Swamibag Ashram

Swamibag Ashram An spiritual Center for practically perform and engaging with The Supreme Godhead!!!!

03/03/2026

কীভাবে পালন করবেন গৌর পূর্ণিমা ব্রত?

পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ কলিযুগে শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু রূপে এসেছেন। এই বিষয়ে বেদ, উপনিষদ, পুরাণ, তন্ত্র, স্মৃতি শাস্ত্রে নানা ভবিষ্যৎবাণী মহাপ্রভুর আবির্ভাবের আগেই প্রদত্ত হয়েছে। (এই পোস্টের কমেন্টে তা উল্লেখ করা হয়েছে) অতএব শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু যেহেতু স্বয়ং কৃষ্ণ, তাই তাঁর আবির্ভাব তিথি পালন করাও কৃষ্ণের আবির্ভাব তিথি পালনের মতো গুরুত্বপূর্ণ। এমনকি কৃষ্ণের থেকে মহাপ্রভু অধিক কৃপালু বলে, এই উৎসব পালনের কোনো বিকল্প নেই।
তাই যারা কেবল দোল‌পূর্ণিমা পালন করবেন, অথচ গৌর পূর্ণিমা কীভাবে পালন করতে হয় বিষয়ে অনভিজ্ঞ, তাদের জন্য আজকের আলোচনা।
গৌর পূর্ণিমা ব্রত পালন কর্তব্য কেন?
ভগবানের আবির্ভাব দিবস উপলক্ষে ব্রত ও উৎসব পালন করা সকলেরই কর্তব্য। যেহেতু শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু স্বয়ং পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ, তাই গৌর পূর্ণিমা ব্রত পালন অবশ্য করণীয়।

কারা এই ব্রত পালন করতে পারে?

১. ৮ থেকে ৮০ বছর পর্যন্ত কলের জন্যেই একাদশী এবং অন্যান্য বিষ্ণুব্রত পালন বাধ্যতামূলক।

২. কোনো রকম অশৌচ থাকলেও এই ব্রত পালন করতে হব। পদ্মপুরাণে [উত্তরখণ্ড, ৫১।৭-৮] বলা হয়েছে,

সূতকেঽপি ন ভোক্তব্যং নাশৌচ চ জনাধিপ।
যাবজ্জীবং ব্রতমিদং কর্ত্তব্যং পুরুষর্ষভ॥

~“জন্মাশৌচ বা মৃতাশৌচেও বিষ্ণুব্রতে ভোজন করিবে না। হে পুরুষশ্রেষ্ঠ! যতদিন জীবিত থাকবে ততদিন এ বিষ্ণুব্রত পালন করা কর্তব্য।”

কখন ও কতক্ষণ এই ব্রত পালন করতে হয়?
যেহেতু পরমেশ্বর ভগবান শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু দোলপূর্ণিমা তিথিতে সন্ধ্যায় আবির্ভূত হয়েছেন, তাই শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব তিথি জন্মাষ্টমীর মতো গৌর পূর্ণিমা তিথিও একাদশীর মতোই পালন করতে হবে‌। উত্তম বিধি হলো, পরদিন সকাল‌ পর্যন্ত নির্জলা ব্রত, অন্যথায় পর্যন্ত কমপক্ষে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপবাস পালন করতে হবে। এরপর অনুকল্প গ্রহণ করা যাবে। যারা একান্তই অসমর্থ তারা একাদশীর মতোই পালন করতে পারেন।

শিশু, বৃদ্ধ, নির্জলায় অসমর্থ, গর্ভবতী ও অসুস্থদের জন্য কী বিধান?

মহাভারতে [উদ্যোগপর্ব, ৩৯।৭০] বলা হয়েছে,

অষ্টৈতান্যব্ৰতঘ্নানি আপো মূলং ফলং পয়ঃ।
হরির্ব্রাহ্মণকাম্যা চ গুরোর্বচনমৌষধম্॥

~ ফল, মূল, ক্ষীর, ঘৃত, ব্রাহ্মণের নির্দেশ, গুরুর বচন ও ঔষধ এই আটটি ব্রত-নাশক নহে।

অতএব শিশু, বৃদ্ধ, নির্জলায় অসমর্থ, গর্ভবতী ও অসুস্থরা ফল-জল প্রভৃতি অনুকল্প গ্রহণ করে উপবাস করতে পারবেন। এমনকি অসুস্থরা প্রয়োজনীয় ঔষধও সেবন করতে পারবেন। এছাড়াও ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে বর্ণিত হয়েছে, উপবাসাসমৰ্থশ্চ ফলমূলজলং পিবেৎ। অর্থাৎ, উপবাসে অসমর্থ হইলে, ফল-মূল ভোজন ও জল পান করিবেন।

• উপবাসে কি কি নিয়ম পালন করতে হবে?
১. আগের দিন রাতে তাড়াতাড়ি আহার করা ও নিদ্রা যাওয়া।
২. (যারা নিরামিষ ভোজী নন) তাদের উচিত আগেরদিন নিরামিষ গ্রহণের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা।
৩. গৌর পূর্ণিমার দিন যত দ্রুত সম্ভব ঘূম থেকে উঠে পড়া। ব্রাহ্মমুহূর্ত হলো সর্বোত্তম। অন্যথায় সূর্যোদয়ের সময় উঠতে চেষ্টা করতে হবে।
৪. সকালেই স্নান‌ সমাপন করে ভগবানের হরে কৃষ্ণ কীর্তন করতে করতে মঙ্গল আরতি করা।
৫. তুলসী পূজা ও জলদান করা।
৬. শ্রীশিক্ষাষ্টকম্ পাঠ করা
৭. শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর নির্দেশ যেন সকলেই হরে কৃষ্ণ জপ ও কীর্তন করে, তাই জপ মালায় আজ বেশি বেশি হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করা এবং কীর্তন করা।
৮. সাধুদের মুখে (সরাসরি সম্ভব না হলে অনলাইনেও সম্ভব, যেমন ইউটিউবে Mayapur TV Bangla) শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর লীলাকথা শ্রবণ করা।
৯. এভাবে গৌর স্মরণ, গৌর কীর্তন করে দিন অতিবাহিত করা, সম্ভব হলে নিকটবর্তী মন্দিরে গিয়ে ভক্তসঙ্গ করা।
১০. সন্ধ্যায় সম্ভব হলে গৌর নিত্যানন্দের শ্রী বিগ্রহ বা চিত্রপটে পঞ্চামৃত দ্বারা অভিষেক করা অথবা মন্দিরে অভিষেক দর্শন করা।
১১. অভিষেকের পর অনুকল্প প্রসাদ গ্রহণ করা যাবে।
১২. অভিষেকাদি অনুষ্ঠানের সময় হরে কৃষ্ণ কীর্তন করা।

তাহলে আবির খেলব কখন?
আবির ভগবানের শ্রী চরণে নিবেদন করে নিজেরা এক অপরের মস্তকে লাগিয়ে দেওয়ার বিধান। সকালে বা বিকালে শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ ও শ্রীশ্রী গৌর-নিতাইয়ের চরণে আবির নিবেদন করা যেতে পারে।

পরদিন বিশেষ কিছু?
তযেহেতু শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর আবির্ভাবের পরদিন তাঁর পিতা শ্রীল‌ জগন্নাথ মিশ্র মহোৎসব করেছিলেন, তাই পরদিন মহাপ্রভুর প্রিয় নানা শাক-সবজি ব্যাঞ্জন রান্না করে ভোগ নিবেদন করে গ্রহণ করতে হবে।

সর্বোপরি যত বেশি সম্ভব হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র কীর্তন করতে হবে। কেননা এর দ্বারাই শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু সবথেকে বেশি সন্তুষ্ট হন। বিশেষত এই দুইদিন যা করা যেতে পারে —
১. প্রতিদিনের তুলনায় বেশি সংখ্যক হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করা। যেমন কেউ ১৬ মালা জপ করেন, তিনি ২৪, ৩২, ৬৪ বা এরকম করতে পারেন। আবার যারা ৮ মালা জপ করেন তারাও ১২, ১৬, ২৪ ইত্যাদি করতে পারেন। এগুলো কেবল উদাহরণ হিসেবে বলা হলো। যাদের দিনব্যাপী সময় আছে, তারা অবশ্যই বেশি বেশি
হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র জপ করতে পারেন।
২. একাকী অথবা ভক্তসঙ্গে হরে কৃষ্ণ কীর্তন করতে পারেন।
৩. গৃহে অথবা মন্দিরে নাম সংকীর্তনে অংশ নিতে পারেন।
৪. পাড়া প্রতিবেশীদের নিয়ে গৃহে সংকীর্তন, নগর সংকীর্তন করতে পারেন।
৫. সাধু মুখে হরি কথা শুনতে হবে।
৬. অভিষেক প্রভৃতি অনুষ্ঠানের সময়েও হরে কৃষ্ণ কীর্তন করতে হবে।

15/02/2026
ঢাকার স্বামীবাগে নির্মিত হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বৃহত্তম এবং অপূর্ব মন্দির।
04/02/2026

ঢাকার স্বামীবাগে নির্মিত হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বৃহত্তম এবং অপূর্ব মন্দির।

12/12/2025

কোন মাংস নেই‼
নৈশভোজে পুতিন যা যা খেল...

ঝোল মোমো
মুরুঙ্গলাই চারু স্যুপ (বা দক্ষিণ ভারতীয় রসম স্যুপ)
গুচি দুন চেতিন (বা আখরোট চাটনি সহ মাশরুমের পুর)
কালো ছোলার শিকমপুরী কাবাব
জাফরানি পনীর রোল
পালং মেথি মটর শাকের তরকারি
তন্দুরি পুর ভরা আলু
আচারি বেগুন
হলুদ ডাল ভাজা (বা মসুর/মুগ ডাল ভাজা)
বাদাম ও জাফরান পোলাও
লাচ্ছা পরোটা
সাতানাজ রুটি
মিসি রুটি
বিস্কুটি রুটি
বাদামের হালুয়া
কেশর-পেস্তা কুলফি
গুড়ের সন্দেশ
মুরুক্কু
ডাল ভাজা
নানান ধরনের আচার

ফলের ফ্রেশ জুস (যেমন: ডালিম, কমলা, গাজর ও আদার রস)
সূত্র: এনডিটিভি

06/10/2025

‼️♻️ দামোদর মাস ব্রত ♻️‼️
✨ সনাতন ধর্মে কার্তিক মাস সর্বাধিক পূণ্যপ্রদ ও ভগবান শ্রীশ্রীদামোদরের প্রিয় মাস। এই মাসে পালনীয় ব্রত, উপবাস, দীপদান, তুলসী পূজা, দামোদরাষ্টকম পাঠ ও বৈষ্ণব সেবা জীবনে অশেষ কল্যাণ ও মুক্তিদায়িনী। শাস্ত্রে বলা হয়েছে— কার্তিক মাসে ভগবান শ্রীদামোদরের একবার নাম উচ্চারণও অগণিত জন্মের পাপ নাশ করে।
🪔 ২০২৫ সালে দামোদর (কার্তিক) মাস শুরু হবে ৮ অক্টোবর থেকে এবং শেষ হবে ৫ নভেম্বর। এবং ব্রত শুরু হবে ৭ অক্টোবর থেকে। দীপ দান এই দিন থেকেই করণীয়‌।
এই সময়ে পালনীয় ব্রত-বিধান, গ্রহণীয় ও বর্জনীয় বিষয়, সংকল্প ও অর্ঘ্যমন্ত্র, এবং প্রতিদিনের করণীয় নিচে তুলে ধরা হলো।
💫দামোদর মাসে ব্রত পালনের বিধিসমূহ🔰
কার্তিক মাসে প্রতিদিন ভোরে ব্রাহ্মমুহূর্তে উঠে শুচি হয়ে স্নান করতে হয়। স্নানের সময় হাতে অল্প জল ও তুলসীপাতা নিয়ে সংকল্প মন্ত্র পাঠ করে ভগবান শ্রীদামোদরের উদ্দেশ্যে অর্ঘ্য নিবেদন করতে হয়।
সংকল্প মন্ত্র হলো—
কার্তিকে’হং করিষ্যামি প্রাতঃস্নানং জনার্দন।
প্রীত্যর্থং তব দেবেশ দামোদর ময়া সহ॥
“হে জনার্দন, হে দেবেশ, হে দামোদর, আমি শ্রীরাধিকার সঙ্গে আপনার প্রীতির জন্য কার্তিক মাসে প্রতিদিন প্রাতঃস্নান করব”। তোমার প্রীতি অর্জনের উদ্দেশ্যে রাধিকা সহ আমি এই ব্রতের সংকল্প করছি।
স্নান শেষে পূজামণ্ডপে বা তুলসীমঞ্চে অর্ঘ্য নিবেদন করতে হয়।
অর্ঘ্য মন্ত্র হলো—
কার্তিকে স্নানমাচরন দামোদর জনার্দন।
অর্ঘ্যং তে প্রতিগৃহ্ণীষ্ব দিত্যেন্দ্রনিসূদন॥
“হে দামোদর, হে দনুজেন্দ্রনিসূদন, আমি কার্তিক মাসে বিধিপূর্বক স্নান করেছি, আমার প্রদত্ত এই অর্ঘ্য গ্রহণ করো”।
এরপর তুলসী, ফুল, ধান, প্রদীপ দিয়ে ভগবানকে পূজা করতে হয়। প্রতিদিন সন্ধ্যায় তুলসীমঞ্চে বা আকাশদীপ জ্বালানো, দামোদরাষ্টকম পাঠ এবং ভগবানের নামসংকীর্তন করা বিশেষভাবে ফলদায়ক।
👉 এইভাবে প্রতিদিন ভগবান শ্রীদামোদরের সেবায় থাকাই কার্তিক ব্রতের মূল করণীয়।
পদ্মপুরাণে ব্রহ্ম-নারদ সংবাদে বলা হচ্ছে-
❌ দামোদর (কার্তিক) মাসে বর্জনীয়
১. কার্তিক মাসে রাজমাষ (বরবটি) ও শিমসমূহ ভক্ষণ করলে, হে মুনিবর কল্পকাল (১ হাজার চতুর্যুগ) নরকাবাসী হয়।
২. কার্তিক মাসে যে ব্যক্তি কলমী শাক, পটল, বেগুন, আচার (চাটনি) ত্যাগ না করে, তাকে কল্পকাল (১ হাজার চতুর্যুগ) নরকবাসী হতে হয়।
৩. ধর্মাত্মা ব্যক্তি কার্তিক মাসে মৎস্য ও মাংস ভক্ষণ করবেন না।
৪. পরান্ন, পরশয্যা, পরধন, পরস্ত্রী-কার্তিককে প্রাজ্ঞ ব্যক্তি বিশেষভাবে বর্জন করবেন।
৫. কার্তিক মাসে তৈল মর্দন, শয্যা, পরান্ন ও কাসার পাত্রে ভোজন ত্যাগ করলে পরিপূর্ণ ব্রতী হওয়া যায়।
৬. কার্তিক মাস উপস্থিত হলে পরান্ন দর্শন করে যে মানব বর্জন করে, প্রতিদিন কৃচ্ছব্রতের ফল প্রাপ্ত হন।
পদ্মপুরাণে শ্রীরুক্মাঙ্গদ-মোহিনী-সংবাদে বলা হচ্ছে-
৭. কার্তিকে তৈল, মধু, কাসার পাত্র ও পঁচা বাসি অম্ল দ্রব্য, আচার ইত্যাদি বর্জন করবে।
৮. হে সুভ্রু! মৎস্য, কচ্ছপ মাংস ঔষধ হিসেবেও অন্য মাংস ভক্ষণ করবে না। কার্তিকে মাংস ভক্ষণে চণ্ডাল হয়।
🔰 দামোদর মাসের মাহাত্ম্য 🔰
✅ যে কোনও দেশে কার্তিকে স্নান ও দান বিশেষতঃ পূজাতে তা অগ্নিহোত্র সমফল।
✅ কুরুক্ষেত্রে কোটিগুণ ফল, গঙ্গায়ও তৎসম ফল, তার থকে অধিক পুস্করে, হে ভার্গব! দ্বারকায়ও অধিক। কার্তিক মাসে স্নানও শ্রীভগবৎপূজন শ্রীকৃষ্ণসালোক্যপ্রদ।
✅ হে মুনিগণ! মথুরা ব্যতীত, অন্যপুরী সকল তার সমান, যেহেতু মথুরা-মণ্ডলেই শ্রীহরির দামোদর লীলা প্রকট হয়েছিল।
অতএব কার্তিকে মথুরায় শ্রীগোবিন্দের প্রীতিবর্দ্ধন, কার্তিকে মথুরাতেই চরম ফল প্রাপ্তি হয়।
যেমন মাঘে প্রয়াগতীর্থ, বৈশাখে জাহ্নবী, কার্তিকে মথুরা সেবা তা থেকে উৎকর্ষ আর নাই।
কার্তিকে মথুরাতে মানবগণ স্নান করে দামোদরের পূজা করলে তারা কৃষ্ণসারূপ্য প্রাপ্ত জানবেন, এ বিষয়ে বিচার কর্তব্য নয়।
হে বিপ্র! এই জগতে মানবগণের পক্ষে মথুরাতে কার্তিক মাস দুর্লভ। যেখানে পূজিত হয়ে দামোদর নিজরূপ ভক্তগণকে প্রদান করেন।
✅ শ্রীহরি অর্চিত হয়ে অন্যত্র সেবিত ভক্তগণকে ভুক্তি মুক্তি দান করেন, এই শ্রীহরি কিন্ত ভক্তি দান করেন না, যেহেতু শ্রীহরির বশ্যকারী।
✅ কার্তিকে মথুরা-মণ্ডলে একবারও শ্রীদামোদরের পূজা থেকে সেই ভক্তি কিন্তু অনায়াসে মানবগণ শ্রীহরি হতে লাভ করে।
শ্রীদামোদরদেব কার্তিকে মথুরা-মণ্ডলে মন্ত্র-দ্রব-বিহীন পূজাকেও স্বীকার করেন।
যে পাপের মরণান্তেই বিনিষ্কৃতি হয় তার শুদ্ধির জন্য কার্তিক মাসে মথুরাপুরীতে হরিপূজাই সুনিশ্চয়, এই প্রায়শ্চিত্ত শাস্ত্রে উক্ত হয়েছেন।
✅ বালক ধ্রুব কার্তিকে মথুরা-মণ্ডলে শ্রীদামোদরের পূজা ও ধ্যান দ্বারা যোগিগণ দুর্লভ শ্রীভগবানকে শীঘ্র দর্শন প্রাপ্ত হয়েছিলেন। পৃথিবীতে মথুরা সুলভা, সেই রকম প্রতিবছর কার্তিক মাস সুলভ, তথাপি এই জগতে মূঢ় মানবগণ ভবসমুদ্রে জন্ম-মৃত্যু প্রবাহে ভাসছে।
✅ যজ্ঞসমূহের কি প্রয়োজন, তপস্যার কি প্রয়োজন, অন্য তীর্থসমূহের সেবাতে কি প্রয়োজন? যদি কার্তিকে মথুরা-মণ্ডলে শ্রীরাধিকা প্রিয় শ্রীদামোদরের অর্চিত হন।
✅ সকল পবিত্র তীর্থ, নদ-নদী, সরোবর কার্তিক মাসে এই মথুরা-মণ্ডলে সকলেই বাস করেন।
✅ কার্তিকে কেশবদেবের জন্মস্থানে যে মানবগণ একবার প্রবিষ্ট হয়, তারা পরম অব্যয় শ্রীকৃষ্ণকে প্রাপ্ত হন।
✅ কার্তিক মাসে মথুরাতে হরিপূজাকের উপহার উদ্দেশ্যে হরিপূজা দ্বারা দুর্লভ পদ প্রাপ্ত হওয়া যায়, তখন ভক্তিমান হয়ে পূজা করলে যে কি ফল, তার আর কি বলব।
‼️🔰 কার্তিক-কৃত্য-বিধি 🔰‼️
১. আশ্বিন মাসের যে শুক্লা একাদশী হবে বা পূর্ণিমাতে, নিরলসভাবে কার্তিক মাসের ব্রতসমূহ ঐ দিন হতে আরম্ভ করবে।
২. নিত্য শ্রীভগবানকে জাগরণ করাবার জন্য রাত্রির শেষ প্রহরে উঠে শুচি হয়ে শ্রীভগবানকে জাগিয়ে অনন্তর স্তোত্র পাঠসহ প্রভুর আরতি করবে।
৩. বৈষ্ণববৃন্দসহ আনন্দে বৈষ্ণবধর্মসমূহ শ্রবণ করে গীতবাদ্যাদিসহ প্রাতঃকালে প্রভু দামোদরদেবকে আরতি করবে।
৪. নদী আদি জলাশয়ে গিয়ে আচমনপূর্বক সংকল্প করবে। প্রভুকে প্রার্থনা জানিয়ে পরে তাঁকে যথাবিধি অর্ঘ্যদান করবে।
৫. সংকল্পমন্ত্র- হে জনার্দন! হে দেবেশ! হে দামোদর! শ্রীরাধিকাসহ আপনার প্রীতির জন্য কার্তিকে আমি প্রাতঃস্নান করব।
৬. প্রার্থনা মন্ত্র- হে দেবেশ! তোমার ধ্যানসহ এই জলে আমি স্নান করতে উদ্যত, হে দামোদর! তোমার প্রসাদে আমার পাপ বিনাশ যাক।
৭. অর্ঘ্যমন্ত্র-আমি কার্তিক মাসে বিধিবৎ স্নানকারী, হে দামোদর! হে দনুজেন্দ্রনিসূদন আমার প্রদত্ত অর্ঘ্য গ্রহণ কর।
৮. নিজদেহকে তিলকদ্বারা লেপন করে শ্রীকৃষ্ণ নারায়াণাদি নাম উচ্চারণ পূর্বক স্নান করে নিজ বিধিমতে সন্ধ্যা উপাসনা করে গৃহে আগমন করবে।
৯. দেবমন্দির অগ্রে মার্জনা করে স্বস্তিকমণ্ডল রচনা করে প্রভুকে তুলসী, মালতী, পদ্ম, অগস্ত (বক) পষ্পাদি দ্বারা অর্চনা করবে।
১০. নিত্য বৈষ্ণব সঙ্গে ভগবৎ কথা সেবন, অহোরাত্র ঘৃত, দীপ বা তিল দ্বারা অর্চন করবে।
১১. কার্তিক মাসে বিশেষ বিশেষ নৈবেদ্য অর্পন করবে, সেই রকম অষ্টোত্তর শত প্রণাম, যথাশক্তি একবার আহারাদি ব্রত আচরণ করবেন।
পদ্মপুরাণে কার্তিক প্রসঙ্গে
১২. প্রাতঃকালে উত্থান শৌচাদি করে পবিত্র জলাশয়ে গিয়ে বিধিবৎ স্নান, অতপর দামোদর অর্চন কর্তব্য।
১৩. কার্তিক ব্রতধারী মৌন অবলম্বনে ভোজন, ঘৃত দ্বারা বা তিল তৈল দ্বারা দীপাদান কর্তব্য।
১৪. বৈষ্ণববৃন্দসহ কৃষ্ণকথা আলাপ দ্বারা দিন যাপন, কার্তিক মাসে ব্রত সংকল্প পালন।
১৫. আশ্বিনে শুক্লপক্ষের হরিবাসরে আরম্ভ, অথবা পৌর্ণমাসি হতে অথবা তুলারাশি আগমে সংক্রান্তিতে আরম্ভ।
১৬. শ্রীবিষ্ণুর নিকট অখণ্ড দীপদান, দেবালয়ে, তুলসীতে, আকাশে উত্তম দীপ দান করবেন।
১৭. হে ভাবিনি! কার্তিকমাসে কার্তিকব্রত গৃহে করবে না, বিশেষতঃ তীর্থে কার্তিকব্রত সর্বপ্রযত্নে করবে।
⭕ শ্রীরাধাদামোদর-পূজাবিধি ⭕
১. শ্রীকৃষ্ণের প্রিয়তমা, পোপিকাগণ মধ্যে শ্রেষ্ঠা, কার্তিকে শ্রীদামোদর নিকটে শ্রীরাধিকার পূজা করা উচিত।
২. ব্রজবাসী ব্রাহ্মণ এবং তৎপত্নীকে বস্ত্র, অলঙ্কার ও ভোজনাদি দান দ্বারা পূজা করা কর্তব্য।
৩. হে বিপ্রগণ! কার্তিকে শ্রীরাধিকার সন্তোষের জন্য যিনি শ্রীরাধিকা প্রতিমাকে পূজা করে তার প্রতি শ্রীমান্ দামোদর হরি তুষ্ট হন।
৪. কার্তিকে প্রতিদিন ‘দামোদরাষ্টকম্’ নামক স্তোত্র (সত্যব্রত মুনি কথিত) পাঠ করবে, তা দামোদরের অর্চন স্বরূপ ও শ্রীদামোদরের আকর্ষণকারী।
দীপদান’ এবং ‘আকাশ দীপ’ এর মহিমা!
স্কন্দপুরাণে পূর্বকালে দ্রাবিড়দেশে বুদ্ধ নামে এক ব্রাহ্মণ ছিলেন। তাঁর স্ত্রী ছিল খুবই দুষ্টা প্রকৃতির এবং দুরাচার সম্পন্না। ঐ স্ত্রীর সংসর্গে থাকার ফলে ব্রাহ্মণের আয়ু ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে তিনি মৃত্যুমুখে পতিত হলেন। পতির মৃত্যুর পরেও ঐ স্ত্রীলোকটি আরও বিশেষভাবে ব্যভিচারে লিপ্ত হলো।
এমনকি লোকনিন্দার ভয় না করে সে নির্লজ্জের মতো ব্যবহার করতে লাগল। তার কোনো পুত্র বা ভাই ছিল না। সে সর্বদাই ভিক্ষার অন্ন ভোজন করত। নিজের হাতে প্রস্তুত না করে সর্বদাই ভিক্ষার অন্ন ভোজন করত। নিজের হাতে প্রস্তুত না করে সর্বদাই পরের বাড়ি থেকে ভিক্ষা করে বাসি অন্ন খেত এবং অনেক সময় অপরের বাড়িতে রান্না করতে যেত।
তীর্থযাত্রা আদি থেকে সর্বদাই দুরে থাকত। সে কখনও কোনো ভালো কথায় কর্ণপাত করত না।
একদিন এক বিদ্ধান তীর্থযাত্রী ব্রাহ্মণ তার গৃহে আগমন করল। যার নাম ছিল কুৎস। তাকে (ঐ স্ত্রীকে) ব্যভিচারে আসক্ত দেখে সেই ব্রহ্মর্ষি কুৎস বললেন-
ওরে মুর্খ নারী! মনোযোগে সহকারে আমার কথা শ্রবণ কর। পৃথ্বি আদি পঞ্চভূত দ্বারা তৈরী এই রক্তমাংসের শরীর, যা কেবল দুঃখেরই কারণ, তুই তাকে যত্ন করছিস? এই দেহ জলের বুদবুদের মতো, একদিন যা অবশ্যই বিনষ্ট হবে। এই অনিত্য শরীরকে যদি তুই নিজ বলে মানিস্ তাহলে নিজের বিচার পূর্বক এই মোহ পরিত্যাগ কর।
ভগবান বিষ্ণুকে স্মরণ কর এবং তাঁর লীলাকাহিনী শ্রবণ কর। এখন কার্তিক মাস আগত হবে, তখন ভগবান দামোদরের প্রীতি বিধানের জন্য, স্নান, দান আদি কর্ম করে গৃহে বা মন্দিরে বিষ্ণুর উদ্দেশ্যে দীপ নিবেদন করে শ্রীবিষ্ণুকে পরিক্রমা করবে এবং তাঁকে প্রণাম করবে। এই ব্রত বিধবা এবং সৌভাগ্যবতী নারী উভয়েরই অবশ্য পালনীয়। যার ফলে সমস্ত প্রকারের পাপের শাস্তি তথা সকল উপদ্রব নষ্ট হয়।
কার্তিক মাসে দীপদান নিশ্চিতরূপে ভগবান বিষ্ণুর প্রীতি বর্ধন করে। এই কথা বলে ব্রাহ্মণ কুৎস অপর একটি গৃহে গমন করলেন। তখন ঐ ব্রাহ্মণী ব্রহ্মর্ষি কুৎসের এই রকম উপদেশ শ্রবণ করে নিজ কর্মের জন্য অনুতাপ করতে লাগল এবং সে স্থির করল যে সে অবশ্যই কার্তিক মাসে এই ব্রত পালন করবে।
তারপর যখন কার্তিক মাস আগত হলো তখন সে পুরো মাস সূর্যোদয়ের সময় প্রাতঃস্নান তথা বিষ্ণুকে দীপদান সহ নিষ্ঠা সহকারে এই ব্রত পালন করল। তারপর কিছুকাল বাদে আয়ু শেষ হলে তার মৃত্যু হলো। তখন সে স্বর্গলোকে গমন করল এবং পরে মুক্তি লাভ করল। সে সমস্ত মানুষ কার্তিক ব্রত পালন ও দীপদান আদি সম্পন্ন করে তারা যদি এই ইতিহাস শ্রবণ করে তাহলে তারাও মোক্ষ লাভ করে।
ব্রহ্মা এরপর বললেন- নারদ! এখন আকাশ দীপের মহিমা শ্রবণ কর। কার্তিক মাস আগত হলে যিনি নিয়মিত ব্রাহ্মমুহূর্তে স্নান করে আকাশদীপ দান করেন তিনি সমস্ত লোকের প্রভু এবং অন্তে মোক্ষ লাভ করেন। এই জন্য কার্তিক মাসে স্নান, দান আদি কর্ম করার সাথে সাথে ভগবান বিষ্ণুর মন্দিরে এই একমাস দীপদান করা অবশ্য কর্তব্য।
মহারাজ সুনন্দ চন্দ্রশর্মা নাম ব্রাহ্মণের পরামর্শ অনুসারে এই একমাস বিধিপূর্বক ব্রত অনুষ্ঠান করেছিলেন। কার্তিক মাসে প্রতিদিন প্রাতঃস্নান করে পবিত্র হয়ে কোমল তুলসীদল দ্বারা ভগবান বিষ্ণুর পূজা এবং রাত্রিতে আকাশ দীপ দিতেন। দীপ প্রদানের সময় তিনি এই মন্ত্র পাঠ করতেন-
দামোদরায় বিশ্বাস বিশ্বরূপধরায় চ।
নমস্কৃত্যা প্রদাস্যামি ব্যোমদীপং হরিপ্রিয়ম্॥
🙏♻️...হরিবোল....♻️🙏
#

08/08/2025

সুধী গৌর ভক্ত,
আসছে আগামী ৫ই আগষ্ট থেকে ৯ই আগষ্ট ৫ দিনব্যাপী শুরু হচ্ছে শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণের ঝুলনযাত্রা মহোৎসব।
শাস্ত্রে বলা হয়েছে ---
দোলে চ দোলগোবিন্দ চাপিছ মধুসূদন
রথে চ বামনং দৃষ্টা পুনর্জন্ম ন বিদ্যতে।।
অনুবাদ : যে ব্যক্তি ভগবানকে দোল দেয়, ভগবানের নৌবিহার দর্শন করে এবং ভগবানকে রথে দর্শন করেন তার আর পুনর্জন্ম হয় না।
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ।।

বিঃদ্রঃ ----ভগবানের প্রেমময়ী সেবায় যুক্ত হতে চাইলে সে সুযোগও রয়েছে।
আপনার অর্জিত অর্থ ভগবানের সেবায় লাগিয়ে আপনার মানব জন্ম সার্থক করতে পারেন।
ঝুলনযাত্রার শুভেচ্ছা!
ঝুলনযাত্রা অত্যন্ত বিশেষ কারণ আমরা সরাসরি বিগ্রহগণের সেবা করার সুযোগ পাই। যারা দীক্ষিত, যারা ব্রাহ্মণ, এবং যারা দীক্ষিত নয়- প্রত্যেকেই তাঁদের দোলানোর সুযোগ পায়।
শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন যে, "রাধারাণী তাঁর বাহু দ্বারা আমাকে জড়িয়ে ধরবেন, এরকম সুযোগ পাওয়া খুব কঠিন," কিন্তু ঝুলনে তিনি ভয় পান, যেহেতু ঝুলন নড়ছে। তাই তিনি ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে আঁকড়ে ধরেন।
১৯৬৯ সালে শ্রীল প্রভুপাদ আমাকে একটি চিঠি লিখেছিলেন। তিনি আমাকে ঝুলনযাত্রা পালন করতে বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, "একটি সুন্দর সিংহাসন তৈরি করো, বিগ্রহগণকে সিংহাসনে বসাও, প্রচুর ফুল দিয়ে সাজাও ও সিংহাসনকে দোলাও।"
আমরা আশা করি যে আপনারা সবাই প্রতিদিনে অংশগ্রহণ করবেন এবং শ্রী শ্রী রাধামাধবের ভক্ত হওয়ার এবং তাদের সেবা করার চেষ্টা করবেন। এটিই জীবনের পরিপূর্ণতা। আমরা আমাদের ইন্দ্রিয় (হৃষীকেণ) ব্যবহার করি, হৃষীকেশের সেবায়। এইভাবে আমরা আমাদের ইন্দ্রিয়, আমাদের মনকে নিয়ন্ত্রণ করি এবং তারপর আমরা শ্রীকৃষ্ণে সম্পূর্ণরূপে নিমগ্ন হতে পারি।
আপনার বাড়িতে, আপনি ঝুলন করতে পারেন। আপনি বিগ্রহগণকে দোলাতে পারেন বা চিত্রপটকে দোলাতে পারেন। এইভাবে আপনি আপনার বাড়িতে ঝুলনযাত্রা উপভোগ করতে পারেন।"
~ শ্রীল জয়পতাকা স্বামী মহারাজের অ্যাপ বার্তা
১৬ই আগস্ট, ২০২৪

যা ভাল মনে করেন 😐....
31/07/2025

যা ভাল মনে করেন 😐....

27/07/2025
➡️ চাতুর্মাস্য ব্রতের সময়সূচি ও মূলত কিভাবে পালন করা যেতে পারে? ✅ ব্রতের সময়সূচি:২০২৫১০ জুলাই - ৮ আগস্ট (শাক বর্জন)৯ আগ...
03/07/2025

➡️ চাতুর্মাস্য ব্রতের সময়সূচি ও মূলত কিভাবে পালন করা যেতে পারে?

✅ ব্রতের সময়সূচি:২০২৫
১০ জুলাই - ৮ আগস্ট (শাক বর্জন)
৯ আগস্ট - ৬ সেপ্টেম্বর (দধি বর্জন)
৭ সেপ্টেম্বর - ৬ অক্টোবর (দুধ বর্জন)
৭ অক্টোবর - ৪ নভেম্বর (আমিষ বর্জন যেমন:
মাছ, মাংস,ডিম, পেঁয়াজ,রসুন, মাশরুম,মসুর ডাল,কলাই ডাল,মাসকলাই,শিম,বরবটি, বেগুন,পটল,বাসিদ্রব্য।)

মূলত বছরের টানা ৪টি উল্লেখযোগ্য মাস তথা শ্রাবণ, ভাদ্র, আশ্বিন ও কার্তিক মাসে যথাক্রমে শাক, দধি, দুধ ও আমিষ আহার বর্জন করার মাধ্যমে আপনি চাতুর্মাস্য ব্রত পালন করতে পারেন। 😌

⚠️এই সময়ে এগুলো খেলে শরীর রোগাক্রান্ত হয়।যা শাস্ত্রীয় ও চিকিৎসা বিজ্ঞান অনুযায়ী প্রমাণিত।

🔥🔥১৮ জুলাই -১৮আগস্ট পুরুষোত্তম ব্রত আরম্ভ

আমিষ আহারী হলে -
🔆চতুয়ো বাষিকান্মাসান যাে মাংসং পরিবজ্জয়েৎ।
চত্বারি ভদ্রাণ্যাপ্নোতি কীর্তিমায়ুর্যশাে বলম॥
🔴[মহাভারত অনুশাসন পর্ব, অধ্যায় ১০০, শ্লোক--৯৩]🔴
⏩বঙ্গানুবাদঃ
যিনি বর্ষাকালে শ্রাবণ প্রভৃতি চারি মাস( শ্রাবণ, ভাদ্র, আশ্বিন ও কার্তিক মাসে) মাংস বর্জন করেন, তিনি কীর্তি, আয়ু,যশ ও বল এই চারি প্রকার মঙ্গল লাভ করিয়া থাকেন।।

অর্থাৎ, কেউ যদি-
🔸শ্রাবণ মাসে আমিষ ত্যাগ করেন, তবে তিনি কীর্তিমান হন।

🔸ভাদ্র মাসে আমিষ ত্যাগ করেন, তবে তিনি দীর্ঘায়ু হন।

🔸আশ্বিন মাসে আমিষ ত্যাগ করেন, তবে তিনি যশবান হন।

🔸কার্তিক মাসে আমিষ ত্যাগ করেন, তবে তিনি বলবান হন।

যারা আমিষাহারী, তারা আজ থেকেই আমিষাহার ত্যাগ করুন, সকল জীবের প্রতি সদয় হোন, -- দেখবেন, ভগবানও আপনার প্রতি সদয় হবেন এবং আপনি ভগবানের কৃপাধন্য হবেন।

হরে কৃষ্ণ 💗🙏🏿

26/06/2025
গুন্ডিচা মার্জনোৎসব২৬ জুন ২০২৫, বৃহস্পতিবারজগন্নাথ পুরীতে রথযাত্রার আগের দিনটি হল গুন্ডিচা-মার্জনা। জগন্নাথ, বলদেব এবং স...
25/06/2025

গুন্ডিচা মার্জনোৎসব
২৬ জুন ২০২৫, বৃহস্পতিবার
জগন্নাথ পুরীতে রথযাত্রার আগের দিনটি হল গুন্ডিচা-মার্জনা। জগন্নাথ, বলদেব এবং সুভদ্রাকে স্বাগত জানাতে গুন্ডিচা মন্দির পরিষ্কার করা হয়। গুন্ডিচা মন্দিরটি জগন্নাথ মন্দির থেকে তিন কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত। পুরীতে রথযাত্রা উদযাপনের সময় এখানেই ভগবান জগন্নাথ সাত দিন অবস্থান করেন।
শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু শত শত ভক্তদের সাথে গুন্ডিচা মন্দির পরিষ্কার করবেন। তিনি অন্যদের নির্দেশ দেওয়ার জন্য এটি করেছিলেন। মহা আনন্দে মন্দির পরিষ্কার করার সময়, তিনি হরে কৃষ্ণ মহা-মন্ত্র উচ্চারণ করেছিলেন। একইভাবে, সমস্ত ভক্ত একই সাথে তাদের পৃথক দায়িত্ব পালন করার সময় জপ করবে। ভগবান চৈতন্যের সমস্ত শরীর ধুলো এবং ময়লা দ্বারা আবৃত ছিল। এই পদ্ধতিতে এটি অতীন্দ্রিয়ভাবে আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। অনেক সময়, মন্দির পরিষ্কার করার সময়, ভগবান চোখের জল ফেলেন, এবং কিছু জায়গায় তিনি সেই অশ্রু দিয়েও পরিষ্কার করেছিলেন।
শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু এক জায়গায় সমস্ত খড়, ধূলিকণা এবং বালির দানা সংগ্রহ করার পর, তিনি তার কাপড়ে সমস্ত সংগ্রহ করে বাইরে ফেলে দেন। শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর উদাহরণ অনুসরণ করে, সমস্ত ভক্তরা, মহা উল্লাসে, তাদের নিজস্ব কাপড় দিয়ে খড় এবং ধুলো জড়ো করে গুন্ডিচা মন্দিরের বাইরে ফেলতে শুরু করে।
যখন মন্দিরটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরিষ্কার করা হয়েছিল, তখন এটি খুব শুদ্ধ, শীতল এবং আনন্দদায়ক হয়ে ওঠে, ঠিক যেন প্রভুর নিজের মন সেখানে উপস্থিত হয়েছিল। প্রকৃতপক্ষে, সবকিছু ধুয়ে ফেলার পরে, ভক্তদের মন ঘরের মতো পরিষ্কার ছিল। গুন্ডিচা মন্দির পরিষ্কার করার এই বিনোদনের মাধ্যমে, শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন কীভাবে আমাদের হৃদয়ে ভগবান কৃষ্ণকে গ্রহণ করা উচিত। আমরা যদি কৃষ্ণকে আমাদের হৃদয়ে উপবিষ্ট দেখতে চাই, তবে আমাদের অবশ্যই প্রথমে আমাদের হৃদয়কে সম্পূর্ণরূপে শুদ্ধ করতে হবে এবং তাঁর পদ্মের চরণ গ্রহণের জন্য প্রস্তুত হতে হবে।
゚viralfbreelsfypシ゚viral




Address

79 Swamibag Road
Dhaka
1204

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Swamibag Ashram posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share