AR Group-Babe Madina

AR Group-Babe Madina Knowledge of Sufism No Nabi and Rasul (Prophets) will come in this Age of Friendship. (Sura Al-A'la, verse 14 & 15).

"There is a nation among my creations who guides with the Truth and establishes justice therewith"
(Surah Al-A'raf, verse 181)

The great men selected by Allah were called Nabi and Rasul (Prophets) in the Age of Prophethood and in the Age of Friendship they are called Wali-Allah (friend of Allah). To make the great ideals of Hazrat Rasul (Sm) or Muhammadi Islam fresh, lively and time-befitting a

great man takes place in every century. In this regard the Hadith narrates, "Certainly Almighty and Noble Allah at the beginning of every century sends such a man for the followers of Rasul (Sm) who reforms the religion" (Abu Daud Sharif). Another Hadith says, "The man who does not know the Imam of his age will be in dark during his death" (Daremi Sharif). Allah states in the Holy Qur’an, "He indeed shall be successful who purifies himself, And magnifies the name of his Guardian-Lord and prays." Sufi Samrat Hujur Qibla thus teaches mainly three lessons – self-purification, immortality of qalb (heart) and deep meditation during prayers. These transform a man into an Asheq-E-Rasul (beloved of Rasul) having a nice character.

26/04/2017

Please SUBSCRIBE This Channel For Upcoming Videos

26/04/2017

ভালো সাউন্ড ও ভালো ভিডিও কোয়ালিটির প্রতি পর্ব সবার আগে নিয়মিত দেখতে এখনই চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে সাথেই থাকুন।

12/02/2017
28/01/2017

পবিত্র কোরআনের মোট আয়াত সংখ্যা = 6236 টি
নিন্মে দেওয়া হলো-
1) সূরা আল ফাতিহা আয়াত সংখ্যা----------- 7
2) সূরা আল বাক্বারাহ আয়াত সংখ্যা------ 286
3) সূরা আল ইমরান আয়াত সংখ্যা--------- 200
4) সূরা আন নিসা আয়াত সংখ্যা ----------176
5) সূরা আল মায়েদাহ আয়াত সংখ্যা------- 120
6) সূরা আল আন-আম আয়াত সংখ্যা------ 165
7) সূরা আল আ’রাফ আয়াত সংখ্যা-------- 206
8) সূরা আল-আনফাল আয়াত সংখ্যা-------- 75
9) সূরা আত তাওবাহ আয়াত সংখ্যা-------- 129
10) সূরা ইউনুস আয়াত সংখ্যা----------- 109
11) সূরা হুদ আয়াত সংখ্যা--------------- 123
12) সূরা ইউসূফ আয়াত সংখ্যা------------ 111
13) সূরা রা’দ আয়াত সংখ্যা ---------------43
14) সূরা ইব্রাহীম আয়াত সংখ্যা----------- 52
15) সূরা হিজর আয়াত সংখ্যা-------------- 99
16) সূরা নাহল আয়াত সংখ্যা------------- 128
17)সূরা বনী ইসরাঈল আয়াত সংখ্যা------- 111
18) সূরা কাহফ আয়াত সংখ্যা------------ 110
19) সূরা মারইয়াম আয়াত সংখ্যা----------- 98
20) সূরা ত্বোয়া-হা আয়াত সংখ্যা-------- 135
21) সূরা আম্বিয়া আয়াত সংখ্যা---------- 112
22) সূরা হাজ্জ্ব আয়াত সংখ্যা------------ 78
23) সূরা আল মু’মিনূন আয়াত সংখ্যা -------118
24) সূরা আন-নূর আয়াত সংখ্যা----------- 64
25) সূরা আল-ফুরকান আয়াত সংখ্যা-------- 77
26) সূরা আশ-শো’আরা আয়াত সংখ্যা----- 227
27) সূরা নমল আয়াত সংখ্যা--------------- 93
28) সূরা আল কাসাস আয়াত সংখ্যা--------- 88
29) সূরা আল আনকাবুত আয়াত সংখ্যা------ 69
30) সূরা আর-রূম আয়াত সংখ্যা------------ 60
31) সূরা লোকমান আয়াত সংখ্যা----------- 34
32) সূরা সেজদাহ আয়াত সংখ্যা------------ 30
33) সূরা আল আহযাব আয়াত সংখ্যা-------- 73
34) সূরা সাবা আয়াত সংখ্যা--------------- 54
35) সূরা ফাতির আয়াত সংখ্যা------------- 45
36) সূরা ইয়াসীন আয়াত সংখ্যা------------ 83
37) সূরা আস-সাফফাত আয়াত সংখ্যা----- 182
38) সূরা ছোয়াদ আয়াত সংখ্যা------------- 88
39) সূরা আল-যুমার আয়াত সংখ্যা---------- 75
40) সূরা আল-মু’মিন আয়াত সংখ্যা--------- 85
41) সূরা হা-মীম সেজদাহ আয়াত সংখ্যা----- 54
42) সূরা আশ-শুরা আয়াত সংখ্যা---------- 53
43) সূরা যুখরুফ আয়াত সংখ্যা------------- 89
44) সূরা আদ দোখান আয়াত সংখ্যা-------- 59
45) সূরা আল জাসিয়া আয়াত সংখ্যা-------- 37
46) সূরা আল আহক্বাফ আয়াত সংখ্যা------ 35
47) সূরা মুহাম্মদ আয়াত সংখ্যা----------- 38
48) সূরা আল ফাতহ আয়াত সংখ্যা--------- 29
49) সূরা আল হুজরাত আয়াত সংখ্যা------- 18
50) সূরা ক্বাফ আয়াত সংখ্যা------------- 45
51) সূরা আয-যারিয়াত আয়াত সংখ্যা------ 60
52) সূরা আত্ব তূর আয়াত সংখ্যা---------- 49
53) সূরা আন-নাজম আয়াত সংখ্যা--------- 62
54) সূরা আল ক্বামার আয়াত সংখ্যা-------- 55
55) সূরা আর রহমান আয়াত সংখ্যা-------- 78
56) সূরা আল ওয়াক্বিয়া আয়াত সংখ্যা----- 96
57) সূরা আল হাদীদ আয়াত সংখ্যা-------- 29
58) সূরা আল মুজাদালাহ আয়াত সংখ্যা--- 22
59) সূরা আল হাশর আয়াত সংখ্যা --------24
60) সূরা আল মুমতাহিনা আয়াত সংখ্যা--- 13
61) সূরা আছ-ছফ আয়াত সংখ্যা---------- 14
62) সূরা আল জুমুআহ আয়াত সংখ্যা ------11
63) সূরা মুনাফিকুন আয়াত সংখ্যা ---------11
64) সূরা আত-তাগাবুন আয়াত সংখ্যা -----18
65) সূরা আত্ব-ত্বালাক্ব আয়াত সংখ্যা---- 12
66) সূরা আত-তাহরীম আয়াত সংখ্যা---- 12
67) সূরা আল মুলক আয়াত সংখ্যা------- 30
68) সূরা আল কলম আয়াত সংখ্যা------- 52
69) সূরা আল হাক্বক্বাহ আয়াত সংখ্যা----- 52
70) সূরা আল মা’আরিজ আয়াত সংখ্যা-- 44
71) সূরা নূহ আয়াত সংখ্যা--------------- 28
72) সূরা আল জিন আয়াত সংখ্যা-------- 28
73) সূরা মুযযামমিল আয়াত সংখ্যা------ 20
74) সূরা আল মুদ্দাসসির আয়াত সংখ্যা-- 56
75) সূরা আল ক্বেয়ামাহ আয়াত সংখ্যা---- 40
76) সূরা আদ-দাহর আয়াত সংখ্যা------- 31
77) সূরা আল মুরসালাত আয়াত সংখ্যা--- 50
78) সূরা আন-নাবা আয়াত সংখ্যা------- 40
79) সূরা আন-নযিআ’ত আয়াত সংখ্যা--- 46
80) সূরা আবাসা আয়াত সংখ্যা---------- 42
81) সূরা আত-তাকভীর আয়াত সংখ্যা-- 29
82) সূরা আল ইনফিতার আয়াত সংখ্যা-- 19
83) সূরা আত-তাতফীফ আয়াত সংখ্যা-- 36
84) সূরা আল ইনশিক্বাক্ব আয়াত সংখ্যা-- 25
85) সূরা আল বুরূজ আয়াত সংখ্যা------ 22
86) সূরা আত্ব-তারিক্ব আয়াত সংখ্যা---- 17
87) সূরা আল আ’লা আয়াত সংখ্যা----- 19
88) সূরা আল গাশিয়াহ আয়াত সংখ্যা--- 26
89) সূরা আল ফজর আয়াত সংখ্যা----- 30
90) সূরা আল বালাদ আয়াত সংখ্যা---- 20
91) সূরা আশ-শামস আয়াত সংখ্যা---- 15
92) সূরা আল লায়ল আয়াত সংখ্যা---- 21
93) সূরা আদ্ব-দ্বোহা আয়াত সংখ্যা----- 11
94) সূরা আল ইনশিরাহ আয়াত সংখ্যা-- 8
95) সূরা ত্বীন আয়াত সংখ্যা------------- 8
96) সূরা আলাক আয়াত সংখ্যা-------- 19
97) সূরা কদর আয়াত সংখ্যা------------ 5
98) সূরা বাইয়্যিনাহ আয়াত সংখ্যা----- 8
99) সূরা যিলযাল আয়াত সংখ্যা-------- 8
100) সূরা আদিয়াত আয়াত সংখ্যা--- 11
101) সূরা কারেয়া আয়াত সংখ্যা----- 11
102) সূরা তাকাসূর আয়াত সংখ্যা----- 8
103) সূরা আছর আয়াত সংখ্যা--------- 3
104) সূরা হুমাযাহ আয়াত সংখ্যা------- 9
105) সূরা ফীল আয়াত সংখ্যা---------- 5
106) সূরা কোরাইশ আয়াত সংখ্যা------ 4
107) সূরা মাউন আয়াত সংখ্যা--------- 7
108) সূরা কাওসার আয়াত সংখ্যা----- 3
109) সূরা কাফিরুন আয়াত সংখ্যা---- 6
110) সূরা নছর আয়াত সংখ্যা--------- 3
111) সূরা লাহাব আয়াত সংখ্যা-------- 5
112) সূরা এখলাছ আয়াত সংখ্যা ------4
113) সূরা ফালাক্ব আয়াত সংখ্যা------ 5
114) সূরা নাস আয়াত সংখ্যা--------- 6
----------------------------------------
মোট আয়াত সংখ্যা = 6236
- মহান সংস্কারক সূফী সম্রাট হযরত শাহ দেওয়ানবাগী (মাঃআঃ)

https://www.youtube.com/watch?v=AcDJ7dt5wKQ
08/06/2016

https://www.youtube.com/watch?v=AcDJ7dt5wKQ

A Short Biography of Sufi Samrat Hazrat Dewanbagi (M.A). This Documentary is based on the Life of Sufi Samrat Hazrat Dewanbagi (M.A). From this Documentary, ...

31/05/2016
31/05/2016
সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী (মাঃ আঃ) হুজুর কেবলাজানের দুই শতাধিক সংস্কারের মধ্যে কয়েকটি সংস্কার -★হযরত রাসূল (সঃ) ফরমান,...
09/05/2016

সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী (মাঃ আঃ) হুজুর কেবলাজানের দুই শতাধিক সংস্কারের মধ্যে কয়েকটি সংস্কার -

★হযরত রাসূল (সঃ) ফরমান, “নিশ্চয়ই মহান পরাক্রমশালী সম্ভ্রান্ত আল্লাহ্ তায়ালা প্রত্যেক শতাব্দীর শিরোভাগে এই উম্মতের জন্যে এমন এক ব্যক্তিকে প্রেরণ করেন, যিনি ধর্মকে সংস্কার করে থাকেন” (আবু দাউদ শরীফ)। মহান আল্লাহ্ তায়ালা সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী (মাঃ আঃ) হুজুর কেবলাজানকে সংস্কারকের মহান দায়িত্ব অর্পণ করেছেন। তাই কালের প্রবাহে ইসলামের নামে পবিত্র কুরআন ও হাদীস বহির্ভূত যেসব বিষয় মুসলিম সমাজে প্রচলিত রয়েছে, তিনি সেগুলোর সংস্কার সাধন করে বিশ্বনবী হযরত রাসূল (সঃ)-এর প্রকৃত ইসলামী দর্শন মানব জাতির কাছে তুলে ধরেছেন। তাঁর সংস্কারগুলো দেশে ও বিদেশে বিপুলভাবে প্রশংসিত হয়েছে। সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী (মাঃ আঃ) হুজুর কেবলাজানের দুই শতাধিক সংস্কারের মধ্যে মাত্র কয়েকটি এখানে উল্লেখ করা হলোঃ-
১। বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ)-এর প্রবর্তিত ইসলামের মৌলিক শিক্ষা হলো, এলমে তাসাউফ(আল্লাহ্কে জানার বিজ্ঞান)। এ তাসাউফের শিক্ষা দিয়েই তিনি বর্বর আরব জাতিকে আদর্শ চরিত্রবান করে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ জাতির মর্যদায় উন্নীত করেছিলেন। অথচ তাসাউফ সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকায় আমাদের মুসলিম সমাজে এলমে তাসাউফের চর্চা বিলুপ্ত হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী (মাঃ আঃ) হুজুর কেবলাজান পবিত্র কুরআন ও হাদীসের আলোকে প্রমাণ করেছেন, হযরত রাসূল (সঃ) মানুষকে তাসাউফের সাধনা করে আত্নিক পরিশুদ্ধতা অর্জনের মাধ্যমে আল্লাহ্র নৈকট্য লাভের শিক্ষা দিয়েছেন। সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী (মাঃ আঃ) হুজুর কেবলাজান ইসলামের অত্যন্ত গুরুপ্তপূর্ণ বিষয় হিসাবে এলমে তাসাউফকে ‘ইসলাম শিক্ষা’ বিষয়ে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য প্রস্তাব দিলে সরকার এর যৌক্তিকতা উলব্ধি করে ১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দে এ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় স্কুল, কলেজে ও বিশ্ববিদ্যালয়ের “ইসলাম শিক্ষা” বিষয়ে এলমে তাসাউফ অন্তর্ভুক্ত করেন।
২। পবিত্র কুরআনে বর্ণিত হয়েছে, “আসমান ও জমিনের মালিক একমাত্র আল্লাহ্”। অথচ আমাদের দেশে জমি রেজিষ্ট্রেশনের সময় দলিলে লিখা হতো- ‘কষ্য কাবলা পত্রমিদং কার্যাংচাগে- আমি এ জমির মালিক। আমার মালিকানা স্বত্ত্ব অমুকের কাছে বিক্রয় করলাম।” সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী (মাঃ আঃ) হুজুর কেবলাজান দলিলের দুর্বোধ্য শব্দগুলো বাদ দিয়ে ইসলামী রীতিতে জমি রেজিষ্ট্রেশনের প্রস্তাব দিয়ে বলেন, “বিসমিল্লাহহির রাহমানির রাহীম- পরম করুনাময় আল্লাহ্ তায়ালা আসমান ও জমিনের প্রকৃত মালিক। কাজেই আমি তাঁর বান্দা হিসেবে আমার জমির দখলীয় স্বত্ত্ব আপনার কাছে বিক্রয় করলাম।” সরকার তাঁর প্রস্তাব সাদরে গ্রহণ করে ১৯৯১ খ্রিষ্টাব্দে থেকে সারা দেশে তাঁর প্রস্তাবিত পদ্ধতিতে জমি রেজিষ্ট্রেশন চালু করেন।
৩। হযরত রাসূল (সঃ)-ফরমান, “দ্বীন জয়ী থাকবে ততদিন, যতদিন লোক শীঘ্র শীঘ্র ইফতার করবে, কেননা ইহুদী-নাছারাগণ ইফতার করে দেরীতে” (আবু দাউদ ও ইবনে মাজাশরীফ)। অথচ আমাদের দেশে প্রতি বছর রমজানের ক্যালেন্ডারে ইসলামিক ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন সংগঠন সূর্যাস্তের ১৪ থেকে ১৮ মিনিট পর ইফতারের সময় নির্ধারণ করতো। সূফী সম্রাট দেওয়ানবাগী (মাঃ আঃ) হুজুর কেবলাজান হাদীস বহির্ভূত এ সময়সূজী সংশোধন করে ইসলামী রীতিতে তা প্রণয়নের জন্য সংসদের মাধ্যমে সরকারের কাছে প্রস্তাব দিলে তা ১৯৯৩ খ্রিষ্টাব্দে সরকারীভাবে বাস্তবায়িত হয়। ফলে এদেশের মুসলমানরা সঠিক সময়ে ইফতার করার সুযোগ লাভ করেন।
৪। খ্রিষ্টানদের উপাসনার দিন রোববারকে বৃটিশ শাসনামলে সাপ্তাহিক ছুটির দিন হিসেবে চালু করা হয়। ফলে এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান শুক্রবারের জু’মার নামাজ ঠিকমত পড়তে পারতেন না। সূফী সম্রাট দেওয়ানবাগী (মাঃ আঃ) হুজুর কেবলাজান এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের জু’মার নামাজ আদায়ের সুবিধার্থে শুক্রবারকে সাপ্তাহিক ছুটি ঘোষণার জন্য বিভিন্ন সরকারের আমলে জোর দাবী উত্থাপন করেন। অবশেষে ১৯৮২ খ্রিষ্টাব্দে সরকার শুক্রবারকে সাপ্তাহিক ছুটি ঘোষণা করেন।
৫। মানব জাতির সর্বোত্তম জীবন বিধান আল্ কুরআনের ৬৬৬৬টি আয়াত আছে বলে সারা দুনিয়ার মুসলমানের মাঝে একটা ভুল ধারণা ছিল। কিন্তু সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী (মাঃ আঃ) হুজুর কেবলাজান পবিত্র কুরআন গবেষণা করে প্রমাণ করেছেন- এতে ৬২৩৬টি আয়াত আছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
৬। ইহুদী-নাছারারা পবিত্র ক্বাবা ও হযরত রাসূল (সঃ)-এর রওজা মোবারকের ছবি সম্মিলিত জায়নামাজ বিক্রী করে। আর মুসলমানগণ সরল বিশ্বাসে ঐ জায়নামাজকে পায়ের নীচেরেখে নামাজ পড়ে নিজেদের ধন্য মনে করতো। কিন্তু সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী (মাঃ আঃ) হুজুর কেবলাজান বলেন, এ দুই পবিত্র স্থানের ছবি সম্মিলিত জায়নামাজ পায়ের নীচে রেখে নামাজ পড়া চরম বেয়াদবী। সুতরাং এ জায়নামাজে নামাজ পড়া উচিৎ নয়। তাঁর অভিমত অনুযায়ী, বাংলাদেশ টেলিভিশনেও এ জায়নামাজে নামাজ না পড়ার পরামর্শ দেয়া হয়।
৭। পবিত্র কুরআনে এরশাদ হয়েছে, “(হে রাসূল!) আপনি বলুন, নিশ্চয়ই আমার নামাজ, আমার কোরবানী, আমার জীবন ও আমার মরণ একমাত্র আল্লাহ্র জন্য” (সূরা-আনআম, আয়াত-১৬২)। অথচ আমাদের দেশে নিজের নামে, পিতার নামে, মায়ের নামে কোরবানী দেয়ার রেওয়াজ চালু ছিল। সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী (মাঃ আঃ) হুজুর কেবলাজান বলেন, ইসলামী বিধান মোতাবেক কোরবানী বান্দার নামে নয়, আল্লাহর নামে দিতে হয়। তাঁর আহ্বানে এদেশের মুসলমানদের ভুলের অবসান ঘটে।
৮। পবিত্র আশুরা সম্পর্কে এদেশের মুসলমানদের ধারণা ছিল- এটা শিয়াদের অনুষ্ঠান, যা শুধু কারবালার হৃদয়বিদারক ঘটনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। কিন্তু সূফী সম্রাট দেওয়ানবাগী (মাঃ আঃ) হুজুর কেবলাজান পবিত্র কুরআন ও হাদীসের আলোকে প্রমাণ করেন, পবিত্র আশুরার দিনে মহান আল্লাহ্ তায়ালা সৃষ্টির লীলা শুরু করে আরশের সমাসীন হয়েছিলেন বলে এদিনে অপরিসীম রহমত ও বরকত নাজিল হয়। এদিনে পৃথিবীতে অসংখ্য অলৌকিক ঘটনা সংঘটিত হয়ে বহু নবী, রাসূল ও অলী-আল্লাহ্র বিপদ দূর হয়েছে। সুতরাং পবিত্র আশুরার পালনের মাধ্যমে মানুষ অপরিসীম কল্যাণ লাভ করতে পারে। তাঁর আহ্বানে সারাদেশে পবিত্র আশুরা জাতীয়ভাবে উদযাপন শুরু হয়।
৯। মুসলিম জাতি যেন পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) পালন করে আল্লাহ্র রহমত লাভ করতে না পারে সেজন্য বিধর্মীরা ষড়যন্ত্রমূলকভাবে প্রচার করেছে যে, বিশ্বনবী হযরত রাসূল (সঃ) ১২ই রবিউল আউয়াল জন্ম ও ওফাৎ লাভ করেছেন। অথচ পবিত্র কুরআনের তাফসীর, হাদীস ও ঐতিহাসিক তথ্য বিশ্লেষণ করে সূফী সম্রাট দেওয়ানবাগী (মাঃ আঃ) হুজুর কেবলাজান প্রমাণ করেছেন, হযরত রাসূল (সঃ) বিদায় হজ্বের পর ৮১তম দিবসে অর্থাৎ একাদশ হিজরীর ১লা রবিউল আউয়াল, সোমবার ওফাৎ লাভ করেছেন। তাঁর ওয়াতের পাঁচ দিন পূর্বে সফর মাসের শেষ বুধবার তিনি জীবনের শেষবারের মতো সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন, যা আজো বিভিন্ন দেশে ‘আখেরী চাহার শোম্বা’ হিসাবে পালিত হয়। সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী (মাঃ আঃ) হুজুর কেবলাজান অকাট্য দলিল দিয়ে প্রমাণ করেছেন ১২ই রবিউল আউয়াল বিশ্বনবী হযরত রাসূল (সঃ)-এর শুভ জন্মদিন। তিনি পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ)-এর গুরুত্ব তুলে ধরে এ দিনকে সৃষ্টিকূলের শ্রেষ্ঠ ঈদ হিসেবে ঘোষণা করেনে। পরবর্তীতে ১২ই রবিউল আউয়াল পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সঃ) জাতীয়ভাবে ধুমধামের সাথে পালিত হতে শুরু করে।
১০। সমগ্র বিশ্বের মানুষের বদ্ধমূল ধারণা ছিল যে, হযরত রাসূল (সঃ) গরীব ছিলেন। সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী (মাঃ আঃ) হুজুর কেবলাজান পবিত্র কুরআন, হাদীস ও ঐতিহাসিক অকাট্য দলিল দিয়ে প্রমাণ করেন হযরত রাসূল (সঃ) ধনী ছিলেন। তিনি কখনো গরীব ছিলেন না। তাঁর অকাট্য দলিল প্রমাণে মুসলমানগণ হযরত রাসূল (সঃ) সম্পর্কে নিজেদের ভুল ধারণা সংশোধন করতে সক্ষম হয়েছেন।
১১। সারা দুনিয়ার মানুষের ধারণা ছিল মহান আল্লাহ্ তায়ালার দীদার লাভ করা সম্ভব নয়। কিন্তু সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী (মাঃ আঃ) হুজুর কেবলাজান পবিত্র কুরআন ও হাদীস দিয়ে প্রমাণ করলেন- এলমে তাসাউফ বা আল্লাহকে জানার বিজ্ঞান সাধনা করলে মানুষের পক্ষে আল্লাহ্র দীদার লাভ করা সম্ভব। হযরত রাসূল (সঃ) মে’রাজে গিয়ে মহান আল্লাহ্ তায়ালার দীদার পেয়েছেন। বেলায়াতের যুগে ইমাম আবু হানিফা (রহঃ)-সহ অসংখ্য অলী-আল্লাহ্ স্বপ্ন ও মোরাকাবার মাধ্যমে আল্লাহ্ তায়ালার দীদার লাভ করেছেন। সুতরাং এলমে তাসাউফের সাধনা করে মানুষের পক্ষে মহান আল্লাহ্ তায়ালার দীদার লাভ করা যে সম্ভব, এ সত্যটি সরকারীভাবে বাংলাদেশে স্কুল এন্ড টেক্সট বুক বোর্ড প্রকাশিত নবম ও দশম শ্রেণির ইসলাম শিক্ষা পুস্তকের তাসাউফ অধ্যায়ে বর্ণিত হয়েছে।
১২। পবিত্র কুরআনে এরশাদ হয়েছে, “নিশ্চয়ই আল্লাহ্ স্বয়ং ও তাঁর ফেরেশতারা নবীর উপরে দরুদ পাঠ করেন, হে বিশ্বাসীগণ! তোমারাও তাঁর উপর দরুদ পড় এবং শ্রদ্ধার সাথে সালাম পেশ কর” (সূরা- আহযাব, আয়াত-৫৬) । একমাত্র মিলাদ মাহফিলেই হযরত রাসূল (সঃ)-এর উপর দরুদ পাঠ করে স্বশ্রদ্ধ সালাম পেশ করা হয়। অথচ আমাদের দেশে একশ্রেণির লোক মিলাদকে বিদ’আত, হারাম ইত্যাদি বলে থাকে । সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী (মাঃ আঃ) হুজুর কেবলাজান পবিত্র কুরআন ও হাদীস দিয়ে মিলাদ পড়ার গুরুত্ব প্রমাণ করলেন। তাঁর পরামর্শে মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করে অসংখ্য মানুষ হযরত রাসূল (সঃ) এর দীদার পাচ্ছেন এবং আল্লাহ্ তায়ালার রহমত লাভ করে অভাব-অনটন ও বালা মুছিবত থেকে উদ্ধার পাচ্ছেন।
১৩। মুসলমানরা জীবনে জু’মার খুৎবার গুরুত্ব অপরিসীম। বছরের বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন পরিস্থিতি ও প্রেক্ষাপটে মুসলমানদের কি করণীয় রয়েছে, সে বিষয়ে উপদেশ দেয়ার উদ্দেশ্যে খুৎবার বিধান চালু হয়েছে। কিন্তু পরিতাপের বিষয়- আমাদের দেশে খুৎবা আরবী ভাষায় হওয়ায় সাধারণ মুসল্লীগণ তা থেকে কোন রকম উপকার লাভ করতে ব্যর্থ হয়। কাজেই খুৎবার উদ্দেশ্য সফল করার জন্য আমাদের মাতৃভাষায় খুৎবা দেয়া অত্যন্ত জরুরী বলে সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী (মাঃ আঃ) হুজুর কেবলাজান অভিমত প্রকাশ করেন। বর্তমানে তাঁর আহ্বানে বাংলাদেশের বিভিন্ন মসজিদে আরবী ভাষার পাশাপাশি বাংলা ভাষায় খুৎবা দেয়ার প্রচলন হয়েছে।
১৪। বিশ্ব মুসলিম চন্দ্র গণনার পার্থক্যের কারণে রোজা ও ঈদসহ ইসলামী অনুষ্ঠানাদি বিভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন তারিখে উদযাপন করায় আমরা একদিকে সঠিক সময়ে ইবাদত করতে না পেরে আল্লাহ্র রহমত হতে বঞ্চিত হচ্ছি, অন্যদিকে মুসলিম ঐক্য ও সংহতি বিনষ্ট হচ্ছে। সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী (মাঃ আঃ) হুজুর কেবলাজান বলেন , চন্দ্র দেখা ও গননা করা- এ উভয় বিষয়ে হাদীস রয়েছে। আমরা যদি চন্দ্রের আবর্তনের হিসাব করে চন্দ্রবর্ষ পঞ্জিকা প্রণয়ন করি, তাহলে ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদি পালনের ক্ষেত্রে মুসলমানদের বিভেদ দূর হবে। এজন্য তিনি একটি চন্দ্রপঞ্জিকা প্রণয়ন করেছেন; যা ইসলামী সম্মেলন সংস্থা (ওআইসি)- এক অনুষ্ঠানে উত্থাপিত হলে বিপুলভাবে প্রসংশতি হয়।
১৫। হযরত আদম (আঃ) হতে এ পৃথিবীতে আগত সমস্ত নবী-রাসূল এক ও অদ্বিতীয় আল্লাহ্ তায়ালার বাণী স্বজাতির কাছে প্রচার করেছেন বিধায় তাঁদের সবার ধর্মই ছিল ইসলাম। বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সঃ) হচ্ছেন সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বশেষ নবী ও রাসূল। তিনি মানব জাতির জন্য পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান দিয়ে গেছেন। হযরত মুহাম্মদ (সঃ)-এর ইসলামী জীবন বিধানের সাথে অন্যান্য নবী-রাসূলগণের ইসলামী জীবন বিধানের পার্থক্য রয়েছে। আমরা যেহেতু হযরত মুহাম্মদ (সঃ)-এর প্রবর্তিত ধর্ম পালন করি, সেহেতু আমাদের ধর্মের নাম হলো- মোহাম্মদী ইসলাম।
এ প্রসঙ্গে সূফী সম্রাট হযরত দেওয়ানবাগী (মাঃ আঃ) হুজুর কেবলাজান বলেন, মাযহাবের ইমামগণের নামানুসারে যদি হানাফী, শাফেয়ী, মালেকী ও হাম্বলী মাযহাব হতে পারে; তরীকার ইমামগণের নামানুসারে যদি কাদেরীয়া, চিশতীয়া, নকশবন্দীয়া, মোজাদ্দেদীয়া তরীকা হতে পারে; তবে যিনি সর্বস্ব ত্যাগ করে আমাদের জন্য পূর্ণাঙ্গ ইসলামী জীবন ব্যবস্থা প্রবর্তন করে গেছেন, তাঁর নামানুসারে এ ইসলামের নাম ‘মোহাম্মদী ইসলাম’ না হওয়ার যৌক্তিকতা কোথায়? এজন্য তিনি বিধর্মীদের চক্রান্তের শিকার হয়ে জগৎ থেকে হারিয়ে যাওয়া মহান আল্লাহ্ তায়ালার পক্ষ হতে জিব্রাইল (আঃ)-এর মাধ্যমে হেরাগুহায় প্রাপ্ত বিশ্বনবী হযরত রাসূল (সঃ)-এর এলমে শরীয়ত, তরীকত, হাকীকত ও মারেফাত সম্বলিত মোহাম্মদী ইসলামকে পুনরায় জগৎবাসীর কাছে তুলে ধরেছেন। তাঁর শিক্ষা লাভ করে অসংখ্য মানুষ মোহাম্মদী ইসলামের শান্তি বাস্তব জীবনে উলব্ধি করার সৌভাগ্য অর্জন করেছেন।

যে পতাকার দিকে তাকালে অন্তরে পরম শান্তি পাই...
24/03/2016

যে পতাকার দিকে তাকালে অন্তরে পরম শান্তি পাই...

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when AR Group-Babe Madina posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share