Iqra - ٱقْرَأْ

Iqra - ٱقْرَأْ Truth based Information about history and religion.

24/03/2026

নামাজে মনোযোগ ও খুশু-খুযু অর্জনের জন্য আমরা যা পড়ি তার অর্থ জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যখন একজন মুসলমান বুঝে বুঝে নামাজ পড়ে, তখন তার হৃদয় নরম হয়, মন স্থির হয় এবং আল্লাহর সাথে সম্পর্ক গভীর হয়। তাই নামাজের প্রতিটি দোয়া ও তাসবিহর বাংলা অর্থ জানা আমাদের জন্য জরুরি।
নামাজ শুরু করার সময় আমরা নিয়ত করি—অর্থাৎ অন্তরে স্থির করি যে আমরা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এই নামাজ আদায় করছি। এরপর আমরা “ছানা” পড়ি।
ছানা (আরবি বাংলা উচ্চারণ):
সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা, ওয়া তাবারাকাসমুকা, ওয়া তা‘আলা জাদ্দুকা, ওয়া লা ইলাহা গইরুক।
অর্থ:
হে আল্লাহ! আপনি পবিত্র, আপনারই প্রশংসা। আপনার নাম বরকতময়, আপনার মর্যাদা মহান, আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই।
এরপর আমরা সূরা ফাতিহা পড়ি।
সূরা ফাতিহা (বাংলা অর্থ):
সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি সকল জগতের প্রতিপালক।
যিনি পরম দয়ালু, অসীম দয়াময়।
বিচার দিনের মালিক।
আমরা কেবল আপনারই ইবাদত করি এবং শুধুমাত্র আপনার কাছেই সাহায্য চাই।
আমাদেরকে সরল পথ দেখান—
সেই সকল লোকের পথ, যাদের আপনি নিয়ামত দান করেছেন;
তাদের পথ নয়, যারা আপনার গজবের শিকার হয়েছে এবং যারা পথভ্রষ্ট।
এরপর আমরা আরেকটি সূরা মিলাই (এখানে অর্থ উল্লেখ করা হলো না)।
তারপর আমরা বলি—
আল্লাহু আকবার
অর্থ: আল্লাহ সবচেয়ে মহান।
এই বলে আমরা রুকুতে যাই এবং সেখানে তাসবিহ পড়ি—
রুকুর তাসবিহ (বাংলা উচ্চারণ):
সুবহানা রব্বিয়াল আযীম।
অর্থ:
আমার মহান প্রতিপালক পবিত্র।
রুকু থেকে উঠার সময় বলি—
সামি‘আল্লাহু লিমান হামিদাহ
অর্থ:
যে আল্লাহর প্রশংসা করে, আল্লাহ তার কথা শোনেন।
এরপর দাঁড়িয়ে বলি—
রব্বানা লাকাল হামদ
অর্থ:
হে আমাদের প্রতিপালক! সমস্ত প্রশংসা আপনারই জন্য।
এরপর আবার বলি—
আল্লাহু আকবার
অর্থ: আল্লাহ সবচেয়ে মহান।
এই বলে আমরা সিজদায় যাই এবং তাসবিহ পড়ি—
সিজদার তাসবিহ (বাংলা উচ্চারণ):
সুবহানা রব্বিয়াল আ‘লা।
অর্থ:
আমার সর্বোচ্চ প্রতিপালক পবিত্র।
এইভাবে দুই রাকাত নামাজ সম্পন্ন করার পর আমরা শেষ বৈঠকে বসি এবং কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দোয়া পড়ি।
আত্তাহিয়াতু (বাংলা উচ্চারণ):
আত্তাহিয়াতু লিল্লাহি ওয়াস সালাওয়াতু ওয়াত তায়্যিবাত। আসসালামু আলাইকা আইয়্যুহান নাবিয়্যু ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ। আসসালামু আলাইনা ওয়া ‘আলা ইবাদিল্লাহিস সালিহীন। আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আবদুহু ওয়া রাসূলুহ।
অর্থ:
সব সম্মান, ইবাদত ও পবিত্র বিষয় আল্লাহর জন্য।
হে নবী! আপনার উপর শান্তি, আল্লাহর রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক।
আমাদের উপর এবং আল্লাহর নেক বান্দাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক।
আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ ﷺ আল্লাহর বান্দা ও রাসূল।
এরপর দরুদ পড়ি—
দরুদ (বাংলা উচ্চারণ):
আল্লাহুম্মা সাল্লি ‘আলা মুহাম্মাদিন ওয়া ‘আলা আলে মুহাম্মাদ…
অর্থ:
হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মদ ﷺ এবং তাঁর পরিবারবর্গের উপর রহমত বর্ষণ করুন, যেমন আপনি ইবরাহিম (আ.) এবং তাঁর পরিবারবর্গের উপর রহমত বর্ষণ করেছিলেন।
হে আল্লাহ! আপনি মুহাম্মদ ﷺ এবং তাঁর পরিবারবর্গের উপর বরকত দান করুন,
যেমন আপনি ইবরাহিম (আ.) এবং তাঁর পরিবারবর্গের উপর বরকত দান করেছিলেন।
নিশ্চয়ই আপনি প্রশংসিত, মহান।
এরপর দোয়া মাসুরা পড়ি—
দোয়া (বাংলা উচ্চারণ):
আল্লাহুম্মা ইন্নি জালামতু নাফসি জুলমান কাসীরা…
অর্থ:
হে আল্লাহ! আমি আমার নিজের উপর অনেক জুলুম করেছি। আপনি ছাড়া কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারে না। তাই আপনি আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার প্রতি দয়া করুন। নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।
সবশেষে আমরা সালাম ফিরাই—
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ
অর্থ:
আপনার উপর শান্তি ও আল্লাহর রহমত বর্ষিত হোক।
এইভাবে যদি আমরা নামাজের প্রতিটি দোয়া ও শব্দের অর্থ বুঝে পড়ি, তাহলে নামাজ শুধু একটি কাজ থাকবে না—বরং তা হয়ে উঠবে আল্লাহর সাথে এক গভীর, হৃদয়স্পর্শী সম্পর্কের মাধ্যম।
( সংগৃহীত )

24/03/2026
23/03/2026

Is listening to music truly haram?

Some say it’s just “entertainment.” Others argue, “It’s fine as long as it doesn’t distract you.” But when we return to the words of the Prophet ﷺ, the picture becomes clearer.

He ﷺ said:

“There will be among my Ummah people who will regard as permissible: zina, silk, alcohol, and musical instruments...”
(Bukhari 5590)

Notice that music wasn’t mentioned lightly. It was listed alongside zina and alcohol.

Why? Because it touches the heart in ways we often overlook. It numbs the fitrah, softens the sensitivity to sin, and makes dhikr feel heavy while haram begins to feel normal.

Ibn al-Qayyim رحمه الله said it plainly:

“Music is the Qur’an of Shaytan. It blocks the Qur’an of ar-Rahman.”

And the reality today is hard to ignore. Most songs glorify lust, heartbreak, arrogance, and worldly obsession. How can the same tongue sing along to this and then recite the Qur’an with khushu’?

Does this mean you’re doomed if you’ve listened to music? No. It is a reminder from Allah that your ears, your heart, and your soul deserve better.

Swap the beats for the Qur’an.
Replace the lyrics with du’a.
Turn the noise into dhikr.

Let your heart hear what nourishes it, not what distracts it. Let your soul be a home for mercy, not cluttered with the fleeting whispers of this world.
Share it so others can benefit too.

18/03/2026

#ইস্তেগফার:
আস্তাগফিরুল্লাহ,আস্তাগফিরুল্লাহ,আস্তাগফিরুল্লাহ।
#জিকির:
সুবহানআল্লাহ ,আলহামদুলিল্লাহ,
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার
#তওবা:
আস্তাগফিরুল্লাহ হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা
হুওয়াল হাইয়্যুল কাইয়ুম ওয়া আতুবু ইলাইহি।
#দোয়া_ইউনুস:
লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি
কুনতু মিনায যালিমিন।
#দুরুদ_শরীফ: সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (ﷺ) ।
লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ,
লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ,
লা হাওলা ওয়ালা কুয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ।
জান্নাত লাভ ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির দোয়াঃ
আল্লাহুম্মা ইন্নীআস আলুকাল জান্নাতা,
ওয়া আউযুবিকা মিনান্নার।
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাঃ ,
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাঃ।
৩বার ইয়া আরহামার রাহিমিন,
৩বার "ইয়া লাতিফু, ইয়া ফাত্তাহু, ইয়া হান্নান, ইয়া মান্নান" -
পড়া শেষে আলহামদুলিল্লাহ

17/03/2026

একবার এক বেদুঈন রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে বলল: ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি অনেক ক্ষুধার্ত। আমাকে কিছু খাওয়ান।
নবী আলাইহিস সালামের মেহমান। তিনি তো ফেরত দিতে পারেন না। কিন্তু আল্লাহর নবীর ঘরেও অনেকদিন আগুন জ্বলে না। খাওয়ার কিছু নেই জানতেন। তবুও সব বিবিদের ঘরে খোঁজ নিলেন। কিন্তু না। কিছুই পাওয়া গেলো না। তিনি এসে বললেন: ওহে! মুহাম্মাদের পরিবারে তোমার জন্য কিছু নেই আজ।
নবী আলাইহিস সালাম আল্লাহর কাছে একটা দুআ পড়লেন। হঠাৎ সেসময় কেউ একজন একটা ভুনা বকরী অথবা এক থালা সারীদ (গোশত রুটির মিশেল) নিয়ে এলো। নবী আলাইহিস সালাম মেহমানকে খাওয়ালেন। মেহমান তো মেজবানের কাছে তার রিযক নিয়েই হাজির হয়। তাই না?
বেদুঈন খেতে বসে জানতে চায়: ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার তো আজ ক্ষুধা পেয়েছে। আল্লাহ তায়ালা আপনার হাতে আমার রিযক দিয়ে দিলেন। কিন্তু যদি আমার আবার এমন ক্ষুধা পায় কিন্তু আপনার কাছে না আসতে পারি তখন কী করব?
হুযুর তাকে সেই দুআটা শেখালেন যেটা নিজে পড়েছিলেন। বললেন: বলো -
اللهم إني أسألُك من فضلِك و رحمتِك ؛ فإنَّه لا يملُكها إلا أنت
আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন ফাদ্বলিকা ওয়া রাহমাতিকা ফাইন্নাহু লা ইয়ামলিকুহা ইল্লা আনতা
মাওলা! তোমার কাছেই ফরিয়াদ তোমারই অনুগ্রহ ও রহমতের। তুমি বিনে আর কেইবা আছে এগুলো দেয়ার মালিক!
[তাবারানী ২২০/১০]
রিযক টাকা পয়সায় থাকে না। রিযক ধনসম্পদে থাকে না। রিযক থাকে আল্লাহর ফায়সালায়। আল্লাহর দয়ায়। কিন্তু আমরা আসবাবকে আঁকড়ে ধরি আসবাবের মালিককে ছেড়েই। একটা দুআ আছে। দুআটা হাদিসে নেই। হয়তো কোনো সালাফের দুআ। খুব সুন্দর দুআটা। আমি পড়ি সবসময়। আপনারাও পড়বেন। দুআটা এই:
اللهم إن كان رزقي في السماء، فأنزلْه، وإن كان رزقي في الأرض، فأخرجه، وإن كان رزقي بعيدًا، فقرِّبه، وإن كان رزقي قريبًا، فأظهره، وإن كان رزقي قليلًا، فزِدْه، وإن كان رزقي كثيرًا، فبارِكْه
আল্লাহুম্মা ইন কানা রিযকি ফিস সামায়ি ফাআনযিলহু। ওয়া ইন কানা রিযকি ফিল আরদ্বি ফাআখরিজহু। ওয়া ইন কানা রিযকি বাঈদান ফাক্বররিবহু। ওয়া ইন কানা রিযকি ক্বরিবান ফাআযহিরহু। ওয়া ইন কানা রিযকি ক্বলিলান ফাযিদহু। ওয়া ইন কানা রিযকি কাসীরান ফাবারিকহু।
ইয়া আল্লাহ! আমার রিযিক যদি আসমানে থাকে সেটা নামিয়ে দাও। যদি যমীনে থাকে বের করে দাও। যদি দূরে থাকে কাছে এনে দাও। কাছে থাকলে প্রকাশ করে দাও। আমার রিযিক কম হলে বাড়িয়ে দাও। আর বেশী হলে বরকত দিয়ে দাও।

16/03/2026

অনেক মানুষই জানতে চায় কিংবা দুঃশ্চিন্তায় থাকে যে, কিভাবে উত্তম স্বামী কিংবা স্ত্রী পাওয়া যায়। আবার বিবাহিত স্বামী-স্ত্রীও জানতে চায় কিভাবে উত্তম সন্তান লাভ করা যায়। তাদের জন্যই এ কুরআনি আমল-
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا
উচ্চারণ : ‘রাব্বানা হাব্লানা মিন আযওয়াঝিনা ওয়া জুর্রিয়াতিনা কুর্রাতা আইয়ুনিও ওয়াঝআলনা লিলমুত্তাক্বিনা ইমামা।’
অর্থ : ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আপনি আমাদের এমন স্ত্রী ও সন্তান দান করুন। যারা আমাদের চোখ জুড়িয়ে দেয় আর আমাদেরকে (পুরুষদেরকে) মুত্তাকি লোকদের নেতা বানিয়ে দাও।’ (সুরা ফুরক্বান : আয়াত ৭৪)
যারা মহান আল্লাহর কাছে উত্তম জীবনসঙ্গী লাভের প্রত্যাশা করে, তাদের উচিত মহান আল্লাহর কাছে তারই শেখানো ভাষায় আবেদন করা। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনুল কারিমে বান্দাকে উত্তম স্বামী/স্ত্রী ও সন্তান লাভের দোয়া শিখিয়েছেন। যেসব স্বামী/স্ত্রী ও সন্তান একে অন্যের চোখকে শীতল করবে।
কুরআনুল কারিমের এ আয়াতের আমলে আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক পুরুষকেই এমন উত্তম স্ত্রী ও সন্তান দান করবেন, যাদের দেখে পুরুষদের মন শান্ত হয়ে যাবে।
পক্ষান্তরে যে সব নারী এ দোয়ার আমল করবে, আশা করা যায়, আল্লাহ তাআলা সেসব স্ত্রীদেরকেও নয়নজুড়ানো স্বামী ও সন্তান দান করবেন।
এরই সঙ্গে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে, নিজের চরিএ ঠিক রাখতে হবে।

15/03/2026

উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া 'আলা কুল্লি শাই-ইং ক্বাদীর।

14/03/2026

নামাজের সূরা মিলানোর সঠিক নিয়ম—

❑ ৪ রাকাত ফরজ নামাজে :
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
১ম রাকাতে - সূরা ফাতিহা + অন্য সূরা
২য় রাকাতে - সূরা ফাতিহা + অন্য সূরা।
৩য় রাকাতে- শুধু সূরা ফাতিহা।
৪র্থ রাকাতে - শুধু সূরা ফাতিহ।

❑ ৪ রাকাত সুন্নাত নামাজে :
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
১ম রাকাতে - সূরা ফাতিহা + অন্য সূরা
২য় রাকাতে - সূরা ফাতিহা অন্য সূরা
৩য় রাকাতে - সূরা ফাতিহা + অন্য সূরা
৪র্থ রাকাতে - সূরা ফাতিহা + অন্য সূরা

❑ সূরার শুরুতে প্রত্যেকবার বিসমিল্লাহ পড়া শর্ত না।
❑ সূরাগুরো সিরিয়ালি মিলাতে হবে।

— সূরা ফাতিহার শুরুতে :
নিঃশব্দে “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম” পড়া ওয়াজিব (হানাফি মাজহাব অনুযায়ী)। জোরে পড়া হয় না।
— অন্য সূরার শুরুতে :
বিসমিল্লাহ পড়া মুস্তাহাব (পছন্দনীয়), পড়লে সওয়াব, না পড়লে নামাজ শুদ্ধ হবে।

12/03/2026

সূরা আদ দোহা যেদিন নাজিল হয় সেদিন একটা চমৎকার ঘটনা ঘটে।
জিবরাইল (আঃ) যখন নবী (সঃ) কে শিখাচ্ছিলেন-
ওয়া লাছাওফা ইউ‘তীকা রাব্বুকা ফাতারদা।
তখন নবী (সঃ) থেমে গেলেন। কোরআন নাজিলের সময় তিনি খুব কষ্ট পেতেন। ওনার উপর অনেক প্রেসার পড়ত। তিনি ঘেমে যেতেন। আরবে তখন অনেক বেশি গরম ছিল। এত কষ্টের মাঝেও তিনি জিবরাইল (আঃ) কে বললেন,
এই জিবরাইল থাম।থাম। আমার কিছু কথা আছে। তুমি সাক্ষী। আল্লাহ্‌ বলেছেন তিনি আমাকে খুশি করে ছাড়বেন। তাই আমি আল্লাহ্‌র কাছে কিছু চাইতে চাই।
জিবরাইল (আঃ) অবাক হয়ে প্রশ্ন করলেন,হে নবী আপনি কি চান আল্লাহ্‌র কাছে?
তখন তিনি বললেন, তোমাকে সাক্ষী রেখে বলতে চাই,আমার একজন উম্মতও যদি জাহান্নামে থাকে তাহলে আমি আল্লাহ্‌র উপর খুশি হব না। না না না। সবাইকে জান্নাতে না নেয়া পর্যন্ত আমি আল্লাহ্‌র উপর খুশী হব না।
তিনি এমন এক সৃষ্টি যিনি এই উম্মতের জন্য অসীম মায়া নিয়ে দুনিয়ায় এসেছেন।
মারা যাবার আগে ওনার চোখে পানি। আজরাইল (আঃ) ওনার বুকে হাত দেয়ার অপেক্ষায় বসে আছেন।নবী(সঃ) এর অনুমতি ছাড়া জান কবজ করতে আল্লাহ্‌ নিষেধ করে দিছেন।
জিবরাইল (আঃ) তখন নবী(সঃ) কে বললেন, হে নবী,আল্লাহ আপনার জন্য অপেক্ষা করছেন।আপনি কি যেতে চান না?
তখন তিনি বললেন,না।আগে আল্লাহ্‌কে জিজ্ঞেস কর আমি না থাকলে আমার উম্মতকে দেখে রাখবে কে?
তখন আল্লাহ্‌ জিবরাইল(আঃ) কে বললেন, আমার নবীকে বল আমি তার উম্মতকে একা রাখবো না।। আমি তাদেরকে দেখে রাখবো। আমি তাদেরকে আগলে রাখবো।
আল্লাহ্‌ তাঁকে যে ওয়াদা করেছেন তা আজও আছে। হাশরের মাঠেও থাকবে।
আল্লাহ্‌ আমাদের একা রাখেন নাই। যে কোন বিপদে তিনি আমাদের ছায়া দেন।
জীবনে কত ঝামেলায় পড়লাম। কত কি গেল জীবনের উপর দিয়ে। কিন্তু আল্লাহ্‌ কোন না কোন ভাবে একটা উপায় বের করে দিয়েছেন। তিনি আমাকে একা করেন নি। তিনি আমাকে নিঃস্ব করেন নি। আলহামদুলিল্লাহ্‌।

11/03/2026

GMO কেন দাজ্জালি খাদ্য?
দাজ্জাল Genetic Modified Food এর মাধ্যমে পুরুষের শরীরের Y ক্রোমোজোম মেরে ফেলছে।ফলে তামাম দুনিয়াতে নারীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে ক্রমাগত।
আল্লাহ তায়ালা বলেছেন তোমরা আমার সৃষ্টির মধ্যে পরিবর্তন করো না।
আল-কোরআন
কিন্তু দাজ্জাল ত বিভিন্ন ভাবে আল্লাহতায়ালার সৃষ্টি ধান,ভুট্টা,গম,কলা,বেগুন সহ বিভিন্ন ফলমুল,সব্জি,মসলা,প্রানীর মধ্যে নতুন ভেরাইটি হাইব্রিড তৈরীর নামে উক্ত প্রজাতির মধ্যে Genetic Imbalace তৈরী করছে। আল্লাহ পাকের দেয়া ফস লের শরীরের DNA-RNA Exchange পরিবর্তন করছে।
এই নতুন প্রজাতির খাবার গ্রহনের ফলে পুরুষের Y ক্রোমমোজোম মারা যাচ্ছে।যারা বিজ্ঞানের ছাত্র আপনারা জানেন যে, পুরুষের Y ক্রোমমজোম মারা গেলে নারী শিশু বেশি জন্ম গ্রহন করবে।
দাজ্জালের উক্ত Agenda বাস্তবায়ন করছে ইস্রাইল-আমেরিকার অর্থায়নে বিভিন্ন বর বর NGO-corporation বড় বড় zionist scientist আর Zionist কৃষিবিদেরা.।
উদাহরণস্বরুপ বলি
মানসানতো কম্পানির বিটি বেগুনের নিউ ভেরাইটির কথা যার মধ্যে Bascillus Thuringenesis নামক ব্যাকটেরিয়ার জিনোম পুস করে নতুন ভেরাইটি তৈরী করা হয় যে বেগুন কোন পোকামাকড় কীটপতঙ্গ খেলে মারা যাবে।
কীট প্রতিরোধের জন্য যে জিন বেগুনে পুস করা হয় তা খেলে কীট মারা যাবে কিন্তু মানুষেরা সেই নিউ ভেরাইটি খাচ্ছে।মানুষ তাহলে কী খাচ্ছে? বেগুন না কোন ক্ষতিকর জীনোম
এভাবে ধান,গম,যব,ভুট্টা র উচ্চফলনের নামে বীজহীন-বিচিহীন সব ফল-সব্জিতে scientific GMO করা হয়।এই জাতগুল উচ্চচলনশীল,বালাইনাশক, পানি সহ্যশীল কম খরচে উৎপাদন হয় তা ঠিক কিনন্তু এই সক ল GMO র ক্ষতি মানুষের শরীরে যা দাজ্জাল সুক্ষ ভাবে চিন্তা করে মানুষের ক্ষতির পরিক ্ল্পনা বের করেছে।
এই নিউ ভেরাইটি গ্রহনে পুরুষের Y ক্রোমজোম মারা যাবে।
আর দাজ্জাল এটাই চায় যে দুনিয়াতে পুরুষ কম জন্ম গ্রহণ করুক নারীদের বেশি জন্ম গ্রহণ করাতে চায় দাজ্জাল।
এবার তাহলে বুঝেছেন কেন রাসুল (সঃ) বলেছেন আখিরি জামানাতে প্রতি পুরুষ ৫০ জন নারী নিয়ন্ত্রন করবে।-বুখারি-৪৮৫১ ইসলামি ফাঊন্ডেশন
আশেপাশে দৃষ্টি দিয়ে দেখুন নারীদের সংখ্যা দিনকে দিন বারছে।কিন্তু হঠাৎ কি এমন হোল?
হ্যা এটাই হচ্ছে কারন।আপ নি চোখ বন্ধ করে বসে থাকলে হবে না।
ইস্রাইলের product Nestle- বিস্কিট, সেরিলাক,জুস,কেক, কৌটার গুড় দুধে সব কিছুতে পাস্তুরিত ক্যামিকেল আর মডিফিকেশনের মাধ্যমে GMo করা

পৃথিবী নিয়ন্ত্রণকারী ইহুদি রথ চাইল্ড পরিবার এমন বীজ উৎপাদন করেছে যার ফসল খেয়ে নারী-পুরুষ উভয়ই বন্ধা হয়ে যাইতেছে! জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা গেছে আবার প্রচুর পরিমাণে ব্যবসা করা গেছে!
জেনিটাকালি মডিফাইড অর্গানিক খাদ্য GMO বীজ যা রোপন করলে অটোমেটিকলি ফসলের চারায় ভাইরাস ধরবে যা বারবার বিষাক্ত কীটনাশক ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের কীটনাশক তৈরি করে আবার ওই রথচাইল্ড পরিবারের মুন্সান্টু কোম্পানি! এরপরে হাইব্রিড জাতের বীজে প্রচুর পরিমাণে সার প্রয়োগ করতে হয়। এরপরে যখন এই ফসল বাজার থেকে মানুষ কিনে খায় তখন মানুষের বিভিন্ন ধরনের মরণঘাতী রোগ ব্যাধি হয় যেমন ক্যান্সার, কিডনির ড্যামেজ, লিভার সিরোসিস ইত্যাদি। যার ঔষধ ও কিনতে হয় ঐ সমস্ত তাদের প্রতিষ্ঠিত করা কোম্পানির কাছ থেকে। আবার হাইব্রিড বীজগুলি পরের বছর আবার রোপন করা যায় না তাও আবার নতুন করে কিনতে হয় শতশত গুণ বেশি দামে। দেখা গেছে এমন খাবার উৎপাদন করতেছি যার প্রকৃত লাভবান তারাই হচ্ছে সার কীটনাশক এবং এই খাবার খাওয়ার পরে রোগাক্রান্ত হচ্ছে তাদের কাছে থেকেই আবার ওষুধ কিনছি। আমারা এই ধরনের খাবার খাওয়ার কারণে পুরুষ ক্রোমোজোম মারা যাচ্ছে যার ফলে নারীর সংখ্যা সমাজে বৃদ্ধি পাচ্ছে যেটা একটি কিয়ামতের আলামত।
আবার দেখেন শুধুমাত্র খাবার টেবিলেই পৃথিবীতে প্রায় 300 কোটি মানুষকে আসতে দিল না। অর্থাৎ এ সকল মানুষদের কোনরকম যুদ্ধ ছাড়াই পৃথিবীতে আসতে দেয়া হলো না। শয়তান এবং তার অনুসারীরা কখনোই চায়না পৃথিবীতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাক। কারণ জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেলে তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে!

তুমি আসলে বিষয়টা বুঝছ না, তাই না?
তুমি যত বেশি প্রেসক্রিপশনের ওষুধ খাবে, তত বেশি দীর্ঘমেয়াদি অসুখ তৈরি হবে।
ডাক্তারদের উদ্দেশ্য মানুষকে পুরোপুরি সুস্থ করা নয়—বরং তোমাকে অসুস্থ অবস্থায় রাখার মতো করে চিকিৎসা দেওয়া, যাতে তুমি বারবার তাদের কাছে ফিরে আসো এবং আরও ওষুধ খেতে থাকো।
পুরো চিকিৎসা ব্যবস্থা একটা প্রতারণা ধোঁকা —
Jason Christoff-এর একটি উদ্ধৃতি:
এখন বিষকে ওষুধের নামে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু বিষয়টা এত দূর গেছে যে এখন সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করে—শুধু এই বিষই তাদের সুস্থ করতে পারে। এর মানে হলো, এক ধরনের মানসিক বিকৃতি এখন স্বাভাবিক বলে ধরা হচ্ছে। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে মানসিক প্রভাব বা ‘মাইন্ড কন্ট্রোল’ কতটা কার্যকর হতে পারে, এটা তারই উদাহরণ।”

পৃথিবীতে ৪০% খাদ্য নষ্ট হয়। অথচ খাদ্য সংকটের নাম করে genetically modified food আনা হচ্ছে। আপনার শরীরের জিনকে রক্ষা করার দায়িত্ব আপনার। কি খাবার খাবেন ভেবে চিন্তে খাবেন।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Iqra - ٱقْرَأْ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share