শান্তির পথ ইসলাম

শান্তির পথ ইসলাম Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from শান্তির পথ ইসলাম, Religious Center, Basabo, Dhaka.

01/03/2026

সেহেরির সময় শেষ হলে তারপর খেলে কি রোজা হবে?

সেহরির সময় শেষ হয়ে যাওয়ার পর এখনও সময় আছে মনে করে খেলে রোজা হবে না। পরে তাকে এই রোজার কাজা করতে হবে। তবে এক্ষেত্রে কোনো কাফফারা ৬০টি রোজা রাখা লাগবে না।
আরেকটি বিষয় হলো, এই ব্যক্তিকে ওই দিনের বাকি সময় রোজাদারের মতো পানাহার থেকে বিরত থাকতে হবে।
ফাতাওয়া শামিতে আছে,
"أَوْ تَسَحَّرَ يَظُنُّ أَنَّ الْفَجْرَ لَمْ يَطْلُعْ وَهُوَ طَالِعٌ... قَضَى... وَلَا كَفَّارَةَ عَلَيْهِ لِوُجُودِ الشُّبْهَةِ."
অনুবাদ: "যদি কেউ এই মনে করে সেহরি খায় যে সুবহে সাদিক উদয় হয়নি, অথচ উদয় হয়ে গিয়েছিল... তবে তাকে কাজা করতে হবে... কিন্তু তার ওপর কাফফারা ওয়াজিব হবে না।

26/02/2026

গ,ণত,ন্ত্রের উত্তাল সাগরে যারা ডুব দিয়ে আলো খোঁজে তাদের দৃষ্টি কি একবারও ফিরে যায় না ইমারতে
ই,সলামি*য়াহ আ* ফগানি'স্তানের দিকে?
এক সময় সেই ভূখন্ডও ছিল ভিন্ন শাসনের বেড়াজালে আবদ্ধ। কিন্তু তারা বুঝে গিয়েছিল,। যে পথে ঈমান
নিরাপদ নয়, সে পথ কখনো শান্তির হতে পারে না।
তারা ফিরে এসেছে নবীজি সাঃ এর দেখানো পথে।
আশ্রয় নিয়েছে সুন্নতের ছায়ায়"আল্লাহর উপর সম্পূর্ণ তাওয়াক্কুল রেখে, তারা অপেক্ষারত ছিলেন তাহার
নুসরাতের আর আল্লাহ কখনোই তার উপর ভরসা
কারীদের নিরাশ করেন না।
আজ ইতিহাসই তার জীবন্ত সাক্ষ্য তাদের অবস্থাও
ছিল একদিন আমাদের থেকেও ছিলো বহুগুণ বেশি সংকটাপন্ন। তাদের আশ্রয় ছিল মাদ্রাসার কোলাহলমুক্ত প্রাঙ্গন, তাদের অস্ত্র ছিল সিজদায় ঝরে পড়া অশ্রু।
আজ তারা দৃঢ় আর আমরা ভেঙে পড়া। আজ তারা আত্মমর্যাদায় উঁচু পুরো বিশ্ববাসী দেখেছে দ্বীনী। ও
দুনিয়াবি। লাইনে। তাদের অগ্রগতি ও উন্নতি একদিকে
মনে হয় যেনো গায়েবি সাহায্যে পরিণত হয়েছে তাদের মাটির জমিন মূল্যবান রত্নে।
অন্যদিকে নব উদ্ভাবনে এগিয়ে যাচ্ছে তাদের ইমান ওয়ালা প্রকৌশলিগণ। প্রযুক্তিতে তারা আজ মুসলিম
বিশ্বে সবার শীর্ষে নির্বিঘ্নে পালন করছে আল্লাহর দেওয়া সমস্ত নির্দেশ, কার্যকর করছে প্রত্যেকটি অঙ্গনে শরিয়াহ পদ্ধতি। সূন্নতের ছত্রছায়ায় বৃষ্টিত তাদের পুরো দেশ।
আজ তারা দুনিয়াবি আখেরাতি উভয় সফলতার পথিক। আর আমরা আপত্তির ভারে নুয়ে পড়া। তবে কি উভয়ের পার্থক্যটা চেতনা আর ইখলাসে?
তাদের প্রত্যাশা ছিল প্রতিষ্ঠিত। হোক আল্লাহর জমিনে আল্লাহর নীতি দূর হোক কুনীতি ও দুর্নীতি ধুলিস্যাৎ হোক মানব রচিত হারাম আইন। তামান্না ছিলো তাদের।সদা
শহিদি কামনা। লক্ষ ছিলো এই রক্ত ঝরা জমিনে একদিন উচু হবে আল্লাহর কালিমা।
আর আমাদের চাওয়ায় মিশে গেছে ক্ষমতার সিংহাসন ও প্রার্থিব মোহ। বিচ্যুৎ হয়েছি নববি তরিকা। হতে, ধরেছি অমুসলিম কর্তৃক গঠিত হারাম গন" ত,ন্ত্র।
এ কারণেই কি আমরা আজ ব্যর্থ, গন্তব্য ভ্রষ্ট, দিশেহারা?

হে আল্লাহ আমাদের অন্ধ চক্ষু খুলে দিন আমাদের বোধ ও উপলব্ধিকে শুদ্ধ করুন আর আমাদের চেতনার গতিপথ
কে ফিরিয়ে দিন নবীজি সাঃ এর পথে। আল্লাহুম্মা আমীন।
(نصير احمد)

#মুফতী আব্দুলমালেকসাহেব

23/01/2026
23/01/2026

জুমার দিনের বিশেষ ৬টি আমল।

১. জুমার নামাজ আদায় করা

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন,
“পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, এক জুমা থেকে পরবর্তী জুমা, এক রমজান থেকে পরবর্তী রমজান মধ্যবর্তী সময়ের পাপ মোচন করে; যদি কবিরা গুনাহ থেকে বিরত থাকে।”
(মুসলিম: ২৩৩)

২. গোসল করা ও উত্তমভাবে প্রস্তুত হওয়া

রাসুল (সা.) বলেন,
“যে ব্যক্তি জুমার দিন ভালো করে গোসল করল, দ্রুত মসজিদে গেল, মনোযোগ দিয়ে খুতবা শুনল—তার প্রতিটি কদমের বিনিময়ে এক বছরের নামাজ ও রোজার সওয়াব।”
(আবু দাউদ: ৩৪৫)

৩. মসজিদে প্রথমে যাওয়া ও সামনে বসা

রাসুল (সা.) বলেন,
“যে ব্যক্তি প্রথমে মসজিদে গেল, সে যেন একটি উট কোরবানি করল... এরপর যে গেল সে ডিম সদকা করল। এরপর ইমাম খুতবা দিলে ফেরেশতা শোনে।”
(বুখারি: ৮৪১)

৪. আছরের পর বিশেষ মুহূর্তে দোয়া করা

রাসুল (সা.) বলেন,
“জুমার দিনে এমন একটি মুহূর্ত আছে, যখন বান্দা আল্লাহর কাছে যা কিছুই প্রার্থনা করে, তা কবুল হয়... এ সময়টি আছরের পর অনুসন্ধান করো।”
(আবু দাউদ: ১০৪৮)

৫. সুরা কাহাফ পাঠ করা

রাসুল (সা.) বলেন,
“যে ব্যক্তি জুমার দিন সুরা কাহাফ পাঠ করবে, তা দুই জুমার মধ্যবর্তী সময় আলোকিত করে দেবে।”
(তারগিব: ১৪৭৩, মুসতাদরাক: ২/৩৯৯)

৬. রাসুল (সা.)-এর ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ

রাসুল (সা.) বলেন,
“তোমরা এই দিনে আমার ওপর বেশি দরুদ পড়ো, কারণ জুমার দিনে তোমাদের দরুদ আমার কাছে পেশ করা হয়।”
(আবু দাউদ: ১০৪৭)

নারীদের আমল:
নারীরা ঘরে জোহরের নামাজ আদায় করবেন, সুরা কাহাফ, দরুদ, গোসল, নখ কাটা, ইত্যাদি আমলও করবেন।

“নারীদের নামাজের উত্তম স্থান হলো তাদের ঘরের নির্জন কোণ।”
(মুসনাদে আহমদ: ২৬৫৪২)

04/11/2024

আমরা অনেকেই জানি না বিষয়গুলো আবার অনেকেই দুএকটা জানি এখানে অনেকগুলো কারন লিখা আছে ব্যাখ্যা সহ আমরা জেনেই বিষয়গুলো এবং জানাটা অনেক দরকার

দারুল উলূম দেওবন্দ ও হক্বানী উলামায়ে কেরামের মতে, যে সমস্ত কারণে মাওলানা সাদ সাহেব বিতর্কিত এবং তাকে মানা যাবে না।

কারণগুলি নিম্নরূপঃ

১. ক্যামেরাওয়ালা মোবাইল রাখা হারাম। কারো পকেটে ক্যামেরা বিশিষ্ট মোবাইল রেখে নামায পড়লে তার নামায শুদ্ধ হবে না।

২. যেই উলামায়ে কেরাম ক্যামেরাওয়ালা মোবাইল রাখেন, তাঁরা উলামায়ে ছূ। বারবার কসম করে বলেন, তাঁরা হলেন উলামায়ে ছূ। এমন আলেমরা হল গাধা।

৩. মোবাইলে কুরআন শরীফ পড়া এবং শোনা, প্রস্রাবের পাত্র থেকে দুধ পান করার মতো। পেসাবদানী ছে পানি পিনা হাঁয়'।

৪. কুরআন শরীফ শিখিয়ে যাঁরা বেতন গ্রহণ করেন, তাঁদের বেতন বেস্যার উপার্জনের চেয়ে খারাপ। যেই ইমাম এবং শিক্ষকরা বেতন গ্রহণ করেন, তাদের আগে বেস্যারা জান্নাতে প্রবেশ করবেন।

৫. মাদরাসা গুলোতে যাকাত না দেয়া হোক। মাদরাসায় যাকাত দিলে যাকাত আদায় হবে না। সারা আলমের মাদরাসা গুলো যাকাত নিয়ে হারাম কাজ করতেছে।

৬. রাসূল স. এর বাই'আতের পর কেবল তিন জনের বাই'আত পূর্ণতা পেয়েছে, আর সবার বাই'আত অপূর্ণ। তিনজন হলেন, (ক) শাহ ইসমাঈল শহীদ রহ. (খ) মাও. মুহা. ইলিয়াছ রহ. (গ) মাও. মুহা. ইউসূফ রহ.।

৭. মাও. সা'আদ বিভিন্ন ইজতিমায় একাধিকবার সুন্নাতকে তিন প্রকার বলে বয়ানে বলে থাকেন, ইবাদাতের সুন্নাত, দাওয়াতের সুন্নাত এবং আচার-আচরণের সুন্নাত।

৮. দাওয়াতের পথ নবীর পথ, তাছাউফের পথ নবীর পথ নয়।

৯. আযান হল-তাশকীল, নামায হল-তারগীব আর নামাযের পরে আল্লাহর রাস্তায় বের হওয়া হল-তারতীব।

১০. রাসূল স. দাওয়াত ইলাল্লাহ'র কারণে ইশারের নামায দেরীতে পড়ছেন। অর্থাৎ নামাযের চেয়ে দাওয়াতের গুরুত্ব বেশি।

১১. হযরত ইউসূফ আ. 'উযকুরনী ইনদা রাব্বিক' বলে গাইরুল্লাহ'র দিকে নযর দেয়ার কারণে অতিরিক্ত সাত বছর জেলখানায় থাকতে হয়েছে।

১২. হযরত মুসা আ. দাওয়াত ছেড়ে দিয়ে কিতাব আনতে চলে গেছেন। দাওয়াত ছেড়ে চলে যাওয়ার কারণে পাঁচলক্ষ সাতত্তর হাজার লোক মুরতাদ হয়েগেছেন।

১৩. হযরত যাকারিয়া আ. আল্লাহকে বাদ দিয়ে গাছের কাছে আশ্রয় চাইলেন ফলে শাস্তি ভোগ করতে হল।

১৪. হযরত মূসা আ. থেকে এক বড় ভুল হয়েগেছে (এই ইবারতাটা হুবাহু মওদুদী সাহবের ইবারত)। এবং তিনি অপরাধ করে বসছেন। এই জন্য তিনি ক্বওমকে ছেড়ে আল্লাহর সান্বিধ্য লাভের জন্য নির্জনতা গ্রহণ করলেন।

১৫. আমাদের কাজের (তাবলিগী) সাথে লেগে থাকা এবং মাওলানা ইলিয়াছ ও মাওলানা ইউসূফ সাহেবের কিতাব পড়বে, অন্য কোন কিতাব পড়বে না।

১৬. হযরত মূসা আ. কর্তৃক হযরত হারুন আ. কে নিজের স্থলাভিষিক্ত বানানো উচিত হয় নি।

১৭. সকাল সকাল কুরআন শরীফ তেলাওয়াত করা এবং নফল নামায পড়ার একটা অর্থ বুঝে আসে কিন্তু আল্লাহ আল্লাহ জিকির কী অর্জন হয়? কিছুই হয় না।

১৮. এ-তাবলীগী কাজ, এছাড়া দীনের যত কাজ আছে-দীনি ইলম শিখানো, দীনি ইলম শিখা, আত্মশুদ্ধি, কিতাবাদি রচনা করা; কোনটাই নবুওয়াতী কাজ না।

১৯. মাদরাসার শিক্ষকগণ মাদরাসায় খিদমাত করার কারণে দুনিয়াবী ধ্যান্দায় জড়িয়ে পড়ছে, এই জন্য তাদের দীনের মেহনতে সময় দেয়া দরকার।

২০. কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা’আলা বান্দাকে জিজ্ঞাস করবেন, তা’লীমে বসছিলে কি না, গাস্ত করছিলে কি না?

২১. প্রত্যেক সাহাবী অপর সাহাবীর ‍বিরুদ্ধাচরণ করছেন।

২২. হিদায়েতের সম্পর্ক যদি আল্লাহর হাতে হতো, তাহলে নবী পাঠাতেন না।

২৩. আপনাদের কাছে সবচাইতে বড় গোনাহ চুরি-যেনা, এর চাইতে বড় গোনাহ হল, খুরুজ না হওয়া। তাই হযরত কা’ব ইবনে মালেকের সাথে পঞ্চাশ দিন পর্যন্ত কথা-বার্তা বন্ধ রাখা হয়।

২৪. কুরআন শরীফ বুঝে-শুনে তেলাওয়াত করা ওয়াজিব। না বোঝে তেলাওয়াত করলে ওয়াজিব তরকের গোনাহ হবে। ইত্যাদি ইত্যাদি।

সুত্র...... সা'দ সাহেবের আসল রূপ

-------------------------------------------
শতবছর আগে দ্বীন ও ইসলামের দাওয়াতি কাজকে তরান্বিত করতে মাওলানা ইলিয়াস (রাহ.) দিল্লির নিজামুদ্দিন মসজিদ থেকে তাবলিগের কাজ শুরু করেন।
মাওলানা ইলিয়াস (রাহ.)-এর ছেলে মাওলানা ইউসুফ(রাহ.), তাহার ছেলে মাওলানা হারুন (রাহ.), তারই ছেলে হলেন বিতর্কিত মাওলানা সাদ কান্ধলভী।

দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজের বর্তমান মুরব্বী সাদ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় কুরআন, হাদিস, ইসলাম, নবি-রাসুল ও নবুয়ত এবং মাসআলা-মাসায়েল নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন।

তিনি তার এ সব আপত্তিকর মন্তব্যের জন্য দেওবন্দসহ বিশ্ব আলেমদের কাছে বিতর্কিত হয়েছেন। তাঁর বিতর্কিত মন্তব্যগুলো ‘সা’আদ সাহেবের আসল রূপ’ নামে একটি ছোট্ট বই আকারে প্রকাশ করেছেন জামিয়া মাদানিয়া বারিধারার মুহাদ্দিস, তাবলিগ জামাতের শীর্ষ মুরব্বী এবং দ্বন্দ্ব নিরসনে ভারত সফরকারী ৫ সদস্যের অন্যতম মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক।

তাঁর লিখিত ‘মাওলানা সাদ সাহেবের আপত্তিকর’ কুরআন-হাদিস বিরোধী বক্তব্যগুলো তুলে ধরা হলো-

> ভোট দেয়া থেকে বিরত থাকা
>> ভোটের সময় চিহ্ন হিসাবে (আঙুলে) যে রং লাগানো হয়, তার কারণে নামাজ হয় না। তাই ভোট না দেয়া উচিত।

> কুরআন শরীফের ভুল ব্যাখ্যা
>> বিভিন্ন আয়াতে তিনি বলেন, মুফাসসিরিন এই আয়াতের কোনো এক তাফসির করেছেন, ওলামা কোনো এক তাফসির করে থাকেন, কিন্তু আমি এই তাফসির করে থাকি। এটা শুনো। এটাই সঠিক তাফসির!

> ইসলাম ও ওলামাদের বিরোধীতা
>> ক্যামেরাওয়ালা মোবাইল রাখা হারাম এবং পকেটে ক্যামেরাওয়ালা মোবাইল রেখে নামাজ হয় না। যে আলেমগণ ক্যামেরাওয়ালা মোবাইল রাখাকে ‘জায়েজ’ বলেন, তারা ‘ওলামায়ে ছু’। বার বার কসম খেয়ে তিনি বলেন, তারা হলো ‘ওলামায়ে ছু’। এমন আলেমরা হলো গাধা! গাধা! গাধা!

> জাহেলি ফতোয়া
>> মোবাইলে কুরআন শরীফ পড়া এবং শোনা; প্রস্রাবের পাত্র থেকে দুধ পান করার মতো! (নাউজুবিল্লাহ)

> মাদরাসা মসজিদের বেতন বেশ্যার উপার্জনের চেয়ে খারাপ
>> কুরআন শরিফ শিখিয়ে বেতন গ্রহণ করেন, তাদের বেতন বেশ্যার উপার্জনের চেয়েও খারাপ। যে ইমাম এবং শিক্ষক বেতন গ্রহণ করেন, বেশ্যারা তাদের আগে জান্নাতে যাবে!

> কাওমি মাদরাসা বন্ধ করার অপচেষ্টা
>> মাদরাসাগুলোতে জাকাত না দেয়া হোক। মাদরাসায় জাকাত দিলে জাকাত আদায় হবে না।

> আওলিয়াদের সঙ্গে শত্রুতা
>> রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পর কেবল তিনজ লোকের ‘বাইআত’ পূর্ণতা পেয়েছে। আর বাকি সবার বাইআত অপূর্ণ। সেই ৩ জন হলেন- শাহ ইসমাঈল শহীদ, মাওলানা মুহাম্মদ ইলিয়াস এবং মাওলানা মুহাম্মদ ইউসুফ।

> সুন্নাত সম্পর্কে জাহেলি মন্তব্য
>> মাওলানা সাদ সাহেব আযমগড়ের ইজতেমায় এবং অন্যান্য ইজতেমায় একাধিকবার সুন্নাতকে ‘৩ প্রকার’ বলে বর্ণনা করেছেন- ইবাদতের সুন্নাত, দাওয়াতের সুন্নাত এবং আচার-অভ্যাসের সুন্নাত।

> নবিওয়ালা কাজের বিরোধীতা
>> ‘দাওয়াতের পথ’ হলো নবির পথ, ‘তাসাউফের পথ’ নবির পথ না।

> ভ্রান্ত আকিদা
>> আজান হলো ‘তাশকিল’ (প্ল্যান-পরিকল্পনা)। নামাজ হলো ‘তারগীব’ (পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উদ্বুদ্ধকরণ)। আর নামাজের পর আল্লাহর রাস্তায় বের হওয়া হলো ‘তারতীব’ (পরিকল্পনার মূল বাস্তবায়ন)।

>> রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাওয়াত ইলাল্লাহর বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ইশার নামাজকে পর্যন্ত বিলম্ব করে পড়েছেন। অর্থাৎ নামাজের চেয়ে দাওয়াতের গুরুত্ব বেশি।

>> হজরত ইউসুফ আলাইহিস সালাম ‘তোমার প্রভুর কাছে আমার কথা বল’ বলে গাইরুল্লাহর দিকে দৃষ্টি দেয়ার কারণে তাকে অতিরিক্ত ৭ বছর জেলখানায় থাকতে হয়েছে।

>> হজরত জাকারিয়া আলাইহিস সালাম আল্লাহকে ছেড়ে গাছের কাছে আশ্রয় চাইলেন। ফলে শাস্তি ভোগ করতে হলো।

>> মুজিজার সম্পর্ক কেবল দাওয়াতের সঙ্গে। নবুয়াতের সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই।

>> হজরত মুসা আলাইহিস সালাম থেকে বড় এক ভুল হয়ে গেছে এবং তিনি এক অপরাধ করে ফেলেছেন- জামাআত এবং কাওমকে ছেড়ে তিনি আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের জন্য ‘নির্জনতা’ অবলম্বন করেছেন।

>> হজরত মুসা আলাইহিস সালাম কর্তৃক হজরত হারুন আলাইহিস সালামকে নিজের স্থলাভিষিক্ত বানানোও অনুচিৎ কাজ হয়েছে।

>> হেদায়েতের সম্পর্ক যদি আল্লাহর হাতে হতো; তাহলে তিনি নবি পাঠাতেন না।

>> কুরআন শরীফ বুঝে-শুনে তেলাওয়াত করা ওয়াজিব। তরজমা না জেনে তেলাওয়াত করলে তরকে ওয়াজিবের গোনাহ হবে।

>> আপনাদের কাছে সবচাইতে বড় গোনাহ- চুরি, যিনা। ঠিকই এটা বড় গোনাহ; তবে তার চাইতে বড় গোনাহ হলো খুরুজ না হওয়া। তাই হজরত কা’ব ইবনে মালেকের সঙ্গে ৫০ দিন পর্যন্ত কথাবার্তা বন্ধ রাখা হয়।

>> জিকিরের অর্থ আল্লাহ আল্লাহ বা অন্যান্য তাসবিহ পড়া নয়; জিকিরের আসল অর্থ আল্লাহর আলোচনা করা।

> আল্লাহ তাআলার হুকুমের সমালোচনা
>> হজরত মুসা আলাইহিস সালাম দাওয়াত ছেড়ে দিয়ে (আল্লাহর হুকুমে) কিতাব আনতে চলে গেছেন। দাওয়াত ছেড়ে (কিতাব আনতে) চলে যাওয়ার কারণে ৫ লাখ ৭৭ হাজার লোক মুরতাদ হয়ে গেল।

> তাবলিগের নতুন ধারা
>> আমাদের কাজের সঙ্গে লেগে থাকা সাথীরাই কেবল মাওলানা ইলিয়াস এবং মাওলানা ইউসুফ সাহেবের মালফুজাতই পড়বে। এগুলো ছাড়া (ফাজায়েলে আমল ও ফাজায়েলে সাদাকাতসহ) অন্য কিতাবাদি পড়বে না।

> জিকিরের অস্বীকার
>> সকাল-সকাল কুরআন তেলাওয়াত করা এবং নফল নামাজ পড়ার তো একটা অর্থ বুঝে আসে। কিন্তু আল্লাহ আল্লাহ বলে জিকির করে কী অর্জন হয়? কিছুই অর্জন হয় না!

>> এই এক তাবলিগই নবুয়তের কাজ। এ ছাড়া দ্বীনের যত কাজ আছে- দ্বীনি ইলম শিখানো, দ্বীনি ইলম শেখা, আত্মশুদ্ধি, কিতাবাদি রচনা করা কোনোটাই নবুয়তের কাজ না।

>> মাদরাসার উস্তাদরা বেতন নেয়ার কারণে দুনিয়াবি ধান্দায় জড়িয়ে আছে। এ কারণে দ্বীনের খেদমতের জন্যও তাদের কিছু সময় দেয়া উচিৎ।

> আল্লাহ সম্পর্কে মিথ্যা অপবাদ
>> কেয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা বান্দাকে জিজ্ঞাসা করবেন, তা’লিমে বসেছিলে কি না? গাশ্‌ত করেছিলে কি না?

> সাহাবায়ে কেরামের ওপর মিথ্যা অপবাদ
>> প্রত্যেক সাহাবী অপর সাহাবীর বিরুদ্ধাচরণই করেছেন।

উল্লেখিত কুরআন-হাদিস বহির্ভূত আলোচনার জন্য ওলামায়ে দেওবন্দসহ বিশ্ব মুসলিমের অন্যতম আলেমগণ তাঁকে ক্ষমা চাওয়া এবং তাওবার আহ্বান জানান।

এসব গোমরাহী কথা-বার্তার অডিও রেকর্ড দারুল উলুম দেওবন্দে সংরক্ষিত আছে।

সুতরাং, এ কারণে উনাকে মানা হারাম।
©️

02/09/2024

আল্লাহ এমন কোন রোগ পাঠাননি
যার আরোগ্যের ব্যবস্থা করেননি।
-সহীহ্ বুখারী ৫৬৭৮।

Address

Basabo
Dhaka
1214

Telephone

+8801911553131

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শান্তির পথ ইসলাম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to শান্তির পথ ইসলাম:

Share