24/07/2014
ঈদের আগে আজই শেষ
অনুশীলন। বিশাল বহর
নিয়ে অনুশীলনের শেষ দিনও।
দল নিয়ে মতামত নিতে কাল
অধিনায়ক ও কোচের
সঙ্গে বসেছিলেন
নির্বাচকেরা। প্রাথমিক
একটা তালিকাও
দাঁড়িয়ে গেছে। আজ
নির্বাচকদের আরেকটি সভায়
চূড়ান্ত হওয়ার কথা ওয়েস্ট
ইন্ডিজ সফরের দল। চূড়ান্ত
দলে জায়গা পাওয়াদের
নিয়েই ঈদের পর ২ আগস্ট
থেকে শুরু হবে অনুশীলন। কেমন
হবে সেই দলের চেহারা?
কাল একটি ধারণা দিলেন
প্রধান নির্বাচক ফারুক
আহমেদ।
এমনিতে খুব
বেশি পরিবর্তনের প্রয়োজন
বা সুযোগ, কোনোটিই
নেই বাংলাদেশ দলে। তার
পরও টুকটাক কিছু বদল
তো আসবেই। প্রধান
নির্বাচক জানালেন, দল
নির্বাচনে মূল ভাবনায়
থাকবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের
কন্ডিশন, ‘দল নির্বাচনের সময়
দু-তিনটি দিকে মনোযোগ
দিই আমরা। কোন
কন্ডিশনে খেলছি, কাদের
বিপক্ষে খেলছি। ওয়েস্ট
ইন্ডিজের উইকেট এখন
বদলে গেছে। আগে প্রচুর
বাউন্স থাকত। এখন
স্লো উইকেট হয়। যদিও
আমি বিশ্বাস
করি না পুরোপুরি স্পিনিং
থাকবে। আগের মতো চার-
পাঁচটা ফাস্ট বোলার
নিয়ে হয়তো তারা খেলব
তবে ওরা নিজেদের শক্তির
কথা মাথায় রেখেই খেলার
চেষ্টা করবে। সব বিবেচনায়
নিয়েই আমরা দল বানাব।’
কদিন আগে বাংলাদেশ ‘এ’
দল সিরিজ
খেলে এসেছে ওয়েস্ট
ইন্ডিজে। ‘এ’ দলের সফর
সীমাবদ্ধ ছিল যদিও শুধু
বারবাডোজে,
যেখানে এবার ম্যাচই নেই
বাংলাদেশের। তবু ওই সফর
থেকে একটা ধারণা নিয়েছ
ফারুক, ‘কিছুদিন
আগে আমাদের “এ” দল
খেলে এসেছে ওয়েস্ট
ইন্ডিজে। প্রথম
ম্যাচে ওভালের
(বারবাডোজের
কেনসিংটন ওভাল) উইকেট
ভালো ছিল না,
পরেরটা ভালো ছিল।
আমরা অবশ্য এবার খেলব
না ওখানে। তবে ওদের কাছ
থেকে একটা ধারণা পেয়েছ
আসলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের
উইকেট এখন একেক জায়গায়
একেক রকম। সব মিলিয়ে দল
গড়াটা চ্যালেঞ্জিং হবে।’
দল গড়ায় নির্বাচকদের
সবচেয়ে বড়
চ্যালেঞ্জটা অবশ্য
ক্যারিবিয়ানের কন্ডিশন নয়,
সাকিব আল হাসান! সাকিব
না থাকা মানেই ব্যাটিং ও
বোলিংয়ে নির্ভরযোগ্য
দুজনকে একসঙ্গে হারানো।
দলের ভারসাম্য ঠিক করাটাই
হয়ে পড়ে দায়। কাল মিরপুর
শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে
নির্বাচকের কথায়ও উঠে এল
সেটি, ‘সাকিব গুরুত্বপূর্ণ
ক্রিকেটার অবশ্যই। তবে তাঁর
দলে না থাকাটাও খেলারই
অংশ। এখন
নিষেধাজ্ঞা আছে,
হয়তো চোটও
পেতে পারত।
তখনো ওকে ছাড়া খেলতে
দল নির্বাচনের দৃষ্টিকোণ
থেকে আমরা যেটার
মুখোমুখি হচ্ছি—একজন
ক্রিকেটার
বেশি নিতে হচ্ছে। সাকিব
ব্যাটিং-
বোলিং দুটিতেই
ভালো। ওর বিকল্প
হিসেবে এখন
দুজনকে নিতে হবে, একজন
বোলার বা ব্যাটসম্যান
অতিরিক্ত খেলাতে হবে।’
এ বছরের প্রথম ছয় মাস
বাংলাদেশের
কেটেছে দুঃস্বপ্নের মতো।
ব্যাটসম্যানদের
টানা বাজে ফর্মই
দলকে ভুগিয়েছে বেশি।
ফারুক আহমেদের আশা, ওয়েস্ট
ইন্ডিজেই ব্যর্থতার বলয়
ছিঁড়ে বেরোবেন
ব্যাটসম্যানরা, ‘বিচ্ছিন্ন কিছু
ইনিংস ছাড়া গত
কয়েকটা সিরিজে আমাদের
ব্যাটিং একদমই
ভালো হয়নি। ব্যাটিংটাই
মূল দুশ্চিন্তার কারণ।
সামনে বিশ্বকাপ আসছে, এর
আগে প্রতিটি সিরিজই
প্রস্তুতির মতো।
তবে অনুশীলনে আমি দেখেছ
ব্যাটসম্যানদের। নির্দিষ্ট
করে স্কিল
ট্রেনিং হয়েছে অনেক।
আশা করি, গত কিছুদিনের
ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে পারব
আমরা।’