Towards Jannah

Towards Jannah Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Towards Jannah, Religious organisation, Dhaka.

27/02/2025

মানুষের বদনজর শুধু সম্পর্ক না,
😈
শরীর সৌন্দর্য, শান্তি, ক্যরিয়ার, সব নষ্ট করে দিতে পারে

20/12/2024

💖 যার সম্পর্কে না শুনে পুরা দুনিয়া গীবত করলো সে কি এবং কেমন কথা বলে তা আপনার জানা জরুরি ?
এটাই তাহকিক করা - শুনুন মন দিয়ে কি বলে উনি
📌 আজ থেকে নিয়মিত ওনার বয়ান পাবেন আমার প্রোফাইলে ।
📌 এই পোস্টে নিচে অনেক কমেন্ট কারী পাবেন জারা অনাকে না শুনে গীবত করবে _ তাদের সম্পর্কে সতর্ক হোন _ ওরাই মুলত ফিতনা ছরায়

08/12/2024
⁉️
07/12/2024

⁉️

সাধারণ মানুষ ও  রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা আগামীর রাষ্ট্র ব্যবস্থার গঠন পদ্ধতি নিয়ে নানা আলাপ আলোচনা লিপ্ত আছে।মানুষদের কাঁধে প...
15/08/2024

সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা আগামীর রাষ্ট্র ব্যবস্থার গঠন পদ্ধতি নিয়ে নানা আলাপ আলোচনা লিপ্ত আছে।

মানুষদের কাঁধে পশ্চিমা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জোয়াল চাপিয়ে দিয়েছে এবং দ্বীনি ও জাতীয় মূল্যবোধ বিক্রি করেছে, ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞ এসব ক্ষমতা লোভীরা নতুন রাষ্ট্রের নামে আবারো মানুশকে তাগুদের গোলাম করছে।

তাই আমি এখানে ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা এবং প্রজাতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যে পার্থক্য নিয়ে কিছু বিষয় আলোচনা করতে চাই। এবং পরস্পর অসঙ্গতিপূর্ণ বিষয়গুলোকে নির্দিষ্ট করতে চাই, যাতে মুসলমানরা জানতে পারে যে, প্রজাতন্ত্র ও গণতন্ত্র একটি পশ্চিমা ধর্মনিরপেক্ষ ব্যবস্থার অংশ, এবং এটি একটি বিদেশী ব্যবস্থা যা বাংলাদেশের মতো ইসলামী সমাজ ব্যবস্থার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

আমরা যদি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা এবং ইসলামী ব্যবস্থার দিকে একটু খেয়াল করি, তাহলে আমরা এই দুই ধরনের ব্যবস্থার মধ্যে পার্থক্যগুলো খুব সহজেই উপলব্ধি করতে পারবো। কেননা এই দুটি পদ্ধতির বুনিয়াদি বিষয়গুলো আলাদা এবং একটি আরেকটির সাথে সাংঘর্ষিক।

উদাহরণস্বরূপ:

১. ইসলামী ব্যবস্থার বুনিয়াদ হলো দ্বীন। আর দ্বীনের বুনিয়াদি বিষয়গুলো নির্ধারিত হয় বিশ্বাসের মাধ্যমে।
অথচ গণতন্ত্রের বুনিয়াদ কিছু (সাংবিধানিক) চুক্তিপত্র। আর বিশ্বাস ও চুক্তিপত্রের মাঝে আকাশপাতাল পার্থক্য।

২. ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থার সম্পর্ক হচ্ছে শেকড়ের সাথে। আর প্রজাতন্ত্র এবং গণতন্ত্রের ব্যবস্থার সম্পর্ক হলো ভিত্তিমূলহীন। অন্য কথায়, ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থার ভিত্তি হলো ইসলাম, আর ইসলাম হলো বান্দার সাথে স্রষ্টার এবং মানুষের সাথে আসমানওয়ালার সম্পর্ক গঠন করা। যাকে রাবেতায়ে উমুদীও বলা হয়। আর গণতন্ত্র হচ্ছে মানুষের সাথে মানুষের অর্থাৎ নাগরিকের উপর নাগরিকের কর্তৃত্বের ছিন্নমূলহীন কিছু চুক্তিপত্র। যাকে রাবেতায়ে আফাকী বলা হয়।

৩. ইসলামী ব্যবস্থায়, মানুষ পরিচালিত হয় একমাত্র তার স্রষ্টার দেয়া বিধিবিধান দ্বারা। অন্যদিকে গণতন্ত্র এবং প্রজাতন্ত্রের (গণতন্ত্র) ব্যবস্থায় মানুষ পরিচালিত হয় মানুষেরই বানানো বিধিবিধানের মাধ্যমে। অর্থাৎ মানুষের জন্য মানুষের আইন যা প্রজাতন্ত্র বা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সংসদীয় আইনসভা কর্তৃপক্ষ তৈরি করে। এবং তাদের এই পার্লামেন্টের তৈরি আইনই জনগণের উপর প্রয়োগ করা হয়। অথচ ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থায় আইন বা আহকামসমূহের উৎস হচ্ছে, কুরআন, হাদিস, ইজমা এবং কিয়াস। একই সাথে এই আইন সবার উপর সমানভাবে প্রযোজ্য। ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থায় যদিও শুরা আছে এবং পরামর্শ করার অধিকারের ভিত্তিকে তার একটি বিশেষ অবস্থানও আছে তবে তা কোন ভাবেই আইন প্রণয়নের অধিকার রাখেনা।

৪. ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থার বুনিয়াদ হলো দ্বীন। আর শুধুমাত্র মুমিনগণই দ্বীনদার। কিন্তু গণতন্ত্রের বুনিয়াদ হলো নাগরিক। দ্বীন নাগরিকের তুলনায় বিশ্বাসী মুমিনকে গুরুত্ব দেয়। কিন্তু গণতন্ত্র নাগরিককে গুরুত্ব দেয় সে কাফির হোক বা মুমিন।

৫. ধর্ম এবং গণতন্ত্র দুটি পৃথক পৃথক মতাদর্শ। একটির সাথে অন্যটির কোন সম্পর্ক নেই; ইসলাম এবং গণতন্ত্রের মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্য হলো; গণতন্ত্র বস্তুগত শোষণনীতি এবং একান্তই ভোগের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠে। এতে অনিবার্যভাবে মানুষের অন্তরে কর্মসংস্থান গড়ে উঠার নামে শোষণের পথ তৈরি করে। যা মানুষকে তার নিজের ইচ্ছা ও খেয়াল-খুশি মত চলার দিকে পরিচালিত করে। এবং এটিই বিগত শতাব্দীর রাষ্ট্রীয় অত্যাচার যা আজ নাগরিক সমাজের ছদ্মবেশে আমাদের মাঝে আবির্ভূত হয়েছে; প্রমাণ তো এটাই যে, আমরা এখনও দুর্বল জাতির বিরুদ্ধে শক্তিশালী জাতির নিপীড়ন ও অত্যাচার প্রত্যক্ষ করছি, বর্তমান ও অতীতের মধ্যে পার্থক্য এই যে পূর্বের সেই অত্যাচারিত রূপটিই বর্তমানে সামাজিক রূপে আমাদের সামনে উপস্থিত হয়েছে। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সীরাতে বিজয় ও চুক্তির নীতিগুলোর দিকে খেয়াল করলে দেখা যাবে যে, এই গণতন্ত্র ইসলামের শতভাগ বিরোধী একটা বিষয়।

৬. ইসলামী জীবনব্যবস্থা এবং মানুষের তৈরি জীবনব্যবস্থার মধ্যে আরেকটি পার্থক্য হলো; ইতিহাসের দিকে নজর দিলে দেখা যায়, মানুষের তৈরি সমাজ কখনই শ্রেণীভেদ থেকে মুক্ত হতে পারেনি, কিন্তু ইসলামী সমাজ এমন একটি সমাজ যেখানে কারো উপর কারো বিশেষ কোন শ্রেষ্ঠত্ব নেই। তবে বিশেষ শ্রেষ্ঠত্ব পাওয়ার একমাত্র মাপকাঠি হলো, তাকওয়া অর্জন করা। আল্লাহ তায়ালা বলেন –
إِنَّ أَکْرَمَکُمْ عِندَ اللَّهِ أَتْقَاکُم
তোমাদের মধ্যে সেই শ্রেষ্ঠ যে, যে আল্লাহকে সবচেয়ে বেশি ভয় করে। (সুরা হুজুরাত ৪৯:১৩)
অতএব, ইসলামে, সবাই আইনের কাছে সমান এবং কোন শ্রেণী বিভাজন নেই, এর কারণ হল রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আখলাক ও জীবন যাপন পদ্ধতি।

৭. এই দুই ধরনের ব্যবস্থার মধ্যে আরেকটি পার্থক্য হল; মুসলিম সমাজে ইসলামী আইন জারি করা সকল মুসলমানের দায়িত্ব। এটা জানা উচিত যে; রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যুর পর তার রেখে যাওয়া সুন্নাহকে সামনে রেখে কোন ধরণের সংশয় ছাড়াই সাহাবী রাদিয়াল্লাহু আনহুগণ নিজেরাই একজন খলিফা নিযুক্ত করেছেন। খেলাফতের দায়িত্ব গ্রহণকারী এই খলিফা শরিয়তের বিধিবিধানগুলোকে কোন ধরণের পরিবর্তন ছাড়াই বাস্তবায়ন করবেন। দৈনন্দিন ঘটে যাওয়া নিত্য নতুন বিষয়গুলোতে মুসলমানদের সাথে পরামর্শ করেই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। এর দলিল হচ্ছে- আল্লাহ তায়ালা বলেন;
لَّقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللَّهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ لِّمَن كَانَ يَرْجُو اللَّهَ وَالْيَوْمَ الْآخِرَ وَذَكَرَ اللَّهَ كَثِيرًا ‎﴿٢١﴾‏
“যারা আল্লাহ ও শেষ দিবসের আশা রাখে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে, তাদের জন্যে রাসুলুল্লাহর মধ্যে উত্তম নমুনা রয়েছে”। (সুরা আহযাব ৩৩:২১)

৮. ইসলামী রাষ্ট্রের বুনিয়াদ হচ্ছে শরিয়তের হুকুম আহকাম। যা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওহির মাধ্যমে সমাজে বাস্তবায়ন করেছেন। আর প্রজাতন্ত্র এবং গণতন্ত্রের বুনিয়াদ হচ্ছে মানুষের বিবেক বুদ্ধি।

৯. ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থায়, শাসকদের আনুগত্যকে শরয়ী বাধ্যবাধকতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়, অথচ প্রজাতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিষয়টি এমন নয়। এ ব্যবস্থায় শাসকদের আনুগত্যের সাথে দ্বীনি বিশ্বাস, অবিশ্বাসের কোন সম্পর্ক নাই।

১০. ইসলামে ইসলামী রাষ্ট্র প্রধানের বিরোধিতাকে বিশ্বাসঘাতকতা এবং নিফাক হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং ধর্মীয় শাস্তির পাশাপাশি আখিরাতের শাস্তির বিষয়টিও নির্ধারিত হয়। কিন্তু গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এই জাতীয় যে কোনো বিরোধ ও বিদ্রোহকে শুধুমাত্র পার্থিব শাস্তি এবং প্রচলিত আইনের অধীনে বিচার করাই যথেষ্ট মনে করা হয়।

১১. ইসলামী রাষ্ট্রের আইন কানুনের ভিত্তি হচ্ছে কিতাব ও সুন্নাহ। তাই এখানে মৌলিকভাবে একটা স্বচ্ছতার দিক আছে। এছাড়া ইসলামী রাষ্ট্রের আইন কানুনগুলোতে শরয়ী ও দ্বীনি অনুমোদন রয়েছে। কিন্তু মানুষের তৈরি আইন কানুন কেবল জনসংখ্যায় অধিকাংশ হওয়াটাকেই আনুগত্যের জন্য যথেষ্ট মনে করে।

১২. যেহেতু ইসলামী ব্যবস্থার আইন কানুনগুলো কুরআনুল কারীম এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম –এর সুন্নাহর মাধ্যমে নির্ধারিত হয়েছে, তাই কিয়ামত পর্যন্ত এগুলোতে কোন ধরণের পরিবর্তন, পরিবর্ধন করার সুযোগ নেই। এর মাধ্যমেই সত্য-মিথ্যা নির্ধারিত হবে। বাতিলের এখানে জায়গা নেই, কেননা এটি চিরন্তন বিষয়।

কিন্তু প্রজাতন্ত্র এবং গণতন্ত্রের আইন কানুনগুলো এক ধরনের সংবিধানের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়, যা সব সময়, সঠিক না ভুল, ভুল না সঠিক এই ধরনের সংশয়ের মাঝে পতিত থাকে। তাছাড়া এখানে প্রতিনিয়ত পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংযোজন বিয়োজন চলতেই থাকে। এটি স্থায়ী কোনো বিষয় নয়। এবং মানুষ (শাসক) নিজেরাই একে পরিবর্তন করে।

১৩. ইসলামী ব্যবস্থায় শরিয়তের নির্ধারিত পন্থায় শাসক নির্ধারণ করা হয়। তাই শাসক যতক্ষণ পর্যন্ত শরিয়তের উপর থাকে, জনগণ চাইলে তাকে অপসারণ বা তার ক্ষমতাকে সীমিত করতে পারে না। কারণ শরিয়তের মাধ্যমে শাসককে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তাই কোন মানুষ তাকে অপসারণের ক্ষমতা রাখেনা। কিন্তু প্রজাতান্ত্রিক ব্যবস্থা এবং গণতন্ত্রের শাসকরা এমন যে জনগণ তাদের অপসারণ করতে পারে বা বিভিন্নভাবে তাদের ক্ষমতা সীমিত করতে পারে।
১৪. ইসলামী ব্যবস্থায় যতক্ষণ পর্যন্ত শাসক শরিয়তের অনুসরণ করেন, ততক্ষণ পর্যন্ত তার মেয়াদকাল অনির্দিষ্ট। তাকে অপসারণ করা বৈধ নয়। হ্যাঁ তবে তিনি যদি শরিয়তের শর্ত লঙ্ঘন করেন অথবা মৃত্যু বরণ করেন, তবে তিনি আপনিতেই অপসারিত হয়ে যাবে। কিন্তু প্রজাতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় শাসকের মেয়াদকাল নির্দিষ্ট। এটি তাদের সংবিধান অথবা সামাজিক নিয়ম দ্বারা নির্ধারিত হয়। এছাড়া স্বৈরশাসক এবং অগণতান্ত্রিক ব্যবস্থার তরবারি যে কোন সময় তাকে অপসারণ করতে পারে।

১৫. ইসলামী ব্যবস্থায় একজন শাসকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য হল শরিয়াহহ বাস্তবায়ন এবং আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা। পাশাপাশি দ্বীনি সমাজে মানুষের সন্তুষ্টিও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, তবে তা হতে হবে শরিয়তের মাপকাঠির আলোকে।
অথচ প্রজাতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ ও লক্ষ্য হল জনগণের ব্যক্তি স্বার্থ রক্ষা করার মাধ্যমে জনগণের সন্তুষ্টি লাভ করা। এভাবেই জনগণ নিজেদের চিন্তা চেতনা ফলানোর মাধ্যমে একটা গণতান্ত্রিক কাঠামো নির্মাণ করে।

১৬. ইসলামী শাসন ব্যবস্থায় শাসকের শরয়ী দায়িত্বের দিক থেকে অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা ও নানা প্রকল্প গ্রহণ করার যে সুযোগ সুবিধা রয়েছে, তা গণতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার শাসকদের তুলনায় অধিকতর প্রশস্ত। তাই ইসলামী ব্যবস্থার শাসক নিজ কর্তব্যের ভিত্তিতে সমস্ত ধর্মীয় তহবিল যেমন যাকাত, খুমুস, ফাই ইত্যাদি গ্রহণ এবং ব্যয় করার অধিকার রাখে। এবং অর্থনীতি, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং সামাজিক অবকাঠামো বিনির্মাণের ক্ষেত্রে ইসলামী রাষ্ট্রের শাসকগণ অধিকতর স্বাধীন। কিন্তু ধর্মনিরপেক্ষ ও প্রজাতান্ত্রিক ব্যবস্থার শাসকদের জন্য, এই বিষয়ে সাংবিধানিক বিধিবদ্ধ রয়েছে। সংসদ ও পার্লামেন্ট কর্তৃক পাস করা আইন তাদের জন্য যথেষ্ট প্রতিবন্ধক। এবং সংসদের বেঁধে দেয়া সীমা পার হলেই রাষ্ট্রপতিরা তাদের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।

যাইহোক, উপরের ইসলামী ব্যবস্থা এবং প্রজাতন্ত্র ও গণতন্ত্রের মধ্যকার মৌলিক কিছু পার্থক্য তুলে ধরা হয়েছে। এই পার্থক্যগুলো এটা প্রমাণ করে যে, ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ইসলামী সরকার একটি বিশেষ সরকার যেখানে সার্বভৌমত্ব একমাত্র আল্লাহ তায়ালার ও তাঁর দেয়া শরিয়তের। এছাড়া শাসকদের চারিত্রিক ও আধ্যাত্মিক গুণাবলীরও রয়েছে অপরিসীম গুরুত্ব। অন্য দিকে অনৈসলামিক ব্যবস্থায় এগুলোর কোনই গুরুত্ব নেই।

অতএব, এটি কোন ভাবেই সম্ভব নয় যে, আসমানি ধর্ম, বিশেষ করে দ্বীনে ইসলাম গণতান্ত্রিক জীবন ব্যবস্থাকে অনুমোদন করতে পারে। কোন আসমানি ধর্ম এমনটি দাবিও করেনি। তবে রাষ্ট্র গঠন হতে পারে একমাত্র দ্বীনের ভিত্তিতে। বর্তমানে অনেক রাষ্ট্র ব্যবস্থাই রয়েছে। আবার আমরা অনেক রকম ইসলামী সরকার দেখতে পাই। উদাহরণস্বরূপ, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতিষ্ঠিত খেলাফত থেকে খেলাফতের রাশেদা পর্যন্ত, অতঃপর ইমারাত ব্যবস্থা, তারপর বাদশাহী ব্যবস্থা।
অতএব, হে বীর জাতি! খুব ভালো করে বুঝে রাখুন যে, যদি আপনি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাই কামনা করেন, তাহলে দ্বীনি বিশ্বাসের বিসর্জন দেয়া ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না। মনে রাখুন ইসলাম এবং গণতন্ত্র একসাথে চলা অসম্ভব।

প্রবাদ আছে যে; একহাতে দুটি তরমুজ নেয়া যায় না। অন্য কথায় ইসলামী জীবন ব্যবস্থা আর প্রজাতন্ত্র ও গণতন্ত্র ব্যবস্থা হচ্ছে, দুনিয়া ও আখিরাতের মতো। একটির সন্তুষ্টি অন্যটিকে অসন্তুষ্ট করবেই। তাই এ বিদেশী ও অনৈসলামিক ব্যবস্থা থেকে সাবধান থাকুন,এবং ইসলামী ব্যবস্থার দিকে ফিরে আসুন। যা আমাদের সকলের দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণের গ্যারান্টি দেয় এবং তা আন্তরিকভাবে গ্রহণ করুন।

আল্লাহ্‌ সকল কে হেদায়েত দিক ।

Be an Alpha Male! Alpha males are way ahead of Sigma males! প্রচুর পারিশ্রমিক হবেন। হালাল জব, ব্যবসা এবং সকল প্রকার প্রো...
23/02/2024

Be an Alpha Male! Alpha males are way ahead of Sigma males!

প্রচুর পারিশ্রমিক হবেন। হালাল জব, ব্যবসা এবং সকল প্রকার প্রোডাক্টিভিটির দিকে ছুটুন।

নিয়মিত ইবাদত, আমল, জিকির ও দু'আ করুন। বেকার থাকবেন না, অহেতুক মেয়েদের পিছে ছূটে সময় অপচয় করবেন না। মেয়েদের পাত্তা দিবেন না। সময়মত একজন ভালো জীবনসঙ্গী আল্লাহর কাছে চেয়ে নিবেন। বিয়ের পূর্বে অবশ্যই ভালোভাবে পাত্রী সম্পর্কে খোজ খবর নিবেন যতই দ্বীনদার বা পর্দাশীল নারী হোক না কেন। এটা সুন্নাহ।

বিয়ে ছাড়া একজন পুরুষ পরিপূর্ণভাবে প্রোডাক্টিভ এবং পুরুষত্ব বৈশিষ্ট্য ধারণ করতে পারেনা।

দ্রুত বিয়ের আমল 💖

১. বেশি বেশি ইস্তেগফার করা। যথাসম্ভব সার্বক্ষণিক এস্তেগফার করা। উঠতে বসতে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে থাকা।

২. সুরা ফুরকানের ৭৪ নং আয়াতটা পড়তে পারি। প্রতি ফরজ নামাজের পর তো বটেই, সুযোগ পেলেই দোয়াটি গভীর আবেগ নিয়ে পড়তে পারি।
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا

৩. বেশি বেশি দোয়া করা। বিশেষ করে দুয়া কবুল হওয়ার সময়গুলো একটাও যেন দোয়াবিহীন না যায়।

৪. আমল-দোয়ার পাশাপাশি হালাল পন্থায় পাত্র/পাত্রীর খোঁজ করাও জরুরী।

৫. অনেক সময় জাদু-সিহর করে বিয়ে আটকে রাখা হয়। এজন্য রুকইয়া করা।

৬. নিয়মিত সদকা করা।

17/02/2024

(হে বান্দা)
যদি তোমরা আমার শোকর গোজারি হও, তবে আমি তোমাদের জন্য আমার নেয়ামতকে আরও বাড়িয়ে দেব। আর যদি তোমরা আমার নেয়ামত অস্বীকার কর (অর্থাৎ অকৃতজ্ঞ হও) তবে নিশ্চয় জেনে রেখো আমার আজাব বড় কঠিন। ’

-সূরা ইবরাহিম: ৭

15/02/2024

🌿 আজব লাগে আল্লাহর হিসাব কিতাব দেখলে,

হিসাব মেলাতে পারি না,
বলার আছে অনেক, যাস্ট দুটো বলি আপাতত,

(১)
📌 আসমানের নিচে,জমিনের উপরে; ফেমাস হতে হলে লাগে,একটা সুন্দর চেহারা একটা বিশাল চাপা,একটা মোবাইল,আর কিছু চাটুকার।

অথচ

📌 আসমানের উপরে, জমিনের নিচে; ফেমাস হতে প্রয়োজন,শুধুমাত্র এখলাসওয়ালা ঈমানের সাথে গোপন আমল।

(২)
📌 মানুষ হতে চায় সেলিব্রেটি....আল্লাহ ও তার রাসূল বলে,

"তুমি দুনিয়ার বুকে অপরিচিত মুসাফিরের ন্যায় থাকো"

☝️ আল্লাহু আকবার.....

ঈমানের অন্যতম শর্ত আত্ম সমর্পন করা,
আজ তুমি আমি নিজের মন চাহি জিন্দেগী নিয়ে আছি,

বন্ধু,
এ দুনিয়া হক পূরনের জায়গা,পরীক্ষার জায়গা,ধোঁকার জায়গা...

তোমাকে আমাকে বানানোর মাকসাদ যদি নামাজ রোজা হজ্ব যাকাতই হতো তাহলে,

তোমার রাসূলকে হেরা পর্বত হতে নামাতে পারতে না,
আজ হয়ত কোমড়ের জোর আর মেরুদণ্ড একটু বেশী শক্ত তাই হয়ত মানছো না....

সময়ের অপেক্ষায় আছো,অথচ বেলা ফুরিয়ে গেলো বলে,

আর কত ছুটবে মরীচিকার পানে,ভেবে দেখো...

✒️ Sheikh Mohammed Habibullah Nazid 🍁

________ আজব না _____
এ যেন চিন্তাধারা দু মেরু,

ওরা দেওবন্দ মাদ্রাশাকে ফতোয়ার কেবলা মানে,কিন্তুু তারা দেওবন্দ মাদ্রাশার আমিরকেই মানছে না... আসলে তারা শয়তান, আর শয়তান তা...
07/02/2024

ওরা দেওবন্দ মাদ্রাশাকে ফতোয়ার কেবলা মানে,কিন্তুু তারা দেওবন্দ মাদ্রাশার আমিরকেই মানছে না...

আসলে তারা শয়তান,
আর শয়তান তার আমিরের কথা না মেনে...

সামান্য মাটির তৈরী আদম কে সেজদা করে নি।।।

আদম ছিল আল্লাহর হুকুম মাত্র,

সেজদা তো আমরা আল্লাহকে করি,
______ আল্লাহর হুকুম কে মেনে___

" আমি মাওলানা সাদ সাবকে আল্লাহর হুকুম মেনে মানি, কেননা আমির মানা ফরজ,

মাওলানা সাদ সাব তো আল্লাহর তৈরী মাখলুক,আল্লাহর হুকুম।।

একজন সাদ সাব মাখলুক হিসাবে দোষে গুনে ভারপুর।।।

এতই যদি দোষ দেখো তাহলে এ বাংলার মাটিতে দোষে গুনে হাজার ইস্যু নিয়ে মাঠ মাতাও না কেন।।

কেননা তোমরা জানি,

সাদ সাব লাঠি নিয়ে এসেছে " ১০০ বছরের পুরো ঘর ঝাড়ু দিবে বলে....

তাই তো ঘরের " তেলাপোকা - মাছি - মাকড়শা - তোষকের (মিম্বরের) নিচের রক্ত চোষা উরুষগুলো দৌড়াদৌড়ি শুরু করেছে "

মনে রেখে আমার ওপারের ভাইয়েরা,

" তোমরা ভেবেছিলে তোমরা গাছ উপড়ে ফেলেছো,
কিন্তুু তোমরা জানো না আমরা সকলেই এক একটি বীজ ছিলাম "

✒️ Sheikh Mohammed Habibullah Nazid 🍁

01/02/2024

“তোমরা আল্লাহর রুজ্জুকে শক্ত করে ধরো এবং পরষ্পর দল-উপদলে বিভক্ত হয়ে যেও না।তোমরা স্মরণ করো,তোমরা পরষ্পরের শত্রু ছিলে, আল্লাহর অনুগ্রহে তোমরা হলে ভাই ভাই।...তোমাদের মধ্যে এমন একদল লোক থাকবে যারা সতকাজে আদেশ করবে এবং মন্দ কাজ হতে সবাইকে বিরত রাখবে। প্রকৃতপক্ষে তারাই হবে সফলকাম।

”[সূরা আল-ইমরানঃ১০৩~১০৪]

⛔ Divide And Rule' নীতির সার্থকতা

বহুপূর্বে “The Sun of British Empire will never set” টাইপের একটা বাক্য প্রচলিত ছিল;সম্ভবত অনেকে এখনো বলে থাকেন।

বৃটেনের উপনিবেশিক সাম্রাজ্যবাদের প্রসারের সময় কথাটা বহুল প্রচলিত ছিল। ইউরোপের শিল্প বিপ্লব থেকে শুরু করে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত বৃটেনের এই উপনিবেশিক আধিপাত্যের পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়ায় Ottoman Islamic Empire বা United Islamic Khilafah. ইসলামের প্রধান শক্তি ইসলামী আক্কীদার অন্যতম গুণ হচ্ছে এটি জাতিগত,বর্ণগত বিভেদ ভুলিয়ে মানুষকে একই কাতারে নিয়ে আসে। ক্রুসেডের মাধ্যমে বিফল ইংরেজরা ভালভাবেই বুঝতে পারলো যে, ইসলামের প্রধান শক্তি ভ্রাতৃত্ববোধ বা ঐক্য যার কারণে কোনো মুসলিম ভূমিতে আক্রমণ চালালে তা প্রতিহত করতে পুরো মুসলিম বিশ্বের সেনাবাহিনী প্রস্তুত থাকে।

তারা নতুন প্রকল্প হাতে নিলো। বিভাজনের প্রকল্প। কিন্তু, বিভাজন করতে হলে তো ভ্রাতৃত্ববোধ কে কিছু একটা দিয়ে প্রতিস্থাপন করা প্রয়োজন। সেটাও হলো। তারা মুসলিমদেরকে অঞ্চলভিত্তিক জাতীয়তাবাদ দিয়ে উদ্ধুদ্ধ করার লক্ষ্যে লক্ষ লক্ষ গোয়েন্দা এবং মিশনারী পাঠালো।তাদের প্রধান কাজ ছিল বিজ্ঞানের স্কুল,বিভিন্ন সোসাইটি,ক্লাব ইত্যাদির মাধ্যমে মুসলমানদের মধ্যে ঢুকে পড়ে কিংবা মুসলিম হিসেবে আচরণ করে উগ্র জাতীয়তাবাদ উস্কে দেয়া। ফলশ্রুতিতে তৈরি হয় Young Arabs আর Young Turks এর মত উগ্র জাতীয়তাবাদী প্রতিষ্ঠান। এর ফলে লোকেরা তাদের আসল পরিচয় মুসলিম এটা ভুলে নিজেদেরকে কোনো অঞ্চলের অধিবাসী যেমন আরব,তুর্কী,ফারসী,সিরিয়ান ইত্যাদি হিসেবে মনে করতে থাকে। ফলে সহজেই তৈরি হয়ে যায় ফাটল ধরানোর মত একটি গ্রাউন্ড। পরিশেষে কেবল কিছু দালালের সহায়তায় তারা এই জাতীয়তাবাদকে খিলাফতের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে রূপান্তরিত করে। এবং ক্রমাগত বিদ্রোহ এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকা দালালদের দালালির (কামাল পাশা-আমীরুল জিহাদ, শরীফ হোসেন-হিজ্বাজের গভর্ণর ইত্যাদি) কারণে ১৯২৪ সালের ৩ মার্চ মুসলমানদের সেই গৌরবময় শাসন ব্যবস্থার পতন ঘটে যার সূচনা করেছিলেন মুহাম্মদ(স) মদীনায় ৬২২ সালে।

শুধুমাত্র মুসলমানদের ক্ষেত্রেই নয়,সব শোষিত ভূমিতেই বৃটিশরা একটা Common Plan করে। সেটাকে বলা হয়, “Divide And Rule”। অর্থাৎ,বিভাজন করো এবং শাসন করো। আজ আমরা মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে দেখতে পাই তা ৫৭টি রাষ্ট্রে টুকরো টুকরো করে দেয়া হয়েছে এবং প্রতিটি রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান এমন কাউকে রাখা হয়েছে যে কিনা মুসলিমদের বাদ দিয়ে কাফিরদের সহায়তা করছে বিভিন্নভাবে। সেটা সৌদি বাদশাহ ফয়সালই হোক, সামরিক স্বৈরশাসক গাদ্দাফীই হোক আর গণতান্ত্রিক প্রতারণাকারী জারদারী কিংবা খা #@*% - হা&% #@ হোক।
আজকে মুসলিম বিশ্বের এই দূর্দিনেও এমন অনেক তথাকথিত আলিম তৈরি হয়েছে যারা সামান্য অর্থ আর ক্ষণস্থায়ী সম্মানের বিনিময়ে হালালকে হারাম আর হারামকে হারাম বলে থাকেন। তারা বলেন, ইসলামে রাজনীতি করা হারাম,শাসকের বিরুদ্ধে টু শব্দটি করাও হারাম,আবার শেয়ার ব্যবসা হালাল,গণতন্ত্র হালাল,সুদের উপর প্রতিষ্ঠিত যে ব্যাংকিং ব্যবস্থা তাও নাকি হালাল !! আজকে মুসলমানেরা নিজেরাই নিজেদের সাথে হানাহানি,রক্তারক্তিতে লিপ্ত। ছাত্ররাজনীতির নামে এদেশে করা হচ্ছে মেধা নষ্ট। ছাত্ররাজনীতির বেড়াজালে আবদ্ধ সেসব ছাত্ররা তাই আজ কলম ছেড়ে রাইফেল,হকিস্টিক আর চাপাতি ধরেছে। কেউ ধরছে ধর্মের নামে, কেউ জাতীয়তাবাদের নামে, কেউ ধর্মনিরপেক্ষতার নামে আর কেউবা ধর্মহীনতা(নাস্তিকতা) এর নামে।

বৃটিশরা প্রতিটি ঔপনিবেশ ছাড়ার আগে এমন পরিকল্পনা নিয়ে সেগুলো ছাড়ে যেন এর ফলে তাদের কিছু বৈতনিক কিংবা অবৈতনিক দালাল তৈরি হয়। তারা বুঝতে পেরেছিল যে,কেবল তিন শ্রেণীর লোকের কর্তৃত্ব নেয়া গেলেই একটি রাষ্ট্রের উপর তার অস্থায়ী হাত বরাজ থাকবে।নিচে একটি একটি করে বর্ণণা দেয়া হল।

❤️ শাসক সমাজঃ যে কোনো রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বে নিজের ভাগ সবসময় বহাল রাখার সর্বশ্রেষ্ঠ মাধ্যম শাসক সমাজ। পশ্চিমারা ভালই বুঝছিল যে, শাসক সমাজ যদি নামে মাত্র শাসক থেকে তাদের আদেশই পালন করে, শাসক সমাজ যদি তার জনগণের চেয়ে তাদেরকেই বেশি ভালবাসে কিংবা ভয় করে,তাদের মতাদর্শ প্রচার করার জন্যই মিডিয়াকে বাধ্য করে, তার আদর্শের সাথে সাংঘর্ষিক আদর্শের লোকেদের দমন-উৎপীড়ন করার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে বাধ্য করে, লোকচক্ষুর অন্তরালে দেশের খনিজ সম্পদ তুলে দেয় তাদের মাল্টিনেশনাল কোম্পানীর হাতে,তাদের সন্তুষ্টির জন্য দেশের নদীতে বাঁধ দিয়ে দেশকে পানিশুন্য করতে পারে,তাদের সন্তুষ্টি অর্জনে দেশের সেনাবাহিনী কিংবা নৌবাহিনীর সঙ্গে তাদের সখ্য গড়ার লক্ষ্যে সামরিক মহড়া করে(And so on…) তবেই তো তারা না থেকেও আছেন। না থেকেও তারা সেই লন্ডন আর ওয়াশিংটনের কার্যালয় থেকে
নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন তাদের ছেড়ে দেয়া ভূমিগুলো। তাই শাসক সমাজে কিছু বৈতনিক দালাল বসিয়ে রাখা Divide And Rule পলিসি সফল করার অন্যতম প্রধান অস্ত্র।

❤️ প্রভাবশালী ব্যাক্তিবর্গঃ এই শ্রেণীর মধ্যে পড়ে বুদ্ধিজীবী মহল এবং আলিম সমাজ। প্রথমেই আসা যাক বুদ্ধিজীবী মহলের কথায়। বুদ্ধিজীবী মহল যেকোনো দেশের মানুষের চিন্তার প্রতিফলন নয়, বরং তারা সেদেশের মানুষের চিন্তা-চেতনার নির্ধারক। যেমন ধরুন, জাফর ইকবাল কিংবা আনিসুল হকের কথা যে আমাদের সবার মনের কথা তা কিন্তু নয়। কিন্তু,তবুও তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ,বাগপটুতা সর্বোপরী কিছু ব্যবহার করা শব্দের মোহে আবিষ্ট হয়ে আমরা আমাদের বিশ্বাসের সাথে দ্বান্দ্বিক আদর্শে আক্রান্ত মগজ ও মনন নিয়ে ভেবে বসি,আরে! এটাই তো আমার মনের কথা। আমাদের মনস্তাত্বিক জগতে তাই বুদ্ধিজীবীদের একটি আলাদা স্থান আছে।আশ্চর্যজনক হলেও সত্য এই যে, বুদ্ধিজীবীদের অধিকাংশই নিজের অজান্তেই কিছু চক্রে আবর্তন খান। তারা সব কিছুকেই পশ্চিমাদের বেঁধে দেওয়া সেকুলার লেন্স দিয়ে বিচার করেন এবং ফলশ্রুতিতে উন্নতি এবং সমাধান হিসেবে তারা গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ, মানবতা কিংবা ধর্মনিরপেক্ষতাকে মেনে নেবার চোরাবালিতে আবদ্ধ হয়ে পড়েছেন। কেউ কেউ এ চক্রে বেতনভুক্ত, কেউ আবার বিনা বেতনেই তাদের কাজটা সেরে দেন। সুতরাং, বিশ্বাসের সাথে সাংঘর্ষিক আদর্শের আদর্শিক দেউলিয়াত্বের বেড়াজালে তারা প্রায়শই হতাশ হয়ে পড়েন এবং উত্তরণের উপায় না পেয়ে বলেন, “আপনি ভালো তো জগত ভাল” কিংবা “বদলে যান,বদলে দিন।” অথচ, সমাজ ব্যবস্থা বদলানোর জন্য যে ধরে ধরে ব্যাক্তি বদলানো আর পায়ে হেটে বিলেতে গমনের স্বপ্ন দুটোই আকাশ কুসুম কল্পনা তা তাদের বোধগম্য হয় না।

আসি আলিম সমাজের কথায়।আলিম সমাজের মধ্যে দারুল উলুম দেওবন্দের মাওলানা মুহাম্মদ আলী,মাওলানা শকত আলী প্রমুখ ভারতবর্ষে ইসলামী শাসন ব্যবস্থার পতন ঠেকাতে ‘খিলাফত আন্দোলন’ গড়ে তুলেছিলেন ১৯২১ সালে। ইংরেজরা তখন বুঝছিল, এই অঞ্চলের মানুষকে ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা কিংবা ব্যাক্তিগত (সেকুলার) ইসলামে আবদ্ধ রাখার জন্য এসব আলিমদের তীর্থস্থানে সমস্যা তৈরি করে না দিলে তারা আবার একসময় জনসম্মুখে ইসলামী জীবন ব্যবস্থা চাইবে,যা কোনো ভাবেই কাম্য নয়। তাই তারা মাদ্রাসা বোর্ডের প্রিন্সিপাল হিসেবে বৃটিশদের রাখলো দেশ ত্যাগের আগ পর্যন্ত। মাদ্রাসার সিলেবাস তারা নিজেদের ইচ্ছামত সাজালো,সিলেবাস থেকে রাজনীতি সম্পর্কিত অংশ বাদ দিল এবং এদেরকে শায়েস্তা করার জন্য রাখলো মসজিদ কমিটি আর ইমাম প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।

আলিম সমাজের মধ্যে ধীরে ধীরে এমন আলিম গড়ে উঠলো যারা না জেনেই একসময় প্রচলিত কুফর ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কথা বলা বন্ধ করে দিল।যারা দিল না,তাদেরকে মসজিদ কমিটি নামক নতুন কমিটি(যেখানে রাজনৈতিক প্রভাবশালী ব্যাক্তিবর্গরা ইমামদের শাসিয়ে থাকেন) এবং বর্তমানে ইমাম প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে সরাসরি নজরদারীতে রাখা হয়। যে ইমাম প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সভাপতি গণতান্ত্রিক সরকার দ্বারা নির্বাচিত,যে কেন্দ্রের অনুষ্ঠানে ‘ব্যালী ড্যান্স’ দেখাতে ইমামদের বাধ্য করা হয়,যে কেন্দ্রে ইসলামের কী কী বিষয় বলা হারাম তা লিখে পাঠায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,সেই ইমাম প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আসলে ইসলামের জন্য না কি কুফরের জন্য কাজ করে সেটা আপনারাই বুঝে নিন। আলিমদের মধ্যে এক সমাজ দেখলো শাসকের তোয়াজ না করে দুনিয়াতে কিছু পাওয়া যাবে না; তাই তারা ব্যাক্তিকেন্দ্রিক ইসলামে মানুষকে উৎসাহী করতে লাগলো।তারা চেপে গেলো যে ইসলামে গণতন্ত্র,সুদ,শেয়ার ব্যবসা হারাম।কেউ আবার এদের মধ্যে তৈরি হলো যারা ফতোয়া দিতে লাগলো, মুসলিম শাসকের বিরুদ্ধে কথা বলা হারাম। কেউ আবার ইসলামী জীবন ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে উদ্যত লোকেদের ঠেকাতে বললো,আমরা অনেক কম জানি কিংবা কোরআন অনেক কঠিন, ভালো আলিম(ব্যাক্তিকেন্দ্রিক ইসলামে আহবানকারী আলিম) এর সান্নিধ্য ছাড়া কোরআনের অর্থ বা তাফসীর পড়লে বিগড়ে যাবার সম্ভাবনা আছে। এভাবে তারা এই নবী-রাসূলদের ওয়ারিশ যারা,সেসব আলিম সমাজের মধ্যেও তাদের নীতি নানাভাবে ঢুকিয়ে দিল।

❤️ তরুণ-সমাজঃ যে কোনো সমাজ ব্যবস্থার পতনে কিংবা সমাজ পরিবর্তনে তরুণরা সবচেয়ে সোচ্চার ছিল। রাসূল(স) এর আদর্শ তরুণেরা বেশী নিয়েছিল।মক্কার প্রথম দিকের কঠিন সময়ে ৩৭ জন সাহাবীর ৩২ জনই ত্রিশের কোঠা পাড় করেননি। অন্যায়ের সমাজে সকল বিপ্লবের মূলে ছিল তরুণেরা চিরকাল। এমনকি ভাষা আন্দোলনে ছাত্ররা নিহত না হয়ে সাধারণ জনগণ মারা গেলে তা এতটা সফল হতো না।তাই তরুণ সমাজের নষ্টের জন্য তারা বেশ কিছু পদক্ষেপ হাতে নিল।প্রথমত, তরুণদের মধ্যে নিজেদের ‘হিরো’ হিসেবে জাহির করার আকাঙ্খা প্রবল।তাই তারা এই ‘হিরোইসম’ কে গণতান্ত্রিক দলের মাধ্যমে টুকরো টুকরো করে দিলো।এক ভাই আরেক ভাইকে মেরে হিরো সাজে, এক ভাই আরেক ভাইয়ের সর্বনাশ করে দেখায় যে সে বড় হিরো। ইসলামে যে হিরোইসম ছিলো কাফিরদের মোকাবিলা করায়, তা আজ কাফিররা বদ্ধ করে দিলো গণতান্ত্রিক দলগুলোর খাচায়। গণতন্ত্রের ব্যানারে কেউ ধর্মের নামে,কেউ জাতীয়তার নামে আর কেউবা ধর্মনিরপেক্ষতার নামে হিরো সাজে। ৫ বছর ক্ষমতার সময় চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, বক্তৃতা আর পাঁচ বছর ক্ষমতাহীন অবস্থায় হরতাল আর হানাহানিতে বদ্ধ ‘হিরোইসম’ এ আক্রান্ত তরুণসমাজ। ছাত্রসমাজ আক্রান্ত ‘হল পলিটিক্সে’।এক প্রকার হলে সীট পাবার জন্য বাধ্য হয়েই এই নোংরা রাজনীতিতে ঢুকতে হয় অনেককে।কলম আজ প্রতিস্থাপিত হয়েছে চাপাতি,কুড়াল আর হকিস্টিক দিয়ে। আর মেধাবী ছাত্রদের ক্ষমতার প্রলোভন আর আরাম আয়েশের সর্বোচ্চ ব্যবস্থার অঙ্গীকার দিয়ে ইচ্ছামত কাজ আদায় করে নেয় গণতান্ত্রিক দলগুলো যাদের ভিত্তিপ্রস্তরই হচ্ছে (বিভিন্ন শ্লোগানের মাধ্যমে) প্রতারণা।

শেষ কথাঃ দিন যায়,মাস যায়,বছর যায়। বসুন্ধরা সিটি হয়,যমুনা ফিউচার পার্ক হয়,রাস্তাঘাট বদলায়,বদলায় না আমজনতার ভাগ্য। সকাল বেলা কাঁধে কোদাল নিয়ে শ্রম দিতে যাওয়া শ্রমিক কিংবা হাতে ব্রিফকেস নিয়ে মেধা বিক্রি করতে যাওয়া অফিসারের ভাগ্যে আসে না কোনো পরিবর্তন।রাতের বেলা ক্লান্ত কায়িক শ্রমিক কোদাল হাতে আর মেধা শ্রমিক ব্রিফকেস হাতে ফিরে। বিশ্বের চারিদিকে কি ঘটছে না ঘটছে তা কোনো শ্রমিকের কাছেই পরিষ্কার নয়। আরে বাবা,আগে তো খেয়ে পরে,বউ-বাচ্চার খরচ চালিয়ে বাঁচি ।পরেই না বিশ্বের চিন্তা।ওবামা খারাপ নাকি ওসামা খারাপ তাতে আমার কি আসে যায়! পত্রিকা আর মিডিয়াতে যা দেখায় তাই তো যথেষ্ঠ।পত্রিকায় যদি বলে, ইসলামের কথা যারা বলে,তারাই জঙ্গী,তবে তাই সই। এবার সে আমার ছেলে আর ছোট ভাই-ই হোক,সে জঙ্গী।পত্রিকায় যদি আনিসুল হোক বলেন, সেকুলারিসম এ-ই মুক্তি,তবে তা ঠিক।বাবারে কত বড় বুদ্ধিজীবী,তার কথা কি ঠিক না হয়ে যায়?রাজনীতি তো এক নংরা বিষয়,আমি না জড়ালেই হয়। আমাদের ভাগ্য,সে তো আল্লাহর হাতে। চেষ্টা করে দেখি,মকবুল সাহেব টাকা বানাতে পারলে আমি কেন পারব না? ছেলেমেয়ের বিয়ে দিয়ে একটি আলিশান ফ্লেটে বৃদ্ধকাল আল্লাহ-আল্লাহ করে;তওবা করে জীবনটা নির্ঝঞ্ঝাটে পাড় করে দিলেই তো হয়।

এই যে আমাদের সকলের চিন্তা ব্যাক্তিকেন্দ্রিক,এটাই তো এই Divide And Rule পলিসির সার্থকতা। তার সার্থকতা আরো এক জায়গায়, তা হচ্ছে আমাদেরকে নিজেদের মধ্যে কলহে ব্যস্ত রেখে তার কাজটা ঠিকই এই তিন শ্রেণীর মাধ্যমে তাদের জ্ঞাতসারে বা অজ্ঞাতসারে আদায় করে নেয়া। বিশ্বাসের সঙ্গে দ্বান্দ্বিক আদর্শের গর্তে নিমজ্জিত আমরা এটা বুঝি না যে,সবাই মুসলিম,সবাই ভাই। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিবির কর্মী নোমানীও আমার ভাই, ছাত্রলীগ কর্মী ফারুকও আমার ভাই।ঈমান নিয়ে মৃত্যুবরণ করলে কিয়ামতের দিনে তারা মুসলিম হিসেবেই উঠবে। পার্থক্য শুধু একজায়গায়,সেটাও কাফিরদের করে দেয়া শীমার কারণে। কেউ বুঝে এসেছে “দ্বীনের ব্যাপারে জোরাজোরি নেই” আর কেউ বুঝে এসেছে “কুফরের সাথে সমঝোতা ছাড়া ইসলাম আনা যাবে না”। অথচ, দুই জনেই ভুল বুঝে, ভুল ব্যানারে, ইসলামের মূলনীতির সাথে,আল্লাহর গুণাবলীর সাথে সাংঘর্ষিক শাসন ব্যবস্থা গণতন্ত্র নামক মাকাল ফলের কাঁটায় বিদ্ধ হয়েই এখানে এসেছে। আমরা কেন বুঝি না যে,কাফিরদের দেয়া ক্ষমতায় আমরা আমাদের ভাগ নিশ্চিত করার জন্য আমি আমার ভাইকে হত্যা করছি,ভাই এর সাথে হানাহানিতে লিপ্ত হচ্ছি। সময় এসেছে সকল অজ্ঞানতা আর মূর্খতাকে বিদায় জানিয়ে আল্লাহর দিকে ফিরে যাবার।আফগানিস্তান আর পাকিস্তানের রাস্তা ধরে,জঙ্গীবাদের মিথ্যা ধুয়া তুলে কিন্তু আপনার দিকেই আসছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার মরণ কামড় বসাতে।তখন কিন্তু সে দেখবে না, কে কোন দলের কর্মী। সে দেখবে না কোন দল কতটা গণতান্ত্রিক বা কতটা অনুগত ভৃত্য ছিল। কর্মীদের তো বটেই,প্রয়োজন ফুরালে সে সাদ্দাম,বেনেজীরের মতো নেতা কর্মীদেরও লাশ বানিয়ে ছাড়বে।সে আক্রমণ চালালে আওয়ামীলীগ,বিএনপি,জাপা,শিবিরে কোনো পার্থক্য করবে না। সবাইকেই হত্যা করবে কেবল মুসলিম হবার অপরাধে। তবুও কি আমরা তাদের দেয়া গণতান্ত্রিক বিভাজনে থাকবো নাকি এই কুফরী ব্যবস্থা বর্জন করে এক হয়ে কাফির- মুশরিকদের মোকাবিলা করবো? উত্তরটা এখন আপনি দিন আর না দিন,মনে রাখুন তারা আক্রমণ করলে আপনি ঠিকই বুঝতে পারবেন আপনারা সবাই ভাই,সবাই মুসলিম।

সবশেষে একটি আয়াত দিয়ে শেষ করবোঃ

“তোমরা আল্লাহর রুজ্জুকে শক্ত করে ধরো এবং পরষ্পর দল-উপদলে বিভক্ত হয়ে যেও না।তোমরা স্মরণ করো,তোমরা পরষ্পরের শত্রু ছিলে, আল্লাহর অনুগ্রহে তোমরা হলে ভাই ভাই।...তোমাদের মধ্যে এমন একদল লোক থাকবে যারা সতকাজে আদেশ করবে এবং মন্দ কাজ হতে সবাইকে বিরত রাখবে। প্রকৃতপক্ষে তারাই হবে সফলকাম।”[সূরা আল-ইমরানঃ১০৩~১০৪]

এখন Divide And Rule পলিসির দ্বারা বিভক্ত থেকে প্রতারিত হবেন নাকি একতাবদ্ধ হয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি তা আপনাদের উপর।

Address

Dhaka

Telephone

+88 01852 418 818

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Towards Jannah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share