হাসবুনাল্লাহ

হাসবুনাল্লাহ আল্লাহ আমাদের জন্যে যথেষ্ট।

03/08/2026

আনাস বিন মালিক এ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'এক ব্যক্তি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বললেন, "অমুক ব্যক্তির কাছে একটি খেজুর গাছ আছে। আমি সেটা দিয়ে একটি দেয়াল (ঘর) বানাতে চাইছি। তাই আপনি তাকে খেজুর গাছটি আমাকে দিয়ে দিতে বলুন, যাতে আমি তা দিয়ে দেয়ালটি বানাতে পারি।"

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকটিকে বললেন, "জান্নাতে একটি খেজুর গাছের বিনিময়ে তাকে তোমার খেজুর গাছটি দিয়ে দাও।"

লোকটি অস্বীকৃতি জানালেন।

অতঃপর আবু দাহদাহ লোকটির নিকট এসে বললেন, “তোমার খেজুর গাছটি আমাকে আমার বাগানের বিনিময়ে বিক্রি করো।" লোকটি বিক্রি করে দিলেন।

তারপর আবু দাহদাহ রা. রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট গিয়ে বললেন, "ইয়া রাসুলাল্লাহ, আমি আমার বাগানের বিনিময়ে ওই লোকের খেজুর গাছটি কিনে নিয়েছি। এবার আপনি এই লোকটিকে তা দিয়ে দিতে পারেন। আমি তাকে এটি দান করলাম।"

তখন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, "জান্নাতে আবু দাহদাহের জন্য অনেক শাখা-প্রশাখাবিশিষ্ট একটি খেজুর গাছ ফুটেছে!" কথাটি কয়েকবার বললেন তিনি।'

বর্ণনাকারী বলেন, 'অতঃপর আবু দাহদাহ রা. তার স্ত্রীর কাছে গিয়ে বললেন, “ওহে দাহদাহের মা, বাগানটি থেকে বের হয়ে যাও। এটাকে আমি জান্নাতের একটি খেজুর গাছের বিনিময়ে বিক্রি করে দিয়েছি।"

তা শুনে স্ত্রী বললেন, "এটি খুবই লাভজনক সওদা হয়েছে।"

[ মুসনাদু আহমাদ, ১২০৭৩ ]

আবু দাহদাদ রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু সত্যিকার অর্থে জান্নাতে যাওয়ার আকাঙ্খা লালন করতেন।

সুবহানাল্লাহ! মাত্র একটি খেজুর গাছ দান করে জান্নাতের যাওয়ার উদ্দেশ্যে পুরা বাগান তিনি বিক্রয় করে দিয়েছেন।

পরিস্থিতিটা কল্পনা করুন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সরাসরি ওই সাহাবীকে জান্নাতি হওয়ার গ্যারান্টি দিয়ে দিলেন। তার এই কাজ রাসূল সা. এত বেশি খুশি হয়েছিলেন তিনি জান্নাতে খেজুর গাছ ফোটার বিষয়টি বারবার বলছেন..। রাসূল সা. খুব গুরুত্বপূর্ণ, অনেক বেশি খুশি হওয়া, রাগ হওয়া এমন মূহুর্তগুলোতেই একই কথা বারবার পুনরাবৃত্তি করতেন।

কেউ জান্নাতে খেজুর গাছের মালিক হওয়ার অর্থ তো হলো সে আসলে একজন জান্নাতি মানুষ।

আজ বৃহস্পতিবার। সাপ্তাহিক নফল সিয়াম রাখছেন তো?রাসূল (সাঃ) বলেছেন, "প্রতি সপ্তাহের সোম ও বৃহস্পতিবার আল্লাহ তা'আলার দরবার...
29/07/2026

আজ বৃহস্পতিবার। সাপ্তাহিক নফল সিয়াম রাখছেন তো?
রাসূল (সাঃ) বলেছেন, "প্রতি সপ্তাহের সোম ও বৃহস্পতিবার আল্লাহ তা'আলার দরবারে আমল পেশ করা হয়। সুতরাং আমার আমল সমূহ যেন রোজা পালনরত অবস্থায় পেশ করা হোক এইটাই আমার পছন্দনীয়।"
~জামে আত-তিরমিজী, হাদিস নং ৭৪৭

#সাপ্তাহিক_নফল_সিয়াম

20/07/2026

প্রকৃত তাকওয়া কোথায় প্রকাশ পায়?

- মুগিরাহ লুকমান।

12/07/2026

একটুখানি মৃত্যুচিন্তা:

মৃত্যু-অমোঘ এক সত্য। প্রতিদিনই চারপাশে ঘুরে বেড়ায়, কিন্তু কোনো প্রস্তুতি নেই আমার। মৃত্যু এমনই এক তিক্ত বাস্তবতা, যা দূরে বলে অনুভূত হয়, কিন্তু সহসাই চলে আসে। প্রবৃত্তির অনুসরণ আমায় মৃত্যুকে ভুলিয়ে রাখতে চায়। কিন্তু হায়! বিনা নোটিশে যেদিন সে চলে আসবে, সেদিন একরাশ আফসোস ও হতাশা প্রকাশ ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না। ইশ! জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে যদি মৃত্যুচিন্তা তাড়া করে ফিরত, তাহলে দুনিয়া হয়তো মনের মতো গড়া হতো না, কিন্তু আখিরাতের ক্যারিয়ার হতো উজ্জ্বল ও সাফল্যে ভরপুর। হে আমার অতৃপ্ত মন, তোমার কি একটু ভাববার সময় হবে যে, তুমি কোন জগতকে সাজাতে চাও? একটু কি বুদ্ধিমত্তার সাথে জবাব দেবে? বলবে কি তুমি, আমার কী করা উচিত?

~মূফতি তারেকুজ্জামান

12/07/2026

যে ভালোবাসা আল্লাহকে ঘিরে হয়না, ওই ভালোবাসা আসলে স্ক্যাম। টিকেনা থাকেনা, ঠুনকো কারণে ভালোবাসা বিদায় নেয়।

আল্লাহর জন্য ভালোবাসাই চিরস্থায়ী হয়।

হাদীসে কুদসীতে এসেছে,

“আমার সন্তুষ্টি লাভের জন্য যারা পরস্পরের মধ্যে মহববত রাখে, একে অপরের সঙ্গে বসে, একে অপরের সাথে সাক্ষাৎ এবং একে অপরের জন্য খরচ করে, তাদের জন্য আমার মহববত ও ভালোবাসা ওয়াজিব হয়ে যায়”

[ সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিম ]

11/07/2026

সুরা আলে ইমরান (আয়াত ১৩৩-১৩৪)
=============================
وَسَارِعُوٓا۟ إِلَىٰ مَغْفِرَةٍ مِّن رَّبِّكُمْ وَجَنَّةٍ عَرْضُهَا ٱلسَّمَٰوَٰتُ وَٱلْأَرْضُ أُعِدَّتْ لِلْمُتَّقِينَ
ٱلَّذِينَ يُنفِقُونَ فِى ٱلسَّرَّآءِ وَٱلضَّرَّآءِ وَٱلْكَٰظِمِينَ ٱلْغَيْظَ وَٱلْعَافِينَ عَنِ ٱلنَّاسِۗ وَٱللَّهُ يُحِبُّ ٱلْمُحْسِنِينَ
তোমরা দ্রুত অগ্রসর হও তোমাদের প্রতিপালকের ক্ষমার দিকে ও সেই জান্নাতের দিকে যার বিস্তৃতি হচ্ছে আসমানসমূহ ও যমীনের সমান, যা মুত্তাকীদের জন্য তৈরী করা হয়েছে।
যারা সচ্ছল ও অসচ্ছল অবস্থায় (আল্লাহর পথে) ব্যয় করে এবং যারা ক্রোধ সংবরণকারী এবং মানুষের প্রতি ক্ষমাশীল, আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালবাসেন।

বিখ্যাত তাবেয়ী হযরত হাসান বসরি (রহ.)-এর হাতে 'আব্বাস' নামের এক যুবক তওবা করেছিল। কিন্তু সে ছিল দুর্বলচিত্তের। সে তওবা কর...
11/07/2026

বিখ্যাত তাবেয়ী হযরত হাসান বসরি (রহ.)-এর হাতে 'আব্বাস' নামের এক যুবক তওবা করেছিল। কিন্তু সে ছিল দুর্বলচিত্তের। সে তওবা করত, আবার গুনাহে লিপ্ত হতো। এভাবে সে সত্তর বারের অধিক তওবা করেছে এবং প্রতিবারই তা ভঙ্গ করেছে।

জীবনের শেষ মুহূর্তে যখন তার মৃত্যু ঘনিয়ে এল, সে তার মাকে বলল—"মা, দয়া করে হযরত হাসান বসরি রহ. এর কাছে যাও। তাকে আমার কাছে নিয়ে এসো, যাতে আমি শেষবারের মতো তার হাতে তওবা করতে পারি। হয়তো আল্লাহ আমাকে মাফ করবেন।"

বৃদ্ধা মা হাসান বসরি রহ. এর কাছে গেলেন এবং সালাম দিয়ে বললেন, "আমি আব্বাসের মা। আমার ছেলে মুমূর্ষু অবস্থায় আছে। সে আপনার হাতে তওবা নবায়ন করতে চায়।"

হযরত হাসান বসরি (রহ.) ভাবলেন, বারবার তওবা ভাঙলে মানুষের মনে পাপের প্রতি ভয় কমে যায়। তাই তিনি তাকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য এবং তার মনে সত্যিকার অনুশোচনা জাগানোর জন্য কঠোরতা দেখালেন। তিনি বললেন: "যাও, এমন লোকের আমার কোনো প্রয়োজন নেই, যে বারবার তওবা করে আর তা ভাঙে।"

মা কাঁদতে কাঁদতে ফিরে এসে ছেলেকে জানালেন: "বাবা! তোমার খারাপ কাজের কারণে শায়খ আসতে রাজি হননি।"

এ কথা শুনে আব্বাস আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করল,
"হে আমার ইলাহ! হে আমার মাওলা! শায়খ ( হযরত হাসান বসরি রহ.) আমাকে তাড়িয়ে দিয়েছেন, কিন্তু তুমি আমাকে তাড়িয়ে দিও না। তুমি আমার আশা ভেঙো না।"

সে মাকে বলল: "মা! আমি মারা গেলে তুমি আমার কপালে পা রেখো এবং আমার গলায় রশি বেঁধে আমাকে বাজারের রাস্তায় টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যেও। আর বলবে, 'যে আল্লাহর অবাধ্য হয়, তার শাস্তি এটাই।' হয়তো আল্লাহ আমার এই অপমান দেখে দয়া করবেন।" এ কথা বলেই আব্বাস ইন্তেকাল করল।

মা যখন তার কপালে পা রাখতে উদ্যত হলেন, তখন তিনি যেন একটি আওয়াজ শুনতে পেলেন,
"থামো! সিজদার জায়গায় (কপালে) পা রেখো না। জেনে রেখো, আল্লাহ তা’আলা তাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিয়েছেন।" মা খুশি হয়ে তাকে গোসল দিয়ে দাফন করলেন।

সেদিন রাতে হযরত হাসান বসরি (রহ.) এক আশ্চর্য স্বপ্ন দেখলেন। কেউ তাঁকে বলছেন,
"হে হাসান! তোমাকে কিসে বাধ্য করল আমার বান্দাকে আমার রহমত থেকে নিরাশ করতে? আমিই তো তাকে সৃষ্টি করেছি এবং আমার রহমত সব কিছুকে ঘিরে আছে। আমার ইজ্জতের কসম! ভবিষ্যতে আর কখনো এমন করলে তোমাকেও ছাড় দেয়া হবে না ।"

আল্লাহর রহমত মানুষের ধারণার চেয়েও বিশাল। কোনো পাপী বারবার তওবা ভাঙলেও তাকে নিরাশ করা উচিত নয়। আল্লাহ আমাদের সকলের গুনাহ ক্ষমা করে দিন। আমিন

[সূত্র: আয যাহরুল ফাতিহ- ইবনুল জাওযি রহ.]

যারা আশুরার রোজা রাখতে চান, তারা জেনে নিন: আশুরার রোজা ৩টি পদ্ধতিতে রাখা যায়। ❖ প্রথম পদ্ধতি (এটিই সর্বোত্তম): আশুরা মান...
24/06/2026

যারা আশুরার রোজা রাখতে চান, তারা জেনে নিন: আশুরার রোজা ৩টি পদ্ধতিতে রাখা যায়।
❖ প্রথম পদ্ধতি (এটিই সর্বোত্তম):
আশুরা মানে মুহাররাম মাসের ১০ তারিখ। আশুরার রোজা রাখার সর্বোত্তম পদ্ধতি হলো, আশুরার আগের দিন (৯ই মুহাররাম) ও আশুরার দিন (১০ই মুহাররাম) রোজা রাখা। অর্থাৎ, আগামীকাল ২৫ জুন (বৃহস্পতিবার) ৯ মুহাররাম এবং পরদিন ২৬ জুন (শুক্রবার) ১০ মুহাররাম—এই দুই দিন রোজা রাখা উত্তম হবে।
ইবনু আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেন, যখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আশুরার রোজা রাখলেন এবং (অন্যদের) রোজা রাখার নির্দেশ দিলেন, তখন লোকেরা বললো, ‘হে আল্লাহর রাসুল! এটিতো এমন দিন, যাকে ইহু -দি ও খ্রিস্টানরা বিশেষ মর্যাদা দেয় (তাহলে এমন দিনে আমরা রোজা রাখবো কেনো?)!’
তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘আগামী বছর এই দিন আসলে, আমরা (আশুরার দিনের সাথে) ৯ তারিখেও রোজা রাখবো ইনশাআল্লাহ।’’
বর্ণনাকারী বলেন, পরের বছর আসার আগেই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ইন্তেকাল হয়ে যায়।
[ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ২৫৫৬]
❖ দ্বিতীয় পদ্ধতি:
কেউ চাইলে আশুরার দিন (১০ই মুহাররাম) এবং এর পরের দিনও (১১ই মুহাররাম) রোজা রাখতে পারেন। অর্থাৎ শুক্রবার ও শনিবার।

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘তোমরা ইহু~ দি’দের বিরোধিতা কোরো—আশুরার আগে বা পরে আরও একদিন রোজা রাখো।’’

[ইমাম আহমাদ, আল-মুসনাদ: ২১৫৫; ইমাম বাইহাকি, আস-সুনানুল কুবরা: ৪৩১৫; হাদিসটি হাসান (শায়খ আহমাদ শাকিরের তাহকিক)]
❖ তৃতীয় পদ্ধতি:
শুধু আশুরার দিন (১০ই মুহাররাম) রোজা রাখাও জায়েয; এতে কোনো সমস্যা নেই। তবে, উত্তম হলো, দুইটি রোজা রাখা।
[ইমাম ইবনুল কায়্যিম, যাদুল মা‘আদ]
আশুরা মানে ‘দশম’। অর্থাৎ, মুহাররামের দশ তারিখের (২৬ জুন) রোজাটি হলো আশুরার রোজা। তাই, কেবল ২৬ জুন, শুক্রবারের রোজাটিই আশুরার নিয়তে রাখবেন। এর আগের দিন বা পরের দিনের রোজা সাধারণ নফলের নিয়তে রাখবেন।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “আশুরার দিনের রোজার ব্যাপারে আমি আল্লাহর কাছে আশা করি—তিনি (এর দ্বারা) পূর্ববর্তী এক বছরের গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন।”
[ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ২৬৩৬]
এক ব্যক্তি আশুরার রোজা সম্পর্কে প্রশ্ন করলে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন— ذَاكَ صَوْمُ سَنَةٍ
‘‘এটি এক বছরের (নফল) রোজা(র সমতূল্য)।”
[ইমাম ইবনু হিব্বান, আস-সহিহ: ৩৬৩১; হাদিসটি সহিহ]
অন্য হাদিসে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “রামাদানের পর সর্বোত্তম রোজা হলো আল্লাহর মাস মুহাররাম (মাসের রোজা)।”
[ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ২৬৪৫]
তাই, এই মাসে বেশি বেশি নফল রোজা রাখা উত্তম ও ফজিলতের ব্যাপার। আমরা শুধু আশুরার রোজা রাখার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবো না, বরং আল্লাহর মাসের বাকি দিনগুলোতেও সাধ্যানুসারে বেশি বেশি রোজা রাখার চেষ্টা করবো, ইনশাআল্লাহ।

(সংগৃহীত)

ঈদ মুবারক
27/05/2026

ঈদ মুবারক

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোন গুনাহ ছিল না। এরপরেও তিনি দিনে ১০০ বার ইস্তেগফার করতেন।
11/04/2026

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কোন গুনাহ ছিল না। এরপরেও তিনি দিনে ১০০ বার ইস্তেগফার করতেন।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when হাসবুনাল্লাহ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share