বিজ্ঞান, সনাতন ধর্ম ও বিশ্বসভ্যতা-Science, Religion and World Civilization

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • বিজ্ঞান, সনাতন ধর্ম ও বিশ্বসভ্যতা-Science, Religion and World Civilization

বিজ্ঞান, সনাতন ধর্ম ও বিশ্বসভ্যতা-Science, Religion and World Civilization Hindu religion is Self realization
by each individual : to seek the
Truth, to know the Truth, to be the Truth, to be a
liberated soul here and now.

--পৃথিবীতে সূর্যঘড়ির কথা প্রথম কোথায় পাওয়া যায়? বর্তমানে পৃথিবীর বৃহত্তম সূর্যঘড়ি কাদের অবদান, এটি কোথায় অবস্থিত?উত্তর: ...
29/06/2015

--পৃথিবীতে সূর্যঘড়ির কথা প্রথম কোথায় পাওয়া যায়? বর্তমানে পৃথিবীর বৃহত্তম সূর্যঘড়ি কাদের অবদান, এটি কোথায় অবস্থিত?উত্তর: পৃথিবীর ইতিহাসে প্রথম সূর্যঘড়ির কথা পাওয়া যায় অথর্ববেদে। পরে ভাস্করাচার্য্য এই তত্ত্বকে কাজে লাগিয়ে সূর্যঘড়ি তৈরি করেছিলেন।রাজস্থানের জয়পুরের যন্তর মন্তর কয়েকটি জ্যোতির্বিজ্ঞান যন্ত্র স্থাপত্যের সমষ্টি। ১৭২৭ থেকে ১৭৩৪ সালের মধ্যবর্তী সময়ে মহারাজা দ্বিতীয় জয়সিংহ তাঁর নতুন রাজধানী জয়পুরে মুঘল রাজধানী দিল্লিতে তাঁরই নির্মিত যন্তর মন্তরের আদলে এটি নির্মাণ করেন।
এর মাধ্যমে স্থানীয় সময়, সূর্যের বিষুবলম্ব ও উন্নতি কোণ পরিমাণ করা যায় এমনকি এই ঘড়ির মাধ্যমে গ্রহণও নির্ধারণ করা যায়। ১৫ সেকেন্ডে মধ্যে নির্ভুল সময় নির্ণয় করা সম্ভব। এটি পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা বৃহৎ সূর্যঘড়ি। এর অনুরূপ ঘড়ি মানমন্দির দিল্লি, উজ্জ্বয়িনী, মথুরাতে ও কাশীতে রয়েছে। তিনি এই রকম পাঁচটি স্থাপনা পাঁচটি ভিন্ন ভিন্ন স্থানেনির্মাণ করেছিলেন। তার মধ্যে দুটি দিল্লি ও জয়পুরে অবস্থিত। জয়পুর মানমন্দিরটি ছিল বৃহত্তম এবং এখানে তিনি ২০টি স্থায়ী যন্ত্র বসিয়েছিলেন। সূর্যের ছায়া থেকে পৃথিবীর অক্ষাংশ নির্ণয় করে এর মাধ্যমে সময় গণনা করা হয়।এর সূক্ষ্ম সময় নির্ণয় ব্যবস্থা ও নির্ভুল হিসেবের প্রেক্ষিতে ইউনেস্কো এই সূর্যঘড়িকে বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় সাংস্কৃতিক সম্পত্তি রূপে অন্তর্ভুক্ত করেছে।পৃথিবীর এই বৃহত্তম সূর্যঘড়ি বৈদিক ঋষিদের অবদান।_____________

--হরে কৃষ্ণ,,,,,--আসুন গীতা পাঠ করি,,,,,,,--শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন,,,
10/06/2015

--হরে কৃষ্ণ,,,,,
--আসুন গীতা পাঠ করি,,,,,,,
--শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন,,,

প্রশ্নঃ পড়ার পূর্বে বেদের কোনমন্ত্র পাঠ করতে হয় ?উত্তরঃ ওঁ মেধাং মে বরুনোদদাতি মেধাগ্নিঃপ্রজাপতিঃ। মেধামিন্দ্রশ্চবায়ুশ্চ...
13/04/2015

প্রশ্নঃ পড়ার পূর্বে বেদের কোন
মন্ত্র পাঠ করতে হয় ?
উত্তরঃ ওঁ মেধাং মে বরুনো
দদাতি মেধাগ্নিঃ
প্রজাপতিঃ। মেধামিন্দ্রশ্চ
বায়ুশ্চ মেধাং ধাতা দদাতি মে
স্বাহা।। যজুর্বেদ ৩২.১৫ অনুবাদ- হে
প্রকাশমান,প্রজা পালক প্রভু,আমি
যেন মেধা প্রাপ্ত হই,মেধাবুদ্ধি
ধারন করতে সক্ষম হই। হে সর্বব্যপক
পরমাত্মা,আমি যেন চরাচর জগতের
সত্য- অসত্য বিচারের বিবেকযোগ্য
বুদ্ধি ও মেধা প্রাপ্ত হই।

প্রশ্ন: মহাকর্ষ ও অভিকর্ষবা মাধ্যাকর্ষণশক্তি সম্পর্কে হিন্দুশাস্ত্রকী বলে? এ বিষয়ে হিন্দুবিজ্ঞানীদের কোনঅবদান আছে কি?উত্...
11/02/2015

প্রশ্ন: মহাকর্ষ ও অভিকর্ষ
বা মাধ্যাকর্ষণ
শক্তি সম্পর্কে হিন্দুশাস্ত্র
কী বলে? এ বিষয়ে হিন্দু
বিজ্ঞানীদের কোন
অবদান আছে কি?
উত্তর:
আধুনিক বিশ্বে সকলের
ধারণা মহাকর্ষ ও অভিকর্ষ
শক্তি নিউটন প্রথম আবিষ্কার
করেছেন। অনেকেই জানেন
না যে, এ বিষয়ে হিন্দুদের মূল
ধর্মগ্রন্থ
বেদে স্পষ্টভাবে আলোচনা করা
হয়েছে।
সবিতা যন্ত্রৈঃ পৃথিবী
মরভণাদস্কম্ভনে সবিতা
দ্যামদৃংহৎ।
অশ্বমিবাধুক্ষদ্ধু
নিমন্তরিক্ষমতূর্তে বদ্ধং সবিতা
সমুদ্রম ॥ ঋগ্বেদ, ১০/১৪৯/১
অনুবাদ: সূর্য রজ্জুবৎ আকর্ষণ
দ্বারা পৃথিবীকে বাঁধিয়া
রাখিয়াছে। নিরাধার
আকাশে দ্যুলোকের অন্যান্য
গ্রহকেও ইহা সুদৃঢ় রাখিয়াছে।
অচ্ছেদ্য আকর্ষণ রর্জ্জুতে আবদ্ধ,
গর্জনশীল গ্রহসমূহ নিরাধার
আকাশে অশ্বের ন্যায় পরিভ্রমণ
করিতেছে।
দেখুন, আকাশ যে ‘নিরাধার’
এবং ‘রজ্জুবৎ আকর্ষণ’ অর্থাৎ মহাকর্ষ
শক্তির দ্বারাই যে সেই
নিরাধার আকাশে সূর্য ও গ্রহসমূহ
নিজ অক্ষরেখায় সুদৃঢ় রয়েছে -
এখানে সেকথা বলা হয়েছে।
বিশ্বের প্রভাবশালী অনেক
ধর্মগ্রন্থে আকাশকে স্পষ্টভাবে ‘
পৃথিবীর ছাদ’
হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। অথচ
এই সব ধর্মমতের জন্মেরও হাজার
বছর পূর্বে বেদে আর্য ঋষিগণ
আকাশকে ‘নিরাধার’ অর্থাৎ
পৃথিবীকে ও
গ্রহসমূহকে শূন্যে ভাসমান
বলে ঘোষণা দিয়েছিলেন।
আরও লক্ষণীয়, মহাকর্ষ
শক্তিতে আবদ্ধ গ্রহসমূহ
যে নিরাধারে অর্থাৎ
মহাশূন্যে স্থির নয়, বরং পরিভ্রমণ
করছে নিজ কক্ষপথে -এই তত্ত্বও
আবিষ্কার করেছিলেন বৈদিক
ঋষিগণ। এমনকি সূর্য নিজেও
যে তার নিজস্ব
কক্ষপথে চলছে সেই অত্যাশ্চর্য গূঢ়
বিজ্ঞানও আলোচিত
হয়েছে নিম্নের মন্ত্রে :
আকৃষ্ণেন
রজসা বর্তমানো নিবেশয়ন্নমৃতং
মর্তঞ্চ।
হিরণ্ময়েন
সবিতা রথেনা দেবো যাতি
ভুবনানি পশ্যন্ ॥ ঋগ্বেদ, ১/৩৫/২
অনুবাদ: সূর্য আকর্ষণযুক্ত
পৃথিব্যাদি লোক-
লোকান্তরকে সঙ্গে রাখিয়া
নশ্বর-অবিনশ্বর উভয় পদার্থকে নিজ
নিজ কার্যে নিযুক্ত
রাখিয়া এবং মাধ্যাকর্ষণ
রূপে রথে চড়িয়া যেন
সারা লোকান্তর
দেখিতে দেখিতে গমন
করিতেছে।
খুব অবাক হতে হয়, পৃথিবী যেমন
চাঁদকে সঙ্গে নিয়ে সূর্যের
চারপাশে প্রদক্ষিণ করছে, তদ্রুপ
সূর্যও যে তার গ্রহ-
উপগ্রহসমূহকে সঙ্গে নিয়ে নিজের
কক্ষপথে গমন করছে -এই গভীর
জ্ঞানও পবিত্র বেদে আলোচিত
হয়েছে।
মহাবিজ্ঞানী ভাস্করাচার্য
(১১৫০ খ্রি:) তাঁর ‘সিদ্ধান্ত
শিরোমণি’ নামক
জ্যোতিঃশাস্ত্রের
গোলাধ্যায়ে উল্লেখ করেছেন-
“আকৃষ্টি শক্তিশ্চ মহী তয়া যৎ
স্বস্থং স্বাভিমুখী করোতি।
আকৃষ্যতে তৎ পততীব
ভাতি সমে সমন্তাৎ
কুবিয়ং প্রতীতিঃ॥”
অর্থাৎ “সর্ব পদার্থের মধ্যে এক
আকর্ষণ শক্তি বিদ্যমান রহিয়াছে,
যে শক্তি দ্বারা পৃথিবী আকাশস্থ
পদার্থকে নিজের
দিকে লইয়া আসে।
যাহাকে ইহা আকর্ষণ
করে তাহা পতিত হইল
বলিয়া মনে হয়।”
অর্থাৎ প্রাচীন ঋগ্বেদ শাস্ত্রের
পাশাপাশি ব্যক্তি হিসেবে
বিবেচনা করলেও হিন্দু
বিজ্ঞানী ভাস্করাচার্য
(১১১৪-১১৮৫) বিজ্ঞানী আইজ্যাক
নিউটনের (১৬৪২-১৭২৭) জন্মেরও
কমপক্ষে পাঁচশত বছর পূর্বে মহাকর্ষ
শক্তি আবিষ্কার করে তাঁর গ্রন্থ
‘সিদ্ধান্ত
শিরোমণি’তে আলোচনা করে
গিয়েছেন।

28/12/2014

একজন সনাতন ধর্মালম্বির (হিন্দুর) দৈনিক ধর্মীয়
কার্যাবলী
১. সকালে ঘুম থেকে উঠে পূর্বমুখী হয়ে মাটি স্পর্শ
করে বলুন
ওঁ প্রিয়দত্তায়ৈ ভূম্যৈ নম:
২.ঘরের দরজা খুলে পূর্বমুখী হয়ে
সূর্য প্রণাম মন্ত্র/ ওঁ শ্রী সূর্যায় নম:
৩. স্নান করার সময় বলুন-
ওঁ গঙ্গে চ যমুনে চৈব গোদাবরি সরস্বতী
নর্মদে সিন্ধু কাবেরি জলেহস্মিন সন্নিধিং কুরু
পরে কৃতাঞ্জলি হয়ে-
ওঁ কুরুক্ষেত্র গয় গঙ্গা প্রভাস পুষ্করিণী চ।
তীর্থান্যেতানি পুণ্যানি স্নানকালে ভবন্ত্বিহ।
৪. গৃহ প্রবেশ মন্ত্র-
ওঁ শ্রী বাস্তুপুরুষায় নম:
৫. খাবার আগে-
ওঁ শ্রী জনার্দ্দনায় নম:
৬. ঘুমাবার আগে-
ওঁ শ্রী পদ্মনাভায় নম:
৭. বিপদে
ওঁ শ্রী মধুসূদনায় নম:
৮.মলমূত্র ত্যাগের আগে
আজ্ঞা কুরু বসুন্ধরা
৯. মৃত্যু সংবাদ শুনলে-
দিব্যান্ লোকান্ স গচ্ছতু
১০. জন্ম সংবাদ শুনলে-
আয়ুষ্মান ভব
এছাড়া হিন্দু ধর্মীয় সকল কাজ শুরুর আগে ''ওঁ তৎ সৎ''
দিয়ে শুরু করা উচিত।
নিজে জানুন অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন
ভালো লাগলে লাইক/ কমেন্ট/ শেয়ার অবশ্যয়।

ভগবানের সেবা শত হলেওআগে,,,,রূপ লাগি আঁখি ঝুরে গুনে মন ভোর ।প্রতি অঙ্গ লাগি কান্দে প্রতি অঙ্গমোর ।। হিয়ার পরশলাগি হিয়া মো...
28/11/2014

ভগবানের সেবা শত হলেও
আগে,,,,
রূপ লাগি আঁখি ঝুরে গুনে মন ভোর ।
প্রতি অঙ্গ লাগি কান্দে প্রতি অঙ্গ
মোর ।। হিয়ার পরশ
লাগি হিয়া মোর কান্দে । পরাণ
পিরীতি লাগি থির
নাহি বান্ধে ।। সই, কি আর বলিব ।
বৈষ্ণব কীর্তনে শ্রী রাধার দিব্য
প্রেমের ভাব বর্ণনা করা হয়েছে ।
মাধুর্য প্রেমের পূজারী ছিলেন
স্বয়ং শ্রীরাধিকা । বলা হয়
শ্রীরাধারানী কৃপা করলেই ভগবান
কৃষ্ণ প্রাপ্তি হয় । ‘রাধা’ নামের
একটি শব্দ হয় ‘আরাধিকা’।
আমরা যারা মাধুর্য
ভক্তি দ্বারা ভগবান শ্রীকৃষ্ণের
আরাধনা করি, আমাদের মধ্যেও
থাকে রাধারানীর ভাব । এই প্রেম
সর্ব শ্রেষ্ঠ । মহাপ্রভু উৎকল নিবাস
কালে রায় রামানন্দের
কাছে পাঠ শুনে সর্ব শেষ মাধুর্য
রসের কথা শুনে এই রস বা ভক্তিকেই
সর্ব শ্রেষ্ঠ ভক্তি বলেছেন । এই
রসে ভগবান হল কান্ত,
আরাধিকা হলেন কান্তা । বৈষ্ণব
শাস্ত্র মতে শ্রীরাধিকা ছিলেন
আয়ান ঘোষের পত্নী। জটিলা,
কুটিলা নামক দুই হিংসুট সদস্য
শ্রীরাধিকার পরিবারে ছিল।
রাধারানীকে লোকে “
কৃষ্ণকলঙ্কিনী” বলে ডাকতো । কারন
তিনি কৃষ্ণ প্রেমের কলঙ্ক
মেখেছিলেন ।
কলঙ্কী বলিয়া ডাকে সব
লোকে তাহাতে নাহিক দুখ ।
তোমার লাগিয়া কলঙ্কের হার
গলায় পরিতে সুখ ।। জাগতিক
লোকের দৃষ্টিতে কলঙ্ক। আধ্যাত্মিক
দৃষ্টিতে মাধুর্য।
শ্রীরাধারানী কৃষ্ণ প্রেমের মাধুর্য
মেখেছিলেন । আর সেই দিব্য প্রেম
সাধনার পথেই হয়েছিল ভগবানের
সাথে রাস ক্রীড়া । শ্রীরাধিকার
এই সাধনা ময় জীবনের কিছু কিছু
বৈশিষ্ট্য মানব জীবনে দেখা যায়
। কলিযুগে আসুরিক ভাবাচ্ছন্ন মানব
নামধারী দানবের সংখ্যা বেশী ।
এরা কখনো মন্দির
ভেঙ্গে পূজা অর্চনায় বাধা দেয় ,
আবার দেখা যায়
পরিবারে হিরন্যকশিপুর
মানসিকতা সম্পন্ন লোকের
সংখ্যা বেশী। হিরণ্যকশিপু নিজের
পুত্র প্রহ্লাদ কে হরিনাম
করতে নিষেধ করেছিল, বারন
না শোনার জন্য বারবার পুত্রস্নেহ
কে পদদলিত করে প্রহ্লাদ
কে প্রানে মারার
চেষ্টা করেছিল। প্রহ্লাদ দমেনি ।
আবার দেখা যায় কেউ ঈশ্বর ভক্ত
হলে তাকে ঘীরে চলে নানান
কটূক্তি, ব্যাঙ্গ। আবার কোথাও
ভদ্রতার দোহাই
দিয়ে পূজা অর্চনা নিষেধ।
রাধারানী কিন্তু সকল
বাধা বিপত্তি কে তুচ্ছ
করে বারবার ঘনশ্যামের
চরণে ছুটে গেছেন । লোকলাজ, ভয়
তুচ্ছ করে। তেমনই ভক্তকে হতে হয়
ভয়শূন্য। এইভাবে লোকলাজ,
কটূক্তি তুচ্ছ করে ভগবানের
সেবা করা । অন্তিমে বলা যাক-
ভগবান
নিজে মানুষকে সৃষ্টি করেছেন-
মানুষ কিন্তু
ভগবানকে সৃষ্টি করেননি । তাই
ভগবানের সেবা শত হলেও আগে ।

গুরুভক্তির জন্যমহাভারতে অমরহয়ে থাকা একটি চরিত্রহচ্ছে “একলব্য”,,,,গুরু ব্রহ্মা গুরু বিষ্ণু গুরুদেব মহেশ্বর।গুরু রেব পরং ব...
26/11/2014

গুরুভক্তির জন্য
মহাভারতে অমর
হয়ে থাকা একটি চরিত্র
হচ্ছে “একলব্য”,,,,

গুরু ব্রহ্মা গুরু বিষ্ণু গুরুদেব মহেশ্বর।
গুরু রেব পরং ব্রহ্ম
তস্মৈ শ্রী গুরুবে নমঃ ।।
গুরুভক্তির জন্য মহাভারতে অমর
হয়ে থাকা একটি চরিত্র
হচ্ছে “একলব্য” । একলব্য ছিল মগধের
অধিবাসী নিষাদরাজ হিরণ্যধনুর
পুত্র। এই নিষাদরা ছিল অনার্য
জাতি বা উপজাতি। নিজের
প্রতি একলব্যের ছিল গভীর
আস্থা এবং সেই সাথে ছিল
বিখ্যাত ধনুর্ধর হবার প্রবল বাসনা।
আর সেই জন্য বনের মধ্য
দ্রোণাচার্যের মাটির
মূর্তি তৈরি করে দ্রোণাচার্যকে
গুরু বলে বরণ করে পরম শ্রদ্ধার
সাথে ধনুর্বেদ শিক্ষা অর্জন
করতে থাকে।
কিন্তু একসময় দ্রোণাচার্যের
আদেশেই এই একলব্য নিজের
ডানহাতের বৃদ্ধাঙ্গুল কেটে গুরু
দক্ষিণা দিয়েছে। মহাভারতের এই
কাহিনীটি আমরা অনেকেই caste
প্রথার দৃষ্টান্ত
হিসেবে দেখে থাকি।
এমনকি আমরা অনেকেই
ভেবে থাকি যে,
“অর্জুনকে সর্বশ্রেষ্ঠ ধনুর্ধর
হিসেবে তৈরি করতেই দ্রোণ
পক্ষপাতমূলক ভাবে একলব্যের
প্রতি এই রূপ আচরণ করেছে।” কিন্তু,
বাস্তবিক অর্থে এই প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ
ভিন্ন।
সঠিকভাবে পর্যালোচনা করলে এই
কাহিনীর মধ্য দিয়ে আমরা গুরু
দ্রোণাচার্যের দূরদর্শিতা ও
হস্তিনাপুরের প্রতি আনুগত্যতার
পরিচয় পাই। একলব্য ছিল মগধদেশের
উপজাতি। এই মগধের রাজা ছিল
জরাসন্ধ এবং তাঁর সেনাপতি ছিল
শিশুপাল। মগধ ছিল হস্তিনাপুরের
শত্রুরাজ্য; তাই হস্তিনাপুরের
অন্নে প্রতিপালিত দ্রোণাচার্য
চায়নি যে তাঁর
বিদ্যা হস্তিনাপুরের
বিপক্ষে প্রয়োগ করা হোক।
ভবিষ্যতে একলব্য যাতে অজেয়
হতে না পারে সেই জন্য দ্রোণ
একলব্যের কাছ থেকে তাঁর
ডানহাতের বৃদ্ধাঙ্গুল গুরু
দক্ষিণা হিসেবে গ্রহন করে। অতএব,
বৃহত্তর দৃষ্টিকোণ
থেকে দেখলে একলব্যের প্রতি এরূপ
ব্যবহারে আমাদের দুঃখ হবে না ।
মহাভারতে অনেকবার
একটা কথা বলা হয়েছে যে, “কালই
মহাভারতের নায়ক।” আর এই কালের
নিয়ন্ত্রক হচ্ছেন স্বয়ং ভগবান
শ্রীকৃষ্ণ। ধর্মসংস্থাপনের জন্যই
ভগবান শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব।
কুরুক্ষেত্রের সেই ধর্মযুদ্ধে একলব্য,
জরাসন্ধ কিংবা শিশুপাল;
এরা প্রত্যেকেই অধর্মের সহায়ক
হতো। তাই,
গভীরভাবে চিন্তা করলে একটি
বিষয় সুস্পষ্ট যে, “ধর্ম
রক্ষার্থে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের
ইচ্ছানুসারেই কালের
প্রভাবে একলব্যের বীরত্ব নষ্ট
হয়েছে।”

কলিকালে নামরূপে কৃষ্ণঅবতার,,,,আমাদের চারটি যুগ রয়েছে যথাঃ-সত্যযুগ, ত্রেতাযুগ, দ্বাপরযুগ ও কলিযুগ।বর্তমান সময় কলিযুগের ...
24/11/2014

কলিকালে নামরূপে কৃষ্ণ
অবতার,,,,
আমাদের চারটি যুগ রয়েছে যথাঃ-
সত্যযুগ, ত্রেতাযুগ, দ্বাপরযুগ ও কলিযুগ।
বর্তমান সময় কলিযুগের অর্ন্তভুক্ত ।
প্রত্যেক
যুগে ভগবানকে সন্তুষ্টি বিধানের
জন্য আলাদা ভাবে ধর্মানুষ্ঠান
করা হত। এ সম্ভন্ধে শ্রীমদ্ভাগবতের
(১২/৩/৫২ শ্লোকে) শুকদেব গোস্বাম
ী পরিক্ষিত মহারাজকে বলেন -
“ কৃতে যদ্ধ্যায়তো বিষ্ণুং
ত্রেতায়াং ঘজতো মখৈঃ।
দ্বাপরে পরিচর্যায়াং কলৌ
তদ্ধরিকীর্তনাৎ ।। ”
অথাৎ, সত্যযুগে বিষ্ণুকে ধ্যান করে,
ত্রেতাযুগে যজ্ঞের মাধ্যমে যজন
করে এবং দ্বাপর যুগে অর্চন
আদি করে যে ফল লাভ হত,
কলিযুগে কেবলমাত্র “ হরেকৃষ্ণ
মহামন্ত্র” কীর্তনে সেই সকল ফল লাভ
হয়।
অথাৎ, সত্যযুগে যুগধর্ম ছিল ভগবান
বিষ্ণুর ধ্যান করা। ধ্যানের
মাধ্যমে ভগবানের
সন্তুষ্টি বিধানের প্রয়াস করা হত।
বৈদিক শাস্ত্রমতে ধর্মের
চারটি স্তম্ভ যথাঃ- সত্য, দয়া, তপ ও
শৌচ।
সত্যযুুগে এই চারটি স্তম্ভই বর্তমান
ছিল। তখন চারভাগ ধর্ম ছিল
এবং মানুষের আয়ুষ্কাল ছিল ১ (এক)
লক্ষ বছর। ভগবানকে সন্তুষ্টি করার জন্য
হাজার হাজার বছর ধ্যান (তপস্যা)
করা হত। ভগবানকে লাভ করা খুবই
কষ্ঠসাধ্য ছিল।
ত্রেতাযুগে যুগধর্ম ছিল যজ্ঞের
মাধ্যমে ভগবানের সন্তুষ্টি বিধান
করা। বিভিন্ন রকমের উপাদান
যজ্ঞের অগ্নিতে আহুতির
মাধ্যমে ভগবানকে আহবান করা হত।
যজ্ঞে বিভিন্ন প্রকার বৈদিক মন্ত্র
উচ্চারিত হত। এই যুগে তিন ভাগ ধর্ম
এবং এক ভাগ অধর্ম ছিল। মানুষের আয়ু
ছিল ১০ (দশ) হাজার বছর।
দ্বাপর যুগে যুগধর্ম ছিল অর্চন। এ
যুগে দুই ভাগ ধর্ম ও দুই ভাগ অধর্ম ছিল।
মানুষের আয়ুস্কাল ছিল ১ (এক)
হাজার বছর। মানুষ অর্চনের
মাধ্যমে ভগবানকে সন্তুষ্ট করার জন্য
চেষ্টা করত।
কলিযুগের যুগধর্ম হচ্ছে নাম
সংকীর্তন করা। কলিযুগে তিন ভাগ
অধর্ম এবং এক ভাগ ধর্ম। মানুষ অল্প আয়ূ,
অল্প মেধা,কলহ প্রিয়,
এবং অধার্মিক। কিন্তু
কলি যুগে সবচেয়ে বড় আশীবাদ হল
খুব অল্পতেই হরিনাম সংকীর্তন
করার মাধ্যমে ভগবানকে লাভ
করতে পারা যায়।
চৈতন্যচরিত্রামৃতে বর্ণনা হয়েছে -
“ কলিকালে নামরূপে কৃষ্ণ অবতার।
নাম হৈতে হয় সর্বজগৎ নিস্তার ।।”
এই কলিযুগে ভগবানের দিব্যনাম “
হরে কৃষ্ণ মহামন্ত্র ” হচ্ছে শ্রীকৃষ্ণের
অবতার। কেবলমাত্র এই দিব্যনাম গ্রহন
করার ফলে, যে কোন মানুষ
সরাসরিভাবে ভগবানের সঙ্গ লাভ
করতে পারেন। যিনি তা করেন
তিনি অবশ্যই জড় জগত থেকে উদ্ধার
লাভ করেন। এই নামের প্রভাবেই
কেবল সমস্ত জগৎ নিস্তার
পেতে পারে।
অন্যান্য যুগে অনেক বছর সাধনার
ফলে যা লাভ হতো না,
কলিযুগে শুধুমাত্র নিরন্তন
হরিনামের
মাধ্যমে তা অতি সহজেই লাভ হয়।
শ্রীল ভক্তিবিনোদ ঠাকুর

বেদ সংকলনের সংখিপ্তইতিহাসঃ পোষ্ট -১বেদ শিক্ষা মুলত গুরু দ্বারাইবা মাধ্যমে কিন্তু চর্চা হিনতারকারণে বেদ জ্ঞানী গুরুপাওয়া ...
23/11/2014

বেদ সংকলনের সংখিপ্ত
ইতিহাসঃ পোষ্ট -১
বেদ শিক্ষা মুলত গুরু দ্বারাই
বা মাধ্যমে কিন্তু চর্চা হিনতার
কারণে বেদ জ্ঞানী গুরু
পাওয়া যাবে না তেমন।
দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো বহিঃশত্রুর
আক্রমনের ফলে এবং সংরক্ষণের
অভাবে বেদের বেশ কিছু
শাখা হারিয়ে গেছে আবার এই
হারানো শাখা গুলির আচরণ
বিধি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের
মানুষের জীবন আচরণের
সাথে মিশে আছে বিভিন্ন আচার
রূপে। প্রাচীন কালে এক এক ঋষি এক
এক বেদের দায়িত্ব নিয়ে প্রজন্ম গত
ভাবে সেই শাখা গুলিকে সংরক্ষণ
করতেন। প্রাকৃতিক বিপর্যয়,
বহিঃশত্রুর আক্রমণ ইত্যাদির
কারণে বিভিন্ন শাখার ধারক
পরিবার গুলি ধংস
হয়ে গেছে এবং সেই সাথে ঐ
শাখার ও বিলুপ্তি ঘটছে।
দ্বাপরে ঋষি মেলা হতো। সেই
মেলায় সব ঋষির অবশ্যই উপস্থিত
থাকতে হতো। যেহেতু আর্যাবর্তের
সকল ঋষি উপস্থিত থাকতেন সেহেতু
বেদ মত্র দ্রষ্টা ঋষি বা ঐ
ঋষি বেঁচে না থাকলে ও বেদের ঐ
শাখার ধারক ঋষিদের
পাওয়া যেত। ঋষি শ্রী কৃষ্ণ
দ্বৈপায়ন বেদব্যাস সকল
ঋষি থেকে প্রাপ্ত বেদ মন্ত্র ও
ধারণা গুলিকে একত্রিত
করে বেদকে ৪ টি ভাগে ভাগ
করেন। এই চার ভাগের
চারটি নামকরণ করা হয়; ঋক, সাম, যজুর
ও অথর্ব বেদ।
ঋষি শ্রী কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন বেদব্যাসর
এই বিশাল উদ্যোগের
কারণে আমরা আজ বেদ
জ্ঞানকে গোছানো অবস্থায়
পাচ্ছি। মুলত সরস্বতী নদীর
তিরে বসে ধ্যানমগ্ন ঋষিরা ঈশ্বর
হতে দৈব বাণী আকারে বেদ মন্ত্র
ও ধারণা প্রাপ্ত হয়েছিলেন। এক এক
ঋষি বেদের এক
একটি ধারণা প্রাপ্ত হয়েছিলেন।
কিন্তু তাঁরা বিচ্ছিন্ন ভাবে এক এক
স্থানে অবস্থান করতেন। এই
ভাবে দ্বাপরের পূর্বে অনেক ঋষির
জীবন অবসানের ফলে সেই জ্ঞান
গুলি হয়তো আর পাওয়া যায়নি।
আবার অনেক ক্ষেত্রে ঐ ঋষির
শিষ্যরা সেই জ্ঞান প্রজন্ম গত
ভাবে ধরে রেখে ঐ
ধারণা গুলিকে বাঁচিয়ে
রেখেছিলেন যা ঋষি শ্রী কৃষ্ণ
দ্বৈপায়ন বেদব্যাস একত্রিত
করে বেদকে চার ভাগে সঙ্কলন
করেছিলেন।
পরের পোষ্ট এ থাকবে ঋষি শ্রী কৃষ্ণ
দ্বৈপায়ন বেদব্যাস এর বেদ
বিন্যাসের তথ্য।
ঈশ্বর সকলের মঙ্গল করুন
গর্বের সাথে বলুন আমরা বৈদিক,
আমরা সনাতন।

উপবাসউপবাস হিন্দুদের আচার বিশেষ।সামাজিক বা ধর্মীয়উদ্দেশ্যে নির্দিষ্টএকটি সময়ের জন্য খাদ্য গ্রহণনা করাকেই বলে উপবাস। বি...
20/10/2014

উপবাস
উপবাস হিন্দুদের আচার বিশেষ।
সামাজিক বা ধর্মীয়
উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট
একটি সময়ের জন্য খাদ্য গ্রহণ
না করাকেই বলে উপবাস। বিবাহ,
পূজার্চনা এবং বিভিন্ন ব্রত
উপলক্ষে উপবাস পালন করা হয়।
সাধনক্ষেত্রে ইন্দ্রিয় সংযম
অত্যাবশ্যক কর্ম, আর এ জন্য
উপবাস একটি প্রধান উপায়।
উপবাস শব্দটির
মধ্যে দুটি বিষয়ের
দ্যোতনা আছে;
একটি হলো খাদ্য গ্রহণ
থেকে বিরত থাকা এবং অপরটি
কায়মনোবাক্যে ইষ্টদেবতার
সান্নিধ্য অনুভব করা।
দেহ-মনকে সুস্থ ও নীরোগ রাখার
জন্যও অনেকে নিয়মিত
সাপ্তাহিক বা পাক্ষিক উপবাস
পালন করেন। তাঁদের
ক্ষেত্রে দৈহিক ব্যাপারটিই
প্রধান, মানসিক সংযম
সেখানে গৌণ।
অপরদিকে যাঁরা ধর্মীয়
দৃষ্টিকোণ থেকে উপবাস পালন
করেন তাঁরা দেহ-মন উভয় দিক
থেকেই সংযত হয়ে থাকেন। কাম,
ক্রোধ, লোভ, মোহ
এগুলি নিয়ন্ত্রণের
ক্ষেত্রেও উপবাস বিশেষ
ভূমিকা রাখে। উপবাস
দ্বারা সংযমী সাধক মন, বুদ্ধি ও
প্রজ্ঞা দিয়ে আরাধ্য দেব-
দেবীর সান্নিধ্য অনুভব করেন
এবং এর
মাধ্যমে অন্তরে প্রশান্তি
লাভ করেন। তাই আত্মিক
ভাবনায় ঋদ্ধ ব্যক্তিগণ দেহ ও
মন উভয় সুস্থ রাখার জন্য
সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে,
একাদশী তিথিতে অথবা
অমাবস্যা ও
পূর্ণিমা তিথিতে উপবাস পালন
করেন। এ ছাড়া বিশেষ পূজা-
অর্চনাদির সময়ও ভক্তগণ উপবাস
পালন করেন। যেমন
সরস্বতী পূজা উপলক্ষে হিন্দু
ছাত্র-ছাত্রীরা উপবাস পালন
করে।
ব্যক্তিবিশেষের শক্তি-
সামর্থ্য অনুযায়ী উপবাসের
প্রকৃতি বিভিন্ন রকম
হয়ে থাকে। যদি কেউ পূর্ণ
একটা তিথি (প্রায় চবিবশ
ঘণ্টা) উপবাস থাকতে না পারেন
তাহলে তিনি স্বাভাবিক
আহারের পরিবর্তে কিঞ্চিৎ
লঘুখাদ্য গ্রহণ করতে পারেন।
আবার কেউ কেউ উপবাসের সময়
পানীয় পর্যন্ত গ্রহণ করেন না।
বহু সাধক-মহাপুরুষের
জীবনে ক্রমাগত দুই, তিন, চার,
পাঁচদিন ব্যাপী উপবাসের
কাহিনীও জানা যায়।
স্বাভাবিক উপবাস দেহ ও
মনকে সুস্থ ও পবিত্র রাখে।

আমাদের সনাতন ধর্ম একমাত্র সত্য ধর্ম। আমরা হিন্দু । আমরা গর্বিত ।ঈশ্বরকে ধন্যবাদ তিনি আমাদেরসনাতন কূলে জন্ম দিয়েছেন ।আমাদ...
16/10/2014

আমাদের সনাতন ধর্ম একমাত্র সত্য ধর্ম
। আমরা হিন্দু । আমরা গর্বিত ।
ঈশ্বরকে ধন্যবাদ তিনি আমাদের
সনাতন কূলে জন্ম দিয়েছেন ।
আমাদের ধর্মেই সব আছে ,
নীতি শিক্ষা বা সদাচার শিক্ষার
জন্য অন্য ধর্মের অনুকরণ বা আদর্শ গ্রহণ
না করলেও চলবে । আমরা সেই ভৃগু ,
শুক্র, বিশ্বামিত্র, বশিষ্ঠ, পুলস্ত, কশ্যপ
আদি মহান ঋষি মুনিদের বংশধর ।
ঋষি রক্ত আমাদের শিরায় শিরায়
বইছে । সেই মহান আচার্য গণ
আমাদের জন্য বিবিধ জ্ঞান
ভাণ্ডার রেখে গেছেন ।
আমরা সেই জ্ঞান কেই নেবো ।
কি নেই আমাদের ধর্মে ? বেদান্ত
জ্ঞান , রামায়ন ও মহাভারত এর
সদাচার শিক্ষা , পুরান এর মানবিক
শিক্ষা , গীতার জীবন দর্শন , চন্ডীর
শক্তি তত্ত্ব ।
তার সাথে আছে ভারতীয় দর্শন
এমনকি চার্বাক নামক নাস্তিক দর্শন
কেও আমরা আমাদের
সংস্কৃতি তে স্থান দিয়েছি ।
আয়ুর্বেদ
দিয়েছে চিকিৎসা বিজ্ঞান ।
গাছ গাছড়ার থেকে ঔষধ ।
যোগা দিয়েছে যোগাসন ,
প্রানায়াম- শরীর সুস্থ রাখার এক
পদ্ধতি । এই ধর্ম এত বিশাল ও ব্যপক সব
কিছুই আছে । এমনকি রতি শাস্ত্রের
ওপর ঋষি বাৎস্যায়ন, বাভ্র
রচনা করেছেন গ্রন্থ। যেহেতু ‘ধর্ম ,
অর্থ , কাম , মোক্ষ’ কে চতুর্বিধ ফল
বলা হয় । সব এখানেই পাওয়া যাবে
। তাই যে সব হিন্দু গণ অন্য ধর্মের
মতামত নিয়ে সদাচার শিখতে যান
– তারা গঙ্গার জল
ফেলে দূরে ডোবার জল আনতে যান
। পতিত পাবনী গঙ্গা থাকতে কেন
আমরা সাধারন জল
দিয়ে কলসি ভরবো?
এই ধর্ম সব সদাচারের স্রষ্টা । আচার্য
শঙ্কর বেদান্ত জ্ঞান দিয়েছেন ।
মহাপ্রভু দিয়েছেন ভক্তি, ক্ষমা,
ভালোবাসার আদর্শ ।
ক্ষমা শীলতা শিখতে হলে এখানেই
শেখা যাবে । অন্য মত
নিতে হবে না । ঠাকুর রামকৃষ্ণ দেব
এসেছেন । তিনি বেদান্ত, বৈষ্ণব ,
তন্ত্র কে এক সুতোয়
গেঁথে দেখিয়েছেন- সব সনাতন পথ
সত্য । তাঁর শিষ্য স্বামী বিবেকানন্দ
আমাদের শিখিয়েছেন ‘নিজের
অন্তরের সুপ্ত শক্তিকে জাগরণের
তত্ত্ব’ । আমি হিন্দু । আমি গর্বিত । গর্ব
করে বল আমি হিন্দু । ভারতের দেব
দেবী সত্য। তেঁনারা আমার পূজ্য ।
সেবা , ত্যাগ , ব্রহ্মচর্যের ,
হিন্দুত্বের কথা এই
সন্ন্যাসী গোটা বিশ্ব
মাঝে প্রচার করেছিলেন ।
স্বামী প্রনবানন্দ মহারাজ আশ্রম
স্থাপন পূর্বক হিন্দু ধর্মের বিরাট দর্শন
, ত্যাগের ভাবনা , দেশ ও ধর্মের
প্রতি কর্তব্য , নিষ্ঠা , সদাচার
শেখালেন । স্বামী নিগমানন্দ
সরস্বতী মহারাজ এলেন ।
তিনি ভক্তি , তন্ত্র , জ্ঞান
সাধনা করে সমস্ত ব্রহ্মজ্ঞান
আমাদের জন্যই রেখে গেলেন ।
এসেছেন লোকনাথ বাবা ।
এসেছেন ঠাকুর সীতারাম ওমকার
নাথ , এসেছেন তারাপীঠ ভৈরব
বামাদেব , এসেছেন রাম ঠাকুর ।
এমন অনেক মহা মানব, মনিষী বৃন্দ
এসে আমাদের ধর্মের
মাধ্যমে আমাদের সদাচার
শেখালেন । ভিন্ন মত নিয়ে নয় ।
গুরুদেব সুধীন কুমার মিত্র শাক্ত
সাধনা করেছেন ।
তিনি দেখালেন এই সনাতন ধর্মের
সাথে মানব ধর্মের কোন ভেদ নেই ।
কারন আমাদের সনাতন ধর্ম মানবিক
মূল্যবোধ শেখায় ,
অপরকে এমনকি ভিন্ন ধর্মী কেও
কাছে এনে ভালোবাসার
শিক্ষা দেয় । এর দাম হিন্দু দের
যদিও অনেক ক্ষতি পূরণ
দিয়ে দিতে হয় বারংবার ।
তাই অন্তিমে বলি আমি আমার
ধর্মের জন্য গর্বিত ।
আপনারা যারা নিষ্ঠাবান হিন্দু
আছেন- তাঁরাও গর্ব করেন ।
আমরা ভিন্ন ধর্মী দের উপাসনা লয়
ভাঙ্গি না । আমরা কারোর
পেছনে লাগি না । আমরা বিশ্বাস
করি নিজেও ভালো থাকি , অপর
কেউ ভালো রাখি । কেউ পর নয় ,
তাই বারংবার আঘাত খেয়েও
আমরা ফুল, মিষ্টি দেই । এখানেই
আমাদের জয় । সব শিক্ষা আমাদের
ধর্মেই আছে । একটু জানুন নিজ ধর্ম
সম্বন্ধে ।
জয় মা। জয় হিন্দু ।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বিজ্ঞান, সনাতন ধর্ম ও বিশ্বসভ্যতা-Science, Religion and World Civilization posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share