নলাগড়িয়া নূরিয়া ঈদগাহ্ Nolagoria Nuria Eidgah

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • নলাগড়িয়া নূরিয়া ঈদগাহ্ Nolagoria Nuria Eidgah

নলাগড়িয়া নূরিয়া ঈদগাহ্  Nolagoria Nuria Eidgah আনন্দ, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্?

17/07/2024

শোক সংবাদ
إنا لله و إنا اليه راجعون
রফিকে আ'লার দরবারে চলে গেলেন ভারত উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠতম আধ্যাত্মিক চর্চা কেন্দ্র, দক্ষিণ বঙ্গের ইলমে শরীয়াত ও ত্বরীকতের প্রাণকেন্দ্র, ঐতিহাসিক ছারছীনা দরবার শরীফের হযরত পীর এবং মুর্শিদ ছারছীনা দরবার শরীফের আ'লা হযরত পীর কিবলা।

■ দেশ-বিদেশের কোটি কোটি মানুষের আধ্যাত্মিক রাহবার বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লার মাননীয় আমির, প্রায় দুই হাজার দ্বিনিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা, বাংলাদেশ জমিয়াতুল মুদার্রেসিন এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও মসজিদে গাউসুল আজম কমপ্লেক্সের মুতাওয়াল্লী এবং ছারছীনা দরবার শরীফের পীরে কামেল শাহ সূফী আ'লা হযরত মাওলানা শাহ মোহাম্মাদ মুহিব্বুল্লাহ রহমতুল্লাহ আলাইহি আজ রাত দুইটা ১১ মিনিটের সময় রাজধানী সেন্ট্রাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহী র’জিয়ূন! ইন্তেকালের সময় মরহুমের বয়স হয়েছিল ৭০ এর কাছাকাছি!"

■ পীর সাহেব কেবলা(রহঃ)দীর্ঘদিন যাবত বার্ধক্য জনিত বিভিন্ন রোগে ভুগতে ছিলেন। প্রথমতঃ তিনি রাজধানীর গ্রীন লাইফ হাসপাতালে, এরপরে সিঙ্গাপুর মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে এবং সর্বশেষ গ্রিন রোদস্থ সেন্ট্রাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

■ ইন্তেকালের সময় তিনি স্ত্রী, দুইপুত্র এবং তিন কন্যা সহ অনেক নাতি নাতনি রেখে যান। সকল পীরভাই, মুহিব্বীন দের নিকট পীর সাহেব কেবলার রুহের মাগফিরাতের জন্য দু'আ কামনা করছেন হযরত পীর সাহেব কেবলা (রহঃ) এর বড় সাহেবজাদা আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছরুদ্দীন আহমদ হোসাইন (মাঃআঃ)।

■ জানাজা ও দাফনঃ
আগামীকাল ১৮ জুলাই, ০৩ শ্রাবণ, ১১ মুহাররম, রোজ- বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় ছারছীনা দরবার শরীফ (পিরোজপূর জেলার, নেসারাবাদ থানা/ঊপজেলা) ময়দানে জানাজা শেষে তাঁকে দাফন করা হবে ইন শা আল্লাহ! সকল পীরভাই, মুহিব্বীন এবং দল-মত ও ছেলছেলা নির্বিশেষে সকল ঈমানদার মুসলমান ভাইদেরকে হুজুরের জানাজায় উপস্থিত হবার/থাকার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি!

■ মরহুমের ইন্তিকালে ঐতিহ্যবাহী জহুরীয়া দরবার শরীফ এর বর্তমান পীর সাহেব কিবলা পীরে তরিকত আলহাজ্ব শাহ সূফী মোহাম্মাদ আজহারুল ইসলাম আল কাদেরী, মাঃজিঃআঃ আজ সকালে এক বার্তায় গভীর শোক প্রকাশ করেন। তিনি শোকাহৃত মরহুমের পরিবার ও ভক্ত-অনুরক্ত সকলের প্রতি সমবেদনা জানান এবং মরহুমের রাফয়ে দারাজাত কামনা করেন।

।। ডেস্ক_রিপোর্ট।।
জহুরীয়া দরবার শরীফ
উত্তর বাহেরচর, তারানগর
কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা।
১৭ জুলাই ২০২৪, রোজ বুধবার
০২/০৪/১৪৩১ বঙ্গাব্দ
১০/০১/১৪৪৬ হিজরী

শুধুমাত্র ঢাকা ও ঢাকা জেলার আশেপাশের এলাকায় জন্যে প্রযোজ্য। ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রকাশিত মাহে রমজানের সাহরী ও ইফতা...
28/02/2024

শুধুমাত্র ঢাকা ও ঢাকা জেলার আশেপাশের এলাকায় জন্যে প্রযোজ্য। ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রকাশিত মাহে রমজানের সাহরী ও ইফতারের সময়সূচী।

28/09/2022

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ‎ﷺ উপলক্ষে ঐতিহ্য বাহী জহুরীয়া দরবার শরীফের উদ্দোগে শুরু হয়েছে ১২ দিন ব্যাপী খতমে কুরআন, খতমে খাজিগান, ওয়াজ, মিলাদ, দোয়া মাহফিল এবং ইসলামিক রেলী।
উত্তর বাহেরচর, তারানগর, কেরাণীগঞ্জ, ঢাকা।
✨ অনষ্ঠান সূচীঃ
————————
✨১ রবিউলআউয়াল হতে ১২ রবিউলআউয়াল
———————————————————
পহেলা রবিউলআউয়াল হতে ১২ রবিউলআউয়াল- প্রতি দিন বাদ ফজর ও বাদ আসর ছাওয়াব রেছানী, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল।
✨১১ রবিউলআউয়াল
——————————
সকাল ০৯ টাঃ খতমে কুরআন
বাদ আসরঃ খতমে খাজিগান, মিলাদ, দোয়া
বাদ মাগরিবঃ ছাওয়াব রেছানী, জিকির তা’লিম
বাদ ইশাঃ রাসূল ‎ﷺ এঁর জীবনে বিভিন্ন দিক নিয়ে বিষয় ভিত্তিক আলোচনা
রাত ১১ টাঃ মিলাদ ও দোয়া, তোবারক বিতরণ।

✨১২ রবিউলআউয়াল
——————————
বাদ ফজরঃ ছাওয়াব রেছানী, জিকির তা’লিম, মিলাদ ও দোয়া
সকাল ৭ টাঃ দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ হতে ইসলামিক রেলী শুরু
সকাল ১১ টাঃ সংক্ষিপ্ত আলোচনা, মিলাদ ও তোবারক বিতরণ।এবং বিশ্ব মুসলিম, দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কল্যানকামনা, আল্লাহ্ ও রাসূলে পাক ﷺ এঁর মহব্বত হাসিলের জন্য দোয়া-মুনাজাত।

আলহামদুলিল্লাহ, গতকাল ৪/৬/২০২২ ঈসায়ী, রোজ শনিবার, সকাল ১০ ঘটিকায় নলাগড়িয়া নূরিয়া জামে মসজিদ ও মাদ্রাসা কমপ্লেক্স এর নতুন...
05/06/2022

আলহামদুলিল্লাহ, গতকাল ৪/৬/২০২২ ঈসায়ী, রোজ শনিবার, সকাল ১০ ঘটিকায় নলাগড়িয়া নূরিয়া জামে মসজিদ ও মাদ্রাসা কমপ্লেক্স এর নতুন ভবণসমূহের নকশা অনুমোদন এবং বিভিন্ন কর্ম পরিকল্পনা নিয়ে জরুরী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় ঢাকা থেকে আগত সম্মানিত মেহমান ও গ্রামের গণ্যমাণ্য ব্যক্তি বর্গগণ উপস্থিত ছিলেন। সভায় সর্বসম্মতি ক্রমে নকশা অনুমোদন শেষে দোয়া-মুনাজাত তোবারক বিতরণের মাধ্যমে অনষ্ঠান সমাপ্ত করা হয়।

রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে বছর ঘুরে আবার এলো মাহে রমাদান।
02/04/2022

রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে বছর ঘুরে আবার এলো মাহে রমাদান।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ‎ﷺ উপলক্ষ্যে ০৮ রবিউল আউয়াল, ১৬ অক্টবর রোজ শনিবার, বাদ মাগরিব আল ইসলাম জহুরীয়া শিল্প গোষ্ঠি ও বরে...
08/10/2021

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ‎ﷺ উপলক্ষ্যে ০৮ রবিউল আউয়াল, ১৬ অক্টবর রোজ শনিবার, বাদ মাগরিব আল ইসলাম জহুরীয়া শিল্প গোষ্ঠি ও বরেন্য শিল্পিগণের পরিবেষণায় নাতে মুস্তাফা ‎ﷺ সন্ধ্যা এবং গজল সন্ধ্যা, ওয়াজ মিলাদ দোয়া মাহফিল আয়োজন করা হয়েছে।
মাহফিলে স্বাস্থ বিধি মেনে মাস্ক পরে আসার অনুরোধ করছি।

স্থানঃ হাজী দুদু মিয়া ও চম্পা বিবি ফাউন্ডেশন, নলাগড়িয়া নূরিয়া ঈদগাহ ময়দান
নলাগড়িয়া, ভাকুর্তা, সাভার, ঢাকা।

আসসালামুআলাইকুম, ঈদ মোবারক ! ঈদ মোবারক !!ঈদ মোবারক !!! নলাগড়িয়া নূরীয়া ঈদগাহ্, নলাগড়িয়া, ভাকুর্তা, সাভার, ঢাকায় ঈদ উল ...
13/05/2021

আসসালামুআলাইকুম,
ঈদ মোবারক ! ঈদ মোবারক !!
ঈদ মোবারক !!!
নলাগড়িয়া নূরীয়া ঈদগাহ্, নলাগড়িয়া, ভাকুর্তা, সাভার, ঢাকায় ঈদ উল ফিতরের নামাজ সকাল ৮:৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ্।
মাআসসালাম।

#করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বিবেচনা করে এ বছর ঈদের নামাজের জামাত খোলা জায়গার পরিবর্তে নিকটস্থ মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। মনে রাখবেন,

🚰 বাসা থেকেই ওজু করে আসতে হবে; ওজুর সময় ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।
প্রত্যেককে মাস্ক পরে এবং নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ ও টুপি নিয়ে আসতে হবে।

নামাজের আগে যেন সম্পূর্ণ মসজিদ জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করা থাকে এবং প্রবেশপথে সাবান বা স্যানিটাইজার থাকে।

নামাজের সময় মসজিদে কার্পেট বিছানো যাবে না।

শিশু/বৃদ্ধ/অসুস্থ/অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি জামাতে অংশগ্রহণ করবেন না এবং

জামাত শেষে কোলাকুলি ও পরস্পর হাত মেলানো থেকে বিরত থাকুন, একে অপরকে নিরাপদ রাখুন।

ঈদ উল ফিতরের সুন্নত সমূহঃ(১) খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠা(২) গোসল করা(৩) মিসওয়াক করা(৪) সামর্থ অনুযায়ী নতুন ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্...
12/05/2021

ঈদ উল ফিতরের সুন্নত সমূহঃ
(১) খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠা
(২) গোসল করা
(৩) মিসওয়াক করা
(৪) সামর্থ অনুযায়ী নতুন ও পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন পোশাক পরিধান করা
(৫) আতর ব্যবহার করা
(৬) নামাযের পূর্বে ছদকাতুল ফিতর আদায় করা
(৭) ঈদুল ফিতর নামাযের পূর্বে কিছু মিষ্টান্ন খাওয়া
(৮) তিন,পাঁচ বা বেজোড় সংখ্যক খেজুর বা খুরমা খাওয়া
(৯) এলাকার মসজিদে গিয়ে ফজরের নামায পড়া
(১০) ঈদগাহে হেঁটে যাওয়া
(১১) এক পথ দিয়ে যাওয়া ও অন্য রাস্তা দিয়ে ফিরে আসা
(১২) সকাল সকাল ঈদের নামায পড়ার জন্য যাওয়া (১৩) ঈদের নামায ঈদগাহে গিয়ে পড়া। সম্ভব না হলে মহল্লার (এলাকার) মসজিদে গিয়ে ঈদের নামায পড়া (১৪) আস্তে আস্তে নিম্নলিখিত দোয়া পড়তে পড়তে ঈদগাহে যাওয়া

الله اكبر الله اكبر لا اله الا الله والله اكبر الله اكبر ولله الحمد

(১৫) শরীয়তের সীমার মধ্যে থেকে খুশি প্রকাশ করা ইত্যাদি ঈদের সুন্নত।

সূত্রঃ (আলমগীরী, নূরুল ঈজাহ ও অন্যান্য ফিক্বাহর কিতাব)

ঈদের রাতের ফজিলাতঃঈদ আমাদের মাঝে আনন্দের বারতা যেমন নিয়ে আসে, তেমনি নিয়ে আসে আল্লাহর নৈকট্যলাভের মহাসুযোগ। বিশেষত ঈদের র...
12/05/2021

ঈদের রাতের ফজিলাতঃ
ঈদ আমাদের মাঝে আনন্দের বারতা যেমন নিয়ে আসে, তেমনি নিয়ে আসে আল্লাহর নৈকট্যলাভের মহাসুযোগ। বিশেষত ঈদের রাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ফজিলতমণ্ডিত।

ঈদ আমাদের মাঝে আনন্দের বারতা যেমন নিয়ে আসে, তেমনি নিয়ে আসে আল্লাহর নৈকট্যলাভের মহাসুযোগ। বিশেষত ঈদের রাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ফজিলতমণ্ডিত। তাই ঈদের রাতে জেগে থাকা এবং ইবাদত করার গুরুত্ব, মাহাত্ম্য এবং ফজিলত বহু হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। সেসব হাদিসের আলোকেই এখানে উল্লেখ করা হলো ঈদের রাতে ইবাদতের গুরুত্ব ও ফজিলাত।

হজরত আবু উমামা (রা.) হতে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি দুই ঈদের রাত জাগবে শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য। যেদিন (হাশরের দিন) সবার অন্তর মারা যাবে, সেদিন তার অন্তর মরবে না।
ksrm

হজরত মুআজ ইবনে জাবাল (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ ‎ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি পাঁচ রাত জেগে থাকবে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব। সেই পাঁচটি রাত হলো-

💢 জিলহজ মাসের আট তারিখের রাত।
💢 জিলহজের ৯ তারিখের রাত।
💢 ঈদুল আজহার রাত।
💢 ঈদুল ফিতরের রাত।
💢 ১৫ শাবানের রাত।

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এমন পাঁচটি রাত আছে, যে রাতে কোনো দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। রাতগুলো হলো-

💢 জুমার রাত।
💢 রজব মাসের প্রথম রাত।
💢 শাবান মাসের ১৫ তারিখের রাত।
💢 ঈদুল ফিতরের রাত।
💢 ঈদুল আজহার রাত।

বর্ণিত হাদিসগুলোয় ঈদের রাতসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রাতগুলোর অন্যতম। ওপরে বর্ণিত হাদিসগুলো ছাড়াও আরও অসংখ্য হাদিসে ঈদের রাতে ইবাদতের গুরুত্ব ও ফজিলত বর্ণনা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, যে দিন মানুষের অন্তর মারা যাবে, সেদিন ঈদের রাতের ইবাদতকারীর অন্তর মরবে না। হাদিসের মর্মার্থ তো এই, কেয়ামতে ভয়াবহ তাণ্ডবের সময় প্রতিটি মানুষের অন্তর যখন হাশরের ময়দানে ভয় আশঙ্কা অস্থিরতায় মৃতপ্রায় হয়ে থাকবে। মানুষের হুশ-জ্ঞান বলতে থাকবে না কিছু। ঈদের রাতে আমলকারীর হৃদয় তখনও সজীব ও সতেজ থাকবে। সেদিন তার অন্তর মারা পড়বে না। বরং থাকবে সদা প্রফুল্ল।

হযরত আবূ উমামা আল বাহেলী (রা.) এর হাদীস-

سنن ابن ماجه ت الأرنؤوط (2/ 658)
1782 – حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ الْمَرَّارُ بْنُ حَمُّويَهَ، حَدّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُصَفَّى، حَدّثَنَا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ، عَنْ ثَوْرِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، عَنْ النَّبِيِّ – صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ -، قَالَ:”مَنْ قَامَ لَيْلَتَيْ الْعِيدَيْنِ مُحْتَسِبًا لِلَّهِ، لَمْ يَمُتْ قَلْبُهُ يَوْمَ تَمُوتُ الْقُلُوبُ”

হযরত আবূ উমামা (রা.) রাসূল ‎ﷺ থেকে বর্ণনা করেন। যে ব্যক্তি ঈদুল ফিত্বর এবং ঈদুল আযহার রাতে (সাওয়াবের নিয়তে, ইবাদতের উদ্দেশ্যে) জাগ্রত থাকবে, সে ব্যক্তির হৃদয় ঐ দিন মৃত্যুবরণ করবে না যেদিন অন্য হৃদয়গুলো মৃত্যুবরণ করবে। (অর্থাৎ কিয়ামতের দিবশে তার কোন ভয় থাকবে না)। ইবনে মাজা-২/৬৫৮, হাদীস-১৭৮২।

হযরত মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা.) এর হাদীস-

الترغيب والترهيب (1/ 248)
374- أخبرنا أبو الفتح الصحاف، أنا أبو سعيد النقاش الحافظ، أنا أبو ذر: الحسين بن الحسن بن علي الكندي بالكوفة، ثنا الحسين بن أحمد المالكي، ثنا سويد بن سعيد،ثنا عبد الرحيم بن زيد العَمِّي، عن أبيه، عن وهب بن منبه، عن معاذ بن جبل -رضي الله عنه- قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((من أحيا الليالي الخمس وجبت له الجنة، ليلة التروية، وليلة عرفة، وليلة النحر،وَلَيْلَة الْفطر وليلة النصف من شعبان)) .

হযরত মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসূল ‎ﷺ বলেন, যে ব্যক্তি পাঁচটি রাত (ইবাদতের উদ্দেশ্যে) জাগ্রত থাকবে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে। তারবিয়ার রাত (জিলহাজ্জ মাসের ৮ তারিখের রাত), আরাফার রাত, কুরবানী দিবসের রাত এবং ঈদুল ফিত্বরের রাত ও শবে বরাতের রাত। আত তারগীব ওয়াত তারহীব লিল আসবাহানী-১/২৪৮, লিল মুনজেরী-২/৯৮, হাদীস-১৬৫৬।

হযরত উবাদা ইবনুস সামেত (রা.) এর হাদীস-

المعجم الأوسط (1/ 57)
159 – حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ خَالِدِ بْنِ حَيَّانَ قَالَ: نا حَامِدُ بْنُ يَحْيَى الْبَلْخِيُّ قَالَ: نا جَرِيرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ، عَنْ رَجُلٍ وَهُوَ: عُمَرُ بْنُ هَارُونَ الْبَلْخِيُّ، عَنْ ثَوْرِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَنْ صَلَّى لَيْلَةَ الْفِطْرِ وَالْأَضْحَى، لَمْ يَمُتْ قَلْبُهُ يَوْمَ تَمُوتُ الْقُلُوبُ»
لَمْ يَرْوِ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ ثَوْرٍ إِلَّا عُمَرُ بْنُ هَارُونَ، تَفَرَّدَ بِهِ: جَرِيرٌ

হযরত উবাদা (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসূল ‎ﷺ বলেন, যে ব্যক্তি ঈদুল ফিত্বর এবং ঈদুল আযহার রাত্রি নামায রত থাকবে, সে ব্যক্তির হৃদয় ঐদিন মৃত্যুবরণ করবে না যেদিন অন্য হৃদয়গুলো মৃত্যুবরণ করবে। আল মুজামুল আওসাত-১/৫৭, হাদীস-১৫৯।

ঈদের রাতের আরেকটি বড় প্রাপ্তি হলো, এ রাতে দোয়া কবুল করা হয়। কোনো দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। বরং আল্লাহতায়ালার দরবারে তা সরাসরি কবুল হয়।

তাই আমরা আমাদের ইবাদতের সঙ্গে সঙ্গে ঈদের রাতে আল্লাহতায়ালার কাছে আমাদের প্রয়োজনগুলো চাইতে পারি। আল্লাহতায়ালার কাছে ক্ষমা কামনা, কবরের আজাব থেকে মুক্তি, জাহান্নামের আগুন থেকে রেহাই চেয়ে নিয়ে পরদিন সকালে একেবারে নিষ্পাপ মাসুম শিশুর মতো পবিত্র ঈদের মাঠে আল্লাহর পুরস্কার গ্রহণ এবং প্রতিদান লাভের শ্রেষ্ঠ সুযোগ অন্য কোনো রাত নেই।

আজকের রাত আমাদের জন্য, এই দুনিয়ার যাবতীয় কল্যাণ লাভ এবং মঙ্গল কামনা করার রাত। সেই সঙ্গে আজ রাত জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভের মহাসুযোগ প্রাপ্তির রাত।

উল্লেখ্য যে, অনেক স্থানে উক্ত রজনীতে আতশবাজি করতে দেখা যায়ঃ

এ আতশবাজী শুধু গুনাহের কাজই নয়, বরং এর দুনিয়াবী কুফল আর আসারতাও আমাদের চোখের সামনে বিদ্যমান। যেমনঃ
❇️ এতে নিজের সম্পদ অযথা ধ্বংস ও অপচয় হয়। তাছাড়াও একাজ দুনিয়াতেও ঘৃণিত হওয়ার পাশাপাশি সর্ব প্রকার ধ্বংসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কুরআনে কারীমে এ ধরনের লোককে শয়তানের ভাই বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
❇️ এর ফলে অনেক সময় নিজের সন্তান সন্ততি ও পাড়া প্রতিবেশীর জীবন হুমকির সম্মুখিন হয়ে পড়ে।
❇️ শিশুদের হাতে এই আতশবাজীর জন্য টাকা পয়সা দেয়া হয়। এটা বাল্যকাল থেকেই তাদেরকে আল্লাহর অবাধ্যতা ও নাফরমানীর শিক্ষা দেয় এবং অনর্থক রসমের প্রতি অভ্যস্ত করে তোলে
❇️ যে রজনীেতে মহান আল্লাহ দোয়া কবুল করেন, ঠিক সে মুহূর্তে এসব গর্হিত কাজে লিপ্ত থাকা কি তার নি’আমতের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন নয়?
❇️ এছাড়া আতশবাজী হল হিন্দু জাতির দিওয়ালী প্রথার একট প্রতিচ্ছবি মাত্র। একজন মু’মিনের ঈমানী চেতনা ও জযবা কখনই তা সমর্থন করতে পারে না।

29/07/2020
নলাগড়িয়া নূরিয়া ঈদগাহ
26/05/2020

নলাগড়িয়া নূরিয়া ঈদগাহ

24/05/2020

ঈদের রাতের ফজিলাতঃ

ঈদ আমাদের মাঝে আনন্দের বারতা যেমন নিয়ে আসে, তেমনি নিয়ে আসে আল্লাহর নৈকট্যলাভের মহাসুযোগ। বিশেষত ঈদের রাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ফজিলতমণ্ডিত।

ঈদ আমাদের মাঝে আনন্দের বারতা যেমন নিয়ে আসে, তেমনি নিয়ে আসে আল্লাহর নৈকট্যলাভের মহাসুযোগ। বিশেষত ঈদের রাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ফজিলতমণ্ডিত। তাই ঈদের রাতে জেগে থাকা এবং ইবাদত করার গুরুত্ব, মাহাত্ম্য এবং ফজিলত বহু হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। সেসব হাদিসের আলোকেই এখানে উল্লেখ করা হলো ঈদের রাতে ইবাদতের গুরুত্ব ও ফজিলাত।

হজরত আবু উমামা (রা.) হতে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি দুই ঈদের রাত জাগবে শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য। যেদিন (হাশরের দিন) সবার অন্তর মারা যাবে, সেদিন তার অন্তর মরবে না।
ksrm

হজরত মুআজ ইবনে জাবাল (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ ‎ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি পাঁচ রাত জেগে থাকবে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব। সেই পাঁচটি রাত হলো-

💢 জিলহজ মাসের আট তারিখের রাত।
💢 জিলহজের ৯ তারিখের রাত।
💢 ঈদুল আজহার রাত।
💢 ঈদুল ফিতরের রাত।
💢 ১৫ শাবানের রাত।

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এমন পাঁচটি রাত আছে, যে রাতে কোনো দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। রাতগুলো হলো-

💢 জুমার রাত।
💢 রজব মাসের প্রথম রাত।
💢 শাবান মাসের ১৫ তারিখের রাত।
💢 ঈদুল ফিতরের রাত।
💢 ঈদুল আজহার রাত।

বর্ণিত হাদিসগুলোয় ঈদের রাতসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রাতগুলোর অন্যতম। ওপরে বর্ণিত হাদিসগুলো ছাড়াও আরও অসংখ্য হাদিসে ঈদের রাতে ইবাদতের গুরুত্ব ও ফজিলত বর্ণনা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, যে দিন মানুষের অন্তর মারা যাবে, সেদিন ঈদের রাতের ইবাদতকারীর অন্তর মরবে না। হাদিসের মর্মার্থ তো এই, কেয়ামতে ভয়াবহ তাণ্ডবের সময় প্রতিটি মানুষের অন্তর যখন হাশরের ময়দানে ভয় আশঙ্কা অস্থিরতায় মৃতপ্রায় হয়ে থাকবে। মানুষের হুশ-জ্ঞান বলতে থাকবে না কিছু। ঈদের রাতে আমলকারীর হৃদয় তখনও সজীব ও সতেজ থাকবে। সেদিন তার অন্তর মারা পড়বে না। বরং থাকবে সদা প্রফুল্ল।

হযরত আবূ উমামা আল বাহেলী (রা.) এর হাদীস-

سنن ابن ماجه ت الأرنؤوط (2/ 658)
1782 – حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ الْمَرَّارُ بْنُ حَمُّويَهَ، حَدّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُصَفَّى، حَدّثَنَا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ، عَنْ ثَوْرِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، عَنْ النَّبِيِّ – صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ -، قَالَ:”مَنْ قَامَ لَيْلَتَيْ الْعِيدَيْنِ مُحْتَسِبًا لِلَّهِ، لَمْ يَمُتْ قَلْبُهُ يَوْمَ تَمُوتُ الْقُلُوبُ”

হযরত আবূ উমামা (রা.) রাসূল ‎ﷺ থেকে বর্ণনা করেন। যে ব্যক্তি ঈদুল ফিত্বর এবং ঈদুল আযহার রাতে (সাওয়াবের নিয়তে, ইবাদতের উদ্দেশ্যে) জাগ্রত থাকবে, সে ব্যক্তির হৃদয় ঐ দিন মৃত্যুবরণ করবে না যেদিন অন্য হৃদয়গুলো মৃত্যুবরণ করবে। (অর্থাৎ কিয়ামতের দিবশে তার কোন ভয় থাকবে না)। ইবনে মাজা-২/৬৫৮, হাদীস-১৭৮২।

হযরত মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা.) এর হাদীস-

الترغيب والترهيب (1/ 248)
374- أخبرنا أبو الفتح الصحاف، أنا أبو سعيد النقاش الحافظ، أنا أبو ذر: الحسين بن الحسن بن علي الكندي بالكوفة، ثنا الحسين بن أحمد المالكي، ثنا سويد بن سعيد،ثنا عبد الرحيم بن زيد العَمِّي، عن أبيه، عن وهب بن منبه، عن معاذ بن جبل -رضي الله عنه- قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((من أحيا الليالي الخمس وجبت له الجنة، ليلة التروية، وليلة عرفة، وليلة النحر،وَلَيْلَة الْفطر وليلة النصف من شعبان)) .

হযরত মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসূল ‎ﷺ বলেন, যে ব্যক্তি পাঁচটি রাত (ইবাদতের উদ্দেশ্যে) জাগ্রত থাকবে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে। তারবিয়ার রাত (জিলহাজ্জ মাসের ৮ তারিখের রাত), আরাফার রাত, কুরবানী দিবসের রাত এবং ঈদুল ফিত্বরের রাত ও শবে বরাতের রাত। আত তারগীব ওয়াত তারহীব লিল আসবাহানী-১/২৪৮, লিল মুনজেরী-২/৯৮, হাদীস-১৬৫৬।

হযরত উবাদা ইবনুস সামেত (রা.) এর হাদীস-

المعجم الأوسط (1/ 57)
159 – حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يَحْيَى بْنِ خَالِدِ بْنِ حَيَّانَ قَالَ: نا حَامِدُ بْنُ يَحْيَى الْبَلْخِيُّ قَالَ: نا جَرِيرُ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ، عَنْ رَجُلٍ وَهُوَ: عُمَرُ بْنُ هَارُونَ الْبَلْخِيُّ، عَنْ ثَوْرِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَنْ صَلَّى لَيْلَةَ الْفِطْرِ وَالْأَضْحَى، لَمْ يَمُتْ قَلْبُهُ يَوْمَ تَمُوتُ الْقُلُوبُ»
لَمْ يَرْوِ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ ثَوْرٍ إِلَّا عُمَرُ بْنُ هَارُونَ، تَفَرَّدَ بِهِ: جَرِيرٌ

হযরত উবাদা (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসূল ‎ﷺ বলেন, যে ব্যক্তি ঈদুল ফিত্বর এবং ঈদুল আযহার রাত্রি নামায রত থাকবে, সে ব্যক্তির হৃদয় ঐদিন মৃত্যুবরণ করবে না যেদিন অন্য হৃদয়গুলো মৃত্যুবরণ করবে। আল মুজামুল আওসাত-১/৫৭, হাদীস-১৫৯।

ঈদের রাতের আরেকটি বড় প্রাপ্তি হলো, এ রাতে দোয়া কবুল করা হয়। কোনো দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। বরং আল্লাহতায়ালার দরবারে তা সরাসরি কবুল হয়।

তাই আমরা আমাদের ইবাদতের সঙ্গে সঙ্গে ঈদের রাতে আল্লাহতায়ালার কাছে আমাদের প্রয়োজনগুলো চাইতে পারি। আল্লাহতায়ালার কাছে ক্ষমা কামনা, কবরের আজাব থেকে মুক্তি, জাহান্নামের আগুন থেকে রেহাই চেয়ে নিয়ে পরদিন সকালে একেবারে নিষ্পাপ মাসুম শিশুর মতো পবিত্র ঈদের মাঠে আল্লাহর পুরস্কার গ্রহণ এবং প্রতিদান লাভের শ্রেষ্ঠ সুযোগ অন্য কোনো রাত নেই।

আজকের রাত আমাদের জন্য, এই দুনিয়ার যাবতীয় কল্যাণ লাভ এবং মঙ্গল কামনা করার রাত। সেই সঙ্গে আজ রাত জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভের মহাসুযোগ প্রাপ্তির রাত।

উল্লেখ্য যে, অনেক স্থানে উক্ত রজনীতে আতশবাজি করতে দেখা যায়ঃ

এ আতশবাজী শুধু গুনাহের কাজই নয়, বরং এর দুনিয়াবী কুফল আর আসারতাও আমাদের চোখের সামনে বিদ্যমান। যেমনঃ
❇️ এতে নিজের সম্পদ অযথা ধ্বংস ও অপচয় হয়। তাছাড়াও একাজ দুনিয়াতেও ঘৃণিত হওয়ার পাশাপাশি সর্ব প্রকার ধ্বংসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কুরআনে কারীমে এ ধরনের লোককে শয়তানের ভাই বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
❇️ এর ফলে অনেক সময় নিজের সন্তান সন্ততি ও পাড়া প্রতিবেশীর জীবন হুমকির সম্মুখিন হয়ে পড়ে।
❇️ শিশুদের হাতে এই আতশবাজীর জন্য টাকা পয়সা দেয়া হয়। এটা বাল্যকাল থেকেই তাদেরকে আল্লাহর অবাধ্যতা ও নাফরমানীর শিক্ষা দেয় এবং অনর্থক রসমের প্রতি অভ্যস্ত করে তোলে
❇️ যে রজনীেতে মহান আল্লাহ দোয়া কবুল করেন, ঠিক সে মুহূর্তে এসব গর্হিত কাজে লিপ্ত থাকা কি তার নি’আমতের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন নয়?
❇️ এছাড়া আতশবাজী হল হিন্দু জাতির দিওয়ালী প্রথার একট প্রতিচ্ছবি মাত্র। একজন মু’মিনের ঈমানী চেতনা ও জযবা কখনই তা সমর্থন করতে পারে না।

Address

Village: Nolagoria, Post Office: Vakurta, Union: Vakurta, Upojila: Savar
Dhaka
1310

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when নলাগড়িয়া নূরিয়া ঈদগাহ্ Nolagoria Nuria Eidgah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share