Allah hu akber

Allah hu akber আসুন , কোরআন ও সুন্নাহর আলোয় জীবনকে আলোকিত করি ।

যদি নিচের কোনো লক্ষণ তোমার জীবনে থাকে, তাহলে তা হতে পারে আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে সেই পরিস্থিতি থেকে সরে যাওয়ার ইশারা:১. সবস...
13/03/2026

যদি নিচের কোনো লক্ষণ তোমার জীবনে থাকে, তাহলে তা হতে পারে আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে সেই পরিস্থিতি থেকে সরে যাওয়ার ইশারা:

১. সবসময় অস্বস্তি লাগা:
যদি কোন জায়গা বা অবস্থায় সবসময় দুশ্চিন্তা, অশান্তি বা অস্বস্তি অনুভব করো, তবে এটা শুধু মানসিক চাপ নয়—এটা হতে পারে আল্লাহর পক্ষ থেকে একটা সংকেত যে এই জায়গাটা তোমার জন্য ঠিক নয়। শান্তি যেখানে থাকে, সেদিকেই যাও।

২. সব দরজা বন্ধ হয়ে যাওয়া:
বারবার বাধা, প্রত্যাখ্যান বা ব্যর্থতার সম্মুখীন হলে, এটা নিছক দুর্ভাগ্য নয়। হতে পারে আল্লাহ তোমাকে এমন কিছু থেকে রক্ষা করছেন যা তুমি দেখতে পাচ্ছো না। জোর করে এগোবার চেষ্টা না করে, আল্লাহর উপর ভরসা রাখো—তিনি হয়তো তোমার জন্য ভালো কিছু রেখেছেন।

৩. ঈমান দুর্বল হয়ে যাওয়া:
যদি কোনো মানুষ বা পরিবেশ তোমাকে নামাজ ভুলিয়ে দেয়, আল্লাহকে ভুলিয়ে দেয়—তবে সেটা স্পষ্ট সংকেত যে তোমার সরে যাওয়া উচিত। ঈমান ধরে রাখা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

৪. সারাক্ষণ ক্লান্তি ও আটকে থাকার অনুভব:
সবসময় ক্লান্ত, অবসাদগ্রস্ত বা আটকে থাকা অনুভব করো? এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে ইঙ্গিত হতে পারে যে কিছু একটা বদলানো দরকার। আল্লাহ চান তুমি এগিয়ে যাও, না যে তুমি ভেঙে পড়ো।

৫. একই রকম খারাপ ঘটনা বারবার ঘটছে:
একই ভুল বা কষ্ট বারবার ঘুরে ফিরে আসছে? এটা কাকতালীয় নয়। আল্লাহ তোমাকে বোঝাতে চাইছেন—তুমি সেই অবস্থার পরিবর্তন করো। সেই লক্ষণগুলো উপেক্ষা করো না।

এই পাঁচটি লক্ষণ আল্লাহর পক্ষ থেকে তোমার জন্য একটি ভালো, শান্তিপূর্ণ পথের দিকে আহ্বান। তাঁর হিকমতের উপর ভরসা রাখো, সাহস করে পরিবর্তন আনো।

শেয়ার করলে তোমার কোনো ক্ষতি হবে না

> “যে ব্যক্তি কোনো একটিমাত্র জ্ঞান অন্যকে জানায় এবং তার দ্বারা মানুষ উপকৃত হয়, তবে সে ব্যক্তি মারা গেলেও সে এর সওয়াব পেতে থাকবে।”
(সহীহ বুখারী)

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

“সবচেয়ে খারাপ চোর সেই ব্যক্তি যে নিজের নামাজ থেকেই চুরি করে।”
সাহাবারা জিজ্ঞাসা করলেন, “ইয়া রাসূলুল্লাহ, কেউ কিভাবে নিজের নামাজ থেকে চুরি করে?”
তিনি ﷺ বললেন:
“যে ব্যক্তি রুকু ও সেজদা ঠিকভাবে সম্পন্ন না করে।”
(আল-মুআ’জাম আল-আওসাত, হাদিস ৩৩৯২)

আল্লাহ আমাদের সবাইকে হিদায়াত দিন। 🤍

আল্লাহর জন্য অন্য কাউকে জাগানোর নিয়তে এই পোস্টটি শেয়ার করো। যদি উপকারে আসে, তাহলে ফলো করে রেখো [ইন শা আল্লাহ] 🥹🫶🏻 তুমি কখনোই আফসোস করবে না।

☞ ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে ইসলামিক অনুপ্রেরণা কে ফলো দিয়ে রাখুন!

11/03/2026

লাইলাতুল কদরের শ্রেষ্ঠ ১২ টি সহজ আমল, যেগুলো তুলনামূলক সহজ ও গোছানো। ইনশাআল্লাহ্ সকলেই আমল করতে পারবেন।
➖➖➖➖➖◄❖►➖➖➖➖➖

❖ (এক.) ৮/১০ রাকাত তাহাজ্জুদের নামাজ আদায় পড়া (বিশেষত শেষ রাতে)
লাইলাতুল কদরের প্রধান আমল হলো, কিয়াম তথা নামাজে দণ্ডায়মান হওয়া। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় কদরের রাতে (ইবাদতের জন্য) দণ্ডায়মান হবে, তার পূর্বের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে।’’ [সহিহ বুখারি: ১৯০১, সহিহ মুসলিম: ৭৬০]
❖ (দুই.) ১৫/২০ বার সূরা ইখলাস পাঠ করা
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যাঁর হাতে আমার জীবন, তাঁর কসম করে বলছি, নিশ্চয়ই এই সূরা ইখলাস কুরআনের এক তৃতীয়াংশের সমান।’’ [সহিহ বুখারি: ৫০১৩]
অন্য হাদিসে এসেছে, ‘‘যে ব্যক্তি সূরা ইখলাস ১০ বার শেষ করবে, তার জন্য জান্নাতে আল্লাহ্ একটি প্রাসাদ নির্মাণ করবেন।’’ [সিলসিলা সহিহাহ: ৫৮৯, হাদিসটি সহিহ]
❖ (তিন.) সুবহানাল্লাহ্, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্ ও আল্লাহু আকবার—প্রতিটি ১০০ বার করে মোট ৪০০ বার পড়া।
রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন—
► ‘‘যে ব্যক্তি ১০০ বার ‘সুবহানাল্লাহ’ বলবে, সে ১০০ ক্রীতদাস মুক্ত করার সওয়াব পাবে;
► যে ব্যক্তি ১০০ বার ‘আলহামদুলিল্লাহ্’ বলবে, সে আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধের জন্য ১০০ টি সাজানো ঘোড়ায় মুজাহিদ প্রেরণের সওয়াব পাবে;
► যে ব্যক্তি ১০০ বার ‘আল্লাহু আকবার’ বলবে, সে ১০০টি মাকবুল (কবুলকৃত) উট কুরবানির সওয়াব পাবে;
► যে ব্যক্তি ১০০ বার ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলবে, সে এত সওয়াব পাবে, যার ফলে আসমান ও যমিন পূর্ণ হয়ে যাবে।’’ [ইবনু মাজাহ: ২/১২৫২, মুসনাদ আহমাদ: ৬/৩৪৪, হাদিসটি হাসান]
❖ (চার.) একটি গুরুত্বপূর্ণ তাসবিহ কমপক্ষে ১০০ বার পড়ার চেষ্টা করা।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি দৈনিক ১০০ বার পড়বে—
لَا إِلٰهَ إِلاَّ اللّٰهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيْكَ لَهُ لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَىْءٍ قَدِيرٌ
[মোটামুটি উচ্চারণ: লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহদাহূ লা শারীকা লাহূ লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুওয়া ‘আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর।]
অর্থ: আল্লাহ্ ব্যতীত কোনো সার্বভৌম সত্তা নেই। তিনি এক; তাঁর কোনো অংশীদার নেই। রাজত্ব এবং প্রশংসা কেবল তাঁরই; তিনি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।
► সে ১০টি গোলাম মুক্ত করার সওয়াব পাবে;
► তার জন্য ১০০ সওয়াব লেখা হবে;
► তার ১০০ গুনাহ মিটিয়ে দেওয়া হবে;
► ওই দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত সে শয়তান থেকে নিরাপদ থাকবে এবং (সন্ধ্যায় বা রাতে পাঠ করলে সকাল পর্যন্ত নিরাপদ থাকবে)
► ওই দিনের হিসেবে কেউ তার চেয়ে উত্তম সওয়াবের কাজ করতে পারবে না। তবে হ্যাঁ, ওই ব্যক্তি সক্ষম হবে, যে এর চেয়ে বেশি পড়বে।’’ [সহিহ বুখারি: ৩২৯৩, আবু দাউদ: ৫০৭৭]
অন্য হাদিসে এসেছে, ‘‘যে ব্যক্তি প্রত্যেকটি দশবার করে বলবে, সে ইসমাঈল (আ.)-এর বংশের চারজন ক্রীতদাস মুক্ত করে দেওয়ার নেকি পাবে।’’ [সহিহ বুখারি: ৬৪০৪]
❖ (পাঁচ.) কদরের রাতের বিশেষ দু‘আটি মনোযোগের সাথে ৩০/৪০ বার পড়া।
আয়িশা (রা.) বলেন, আমি বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমি যদি বুঝতে পারি, কোন রাতটি লাইলাতুল কদর, তাহলে ওই রাতে কী বলব?’ নবীজি বলেন, তুমি বলো—
اَللّٰهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّيْ
[আল্লাহুম্মা ইন্নাকা ‘আফুউ-উন, তু‘হিব্বুল ‘আফওয়া ফা’অ্ফু ‘আন্নী]
অর্থ: হে আল্লাহ্! তুমি ক্ষমাশীল, তুমি ক্ষমা করতে পছন্দ করো। অতএব, আমাকে ক্ষমা করে দাও। [মুসনাদ আহমাদ: ৬/১৮২, সহিহ]
❖ (ছয়.) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই ইস্তিগফারটি বেশ কয়েকবার পড়া।
ইবনু মাস‘ঊদ (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি এই দু‘আ পড়বে, তার গুনাহ্ ক্ষমা করে দেওয়া হবে—যদিও সে জিহাদের ময়দান থেকে পলায়নকারী হয়।’’
ﺃَﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠّٰﻪَ ﺍﻟَّﺬِﻱْ ﻻَ ﺇِﻟٰﻪَ ﺇِﻻَّ ﻫُﻮَ ﺍﻟْﺤَﻰُّ ﺍﻟْﻘَﻴُّﻮﻡُ ﻭَﺃَﺗُﻮْﺏُ ﺇِﻟَﻴْﻪِ
[আসতাগফিরুল্লাহ আল্লাযি (অথবা আস্তাগফিরুল্লাহাল্লাযি) লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল ‘হাইয়ুল ক্বাইয়ূমু ওয়া আতূবু ইলাইহি]
অর্থ: আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছি, যিনি ব্যতীত কোনো সার্বভৌম সত্তা নেই—তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী—এবং আমি তাঁর নিকট তাওবাহ্ করছি। [আবু দাউদ: ১৫১৭, তিরমিযি: ৩৫৭৭, হাদিসটি বিশুদ্ধ]
অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘‘আসতাগফিরুল্লাহাল ‘আযীম, আল্লাযি... (বাকি অংশে কোনো পরিবর্তন নেই)।’’ [তিরমিযি: ৩৫৭৭, হাসান]
❖ (সাত.) কয়েকবার সাইয়িদুল ইসতিগফার পড়া। অর্থাৎ এই ইস্তিগফারকে হাদিসে বলা হয়েছে ‘ইস্তিগফারের নেতা’।
ﺍَﻟﻠّٰﻬُﻢَّ ﺃَﻧْﺖَ ﺭَﺑِّﻲْ ﻟَﺎ ﺇِﻟٰﻪَ ﺇِﻟَّﺎ ﺃَﻧْﺖَ ﺧَﻠَﻘْﺘَﻨِﻲْ ﻭَﺃَﻧَﺎ ﻋَﺒْﺪُﻙَ ﻭَﺃَﻧَﺎ ﻋَﻠَﻰ ﻋَﻬْﺪِﻙَ ﻭَﻭَﻋْﺪِﻙَ ﻣَﺎ ﺍﺳْﺘَﻄَﻌْﺖُ ﺃَﻋُﻮْﺫُ ﺑِﻚَ ﻣِﻦْ ﺷَﺮِّ ﻣَﺎ ﺻَﻨَﻌْﺖُ ﺃَﺑُﻮْﺀُ ﻟَﻚَ ﺑِﻨِﻌْﻤَﺘِﻚَ ﻋَﻠَﻲَّ ﻭَﺃَﺑُﻮْﺀُ ﺑِﺬَﻧْﺒِﻲ ﻓَﺎﻏْﻔِﺮْ ﻟِﻲ ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﻟَﺎ ﻳَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﺬُّﻧُﻮﺏَ ﺇِﻟَّﺎ ﺃَﻧْﺖَ
[আল্লাহুম্মা আনতা রাব্বী লা-ইলাহা ইল্লা আনতা খালাক্বতানী ওয়া আনা ‘আবদুকা, ওয়া আনা ‘আলা ‘আহ্দিকা ওয়া ওয়া’দিকা মাসতা ত’তু আ‘উযুবিকা মিন শাররি মা সনা’তু আবূ-উ লাকা বিনি’মাতিকা ‘আলাইয়া ওয়া আবূ-উ বিযানবী, ফাগফিরলি ফা ইন্নাহু লা-ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা আনতা] (অবশ্যই আরবি দেখে শিখুন, বাংলা উচ্চারণ সঠিক হয় না)
অর্থ: হে আল্লাহ! তুমিই আমার রব। তুমি ছাড়া কোনো সার্বভৌম সত্তা নেই। তুমিই আমাকে সৃষ্টি করেছো আর আমি তোমারই গোলাম। তুমি আমার কাছ থেকে যে অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতি নিয়েছো, সাধ্যানুযায়ী আমি তার ওপর চলবো। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই। তুমি আমার প্রতি তোমার যে নিয়ামত দিয়েছো তা স্বীকার করছি এবং আমার গুনাহের কথাও স্বীকার করছি। অতএব, তুমি আমাকে মাফ করে দাও। কারন তুমি ছাড়া কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারে না।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘যে ব্যক্তি দিনের বেলায় এ দু‘আটি দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে পড়বে, অতঃপর সেদিন সন্ধ্যা হওয়ার আগেই মারা যাবে, সে জান্নাতীদের অন্তর্ভুক্ত হবে। আর যে ব্যক্তি সন্ধ্যায় দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে এটি পড়বে, অতঃপর সকাল হওয়ার আগেই মারা যাবে, সে জান্নাতীদের অন্তর্ভুক্ত হবে।’’ [সহিহ বুখারি: ৬৩০৬]
❖ (আট.) নিজের জন্য, বাবা-মার জন্য এবং যেকোনো জীবিত ও মৃত মুসলিমের জন্য দু‘আ করা।
মুসলিম জাতির পিতা ইবরাহিম (আ.)-এর চমৎকার দু‘আ (ইসতিগফার)। এর মাধ্যমে একই সাথে নিজের জন্য, বাবা-মার জন্য এবং সকল জীবিত ও মৃত ঈমানদারের জন্য দু‘আ করা হয়। খুবই গুরুত্বপূর্ণ দু‘আ।
رَبَّنَا اغْفِرْ لِيْ وَلِوَالِدَيَّ وَلِلْمُؤْمِنِيْنَ يَوْمَ يَقُوْمُ الْحِسَابُ
‘‘হে আমাদের রর! যেদিন হিসাব কায়েম হবে, সেদিন তুমি আমাকে, আমার পিতামাতাকে ও মুমিনদেরকে ক্ষমা করে দিয়ো।’’ [সূরা ইবরাহিম, আয়াত: ৪১]
❖ (নয়.) গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যাপক অর্থবোধক দু‘আ বেশি করে পড়া।
اَللّٰهُمَّ إِنِّيْ أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ
[উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকাল ‘আ-ফিয়াতা ফিদ্দুনইয়া ওয়াল আ-খিরাহ।]
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার নিকট দুনিয়া ও আখেরাতের নিরাপত্তা প্রার্থনা করছি। [আল-আদাবুল মুফরাদ: ১২০০, হাদিসটি সহিহ (হাদিসটি আরো দীর্ঘ)]
❖ (দশ.) দ্বীনের উপর টিকে থাকার দু‘আ, এটিও বেশি করে পড়া উচিত এই রাতে।
উম্মে সালামা (রা.) বলেন—রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে দু'আটি সবচেয়ে বেশি পড়তেন, তা হলো–
يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلٰي دِيْنِكَ
[মোটামুটি উচ্চারণ: ইয়া মুক্বাল্লিবাল ক্বুলূব! সাব্বিত ক্বালবী ‘আলা দীনিকা]
[অর্থ: হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী! আপনি আমার অন্তরকে আপনার দ্বীনের (ইসলামের) উপর অটল রাখুন।]
[তিরমিযি, হাদিস: ৩৫২২, হাসান]
❖ (এগারো.) কিছু দান-সদাকাহ্ করা।
যদি সম্ভব হয়, তবে রাতেই করুন। এটাই উত্তম। এক টাকা দান করলে হাজার মাস (৮৪ বছর) ধরে এক টাকা দান করার নেকি পাবেন। এই রাতের প্রতিটি আমল এভাবেই বৃদ্ধি পাবে। কারণ আল্লাহ্ তা‘আলা বলেন, ‘‘কদরের রাতটি (মর্যাদার দিক থেকে) হাজার মাসের চেয়েও শ্রেষ্ঠ।’’ [সূরা ক্বাদর, আয়াত: ০৩]
যদি রাতে দিতে না পারেন, তবে রাতেই কিছু টাকা সাদাকাহ করার জন্য আলাদা করে রেখে দিন। এগুলো দিনের বেলা দিবেন গরিবদেরকে।
❖ (বারো.) বেশি করে দরুদ পড়বেন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর। শ্রেষ্ঠ দরুদ সেটিই, যা আমরা নামাজের শেষ বৈঠকে পড়ি।
বেশি বেশি আমল করতে গিয়ে কোয়ালিটির দিকে উদাসীন হবেন না। আল্লাহর কাছে আন্তরিকতাপূর্ণ আমলের মূল্য অনেক বেশি।
আল্লাহ্ তা‘আলা আমাদের আমল করার তাওফিক দান করুন।

10/03/2026
02/01/2026

প্রিয় আল্লাহ, এই সুন্দর জীবনের জন্য তোমাকে ধন্যবাদ, এবং আমি যা কিছু ভুল করেছি তার জন্য আমাকে ক্ষমা করো।💖

দারিদ্র, অপমান ও জুলুম থেকে বাঁচার একটি গুরুত্বপূর্ণ দোয়াঃ (এই সংক্ষিপ্ত দু‘আটি শব্দে শব্দে অর্থসহ উপস্থাপন করা হচ্ছে, য...
18/12/2025

দারিদ্র, অপমান ও জুলুম থেকে বাঁচার একটি গুরুত্বপূর্ণ দোয়াঃ

(এই সংক্ষিপ্ত দু‘আটি শব্দে শব্দে অর্থসহ উপস্থাপন করা হচ্ছে, যাতে নামাজের সিজদায় এবং অন্যান্য সময়ে পাঠ করা যায়)
আবু হুরায়রা (রা.) হতে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেন—
اَللّٰهُمَّ إنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنَ الْفَقْرِ، وَالْقِلَّةِ، وَالذِّلَّةِ، وَأَعُوْذُ بِكَ مِنْ أَنْ أَظْلِمَ أَوْ أُظْلَمَ
[মোটামুটি উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা ইন্নী আ‘উ-যুবিকা মিনাল ফাক্বরি, ওয়াল ক্বিল্লাতি, ওয়ায যিল্লাতি, ওয়া আ‘উ-যুবিকা মিন আন আ(উ)যলিমা আউ উযলামা (উচ্চারণ সঠিকভাবে বাংলায় লেখা যায় না; সুতরাং আরবি টেক্সটের সাথে মিলিয়ে না শিখলে ভুল শেখা হবে]
অর্থ: হে আল্লাহ! তোমার কাছে আশ্রয় চাই—দারিদ্র থেকে, (নিয়ামতের) স্বল্পতা ও অপমান থেকে এবং তোমার কাছে আরো আশ্রয় চাই—কারো উপর জুলুম করা থেকে অথবা কারো জুলুমের শিকার হওয়া থেকে। [বুখারি, আল-আদাবুল মুফরাদ: ৬৭৮, হাদিসটি সহিহ]
দু‘আটি শব্দে শব্দে শেখা যায় এভাবে—
اَللّٰهُمَّ আল্লা-হুম্মা [হে আল্লাহ]
إنِّيْ ইন্নী [নিশ্চয়ই আমি]
أَعُوْذُ بِكَ আ‘উ-যুবিকা [তোমার কাছে আশ্রয় চাই]
مِنَ الْفَقْرِ মিনাল ফাক্বরি [দারিদ্র থেকে]
وَالْقِلَّةِ ওয়াল ক্বিল্লাতি [স্বল্পতা থেকে]
وَالذِّلَّةِ ওয়ায যিল্লাতি [অপমান থেকে]
وَأَعُوْذُ بِكَ ওয়া আ‘উ-যুবিকা [আমি আরো আশ্রয় চাই তোমার কাছে]
مِنْ মিন [হতে]
أَنْ أَظْلِمَ আন আযলিমা [(কারো উপর) জুলুম করা থেকে]
أَوْ আউ [অথবা]
أُظْلَمَ উযলামা [জুলুমের শিকার হওয়া থেকে]
অতঃপর মুখস্থ করতে পারেন এভাবে—
اَللّٰهُمَّ আল্লা-হুম্মা [হে আল্লাহ]
إنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ ইন্নী আ‘উ-যুবিকা
[আপনার নিকট আমি আশ্রয় চাই]
مِنَ الْفَقْرِ মিনাল ফাক্বরি [দারিদ্র হতে]
وَالْقِلَّةِ وَالذِّلَّةِ ওয়াল ক্বিল্লাতি ওয়ায যিল্লাতি
[(নিয়ামতের) স্বল্পতা ও অপমান হতে]
وَأَعُوْذُ بِكَ ওয়া আ‘উ-যুবিকা
[আমি আপনার নিকট আরো আশ্রয় চাই]
مِنْ أَنْ أَظْلِمَ মিন আন আযলিমা
[কারো উপর জুলুম করা থেকে]
أَوْ أُظْلَمَ আউ উযলামা
[অথবা জুলুমের শিকার হওয়া থেকে]
এই একটি ছোট্ট দু‘আর মধ্যে একই সাথে দারিদ্র, (নিয়ামতের) স্বল্পতা, অপমান-অপদস্থতা থেকে আশ্রয় চাওয়া হচ্ছে। আবার নিজে কারও উপর জুলুম করা অথবা কারও দ্বারা জুলুমের শিকার হওয়া থেকেও পানাহ চাওয়া হচ্ছে। সুতরাং, দু‘আটি নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ।
আমরা চাইলে এই দু‘আটি নামাজের সিজদায়, সালাম ফেরানোর পূর্বে বা অন্য যেকোনো সময় পড়তে পারি।
আল্লাহর_নিরাপত্তায়
মহান রবের আশ্রয়ে

- সংগৃহীত

15/12/2025

কী মারাত্মক শক্তিশালী এক হাদীস।
জেনে রাখো! সব মানুষ মিলে যদি তোমার কোন উপকার
করতে চায়, তবে ততটুকুই করতে পারবে যতটুকু আল্লাহ্
তোমার জন্য নির্দিষ্ট করে রেখেছেন।

আর যদি সব মানুষ মিলে তোমার কোন ক্ষতি করতে চায়,
তবে আল্লাহ্ তোমার জন্য যা নির্দিষ্ট করেছেন তার বেশি
কোনো ক্ষতি করতে পারবে না।

(সুনান তিরমিযী: ২৫১৬)

প্রশ্ন: পায়ে স্পর্শ করে সালাম করা কি,ইসলাম ধর্মে আছে?উওর: পায়ে হাত দিয়ে সালাম করা বা কদমবূসী করা ইসলামী রীতি নয়। একদা আ...
14/12/2025

প্রশ্ন: পায়ে স্পর্শ করে সালাম করা কি,ইসলাম ধর্মে আছে?

উওর: পায়ে হাত দিয়ে সালাম করা বা কদমবূসী করা ইসলামী রীতি নয়। একদা আনাস (রাঃ) রাসূল (সাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের কেউ যখন তার বন্ধুর সাথে সাক্ষাৎ করবে, তখন সে কি তার জন্য মাথা ঝুঁকাবে? তিনি বললেন, না। আনাস (রাঃ) বললেন, তবে কি তাকে জড়িয়ে ধরবে বা কোলাকুলি করবে বা চুমু খাবে? তিনি বললেন, না। বরং তার সাথে মুছাফাহা করবে’ (তিরমিযী হা/২৭২৮, ইবনু মাজাহ হা/৩৭০২, মিশকাত হা/৪৬৮০; ছহীহাহ হা/১৬০)। অতএব সাক্ষাৎকালে মুছাফাহা করাই সুন্নাত।

এক্ষণে হাতে চুমু দেওয়া মর্মে যে হাদীছ বর্ণিত হয়েছে যে, আবদুল ক্বায়েস গোত্রের প্রতিনিধি দল মদীনায় আগমন করে রাসূল (সাঃ)-এর হাতে চুম্বন করেন (আবুদাউদ হা/৫২২৫; মিশকাত হা/৪৬৮৮), সেটি ইসলামী রীতি হিসাবে ছিল না। কারণ তারা নওমুসলিম হিসাবে প্রথম মদীনায় এসেছিলেন এবং তাদের পূর্ব রীতি হিসাবে এটা করেছিলেন। অতএব সুন্নাত মনে করে মায়ের হাতে চুমু খাওয়া যাবে না।

উল্লেখ্য যে, পায়ে চুম্বন করা সম্পর্কিত হাদীছসমূহ যঈফ (যঈফ আবুদাঊদ হা/১১১৮; আল-আদাবুল মুফরাদ হা/৯৭৫-৭৬)।

উৎসঃ দারুল ইফতা, হাদীস ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ।

অতএব:
ঈদে কাউকে (পা "ধরে সালাম) করবেন না ।

1. রাসূলের (ﷺ) স্ত্রী আয়েশা (রা.) কখনো রাসূলকে পায়ে ধরে সালাম করেননি।

2. রাসূলের (ﷺ) মেয়ে ফাতেমা (রা.) কখনও নিজ বাবাকে পায়ে ধরে সালাম করেননি।

3. রাসূলের (ﷺ) সাহাবীগণ কখনও রাসূলের পায়ে ধরে সালাম করেননি।

পায়ে ধরে সালাম কোনো সালাম নয়, এটি একটি সমাজ কর্তৃক চাপিয়ে দেয়া নোংরা প্রথা; এক নেকীও সওয়াব তো হয়ই না বরং শিরকের সমূহ সম্ভাবনা থাকে।

ইসলাম সালামের সুন্দর পদ্ধতি শিখিয়ে দিয়েছেঃ (আসসালামু আলাইকুম)

কদমবুচি করা এগুলো বিজাতীয় সংস্কৃতি আর বিজাতীয় সংস্কৃতির আবু দাউদ: ৪০৩১ মিশকাত: ৪৩৪৭

"আল্লাহু সকলকে সঠিক বুঝ নেওয়ার তৌফিক দান করুন আমীন"

মনোবল বৃদ্ধি ও মুখের জড়তা বা তোতলামি দূর করার কুরআন থেকে দোয়া -رَبِّ اشْرَحْ لِي صَدْرِي. وَيَسِّرْ لِي أَمْرِي. وَ ا...
13/12/2025

মনোবল বৃদ্ধি ও মুখের জড়তা বা তোতলামি দূর করার কুরআন থেকে দোয়া -

رَبِّ اشْرَحْ لِي صَدْرِي.
وَيَسِّرْ لِي أَمْرِي.
وَ احۡلُلۡ عُقۡدَۃً مِّنۡ لِّسَانِیۡ یَفۡقَهُوۡا قَوۡلِیۡ

উচ্চারণ-
রব্বিশ রহলী ছোদরী,
ওয়া ইয়াস্সির লী আমরী,
ওয়াহলুল উকদাতাম মিললিসানি,
ইয়াফ ক্বাহুও ক্বওলি।

অর্থ -
হে আমার রব, আমার বুক প্রশস্ত করে দিন,
এবং আমার কাজ সহজ করে দিন,
আর আমার জিহবার জড়তা দূর করে দিন,
যাতে তারা আমার কথা বুঝতে পারে।

দোয়ার প্রেক্ষাপট: হযরত মূসা (আ.)-কে ফেরাউনের নিকট আল্লাহর পক্ষ থেকে দ্বীনের দাওয়াত প্রদানের নির্দেশনা প্রদান করা হলে তিনি এভাবে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করেন।

রিজিকের সংকটের সময় পড়ুনরিজিকের সংকট জীবনের এক চরম বাস্তবতা।অনেকে চেষ্টা করেন, পরিশ্রম করেন, তবুও বরকত আসেনা । এই সময়ে...
09/12/2025

রিজিকের সংকটের সময় পড়ুন

রিজিকের সংকট জীবনের এক চরম বাস্তবতা।
অনেকে চেষ্টা করেন, পরিশ্রম করেন, তবুও বরকত আসে
না । এই সময়ে হতাশ না হয়ে আল্লাহর দরজায় ফিরে আসা একজন মুমিনের সবচেয়ে বড় শক্তি।

রাসূলুল্লাহ আমাদের এমন কিছু দোয়া শিখিয়েছেন,
যা রুজির দরজা খুলে দেয়, হৃদয় প্রশান্ত করে, আর
জীবনে বরকত আনে।

🌿 রিজিকের সময়ের ৩টি সেরা দোয়া

🕋 ১️⃣ সূরা কাসাস: আয়াত ২৪

رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ
উচ্চারণ: রাব্বি ইন্নি লিমা আনজালতা ইলাইয়া মিন খাইরিন ফাকির।
অর্থ: হে আমার রব! আপনি আমার প্রতি যে কল্যাণ নাজিল করবেন, আমি তার মুখাপেক্ষী।
📖 (সূরা আল-কাসাস: আয়াত ২৪)

ফায়দা:

হতাশা ও অভাব থেকে মুক্তি
নতুন কাজ ও রিজিকের সুযোগ সৃষ্টি

নবী মূসা (আ.) এই দোয়ার পরই রিজিক ও আশ্রয় লাভ করেন

🌿 ২️⃣ হালাল রিজিকের জন্য দোয়া

اللّهُمَّ اكْفِنِي بِحَلالِكَ عَنْ حَرامِكَ، وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাকফিনি বিহালালিকা ‘আন হারামিকা, ওয়া আঘনিনি বিফাদলিকা ‘আম্মান সিওয়াক।
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনার হালাল রিজিক দিয়ে আমাকে এমনভাবে পরিপূর্ণ করুন, যাতে হারামে না যাই, এবং আপনার অনুগ্রহে এমন স্বয়ংসম্পূর্ণ করুন যাতে অন্য কারো মুখাপেক্ষী না হই।
📚 (তিরমিজি: হাদিস ৩৫৬৩)

ফায়দা:

হালাল পথে রিজিকের স্থিরতা
আত্মসম্মান ও বরকতের বৃদ্ধি
দেনা ও সংকট থেকে মুক্তি

🌿 ৩️⃣ বরকতময় রিজিকের জন্য দোয়া

اللّهُمَّ ارْزُقْنِي رِزْقًا حَلَالًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মারযুকনি রিযকান হালালান তইয়্যিবান মুবারাকান ফিহি।
অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে এমন হালাল, পবিত্র ও বরকতময় রিজিক দিন, যাতে আপনার সন্তুষ্টি থাকে।

ফায়দা:

জীবনে প্রশান্তি আসে
রিজিকে বরকত বৃদ্ধি পায়
পরিবারে কল্যাণ ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি পায়

🕰️ আমল করার নিয়ম

1️⃣ প্রতিদিন প্রতিটি দোয়া ৭ বার করে পড়ুন।
2️⃣ দুই রাকাত হাজতের নামাজ পড়ে পড়লে উত্তম।
3️⃣ দোয়ার সময় অন্তর থেকে চাওয়া ও হালাল রিজিকের নিয়ত রাখুন।
4️⃣ দোয়ার পর ইস্তেগফার ও দরুদ শরীফ পড়ুন।

💫 শেষ কথা

রিজিক শুধু আয় নয় — এটি মানসিক শান্তি, পারিবারিক স্থিতি ও আত্মিক সন্তুষ্টির নাম।
আজই এই দোয়াগুলো আমল শুরু করুন,
হয়তো এটাই হবে জীবনের বরকতময় মোড় পরিবর্তনের মুহূর্ত, ইনশাআল্লাহ।

Address

Dhaka
1215

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Allah hu akber posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share