Hilful Fozul Islamic Organization

Hilful Fozul Islamic Organization বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর নগর(রামনগর)
হিলফুল ফ? বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর নগর(রামনগর)
হিলফুল ফুযুল ইসলামী সংগঠন

আল্লাহ মাফ করে জান্নাতবাসী করুন আমিন।
30/12/2025

আল্লাহ মাফ করে জান্নাতবাসী করুন আমিন।

কাবা আক্রমণ🥲
21/11/2025

কাবা আক্রমণ🥲

⭕"কা'বা ঘরে" দুঃস্বপ্নের '২০শে নভেম্বর' আজ‼️

🔴 মাত্র ৪৬ বছর পূর্বে এদিনে স্থম্ভিত হয়ে গিয়েছিল মুসলিম জাহান। পুরো দু'সপ্তাহ বেদখল অবস্থায় ছিল সবার 'পবিত্র কাবাঘর'। ২০ নভেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর ক্বাবাঘরে তাওয়াফ হয়নি, মসজিদুল হারামে আজান ও জামা'আতে ছালাত আদায় পুরোপুরি বন্ধ ছিল।
২০ নভেম্বর ১৯৭৯ তারিখ, ১ মুহাররম, হিজরি ১৪০০ সাল। জিল-হজ্জ মাসের হজ্জ শেষ হয়ে গেলেও তখনও অনেক হাজী মক্কায় রয়ে গেছেন। মসজিদুল হারামে জামা'ত অনেক বড় হচ্ছিল। ফজরের জামা'আতে প্রায় এক লক্ষ মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন।
সেদিন জামা'আত শুরুর একটু আগে কয়েকটি লাশ নিয়ে আসা হলো। প্রতিদিনই লাশ আসত; তবে, ঐদিন একটু বেশিই এলো। এটা নিয়ে কেউ অবশ্য সন্দিহান হন নি। ফরজ নামাজের পরে জানাজা হবে।
ইমামতি করতে এগিয়ে গিয়েছেন শায়খ মোহাম্মাদ আল-সুবাইল। কিন্তু লাশ বহনকারীরা এসে তাঁকে সরিয়ে দিল, স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র বের করে শূন্যে গুলি ছুঁড়লো। একজন চিৎকার করে উঠলো, “ইমাম মাহদি আবির্ভূত হয়েছেন”। অস্ত্রধারীরা কফিনের ঢাকনা খুলে ফেলল। দেখা গেল- লাশ নয়, সেখানে ভর্তি আগ্নেয়াস্ত্র।
লাশবাহীরা অস্ত্র নিয়ে হারাম শরিফের বিভিন্ন অংশেই অবস্থান নিলো। তারা গেটগুলো শিকল দিয়ে আটকে দিলো। এতে বাধা দিতে গিয়ে নিরস্ত্র দুজন সৌদী পুলিশ গুলিতে নিহত হলেন। হতবিহ্বল মুসল্লিরা কিছু বুঝে উঠতে পারার আগেই জিম্মি হয়ে গেলেন!
ক্বাবার সামনে দাঁড়িয়ে জুহাইমান আল ওতাইবি ভাষণ দিলেন। একপর্যায়ে তিনি নিজ ভগ্নিপতিকে “ইমাম মাহ্‌দি” হিসেবে উপস্থাপন করলেন এবং সকলের সামনে তার কাছে বায়াত গ্রহণ করলেন। এরপর অস্ত্রধারীরা সমবেতভাবে তার কাছে বায়াত গ্রহন করলো এবং মুসল্লিদেরকে যোগ দিতে আহ্‌বান জানালো।
দখলদাররা হারাম শরিফের মাইক ব্যবহার করে তাদের বক্তব্য ও দাবী দাওয়া পেশ করতে থাকে। “যেহেতু ইমাম মেহেদী আবির্ভূত হয়েছে, তাই সৌদ বংশের রাজত্ব শেষ।” মাহদীর হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে সৌদদের চলে যেতে হবে।
হাদিসে ইমাম মাহ্‌দির যে পরিচয় পাওয়া যায়, তা ঐ ব্যক্তির সাথে মিলে গিয়েছিল। তার নাম ও পিতার নাম এবং নবী (সঃ) এর নাম ও পিতার নামে ছিল। এছাড়া, প্রতি শতাব্দির শুরুতে একজন মুজাদ্দিদ আবির্ভূত হবেন বলে বর্ণনা রয়েছে; সেই দিনটাও ছিল, হিজরি নতুন শতাব্দী শুরুর দিন!
ক্বাবা ঘর কেউ অস্ত্রের জোরে দখল করবে- এটা তখন কেউ ভাবেনি। আবার, হারাম শরীফে অস্ত্র বহন করা নিষেধ, তাই নিয়োজিত পুলিশরাও অস্ত্র ছাড়া ডিউটি করেন। মাইকে দখলকারীদের ঘোষণা শুনে পুলিশের বড় একটি দল দখলমুক্ত করতে যান, কিন্তু দখলকারীদের স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের তোপে তা ছিন্নভিন্ন হয়ে যান।
মক্কা থেকে সবাইকে সরিয়ে দেয়া হয়, ইন্টারন্যাশনাল টেলিফোন সার্কিট অফ করে দেয়া হয় এবং ঘটনা গোপন রেখে উদ্ধার অভিযান শেষ করার পরিকল্পনা করা হয়। কিন্তু সকালেই ওয়াশিংটন থেকে আন্তর্জাতিক মিডিয়ার কাছে এই ঘটনা ফাঁস হয়ে যায়! সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে বিশ্বের দেশে দেশে মুসলিমরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।
সন্দেহের তীর ছুটে যায় আমেরিকার দিকে। ইরানের সদ্য সফল ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ্‌ খামেনি তাৎক্ষণিক রেডিও ভাষণে আমেরিকাকে সরাসরি দায়ী করেন। পাকিস্থানে যুক্তরাষ্ট্রের দুতাবাস আগুনে পুড়িয়ে, ভাঙচুর করে মাটিতে মিশিয়ে দেয়া হয়। লিবিয়াতেও আমেরিকার দুতাবাস পুড়িয়ে দেয়া হয়।
এদিকে হারাম শরীফে রক্তপাত যেহেতু নিষিদ্ধ, উদ্ধার অভিযানে নিয়ে জটিলতা দেখা দেয়। সৌদী কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্তের জন্যে আলেমদের শরণাপন্ন হন। সিদ্ধান্তে পৌঁছতে আলেমদের বেগ পেতে হয়। একটি কারণ ছিল, জুহাইমান আল ওতাইবি নিজে অনেক বড় মাপের আলেম ছিলেন। তিনি ভয়ঙ্কর অন্যায় করে ফেলেছেন বটে, কিন্তু এতবড় একজন আলেম একদম না বুঝে কিছু করার কথা নয়- এই চিন্তায় সিদ্ধান্ত দিতে আলেমরা বিচলিত ছিলেন।
আলেমরা সিদ্ধান্ত দিলেন- সামরিক বিশেষজ্ঞরা অন্য উপায় বের করতে না পারলে দখলদারদেরকে আত্মসমর্পনের জন্য যথেষ্ট আহ্‌বান জানাতে হবে। তাতে কাজ না হলে আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যাবহার করে রক্তপাতের ঝুঁকি নেয়া যেতে পারে। তবে, কত রক্তপাতে কাজটি সারা যায়- সেদিকে জোর দিতে হবে।
তবে, সৌদী সরকারে অন্য একটি কাজ করেছিল। তাড়াহুড়া না করে সময়ক্ষেপণের করে ওদেরকে ক্ষুধায় কাতর করার চেষ্টা করা হলো। কিন্তু দেখা গেল- তারা ব্যাপক পরিমাণ খেজুর নিয়ে প্রবেশ করেছিল এবং জমজম কূপ তাদের দখলেই ছিল। ফলে, এই প্রচেষ্টা ব্যার্থ হয়েছিল।
সৌদী বাহিনী কয়েকটি অভিযানও চালিয়েছিল; কিন্তু দখলকারীদের সুবিধাজনক অবস্থান, বিশেষত মিনারগুলো থেকে স্নাইপার আক্রমণে সেসব অভিযান ব্যার্থ হয়ে যায়। তাদের সুবিধা ছিল- একমাত্র গেটের ভিতরে অসংখ্য জিম্মি নিয়ে তারা অবস্থান করছিল। ফলে, তাদের উপর কনভেনশনাল অ্যাটাক করা ছিল অসম্ভব।
সরকার অতি গোপনে বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর কাছে কৌশলগত সহযোগিতা চাইল। ফ্রান্সের জিআইজিএন কমান্ডো এগিয়ে এলো। কিন্তু পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে তারা অভিযান চালানো থেকে বিরত থাকল। তারা সুইসাইডাল কমান্ডো দিয়ে অভিযান পরিচালনা করতে হবে মর্মে পরামর্শ দিল, যেটা তারা নিজেরা করতে পারবে না।
বিশ্বের এতগুলো মুসলিম থাকতে ক্বাবা উদ্ধারে "মরার জন্য প্রস্তুত" কমান্ডো হাজির করল একমাত্র পাকিস্থান! তারা দমকলের সাহায্যে ভিতরে প্রচুর পানি নিক্ষেপ করল এবং তাতে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে অনেককে হতাহত করে ফেলল। এরপর হারাম শরীফের অভ্যান্তরে চেতনানাশক গ্যাস ছুঁড়ে দিল। যদিও সন্ত্রাসীরা গ্যাস মাস্ক নিয়ে প্রবেশ করেছিল, তবে এতে অনেক লোক অচেতন হয়ে গেল। এরপর পাক এসএসজি কমান্ডোরা অভিযান চালিয়ে মসজিদুল হারাম দখলমুক্ত করে। ঐ কমান্ডো দলের একজন ছিলেন মেজর (পরবর্তী জেনারেল) পারভেজ মুশাররফ।
অভিযানে দখলদার মারা যায় ২৫৫ জন, আর আহত হয় ৫৬০ জন। মিলিটারি থেকে মারা যান ১২৭ জন, আর আহত হন ৪৫১ জন। কথিত ইমাম মাহদি গুলিতে নিহত হয়। মাস্টারমাইন্ড জুহাইমান ৬৭ জন ফলোয়ারসহ আরেস্ট হয়। তাদেরকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।
ঘটনাটি এত ছোট ও সহজ ছিল না। এত বড় ঘটনা দানা বেঁধে উঠতে অনেক কিছু ব্যাপার ছিল। আগ্রহীরা নিজ দায়িত্বে বিস্তারিত সংগ্রহ করে পড়ে নিতে পারেন‼️

তথ্যসূত্র সম্পাদনা
"Attack on Kaba Complete Video"। YouTube। ২৩ জুলাই ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুন ২০১৩।
Da Lage, Olivier (২০০৬)। Géopolitique de l'Arabie Saoudite (French ভাষায়)। Complexe। পৃষ্ঠা 34। আইএসবিএন 2804801217।
Riyadh (১০ জানুয়ারি ১৯৮০)। "63 Zealots beheaded for seizing Mosque"। Pittsburgh Post-Gazette। সংগ্রহের তারিখ ১২ নভেম্বর ২০১০।
"কিভাবে মক্কার মসজিদ দখল আল-কায়েদাকে অনুপ্রাণিত করেছিল?"। ২০ মে ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০১৭।
Miller, Flagg (২০১৫)। The Audacious Ascetic: What the Bin Laden Tapes Reveal About Al-Qa'ida। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস। আইএসবিএন 9780190613396। সেই দশ শতাব্দী থেকে ইসলামের পবিত্র ভূমি এমন কোন দুর্ধর্ষ বাহিনী দ্বারা দখল হয়নি। আর এটা পুনর্দখলের জন্য ফ্রেঞ্চ কমান্ডোদের সহযোগিতাতেও সৌদি বিশেষ বাহিনীর দুই সপ্তাহ লেগে যায়।
Benjamin, The Age of Sacred Terror (2002) p. 90
Wright, Sacred Rage, (2001), p. 155
Benjamin, The Age of Sacred Terror, (2002) p. 90
Mecca – 1979 Juhaiman ibn Muhammad ibn Saif al Otaibi, Global Security
Lacey, Robert (২০০৯)। Inside the Kingdom : Kings, Clerics, Modernists, Terrorists, and the Struggle for Saudi Arabia। Viking। পৃষ্ঠা 31।
On This Day, 21 November, BBC
"Khomeini Accuses U.S. and Israel of Attempt to Take Over Mosques", by John Kifner, New York Times, 25 November 1979
Wright, Robin B., 1948. Sacred Rage: The Wrath of Militant Islam. Simon & Schuster, c 2001, p. 149
EMBASSY OF THE U.S. IN LIBYA IS STORMED BY A CROWD OF 2,000; Fires Damage the Building but All Americans Escape – Attack Draws a Strong Protest Relations Have Been Cool Escaped without Harm 2,000 Libyan Demonstrators Storm the U.S. Embassy Stringent Security Measures Official Involvement Uncertain, New York Times, 3 December 1979
Mackey, p. 234.
"Saudis behead zealots"। The Victoria Advocate। AP। ১০ জানুয়ারি ১৯৮০। সংগ্রহের তারিখ ৭ আগস্ট ২০১২।
©

29/10/2025

জীবনটা আল্লাহর জন্য সাজাও। তাহলে কোন চিন্তা বা পেরেশানি থাকবে না, ইনশাআল্লাহ।

বাস্তব চিত্র:কাল রাত বারোটা থেকে প্রায় ফজর পর্যন্ত আমি ক্যাম্পাসের আশপাশ এলাকায় একটা অনুসন্ধানী অভিযান চালিয়েছি। বেশ কয়ে...
18/10/2025

বাস্তব চিত্র:

কাল রাত বারোটা থেকে প্রায় ফজর পর্যন্ত আমি ক্যাম্পাসের আশপাশ এলাকায় একটা অনুসন্ধানী অভিযান চালিয়েছি। বেশ কয়েকটা স্পটে ভয়াবহ রকম দে'হব্যবসা চলে। দুইটা গ্রুপ এদের, একটা গ্রুপ নারী আরেকটা গ্রুপ ট্রান্স। প্রত্যেকটা স্পটেই কয়েকজনের সাথে কথা বলেছি সময় নিয়ে। নারীদের মধ্যে যারা এই কাজ করে তাদের অনেকেরই পরিবার আছে। পরিবার জানে তারা চাকরি করে বিভিন্ন জায়গায়।

এই পতিতাবৃত্তির সাথে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনও জড়িত। কমিশন খেয়ে মদদ দেয় তারা। কয়েকজনের তথ্য নিয়ে এসেছি, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার উদ্যোগ নিবো শীঘ্রই।

সবচেয়ে এলার্মিং ব্যাপার হচ্ছে ট্রান্স নিয়ে। এদের মধ্যে একজনের ইংরেজি এক্সেন্ট খুব সুন্দর। জিজ্ঞেস করে জানলাম সে একটা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি থেকে এলএলবিতে অনার্স করছে। বিলাসবহুল জীবন তার। তার সাথে কথাবার্তা বলে সামারি যেটা পেলাম - তার মতো এমন প্রস্টিটিউটের সংখ্যা প্রচুর। সার্জারী করে শরীরটা মেয়েদের মতো বানিয়ে দেহব্যবসায় নেমে পড়ছে বহু ছেলে/হিজড়া। দিনের আলোয় এদের অনেকেই আবার বিভিন্ন ভালো ভালো প্রতিষ্ঠানের স্টুডেন্ট, এমপ্লয়ি।

সমাজ ও দেশ ১৮ নিচে বিয়ে বা বহু বিবাহ না মানলেও এই সমাজ এদেরকে ঠিকই মেনে নেয়। পতিতারা সবাই যার যার পরিবারে গিয়ে সাধু ও বাড়িতে তাদের পরিচয় তারা জব বা টিউশনি করে ঢাকায় বা শহুরে পড়াশোনা করছে। কিন্তু কত জনই বা খোঁজ খবর নিয়ে থাকে?

লিভ টুগেদার এখন দিনদিন বেড়েই চলছে প্রশাসনও এখন এইগুলোতে মদদ দিচ্ছে বিগত ১৭/১৮ বছর ধরে আর এই সরকার তো বড় দালালের ভূমিকায় নেমেছে। সে আরো বড় বেঈমান গাদ্দার। দেশের উন্নতি না করে সেও পশ্চিমার অনুকরণে ভিতরগত দেশটাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।

জিনিসটা আসলেই এলার্মিং। মানুষজন যদি এখনো এই বিকৃতির ব্যাপারে সচেতন না হয়, প্রতিরোধ গড়ে না তুলে সামনে ভয়াবহ যুগ আসতেছে।

— এবি জুবায়ের
সমাজসেবা সম্পাদক,ডাকসু

14/10/2025

দ্বীন মানলে নাকি ঐ সন্তান মানুষ হয় নাই। কেউ দ্বীন মানলে সে নাকি বেশি বুঝে। আমিও বলি দ্বীন আছে মানে বেশি বুঝবেই কারণ আল্লাহর পথের পথিক সে।

06/09/2025

গতকাল এক মসজিদে এশার সালাত পরলাম। ফরজের পর ইমাম দাঁড়িয়ে বললেন- ঈদে মিলাদুন্নবী পালন করা এই রাতে ইবাদাত করা লাইলাতুল কদর থেকেও বেশি সওয়াব আর বরকত। দলিল হিসাবে এই কথাটায় বাংলায় বলার পর আরবিতে হুবহু বলেছে।
জীবনে এই প্রথম নতুন হাদীস শুনলাম। কোথায় কি বলে আর কিসের সাথে কি মিলায় আল্লাহু মা'লুম।

নামাজের পর আম জনতাও বলতেছে এটা কেমন কথা বা হাদীস জীবনে প্রথম শুনলাম। পাবলিক (যারা অন্ধভক্ত) তো আরবি বললেই আবার মনে করে এত সুন্দর হাদীস দিয়ে দলিল দিছে।

ইদানিং দেখা যায়, এমন অসংখ্য কথাকে বিভিন্ন জায়গায় লেখে দিয়ে হাদীসের দলিল হিসাবে প্রমাণ করতে চায় একদল লোক। আসলে তারা কত বড় জাহেল যে হাদীসের কোন ভিত্তি নেই তাই লেখে মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। আল্লাহ হেফাজত করুন, আমিন।

22/08/2025
11/07/2025

কোনো ব্যক্তি যদি আল্লাহর প্রতি আন্তরিক ও আল্লাহভীরু হয়, তবে স্বয়ং আল্লাহ তার শক্তি হয়ে ওঠেন। অতএব, আল্লাহ শয়তানি শক্তির অন্তরে ত্রাস সৃষ্টি করবেন।
এই জন্য সমস্ত শয়তানি শক্তি 'উসামা বিন লাদেন'কে ভয় পেতো।

11/07/2025
30/06/2025

ছেলেটা মুসলিম হয়েছে কিন্তু সে তার হি*ন্দু পরিবারকে জানাবে না।এক মুসলিম মেয়ের সাথে প্রেমের জেরে সে মুসলিম মেয়েটাকে বিয়ে করে মেয়ের সাথেই থাকে।
মেয়ের বাবা খবর পেয়ে টেনশানে পড়ে যায়।আমাকে খবর দেয়।ছুটে যাই।
ছেলেকে জিজ্ঞেস করি,তুমি যদি কাল মেয়েটার পেটে বাচ্চা দিয়ে হি*ন্দু*দে*র কাছে ফিরে যাও তাহলে এই মেয়ে তোমাকে পাবে কিভাবে?তুমি তো তোমার ইসলাম গ্রহণ প্রকাশই করলে না!
কথা বলার মাঝখানে মুসলিম মেয়েটা তার বাবা,আমি আমাদের সবাইকে তুচ্ছ করে চিৎকার করে বলতে থাকে,না,সে আমাকে ভালবাসে।আমি তাকে ভালবাসি।আমরা দুজন দুজনার। কেউ কাউকে ছাড়া বাঁচবো না।
কেউ কাউকে ছাড়বো না।
বললাম,যদি প্রতারণা করে?আমাকে একটু যাচাই বাছাই করতে দেন।
মেয়ে রাগান্বিত। বলে,না না না।কখনোই সে আমার সাথে প্রতারণা করবেনা।
পরিস্থিতি এমন যে,মেয়ে এখন তার বাবা,হুজুর সবার বিরুদ্ধে মামলাই নাকি করে দেয়।
আচ্ছা, বোন তোরা সুখী হ।
চলে আসলাম।
কয়েকদিন পর মুসলিম মেয়েটা ফোন দিয়ে হাউমাউ করে কাঁদে আর বলে,
হুজুর,ছেলেটা আমাকে ছেড়ে তার বাড়িতে চলে গেছে হুজুর।ফোন বন্ধ করে রাখছে হুজুর।
সে আমার কাছে আর আসবেনা হুজুর।
সে আমার সাথে প্রতারণা করেছে হুজুর।
আমি এখন কি নিয়ে বাঁচব হুজুর।আমি এখন কার কাছে যাব হুজুর।
হুজুর,আপনি একটা কিছু করেন হুজুর।যেভাবেই হোক ওকে আমার কাছে এনে দেন হুজুর।
হায়রে কান্না।
এখন আপনাদের কাছে আমার প্রশ্ন।এই ঘটনায় দোষটা আসলে কার?সচেতন কাদের হওয়া উচিৎ?
বিঃদ্রঃ আমরা আমাদের মুসলিম মেয়েগুলোকে ইসলাম শিখাইতে পারি নাই।
আমার মুসলিম মেয়েরা ঠিকঠাক ইসলাম পালন করলে হি*ন্দু ছেলেরা চান্সই পেতোনা।
©

Address

Narsingdi
Dhaka
1632

Telephone

+8801920671471

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hilful Fozul Islamic Organization posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share