Kurmitola Shaheen Islamic Club

Kurmitola Shaheen Islamic Club *Connecting Hearts, One Faith At A Time*

‼️ Welcome To Medha 1.0 ✘ KSICKSIC is now Officially in a partnership with Medha....... ✨‼️Participate & Use C.A code:Ru...
23/04/2025

‼️ Welcome To Medha 1.0 ✘ KSIC
KSIC is now Officially in a partnership with Medha....... ✨
‼️Participate & Use C.A code:Rupom103
Further Details:
১। সাধারণ জ্ঞান কুইজ (G.K Quiz)
সাধারণ জ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্নোত্তর পর্ব, যেখানে জানা-অজানার মজাদার পরীক্ষা।
Registration Fee : 30 Tk
Reg link: https://forms.gle/bvX4UdJqpx1LVAA2A

২। ইসলামিক কুইজ (Islamic Quiz)
ইসলামিক ইতিহাস, কোরআন, হাদীস ও সংস্কৃতি বিষয়ক প্রশ্নে সমৃদ্ধ একটি কুইজ।
Registration Fee : 30 Tk
Reg link: https://forms.gle/bvX4UdJqpx1LVAA2A

৩। বিজ্ঞান কুইজ (Science Quiz)
পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে কুইজ প্রতিযোগিতা, বিজ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা বাড়াতে।
Registration Fee : 30 Tk
Reg link: https://forms.gle/bvX4UdJqpx1LVAA2A

৪। পপ কুইজ (Pop Quiz)
বিনোদন, সঙ্গীত, চলচিত্র, খেলা ও ট্রেন্ডিং বিষয়ক মজার কুইজ রাউন্ড।
Registration Fee : 30 Tk
Reg link: https://forms.gle/bvX4UdJqpx1LVAA2A

৫। গল্প লেখন (Story Writing)
তোমার কল্পনাশক্তি দিয়ে সাজানো এক মৌলিক গল্প জমা দাও—ভাষা ও সৃজনশীলতার ক্যানভাসে।
Registration Fee : 30 Tk
Reg link: https://forms.gle/bvX4UdJqpx1LVAA2A

বি.দ্র : প্রতিটি গল্প ১০০ শব্দের ভিতর লিখতে হবে ।

৬। ফটোগ্রাফি ও চিত্রাঙ্কন জমাদান (Photography & Drawing Submission)
নিজ হাতে আঁকা চিত্র অথবা তোলা ছবির মাধ্যমে তোমার সৃজনশীলতা প্রকাশ করো।
Registration Fee : 40 Tk
Reg link: https://forms.gle/bvX4UdJqpx1LVAA2A

বি.দ্র :ফটোগ্রাফি, চিত্রাংকন এবং গল্প লেখার সকল ছবি আমাদের ফেসবুক গ্রুপে জমা দিতে হবে বা পোস্ট করতে হবে। ‌ and hashtag ব্যবহার করতে হবে ।
Facebook group link: https://facebook.com/groups/1811466902763023/

Registration link: https://forms.gle/bvX4UdJqpx1LVAA2A

⚠️ প্রতিটি বিভাগের বিজয়ীর জন্যঃ

⛔ক্রেস্ট
⛔সার্টিফিকেট
⛔উপহার সামগ্রী (Gift Hampers)
⛔প্রাইজ মানি

Bkash Number: 01951003230 (Send money)
‼️Use ''Rupom103`` as a C.A code

06/04/2025

As a Part of Muslim Ummah
We The Club Kurmitola Shaheen Islamic Club
Standing for the Global Stops For Gaza.

''These are not birds, but the remains of our brothers flying in the sky of their occupied land"We're Failure😅💔
06/04/2025

''These are not birds, but the remains of our brothers flying in the sky of their occupied land"

We're Failure😅💔

So Boys Be ready For the Fight! ‼️Week-1 Ahead
05/04/2025

So Boys Be ready For the Fight! ‼️
Week-1 Ahead

Ready Sisters?!This M.O.T.Y First Week Task ‼️
05/04/2025

Ready Sisters?!

This M.O.T.Y First Week Task ‼️

Assalamualaikum>💫<Stay Tuned Boys & Girls....💥KSIC Presenting M.O.T.Y Contest‼️Next Saturday - 5th April 2025 12:00 AM😏
28/03/2025

Assalamualaikum>💫<

Stay Tuned Boys & Girls....💥

KSIC Presenting M.O.T.Y Contest‼️

Next Saturday - 5th April 2025 12:00 AM😏

Team KSIC Specifications [2025-26]
10/03/2025

Team KSIC Specifications [2025-26]

The Commiteee [2025-26]Team Kurmitola Shaheen Islamic Club 💫Connecting  hearts, One faith at a time✨🖤
10/03/2025

The Commiteee [2025-26]
Team Kurmitola Shaheen Islamic Club 💫

Connecting hearts, One faith at a time✨🖤

Assalamualaikum ✨After waiting A long time KSIC is announcing The Official Club Executive Committee For 2025-26 Session....
10/03/2025

Assalamualaikum ✨
After waiting A long time KSIC is announcing The Official Club Executive Committee For 2025-26 Session.🤍
Here is the Information,
President - MD.Ibrahim Rupom
FB- https://www.facebook.com/share/1AC2tAeXGS/

General Secretary - Azmir Aman Shihab
FB- https://www.facebook.com/share/1Z68uCgEgg/

Administrative Secretary - K E Hemel
FB- https://www.facebook.com/share/15NszjZY85/

Organizing Secretary - Mahin Al Abir
FB- https://www.facebook.com/mahin.al.abir?mibextid=ZbWKwL

Treasurer - Mohaiminul Islam Muhin
FB- https://www.facebook.com/share/1BhMzWpQmP/

Head of Media & Graphics - Tahmid Hasan
FB- https://www.facebook.com/share/1CE2xGqFah/

Ordinator - Addin Islam Anan
FB- https://www.facebook.com/share/16MBdB11R6/

Pray For Us That We Can Ensure Our Best💫🤲
-Kurmitola Shaheen Islamic Club ✨🤍
''Connecting hearts, One faith at a time``🖤

10/03/2025

রোজা ভ*ঙ্গকা*রীর শা*স্তি সম্পর্কে হাদিসে এসেছে-

আবু উমামা (রা.) বলেন, আমি রাসুল (সা.)-কে বলতে শুনেছি তিনি বলেন, ‘একবার আমি ঘুমিয়ে ছিলাম। এ সময় দুইজন ব্যক্তি এসে আমার দুই বাহু ধরে আমাকে দু*র্গ*ম পাহাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে তারা বলল, পাহাড়ে উঠুন,

আমি বললাম, আমার পক্ষে সম্ভব নয়। তারা বলল, আমরা আপনার জন্য সহজ করে দিচ্ছি। আমি উঠা শুরু করি এবং পাহা*ড়ের চূড়ায় পৌঁ*ছি। সেখানে প্র'চণ্ড চিৎ*কা*রের শব্দ শোনা যায়। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এটা কিসের শব্দ? তারা বলল, এটা জা*হা*ন্নামিদের আওয়াজ

এরপর তারা আমাকে এমন কিছু লোকদের কাছে নিয়ে যায় যাদেরকে পায়ের টাখ'নুতে বেঁ'ধে ঝু'লিয়ে রাখা হয়েছে। তাদের গা'ল ছি'ন্নবি'ন্ন, তা হতে র*ক্ত প্রবাহিত হচ্ছে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, এরা কারা? তিনি বললেন, এরা এমন রোজাদার যারা (অকারণে রমজান মাসের) রোজা শেষ না করেই ভ*ঙ্গ করত

(সহিহ ইবনে খু'জা'ইমা, হাদিস নং : ১৫০৯)

➡️ আপনি একজন নারী হয়েও কিভাবে ধর্ষণের জন্যে আপনি দায়ী?ধর্ষণের একমাত্র শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড। ধর্ষণ একটি গুরুতর অপরাধ এ...
10/03/2025

➡️ আপনি একজন নারী হয়েও কিভাবে ধর্ষণের জন্যে আপনি দায়ী?

ধর্ষণের একমাত্র শাস্তি হলো মৃত্যুদণ্ড। ধর্ষণ একটি গুরুতর অপরাধ এবং ইসলামে এটি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। কুরআন ও সহীহ হাদীসে ধর্ষণের শাস্তি, নারী ও পুরুষের সতীত্ব রক্ষা, এবং ন্যায়বিচারের নির্দেশনা রয়েছে। তবে আপনার অজান্তেই হয়তো আপনি অন্য একটি জীবনের হুমকির কারণ হতে পারেন।

সমাজের একটা চিত্র আপনাদের সবার জীবনের সাথে কোনোনা কোনোভাবে মিলে যাবে। যখন আপনি আপনার ফ্রেন্ড বা আত্মীয়দের বলবেন পর্দা মেনে চলতে, তখন একটা জবাব সবাই শুনেছেন: পুরুষদের নজর হেফাজত করতে বলা হয়েছে। শুধু নারীদের উপরেই কেনো এতো সতর্কবার্তা। এর উত্তর হলো যখন একজন নারী তাকে হিংস্র পশুর সামনে উপস্থাপন করে সেই পশু তৎক্ষণাৎ তাকে কিছু করতে না পেরে সেই ক্ষোভ অন্য একজন নিরীহ নারীর উপর প্রকাশ করে।তাই আপনার কি মনে হয় না আপনিও এই অপরাধের জন্যে দোষী?

উম্মে সালামা (রা.) বলেন—

একদা আমি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট ছিলাম এবং তাঁর নিকট মাইমূনাহ (রাঃ)-ও ছিলেন। এ সময় ইবনু উম্মু মাক্‌তূম (রাঃ) এলেন। ঘটনাটি আমাদের উপর পর্দার হুকুম নাযিলের পরের। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা তার থেকে আড়ালে চলে যাও। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! সে কি অন্ধ নয়? সে তো আমাদের দেখতে ও চিনতে পারছে না। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তোমরা কি অন্ধ? তোমরা কি তাকে দেখতে পাচ্ছ না?
—(আবু দাউদ, হাদীস: ৪১১২)

একবার চিন্তা করুন যে লোকটি অন্ধ হলেও পর্দার গুরুত্ব কতটুকু, আর আপনারা এই রমজান মাসেও নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রকাশ করছেন?

➡️"যে নারী সুগন্ধি ব্যবহার করে (পরপুরুষদের দৃষ্টি আকর্ষণের উদ্দেশ্যে) ঘর থেকে বের হয়, সে যেন ব্যভিচারের পথে পা বাড়ায়।"
—(আবু দাউদ, হাদীস: ৪১৭৩)

➡️রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
"দুই ধরনের ব্যক্তি জাহান্নামী, যাদেরকে আমি এখনো দেখিনি। (১) একদল লোক যাদের হাতে গরুর লেজের মতো চাবুক থাকবে, যা দিয়ে তারা মানুষকে প্রহার করবে। (২) আর একদল হলো সেসব নারী, যারা পোশাক পরিধান করেও উলঙ্গ থাকবে, তারা অন্যদের আকৃষ্ট করবে এবং নিজেরাও আকৃষ্ট হবে। তাদের মাথাগুলো উটের কুঁজের মতো হবে। তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না, এমনকি জান্নাতের সুগন্ধিও পাবে না, যদিও জান্নাতের সুগন্ধি বহু দূর থেকে পাওয়া যায়।"
—(সহীহ মুসলিম, হাদীস: ২১২৮)

হতেই পারে আপনাদের অজানতেই অনেক ভুল হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এখনই তো সময় সত্যের পথে ফিরবার।

উক্ত লেখাগুলোর সারমর্ম এই যে আপনার বেপর্দা এবং অশ্লীল চলাফেরার কারণে জুলুমের শিকার হচ্ছে অন্য মা বোন সন্তানেরা। রেহাই পাচ্ছে না ছোট্ট শিশুটিও। তাই আপনাদের পর্দার পাশাপাশি পুরুষদেরও দৃষ্টি সংযত রাখতে হবে। ইসলামের বিধি নিষেধ জানতে হবে এবং মানতে হবে।

(পার্ট -০১)
"নারীর সতীত্ব ও সমাজের নৈতিকতা: ইসলামের দৃষ্টিতে করণীয়"
মো: ইমাদুল হক

বর্তমান যুগের অন্যতম ফিতনা নিয়ে আশা করি সকলে এই লিখাটি পড়বেন এবং বেশি বেশি share করবেনইফতার পার্টি ও ইসলামের বিধি-বিধা...
07/03/2025

বর্তমান যুগের অন্যতম ফিতনা নিয়ে আশা করি সকলে এই লিখাটি পড়বেন এবং বেশি বেশি share করবেন

ইফতার পার্টি ও ইসলামের বিধি-বিধান

আমাদের জীবৎকালে ইসলামের একটি বিষয়ের মারাত্মক বিকৃতি হলো। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিশ্চয়ই আমাদেরকে দায়ী করবে। অপরকে ইফতার খাওয়ানো ইবাদত থেকে পার্টিতে পরিণত হলো। এটি এক ধরনের সামাজিক-রাজনৈতিক অনুষ্ঠান, পুনর্মিলনী কিংবা কিছু ক্ষেত্রে বিনোদনে পরিণত হয়েছে। ফলে যে উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যকে সামনে রেখে অপরকে ইফতার খাওয়ানোর ইবাদত ও সওয়াবের কথা বলা হয়েছে তা থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়ছি আমরা। বরং এসব ইফতার পার্টিতে ইসলামের কিছু অত্যাবশ্যকীয় বিষয় তথা ফরজের বিধান হামেশাই লঙ্ঘিত হচ্ছে। ইফতারের আগে বক্তৃতায় অনেক ক্ষেত্রে গীবত, পরনিন্দা ও পরচর্চা করা হচ্ছে।
ইফতার আরবি ‘ফুতুর’ শব্দ থেকে উদ্ভূত। ‘ফুতুর’-এর অর্থ নাশতা করা বা হালকা খাবার খাওয়া। ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় সূর্য অস্তমিত হওয়ার পর রোজা সমাপ্তির জন্য পানাহার করাকে ইফতার বলা হয়। ইফতার একটি মহান ইবাদত তা নিজে খাওয়ার মাধ্যমে হোক কিংবা অন্যকে খাওয়ানোর মাধ্যমে হোক। ইফতারের পূর্বমুহূর্ত খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুল (সা.) বলেছেন- ‘রোজাদারের জন্য দুইটি আনন্দঘন মুহূর্ত রয়েছে।

একটি হলো ইফতারের সময় (এ সময় যেকোনো নেক দোয়া কবুল করা হয়)। অন্যটি হলো (কেয়ামতের দিবসে) নিজপ্রভুর সঙ্গে সাক্ষাতের সময়।’ (তিরমিজি, ৭৬৬; বুখারি, ৭৪৯২; মুসলিম, ১১৫১) ইফতারের গুরুত্বের কথা বর্ণনা করতে গিয়ে রাসুল (সা.) বলেন, যত দিন মানুষ সময় হওয়ামাত্র ইফতার করবে, ততদিন দ্বীন বিজয়ী থাকবে (আবু দাউদ, ২৩৫৫) এবং মানুষ কল্যাণের সঙ্গে থাকবে (বুখারি, ২৮৫২)। অন্য রোজাদারকে ইফতার করানো এক মহান ইবাদত। জায়েদ ইবনে খালেদ আল-জুহানি (রা.) থেকে বর্ণিত রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে সে রোজাদারের সম পরিমাণ সওয়াব পাবে; রোজাদারের সওয়াব থেকে একটুও কমানো হবে না।’ (তিরমিজি, ৮০৭; ইবনে মাজাহ, ১৭৪৬; ইবনে হিব্বান, ৮/২১৬; সহিহ আল-জামে, ৬৪১৫)

অন্য রোজাদারকে ইফতার খাওয়ানো আল্লাহর রাস্তায় খরচের গুরুত্বপূর্ণ একটি শাখা। এতে মানুষকে খাবার খাওয়ানো এবং পিপাসার্তকে তৃষ্ণা মেটানোর প্রতিদানও পাওয়া যাবে। অন্যদের খাবার দেওয়ার ব্যাপারে উম্মতের অনেকেই অগ্রণী ছিলেন। তারা এটাকে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত মনে করতেন। তারা নিজের ইফতার অন্যকে খাওয়াতেন। ইবনে উমর এতিম ও মিসকিনদের সঙ্গে না নিয়ে ইফতার করতেন না।

আবু সাওয়ার আল-আদাওয়ি বলেন, বনি আদি গোত্রের লোকেরা কেউ কখনও একাকী ইফতার করেনি। তাদের সঙ্গে ইফতার করার জন্য কাউকে পেলে তাকে নিয়ে ইফতার করত। আর যদি কাউকে না পেত, তাহলে নিজের খাবার মসজিদে নিয়ে এসে অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে খেত। অন্যদের সঙ্গে মিলে ইফতার করার মাঝে উত্তম মানুষের সাহচর্য হৃদ্যতা-ভালোবাসার সম্পর্ক রয়েছে। এই হৃদ্যতা ও ভালোবাসা জান্নাতে প্রবেশের কারণ।

রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা ঈমান আনা ছাড়া জান্নাতে যেতে পারবে না। আর পারস্পরিক ভালোবাসা ছাড়া তোমাদের ঈমান হবে না।’ (মুসলিম, ৫৪) তবে অন্যকে ইফতার করানোটা হতে হবে একমাত্র আল্লাহকে সন্তুষ্ট করার জন্য। মানুষকে দেখানোর জন্য নয়। কোনো সামাজিক, রাজনৈতিক কারণ ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল কিংবা বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে নয়। অন্যথায় অনেক টাকা ব্যয় করে অনেক মানুষ মিলে ইফতারের আয়োজন করলেও তা কোনো উপকার বয়ে আনবে না।

কোরআন ও হাদিসের আলোকে প্রমাণিত একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি ব্যতিত অন্য কোনো উদ্দেশ্যে করা ইবাদত আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যব্যতীত কোনো ইবাদত-বন্দেগি করলে তা কখনও কবুল হবে না। কোরআনে এরশাদ হয়েছে- “আপনি বলুন, নিশ্চয়ই আমার নামাজ, আমার কোরবানি এবং আমার জীবন-মরণ সবকিছু বিশ্ব-প্রতিপালক আল্লাহর জন্য” (সুরা আনআম :১৬২)।

আল্লাহর সন্তুষ্টি ছাড়া ভিন্ন উদ্দেশ্যে আমল করলে সে আমলে নেকিও পাওয়া যাবে না। পবিত্র কোরআনে মহান রব বলেন, “আর যে সম্পদ তোমরা ব্যয় কর, সেটা তো নিজেদের উপকারের জন্যই করে থাক। সুতরাং আল্লাহর সন্তুষ্টিব্যতীত অন্য কোনো উদ্দেশ্যে খরচ করো না। তোমরা কোনো উত্তম (কাজে) ব্যয় করলে তা তোমাদের পরিপূর্ণভাবে দেয়া হবে। আর তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না। (সুরা বাকারা :২৭২)। হজরত আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, রাসুল (সা.) এরশাদ করেছেন, আল্লাহ তায়ালা সব আমলের মধ্যে শুধু সেই আমলটুকুই কবুল করেন, যা খালেসভাবে শুধু তার সন্তুষ্টির জন্যই করা হয়’। (নাসাই, ৩১৪২)।

রাসুল (সা.) এর পর সাহাবিদের যুগ শেষে তাবিইন ও তাবে-তাবেইনদের পর মুসলমানদের অধঃপতন শুরু। ধীরে ধীরে বিপুলসংখ্যক মুসলমান নামাজ ছেড়ে দিল কিন্তু মুসলমানিত্বের দাবি বহাল রাখল। অথচ রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘কোনো ব্যক্তি এবং কুফর ও শিরকের মধ্যে ব্যবধান শুধু নামাজ আদায় না করাই। যে নামাজ ছেড়ে দিল সে কাফির হয়ে গেল (কাফিরের মতো কাজ করল)।’ (মুসলিম, ৮২; তিরমিজি, ২৬১৯)।

অন্য হাদিসে রাসুল (সা.) ইরশাদ করেন, ‘আমাদের ও কাফিরদের মধ্যে ব্যবধান শুধু নামাজেরই। যে নামাজ ত্যাগ করল সে কাফির হয়ে গেল।’ (তিরমিজি, ২৬২১; ইবনে মাজাহ, ১০৮৮) সাহাবিগণ বলেছেন, যারা কোনো ওজর ছাড়া ফজর ও ইশার জামায়াতে শামিল হতো না আমরা তাদের মুনাফিক মনে করতাম। ইসলামের স্বর্ণযুগে সুদ, ঘুষ তথা হারাম উপার্জন বিরল ঘটনা ছিল। অথচ এসব এখন অতি স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। সুদ-ঘুষের পক্ষে নানা যুক্তিও তৈরি হয়েছে। কীভাবে, কোন সময় থেকে মুসলমানদের এই স্খলন তা ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়।

আমাদের জীবৎকালে ইসলামের একটি বিষয়ের মারাত্মক বিকৃতি হলো। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম নিশ্চয়ই আমাদেরকে দায়ী করবে। অপরকে ইফতার খাওয়ানো ইবাদত থেকে পার্টিতে পরিণত হলো। এটি এক ধরনের সামাজিক-রাজনৈতিক অনুষ্ঠান, পুনর্মিলনী কিংবা কিছু ক্ষেত্রে বিনোদনে পরিণত হয়েছে। ফলে যে উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যকে সামনে রেখে অপরকে ইফতার খাওয়ানোর ইবাদত ও সওয়াবের কথা বলা হয়েছে তা থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়ছি আমরা। বরং এসব ইফতার পার্টিতে ইসলামের কিছু অত্যাবশ্যকীয় বিষয় তথা ফরজের বিধান হামেশাই লঙ্ঘিত হচ্ছে। ইফতারের আগে বক্তৃতায় অনেক ক্ষেত্রে গীবত, পরনিন্দা ও পরচর্চা করা হচ্ছে।

পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, “(মানুষের) পেছনে ও সামনে পরনিন্দাকারীর প্রত্যেকের জন্য দুর্ভোগ-ধ্বংস।” (সুরা হুমাজাহ : ০১) মহান রব যার ধ্বংস কামনা করেন তার বাঁচার কোনো উপায় আছে কি? রোজা রাখা মানে কেবল না খেয়ে থাকা নয়। রোজা মানে প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সংযম। যেমন, চোখের রোজা, কানের রোজা। জবানের হেফাজত করাও রোজার অংশ। জবানের হেফাজত করা অর্থাৎ মিথ্যা, গীবত, পরনিন্দা, অশ্লীল কথাবার্তা ও ঝগড়া থেকে রিবত থাকা রোজার অবশ্য করণীয়। হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি রোজা অবস্থায় মিথ্যাচার ও মন্দ কাজ ত্যাগ করেনি তার পানাহার ত্যাগে আল্লাহর কোনো প্রয়োজন নেই।’ (বুখারি, ১৯০৩)।

গীবত বা পরচর্চা একটি পাপাচার। কোরআন মজিদে এটিকে মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়ার সমতুল্য বলা হয়েছে। কোনো রোজাদার যদি গীবতের পাপে লিপ্ত হয়, তাহলে তার রোজা নষ্ট হয়ে যাবে কি? প্রখ্যাত মুহাদ্দিস ফকিহ হজরত সুফিয়ান সওরী (রহ.)-এর অভিমত ছিল, গীবতের কারণে রোজা নষ্ট হয়ে যায়। তেমনি ইমাম গাজ্জালি (রহ.) তার অমর গ্রন্থ ‘এহইয়া উলুমুদ্দীনে’ প্রসিদ্ধ তাবেয়ি হজরত মুজাহিদ ও হজরত ইবনে শিরিনের উক্তি উদ্ধৃত করে বলেছেন গীবত রোজা নষ্ট হওয়ার কারণ। ইফতার ইবাদতের বদলে গুনাহের উপলক্ষ হয়ে পড়ছে।

নামাজ নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্য বাধ্যতামূলক। পুরুষ-নারী উভয়েরই মসজিদে যেয়ে নামাজ আদায়ের বিধান রয়েছে। কিন্তু মসজিদে নারী ও পুরুষের একই কাতারে কিংবা পাশাপাশি কাতারে দাঁড়িয়ে নামাজ আদায় ইসলামে নিষিদ্ধ। অন্য রোজাদারকে ইফতার খাওয়ানো পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্য সওয়াবের। কিন্তু পরস্পরের মধ্যে বিবাহ নিষিদ্ধ নয়, এমন নারী-পুরুষের একত্রে বসে ইফতার- ইবাদত ইসলামে অনুমোদিত নয়।

বাস্তবে ইফতার পার্টিতে এই নিষেধাজ্ঞা কদাচিৎ মান্য করা হয়। ইফতার পার্টির নামে চাঁদাবাজির ঘটনাও পরিলিক্ষিত হয়। অথচ ইফতার খাওয়ানো ব্যক্তিগত আর্থিক ইবাদত। সমবেত ইফতারের ক্ষেত্রে ইসলামের নির্দেশনা আর হালের ইফতার পার্টির চেতনা মোটেও সংগতিপূর্ণ নয়। নামাজ ছেড়ে দেয়া কিংবা সুদ, ঘুষের মতো ভয়ংকর গুনাহের কাজগুলো মুসলমান সমাজে যেমন সাধারণভাবে গ্রহণযোগ্য হয়ে গিয়েছে তেমনি ইসলামের মূল চেতনা হতে বিচ্যুত ইফতার পার্টির সংস্কৃতিও বোধ করি স্বভাবিক বিষয়ে রূপ পরিগ্রহ করবে।

একজন মুমিনের জীবনের প্রধানতম লক্ষ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি ও ভালোবাসা অর্জন। প্রকৃত মুমিনের সব কর্মপ্রচেষ্টা মহান রবের সন্তুষ্টি অর্জনকে ঘিরে। কেবলমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন ও পরকালে মুক্তি পেতে নেক কাজ করাই মুমিনের কর্তব্য। এক্ষেত্রে অন্য কোনো লক্ষ্য বা উদ্দেশ্যে ইবাদত গ্রহনযোগ্য হবে না।

যেমন সাময়িক বা জাগতিক কোনো স্বার্থে কিংবা কোনো গোষ্ঠী-দল, সম্প্রদায়, সংস্থা এমনকি কোনো নেকলোকের সন্তুষ্টি অর্জনের জন্যও ইবাদত করা যাবে না। কেবলমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্যই আমরা ইফতারসহ সব ইবাদতে শামিল হওয়াই বাঞ্ছনীয়। অন্যথায়, আমাদের ইবাদত কোনোভাবেই ইসলামের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ হবে না এবং আমরা রবের কাছ থেকে এর কোনো বিনিময়ও পাব না।

লেখক: প্রাবন্ধিক-গবেষক। অধ্যাপক, আইন বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।

Address

Dhaka

Telephone

+8801404753754

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kurmitola Shaheen Islamic Club posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Kurmitola Shaheen Islamic Club:

Share