Al Hadis আল হাদীসের আলো । ঘরে ঘরে জ্বালো

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • Al Hadis আল হাদীসের আলো । ঘরে ঘরে জ্বালো

Al Hadis আল হাদীসের আলো । ঘরে ঘরে জ্বালো Our post only from Al-Quran & Hadish. If you have any suspect then check our post reference ..... Al Hadiser Alo ( আল হাদীসের আলো । ঘরে ঘরে জ্বালো। )

11/11/2023

___কি চমৎকার সমাধান!!🤍
"যখন আমি কষ্ট পাই,,
কোরআন বলেঃ--"নিশ্চয়ই কষ্টের সাথে স্বস্তি রয়েছে!"
------[সূরা ইনশিরাহ]

"যখন আমি সুখ চাই,,
কোরআন বলেঃ--"আল্লাহ কষ্টের পরেই সুখ দিবেন!"
-----[সূরা তালাকঃ-০৭]

"যখন আমি প্রিয় জিনিস টা পেলাম না,,
কোরআন বলেঃ--"তোমরা হয়তো এমন জিনিস পছন্দ কর, যা তোমাদের জন্য অকল্যাণ কর!"
-----[সূরা বাক্কারাঃ-২১৬]

" যখন আমি বিচার চাই,,
কোরআন বলেঃ--" আপনি ধৈর্য ধারণ করুণ যতক্ষণ পর্যন্ত আল্লাহ বিচার না করেন!"
------[সূরা ইউসুফ ঃ-১০৯]

" যখন আমি কষ্ট সহ্য করতে চাই না,,
কোরআন বলেঃ--" যারা ইমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে, আর আমি কাউকে তার সামর্থ্য এর অতিরিক্ত দায়িত্ব অর্পণ করি না, তারা হচ্ছে জান্নাতবাসী সেখানে তারা চিরকাল থাকবে.."
------[সূরা আরাফঃ-৪২]

" যখন আমি আল্লাহর সাহায্য চাই,,
কোরআন বলেঃ-" ভেঙে পড় না, নিরাশ হইও না, আল্লাহর সাহায্য আসবেই এটা আল্লাহর ওয়াদা! জেনে রেখ আল্লাহর সাহায্য অতি নিকটে!"
------[সূরা বাক্কারাঃ]

" যখন আমি ধৈর্য ধারণ করি,,
কোরআন বলেঃ-"যারা সবরকারী তারা পুরুষ্কার পায় অগণিত!"
-------[সূরা যুমারঃ১০]

" যখন আমি হতাশায় থাকি,,
কোরআন বলেঃ-"আল্লাহর উপর ভরসা কর, যদি তোমরা বিশ্বাসী হও!"
------[সূরা মায়িদাঃ-২৩]

"যখন আমি তাওবা করি,,
কোরআন বলেঃ--"আল্লাহ তাওবা কবুলকারী, করুণাময়!"
-------[সূরা তাওবাঃ-১০৪]

" যখন আমি নিরাশ হই,,
কোরআন বলেঃ-"একমাত্র কাফির ছাড়া অন্য কেউ আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয় না!"
------[সূরা ইউসুফঃ-৮৭]

" অবশ্যই তুমি পাবে যা তোমার থেকে চলে গেছে, তার চেয়েও উত্তম!"
------[সূরা আনফালঃ-৭০]

" যখন আমি ভালো কিছু করি,,
কোরআন বলেঃ-"উত্তম কাজের প্রতিদান, উত্তম ছাড়া আর কী হতে পারে?"
------[সূরা আর রহমানঃ-৬০]

" যখন আমি বিপদে পড়ি,,
কোরআন বলেঃ-" আমি অবশ্যই তোমাদিগকে পরীক্ষা করবো কিছুটা ভয়, ক্ষুধা, মাল ও জানের ক্ষতি এবং ফল-ফসল বিনষ্টের মাধ্যমে। তবে সুসংবাদ দাও সবরকারীদের!"
------[সূরা বাক্কারাঃ-১৫৫]

" খুব শীগ্রই তোমার রব তোমাকে এতো দেবে যে, তুমি খুশি হয়ে যাবে!"
-------[সূরা আদ-দুহাঃ-০৫]

Collected from Facebook.....

সবাইকে পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইলো। মহান আল্লাহ পাক সবাইকে পবিত্র রমজান মাসের রোযা পালন করার তাওফিক দান...
24/03/2023

সবাইকে পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইলো। মহান আল্লাহ পাক সবাইকে পবিত্র রমজান মাসের রোযা পালন করার তাওফিক দান করুন।

আল্লাহ চাইলেই সব কিছু করতে পারেন নিমিষেই। তিনি যখন كُنْ বলেন তখন ُفَيَكُون (হয়ে যায়)।إِنَّمَا أَمْرُهُ إِذَا أَرَادَ شَي...
08/02/2023

আল্লাহ চাইলেই সব কিছু করতে পারেন নিমিষেই।
তিনি যখন كُنْ বলেন তখন ُفَيَكُون (হয়ে যায়)।

إِنَّمَا أَمْرُهُ إِذَا أَرَادَ شَيْئًا أَن يَقُولَ لَهُ كُن فَيَكُونُ°
তিনি যখন কোন কিছু করতে ইচ্ছে করেন, তখন তাকে কেবল বলেন দেন "হও" আর তখনই তা হয়ে যায়।
(সুরা ইয়াসিন ৮২)।

ظَهَرَ ٱلْفَسَادُ فِى ٱلْبَرِّ وَٱلْبَحْرِ بِمَا كَسَبَتْ أَيْدِى ٱلنَّاسِ لِيُذِيقَهُم بَعْضَ ٱلَّذِى عَمِلُواْ لَعَلَّهُمْ يَرْجِعُونَ°

আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা এখনো সময় আছে আপনারা রবের দিকে ফিরে আসুন, আর কতো হেলায় অবহেলায় নিজের জীবন নষ্ট করবেন.? এই মিছে দুনিয়ার মায়ায় পড়ে রব'কে ভুলে গেলে চলবেনা। সময় থাকতে রবে'র নিকট সোপর্দ হন।

ভয়াবহতা দেখুন মাত্র ৪৫ সেকেন্ড !
৭.৮ মাত্রার ভুমিকম্পে তুরস্ক, সিরিয়া বিপর্যস্ত।
মানবেতর পরিবেশ চলছে।
তুরস্কের ও সিরিয়ার ৭.৮ থেকে ৮ মাত্রার ভূমিকম্প।
এই ভূমিকম্পে কয়েক হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সেই সাথে আহত হয়েছেন অগনিত নারী, শিশু, বৃদ্ধ, যুবক সহ অনেকেই।
হে মহান আল্লাহ আপনি এই ভূমিকম্পে মৃতদের ক্ষমা করুন এবং জীবিতদের সুস্থতা দান করুন, ঐ এলাকার আশেপাশের সবাইকে হেফাজত করুন।

আপনি হয়তো ভাবছেন এই ভুমিকম্প ভিন্ন দেশে হয়েছে, আমরা তো বেঁচে গেলাম, আপনার ধারনা ভুল, আমার রব ছাড় দেন, কিন্তু ছেড়ে দেন না!
যে হারে নাফরমানী চলতেছে, (আল্লাহ না করুন) কখন যে আমার আপনার কাছে আজাব চলে আসে চোখে কানেও টের পাবে না!
আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুক!

13/11/2022

■▪রিজিকের সর্বনিম্ন স্তর হচ্ছেঃ টাকা, পয়সা, অর্থ এবং সম্পদ।
■▪রিজিক এর সর্বোচ্চ স্তর হচ্ছেঃ শারীরিক এবং মানসিক সুস্থতা।
■▪রিজিকের সর্বোত্তম স্তর হচ্ছেঃ পুণ্যবান স্ত্রী এবং পরিশুদ্ধ নেক সন্তান এবং
■▪রিজিকের পরিপূর্ণ স্তর হচ্ছেঃ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি।
■■ রিজিক শব্দটি গভীর একটি বিষয়, যদি আমরা তা বুঝতে পারি।
■■ আমি পুরো জীবনে কত টাকা আয় করবো সেটা লিখিত, কে আমার জীবনসঙ্গী হবে সেটা লিখিত, কবে কোথায় মারা যাবো সেটাও লিখিত এবং কতটা খাবার ও পানীয় গ্রহণ করবো তাও লিখিত বা নির্দিষ্ট।
■■ আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে, আমি কতগুলো দানা বা ভাত দুনিয়াতে খেয়ে তারপর মারা যাবো সেটা লিখিত। একটি দানাও কম হবেনা এবং একটি বেশিও না।
■■ ধরুন এটা লিখিত যে আমি সারাজীবনে এক কোটি টাকা আয় করবো, এই সিদ্ধান্ত আল্লাহ্‌ তা'আলা নিয়েছেন।
■■ কিন্তু, আমি হালাল উপায়ে আয় করবো না হারাম উপায়ে আয় করবো, সেই সিদ্ধান্ত একান্তই আমার।
■■ যদি ধৈর্য ধারণ করি, আল্লাহ্‌ তা'আলার কাছে চাই, তাহলে হালাল উপায়ে ওই এক কোটি টাকা আয় করেই আমি মারা যাবো। আর হারাম উপায়ে হলেও ওই এক কোটিই... নাথিং মোর, নাথিং লেস!
■■ আমি যেই ফলটি আজকে টেকনাফ বসে খাচ্ছি, সেটা হয়ত ইতালি কিংবা থাইল্যান্ড থেকে ইমপোর্ট করা। ওই গাছে যখন মুকুল ধরেছে তখনই নির্ধারিত হয়েছে যে, সেটি আমার কাছে পৌঁছাবে। এর মধ্যে কত পাখি ওই ফলের উপর বসেছে, কত মানুষ এই ফলটি পাড়তে গেছে, দোকানে অনেকে এই ফলটি নেড়েচেড়ে রেখে গেছে, পছন্দ হয় নি বা কিনেনি। এই সব ঘটনার কারণ একটাই, ফলটি আমার তাক্বদীরে লিখিত। যতক্ষণ না আমি কিনতে যাচ্ছি, ততক্ষণ সেটা ওখানেই থাকবে।
এর মধ্যে আমি মারা যেতে পারতাম, অন্য কোথাও চলে যেতে পারতাম, কিন্তু না! রিজিকে যেহেতু লিখিত আমি এই ফলটি না খেয়ে মারা যাবো না।
■■ রিজিক জিনিসটা এতোটাই শক্তিশালী!
■■ কিংবা যেই আত্মীয় কিংবা বন্ধু-বান্ধব আমার বাসায় আসছে, সে আসলে আমার খাবার খাচ্ছে না। এটা তারই রিজিক, শুধুমাত্র আল্লাহ্‌ তা'য়ালা আমার মাধ্যমে তার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন। হতে পারে এর মধ্যে আমাদের জন্য মঙ্গল রয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ!
■■ কেউ কারোটা খাচ্ছে না, যে যার রিজিকের ভাগই খাচ্ছেন।
■■ আমরা হালাল না হারাম উপায়ে খাচ্ছি, সেটা নির্ভর করছে, আমি আল্লাহ্‌ তা'আলার উপর কতটুকু তাওয়াক্কুলের উপর আছি, কতটুকু ভরসা করে আছি। তার উপর।

কেননা, আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ
وما من دابة فى الارض الا على الله رزقها
-------"দুনিয়ায় বিচরণকারী এমন কোনো প্রাণী নেই,যার রিজিকের দায়িত্ব আমি আল্লাহর উপর নেই"।

অনলাইন থেকে সংগৃহীত

14/10/2022

#আসলে_আমরা_নামে_মাত্র_মুসলমান_দাবীদার

একজন বিজ্ঞ আলেম ছিলেন। যার অনেক ছাত্র ছিল। যখনই তার কাছে নতুন কোন শিষ্য আসতো তিনি তখন তার পরীক্ষা নিতেন।

তিনি কিছু পাখি পালতেন। আর পাখিগুলোকে তিনি একটি কথা শিক্ষা দিয়েছিলেন, কথাটি হল; "শিকারি আয়েগা, দানা ডালেগা, জাল বিছায়েগা, ফাসনা নেহি"। অর্থাৎ "শিকারি আসবে, খাবার দিবে, জাল পাতবে, ফেঁসে যেও না।"

যখনই নতুন কোন ছাত্র আসতো তখনই তিনি তাকে কিছু দানা আর একটি জাল দিয়ে বলতেন, "যাও ঐ গাছের নিচ থেকে কিছু পাখি ধরে নিয়ে আসো।"

পাখিগুলো মানুষ দেখামাত্রই এই বলে গান গাইতে শুরু করতো যে, "শিকারি আয়েগা, দানা ডালেগা, জাল বিছায়েগা, ফাসনা নেহি"। তখন বেশিরভাগ ছাত্রই ফিরে আসতো এই ভেবে যে, এত চালাক পাখি ধরা যাবে না!

কিন্ত যদি কোন ছাত্র জাল পাততো আর দানা দিতো তবে দেখতো যে, পাখিগুলো মুখে ঐ কথা বলছে ঠিকই কিন্ত দানা খেতে আসছে আর জালে ফেঁসে যাচ্ছে। অর্থাৎ তাদের মুখের কথা তাদের কোন কাজেই আসছে না।

এই পাখিগুলো আসলে কি বলছে তারা সেটা নিজেরাই জানে না। পাখিগুলো জানে না- 'শিকারি' কি জিনিস! 'জাল' কি জিনিস! 'ফাসনা' কি জিনিস! তাই তারা মুখে যতই গান গাওক না কেন, তাও জালে ফেঁসে মৃত্যু ডেকে আনছে।

★ আজকের জামানায় আমাদের অবস্থাও ঠিক যেন পাখিদের মতই হয়ে গেছে। আমরা মুখে 'লা~ইলাহা ইল্লাল্লাহ' বলে সাক্ষ্য দিচ্ছি, কিন্তু আমরা এর মর্ম জানি না। প্রত্যেক সালাতে সূরা ফাতিহা পড়ি কিন্তু আমরা বুঝি না এর ভিতর আল্লাহ কি বলতে চেয়েছেন।

একই সাথে আমরা সুদ-ঘুষ, পরনিন্দা, অহংকার, যিনা, গীবত, অশ্লীলতা, পর্দাহীনতা, ও অসংখ্য হারাম কাজ করছি আর কথা বলা পাখির মতই আবার কালেমা বলছি আর নিজেকে মুসলমান হিসেবে দাবীও করছি! কাজেই আমাদের এই সাক্ষ্যদান কথা বলা পাখির মতন। আমরা মুখে কালেমা জপার পরেও শিকারির জালে ফেঁসে যাচ্ছি।
আল্লাহ তাআলা আমাদের যথাযথভাবে অনুবাধন করার তৌফিক দান করুন আমীন

কপি পেস্ট পোস্ট

18/11/2021

#ফ্যাক্ট_গায়ে_হলুদের_নামে_অপসংস্কৃতিতে_আমরা

গায়ে হলুদের অজুহাতে আপনার এলাকার সব যুবক ও বৃদ্ধরা পরিচিত ও অপরিচিত সবাই আপনার বাসায় এসে সন্ধ্যা থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত একজন একজন করে আপনার মেয়ের অথবা বোনের দুই গালে ও হাতে স্পর্শ করে যাচ্ছে। সেই সাথে ছবি উঠিয়ে নিচ্ছে মোবাইলে করে এবং আপনি তাদের আপ্যায়নের জন্য মিষ্টি, বিরিয়ানি খাওয়াচ্ছেন, আনন্দে বড় স্পিকারে গান বাজাচ্ছেন! যারা জীবনে কোনদিন আপনার বাসার ভিতরে ঢুকে আপনার মেয়ে বা বোনের সাথে ছবি তোলা বা হাতে ও গালে ধরার সাহস পেত না। কিন্তু আজ আপনি গায়ে হলুদের নামে সেই সুযোগ টুকু করে দিয়ে নিজেকে নিয়ে খুব গর্বিত বোধ করছেন তাই না?
ভাবছেন এলাকায় আপনার সম্মান বৃদ্ধি পাবে যে আপনি কত কিছুর আয়োজন করছেন।

অবাক হবেন না, বিয়ের আগের দিনে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানের কথা বলছিলাম।

অদ্ভুত নির্লজ্জ সংস্কৃতিটাকে এভাবে ভেবে দেখেছিলেন কখনো?

মৃত্যুর পর আপনার রবকে কি জবাব দেবেন?

15/02/2019

রাত ৪টা ১৫ মিনিট...
মুয়াজ্জিন মাইকে ফজরের আজান দিচ্ছে
পাশ ফিরে উঠতে যাবো, তখনই খেলাম বড় ধরনের একটা ধাক্কা..!
আবছা আলোতে দেখলাম আমার মত দেখতে পাশে একজন শুয়ে আছে।
এইটা আবার কে..? ভয়ে ভয়ে তাকে নাড়া দিলাম, দেখলাম অচেতন।
কোনো কথা বলছে না,
শরীর ঠান্ডা।কিছুক্ষণ পরেই মনে হলো ভদ্রলোক মারা গেছেন। চিন্তা করলাম এই লাশটা এখানে কেন..? আবার দেখতে পুরোপুরি আমার মত..!
স্বপ্ন দেখছিনা তো..? না.. সত্যিই তো...অনেকক্ষণ চিৎকার করে সবাইকে ডাকার চেষ্টা করলাম।
কিন্তু এ কি! কেউই আসছেনা..একটু পর দেখলাম বোন রুমের লাইট জালালো এবং ওই লাশটার কাছে এসে বললো, "ভাই ফজরের আজান হয়ে গেছে আমিতো পুরোই অবাক, এইসব হচ্ছেটা কি..? ওর কাছে গিয়ে বললাম, "অই.. তোর কি মাথা খারাপ হইসে? লাশটা এই রুমে আসলো কিভাবে? এইটা কার লাশ?"দেখলাম, সে আমার কথায় কোন কর্ণপাতই করলো না।
সেও লাশটা ধরে অবাক হলো এবং চিৎকার করে উঠলো..মুহুর্তেই পাশের রুম থেকে আম্মু-আব্বু এসে স্তব্ধ। ধপ করে খাটে বসে লাশটাকে ধরে ঝাঁকাতে লাগলো এবং চিৎকার করতে লাগলো, "বাবা, কি হইসে তোর..? কথা বলছিস না কেনো..? কথা বল...।" আম্মু ব্যাপারটা বোঝার সাথে সাথেই বেহুঁশ।
চিৎকারের আওয়াজে চাচা-চাচিরা, ভাবি, কাজিনরা সবাই জড়ো হলো। লাশটা দেখেই সবাই ইন্নালিল্লাহ পড়তে লাগলো। আশেপাশে কান্নার রোল পরে গেছে।মুয়াজ্জিন যখন আমার বাবার নাম নিয়ে বললো অমুকের ছেলে অমুক ইন্তেকাল করছে, তখন মনে হলো হাই ভোল্টেজের শক খেলাম।
সবাই আমাকে বাদ দিয়ে লাশটা নিয়েই ব্যস্ত হয়ে পরলো। কাউকেই বুঝাতে পারলাম না যে আমি বেঁচে আছি। মনে হলো সবাই পাগল হয়ে গেছে। এক কাজিনকে ক্ষেপে গিয়ে একটা ধাক্কাও মেরেছিলাম, সে দেখলাম বিন্দু পরিমাণ প্রতিবাদ করেনি। ফজরের পর লাশটা গোসল দেয়ার ব্যবস্থা করা হলো। মুয়াজ্জিন সাহেব আরেক জনকে নিয়ে আসলেন গোসল দিতে। দুইজন বলাবলি করতে লাগলেন, "আরে.. মৃত্যু কার কখন আসে বলা যায় না। এইরকম তাগরা মানুষ মারা যাইবো কে ভাবসে, কাল বিকালেই তো আমাদের সাথে হাসিখুশী ভাবে কত কথা বললো।" আমি লাশটার পাশেই ছিলাম, দাঁড়িয়ে উনাদের কথা শুনছিলাম।গোসল দেয়ার পর কাফনের কাপড় পরিয়ে খাটাইয়ের ওপর লাশটা রাখা হয়েছে। লাশ ঢাকবার জন্য মসজিদ থেকে কালো রঙের কাপড়টা আনা হলো। সবাইকে শেষবারের মতো লাশ দেখার সুযোগ করে দেয়া হলো।এখনো আমার কাছে সবকিছু পরিষ্কার না, কিছুই বুঝতে পারছি না। বাসার আশেপাশে প্রচুর মানুষের ভিড়। আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব সবাই এসেছে লাশটাকে দেখতে। কত পরিচিত মানুষ কান্নাকাটি করছে। কিন্তু কাউকেই বুঝাতে পারলাম না, আমি মারা যাই নি, আমি বেঁচে আছি, এটা অন্য কারো লাশ। কেউ আমার কথা শুনতেই পারছে না। যোহরের পর জানাজা। আযান হয়ে গেছে। লাশ নিয়ে যাওয়ার মুহূর্তে আম্মু আর বোন লাশ ধরে সে কি কান্না। আত্মীয়রাও কেঁদে উঠলো। আহা! হৃদয়স্পর্শী এক দৃশ্য। অবাক ব্যাপার..। কিন্তু আজ কিছুই মনে হচ্ছে না, আমি পুরোপুরি সুস্থ, আর শরীরটাও তুলার মত হালকা মনে হচ্ছে। যাই হোক.. লাশ চৌরাস্তা ঈদগাহ মাঠে জানাজার জন্য নিয়ে যাওয়া হলো। ঈদগাহ মাঠ লোকে লোকারণ্য, একটুও জায়গা খালি ছিলো না। বাবা হালকা একটু কথা বলার পর ইমাম সাহেব একটু বয়ান করে জানাজা পড়ালেন।জানাজা শেষে লাশ কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হলো। সেখানে গিয়ে দেখলাম দাদুর কবরের পাশেই একটা কবর খনন করা হয়েছে। ঠিকঠাক ভাবে লাশ দাফন করে সবাই আত্মার মাগফিরাতের জন্য দু'আ পড়তে লাগলো। মুনাজাত শেষে সবাই যার যার মত চলে গেলো কিন্তু বাবা বসে থাকলো। তাকেও জোর করে নিয়ে যাওয়া হলো।অবশেষে আমার কাছে সব পরিষ্কার হতে লাগলো যে আসলেই আমি আর এই জগতে নেই।
আহ! যদি আরেকটা সুযোগ পেতাম, তাহলে কত যে আমল করতাম, সব সময় মসজিদ মাদ্রাসাতেই পরে থাকতাম... কিন্তু তাতো আর হবার নয়।একটু পর দেখি আমি ওই বডিটার মধ্যে যাচ্ছি। আমি পুরোপুরি নিজেকে ফিরে পেলাম। এ কি..! চারদিকে অন্ধকার আর অন্ধকার। অনেক ভয়ে আছি। হয়তো একটু পরই মুনকির-নাকির আসবে, বিভিন্ন প্রশ্ন জিজ্ঞাস করবে, না পারলেই শুরু হবে আযাব।..শুয়ে শুয়ে অন্ধকার ঘরে পুরো ঘটনাটা চিন্তা করলাম, ভাবলাম এগুলা হচ্ছেই, একদিন তো হবেই। হঠাৎ শোয়া থেকে উঠে বসলাম, শরীরের প্রতিটা লোম দাঁড়িয়ে গেছে। এই সপ্ন আমাকে বদলে দিতে সাহায্য করবে।।
প্রতিটা মানুষের এভাবেই প্রতিদিন মৃত্যুকে স্মরণ করা উচিৎ। তাহলে
আশা করা যায় গুনাহ থেকে মনকে বিরত রাখা যাবে এবং কবরের প্রস্তুতি নেয়া যাবে..
আল্লাহ আমাদের সবাইকে
হেদায়েত দান করুন

03/02/2015
He who created death and life to test you ( as to ) which of you is best in deed. Suratul Molk-2
28/11/2014

He who created death and life to test you ( as to ) which of you is best in deed.
Suratul Molk-2

Did you forget something?
28/11/2014

Did you forget something?

Do Not Follow Majority,  Always Follow The Right Way.
26/11/2014

Do Not Follow Majority, Always Follow The Right Way.

Address

Dhaka

Telephone

+8801911576166

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Hadis আল হাদীসের আলো । ঘরে ঘরে জ্বালো posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Al Hadis আল হাদীসের আলো । ঘরে ঘরে জ্বালো:

Share