সায়েন্টিফিক আল কোরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • সায়েন্টিফিক আল কোরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান

সায়েন্টিফিক আল কোরআন  ও  আধুনিক  বিজ্ঞান সায়েন্টিফিক আল কোরআন ও আধুনিক বিজ্ঞা?

26/08/2026

👉🌹 The End Times: তিব্বত ও নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্য flash flood
মৃত্যু ৩০০+ নিখোঁজ হাজার উপরে।
ভেসে গেল ঘরবাড়ি ও সেতু ঘর বাড়ি।

বাঁধ বিদ্যুৎ প্রকল্প মানুষের তৈরী system এমন বিপর্যয়। অন্য দিকে দাজ্জাল এজেন্ট বিভিন্ন কেমিকেল mix করে chemphtril আকাশে ফলে মুহূর্তে মেঘ ভাঙা বৃষ্টি হয় এবং জমে বাঁধ ভেঙে পানি নেমে এসেছে এর আগেও পাকিস্তান কাশ্মীর এমন বিপর্যয় হয়।

26/08/2026
26/08/2026

👉🌹 The End Times: তিব্বত ও নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্য flash flood
ভেসে গেল ঘরবাড়ি ও সেতু

🌿☘️তুমি পর্বতমালাকে দেখে অচল মনে কর অথচ তা সচল  পর্বতমালার অবস্থানআল্লাহ পবিত্র কুরআন মাজিদে  বলেনপর্বতমালাকে দেখে অচল ম...
24/08/2026

🌿☘️তুমি পর্বতমালাকে দেখে অচল মনে কর অথচ তা সচল পর্বতমালার অবস্থান
আল্লাহ পবিত্র কুরআন মাজিদে বলেন
পর্বতমালাকে দেখে অচল মনে কর অথচ তা সচল । পর্বতমালা কিভাবে সচল বিজ্ঞান মাদ্ধমে না বুজলে অনেকের কাছে পরিস্কার হবে না,
আল্লাহ বলেন
তুমি পর্বতমালাকে দেখে অচল মনে কর, অথচ সেদিন এগুলো মেঘমালার মত চলমান হবে। এটা আল্লাহর কারিগরী, যিনি সবকিছুকে করেছেন সুসংহত। তোমরা যা কিছু করছ, তিনি তা অবগত আছেন। সুরা নামল আয়াত -৮৮

🌿☘️১৯৭৮ সালে ন্যাশনাল জিওগ্রাফি সোসাইটি (ওয়াশিংটন ডিসি) প্রমাণ করে যে টেকটোনিক প্লেটগুলোর,নড়াচড়ার কারণে পাহাড়গুলোও সম্পূর্ণ স্থির নয়,বরং প্রতি বছর ২-৫ সেন্টিমিটার করে সরে যাচ্ছে। যদিও এদের কার্যক্রম পেরেকের মতই। আর আমরাম পাহাড়কে স্থির মনে করে যে একটা ভুলের মধ্যে আছি. একথাটাই কোরআন বলেছে ১৪৪২ বসর আগে ।

🌿☘️কিছু দিন আগে ইউরোপের সবচেয়ে বিপজ্জনক আগ্নেয়গিরি মাউন্ট এট্‌না ধীরে ধীরে সমুদ্রের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বলে বিজ্ঞানীরা বলছেন।ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরি, যাদের মধ্যে আগে এধরনের প্রবণতা দেখা গিয়েছে,
ড. জন মার্ফি মাউন্ট এট্‌না সম্পর্কে গবেষণা চালিয়েছেন প্রায় ৫০ বছর ধরে।
এই গবেষণায় তিনি এই পর্বতের নানা জায়গায় জিপিএস স্টেশন বসিয়েছেন।
সামান্য নড়াচড়া হলেও এই স্টেশনের যন্ত্রে তা ধরা পড়বে।
এসব যন্ত্র থেকে গত ১১ বছরে উপাত্ত থেকেই বিজ্ঞানীরা এখন বলছেন যে মাউন্ট এট্‌না এখন দক্ষিণ-পূর্বমুখী হয়ে একটু একটু করে ভূমধ্যসাগরের দিকে সরে যাচ্ছে।

যা কুরানের আয়াত উত্তর

আল্লাহ তাআলা পর্বতমালার নড়াচড়াকে চলমান বা প্রবাহিত হওয়া হিসেবে উল্লেখ করেছেন। আজ আধুনিক বিজ্ঞানীগণও এই গতির জন্য ’’মহাদেশের প্রবাহ’’ (continental drift) শব্দটি ব্যবহার করেছেন
Crust আর Mantle এর সর্বোপরিসিত স্তরটি প্রায় ১০০ কিলোমিটার পুরত্ব নিয়ে বিভিন্ন খন্ডে বিভক্ত হয় যাদের Plate বলা হয়ে থাকে। ছয়টি বড় বড় আর কয়েকটি ছোট খাট প্লেট বিদ্যমান রয়েছে এখানে। Plate Tectonics নামক থিওরী অনুসারে এই প্লেটগুলো তাদের সঙ্গে মহাদেশ আর সমুদ্রের তলভাগ নিয়ে ভূপৃষ্ঠে নড়ে চড়ে ঘুরে বেড়ায়। পরিমাপ করে দেখা গেছে যে, মহাদেশগুলোর এই গতি বছরে প্রায় ১-৫ সেন্টিমিটার। প্লেটগুলো যেহেতু অবিরত চলমান রয়েছে সেহেতু পৃথিবীর ভূগোলে ধীর গতির পরিবর্তন হবে
ভূ-পৃষ্ঠের উপরের অংশ বা ক্রাস্ট অবিরাম গতিশীল প্লেট নিয়ে গঠিত। পর্বতগুলোর দৃঢ়ভাবে ধরে রাখার বৈশিষ্ট্যটিই ভূপৃষ্ঠের উপরের স্তরকে ধরে রাখে ,কম্পন প্রতিরোধ করে অনেকাংশে। অথচ এই ক্রাস্টের রয়েছে গতিশীল গঠন।

💞 #চাদের আলো কার আলো : #"আল্লাহ তায়ালাই এই সূর্যকে করিয়াছেন তেজস্কর আর চন্দ্রকে করিয়াছেন প্রতিবিম্বিত আলো"। (সূরা ইউন...
24/08/2026

💞 #চাদের আলো কার আলো :
#"আল্লাহ তায়ালাই এই সূর্যকে করিয়াছেন তেজস্কর আর চন্দ্রকে করিয়াছেন প্রতিবিম্বিত আলো"। (সূরা ইউনুস:৫) "কত কল্যাণময় তিনি, যিনি নভোমন্ডলে সৃষ্টি করিয়াছেন রাশিচক্র এবং উহাতে স্থাপন করিয়াছেন প্রদীপ এবং চাদ-যাহার রহিয়াছে ধার করা আলো"। (সূলা ফুরকান:৬১)
চাদের আলো যে প্রতিবিম্বিত আলো অন্য কথায় ধার করা আলো এ কথাটা দেড় হাজার বছর আগে বলেছে।

আরবি তে যে শব্দ বেবহার করা হয়েছে কামার এর জন্য মুনির অর্থ ধার করা আলো।আর সূর্যের জন্য সিরাজ মানে যার নিজের আলো রয়েছে

🌹চাঁদের নিজস্ব কোনো আলো নেই। চাঁদ সূর্যের আলোয় আলোকিত হয় এবং পৃথিবীও সূর্যের আলোয় আলোকিত হয়ে থাকে।
চাঁদ থেকে পৃথিবীকে আলো প্রতিফলিত হয়ে গমন করে। চাঁদের পৃষ্ঠ বা পৃথিবী পৃষ্ঠ হতে প্রতিফলিত সূর্যের আলো পৃথিবীতে বা চাঁদে পৌঁছালে পৃথিবী থেকে চাঁদকে বা চাঁদকে পৃথিবী থেকে দেখা সম্ভব হয়।
বিজ্ঞান সুস্পষ্ট কোরআনের সাথে এখন একমত।

#🌹কল্যাণময় তিনি, যিনি নভোমন্ডলে রাশিচক্র সৃষ্টি করেছেন এবং তাতে রেখেছেন সূর্য ও দীপ্তিময় চন্দ্র। (সুরা ফুরকান ২৫ :৬১ )

তিনিই সে মহান সত্তা , যিনি বানিয়েছেন সুর্যকে উজ্জল আলোকময় , আর চন্দ্রকে স্নিগ্ধ আলো বিতরণকারীরূপে এবং অতঃপর নির্ধারিত করেছেন এর জন্য মনযিল সমূহ ( ইউনুস ৫)
মা শা আল্লাহ আমরা চাঁদ কে স্নিগ্ধ আলো বিতরণকারীরূপে দেখি রাতে আর তা ধার করা আলো
মানে সূর্যের আলোয় আলোকিত হয়

👉আপনি জানেন কি সৌদি পা চাটা বাদশা তাঁদের পাঠ থেকে তিন কুরআন আয়াত বাদ দিয়েছে কেন কোন আয়াত 🌹👉👉🌹এই তিন আয়াতের কি বলা হয়েছে ...
24/08/2026

👉আপনি জানেন কি সৌদি পা চাটা বাদশা তাঁদের পাঠ থেকে তিন কুরআন আয়াত বাদ দিয়েছে কেন কোন আয়াত 🌹👉
👉🌹এই তিন আয়াতের কি বলা হয়েছে :
১/ নিসা ৪:৫১: কিতাব ধারী ইয়াহুদিরা মূর্তি প্রতিমা অসত্য দেবতার ইবাদত করে এবং অন্য কাফেরদের বলে এই উপাসনা সত্য অর্থাৎ তারা নিজেরা পথ ভ্রষ্ট অভিশপ্ত এবং অন্য কাফেরদের কে অনুরূপ তাঁদের মত হতে বলে এবং মূর্তি ভাস্কর্য শয়তান উপাসনা প্রতি ইমান আনার কথা বলে। আল্লাহ তাঁদের চেহারা প্রকাশ করেছেন

👉২/ সূরা মায়েদা ৫:৫১: ইয়াহুদি এবং নাসারা তথা খ্রিস্টান দের কোন ভাবেই বন্ধু রূপে গ্রহণ করা যাবে না যদি করে কেউ তাহলে সে তাঁদের অন্তর্ভুক্ত। সৌদি বাদশা ইয়াহুদি পা চাটে এবং অনুসরণ করে এবং বন্ধু রূপে গ্রহণ করেসে এই জন্য এই আয়াত অনুযায়ী সে তাঁদের অন্তভুক্ত আর ইয়াহুদি খুশি করতে এই আয়াত পাথ্য বই থেকে বাদ দেয় তাহলে তারা কি মুসলিম থাকতে পারে কখনোই নয়।
🌹👉৩/ মায়েদা ৫:৬০ অনুযায়ী ' যাদের আল্লাহ লানত দিয়েছে সেই দাউদ (আ) সময় বানর শুকুর বানায়ে দেন তারাই ইয়াহুদি অভিশপ্ত জাতি। এবং এই আয়াতে আল্লাহ স্পষ্ট ভাবে আবার উল্লেখ করেন তারা তথা ইয়াহুদিরা তাগুত উপাসনা করে এবং তারা পথ ভ্রষ্ট বিচুত।

আল্লাহ অনেক আয়াতে এই অভিশপ্ত ইয়াহুদি পরিচয় কর্ম পাপ তুলে ধরেছেন। এই জন্য ইয়াহুদিরা তাঁদের পা চাটা বাদশা এই তিন আয়াত পাঠ বই থেকে remove করে। কারণ বাদশা ইয়াহুদি পা চাটা দালাল।
এটাই শেষ জামানা। ঈমানদার মনে হলেও অনেক ভালো ব্যক্তি উপরে লেবাসব দেখে মুমিন ভাবা যাবে না আসলে সে কাফেরদের এজেন্ট। 🌹

তিন কুরআন আয়াত এখানে 👉🌹
👉🌹🌹👉 তুমি কি তাদেরকে দেখনি, যাদেরকে কিতাবের এক অংশ দেয়া হয়েছে? তারা জিবত* ও তাগূতের প্রতি ঈমান আনে এবং কাফিরদেরকে বলে, এরা মুমিনদের তুলনায় অধিক সঠিক পথপ্রাপ্ত। An-Nisaa - Ayah 51

* জিবত الجبتঅর্থ: মূর্তি , প্রতিমা, যাদুকর, ভেলকিবাজ, যাদু, ভেলকি ইত্যাদি।
👉🌹‎ হে মুমিনগণ, ইয়াহূদী ও নাসারাদেরকে তোমরা বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। আর তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, সে নিশ্চয় তাদেরই একজন। নিশ্চয় আল্লাহ যালিম কওমকে হিদায়াত দেন না।

Al-Maaida - Ayah 51

👉🌹
বল, ‘আমি কি তোমাদেরকে আল্লাহর নিকট পরিণতির বিচারে এর চেয়ে মন্দ কিছুর সংবাদ দেব? যাকে আল্লাহ লা‘নত দিয়েছেন এবং যার উপর তিনি ক্রোধান্বিত হয়েছেন? আর যাদের মধ্য থেকে বাঁদর ও শূকর বানিয়েছেন এবং তারা তাগূতের উপাসনা করেছে। তারাই অবস্থানে মন্দ এবং সোজা পথ থেকে সর্বাধিক বিচ্যুত’।

Al-Maaida - Ayah 60

20/08/2026

আবু সাইদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, যে ব্যক্তি সূরা কাহাফ যেমনভাবে নাজিল হয়েছে সেভাবে পড়বে, তার জন্য কেয়ামতের দিন সেটা নূর (আলো) হবে। (শুয়াবুল ঈমান, হাদিস নং: ২২২১)

🌿☘️সূরা কাহাফ পড়ার ফজিলতআবু সাইদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, যে ব্যক্তি সূরা কাহাফ যেমনভাবে  নাজিল হয়েছে সেভাবে পড়বে, তার জ...
20/08/2026

🌿☘️সূরা কাহাফ পড়ার ফজিলত
আবু সাইদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, যে ব্যক্তি সূরা কাহাফ যেমনভাবে নাজিল হয়েছে সেভাবে পড়বে, তার জন্য কেয়ামতের দিন সেটা নূর (আলো) হবে। (শুয়াবুল ঈমান, হাদিস নং: ২২২১)
আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসূল (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি সূরা কাহাফের প্রথম দশ আয়াত মুখস্ত করবে সে দাজ্জালের ফেৎনা থেকে হেফাজত থাকবে। (মুসলিম, হাদিস নং : ৮০৯, আবু দাউদ, হাদিস নং: ৪৩২৩)
আবু সাইদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেন, যেমনভাবে নাজিল করা হয়েছে, সেভাবে যে ব্যক্তি সূরা কাহাফ পড়বে, তার জন্য সেটা নিজের স্থান থেকে মক্কা পর্যন্ত আলো হবে এবং যে শেষ দশ আয়াত পড়বে, সে দাজ্জালের গণ্ডির বাইরে থাকবে এবং দাজ্জাল তার ওপর কোনোরূপ প্রভাব বিস্তার করতে পারবে না। (সুনানে নাসাঈ, হাদিস নং : ১০৭২২)

👉🌹বারা ইবনে আজেব (রা.) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি রাতে সূরা কাহাফ তেলাওয়াত করছিলেন। তার কাছে দুটি রশি দিয়ে একটি ঘোড়া বাঁধা ছিল। এরই মধ্যে একটি মেঘখণ্ড এসে তাকে ঘিরে ফেলে। এরপর যখন মেঘখণ্ডটি তার খুব কাছে চলে আসছিল, তখন তার ঘোড়া ছোটাছুটি করতে লাগল। সকালে ওই ব্যক্তি রাসূল (সা.)-এর কাছে এসে রাতের ঘটনা জানালেন। তিনি বললেন, ওটা ছিল সাকিনা (আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ রহমত), যা কোরআন তেলাওয়াতের বরকতে নাজিল হয়েছিল। (বোখারি, হাদিস নং : ৫০১১, ৩৬১৪; মুসলিম, হাদিস নং : ৭৯৫)
নাওয়াস ইবনে সাময়ান (রা.) থেকে বর্ণিত এক হাদিসে রাসূল (সা.) বলেন, তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি দাজ্জালকে পাবে, সে যেন সূরা কাহাফের শুরুর অংশ পড়ে।

( মুসলিম, হাদিস নং : ২৯৩৭; আবু দাউদ, হাদিস নং : ৪৩২১; তিরমিজি, হাদিস নং : ২২৪১)

🌹প্রতিদিন  ৭,০০০ পদক্ষেপ হাঁটলেই বড় বড় রোগের ঝুঁকি  কমে।👉ল্যানসেট পাবলিক হেলথ-এ প্রকাশিত নতুন এক বৈশ্বিক গবেষণা জানাচ্ছে...
18/08/2026

🌹প্রতিদিন ৭,০০০ পদক্ষেপ হাঁটলেই বড় বড় রোগের ঝুঁকি কমে।👉ল্যানসেট পাবলিক হেলথ-এ প্রকাশিত নতুন এক বৈশ্বিক গবেষণা জানাচ্ছে, সুস্থ থাকার জন্য হৃদরোগ থেকে সুগার, কোলেস্টেরল, সব রোগ কমাতে বেশ উপযোগী এই হাঁটা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন প্রতিদিন ৭০০০ পা হাঁটলে অনেক রোগ থেকে দূরে থাকা যায়।
২,০০০ পদক্ষেপ হাঁটা মানুষের তুলনায় ৭,০০০ পদক্ষেপ হাঁটলে—
ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি ৩৮% কম
হৃদরোগের ঝুঁকি ২৫% কম
পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি ২৮% কম
অকালমৃত্যুর ঝুঁকি প্রায় ৫০% কম
এমনকি কম হাঁটার লক্ষ্য থাকলেও উপকার মেলে—একটি ২০২৩ সালের গবেষণায় দেখা গেছে, দিনে মাত্র ২,৮০০ পদক্ষেপ হাঁটলেও হৃদরোগের ঝুঁকি কমে, তবে সর্বোচ্চ উপকার মেলে প্রায় ৭,২০০ পদক্ষেপে।
গবেষণার প্রধান ড. মেলোডি ডিং (ইউনিভার্সিটি অব সিডনি) বলছেন—সুস্থ থাকতে ৭,০০০ পদক্ষেপই যথেষ্ট
বেশিরভাগ ভারতীয় প্রতিদিন মাত্র ২,৫০০ থেকে ৩,৫০০ পদক্ষেপ হাঁটেন। সুযোগ থাকলে ৭,০০০ পদক্ষেপ অনেক দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে পারে।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সায়েন্টিফিক আল কোরআন ও আধুনিক বিজ্ঞান posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share