Al hadis & Al quran

Al hadis & Al quran ইসলামিক তথ্য

25/12/2025

ইসলামে নারীদের সৌন্দর্যকে 'আমানত' হিসেবে দেখা হয়, যা কেবল নির্দিষ্ট মানুষের (মাহরাম) সামনে প্রকাশ করা যায়।

​"আর তারা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে, তবে যা সাধারণত প্রকাশ পায় তা ব্যতীত। তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষদেশে টেনে দেয়..." (সূরা আন-নূর, আয়াত: ৩১)

​তাফসির সংক্ষেপ: এই আয়াতে আল্লাহ স্পষ্টভাবে সৌন্দর্যের প্রদর্শনী বা 'তাবাররুজ' (বেপর্দা হওয়া) নিষেধ করেছেন। ইসলাম মনে করে, নারীর সৌন্দর্য অত্যন্ত মূল্যবান এবং সম্মানের। এটি যখন জনসমক্ষে প্রদর্শিত হয়, তখন তার ব্যক্তিগত মর্যাদা ও নিরাপত্তা ক্ষুণ্ণ হতে পারে। পরপুরুষের দৃষ্টি থেকে নিজেকে আড়াল রাখা নারীর হীনম্মন্যতা নয়, বরং তার উচ্চ মর্যাদার প্রতীক।

22/08/2024
23/04/2024

يُرۡسَلُ عَلَيۡكُمَا شُوَاظٌ مِّنۡ نَّارٍ ۙ وَّنُحَاسٌ فَلَا تَنۡتَصِرَانِ‌ۚ‏﴾

যদি পালানেরা চেষ্টা করো তাহলে) তোমাদের প্রতি আগুনের শিখা এবং ধোঁয়া৩৩ ছেড়ে দেয়া হবে তোমরা যার মোকাবিলা করতে পারবে না।

মূল আয়াতে شواظ ও نحاس শব্দ দু’টি ব্যবহৃত হয়েছে। এমন নিরেট অগ্নি-শিখাকে شواظ বলা হয় যার মধ্যে ধোঁয়া থাকে না আর এমন নিরেট ধোঁয়াকে (نحاس বলা হয় যার মধ্যে অগ্নিশিখা থাকে না। জ্বীন ও মানুষ যখন আল্লাহ‌ তা’আলার সামনে জবাবদিহি থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা করবে তখন তাদের প্রতি একের পর এক এ দু’টি জিনিস নিক্ষেপ করা হবে।

17/01/2024

তুচ্ছ জিনিস নিয়ে দুঃখ করবেন না

----------------------
তুচ্ছ বিষয়ে নিরুদ্বিগ্ন থেকে আপনি এমন এক গুণ প্রদর্শন করবেন যা আপনাকে সুখ বয়ে এনে দিবে; কেননা, যার উদ্দেশ্য মহৎ তিনি শুধু পরকাল নিয়েই বিভোর হয়ে থাকেন।

আমাদের একজন ধাৰ্মিক পূর্বসূরী তার এক ভাইকে নিচের কথাগুলো দ্বারা উপদেশ দিয়েছিলেন-

“শুধুমাত্র একটি বিষয়ে উদ্বিগ্ন হও– (আর তা হলো) আল্লাহর সাথে সাক্ষাতের বিষয়ে। তার সম্মুখে দণ্ডায়মান হওয়ার বিষয়ে এবং পরকালের বিষয়ে।"

“সেদিন তোমাদেরকে বিচারের কাঠগড়ায় হাজির করা হবে এবং সেদিন তোমাদের কোন গোপন বিষয় গোপন থাকবে না।" (৬৯. আল-হাক্কাহ: আয়াত-১৮)

পরকালের উদ্বিগ্নতার সাথে তুলনা করলে সব উদ্বিগ্নতাই দূর হয়ে যায়। এ জীবনের দুশ্চিন্তা, দুর্ভাবনা ও উদ্ধিগ্নতাসমূহ কী? সেগুলো হলো মান-মর্যাদা, নাম-ডাক-যশ- খ্যাতি, আয়-রোজগার, ধন-সম্পদ, দালান-কোঠা ও সন্তান-সন্ততি। আল্লাহ তা'আলার সামনে জবাবদিহিতার সাথে তুলনা করা হলে এগুলো কিছুই না।

মহান আল্লাহ তার শক্র মুনাফিকদের বিবরণ এভাবে দিয়েছেন-

“আরেক দল (অন্যদেরকে ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বাঁচানোর চিন্তা না করে নিজেদের কিভাবে বাঁচানো যায় সে বিষয়ে) নিজেদের চিন্তায় মগ্ন ছিল এবং আল্লাহর ব্যাপারে ভুল ধারণা করেছিল এবং আল্লাহ সম্বন্ধে মিথ্যা ধারণা পোষণ করে নিজেরাই নিজেদেরকে উদ্বিগ্ন করেছিল।” (৩-সূরা আলে ইমরান: ১৫৪)

তাদের চিন্তা শুধু নিজেদের জন্যই– তাদের পেটপূজা নিয়ে এবং তাদের কাম চরিতার্থ নিয়ে; তারা উচ্চতর কোন অভিপ্রায়ের কথা জানে না।

সাহাবীগণ যখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট গাছের নিচে আনুগত্যের প্রতিশ্রুতি দিল তখন একজন মুনাফিক তার লাল উটের জন্য তাড়াতাড়ি ছুটে গেল যেটা হারিয়ে গিয়েছিল। সে বলেছিল:

“তোমাদের বাইয়াতের অনুষ্ঠানের চেয়ে আমার উট খুঁজে বের করা আমার কাছে বেশি প্রিয়।”

একজন মুনাফিক যে নিজেকে নিয়েই উদ্বিগ্ন সে সঙ্গীদেরকে তাবুক অভিযান সম্বন্ধে বলেছিল, গরমে অভিযানে বের হয়ো না। মহান আল্লাহ বলেন-

قُلْ نَارُ جَهَنَّمَ أَشَدُّ حَرًّا

“বলুন (এই তাপের চেয়ে) জাহান্নামের আগুনের তাপে অধিকতর প্রচণ্ড।” (৯-সূরা তাওবা: আয়াত-৮১)

আরেকজন মুনাফিক বলেছিল-

وَمِنْهُم مَّن يَقُولُ ائْذَن لِّي وَلَا تَفْتِنِّي أَلَا فِي الْفِتْنَةِ سَقَطُوا وَإِنَّ جَهَنَّمَ لَمُحِيطَةٌ بِالْكَافِرِينَ

এবং তাদের মধ্যে এমন লোক আছে যে বলে, “আমাকে (যুদ্ধ করা থেকে) অব্যাহতি দিন এবং আমাকে কঠিন পরীক্ষায় ফেলবেন না। সাবধান! তারাই ফিতনাতে পড়ে আছে। জাহান্নাম তো কাফিরদেরকে বেষ্টন করেই আছে।” (৯-সূরা তাওবা: আয়াত-৪৯)

এবং আল্লাহ তা'আলা বলেন-

“নিশ্চয়ই তারা অগ্নি পরীক্ষায় পড়েছে।” (৯-সূরা তাওবা: আয়াত-৪৯)

যখন অন্যরাও সমস্যায় পড়েছিল এবং শুধু নিজেদের ধন-সম্পদ ও পরিবার নিয়েই উদ্বিগ্ন ছিল (তখন আল্লাহ তাদের কথা এভাবে বলেন)-

“আমাদের ধন-সম্পদ এবং আমাদের পরিবার-পরিজন আমাদেরকে ব্যস্ত করে রেখেছে সুতরাং আমাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন।”

যারা নিজেরাই তুচ্ছ ও নগণ্য তারা ছাড়া অন্য কারোই এসব তুচ্ছ ও নগণ্য বিষয় নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত নয়। কেননা মহান সাহাবীগণ আল্লাহর রহমত কামনা করতেন এবং তার সন্তুষ্টির আকাঙ্ক্ষা করতেন।

04/12/2023

تَبٰرَكَ الَّذِىۡ بِيَدِهِ الۡمُلۡكُ وَهُوَ عَلٰى كُلِّ شَىۡءٍ قَدِيۡرٌۙ‏

অতি মহান ও শ্রেষ্ঠ তিনি যাঁর হাতে রয়েছে সমগ্র বিশ্ব-জাহানের কর্তৃত্ব।তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতা রাখেন।কাজের দিক দিয়ে তোমাদের মধ্যে কে উত্তম তা পরীক্ষা করে দেখার জন্য

শোকাহত পুরো বিশ্ব😭😭😭😭কোরআনের পাখি ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলায়হি রাজেউন।মহান আল্লাহ জান্নাতবাসী করুক আ...
14/08/2023

শোকাহত পুরো বিশ্ব😭😭😭😭কোরআনের পাখি ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলায়হি রাজেউন।মহান আল্লাহ জান্নাতবাসী করুক আমিন।🤲🤲🤲

17/05/2023

দ্বীনের ব্যাপারে কোন জোর-জবরদস্তি নেই। ভ্রান্ত মত ও পথ থেকে সঠিক মত ও পথকে ছাঁটাই করে আলাদা করে দেয়া হয়েছে। এখন যে কেউ তাগুতকে অস্বীকার করে আল্লাহর ওপর ঈমান আনে, সে এমন একটি মজবুত অবলম্বন আঁকড়ে ধরে, যা কখনো ছিন্ন হয় না। আর আল্লাহ‌ (যাকে সে অবলম্বন হিসেবে আঁকড়ে ধরেছে) সবকিছু শোনেন ও জানেন।
#সূরা_বাকারাহা_আয়াত_২৫৬

এখানে দ্বীন বলতে ওপরের আয়াতে বর্ণিত আয়াতুল কুরসীতে আল্লাহ‌ সম্পর্কিত আকীদা ও সেই আকীদার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত জীবন ব্যবস্থা বুঝানো হয়েছে। আয়াতের অর্থ হচ্ছে, ‘ইসলাম’ এর এই আকীদাগত এবং নৈতিক ও কর্মগত ব্যবস্থা কারো ওপর জোর করে চাপিয়ে দেয়া যেতে পারে না। যেমন কাউকে ধরে তার মাথায় জোর করে একটা বোঝা চাপিয়ে দেয়া হয়, এটা তেমন নয়।
আভিধানিক অর্থে এমন প্রত্যেকটি ব্যক্তিকে ‘তাগুত’ বলা হবে, যে নিজের বৈধ অধিকারের সীমানা লংঘন করেছে। কুরআনের পরিভাষায় তাগুত এমন এক বান্দাকে বলা হয়, যে বন্দেগী ও দাসত্বের সীমা অতিক্রম করে নিজেই প্রভু ও খোদা হবার দাবীদার সাজে এবং আল্লাহর বান্দাদেরকে নিজের বন্দেগী ও দাসত্বে নিযুক্ত করে। আল্লাহর মোকাবিলায় বান্দার প্রভুত্বের দাবীদার সাজার এবং বিদ্রোহ করার তিনটি পর্যায় আছে। প্রথম পর্যায় বান্দা নীতিগতভাবে তাঁর শাসন কর্তৃত্বকে সত্য বলে মেনে নেয় কিন্তু কার্যত তাঁর বিধানের বিরুদ্ধাচরণ করে। একে বলা হয় ফাসেকী। দ্বিতীয় পর্যায়ে সে আল্লাহর শাসন কর্তৃত্বকে নীতিগতভাবে মেনে না নিয়ে নিজের স্বাধীনতার ঘোষণা দেয় অথবা আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য কারো বন্দেগী ও দাসত্ব করতে থাকে। একে বলা হয় কুফরী। তৃতীয় পর্যায়ে সে মালিক ও প্রভুর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে তার রাজ্যে এবং তার প্রজাদের মধ্যে নিজের হুকুম চালাতে থাকে। এই শেষ পর্যায়ে যে বান্দা পৌঁছে যায় তাকেই বলা হয় ‘তাগুত’। কোন ব্যক্তি এই তাগুতকে অস্বীকার না করা পর্যন্ত কোন দিন সঠিক অর্থে আল্লাহর মু’মিন বান্দা হতে পারে না।

08/04/2023

❎ ক্ষুধার্ত পেটে নাটক মুভি দেখে সময় কাটানোকে ‘সিয়াম’ বলে না।
💙 সংযমের জন্য মুভি দেখা থেকে বিরত থাকার নামই ‘সিয়াম’।
❎ সারাদিন অনাহারে থেকে সন্ধ্যাবেলায় গলা পর্যন্ত খাওয়া ‘সিয়াম’ এর শিক্ষা নয়।
💙 ‘সিয়াম’ তো পরিমিতিবোধ শেখায়।
❎ মাথা গরম করে কাউকে গালি দেওয়ার নাম ‘সিয়াম’ নয়।
💙 বরং কেউ গালি দিলে, “আমি রোযাদার” বলে গালি দেওয়া থেকে বিরত থাকার নামই ‘সিয়াম’।
❎ অবসর পেয়ে “কে সিয়াম রাখে না”, “কার ছেলে-মেয়ে নষ্ট হয়ে গেছে” ইত্যাদিসহ অন্যের গীবত করে সময় কাটানোর নাম “সিয়াম” নয়।
💙 সব ধরনের গীবত করা থেকে বেঁচে থাকার নামই “সিয়াম”।
❎ আসন্ন ঈদ উপলক্ষে সেজে-গুজে মার্কেটে ঘুরে বেড়ানো “সিয়াম” এর শিক্ষা নয়।
💙 বরং নিজেকে হেফাজত করা আর চোখের গুনাহ থেকে বেঁচে থাকাই “সিয়াম” এর শিক্ষা।
❎ অনাহারে থেকে মাথা গরম করে রিকশাওয়ালাকে থাপ্পর দেওয়াকে ‘সিয়াম’ বলে না।
💙 ‘সিয়াম’ তো চরম বাজে পরিস্থিতিতেও মানুষের সাথে সদয় ব্যবহার করতে শেখায়।
❎ আগেভাগে সেহরী খেয়ে নামাজ বাদ দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ার নাম “সিয়াম” নয় ।
💙 বরং সব ওয়াক্ত নামাজ পড়ার নামই “সিয়াম”।
রমযান হলো মুমিনের জন্য সংশোধন হওয়ার ট্রেনিং কোর্স 🙂
📚রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
❝ঐ ব্যক্তির জন্য ধ্বংস যে রমজান মাস পেল অথচ নিজেকে সংশোধন করতে পারলো না।❞
[বায়হাকি শরীফ]
#সংগৃহীত

07/12/2022

#সূরা_নাসর_النصر_আয়াত_১
إِذَا جَآءَ نَصْرُ ٱللَّهِ وَٱلْفَتْحُ
উচ্চারণঃ ইযা-জাআ নাসরুল্লা-হি ওয়াল ফাতহ।
অর্থঃ যখন আসবে আল্লাহর সাহায্য ও বিজয়।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al hadis & Al quran posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share