Sijdah

Sijdah Sujūd, or sajdah, is the act of low bowing or prostration to God facing the qiblah. It is usually done in standardized prayers.

Significance: A tilt of the back so that the face rests on the ground

Observed by: Muslims

Related to: Salah, Tilawa

28/03/2026

রমাদ্বান মাসা ছাড়াও পাঁচ সময় আসমানের দরজাসমূহ খুলা হয়:

১. যোহরের আগে
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

"সূর্য ঢলে পড়ার সময় আসমানের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয় এবং যোহরের সালাত আদায় করা পর্যন্ত তা বন্ধ হয় না। তাই আমি পছন্দ করি যে, এই সময়ে আমার কোনো নেক আমল উপরে উঠুক।" (সহীহুল জামে: ১৫৩২)

২. প্রতিটি আযানের সময়
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

"যখন সালাতের জন্য আযান দেওয়া হয়, তখন আসমানের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয় এবং দোয়া কবুল করা হয়।" (সহীহুত তারগীব: ২৬০)

৩. দুই সালাতের মধ্যবর্তী অপেক্ষায় থাকা অবস্থায়
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

"তোমরা সুসংবাদ গ্রহণ করো! তোমাদের রব আসমানের একটি দরজা খুলে দিয়েছেন এবং তোমাদের নিয়ে ফেরেশতাদের সাথে গর্ব করে বলছেন— দেখ আমার বান্দাদের দিকে, তারা একটি ফরজ আদায় করেছে এবং পরবর্তী ফরজের জন্য অপেক্ষা করছে।" (সহীহুত তারগীব: ৪৪৫)

৪. মধ্যরাতে
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

"অর্ধরাতে আসমানের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয় এবং একজন ঘোষণাকারী ডাক দিয়ে বলেন: আছে কি কোনো সাহায্যপ্রার্থী যার দোয়া কবুল করা হবে? আছে কি কোনো যাচনাকারী যাকে দান করা হবে? আছে কি কোনো বিপদগ্রস্ত যার বিপদ দূর করা হবে? তখন এমন কোনো মুসলিম থাকে না যে দোয়া করে আর আল্লাহ তা কবুল করেন না; তবে ব্যভিচারিণী এবং অন্যায়ভাবে কর (ট্যাক্স) আদায়কারী ব্যতীত।" (সহীহুত তারগীব: ৭৮৬)

৫. সালাতের শুরুতে আল্লাহর গুনগান বা সানা পাঠের সময় যখন কেউ বলে: 'আল্লাহু আকবার কাবিরা, ওয়ালহামদুলিল্লাহি কাসিরা, ওয়া সুবহানাল্লাহি বুকরাতাও ওয়া আসিলা'।

একদা আমরা রাসূলুল্লাহ ﷺ এর সাথে সালাত আদায় করছিলাম, তখন এক ব্যক্তি এই শব্দগুলো বলল। সালাত শেষে রাসূলুল্লাহ ﷺ জিজ্ঞেস করলেন, "এই কথাগুলো কে বলেছে?" লোকটি বলল, "আমি, হে আল্লাহর রাসূল!" রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, "আমি অবাক হলাম, কারণ এই বাক্যগুলোর জন্য আসমানের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয়েছে।" ইবনে ওমর (রা.) বলেন, "রাসূলুল্লাহ ﷺ এর কাছে এই কথা শোনার পর থেকে আমি কখনো এই দোয়াটি পাঠ করা ছাড়িনি।" (সহীহ মুসলিম: ৬০১)

OHEE - ওহী

27/03/2026

মুমিন বান্দা তার রব এর কাছে চাওয়ার লিস্ট!

চেয়ে নিন।
🤲

রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাদের শিখিয়েছেন যে লাইলাতুল কদর রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে খুঁজতে।তিনি বলেছেন:“তোমরা লাইলাতুল কদ...
16/03/2026

রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাদের শিখিয়েছেন যে লাইলাতুল কদর রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে খুঁজতে।
তিনি বলেছেন:

“তোমরা লাইলাতুল কদরকে রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাতগুলোতে অনুসন্ধান করো।”
—সহীহ বুখারী, হাদিস: ২০১৭

সুতরাং ২১, ২৩, ২৫, ২৭ ও ২৯ রমজানের রাত—এসব রাত বিশেষভাবে সম্ভাবনাময়। সেই হিসেবে ২৫ রমজানের রাতও অনেক আলেমের মতে লাইলাতুল কদরের সম্ভাবনাময় রাতগুলোর একটি।

যে রাতে একটি দোয়া কবুল হয়ে গেলে বহু বছরের গুনাহ মাফ হয়ে যেতে পারে।
যে রাতে একটি কান্না মানুষের তাকদির বদলে দিতে পারে।
যে রাতে একটি সিজদা আখিরাতের হিসাব হালকা করে দিতে পারে।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

“যে ব্যক্তি ঈমান ও সওয়াবের আশা নিয়ে লাইলাতুল কদরে ইবাদত করবে, তার পূর্বের গুনাহসমূহ মাফ করে দেওয়া হবে।”
—সহীহ বুখারী: ১৯০১, সহীহ মুসলিম: ৭৬০

এই রাতগুলোতে আমরা অনেক কিছুই আল্লাহর কাছে চাই।
কেউ চাকরি চান, কেউ বিয়ে চান, কেউ সন্তান চান, কেউ রিজিকের প্রশস্ততা চান, কেউ সমস্যা থেকে মুক্তি চান।

এসব চাওয়া ভুল নয়।
বরং আল্লাহর কাছে খুলে খুলে চাওয়া উচিত। কারণ আল্লাহ দোয়া পছন্দ করেন।

কিন্তু নবীজি ﷺ আমাদের এমন কিছু নিয়ামতের দিকে দৃষ্টি দিয়েছেন—যেগুলো আগে চাইলে বাকি অনেক কল্যাণ তার ভেতরেই এসে যায়।

এর মধ্যে তিনটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—

ইমান, আফিয়াত এবং হালাল রিজিক।

প্রথমটি — ইমান

মানুষের জীবনে সবচেয়ে বড় নিয়ামত হলো ইমান।
ইমান ছাড়া দুনিয়ার সব অর্জনই শেষ পর্যন্ত অর্থহীন হয়ে যায়।

ইমান শুধু মুখে বিশ্বাসের কথা বলার নাম নয়।
ইমান মানে—শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত আল্লাহর উপর স্থির থাকা, দ্বীনের উপর অটল থাকা।

এই কারণেই রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজেও আল্লাহর কাছে অন্তরকে দ্বীনের উপর স্থির রাখার জন্য দোয়া করতেন।

يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَى دِينِكَ

উচ্চারণ:
ইয়া মুকাল্লিবাল কুলুব, ছাব্বিত কালবি আলা দ্বীনিক।

অর্থ:
হে অন্তরসমূহের পরিবর্তনকারী, আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের উপর স্থির রাখো।

—জামে তিরমিযী: ৩৫২২

ভাবুন—যিনি আল্লাহর প্রিয় রাসূল, তিনিও তাঁর অন্তরের স্থিরতার জন্য এই দোয়া করতেন।
তাহলে আমাদের জন্য এই দোয়া কত বেশি প্রয়োজন!

তাই আজ রাতে নিজের জন্য, সন্তানের জন্য, পরিবার-পরিজনের জন্য ইমানের দৃঢ়তা চাইতে পারেন।

দ্বিতীয়টি — আফিয়াত

দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আফিয়াত।

আফিয়াত মানে শুধু শারীরিক সুস্থতা নয়।
এর মধ্যে রয়েছে—

শরীরের সুস্থতা
মনের শান্তি
পরিবারের নিরাপত্তা
বিপদ থেকে হেফাজত
গুনাহ থেকে রক্ষা
জীবনের ভারসাম্য

একজন সাহাবি রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন—
আল্লাহর কাছে কী চাইবো?

তখন তিনি বলেছিলেন:

“আল্লাহর কাছে আফিয়াত চাও। কারণ নিশ্চিত বিশ্বাস (ইমান)-এর পর আফিয়াতের চেয়ে উত্তম কোনো নিয়ামত কাউকে দেওয়া হয়নি।”

—জামে তিরমিযী: ৩৫১২

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দোয়া তিনি আমাদের শিখিয়েছেন—

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ

উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল ‘আফওয়া ওয়াল ‘আফিয়াতা ফিদ্দুনইয়া ওয়াল আখিরাহ।

অর্থ:
হে আল্লাহ, আমি তোমার কাছে দুনিয়া ও আখিরাতে ক্ষমা ও আফিয়াত চাই।

—সুনান ইবনে মাজাহ: ৩৮৭১

অনেক সময় মানুষ সম্পদ পায় কিন্তু শান্তি পায় না।
সাফল্য পায় কিন্তু নিরাপত্তা পায় না।
স্বাস্থ্য থাকে কিন্তু মন ভেঙে থাকে।

আফিয়াত এলে জীবন সহজ হয়ে যায়।

তৃতীয়টি — হালাল রিজিক

তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো রিজিক।

কিন্তু রিজিক মানে শুধু টাকা নয়।
রিজিক মানে—

হালাল উপার্জন
বরকতময় উপার্জন
যথেষ্ট উপার্জন
অমুখাপেক্ষী জীবন

আল্লাহ তাআলা বলেন:

“নিশ্চয়ই আল্লাহই প্রকৃত রিজিকদাতা, তিনি শক্তির অধিকারী, দৃঢ়।”

—সূরা আয-যারিয়াত: ৫৮

রাসূলুল্লাহ ﷺ আমাদের একটি সুন্দর দোয়া শিখিয়েছেন—

اللَّهُمَّ اكْفِنِي بِحَلَالِكَ عَنْ حَرَامِكَ وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ

উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মাকফিনি বিহালালিকা ‘আন হারামিক, ওয়া আগনিনি বিফাদলিকা ‘আম্মান সিওয়াক।

অর্থ:
হে আল্লাহ, তোমার হালাল দ্বারা আমাকে হারাম থেকে রক্ষা করে যথেষ্ট করো এবং তোমার অনুগ্রহ দ্বারা আমাকে তোমা ছাড়া সবার থেকে অমুখাপেক্ষী করে দাও।

—জামে তিরমিযী: ৩৫৬৩

এই দোয়া শুধু অভাবীদের জন্য নয়।
কারণ অনেক সময় মানুষের আয় থাকে, কিন্তু তাতে বরকত থাকে না।
সম্পদ থাকে, কিন্তু প্রশান্তি থাকে না।

তাই হালাল ও বরকতময় রিজিকের জন্য দোয়া করা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

আপনি চাইলে এই তিনটি বিষয় একসাথে এভাবেও চাইতে পারেন—

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَفْوَ وَالْعَافِيَةَ وَالرِّزْقَ الْحَلَالَ

অর্থ:
হে আল্লাহ, আমি তোমার কাছে ক্ষমা, আফিয়াত ও হালাল রিজিক চাই।

এর সাথে আগে বা পরে ইমানের দোয়াটি পড়তে পারেন—

ইয়া মুকাল্লিবাল কুলুব, ছাব্বিত কালবি আলা দ্বীনিক।

এই তিনটি নিয়ামতের মধ্যে দুনিয়া ও আখিরাতের অনেক কল্যাণ লুকিয়ে আছে।

ইমান থাকলে মানুষ সঠিক পথে থাকে।
আফিয়াত থাকলে জীবন ও ইবাদত সহজ হয়।
হালাল রিজিক থাকলে অন্তরে প্রশান্তি আসে এবং হারামের পথ থেকে বাঁচা যায়।

আজকের দিনটিকে প্রস্তুতির দিন বানাতে পারেন।

এই দোয়াগুলো মুখস্থ করে রাখুন।
ফোনে লিখে রাখুন।
পরিবারকে পাঠিয়ে দিন।
সন্তানদের নাম ধরে দোয়ার তালিকা বানান।

কারণ অনেক সময় রাত শুরু হওয়ার পর “কী চাইবো?” ভাবতেই অনেক সময় চলে যায়।

আজ ২৪ রমজান।
আজ মাগরিবের পর শুরু হবে ২৫ রমজানের রাত।

হয়তো এ রাতই হতে পারে সেই বরকতময় রাত—যে রাতে একটি আন্তরিক দোয়া মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে।

তাই আজ রাতে আল্লাহর কাছে বারবার চাইতে পারেন—

ইমানের দৃঢ়তা,
দুনিয়া ও আখিরাতের আফিয়াত,
এবং হালাল ও বরকতময় রিজিক।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে লাইলাতুল কদরের বরকত লাভ করার তাওফিক দান করুন, আমাদের ইমান মজবুত করুন, দুনিয়া ও আখিরাতে আফিয়াত দান করুন এবং আমাদের হালাল ও বরকতময় রিজিক দান করুন। আমিন।

🌙 লাইলাতুল কদর তালাশে — শেষ ১০ রাতের ইবাদত গাইড——কুরআন তিলাওয়াত, গুরুত্বপূর্ণ দোয়া, যিকর, রাতের নামাজ ও ছোট ছোট আমলের এক...
10/03/2026

🌙 লাইলাতুল কদর তালাশে — শেষ ১০ রাতের ইবাদত গাইড——

কুরআন তিলাওয়াত, গুরুত্বপূর্ণ দোয়া, যিকর, রাতের নামাজ ও ছোট ছোট আমলের একটি সংক্ষিপ্ত গাইড।

আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে লাইলাতুল কদর প্রাপ্তির তাওফিক দান করেন।

কে বলে দোয়া কবুল হয় না?মক্কার হারামে কর্মরত একজন পাকিস্তানি পরিচ্ছন্নতা কর্মীর এক বিস্ময়কর ঘটনা। ইফতারের ঠিক আগ মুহূর্তে...
04/03/2026

কে বলে দোয়া কবুল হয় না?

মক্কার হারামে কর্মরত একজন পাকিস্তানি পরিচ্ছন্নতা কর্মীর এক বিস্ময়কর ঘটনা। ইফতারের ঠিক আগ মুহূর্তে তিনি অত্যন্ত বিনয় ও একাগ্রতার সাথে আল্লাহর কাছে দোয়া করছিলেন।

অভাব-অনটনে জর্জরিত এই ব্যক্তিটি নিজের ঋণ থেকে মুক্তির জন্য আল্লাহর দরবারে হাত তুলে কাঁদছিলেন।

ঠিক সেই মুহূর্তে হারামের লাইভ ক্যামেরাটি তাঁর ওপর ফোকাস করে। হারাম শরীফের চ্যানেল থেকে সেই দৃশ্যটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়।

সৌদি আরবের একজন দানবীর ব্যক্তির চোখে ভিডিওটি পড়লে তিনি সেই কর্মীর সাথে যোগাযোগ করেন এবং তাঁর সমস্ত ঋণ পরিশোধ করার দায়িত্ব নেন।

পরবর্তীতে সেই কর্মীকে জিজ্ঞেস করা হলো, তিনি তখন কোন দোয়াটি পড়ছিলেন? তিনি জানালেন, তিনি অভাব মুক্তির সেই দোয়াটি পড়ছিলেন যা রাসূলুল্লাহ ﷺ এক মেহমানের আগমনের সময় পড়েছিলেন।

ঘটনাটি হলো, একবার নবীজী ﷺ-এর ঘরে একজন মেহমান এলেন। তিনি তাঁর স্ত্রীদের কাছে খাবারের খোঁজে লোক পাঠালেন, কিন্তু খবর এলো ঘরে কিছুই নেই। তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ এই দোয়াটি পাঠ করলেন,

​"اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ وَرَحْمَتِكَ، فَإِنَّهُ لَا يَمْلِكُهَا إِلَّا أَنْتَ"

(আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন ফাদলিকা ওয়া রাহমাতিকা, ফাইন্নাহু লা ইয়ামলিকুহা ইল্লা আন্তা)

অর্থ: "হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আপনার অনুগ্রহ ও রহমত প্রার্থনা করছি। কেননা, আপনি ছাড়া আর কেউ এর মালিক নয়।" (আবু দাউদ, সহীহ আল জামে, তাবারানী)

দোয়া করার কিছুক্ষণ পরই নবীজী ﷺ-এর কাছে উপহার হিসেবে একটি ভাজা বকরি এলো।

উলামাদের মতে, অভাব ও সংকটের সময় এই দোয়াটি পড়া অত্যন্ত বরকতময়।

আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে তাঁর কাছে চাইলে তিনি এমন জায়গা থেকে সাহায্য করেন যা আমরা কল্পনাও করতে পারি না।

@ওহী

Address

Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sijdah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share