থেকে রক্ষা পেয়েছে।

শিক্ষা:
এই কাহিনী আমাদের শেখায় যে, তওবা যদি একনিষ্ঠ ও খাঁটি হয়, তাহলে আল্লাহর রহমত থেকে কখনো নিরাশ হওয়ার কিছু নেই। আযাব যত নিকটবর্তী হোক না কেন, আন্তরিক তওবা তা ফিরিয়ে দিতে পারে। আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও দয়াময়।

সূত্র: পবিত্র কুরআন (সূরা ইউনুস: ৯৮; সূরা সাফফাত: ১৩৯-১৪৮; সূরা আম্বিয়া: ৮৭-৮৮), তাফসীরে ইবনে কাসীর, তাফসীরে কুরতুবী, কিতাব আত-তাওয়াবীন (ইবনে কুদামা আল-মাকদিসী রহ.) এবং অন্যান্য ইসলামী ঐতিহ্য। কিছু বিস্তারিত বর্ণনা (যেমন শিশু-পশু আলাদা করা, জিবরাঈলের মাধ্যমে উত্তাপ ছড়ানো) ইসরাইলীয়াত বা ঐতিহাসিক বর্ণনা থেকে এসেছে, যা কুরআন-হাদীসে সরাসরি নেই, তবে তওবার মর্মস্পর্শী চিত্র তুলে ধরে।

23/04/2026

আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়া'সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ(ﷺ)

Address

Dhaka
1000

Telephone

+8801917009119

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ahoban posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share