Muhammad Shop Point

Muhammad Shop Point Muhammad Shop Point — আপনার প্রযুক্তিময় জীবনযাত্রার বিশ্বস্ত ঠিকানা।

Muhammad Shop Point 🛍️
স্মার্ট জীবনযাত্রায় আপনার নিত্যদিনের গ্যাজেট পার্টনার! 📱⚡
⌚ স্মার্টওয়াচ | 🎧 TWS ইয়ারফোন | 🔋 পাওয়ার ব্যাংক | 📹 ভ্লগিং গিয়ার ও স্মার্ট হোম প্রোডাক্টস।
🚚 সারা বাংলাদেশে দ্রুত ক্যাশ অন ডেলিভারি!
📩 অর্ডার করতে ইনবক্স করুন। Muhammad Shop Point-এ আপনাকে স্বাগতম!
আধুনিক জীবনের গতি বাড়াতে এবং প্রযুক্তিকে আপনার সহজলভ্য করতে আমরা নিয়ে এসেছি সেরা মানের গ্যাজেট ও ইলেকট্রনিক অ্যাকসেসরিজে

র বিশ্বস্ত কালেকশন।
আমাদের কালেকশনে রয়েছে:
� মোবাইল ও লাইফস্টাইল অ্যাকসেসরিজ: প্রিমিয়াম স্মার্টওয়াচ, উন্নত সাউন্ডের TWS/ইয়ারফোন, পাওয়ার ব্যাংক ও ক্যাবল।
� কন্টেন্ট ক্রিয়েটর গিয়ার: ভ্লগিং সেটআপ, রিং লাইট ও প্রয়োজনীয় মেকিং টুলস।
� স্মার্ট হোম ও ডেইলি গ্যাজেটস: নিত্যদিনের গৃহস্থালি কাজ সহজ করার মতো মিনিমালিস্ট ও আধুনিক প্রযুক্তি।
কেন আমাদের বেছে নেবেন?
� ১০০% প্রিমিয়াম ও কোয়ালিটি চেকড প্রোডাক্ট
� সাশ্রয়ী মূল্য ও বিশ্বস্ত সেবা
� দ্রুততম সময়ে সারা বাংলাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি
আপনার পছন্দসই গ্যাজেটটি বেছে নিতে আজই পেজে মেসেজ দিন অথবা আমাদের শপে ভিজিট করুন!

একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুমের অভাবে মস্তিষ্ক শুধু ক্লান্তই হয় না, বরং নিজেকে ধ্বংস করতে শুরু করে।ইঁদুর নিয়ে করা গবেষণায় ...
25/07/2026

একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুমের অভাবে মস্তিষ্ক শুধু ক্লান্তই হয় না, বরং নিজেকে ধ্বংস করতে শুরু করে।

ইঁদুর নিয়ে করা গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত ঘুমের অভাব মস্তিষ্কের গ্লিয়াল কোষগুলোকে অত্যন্ত সক্রিয় করে তোলে। এই গ্লিয়াল কোষগুলো সাধারণত মস্তিষ্কের পরিচ্ছন্নতা রক্ষার কাজ করে—পুরনো বা ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সরিয়ে দেয়।

কিন্তু ঘুমের ঘাটতি হলে অ্যাস্ট্রোসাইট (astrocyte) নামক এক ধরনের গ্লিয়াল কোষ অতিমাত্রায় সক্রিয় হয়ে ওঠে। তখন তারা শুধু ক্ষতিগ্রস্ত অংশ নয়, সুস্থ ও প্রয়োজনীয় নিউরন সংযোগ (synapses)-ও কেটে ফেলতে শুরু করে।

গভীর ঘুম-অভাবগ্রস্ত ইঁদুরদের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, এই প্রক্রিয়ায় মস্তিষ্কের ১৩% পর্যন্ত সেল ধ্বংস হয়ে যেতে পারে—একটি ভয়াবহ আত্ম-ধ্বংস প্রক্রিয়া।

এই তথাকথিত "জোম্বি-মস্তিষ্ক" অবস্থা নিউরোডিজেনারেটিভ রোগ, যেমন আলঝেইমার, বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেয়। কারণ এই ধরনের রোগে ঘুমের সমস্যা ও নিউরনের ক্ষতি একসাথে দেখা যায়।

গবেষকেরা মনে করছেন, এই অতিসক্রিয় পরিচ্ছন্নতা প্রক্রিয়া ঘুমের অভাবে স্মৃতিভ্রংশ ও মানসিক দুর্বলতার পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে। যদিও মানুষের ক্ষেত্রে আরও গবেষণা প্রয়োজন, তবে একটি বিষয় একেবারে স্পষ্ট—
👉 গভীর ও নিয়মিত ঘুম বিলাসিতা নয়, মস্তিষ্ক রক্ষার অপরিহার্য অংশ।

📚 সূত্র:
Science Museum of Virginia – “Question Your World: When Does the Brain Eat Itself?” (2018)

কীবোর্ডের Key-গুলো ৫ ভাগে চিনুন
25/07/2026

কীবোর্ডের Key-গুলো ৫ ভাগে চিনুন

মোবাইল কেনার আগে এই ৮টি তথ্য না বুঝলে ঠকতে পারেন
24/07/2026

মোবাইল কেনার আগে এই ৮টি তথ্য না বুঝলে ঠকতে পারেন

24/07/2026
আত্মার উন্নয়ন ও প্রশান্তিময় জীবনের পথপার্থিব জীবনে অঢেল ধন-সম্পদ কিংবা বাহ্যিক সাফল্য অর্জন করলেও আমাদের আত্মায় যদি প্রশ...
24/07/2026

আত্মার উন্নয়ন ও প্রশান্তিময় জীবনের পথ

পার্থিব জীবনে অঢেল ধন-সম্পদ কিংবা বাহ্যিক সাফল্য অর্জন করলেও আমাদের আত্মায় যদি প্রশান্তি না থাকে, তবে জীবন শূন্য মনে হয়। মানুষ যখন তার স্রষ্টাকে ভুলে প্রবৃত্তি ও দুনিয়ার মোহে পড়ে, তখন তার আত্মিক মৃত্যু ঘটে। আবার আল্লাহর অনুগত হয়ে তাঁর স্মরণে ফিরে আসলে সেই আত্মাই লাভ করে এক নতুন আত্মিক আলো ও পরম শান্তি।

🌌 ১. পুনর্জাগরণ ও মানসিক প্রশান্তি
মানুষের ভেতরের মনস্তত্ত্ব এবং বিশ্বজগতের নিদর্শনসমূহ এই অংশে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে:

আল্লাহর জিকির ও সঠিক নিয়তের গুরুত্ব: আল্লাহর স্মরণ (জিকির) এবং খালেস নিয়ত না থাকলে মানুষের আত্মা মৃতপ্রায় হয়ে যায়, যা শেষ পর্যন্ত তাকে পশুর পর্যায়ে নামিয়ে আনে।

মহাবিশ্বের তাসবিহ:

আকাশ ও নক্ষত্র: নিজেদের বিশালতা দিয়ে মহাবিশ্বের মহান রবের শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশ করে।

প্রাণীজগৎ: পিপীলিকা কিংবা পাখি—সব প্রাণী তাদের নিজস্ব ভাষায় আল্লাহর তাসবিহ পাঠ করে।

অণু-পরমাণু: অতি ক্ষুদ্র পরমাণুর তীব্র গতির ঘূর্ণন স্রষ্টার অপার ক্ষমতা ও শক্তির জানান দেয়।

🕋 ২. হজ্জ ও জিকির: পরিবর্তনের শ্রেষ্ঠ মাধ্যম (Hajj & Dhikr)
জীবনকে নতুন করে আমলমুখী করার জন্য দুটি বড় চাবিকাঠি:

হজ্জ—একটি আত্মিক প্রশিক্ষণ: হজ্জের কঠোর নিয়মাবলী, ইহরাম এবং পূর্ণ আত্মসমর্পণ মানুষকে ধৈর্যশীল, সুশৃঙ্খল এবং পাপাচারমুক্ত এক শান্তিকামী মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে।

দুনিয়া যখন জান্নাত: আল্লাহর জিকির এবং দ্বীনি ইলমের মাধ্যমে একজন ঈমানদার মানুষ দুনিয়াতেই আখেরাতের পরম জান্নাতের স্বাদ ও প্রশান্তি অনুভব করতে পারেন।

হজ্জে মাবরুরের প্রকৃত চিহ্ন: হজ্জ করে ফিরে আসার পর যদি মানুষের জীবনযাত্রায় আমূল ইতিবাচক পরিবর্তন আসে এবং সে পূর্বের চেয়ে বেশি 'আল্লাহওয়ালা' বা দ্বীনদার হয়ে ওঠে—তবে তা-ই হলো হজ্জ কবুল হওয়ার মূল প্রমাণ।

💎 ৩. প্রকৃত সুখের উৎস ঈমান (True Source of Happiness)
বাহ্যিক আরাম-আয়েশ আর আত্মিক শান্তির পার্থক্য এই অংশে স্পষ্ট করা হয়েছে:

বিলাসিতায় শান্তি নেই: জাগতিক বিলাসিতা কখনোই আসল মানসিক প্রশান্তি দেয় না। বিপদে ধৈর্য (সবর) এবং সচ্ছলতায় রবের প্রতি কৃতজ্ঞতা (শুকরিয়া) প্রকাশ করার মাধ্যমেই মনে প্রকৃত শান্তি নেমে আসে।

অপ্রয়োজনীয় কাজ বর্জন: জীবনের সময়ের সঠিক ব্যবহার করা এবং অনর্থক সব সময় অপচয় বন্ধ করে আখেরাতমুখী জীবন গড়ে তোলাই হলো আত্মার আত্মিক উন্নয়নের অন্যতম শর্ত।

💡 আমাদের প্রতিদিনের জীবনের জন্য 'লাইফ লেসন':
১. প্রতিনিয়ত আল্লাহর স্মরণে থাকা: সকাল-সন্ধ্যার জিকির এবং প্রাত্যহিক কাজের মাঝে আল্লাহর জিকিরকে অভ্যাসে পরিণত করুন, যাতে অন্তর জীবন্ত থাকে।

২. অনর্থক সময় অপচয় বন্ধ করা: ডিজিটাল আসক্তি কিংবা অপ্রয়োজনীয় আড্ডার পেছনে সময় অপচয় না করে, সেই সময়টুকুকে দ্বীনি শিক্ষা ও ভালো কাজে লাগান।

৩. সুখের ভুল সংজ্ঞা ত্যাগ করা: দামি গাড়ি-বাড়ি বা বৈষয়িক বস্তুতে স্থায়ী সুখ খোঁজা বাদ দিয়ে ধৈর্য ও শুকরিয়ার অনুশীলনের মাধ্যমে অন্তরের শান্তি নিশ্চিত করুন।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে অন্তরের আত্মিক উন্নয়ন করার তাওফীক দিন, আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে জিকির ও শুকরিয়ার গুণ দান করুন এবং আমাদের জন্য দুনিয়া ও আখেরাতকে প্রশান্তিময় করে দিন। আমীন।

জুমু’আর দিনে করার জন্য অনেকগুলো ইবাদত রয়েছে, এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলোঃ–(১).জুমু’আর সালাত পড়াঃ-হে মুমিনগণ, যখন ...
23/07/2026

জুমু’আর দিনে করার জন্য অনেকগুলো ইবাদত রয়েছে, এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলোঃ–

(১).জুমু’আর সালাত পড়াঃ-

হে মুমিনগণ, যখন জুমু’আর দিনে সালাতের জন্য আহবান করা হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে ধাবিত হও। আর বেচা-কেনা বর্জন কর। এটাই তোমাদের জন্য সর্বোত্তম, যদি তোমরা জানতে।
[সূরা: জুমুআহ, আয়াত: ৯]

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন: “যে ব্যাক্তি (বিনা কারনে) অলসতা করে পরপর তিনটি জুমু’আহ ত্যাগ করে মহান আল্লাহ তার অন্তরে সীলমহর মেরে দেন”।
[সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ১০৫২]

(২).বেশি বেশি দুআ করাঃ-

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন: “এ দিনে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে, যে কোন মুসলিম বান্দা যদি এ সময় সালাতে দাঁড়িয়ে আল্লাহ্‌র নিকট কিছু প্রার্থনা করে, তবে তিনি তাকে অবশ্যই তা দিয়ে থাকেন এবং তিনি হাত দিয়ে ইঙ্গিত করে বুঝিয়ে দিলেন যে, সে মুহূর্তটি খুবই সংক্ষিপ্ত”।
[সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৯৩৫]

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন: “জুমু’আর দিনের বার ঘন্টার মধ্যে এমন একটি মুহুর্ত রয়েছে যদি কোন মুসলিম এ সময় আল্লাহর কাছে কিছু প্রার্থনা করে তাহলে মহান ও সর্বশক্তিমান আল্লাহ তাকে তা দান করেন। এ মুহুর্তটি তোমরা ‘আসরের শেষ সময়ে’ অনুসন্ধান করো”।
[আবু দাউদ, হাদিস নং ১০৪৮, হাদিসটি সহীহ]

(৩).সূরা আল-কাহফ পাঠ করাঃ-

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন: “যে ব্যক্তি জুমু’আর দিনে সূরা কাহফ পাঠ করবে, তার জন্য দুই জুমু’আর মধ্যবর্তী সময়টুকু জ্যোতির্ময় হবে।
[বাইহাক্বী, সহিহ আত তারগিব ৭৩৫, হাদিস সাম্বার, হাদিস নং ১৪৫৭]

(৪).অধিক পরিমানে দরূদ পাঠ করাঃ-

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন: “তোমরা জুমু’আর রাত ও জুমু’আর দিনে আমার ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ কর। যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরুদ পাঠ করে আল্লাহ তা’য়ালা তার ওপর দশবার রহমত নাজিল করেন”।
[আসসুনানুল কুবরা, বায়হাকী ৩/২৪৯, ফাযাইলুল আওকাত, বায়হাকী ২৭৭, আমালুল ইয়াওমি ওয়াল লাইলাহ, ইবনুস সুন্নী ৩৭৯, এর সনদ হাসান পর্যায়ের]

অন্য আরেক হাদিসে আছে- “প্রত্যেক জুমু’আর দিনে তোমরা আমার ওপর অধিক পরিমাণে দরূদ পাঠ কর। কারণ আমার উম্মতের দরূদ প্রতি জুমু’আর দিন আমার কাছে পেশ করা হয়। আর তাদের মধ্য থেকে যে ব্যক্তি আমার ওপর সবচেয়ে বেশি দরুদ পাঠ করে সে অন্যদের তুলনায় আমার বেশি নিকটবর্তী”।
[সুনানে বায়হাক্বী ৩/২৪৯, এর সনদটি হাসান]

আওস ইবনু আওস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন: “তোমাদের দিন সমূহের মধ্যে সর্বোত্তম হলো জুমু’আহর দিন। এদিন আদম (আঃ)-কে সৃষ্টি করা হয়েছিলো, এদিনই তাঁর রূহ কবজ করা হয়েছিলো।

এদিন শিংগায় ফুৎকার দেয়া হবে এবং এদিনই বিকট শব্দ করা হবে। কাজেই এদিন তোমরা আমার উপর বেশি বেশি দরূদ পাঠ করো। কারণ তোমাদের দরূদ আমার কাছে পেশ করা হয়।

আওস ইবনু আওস (রাঃ) বলেন, লোকজন প্রশ্ন করলো, হে আল্লাহর রসূল! কি করে আমাদের দরূদ আপনার নিকট পেশ করা হবে? আপনি তো নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবেন।

বর্ণনাকারী আওস ইবনু আওস (রাঃ) বলেন, লোকেরা বুঝাতে চাচ্ছিল আপনার শরীর তো জরাজীর্ণ হয়ে মিশে যাবে।
রাসূলুল্লাহ (সাঃ)বলেন: মহান সর্বশক্তিমান আল্লাহ্ মাটির জন্য নবী-রসূলগণের দেহকে হারাম করে দিয়েছেন”।
[আবু দাউদ, হাদিস নং ১০৪৭]

বারযাখী জীবনে সবাই জীবিত‼️ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)- বলেন,মৃত ব্যক্তি তাদের জুতার শব্দ শুনতে পায় যখন তারা ফিরে যেতে থাকে, আর তখনই...
23/07/2026

বারযাখী জীবনে সবাই জীবিত‼️
রাসূলুল্লাহ (ﷺ)- বলেন,
মৃত ব্যক্তি তাদের জুতার শব্দ শুনতে পায় যখন তারা ফিরে যেতে থাকে, আর তখনই তাকে বলা হয়, হে অমুক! তোমার রব কে? তোমার দ্বীন কি এবং তোমার নবী (ﷺ) কে?
তিনি (ﷺ) বলেছেন,
অতঃপর তার নিকট দু’জন ফেরেশতা এসে তাকে বসিয়ে উভয়ে প্রশ্ন করে, তোমার রব কে?
তখন সে বলে, আমার রব আল্লাহ।
তাঁরা উভয়ে তাকে প্রশ্ন করে, তোমার দ্বীন কি?
সে বলে, আমার দ্বীন হলো ইসলাম।
তারা প্রশ্ন করে, এ লোকটি তোমাদের মধ্যে প্রেরিত হয়েছিলেন, তিনি কে?
তিনি বলেন, সে বলে, তিনি আল্লাহর রাসূল (ﷺ)।
তারপর তারা উভয়ে আবার বলে, তুমি কি করে জানতে পারলে?
সে বলে, আমি আল্লাহর কিতাব পড়েছি এবং তার প্রতি ঈমান এনেছি এবং সত্য বলে স্বীকার করেছি।
জারীর বর্ণিত হাদীসে রয়েছেঃ এটাই হলো আল্লাহর এ বাণীর অর্থঃ “যারা এ শাশ্বত বাণীতে ঈমান এনেছে তাদেরকে দুনিয়া ও আখিরাতে আল্লাহ সুপ্রতিষ্ঠিত রাখবেন”
(সূরাহ ইবরাহীমঃ ২৭)।
এরপর নবী (ﷺ) বলেছেনঃ
অতঃপর আকাশ হতে একজন ঘোষক ঘোষণা করেন, আমার বান্দা যথাযথ বলেছে। সুতরাং, তার জন্য জান্নাতের একটি বিছানা বিছিয়ে দাও এবং তাকে জান্নাতের পোষাক পরিয়ে দাও। এছাড়া তার জন্য জান্নাতের দিকে একটা দরজা খুলে দাও।
তিনি (ﷺ) বলেন, সুতরাং, তার দিকে জান্নাতের স্নিগ্ধকর হাওয়া ও তার সুগন্ধি বইতে থাকে। তিনি আরো বলেন, ঐ দরজা তার দৃষ্টিসীমা পর্যন্ত প্রশস্ত করা হয়।
অতঃপর নবী (ﷺ) কাফিরদের মৃত্যু প্রসঙ্গে বলেন,
তার রূহকে তার শরীরে ফিরিয়ে আনা হয় এবং দু’জন ফেরেশতা এসে তাকে বসিয়ে প্রশ্ন করে, তোমার রব কে?
সে উত্তর দেয়, হায়! আমি কিছুই জানি না।
তারপর তারা প্রশ্ন করেন, তোমার দ্বীন কি? সে বলে, হায়! আমি কিছুই জানি না।
তারা প্রশ্ন করে, এ লোকটি তোমাদের মধ্যে প্রেরিত হয়েছিলেন তিনি কে? সে বলে, হায়! আমি তো জানি না।
তখন আকাশের দিক হতে একজন ঘোষণাকারী ঘোষণা করেন, সে মিথ্যা বলেছে। সুতরাং, তার জন্য জাহান্নামের একটি বিছানা এনে বিছিয়ে দাও এবং তাকে জাহান্নামের পোষাক পরিয়ে দাও, আর তার জন্য জাহান্নামের দিকে একটা দরজা খুলে দাও।
তিনি বলেন, অতঃপর তার দিকে জাহান্নামের উত্তপ্ত বাতাস আসতে থাকে। এছাড়া তার জন্য তার কবরকে সংকীর্ণ করে দেয়া হয়, ফলে তার এক দিকের পাঁজর অপর দিকের পাঁজরের মধ্যে ঢুকে যায়।
তিনি (ﷺ) বলেন, অতঃপর তার জন্য এক অন্ধ ও বধির ফেরেশতাকে নিযুক্ত করা হয়, যার সঙ্গে একটি লোহার হাতুড়ী থাকবে, যদি এ দ্বারা পাহাড়কে আঘাত করা হয় তাহলে তা ধূলায় পরিণত হয়ে যাবে।
নবী (ﷺ) বলেন, তারপর সে তাকে হাতুড়ী দিয়ে সজোরে আঘাত করতে থাকে, এতে সে বিকট শব্দে চিৎকার করতে থাকে যা মানুষ ও জিন ছাড়া পূর্ব হতে পশ্চিম পর্যন্ত সকল সৃষ্টি জীবই শুনতে পায়। আঘাতের ফলে সে মাটিতে মিশে যায়।
তিনি বলেন, অতঃপর (শাস্তি অব্যাহত রাখার জন্য) পুনরায় তাতে রুহ ফেরত দেয়া হয়।
📚
সুনানে আবু দাউদঃ ৪৭৫৩, ৪৭৫১
বুখারীঃ ১৩৩৮, ১৩৭৪
মিশকাতঃ ১৩১, ১৩৯, ১৬৩০
ইবনে মাজাহঃ ৪২৬৮
হাদিসে কুদসিঃ ৬৬
হাদিস সম্ভারঃ ১৩৮২
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস।

রাসুলুল্লাহ ﷺ কে আল্লাহ ইহকালে সম্মানিত করেছেন, আত্মার জগতে সম্মানিত করেছেন, কিয়ামত দিবসে সম্মানিত করবেন এবং ইনশা আল্লাহ জান্নাতের সর্বোচ্চ স্থান দান করবেন।
কিন্তু তুমি যদি বলো রাসুলুল্লাহ ﷺ মরেন নাই, তিনি জিন্দা‼️
তাহলে আল্লাহ যে একমাত্র চিরঞ্জীব এই কথা তুমি অস্বীকার করছো 💥

এই উম্মতের শ্রেষ্ঠ মানুষ, প্রথম খলিফা, রাসুলুল্লাহ ﷺ এর সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সহচর, সাহাবী ও শ্বশুর আবু বক্কর রাঃ বলে ছিলেনঃ

❝তোমাদের মাঝে যারা মুহাম্মাদ (ﷺ) -এর ইবাদত করতে, মুহাম্মাদ (ﷺ) সত্যই মারা গেছেন।
আর যারা মহান আল্লাহর ইবাদত করতে, নিশ্চয় আল্লাহ্‌ চিরঞ্জীব, অমর।❞
📚
সহিহ বুখারীঃ ১২৪১, ১২৪২, ৪৪৫৪
ইবনে মাজাহঃ ১৬২৭
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস।

হাদিসের ৪টি মহামূল্যবান উপদেশ ও জীবনদর্শন:আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম...
23/07/2026

হাদিসের ৪টি মহামূল্যবান উপদেশ ও জীবনদর্শন:

আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন,

«عَلِّمُوا وَيَسِّرُوا وَلَا تُعَسِّرُوا، وَبَشِّرُوا وَلَا تُنَفِّرُوا، وَإِذَا غَضِبَ أَحَدُكُمْ فَلْيَسْكُتْ»

ক. তোমরা শিক্ষা দাও।
খ. সহজ করো; কঠিন করো না।
গ. সুসংবাদ দাও, বিমুখ করো না।
ঘ. আর তোমাদের কেউ রাগান্বিত হলে সে যেন চুপ থাকে।"
[মুসনাদে আহমদ: ২৫৫৬, সিলসিলাতুস সহিহাহ: ১৩৭৫]

এই হাদিসটিতে চারটি গুরুত্বপূর্ণ জীবনদর্শন ও আচরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে:

✪ ১. অন্যের মাঝে জ্ঞানের সৌরভ ছড়িয়ে দিন এবং অজ্ঞতার অন্ধকারে শিক্ষার আলো জ্বালান।

✪ ২. দ্বীন ও দুনিয়ার যে কোনও বিষয়ে রুক্ষতা ও কঠোরতা পরিহার করুন। বিষয়গুলোকে সহজ করুন এবং জটিলতা মুক্তভাবে উপস্থাপন করুন।

✪ ৩. মানুষকে সুসংবাদ শুনান, উৎসাহিত করুন এবং তাদের সামনে আশার আলো জ্বালান। তাদের দূরে ঠেলে দেবেন না। এমন আচরণ করবেন না যে, তারা কষ্টে ও হতাশায় দূরে সরে যায়।

✪ ৪. আত্মনিয়ন্ত্রণ করুন। রাগের মাথায় কোনও ভুল আচরণ করবেন না বা ভুল কথা বলবেন না। বরং নীরবতা অবলম্বন করুন।
ক্রোধের মুহূর্তে মৌনতা অবলম্বন করা নিজেকে নিয়ন্ত্রণের সর্বোত্তম উপায়।
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে এই মহামূল্যবান হাদিসটির শিক্ষা আমাদের জীবনে প্রয়োগ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
- আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানি

Address

Keraniganj
Dhaka
1310

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Muhammad Shop Point posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share