শেফায়ে কোরআনি রুকাইয়া সেন্টার

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • শেফায়ে কোরআনি রুকাইয়া সেন্টার

শেফায়ে কোরআনি রুকাইয়া সেন্টার Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from শেফায়ে কোরআনি রুকাইয়া সেন্টার, Religious Center, Tongi Station Road, Gazipur, Dhaka.

শেফায়ে কোরআনি রুকাইয়া সেন্টার কুরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী জ্বিনের আসর, বদনজর, যাদু, এবং মানসিক অস্থিরতার সমাধানে রুকাইয়া সেবা প্রদান করা হয়। সেন্টারে আসার পূর্বে শিডিউল কনফার্ম করুন। 📞 01955-209500 শেফায়ে কোরআনি রুকাইয়া সেন্টার 📖🕌
কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে আপনার জীবনের সব সমস্যার সমাধান 🌟

আমাদের সেবা 🌟
আমাদের রুকাইয়া সেন্টার কুফর ও শিরক-মুক্ত, পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহর নির্দেশিত পদ্ধতিতে ঝাড়ফুঁক বা

রুকইয়াহ প্রদান করে। বদনজর, হিংসা, জ্বিনের আসর, যাদু, মানসিক অস্থিরতা, ওয়াসওয়াসা, এবং অন্যান্য আধ্যাত্মিক সমস্যার সমাধানে আমরা বিশেষজ্ঞ। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে আপনাকে কুরআন ও সুন্নাহর সঠিক পথে সাহায্য করা।

আমাদের পদ্ধতি
আমাদের পদ্ধতি সম্পূর্ণ কুরআন ও হাদিসের উপর ভিত্তি করে। ❌ কোন কুফরী, শিরকী বা ভ্রান্ত পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় না।
আমরা সমস্যার মূল কারণ চিহ্নিত করে কুরআনের আয়াত এবং রাসুলুল্লাহ (সা.) এর সুন্নাহ অনুসারে চিকিৎসা প্রদান করি।

সেবার সুবিধা
কুরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী রুকাইয়া সেবা 📜
জ্বিন, বদনজর, এবং যাদুর সমাধান 🔮
মানসিক শান্তি ও আধ্যাত্মিক শক্তি বৃদ্ধি 🌼
বিশেষজ্ঞ আলেমদের মাধ্যমে পরামর্শ 📞
সম্পূর্ণ ইসলামিক পরিবেশ 🌙
সেন্টারে আসার পূর্বে
আমাদের সেন্টারে আসার আগে অবশ্যই ফোনের মাধ্যমে শিডিউল নিশ্চিত করুন। এটি আমাদেরকে আপনাকে সর্বোত্তম সেবা প্রদান করতে সাহায্য করবে।

যোগাযোগ 📞
📍 ঠিকানা: করমতলা, টঙ্গী, গাজীপুর মহানগর।
📞 মোবাইল: 01955-209500, 01558-985202

আমাদের লক্ষ্য 💡
আমাদের লক্ষ্য হলো কুরআনের আলোকে মানুষের জীবনকে সুস্থ, সুখী এবং শান্তিময় করা। আমরা বিশ্বাস করি, আল্লাহর সাহায্যে সব সমস্যার সমাধান সম্ভব।

আপনার জীবনের আধ্যাত্মিক চাহিদার সমাধানের জন্য আমাদের সেবা গ্রহণ করুন। আমাদের সেবার মাধ্যমে আপনি পেতে পারেন মানসিক শান্তি এবং আল্লাহর নৈকট্য।

#রুকাইয়া #শেফায়ে_কোরআনি #কুরআন #সুন্নাহ #ঝাড়ফুঁক #আধ্যাত্মিক_চিকিৎসা #বদনজর #যাদু #জ্বিন #ওয়াসওয়াসা #কুরআনিয়_চিকিৎসা #ইসলামিক_সেবা #রুকাইয়া_সেন্টার #আল্লাহর_রাস্তা #কুরআনের_আলো #গাজীপুর #টঙ্গী #করমতলা #সুস্থ_জীবন #ইসলামিক_জীবনধারা #আধ্যাত্মিকতা #দুয়াময়_জীবন #সুখী_জীবন #হিংসা_দূর #বিশুদ্ধ_ইসলাম #দার্শনিক_সমাধান #বিশুদ্ধ_ঝাড়ফুঁক #মনের_শান্তি #অশুভ_প্রভাব #রুকাইয়া_থেরাপি #ইসলামিক_পরামর্শ #আধ্যাত্মিক_শক্তি #জীবনের_সমাধান #ইসলামের_আলো #সঠিক_পথ #কুরআনিয়_পথ #বিশুদ্ধ_পদ্ধতি #মানসিক_শান্তি #হাসি_আনে_ইসলাম #প্রতিরোধ_ও_সমাধান #ইসলামিক_মেডিসিন #বিশুদ্ধতা #শান্তিময়_জীবন #সেবা_দানের_কেন্দ্র #আধ্যাত্মিক_মুক্তি িকিৎসা #আলহামদুলিল্লাহ

23/12/2025

আল্লাহর ইচ্ছায় জাদু প্রকাশের সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি

অনেকেই অনুভব করেন-শরীর, মন বা পরিবারে হঠাৎ অজানা সংকট নেমে আসে…
চিকিৎসা করেও সমাধান হয় না…
শুধু সন্দেহ-“হয়তো কোথাও জাদু করা হয়েছে?”

প্রিয়জনেরা,
সঠিক পদ্ধতিতে রুকিয়াহ করলে আল্লাহর ইচ্ছায় জাদু প্রকাশ পায়, এমনকি স্বপ্নেও স্পষ্ট হয়ে ওঠে জাদুর ধরন ও উৎস।
নীচে দেওয়া হলো সেই সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি

জাদু প্রকাশ ও ফাঁস করার প্রমাণিত রুকইয়াহ পদ্ধতি

১. রুকইয়াহ পানি প্রস্তুত করুন।

একটি পাত্রে সামান্য পানি নিন
এর মধ্যে-
পিং সলট (খাবার উপযোগী মোটা দানাযুক্ত লবণ)
বড়ই পাতার গুঁড়া বা আস্ত বড়ই পাতা
যোগ করুন।

২. পানি মিশ্রণে আয়াত পড়ুন ও ফুঁ দিন

এই আয়াতগুলো পাঠ করুন এবং (ফুঁ) দিনঃ-

সূরা ফাতিহা (সম্পূর্ণ)
জাদুর আয়াতসমূহ (আয়াতুস সিহর)

বিশেষভাবে এই আয়াতগুলো বারবার পড়ুনঃ-

﴿يَوْمَ يُكْشَفُ عَنْ سَاق - আল-কালাম

﴿وَكَشَفَتْ عَنْ سَاقَيْهَا﴾ - আন-নামল

﴿رَبَّنَا اكْشِفْ عَنَّا الْعَذَابَ﴾ - আদ-দুখান

﴿وَيَكْشِفُ السُّوءَ﴾ - আন-নামল

এগুলো ‘কাশফ’ (উন্মোচন / প্রকাশ) নির্দেশ করে-
এবং আল্লাহর হুকুমে গোপন জাদু প্রকাশে অত্যন্ত কার্যকর।

৩. ঘরের চারপাশে ছিটিয়ে দিন

এই পানি দিয়ে-
• ঘরের চার কোণা।
• দরজা।
• জানালা।
• দেয়ালের নিচের অংশ।
• চৌকাঠ।

সব জায়গায় ছিটিয়ে দিন।

আপনি যদি মনে করেন জাদু ঘরের বাইরে কোথাও লুকানো-মাটি, কবর, আঙিনা-
সেখানেও ছিটাতে পারেন।

৪. ঘুমানোর আগে বিশেষ দোয়া

রাতে ঘুমানোর আগে এই দোয়া পড়ুন
"আল্লাহুম্মা ইয়া মুক্বতাদিরু, ইয়া কাশাফাল-গাম্মি ওয়াল-হাম্ম; ইকশিফ হাযাস-সিহরা, ওয়াজ‘আলহু লানা রাহমাহ, ইয়া রহমান, ইয়া রহীম।"
(অর্থ: হে সর্বশক্তিমান আল্লাহ! হে দুঃখ ও কষ্ট দূরকারী! এই জাদুটি আমাদের জন্য প্রকাশ করে দাও এবং রহমত বানিয়ে দাও।)

ফলাফল কী হবে?

ইনশাআল্লাহ-
এই আমলের বরকতে স্বপ্নে জাদু প্রকাশ পেতে শুরু করবে।
কোথায় রাখা হয়েছে
কে বা কী দ্বারা হয়েছে
কোন ধরন
কোন কারণে
সবই পরিস্কার হয়ে উঠবে।

মরক্কোর রাকী মুহাম্মাদ আল-গানাইয়ী এর পরামর্শ
এটি আমল করে দেখতে পারেন আশাকরি উপকৃত হবেন।

সুস্থতার পথে একে অন্যকে সাহায্য করার জন্য, পোস্টটি শেয়ার করে অন্যকে জানিয়ে দিন।

03/12/2025

আপনি যেভাবে যাদুকরদের ওপর লা’আনত প্রদান করবেন

যাদুর অত্যাচার, যাদুকর ও যাদুর খাদিম জ্বীন থেকে রক্ষা ও তাদের ওপর আল্লাহর অভিশাপ (লা’আনত) কামনা করা অত্যাচারিত মানুষের অধিকার। ইসলামে জালেম, কাফের, মুনাফিক, শয়তান ইত্যাদির ওপর লা’আনত করার বহু দোয়া ও কুরআনের আয়াত রয়েছে।

নিয়মিতভাবে নিম্নের আমলগুলো পালন করতে পারেন

১. সুরা আনফাল ও সুরা লাহাব তিলাওয়াত

লা’আনত ও বদদোয়ার নিয়তে প্রতিদিন নিয়মিত সুরা আনফাল ও সুরা লাহাব পড়ুন। যাদুকরদের বিরুদ্ধে আল্লাহর সাহায্য কামনার ক্ষেত্রে এগুলো অত্যন্ত উপকারী। পাশাপাশি লা"নতের নিয়তে নিচের কুরআনে বর্নীত লা"নতের আয়াত ও হাদিসে বর্নীত দুআ গুলো পাঠ করুন।

সূরা আল-বাকারা
১. বাকারা ৮৮
وَقَالُوا قُلُوبُنَا غُلْفٌ بَل لَّعَنَهُمُ اللَّهُ بِكُفْرِهِمْ فَقَلِيلًا مَّا يُؤْمِنُونَ
২. বাকারা ৮৯
وَلَمَّا جَاءَهُمْ كِتَابٌ مِّنْ عِندِ اللَّهِ مُصَدِّقٌ لِّمَا مَعَهُمْ وَكَانُوا مِن قَبْلُ يَسْتَفْتِحُونَ عَلَى الَّذِينَ كَفَرُوا فَلَمَّا جَاءَهُم مَّا عَرَفُوا كَفَرُوا بِهِ فَلَعْنَتُ اللَّهِ عَلَى الْكَافِرِينَ
৩. বাকারা ১৫৯
إِنَّ الَّذِينَ يَكْتُمُونَ مَا أَنزَلْنَا مِنَ الْبَيِّنَاتِ وَالْهُدَىٰ مِنۢ بَعْدِ مَا بَيَّنَّاهُ لِلنَّاسِ فِي الْكِتَابِ أُولَٰئِكَ يَلْعَنُهُمُ اللَّهُ وَيَلْعَنُهُمُ اللَّاعِنُونَ
৪. বাকারা ১৬১
إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا وَمَاتُوا وَهُمْ كُفَّارٌ أُولَٰئِكَ عَلَيْهِمْ لَعْنَةُ اللَّهِ وَالْمَلَائِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ

সূরা আলে ইমরান
৫. আলে ইমরান ৬১
فَمَنْ حَاجَّكَ فِيهِ مِنۢ بَعْدِ مَا جَاءَكَ مِنَ الْعِلْمِ فَقُلْ تَعَالَوْا نَدْعُ أَبْنَاءَنَا وَأَبْنَاءَكُمْ وَنِسَاءَنَا وَنِسَاءَكُمْ وَأَنفُسَنَا وَأَنفُسَكُمْ ثُمَّ نَبْتَهِلْ فَنَجْعَل لَّعْنَتَ اللَّهِ عَلَى الْكَاذِبِينَ
৬. আলে ইমরান ৮৭
أُولَٰئِكَ جَزَاؤُهُمْ أَنَّ عَلَيْهِمْ لَعْنَةَ اللَّهِ وَالْمَلَائِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ

সূরা আন-নিসা
৭. নিসা ৪৬
مِنَ الَّذِينَ هَادُوا يُحَرِّفُونَ الْكَلِمَ عَن مَّوَاضِعِهِ وَيَقُولُونَ سَمِعْنَا وَعَصَيْنَا وَاسْمَعْ غَيْرَ مُسْمَعٍ وَرَاعِنَا لَيًّا بِأَلْسِنَتِهِمْ وَطَعْنًا فِي الدِّينِ وَلَٰكِن لَّعَنَهُمُ اللَّهُ بِكُفْرِهِمْ فَلَا يُؤْمِنُونَ إِلَّا قَلِيلًا
৮. নিসা ৪৭
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ آمِنُوا بِمَا نَزَّلْنَا مُصَدِّقًا لِّمَا مَعَكُم مِّن قَبْلِ أَن نَّطْمِسَ وُجُوهًا فَنَرُدَّهَا عَلَىٰ أَدْبَارِهَا أَوْ نَلْعَنَهُمْ كَمَا لَعَنَّا أَصْحَابَ السَّبْتِ وَكَانَ أَمْرُ اللَّهِ مَفْعُولًا
৯. নিসা ৫২
أُولَٰئِكَ الَّذِينَ لَعَنَهُمُ اللَّهُ وَمَن يَلْعَنِ اللَّهُ فَلَن تَجِدَ لَهُ نَصِيرًا
১০. নিসা ৯৩
وَمَن يَقْتُلْ مُؤْمِنًا مُّتَعَمِّدًا فَجَزَاؤُهُ جَهَنَّمُ خَالِدًا فِيهَا وَغَضِبَ اللَّهُ عَلَيْهِ وَلَعَنَهُ وَأَعَدَّ لَهُ عَذَابًا عَظِيمًا
১১. নিসা ১১৮
لَّعَنَهُ اللَّهُ وَقَالَ لَأَتَّخِذَنَّ مِنْ عِبَادِكَ نَصِيبًا مَّفْرُوضًا

সূরা আল-মায়িদা
১২. মায়িদা ১৩
فَبِمَا نَقْضِهِم مِّيثَاقَهُمْ لَعَنَّاهُمْ وَجَعَلْنَا قُلُوبَهُمْ قَاسِيَةً ...
১৩. মায়িদা ৬০
قُلْ هَلْ أُنَبِّئُكُم بِشَرٍّ مِّن ذَٰلِكَ مَثُوبَةً عِندَ اللَّهِ مَن لَّعَنَهُ اللَّهُ وَغَضِبَ عَلَيْهِ ...
১৪. মায়িদা ৬৪
وَقَالَتِ الْيَهُودُ يَدُ اللَّهِ مَغْلُولَةٌ ... وَلُعِنُوا بِمَا قَالُوا ...
১৫. মায়িদা ৭৮
لُعِنَ الَّذِينَ كَفَرُوا مِنۢ بَنِي إِسْرَائِيلَ عَلَىٰ لِسَانِ دَاوُودَ وَعِيسَى ابْنِ مَرْيَمَ ...

সূরা আল-আ‘রাফ
১৬. আ‘রাফ ৩৮
قَالَ ادْخُلُوا فِي أُمَمٍ قَدْ خَلَتْ مِن قَبْلِكُم مِّنَ الْجِنِّ وَالْإِنسِ فِي النَّارِ ... لَعَنَتْ أُخْتُهَا ...
১৭. আ‘রাফ ৪৪
وَنَادَىٰ أَصْحَابُ الْجَنَّةِ ... أَن لَّعْنَتُ اللَّهِ عَلَى الظَّالِمِينَ

সূরা আত-তাওবা
১৮. তাওবা ৬৮
وَعَدَ اللَّهُ الْمُنَافِقِينَ وَالْمُنَافِقَاتِ ... وَلَعَنَهُمُ اللَّهُ وَلَهُمْ عَذَابٌ مُّقِيمٌ

সূরা হুদ
১৯. হুদ ১৮
وَمَنْ أَظْلَمُ مِمَّنِ افْتَرَىٰ عَلَى اللَّهِ كَذِبًا ... أَلَا لَعْنَتُ اللَّهِ عَلَى الظَّالِمِينَ
২০. হুদ ৬০
وَأُتْبِعُوا فِي هَٰذِهِ الدُّنْيَا لَعْنَةً وَيَوْمَ الْقِيَامَةِ ...
২১. হুদ ৯৯
وَأُتْبِعُوا فِي هَٰذِهِ لَعْنَةً وَيَوْمَ الْقِيَامَةِ ...

সূরা আর-রাদ
২২. রাদ ২৫
أُولَٰئِكَ لَهُمُ اللَّعْنَةُ وَلَهُمْ سُوءُ الدَّارِ

সূরা আল-হিজর
২৩. হিজর ৩৫
وَإِنَّ عَلَيْكَ اللَّعْنَةَ إِلَىٰ يَوْمِ الدِّينِ

সূরা আন-নূর
২৪. নূর ৭
وَالْخَامِسَةُ أَنَّ لَعْنَتَ اللَّهِ عَلَيْهِ إِن كَانَ مِنَ الْكَاذِبِينَ
২৫. নূর ২৩
إِنَّ الَّذِينَ يَرْمُونَ الْمُحْصَنَاتِ ... لُعِنُوا فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ ...

সূরা আল-কাসাস
২৬. কাসাস ৪২
وَأَتْبَعْنَاهُمْ فِي هَٰذِهِ الدُّنْيَا لَعْنَةً وَيَوْمَ الْقِيَامَةِ ...

সূরা আল-আনকাবুত
২৭. আনকাবুত ২৫.. ثُمَّ يَوْمَ الْقِيَامَةِ يَكْفُرُ بَعْضُكُم بِبَعْضٍ وَيَلْعَنُ بَعْضُكُمْ بَعْضًا ...

সূরা আল-আহযাব
২৮. আহযাব ৫৭
إِنَّ الَّذِينَ يُؤْذُونَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ لَعَنَهُمُ اللَّهُ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ ...
২৯. আহযাব ৬৪
إِنَّ اللَّهَ لَعَنَ الْكَافِرِينَ وَأَعَدَّ لَهُمْ سَعِيرًا
৩০. আহযাব ৬৮
رَبَّنَا آتِهِمْ ضِعْفَيْنِ مِنَ الْعَذَابِ وَالْعَنْهُمْ لَعْنًا كَبِيرًا

সূরা সাদ
৩১. সাদ ৭৮
وَإِنَّ عَلَيْكَ لَعْنَتِي إِلَىٰ يَوْمِ الدِّينِ

সূরা আল-মু’মিন (গাফির)
৩২. গাফির ৫২
يَوْمَ لَا يَنفَعُ الظَّالِمِينَ مَعْذِرَتُهُمْ وَلَهُمُ اللَّعْنَةُ وَلَهُمْ سُوءُ الدَّارِ

সূরা মুহাম্মদ
৩৩. মুহাম্মদ ২৩
أُولَٰئِكَ الَّذِينَ لَعَنَهُمُ اللَّهُ فَأَصَمَّهُمْ وَأَعْمَىٰ أَبْصَارَهُمْ

সূরা আল-ফাতহ
৩৪. ফাতহ ৬
وَيُعَذِّبَ الْمُنَافِقِينَ وَالْمُنَافِقَاتِ ... عَلَيْهِمْ دَائِرَةُ السَّوْءِ وَلَعَنَهُمْ وَأَعَدَّ لَهُمْ جَهَنَّمَ وَسَاءَتْ مَصِيرًا

৩. পাশাপাশি লা’আনতের দুআসমূহ:

১. শত্রুর অনিষ্ট থেকে রক্ষা

اللَّهُمَّ إِنَّا نَجْعَلُكَ فِي نُحُورِهِمْ وَنَعُوذُ بِكَ مِنْ شُرُورِهِمْ
অর্থ: হে আল্লাহ, আমরা তোমাকে তাদের মোকাবেলায় উপস্থিত করি এবং তাদের অনিষ্ট থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই।

(আবু দাউদ ১৫৩৭ সহীহ)

২. খন্দক যুদ্ধে নবি ﷺ এর দোয়া

اللَّهُمَّ مُنْزِلَ الْكِتَابِ، سَرِيعَ الْحِسَابِ، اهْزِمِ الأَحْزَابَ، اهْزِمْهُمْ وَزَلْزِلْهُمْ
অর্থ: হে আল্লাহ! হে কিতাব অবতারণকারী! হে দ্রুত হিসাবগ্রহণকারী! শত্রু দলকে পরাস্ত করুন, তাদের ধ্বংস করুন এবং তাদের প্রকম্পিত করে দিন।
(বুখারি ৬৩৯২)

৩. শত্রু ও অপকারী সম্প্রদায়ের ভয় থাকলে

اللَّهُمَّ اكْفِنِيهِمْ بِمَا شِئْتَ
অর্থ: হে আল্লাহ, আপনি যেমন ইচ্ছা তাদের মোকাবেলায় আমার জন্য যথেষ্ট হন।(মুসলিম ৩০০৫)

৪. লা’আনতের বিশেষ সময়ে দোয়া

নিম্নের সময়গুলো দোয়া কবুলের সময়, তাই লা’আনতের দোয়া এখানগুলোতে করুন

তাহাজ্জুদের পর

প্রতিদিন মাগরিবের আগে

পাঁচ ওয়াক্ত আজানের সময়

বৃষ্টির সময়

জুমআর দুই খুতবার মধ্যবর্তী সময়

আসর থেকে মাগরিবের পূর্ব পর্যন্ত

রোজাদারের ইফতারের আগ মুহূর্ত

সিজদায় কান্নারত অবস্থায় দোয়া

৫. লা'নতের আমল গুলো ধারাবাহিকতা বজায় রাখুন

এই আমলগুলো নিয়মিতভাবে চালিয়ে যান যতক্ষণ না
যাদুর ইন্ধনদাতা, যাদুকর, যাদুর খাদিম জ্বীন শয়তানেরকে আল্লাহর পক্ষ থেকে ধ্বংস ও নিঃশেষ না হয়।

ইনশাআল্লাহ, আল্লাহ তাআলা আপনার ওপর চালানো যুলুমের প্রতিশোধ তাঁর পক্ষ থেকেই নেবেন এবং যাদুকরদের প্রাপ্য শাস্তি তাদেরকে পৌঁছে দেবেন।

আমাদের তৈরি প্যারা সন্দেশ,দেশিয় গরুর দুধ থেকে তৈরি অসাধারণ সাধের এই সন্দেশ 😋😋একবার খেয়েই দেখুন,,আমরা কথায় নয় কাজে বি...
15/11/2025

আমাদের তৈরি প্যারা সন্দেশ,
দেশিয় গরুর দুধ থেকে তৈরি অসাধারণ সাধের এই সন্দেশ 😋😋
একবার খেয়েই দেখুন,,
আমরা কথায় নয় কাজে বিশ্বাসী 🥳🥳

25/10/2025

রুকিয়াহ/ঝাড়ফুক

রুকিয়াহ শুরু করার পূর্বে লক্ষনীয় বিষয়

১। আপনি উল্লেখিত আয়াতসমূহ ও দু'আ পড়ে ঝাড়বেন। তবে যদি রোগী বেহুশ হয়ে পড়ে আর জ্বিন কথা বলতে থাকে তবুও সেই পূর্বের উল্লেখিত পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে।

চিকিৎসক তার হাত রোগীর মাথায় রাখবে এবং তার কানের কাছে এই সব দু'আ ও আয়াত সতর্কতার সাথে এবং বিশুদ্ধ ও স্বজোরে পড়বে।

আয়াতসমূহ হলো-
সূরা ফাতিহা
সূরা বাকরাঃ ১-৫
সূরা বাকারাঃ ১০২এ আয়াতটি বেশি বেশি পড়বে।
সূরা বাকারাঃ ১৬৩-১৬৪
সূরা বাকরাঃ ২৫৫
সূরা বাকারাঃ ২৮৫
সূরা আলে ইমরানঃ ১৮-১৯
সূরা আ'রাফঃ ৫৪-৫৬
সূরাঃ আরাফঃ ১১৭-১২২ আয়াতগুলি বেশি বেশি পড়বে, বিশেষ করে ‘وَأُلْقِيَ السَّحَرَةُ سَاجِدِينَ’ অংশটি।।
সূরা ইউনুসঃ ৮১-৮২ এটিও বেশি বেশি পড়বে, বিশেষ করেঃ " إِنَّ اللَّهَ سَيُبْطِلُهُ " অংশটি বেশি বেশি পড়বে।
সূরা ত্বাহাঃ ৬৯
সূরা মু'মিনুনঃ ১১৫-১১৮
সূরা সাফফাত ১-১০
আহকাফঃ ২৯-৩২
সূরা রহমানঃ ৩৩-৩৬
সূরা হাশরঃ ২১-২৪
সূরা জ্বিন ১-৯
সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক, সূরা নাস।

এটা প্রথম পদ্ধতি।এই পদ্ধতি অবলম্বন করার পরব সমস্যা সমাধান না হলে দ্বিতীয় পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে।

পদ্ধতি ২

আর যদি রোগী বেহুশ না হয় আর শরীরে অন্য ধরণের পরিবর্তন অনুভব করে তবে তাকে নিম্নের নির্দেশনা মেনে চলার জন্য বলতে হবেঃ

১ । সকল নামায সঠিক সময়ে পড়ার পাবন্দি থাকতে হবে।

২ । গান-বাজনা থেকে বেঁচে চলতে হবে।

৩। শুয়ার পূর্বে অযু করে আয়াতুল কুরসী পড়ে নিবে।

৪ । দু'হাত তুলে শুয়ার পূর্বে সূরা ফালাক ও সূরা নাস পড়ে হাতে ফুঁ দিয়ে সমস্ত শরীর স্পর্শ করবে (এমনটি তিনবার করবে)

৫ । আয়াতুল কুরসী এক ঘন্টার ক্যাসেটে বার বার রেকর্ড করে দৈনিক একবার শুনবে ।

৬। অন্য একটি এক ঘণ্টার ক্যাসেটে বার বার সূরা ফালাক, নাস ও ইখলাস রেকর্ড করে দৈনিক কমপক্ষে একবার শুনবে।

৭। পূর্বে বর্ণিত কুরআনের আয়াতসমূহ ও দু'আ পড়ে পানিতে ফু দিয়ে রোগীকে পান করতে বলবে এবং সেই পানি দিয়ে গোসল করাবে এই কাজটি তিন দিন করবে। আর গোসল কোন পবিত্র স্থানে করবে।

৮ । রোগী অবশ্যই ফজরের নামাযের পর দৈনিক (لَا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ) একশ’বার পড়বে।

৯। শরয়ী পর্দা মেনে চলবে।

এই আমল এক মাস পর্যন্ত করবে। এরপর দু'টি অবস্থার একটি হবেঃ

ইনশাআল্লাহ হয়ত সে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যাবে অথবা তার কষ্ট বৃদ্ধি পাবে এবং কুরআন পড়ে রোগীকে ঝাড়লে বেহুশ হয়ে যাবে। এমন অবস্থায় পূর্বের বর্ণিত পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে।

পদ্ধতি তিন
যদি ঝাড়-ফুক করার সময় কোন পরিবর্তন পরিলক্ষিত না হয়; তবে তাকে পুনরায় তার লক্ষণ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে হবে এরপর যদি অধিকাংশ লক্ষণই অবর্তমান হয়, তবে বুঝতে হবে সে যাদুগ্ৰস্ত বা অন্য কোন রোগী নয়। অবস্থা নিশ্চিত হবে, অতঃপর তিনবার করে ঝাড়-ফুক করবে এরপরও যদি লক্ষণ ফুটে না ওঠে আর বার বার ঝাড়-ফুক করা হয়; কিন্তু কিছুই অনুভব না করে, তবে এ অবস্থা খুবই কম

22/10/2025

আমাদের খাঁটি গাওয়া ঘি
২৫০ গ্রাম ৪০০ টাকা,
৫০০ গ্রাম ৭০০ টাকা
আর ১ কেজি ১৪০০ টাকা।

২ কেজি বা তার বেশি অর্ডারে সারাদেশে হোম ডেলিভারি একদম ফ্রি!

এটা সম্পূর্ণ গরুর দুধের ক্রিম থেকে হাতে তৈরি, কোনো ভেজাল কিছুই নাই। অনেকেই প্রথমবার খেয়ে বলেন, আগের ঘি-এর মতো ঘ্রাণ আর স্বাদ।

আপনি চাইলে ছোট প্যাকটা একবার ট্রাই করে দেখতে পারেন — আমরা গ্যারান্টি দিচ্ছি, একবার খেলেই বুঝবেন পার্থক্যটা।

আমাদের Whatsapp নাম্বার 01955209500

22/10/2025

★ ফিটকিরি ব্যবহারে রয়েছে আশ্চর্য রকমের উপকারিতা এবং একই সাথে স্বাস্থ্য, সৌন্দর্য, সংক্রমণ প্রতিরোধ ও গৃহস্থালির কাজে অনন্য উপকারিতা।

তো চলুন আজকে ফিটকিরির বিভিন্ন উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিই

★ ত্বক ও সৌন্দর্যে ফিটকিরি

১. ব্রণ দূর করে ফিটকিরি গুড়া ও গোলাপজল মিশিয়ে মুখে লাগান।

২. ত্বকের ছিলা ভাব দূর করে ফিটকিরি জল দিয়ে প্রতিদিন মুখ ধুয়ে নিন।

৩. চুলকানি কমায় ফিটকিরি জল দিয়ে আক্রান্ত স্থান ধুয়ে নিন।

৪. ত্বক মসৃণ করে স্নানের জল তে ফিটকিরি মিশিয়ে স্নানে করুন।

৫. দাড়ি কামানোর পর জীবাণুনাশক কাজ করে ফিটকিরি ব্লক ভিজিয়ে মুখে ঘষুন।

৬. পায়ের ফাটা গোড়ালি সারায় ফিটকিরি জল দিয়ে পা ডুবিয়ে রাখুন, এরপর তেল মেখে ফেলুন।

৭. ত্বকের জ্বালা ও পোড়া কমায় আক্রান্ত স্থানে ফিটকিরি জল লাগান।

★ ক্ষত ও সংক্রমণ প্রতিরোধে

৮. ছোট কাটা-ছেঁড়া দ্রুত সারায় ভেজা ফিটকিরি সরাসরি ক্ষতে লাগান।

৯. অতিরিক্ত ঘাম কমায় বগলে ফিটকিরি জল লাগান।

১০. ইনফেকশন প্রতিরোধ করে ক্ষতস্থানে ফিটকিরি গুড়া ছিটিয়ে দিন।

১১. ফোড়া শুকায় গরম জলতে ফিটকিরি মিশিয়ে তুলা দিয়ে লাগান।

১২. চুলকানিযুক্ত চর্মরোগ উপশম করে ফিটকিরি জল দিয়ে আক্রান্ত স্থান ধুয়ে নিন।

১৩. পায়ের ফাঙ্গাস দূর করে ফিটকিরি জল দিয়ে পা ধুয়ে নিন।

১৪. গৃহপালিত পশুর ক্ষত সারায় ক্ষতস্থানে ফিটকিরি জল লাগান।

১৫. জল জীবাণু নাশ করে জলতে সামান্য ফিটকিরি দিয়ে রেখে পরিস্কার করে নিন।

১৬. জল ময়লা পরিষ্কার করে ফিটকিরি মিশিয়ে রাখলে ময়লা নিচে জমে যাবে।

১৭. কাপড়ের দুর্গন্ধ দূর করে জল তে ফিটকিরি মিশিয়ে নিন।

১৮. স্নানঘরের দুর্গন্ধ কমায় ফিটকিরি জল ছিটিয়ে দিন।

১৯. জুতা দুর্গন্ধমুক্ত করে জুতায় ফিটকিরি গুড়া ছিটিয়ে দিন রাতে।

২০. শৌচাগারের দুর্গন্ধ দূর করে ফিটকিরি জল ছিটিয়ে দিন।

২১. বাথটবের জল জীবাণুমুক্ত করে স্নানের জল তে ফিটকিরি দিন।

২২. মাছ পরিষ্কার করার পর গন্ধ দূর করে ফিটকিরি জল দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলুন।

★ মুখ ও দাঁতের যত্নে

২৩. দাঁতের ব্যথা কমায় ফিটকিরি জল দিয়ে কুলি করুন।

২৪. মুখের দুর্গন্ধ দূর করে ফিটকিরি জল দিয়ে গার্গল করুন।

২৫. মাড়ির ইনফেকশন ও রক্তপাত বন্ধ করে ফিটকিরি গুলানো জল দিয়ে কুলি করুন।

২৬. ডায়রিয়া কমাতে সাহায্য করে অল্প পরিমাণ ফিটকিরি গুড়া জলতে মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

২৭. গলা ব্যথা ও কাশি উপশম করে হালকা গরম জলতে ফিটকিরি মিশিয়ে গার্গল করুন।

২৮. চোখের প্রদাহ কমায় ফিটকিরি গুলানো জল ছেঁকে ঠান্ডা করে চোখ ধুতে পারেন।

২৯. চুল পড়া কমায় ফিটকিরি জল দিয়ে মাথা ধুয়ে নিন।

৩০. ত্বকের রঙ উজ্জ্বল করে ফেসপ্যাকের সাথে ফিটকিরি মিশিয়ে ব্যবহার করলে ত্বক ফর্সা হয়।

★ ফিটকিরি হলো সহজলভ্য কিন্তু অসাধারণ উপকারী একটি প্রাকৃতিক উপাদান। স্বাস্থ্য, সৌন্দর্য, জীবাণুনাশ, গৃহস্থালি ক্ষেত্রেই এর ব্যবহার আপনাকে দেবে চমকপ্রদ ফলাফল।
©®

21/10/2025

#শরীরে যাদুর_গিঁট_ধ্বংসের_রুকইয়াহ

শরীরে লুকিয়ে থাকা যাদুর ও বিয়ে বন্ধের যাদুর গিঁট নষ্টের রুকইয়াহ।

যাদুগ্রস্থ ব্যক্তির শরীরে সাধারণত যাদু বদনজর হাসাদ ও জ্বিনের গিঁট থাকে। যা শরীরে, ক্বলবে, আক্বলে ও চিন্তা কষ্ট দেয় এবং ব্যথার কারণ হয়।

যাদু আক্রান্ত ব্যক্তি অনুভব করেন যে তার শরীর বা কোনো অঙ্গ আবদ্ধ বা বাধন দিয়ে রাখা হয়েছে।

অধিকাংশ জ্বিন শরীরে শক্তিশালী হয়ে অবস্থান, শরীরে আকড়ে থাকে, আর এর সবচেয়ে বড় সাহায্যকারী হচ্ছে গিঁট।
জিন কখনও কখনও রুকইয়াহ দ্বারা প্রভাবিত হয় না , জ্বিনের কষ্ট হয়না কারণ তার দুর্গ, ঢাল বা গিঁট রয়েছে যা তাকে রক্ষা করে এবং প্রটেকশন দেয়।

গিঁট ভাঙ্গা, বিস্ফোরণের আয়াতগুলি আল্লাহ চাহে তু কখনও রুকইয়াহ এবং চিকিত্সার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

বেশিরভাগ গর্ভনিরোধক এবং বন্ধ্যাত্বের প্রধান কারণ যাদুর গিঁট। কিছু রোগী দিনরাত ব্যথায় ভোগেন, যখন গিঁট বিস্ফোরিত হয় বা নষ্ট হয়ে যায়, তখন তিনি স্বস্তি অনুভব করেন যা তিনি আগে অনুভব করেননি।বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মেয়েদের বিয়েতে বাধা সৃষ্টি হয় বা বিয়ে হতে দেরী হয় এই গিঁট ও বাঁধনের কারণে।

কিভাবে আমল করবেন -
আয়াত গুলো প্রতিদিন দুই থেকে তিন বার পড়বেন। অথবা যত বেশি পড়তে পারেন। প্রথমে উল্লেখিত সমস্যার জন্য নিয়ত করে নিবেন। এরপর একটা আয়াত একবার পড়বেন এবং আয়াতের নিচে উল্লেখিত আয়াতের অংশটুকু নির্দিষ্ট সংখ্যক বার পড়বেন। এভাবে প্রত্যেকটা আয়াত পড়বেন।

বিঃদ্রঃ - আয়াত গুলো তিলাওয়াত বিভিন্ন রিয়্যাকশন বা ইফেক্ট হতে পারে। যেমন পুরো শরীরে বা নির্দিষ্ট বিভিন্ন অঙ্গে ব্যথা , গরম হয়ে যাওয়া, ঘুম ঘুম ভাব, বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া, শরীর কাপাকাপি করা বা ঝাঁকি দেওয়া ইত্যাদি। রিয়্যাকশন যেমনই হোক রুকইয়াহ চালিয়ে যাবেন নিয়মিত। ভয় পাওয়া বা ঘাবরানোর কিছু নেই। রিয়্যাকশন হচ্ছে মানে স্পষ্ট যে আপনি সমস্যায় আক্রান্ত আছেন এবং ধীরে ধীরে সুস্থতার দিকে এগুচ্ছেন। নিজেকে আরো শক্ত করে রুকইয়াহ চালিয়ে যাবেন। ইনশাআল্লাহ আস্তে আস্তে সব গিঁট ধ্বংস হয়ে যাবে।

#গিঁট বিস্ফোরণ ও ধ্বংসের আয়াত

১)সূরা বাকারা ৬০

‎وَاِ ذِا سْتَسْقٰى مُوْسٰى لِقَوْمِهٖ فَقُلْنَا اضْرِبْ بِّعَصَا كَ الْحَجَرَ ۗ فَا نْفَجَرَتْ مِنْهُ اثْنَتَا عَشْرَةَ عَيْنًا ۗ قَدْ عَلِمَ کُلُّ اُنَا سٍ مَّشْرَبَهُمْ ۗ کُلُوْا وَا شْرَبُوْا مِنْ رِّزْقِ اللّٰهِ وَلَا تَعْثَوْا فِيْ الْاَ رْضِ مُفْسِدِيْنَ

#নিচের অংশটুকু ৩৩ বার পড়বেন
‎فانفجرت

২) সূরা বাকারা ১৬৬
‎﴿إِذْ تَبَرَّأَ الَّذِينَ اتُّبِعُوا مِنَ الَّذِينَ اتَّبَعُوا وَرَأَوُا الْعَذَابَ وَتَقَطَّعَتْ بِهِمُ الْأَسْبَابُ﴾

#নিচের অংশটুকু ৩৩ বার পড়বেন
‎ وَتَقَطَّعَتْ

৩)সুরা বাকারা ২৩৫

‎ لَا تَعۡزِمُوۡا عُقۡدَۃَ النِّکَاحِ
৪)সুরা বাকারা ২৩৭
‎ اَوۡ یَعۡفُوَا الَّذِیۡ بِیَدِهٖ عُقۡدَۃُ النِّکَاحِ

#নিচের অংশটুকু ৩৩ বার করে পড়ুন
‎عُقۡدَۃُ النِّکَاحِ
৫)সুরা নিসা -৩৩ এই অংশটুকু ৩৩ বার পড়ুন

‎وَالَّذِينَ عَقَدَتْ أَيْمَانُكُمْ فَآتُوهُمْ نَصِيبَهُمْ

৬) সূরা ত্বহা (তোয়াহা/ত্বা-হা) ২৫-২৮
‎رَبِّ اشْرَحْ لِي صَدْرِي وَيَسِّرْ لِي أَمْرِي وَاحْلُلْ عُقْدَةً مِّن لِّسَانِي يَفْقَهُوا قَوْلِي.
#নিচের অংশটুকু ৩৩ বার পড়বেন
‎وَاحْلُلْ عُقْدَةً

৭)সূরা সাবা ১৯
‎فَقَالُوا رَبَّنَا بَاعِدْ بَيْنَ أَسْفَارِنَا وَظَلَمُوا أَنفُسَهُمْ فَجَعَلْنَاهُمْ أَحَادِيثَ وَمَزَّقْنَاهُمْ كُلَّ مُمَزَّقٍ ۚ إِنَّ فِي ذَٰلِكَ لَآيَاتٍ لِّكُلِّ صَبَّارٍ شَكُورٍ.

#নিচের অংশটুকু ৩৩ বার পড়বেন
‎وَمَزَّقْنَاهُمْ كُلَّ مُمَزَّقٍ

৮)সুরা মায়িদা -৮৯

‎ وَلَٰكِن يُؤَاخِذُكُم بِمَا عَقَّدتُّمُ الْأَيْمَان

৯)সুরা ফুরকান -২৩

‎وَقَدِمْنَا إِلَىٰ مَا عَمِلُوا مِنْ عَمَلٍ فَجَعَلْنَاهُ هَبَاءً مَّنثُورًا

১০)সুরা ইয়াসিন -৩৪
‎وَجَعَلْنَا فِيهَا جَنَّاتٍ مِّن نَّخِيلٍ وَأَعْنَابٍ وَفَجَّرْنَا فِيهَا مِنَ الْعُيُونِ

#নিচের এই অংশটুকু ৩৩ বার পড়ুন
‎وَفَجَّرْنَا فِيهَا مِنَ الْعُيُونِ

১১) সূরা আল আহক্বাফ ২৪-২৫ এই পুরো আয়াতটি ৩৩ বার পড়বেন
‎رِيحٌ فِيهَا عَذَابٌ أَلِيمٌ تُدَمِّرُ كُلَّ شَيْءٍ بِأَمْرِ رَبِّهَا.

১২) সূরা নাহাল ২৬
‎قَدْ مَكَرَ الَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ فَأَتَى اللّهُ بُنْيَانَهُم مِّنَ الْقَوَاعِدِ فَخَرَّ عَلَيْهِمُ السَّقْفُ مِن فَوْقِهِمْ وَأَتَاهُمُ الْعَذَابُ مِنْ حَيْثُ لاَ يَشْعُرُونَ.

#নিচের অংশটুকু 33 বার পড়বেন
‎فَأَتَى اللّهُ بُنْيَانَهُم مِّنَ الْقَوَاعِدِ

১৩)সুরা মু'মিনুন -১৮ এই আয়াতটি ৩৩ বার পড়ুন

‎وَاِ نَّا عَلٰى ذَهَا بٍ بِۢهٖ لَقٰدِرُوْنَ

১৪)সূরা শুয়ারা ১৭২ এই আয়াত ৩৩ বার পড়ুন

‎ثُمَّ دَمَّرْنَا الْاٰ خَرِيْنَ

১৫) সুরা মুহাম্মদ -১০
‎دَمَّرَ اللّٰهُ عَلَيْهِمْ ۖ وَلِلْكٰفِرِيْنَ اَمْثَا لُهَا
#নিচের এই অংশটুকু ৩৩ বার পড়ুন
‎ دَمَّرَ اللّٰهُ عَلَيْهِمْ

১৬)সূরা ত্বহা ১০৫
‎وَيَسْأَلُونَكَ عَنِ الْجِبَالِ فَقُلْ يَنسِفُهَا رَبِّي نَسْفًا.

নিচের অংশটুকু ৩৩ বার পড়বেন
‎يَنسِفُهَا رَبِّي نَسْفًا

১৭) সূরা বনী ইসরাইল ১৬
‎وَإِذَا أَرَدْنَا أَن نُّهْلِكَ قَرْيَةً أَمَرْنَا مُتْرَفِيهَا فَفَسَقُوا فِيهَا فَحَقَّ عَلَيْهَا الْقَوْلُ فَدَمَّرْنَاهَا تَدْمِيرًا.

১৮)নিচের অংশটুকু 33 বার পড়বেন
‎فَدَمَّرْنَاهَا تَدْمِيرًا

১৯)সূরা আদ দাহর /(আল ইনসান) ৬
‎عَيْنًا يَشْرَبُ بِهَا عِبَادُ اللَّهِ يُفَجِّرُونَهَا تَفْجِيرًا

নিচের অংশটুকু ৩৩ বার পড়বেন
‎يُفَجِّرُونَهَا تَفْجِيرًا

২০)সুরা ফালাক

‎قُلْ اَعُوْذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ . مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ .وَمِنْ شَرِّ غَا سِقٍ اِذَا وَقَبَ .وَمِنْ شَرِّ النَّفّٰثٰتِ فِى الْعُقَدِ .وَمِنْ شَرِّ حَا سِدٍ اِذَا حَسَدَ

নিচের অংশটুকু ৩৩ বার পড়ুন

‎.وَمِنْ شَرِّ النَّفّٰثٰتِ فِى الْعُقَدِ

সবাই পোস্টটি বেশি করে শেয়ার করে অন্যদের কে আমল করার সুযোগ করে দিন, আল্লাহ তাআলা উত্তম প্রতিদান দান করুন এবং সবাইকে দ্রুত পরিপূর্ণ সুস্থতা দান করুন আমীন।

19/10/2025

যাদু ও জ্বিনের কারণে যারা সব সময় কষ্ট পাচ্ছেন তাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ আমল।

ইনশাআল্লাহ এক থেকে দেড় মাস নিয়মিত আমলগুলো করুন, আল্লাহ্ চাহেন তো সুস্থ হয়ে যাবেন।

নিচের নিয়মে পানি তৈরি করবেন এবং এই পানি পান করবেন ও গোসল করবেন। এই পানি দিয়ে গোসল করার সময় গায়ে ও চুলে সাবান শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন না। এই পানি দিয়ে গোসল করার পর সাধারণ পানি দিয়ে শ্যাম্পু ও সাবান ব্যবহার করে গোসল করতে পারবেন।

প্রথমে এক বালতি পানি বা আরো বেশি পরিমাণ পানি নিন, যাতে করে একবার পানি পড়া তৈরি করে বেশিদিন ব্যবহার করতে পারেন। চাইলে হালকা গোলাপ জল মিশিয়ে নিতে পারেন। পানিটা খাবারের উপযোগী হয় এই পরিমান গোপাল জল মিশাবেন। প্রথমে কয়েকবার আস্তাগফিরুল্লাহ পড়ে নিন তারপর,

১. দুরুদে ইব্রাহিম ১১ বার,
২. সুরা ফাতিহা ৪১ বার,
৩. সুরা বাকারা ১ থেকে ৫ নং আয়াত ৩ বার,
৪. সুরা বাকারাহ ১০১ ও ১০২ নং আয়াত ৩ বার,
৫. সুরা বাকারাহ ১৬০ থেকে ১৬৫ নং আয়াত ৩ বার,
৬. সুরা বাকারাহ ২৫৫ নং আয়াত অর্থাৎ আয়াতুল কুরছি ১১ বার এবং ২৫৬ ও ২৫৭ নং আয়াত ৩ বার,
৭. সুরা বাকারাহ ২৮৪ থেকে ২৮৬ নং আয়াত ৩ বার,
৮. সুরা আলে ইমরান ১৮ ও ১৯ নং আয়াত ৩ বার,
৯. সুরা আ'রাফ ৫৪ থেকে ৫৬ নং আয়াত ৩ বার,
১০. সুরা আ'রাফ ১১২ থেকে ১২২ নং আয়াত ৩ বার,
১১. সুরা ইউনুস ৮০ থেকে ৮২ নং আয়াত ৩ বার,
১২. সুরা ত্বহা ৬৮ থেকে ৭০ নং আয়াত ৩ বার,
১৩. সুরা মু'মিনুন ১১৫ থেকে ১১৮ নং আয়াত ৩ বার,
১৪. সুরা সফফাত ১ থেকে ১০ নং আয়াত ৩ বার,
১৫. সুরা আহকাফ ২৯ থেকে ৩২ নং আয়াত ৩ বার,
১৬. সুরা আর-রাহমান ৩৩ থেকে ৩৬ নং আয়াত ৩ বার,
১৭. সুরা হাশর ২১ থেকে ২৪ নং আয়াত ৩ বার,
১৮. সুরা জিন ১ থেকে ৯ নং আয়াত ৩ বার,
১৯. সূরা ফিল ৩ বার,
২০. সুরা কাউসার ৩ বার,
২১. সূরা কাফিরুন ৩ বার,
২২. সূরা লাহাব ৩ বার,
২৩. সুরা ইখলাস ৩ বার,
২৪. সুরা ফালাক ৩ বার
২৫. সুরা নাস ৩ বার,
২৬. শেষে পুনরায় দুরুদে ইব্রাহিম ১১ বার।

উপরে উল্লিখিত প্রতিটা আয়াত, সুরা পড়া শেষ হলে পানিতে ফু দিন। সেখান থেকে ২/৩ লিটার পানি প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যা ও রাতে ঘুমানোর আগে হাফ গ্লাস করে খাবারের জন্যে রেখে দিন এবং ১ লিটার এর মতো পানি দৈনিক সকাল সন্ধ্যা ও রাতে ঘুমানোর আগে পুরো বাড়িতে ছিটানোর জন্য রেখে বাকি পানি থেকে প্রতিদিন ১/২ লিটার পানি গোসলের পানির সাথে মিশিয়ে গোসল করবেন। সম্ভব হলে গোসলের পানির সাথে দৈনিক ৭/১৪/২১ টা করে বরই পাতা মিশিয়ে নিতে পারেন।

(যদি যাদু ও জ্বিনের সমস্যা বেশী থাকে তাহলে অবশ্যই একজন রাক্বীর সাথে পরামর্শ করে তারপর আমল শুরু করুন।)

✔ জ্বিন, যাদু এবং অন্যান্য ক্ষতি থেকে বেঁচে থাকতে দৈনিক স্থায়ীভাবে যে আমলগুলো করতে হবেঃ

১. সকাল-সন্ধা একশত বার অথবা দশবার,

لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ، لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ، وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

উচ্চারণঃ লা ইলাহা ইল্লাল্লা-হু ওয়াহ্‌দাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু, ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাই’ইন ক্বাদীর।

২. সকাল-সন্ধা সাতবার,

حَسْبِيَ اللَّهُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ عَلَيهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ

উচ্চারণঃ হাসবিইয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া আলাইহি তাওয়াক্কালতু, ওয়াহুয়া রব্বুল আরশিল আযীম।

৩. সকাল-সন্ধা তিনবার,

أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ

উচ্চারণঃ আ‘ঊযু বিকালিমা তিল্লা-হিত তা-ম্মাতি মিন শাররি মা খলাক।

৪. সকাল-সন্ধা তিনবার করে পাঠ করা,

بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لاَ يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلاَ فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ

উচ্চারণঃ বিস্‌মিল্লা-হিল্লাযী লা ইয়াদ্বুররু মা‘আস্‌মিহী শাইউন ফিল্ আরদ্বি ওয়ালা ফিস্ সামা-ই, ওয়াহুয়াস্ সামী‘উল ‘আলীম।

৫. সকাল-সন্ধা তিনবার করে সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস পাঠ করবেন এবং রাতে ঘুমানোর আগে তিন বার করে পড়ে দুই হাতের তালুতে ফু দিয়ে সমস্ত শরীর ভালো করে মাসেহ্ করে নিবেন, এভাবে তিনবার করবেন।

৬. দৈনিক সকাল ও সন্ধ্যায় ১ বার করে সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার পাঠ করবেন।

اللهم أنت ربي لا إله إلا أنت ، خلقتني ، وأنا عبدك ، وأنا على عهدك ووعدك ما استطعت ، أعوذبك من شرما صنعت ، أبوء لك بنعمتك علي ، وأبوء بذنبي ، فاغفزي فإنه لا يغفر التثوب إلا أنت

উচ্চারণঃ "আল্লা-হুম্মা আন্তা রব্বী লা-ইলা-হা ইল্লা আন্তা খালাক্বতানী, ওয়া আনা আবদুকা ওয়া আনা আলা আহদিকা ওয়া ওয়াদিকা মাসতাত্বাতু, আঊযুবিকা মিন শার্রি-মা ছানায়া'তু। আবূউ লাকা বিনি'ই মাতিকা আলাইয়া ওয়া আবূউ বিযাম্বী ফাগফিরলী ফাইন্নাহু লা ইয়াগফিরুয্ যুনুবা ইল্লা আন্তা।"

৭. সারাদিনে ৭০ বারের বেশি ইস্তেগফার পড়তে চেষ্টা করবেন এবং সকাল-বিকাল অন্তত ১০ বার করে দুরূদ পাঠ করবেন।

৮) বেশী বেশী দোয়া ইউনুস পড়ে নিজের সুস্থতার জন্য দোয়া করবেন।

মহান আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা'য়ালা আমাদেরকে আমলগুলো করার তাওফিক দান করুন এবং সুস্থতা ও নিরাপত্তা দান করুন, আমীন।

13/10/2025

🌙 শত্রুকে শত্রু দ্বারা শায়েস্তা করার আমল 🌙

📚(সূরা আল-আনফাল : ৬৩)

🌿🌸যদি কারো শত্রু থাকে, বা শত্রুর দ্বারা ক্ষতির আশঙ্কা থাকে, তাহলে নিচের আমলটি নিয়মিত করলে ইনশাআল্লাহ কোনো শত্রুই ক্ষতি করতে পারবে না।
আল্লাহ তায়ালা নিজেই শত্রুর হৃদয় নরম করে দেবেন, শত্রুতা দূর করবেন, এবং শান্তি ও নিরাপত্তা দান করবেন, ইনশাআল্লাহ।⤵️

🔹 আমলের শর্ত ও নিয়ম:

✅০১. প্রতিদিন ৫ ওয়াক্ত নামাজ যথাসময়ে আদায় করতে হবে।

✅০২. হালাল-হারাম মেনে চলতে হবে, এবং গুনাহ থেকে বাঁচতে হবে।

✅০৩. প্রতিদিন সকাল বা সন্ধ্যায় ৭ বার করে নিচের কুরআনের আয়াত পাঠ করুন।

✅০৪. পাঠ শেষে দরূদ ইব্রাহিম পাঠ করে আল্লাহর ৯৯ নামের মধ্যে উপযুক্ত কোনো নাম (যেমন ইয়া সালাম, ইয়া আজীজ, ইয়া হাকীম) স্মরণ করে দোয়া করুন—
যেন আল্লাহ শত্রুর অন্তর নরম করে দেন, মন পরিবর্তন করেন এবং ক্ষতি থেকে রক্ষা করেন।

🚫 সতর্কতা:
এই আমল কাউকে ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে করা যাবে না।
বরং এটি করতে হবে নিজেকে শত্রুর ক্ষতি থেকে রক্ষা ও মনোমালিন্য, অশান্তি দূর করার উদ্দেশ্যে।

📖 কুরআনের আয়াত:

وَأَلَّفَ بَيْنَ قُلُوبِهِمْ ۚ لَوْ أَنفَقْتَ مَا فِي الْأَرْضِ جَمِيعًا مَّا أَلَّفْتَ بَيْنَ قُلُوبِهِمْ وَلَـٰكِنَّ اللَّهَ أَلَّفَ بَيْنَهُمْ ۚ إِنَّهُ عَزِيزٌ حَكِيمٌ
(সূরা আল-আনফাল: ৬৩)

🔊 উচ্চারণ:

✨ওয়া আল্লাফা বাইনা কুলুবিহিম, লাউ আনফাকতা মা ফিল আরদী জামিয়ান মা আল্লাফতা বাইনা কুলুবিহিম; ওয়া লাাকিন্নাল্লাহা আল্লাফা বাইনা হুম; ইন্নাহু আজীজুন হাকীম।

🌿 অর্থ:

✨“তিনি তাদের পরস্পরের হৃদয়ের মধ্যে প্রীতি স্থাপন করেছেন।
পৃথিবীর যাবতীয় সম্পদ ব্যয় করলেও তুমি তাদের হৃদয়ে প্রীতি স্থাপন করতে পারতে না;
কিন্তু আল্লাহ তাদের মধ্যে প্রীতি স্থাপন করেছেন।
নিশ্চয় তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।”
📚(সূরা আল-আনফাল: ৬৩)

🌸 ফলাফল:

🌿যে ব্যক্তি নিয়মিত এ আমল করবে—
আল্লাহ তায়ালা তাঁর শত্রুর হৃদয়ে পরিবর্তন এনে দেবেন,
শত্রু দুর্বল হয়ে যাবে,
এবং শত্রুতার মনোভাব বিলীন হয়ে যাবে, ইনশাআল্লাহ।

💠 অতিরিক্ত আমল:

🪶প্রতিদিন দরূদ ইব্রাহিম পাঠ করুন।

🪶আল্লাহর গুণবাচক নামগুলো বেশি বেশি করে স্মরণ করুন —
যেমন:
يَا سَلَامُ (ইয়া সালাম) — হে শান্তিদাতা,
يَا عَزِيزُ (ইয়া আজীজ) — হে পরাক্রমশালী,
يَا حَكِيمُ (ইয়া হাকীম) — হে প্রজ্ঞাময়।

✨এভাবে নিয়মিত আমল করলে ইনশাআল্লাহ শত্রু নিজে থেকেই শান্ত হয়ে যাবে, এবং জীবনে প্রশান্তি ও নিরাপত্তা ফিরে আসবে।

22/09/2025

জাদুর গিট কি ভাবে শরীরে তৈরি করে। এই বিষয়টি আলোচনা করি।

সাধারণ শরীরে আমরা যে গিট গুলো বলি থাকি এগুলো জাদুর খাদেম শরীরে বিভিন্ন জায়গা অবস্থা করে থাকে, জাদুকরের চালান এর মাধ্যমে। আপনার শরীরে সে সকল জায়গা জাদুকর জাদুর খাদেম নিয়োজিত করে সে সকল জায়গা অবস্থান করে গিটের মত। মোট শরীরের ১১ পয়েন্ট ১১ টি খিট দিয়ে থাকে তার মধ্যে সব চাইতে জঘন্য হলো পেটে,বুকে, মস্তিষ্কে তার পর মেরুদণ্ড, গোপনঅঙ্গ ইত্যাদি জায়গা। গিট গুলো শরীরে বাহিরে থাকলে একই প্রভাব শরীরে পড়বে আবার ভিতরে থাকলেও একই প্রভাব পড়বে। এই গিট গুলো বহু সংখ্যায় জ্বিন থাকতে পারে, যখন আমরা কোরআন পড়ি ধীরে ধীরে এগুলো ধ্বংস হতে পারে আল্লাহর ইচ্ছে। সময়ের বিষয় ধৈর্য্য ধরতে হবে চিকিৎসায়,তার কারন এটা দীর্ঘদিন শরীরে ছিলো, রুকইয়াহ করলে চলে যাবে ১০-২০ সেকশনে তা নয়। দূর্বল করতে হবে এক সময় আল্লাহর ইচ্ছায় ধ্বংস হবে।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর জাদু করা হয়েছিল এবং তিনি প্রায় ছয় মাস পর্যন্ত জাদুর প্রভাবে কষ্ট পেয়েছিলেন। এই সময়কালে, আল্লাহ তায়ালা তাঁকে সুস্থ করার জন্য সূরা ফালাক ও সূরা নাস নাজিল করেন, যা জাদুর প্রভাব থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে।

একজন ইহুদি যাদু করে রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-এর ওপর প্রভাব ফেলেছিলেন। এর ফলে তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে কষ্ট পেয়েছিলেন এবং তাঁর আচরণে অস্বাভাবিকতা দেখা দিয়েছিল।

16/09/2025

রুকইয়াহর উপকারিতা

🕯️ যদি যাদুতে কষ্ট পেয়ে থাকেন — তবে পড়ুন:
🔹 সূরা তাহা

যদি আশিক জিন ধ্বংস করতে চান — পড়ুন:
সূরা নূর

যদি জ্বিনের রাজাদের ধ্বংস করতে চান — পড়ুন:
সূরা আল-মুলক ও আয়াতুল কুরসী

যদি মারিদ (শক্তিশালী জ্বিন) ধ্বংস করতে চান — পড়ুন:
সূরা আস-সাফফাত

যদি যাদু বাতিল করতে চান — পড়ুন:
সূরা ইউনুস, তাহা, হুদ, আরাফ ও মুআউযাতাইন (ফালাক ও নাস)

যদি নজর বা চোখের ক্ষতি দূর করতে চান — পড়ুন:
সূরা আর-রাদ ও মুআউযাতাইন

যদি খ্রিস্টান জ্বিনকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে চান — পড়ুন:
সূরা আলে ইমরান

যদি নাস্তিক জ্বিন ধ্বংস করতে চান — পড়ুন:
সূরা ইখলাস ও আনআম

যদি ইহুদি/ম্যাসনিক জ্বিন ধ্বংস করতে চান — পড়ুন:
সূরা কাহফ ও মায়েদা

যদি ক্বারীন (সঙ্গী জ্বিন) দূর করতে চান — পড়ুন:
আল্লাহর জিকির করুন ও পড়ুন সূরা ক্বাফ, কাফিরুন ও নাস
যদি যেকোনো গিঁট/বন্ধন খুলতে চান — পড়ুন:
সূরা ফালাক

যদি ‘উড়ন্ত জ্বিন’ নিয়ন্ত্রণ করতে চান — পড়ুন:
সূরা ফীল, মুলক, রহমান

যদি ঘরকে রক্ষা করতে চান — পড়ুন:
সম্পূর্ণ সূরা বাক্বারাহ
নিজেকে রক্ষা করতে চান — পড়ুন:
আয়াতুল কুরসী ও সূরা ইয়াসিন

আপনার শিশুদের জন্য রুকইয়াহ করতে চান — পড়ুন: সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসী, মুআউযাতাইন, সূরা বাক্বারার শেষ অংশ

যদি সব ধরনের জ্বিনের সাথে চুক্তি বাতিল করতে চান — পড়ুন:
সূরা তাওবাহ

যদি "তাবিয়াহ" (প্রসব-পরবর্তী ক্ষতিকর জ্বিন) ধ্বংস করতে চান — পড়ুন:
সূরা আল-জিন

যদি শয়তানদের পুড়াতে চান — পড়ুন:
সূরা হুমাযাহ, বুরুজ, সাফফাত ও আয়াতুল কুরসী যেকোনো রোগ ও শয়তানি ক্ষতির জন্য — দোআ করুন।
কারণ দোআ হলো এমন এক তীর, যা কখনো লক্ষ্যভ্রষ্ট হয় না। বারবার দোআ করুন।

30/08/2025

চালান বন্ধ করার এবং জিন দগ্ধ করার আমল।

দোয়া: "نَارُ اللَّهِ الْمُوقَدَةُ" এর উপর ভিত্তি করে আগ্নিদাহ দোয়া
পদ্ধতি:
সকাল সন্ধ্যায় ৩ বার পড়া, অথবা চালান চলাকালীন অবস্থা টের পেলে জোরে পড়া।
اللَّهُمَّ أَحْرِقْ كُلَّ جِنٍّ سُخِّرَ عَلَيَّ بِسِحْرٍ أَوْ حَسَدٍ أَوْ تَصْرِيفٍ، وَأَنْزِلْ عَلَيْهِ نَارَكَ الَّتِي لَا تُبْقِي وَلَا تَذَرُ، نَارُ اللَّهِ الْمُوقَدَةُ، الَّتِي تَطَّلِعُ عَلَى الْأَفْئِدَةِ.
হে আল্লাহ! আমার উপর যে কোনো জাদু, হিংসা বা চালান-ভিত্তিক জিন নিযুক্ত করা হয়েছে, তাকে তুমি পুড়িয়ে দাও; তোমার সেই আগুন তার উপর নাজিল করো যা কিছু রাখে না, কিছু ছাড়ে না—এটাই তোমার জ্বালানো আগুন, যা অন্তর পর্যন্ত প্রবেশ করে।

সুরা তাকভীর এবং ধ্বংসের দোয়া

সুরা তাকভীর (আয়াত ১-১৪) পড়ে,
অবশ্যই, এখানে সুরা তাকবিরের ১ থেকে ১৪ নং আয়াতগুলো শুধুমাত্র আরবি ভাষায় পড়তে হবে।

سورة التكوير
1. إِذَا الشَّمْسُ كُوِّرَتْ
2. وَإِذَا النُّجُومُ انكَدَرَتْ
3. وَإِذَا الْجِبَالُ سُيِّرَتْ
4. وَإِذَا الْعِشَارُ عُطِّلَتْ
5. وَإِذَا الْوُحُوشُ حُشِرَتْ
6. وَإِذَا الْبِحَارُ سُجِّرَتْ
7. وَإِذَا النُّفُوسُ زُوِّجَتْ
8. وَإِذَا الْمَوْءُودَةُ سُئِلَتْ
9. بِأَيِّ ذَنبٍ قُتِلَتْ
10. وَإِذَا الصُّحُفُ نُشِرَتْ
11. وَإِذَا السَّمَاءُ كُشِطَتْ
12. وَإِذَا الْجَحِيمُ سُعِّرَتْ
13. وَإِذَا الْجَنَّةُ أُزْلِفَتْ
14. عَلِمَتْ نَفْسٌ مَّا أَحْضَرَتْ

এরপর নিচের দোয়া পড়ুন:

اللَّهُمَّ اجْعَلْهُمْ كَالرَّمِيمِ، وَسَحْرَهُمْ كَهَبَاءِ مَنْثُورٍ، وَجِنَّهُمْ فِي سَقَرَ، لَا تُبْقِي وَلَا تَذَرُ.
ব্যাখ্যা:
এই দোয়া দিয়ে আপনি জাদুকর, তাদের জিন এবং পাঠানো সত্তাগুলোকে “সাকার (জাহান্নামের গভীর স্তর)”–এ পাঠানোর আহ্বান করছেন, যেন তাদের সত্তা হাওয়া হয়ে যায়।

৭ বার 'سورة القمر' এর বিশেষ আমল কেবল মারহুম বুযুর্গদের মঞ্জুর আছে।

উপকারিতাঃ
এটা "ফাটানো দোয়া" নামে পরিচিত ছিল পুরনো বুযুর্গদের মধ্যে। সুরা ক্বামার-এর আয়াত:
অবশ্যই, এখানে সূরা কলামের ৫১ নং আয়াত শুধু আরবি ভাষায় পড়তে হবে সাতবার।
سورة القلم

وَإِن يَكَادُ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَيُزْلِقُونَكَ بِأَبْصَـٰرِهِمْ لَمَّا سَمِعُوا۟ ٱلذِّكْرَ ۙ وَيَقُولُونَ إِنَّهُۥ لَمَجْنُونٌ
(সূরা কলম, ৫১)
কিন্তু এইটির সঙ্গে একটি অপ্রকাশিত তদবির ছিল:
এটি
اقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ وَانشَقَّ الْقَمَرُ
اقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ وَانشَقَّ الْقَمَرُ
اقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ وَانشَقَّ الْقَمَرُ
اقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ وَانشَقَّ الْقَمَرُ
اقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ وَانشَقَّ الْقَمَرُ
اقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ وَانشَقَّ الْقَمَرُ
اقْتَرَبَتِ السَّاعَةُ وَانشَقَّ الْقَمَرُ

এরপর বলুন:

اللَّهُمَّ انْشُقْ قُوَى الْجِنِّ كَمَا انْشَقَّ الْقَمَرُ، وَافْصِلْ بَيْنَهُمْ وَبَيْنَ مَنْ سَخَّرَهُمْ، وَارْدُدْ سِحْرَهُمْ عَلَيْهِم.
আসল কিতাবের মতো লিখিত এক বাক্য: তাওহীদের আগুন এই দুয়া।
لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ نَارٌ عَلَى كُلِّ جِنٍّ وَشَيْطَانٍ وَسَاحِرٍ.

এটি উচ্চ শব্দে বলা হলে বা লিখে রেখে দিলে অনেক চালান বন্ধ হয়ে যায় এবং জ্বীন দগ্ধ হয়ে সরে যায়।এর বিস্তারিত পদ্ধতী আলোচনা করা হলো না।

বিশেষ উপদেশ:
এই দোয়াগুলো সুস্থ শরীর, পবিত্র মুখ এবং ঈমানি ওয়ালির মত ভয়ভীতি ছাড়া পাঠ করতে হবে।
আর প্রতিদিন কিছুটা সময় আল্লাহর নাম (يَا حَيُّ يَا قَيُّومُ) ১০০ বার পড়ে হৃদয়কে উজ্জ্বল রাখা দরকার।

Address

Tongi Station Road, Gazipur
Dhaka
1700

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শেফায়ে কোরআনি রুকাইয়া সেন্টার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to শেফায়ে কোরআনি রুকাইয়া সেন্টার:

Share