ISLAM

ISLAM রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেন
'তোমরা আমার পক্ষ থেকে একটি আয়াত হলেও পৌঁছে দাও। '
(জামে তিরমিযি)
(1)

The ISLAM page is a platform dedicated to providing authentic and reliable information about Islam to people worldwide. This channel aims to educate and inform both Muslims and non-Muslims about the principles and teachings of Islam, as well as address common misconceptions and stereotypes that are associated with the religion. The Page features a variety of content, including informative

videos, lectures, and discussions by experts in the field of Islamic studies. Viewers can expect to learn about a range of topics related to Islam, such as the basic beliefs and practices of the religion, the life and teachings of the Prophet Muhammad, Islamic history and civilization, and contemporary issues facing the Muslim community. One of the main goals of the ISLAM page is to promote understanding and dialogue between people of different faiths and cultures. The channel strives to create an environment where viewers can engage in respectful and meaningful discussions about Islam and its role in the world today. By fostering mutual respect and understanding, the channel aims to promote peaceful coexistence and harmony between different communities. In addition to its educational content, the ISLAM page also features inspirational and motivational videos that aim to inspire viewers to live fulfilling and meaningful life based on Islamic principles. These videos encourage viewers to cultivate positive values such as compassion, generosity, and humility, and to strive towards becoming better human beings. Overall, the ISLAM page is invaluable for anyone seeking to learn more about Islam and its teachings. With its high-quality content and commitment to promoting understanding and dialogue, the channel is a beacon of hope and enlightenment in an often divisive and polarized world.

27/11/2025
09/09/2025

যেই ৩টি কারণে মানুষকে হত্যা করা বৈধ । আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফ
পবিত্র জুমু'আর খুৎবা
খত্বিব : শায়খ আব্দুর রাযযাক বিন ইউসুফ হাফি.
স্থান : সুরিটোলা আহলেহাদীছ জামে মসজিদ, বংশাল, ঢাকা।
তারিখ : ০৮/১০/২০২১
বিষয় : ইসলামের নামে জঙ্গিবাদ

এটাই আল্টিমেট বাস্তবতা, বাকি সব ধোঁকা।
20/08/2025

এটাই আল্টিমেট বাস্তবতা, বাকি সব ধোঁকা।

20/08/2025
অধিকাংশ কোন দলিল নয়// অধিকাংশ মানেই    অশনি সংকেত।👉 অধিকাংশ লোক বে-নামাজি। 👉 অধিকাংশ লোক মিলাদ পড়ে। 👉অধিকাংশ লোক হারাম...
06/08/2025

অধিকাংশ কোন দলিল নয়// অধিকাংশ মানেই অশনি সংকেত।

👉 অধিকাংশ লোক বে-নামাজি।
👉 অধিকাংশ লোক মিলাদ পড়ে।
👉অধিকাংশ লোক হারাম খায়।
👉 অধিকাংশ লোক পীর-মাজার ভক্ত।
👉 অধিকাংশ লোক চাহারাম-চল্লিশা-কুলখানি করে।
👉অধিকাংশ লোক গান-বাজনা শোনে।
👉 অধিকাংশ লোক কবর পূজা করে।
👉 অধিকাংশ লোক বিভিন্ন তরিকা অনুসরন করে।
👉 অধিকাংশ লোক নেশাদার দ্রব্য পান করে।
👉 অধিকাংশ লোক টাখনুর নিচে কাপড় পড়ে।
👉 অধিকাংশ লোক নামাযের পরে সম্মিলিত মুনাজাত করে।
এটাই বাস্তবতা
অধিকাংশদের ব্যাপারে মহান আল্লাহ কি বলেন দেখুন

☝►“অধিকাংশ মানুষ প্রকৃত ব্যাপার সম্পর্কে অবগত নয়” [সূরা ইউসুফ : ৬৮]
☝►“অধিকাংশই নির্বোধ” [সূরা মায়িদাহ ১০৩]
☝►অধিকাংশ লোকই অবগত নয়[সূরা আনআম:৩৭]
☝►“অধিকাংশই অজ্ঞ” [সূরা আনআম : ১১১]
☝►“অধিকাংশই জানে না” [সূরা আরাফ : ১৩১]
☝►“তুমি যতই প্রবল আগ্রহ ভরেই চাও না কেন, মানুষদের অধিকাংশই ঈমান আনবে না।
[সূরা ইউসুফ :১০৩]

☝►“আমি তোমার নিকট সুস্পষ্ট আয়াত নাজিল করেছি, ফাসিকরা ছাড়া অন্য কেউ তা অস্বীকার করে না; বরং তাদের অধিকাংশই ঈমান রাখে না।
[সূরা বাকারাহ: ৯৯-১০০]
☝►“আমি তো তোমাদের কাছে সত্য নিয়ে গিয়েছিলাম, কিন্তু তোমাদের অধিকাংশই ছিলে সত্য অপছন্দকারী” [সূরা যুখরুফ :৭৮]
☝►“তাদের অধিকাংশকেই আমি প্রতিশ্রুতি পালনকারী পাইনি, বরং অধিকাংশকে ফাসিকই পেয়েছি” [সূরা আরাফ : ১০২]

🔴তুমি যদি পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের অনুসরন কর তাহলে তারা তোমাকে আল্লাহর পথ হতে বিচ্যুত করে ফেলবে, তারা কেবল আন্দাজ-অনুমানের অনুসরন করে চলে; তারা মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছুই করে না[সূরা আনআম : ১১৬]
►তাদের অধিকাংশ কেবল ধারনার অনুসরন করে; সত্যের মোকাবেলায় ধারনা কোন কাজে আসে না।
[সূরা ইউসুফ : ৩৬]
☝►“অধিকাংশ মানুষ আল্লাহকে বিশ্বাস করে,কিন্তু সাথে সাথে শিরকও করে’’ [সূরা ইউসুফ: ১০৬]
☝►“আমি কি তোমাদের জানাব কাদের নিকট শয়তানরা অবতীর্ণ হয়? তারা অবতীর্ণ হয় প্রত্যেকটি চরম মিথ্যুক ও পাপীর নিকট। ওরা কান পেতে থাকে আর তাদের অধিকাংশই মিথ্যাবাদী’’ [সূরা শু’আরা :২২১-২২৩]

🔴তারা তাদের পিতৃ-পুরুষদের বিপথগামী পেয়েছিল। অতঃপর তাদেরই পদাংক অনুসরন করে ছুটে চলেছিল। এদের আগের লোকদের অধিকাংশই গুমরাহ হয়ে গিয়েছিল” [সূরা সাফফাত : ৬৯-৭১]
আরবী ভাষায় কুরআন,জ্ঞানসম্পন্ন মানুষদের জন্য সুসংবাদবাহী ও সাবধানকারী। কিন্তু ওদের অধিকাংশই (এ কুরআন থেকে) মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, কাজেই ওরা শুনবে না” [সূরা ফুসসিলাত : ১-৪]

অধিকাংশ লোকের ব্যাপারে প্রায় ৬৭টি আয়াত আছে।
সুতরাং হে আমার মুসলিম ভাই আসুন আমরা অধিকাংশের অজুহাত বাদ দিয়ে কুরআন ও সুন্নাহর অনুসরন করি।

🔴দল ভারী মানেই যে তারা সবাই সঠিক এটা ভাবা মূর্খামি ছাড়া আর কিছুই হতে পারেনা।

আপনি যদি বলেন যে এতো কোটি কোটি লোক এই কাজটি করছে তারা কি সবাই ভুল?
সবাই যা করবে তাই ঠিক। আপনার কথা যদি এটাই হয়, তাহলে কি কিয়ামতের দিন আপনি বলবেন নাকি যে ৭৩ কাতার মানুষের মধ্যে ৭২ কাতারই জাহান্নামে যাবে, তাহলে আমিও তাদের সাথে যাবো?

সেটাই কি ঠিক হবে
আপনার কথা মতো এটাই হওয়া উচিত, তাইনা?
জ্ঞান বুদ্ধি ও বিবেক সঠিক ভাবে প্রয়োগ করে আল্লাহর সিন্ধান্ত গ্রহণ করুন।

জাজাকাল্লাহ খাইরান।

08/07/2025
13/09/2024

আল্লাহ তাদের অভিভাবক যারা ঈমান আনে, তিনি তাদেরকে অন্ধকার থেকে বের করে আলোতে নিয়ে যান। আর যারা কুফরী করে তাগূত তাদের অভিভাবক, এরা তাদেরকে আলো থেকে অন্ধকারে নিয়ে যায়(১)। তারাই আগুনের অধিবাসী, সেখানে তারা স্থায়ী হবে।

সূরা আল-বাকারা, আয়াত-২৫৭।

27/08/2024

আল্লাহ তাদের হৃদয়সমূহ ও তাদের শ্রবনশক্তির উপর মোহর করে দিয়েছেন (১), এবং তাদের দৃষ্টির উপর রয়েছে আবরণ। আর তাদের জন্য রয়েছে মহাশাস্তি। সূরাঃ আল-বাকারা , আয়াত নং - ৭

এ আয়াতে ‘সীলমোহর’ বা আবরণ শব্দের দ্বারা এরূপ সংশয় সৃষ্ট হওয়া অস্বাভাবিক নয় যে, যখন আল্লাহ্ই তাদের অন্তরে সীলমোহর এঁটে দিয়েছেন এবং গ্রহণ-ক্ষমতাকে রহিত করেছেন, তখন তারা কুফরী করতে বাধ্য। কাজেই তাদের শাস্তি হবে কেন? এর জবাব হচ্ছে যে, তারা নিজেরাই অহংকার ও বিরুদ্ধাচরণ করে নিজেদের যোগ্যতা হারিয়ে ফেলেছে, তাই এজন্য তারাই দায়ী। যেহেতু বান্দাদের সকল কাজের সৃষ্টি আল্লাহ্ই করেছেন, তিনি এস্থলে সীলমোহরের কথা বলে জানিয়ে দিয়েছেন যে, তারা নিজেরাই যখন সত্য গ্রহণের ক্ষমতাকে রহিত করতে উদ্যত হয়েছে, তখন আমি আমার কর্ম-পদ্ধতি অনুযায়ী তাদের এ খারাপ যোগ্যতার পরিবেশ তাদের অন্তরে সৃষ্টি করে দিয়েছি। কোন কোন মুফাসসির বলেন, এখানে সীলমোহর মারার অর্থ হচ্ছে, যখন তারা উপরের বর্ণিত মৌলিক বিষয়গুলো প্রত্যাখ্যান করেছিল এবং নিজেদের জন্য কুরআনের উপস্থাপিত পথের পরিবর্তে অন্য পথ বেছে নিয়েছিল, তখন আল্লাহ তাদের হৃদয়ে ও কানে সীলমোহর মেরে দিয়েছিলেন।

এতে বুঝা যাচ্ছে যে, তাদের কর্ম-কাণ্ডই তাদের হৃদয়সমূহকে সীলমোহর মারার উপযুক্ত করে দিয়েছে। আর এ অর্থই কুরআনের অন্য এক আয়াতে উল্লেখিত হয়েছে, যথাঃ “কখনো নয়; বরং তাদের কৃতকর্মই তাদের হৃদয়ে জঙ ধরিয়েছে”। [সূরা আল-মুতাফফিফীনঃ ১৪] তাতে বোঝানো হয়েছে যে, তাদের মন্দকাজ ও অহংকারই তাদের অন্তরে মরিচা আকার ধারণ করেছে। ইমাম তাবারী বলেন, গোনাহ যখন কোন মনের উপর অনবরত আঘাত করতে থাকে তখন সেটা মনকে বন্ধ করে দেয়। আর যখন সেটা বন্ধ হয়ে যায় তখন সেটার উপর সীলমোহর ও টিকেট এঁটে দেয়া হয়। ফলে তাতে আর ঈমান ঢোকার কোন পথ পায় না। যেমনিভাবে কুফরী থেকে মুক্তিরও কোন সুযোগ থাকে না। আর এটাই হচ্ছে এ আয়াতে বর্ণিত خَتَمَ আর অন্য আয়াতে বর্ণিত طَبَعَ। [ত্বাবারী]

হাদীসে এসেছে, মানুষ যখন কোন একটি গোনাহর কাজ করে, তখন তার অন্তরে একটি কালো দাগ পড়ে। সাদা কাপড়ে হঠাৎ কালো দাগ পড়ার পর যেমন তা খারাপ লাগে, তেমনি প্রথম অবস্থায় অন্তরে পাপের দাগও অস্বস্তির সৃষ্টি করে। এ অবস্থায় যদি সে ব্যক্তি তাওবা না করে, আরও পাপ করতে থাকে, তবে পর পর দাগ পড়তে পড়তে অন্তঃকরণ দাগে পরিপূর্ণ হয়ে যায়। এমতবস্থায় তার অন্তর থেকে ভাল-মন্দের পার্থক্য সম্পর্কিত অনুভূতি পর্যন্ত লুপ্ত হয়ে যায়। [তিরমিযি: ৩৩৩৪, ইবনে মাজাহঃ ৪২৪৪]

অন্য হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ফেতনা মনের ওপর বেড়াজালের কাজ করে। ফলে তা অন্তরকে ধাপে ধাপে বিন্দু বিন্দু কালো আস্তরে আবৃত করে দেয়। যে অন্তর ফেতনার প্রভাব অস্বীকার করে, তা অন্তরকে শুভ্র সমুজ্জ্বল করে দেয়। ফলে কোন দিনই ফেতনা তার ক্ষতি করতে পারে না। ও গ্রহণের সম্পূর্ণ অযোগ্য হয়ে পড়ে। [মুসলিম: ২৩১]

কাতাদাহ (রহঃ) বলেন, তাদের উপর শয়তান ভর করেছে ফলে তারা তার অনুসরণ থেকে পিছপা হয় না। আর একারণেই আল্লাহ তাদের অন্তর, শ্রবণেন্দ্রিয় ও চোখের উপর পর্দা এঁটে দিয়েছেন। সুতরাং তারা হেদায়াত দেখবে না, শুনবে না, বুঝবে না এবং উপলব্ধি করতে পারবে না। [ইবনে কাসীর] যে ব্যক্তি কখনো দাওয়াতী কাজ করেছেন, তিনি অবশ্যই এ সীলমোহর লাগার অবস্থার ব্যাপারে বাস্তব অভিজ্ঞতা লাভ করে থাকবেন। আপনার উপস্থাপিত পথ যাচাই করার পর কোন ব্যক্তি একবার যখন তাকে প্রত্যাখ্যান করে তখন উল্টোপথে তার মনমানস এমনভাবে দৌড়াতে থাকে যার ফলে আপনার কোন কথা তার আর বোধগম্য হয় না। আপনার দাওয়াতের জন্য তার কান হয়ে যায় বধির। আপনার কার্যপদ্ধতির গুণাবলী দেখার ব্যাপারে তার চোখ হয়ে যায় অন্ধ তখন সুস্পষ্টভাবে অনুভূত হয় যে, সত্যিই তার হৃদয়ের দুয়ারে তালা লাগিয়ে দেয়া হয়েছে।

তাফসীরে জাকারিয়া

18/08/2024

স্বাভাবিকভাবে নিজ নিজ জায়গা ও অবস্থান থেকে সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজে বাধা দেওয়া একজন মুমিনের অন্যতম দায়িত্ব। এই কাজ করার অর্থ এই নয় যে, আপনি সরাসরি গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করছেন বা নির্দিষ্ট কোন রাজনৈতিক দলের হয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন। বরং যে দলই ক্ষমতায় থাক বা আসুক আপনার সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজে বাধা প্রদানের দায়িত্বে আপনি যদি আমানতের খেয়ানত না করেন এবং ন্যায়পরায়ণতা ও মধ্যমপন্থা বজায় রাখতে পারেন তাহলে আপনিই প্রকৃত মুসলিম।

একমাত্র মুরজিয়াগণ মনে করে যে, অসৎ কাজ ঈমানের কোন ক্ষতি করতে পারেনা। অতএব তোমার আশে পাশে যত খারাপ কিছুই ঘটুক না কেন তুমি চুপ থাকবে। কোন কিছুতেই তুমি কোন প্রতিক্রিয়া দেখাবেনা। এমনকি তোমার সামনে নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করলে তুমি শুধু তাকিয়ে তাকিয়ে দেখবে এবং বোবার মত চুপ থাকবে। এই ধরণের আকিদা একটি চরম ভ্রান্ত আকিদা যার সাথে ইসলামের নূন্যতম সম্পর্ক নাই। সঠিক আকিদা হচ্ছে মানুষ তার ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রিয় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সাধ্য অনুযায়ী বৈধ পন্থায় সৎ কাজের আদেশ দিবে অসৎ কাজে বাধা দিবে। আর যদি সে মুরজিয়া হিসেবে চুপ থাকে তাহলে ধীরে ধীরে এক সময় তার অন্তর মারা যাবে এবং সে নিজেই ঈমানহারা হয়ে যাবে। মহান আল্লাহ আমাদেরকে মুরজিয়াদের ফিতনা থেকে হেফাজত করুন!

Abdullah bin Abdur Razzak

17/08/2024

ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রূপরেখা -- ABDULLAH BIN ABDUR RAZZAK -- ইনসাইড পলিটিক্স -- Inside Politics

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ISLAM posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share