ড. জাকের নায়েকের উম্মুক্ত প্রশ্ন সমুহ এবং উত্তর সমুহ

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • ড. জাকের নায়েকের উম্মুক্ত প্রশ্ন সমুহ এবং উত্তর সমুহ

ড. জাকের নায়েকের উম্মুক্ত প্রশ্ন সমুহ এবং উত্তর সমুহ এই পেইজটি ডা. জাকের নায়েকের কোন অফিসিয়াল পেইজ না।আমরা কোন বিষয়েই কোনরকম ফতোয়া দেই না।

সেতো কালো পাতাকার চূড়ান্ত শত্রু
20/07/2020

সেতো কালো পাতাকার চূড়ান্ত শত্রু

26/06/2020

তোমরা ফেমিনিস্টরা যারা খাদিজা রাযিয়াল্লাহু আনহা'র ব্যবসা ও আয়েশা রাযিয়াল্লাহু আনহা'র জিহাদে গমনের উদাহরণ বার বার টেনে আনো, তাদের জন্য-

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পুন্যবর্তী স্ত্রীরা হজে যাওয়ার অনুমতি চাইলে, উমার রাযিয়াল্লাহু আনহু পরের বছর তাঁদের অনুমতি দেন। তাঁদের সাথে উসমান ইবনে আফফান ও আবদুর রহমান ইবনে আউফ রাযিয়াল্লাহু আনহুম-দের পাঠালেন। তাঁদের উভয়কে নির্দেশ দিলেন, যাতে করে তাঁদের একজন উম্মুল মু'মিনিনদের সামনে সামনে চলে, আর অপরজন তাঁদের পেছনে পেছনে থাকে। কেউ যেন তাঁদের সঙ্গে সঙ্গে না চলে। নির্দেশে আরো বললেন, "যদি তাঁরা থামতে চায় তবে তাঁদেরকে কোনো দেয়াল-প্রাচীরের কাছে অবস্থান করাবে। আর তোমরা উভয়ে প্রাচীরের সম্মুখে থাকবে। কেউ যেন তাঁদের এখানে প্রবেশ করতে না পারে।" এরপর তাঁদেরকে নির্দেশ দিনলে, "যখন উম্মুল মু'মিনিনরা কাবাঘর তাওয়াফ করবে তখন যেন মহিলা ব্যতীত কোনো পুরুষ তাঁদের সাথে তাওয়াফ না করে।" (ফাতহুল বারি, ৪/৪৭)

উমার রাযিয়াল্লাহু ওইসব নারীদের কাছে যেতেন, যাদের স্বামীরা রয়েছে জিহাদের ময়দানে। তিনি তাঁদের দরজায় দাঁড়িয়ে বলতেন, "তোমাদের কোনো প্রয়োজন আছে কি? তোমরা কি কোনো কিছু ক্রয় করতে চাও? আমি চাই না, তোমরা ক্রয়-বিক্রয় করতে গিয়ে ধোঁকার শিকার হও।"
তখন তারা তাদের ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের উমর রাযিয়াল্লাহু আনহুর সাথে পাঠাতেন। তিনি বাজারে প্রবেশ করার সময় তাঁর পেছনে থাকত অসংখ্য শিশু-কিশোর। তিনি ওইসব মহিলার চাহিদা অনুযায়ী সদাই কিনে দিতেন। কারও কাছে টাকা পয়সা না থাকলে তিনি নিজের টাকা দিয়েই কিনে দিতেন।
কোনো যুদ্ধক্ষেত্র থেকে বার্তাবাহক এলে উমর রাযিয়াল্লাহু আনহু নিজেই অইসব মহিলার স্বামীদের চিঠি নিয়ে তাদের বাড়িতে চলে যেতেন এবং বলতেন, “তোমাদের স্বামীরা আল্লাহর রাস্তায় আছে। আর তোমরা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শহরে আছ। যদি তোমাদের কাছে পড়তে পারে এমন কেউ থাকে তাহলে চিঠিটি নিয়ে যাও। আর যদি তেমন কেউ না থাকে তাহলে তোমরা দরজার কাছে এসে দাঁড়াও, যাতে আমি তোমাদের পড়ে শোনাতে পারি।” এরপর বলতেন, ‘বার্তাবাহক প্রতিদিন অমুক সময় বের হয়ে যায়। সুতরাং তোমরা তোমাদের কথা লিখে দাও, যাতে করে আমি তোমাদের বার্তা পাঠিয়ে দিতে পারি।’ এরপর তিনি তাদের সামনে কাগজ ও দোয়াত তুলে ধরে বলতেন ‘এই হল দোয়াত ও কাগজ। তোমরা দরজার নিকটবর্তী হও, যাতে করে আমি তোমাদের পক্ষ হয়ে কথাগুলো লিখে দিতে পারি।’ (আখবারু উমরঃ ৩৩৯)
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রীরা হলেন আমাদের আম্মাজান। উম্মাহর মাতা। তাদের জন্য পর্দা ব্যবস্থা কতটা সক্রিয় ছিল আমরা উপরের ঘটনা থেকে বুঝতে পারি। আর দ্বিতীয় ঘটনা হল এমন নারীদের যাদের স্বামী তাদের সাথে নেই। তারা কোথায় গেছে? টাকা উপার্জনে? জাহিলিয়াতের পরিবেশে? কাফিরদের পরিবেশে হারাম জব করতে? পেটের টানে নাকি ইসলামের টানে? না। তারা গেছেন ইসলামের সর্বোচ্চ চূড়া জিহাদে। উক্ত মুজাহিদদের পবিত্রা স্ত্রী'রা কোনো ফিতনায় পরতে না পারে, বা তাদের কারনে অন্যরা ফিতনা গ্রস্থ না হতে পারে তাই উমার রাযিয়াল্লাহ আনহু অনেক সাবধানতা অবলম্বন করেছিলেন। মুজাহিদের স্ত্রীগণ স্বামী না থাকার উজর দেখিয়ে বার বার বাহিরে যেতেন না। চিন্তা করুন বিবাহিতা নারীদের জন্য এত কড়াকড়ি হলে অবিবাহিতা বালেগ নারীর জন্য পর্দার সীমা কটটুকু কড়াকড়ি হতে পারে?
আজকের সমাজে অবিবাহিতা নারী ও প্রবাসীদের স্ত্রী'রা বাহিরে, বেপর্দায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। তারা ফিতনার শিকার হচ্ছে তাদের দ্বারা অন্যরা ফিতনাগ্রস্থ হচ্ছে। ফেমিনিস্ট ও মডারেট মুসলিমদের কাছে সবচেয়ে অসহ্য বিধান হল পর্দার বিধান। তাদেরকে যখন বলা হয় তোমরা স্টেডিয়ামে গিয়ে খেলা দেখতে পারবে, গাড়ি চালাতে পারবে, কম্বাইন এডুকেশনে পড়তে পারবে, ফ্রি মিক্সিং করতে পারবে তখন তারা খুশি হয়, স্বতঃস্ফূর্তভাবে ঘর থেকে বেড়িয়ে এসে জাহিলিয়াতে অংশগ্রহণ করে। একই কথা খাটে ওই সমস্ত কাপুরুষ লম্পট মডারেট ছেলেদের জন্য।
কায়ছার
Zakir Bin Malek

এই ব্যক্তিটির চেহারা দেখলে মনে হয় যেন নূর ঠিকরে বেরোচ্ছে।সিরিয়ায় আশ্রিত একটি ফিলিস্তিনি পরিবারে জন্ম নেন তিনি। পরবর্তীতে...
12/06/2020

এই ব্যক্তিটির চেহারা দেখলে মনে হয় যেন নূর ঠিকরে বেরোচ্ছে।

সিরিয়ায় আশ্রিত একটি ফিলিস্তিনি পরিবারে জন্ম নেন তিনি। পরবর্তীতে সৌদি আরবে চলে যান। সেখানে পেট্রোলিয়াম ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি করেন কিং ফাহদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। চাইলে দু'হাত ভরে পেট্রোডলার কামাতে পারতেন হয়তো।

কিন্তু, আল্লাহ তাঁর অন্তরকে প্রসারিত করে দেন। তিনি দ্বীনি ইলমের প্রতি ঝুঁকে পড়েন। শিক্ষা নেন ইবন বায, ইবন উসাইমীন, ইবন ফাওযান, ইবন জিবরীনের (রাহিমাহুমুল্লাহ) কাছে। সবচেয়ে বেশিদিন পড়াশুনা করেন আব্দুর রাহমান আল-বাররাকের (হাফি) কাছে।

আমাদের অনেকের কাছে গুগলের প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ বা সার্গেই ব্রিন স্বপ্নের নায়ক। সেই গুগল প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৮ সালে। আর তার এক বছর আগে ছবির ব্যক্তিটি প্রতিষ্ঠা করেন IslamQA.info, ইসলামী জ্ঞানের এক বিস্ময়কর আধার। অ্যালেক্সার তথ্যমতে‍‍ যা বিশ্বে সবচেয়ে বেশি পঠিত ইসলামী ওয়েবসাইট।

একটা মিনিট ভাবুন তো, কত দূরদর্শী মানুষ হলে এত বছর আগে এমনটা চিন্তা করতে পারে!

মাঝে মাঝে মনে হয় সালিহ নামের মধ্যে আল্লাহ হয়তো অনেক বারাকাহ রেখে দিয়েছেন। নবী (আ), সাহাবা (রা) থেকে শুরু করে আজ অবধি কত প্রিয় আলিমের নাম সালিহ। এই ব্যক্তিটির নামও সালিহ, পুরো নাম মুহাম্মাদ সালিহ আল-মুনাজ্জিদ (হাফিযাহুল্লাহ)।

শুধুমাত্র এই ওয়েবসাইট বন্ধ না করার কারণে ২০১৭ সাল থেকে সৌদি আরবে জেলে বন্দী। ফাক্কাল্লাহু আসরাহ! আল্লাহ তাঁর মুক্তি ত্বরান্বিত করুন!

যখন হাত তুলি, তিনিসহ উম্মাহর অভিবাবক এমন অসংখ্য বন্দী শাইখের জন্য দুআ করতে আমরা যেন না ভুলি!

12/06/2020

সময়ের শপথ! এ আধুনিক যুগেও মানুষের ধ্বংসের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে। ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে রয়েছে, 'বরং ক্রমান্বয়ে একটির পর ওপর একটি দল ধ্বংসে পতিত হচ্ছে। তোমাদেরকে তো তাদেরকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করার জন্যই পাঠানো হয়েছিল।

হে মসজিদ আবাদকারীগন!শুনে রাখুন!" ইন্নাল ইনসা-না লাফী খুসরিন" তথা এ আধুনিক যুগেও মানুষের ধ্বংসের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে।

হে মিম্বার ও মিহরাবের উত্তরাধিকারীগন!চার দেওয়ালের বাইরে চোখ বুলিয়ে দেখুন! "ইন্নাল ইনসা-না লাফী খুসরিন"তথা এ আধুনিক যুগেও মানুষের ধ্বংসের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে। আপনাদেরকে তো নবীদের পদাঙ্ক অনুসরণ করার জন্য পাঠানো হয়েছিল। ঐ দ্বীনের পতাকাবাহী হিসেবে পাঠানো হয়েছিল, যেটি মানবজাতির জন্য একমাত্র মনোনীত জীবনব্যবস্থা। ধ্বংসের দারপ্রান্তে উপনীত এ লোকদের সঠিক পথে ফিরিয়ে আনার দ্বায়িত্ব আপনাদের কাঁধে অর্পিত হয়েছে।

মহান আল্লাহ বলেন,
"তোমরাই হলে সর্বোত্তম উম্মত, মানবজাতির কল্যানের জন্যই তোমাদের উদ্ভব ঘটানো হয়েছে। তোমরা সৎ কাজের নির্দেশ দান করবে ও অন্যায় কাজে বাঁধা দেবে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনবে"।(সূরা আল-ইমরানঃ১১০)

11/06/2020

বাপ-দাদার ধর্মের সম্মান রক্ষার জন্য নবীজি সাঃ এর প্রিয় চাচা,আবু তালেব কাফির অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেছেন!

বাপ-দাদার ধর্ম টিকিয়ে রাখার জন্য আবু জেহেল,আবু লাহাব কাফের হয়ে মরেছে!

আমাদের সমাজে এখনো বাপ-দাদার অজুহাত দেয়া হয়।

আবু তালিবের মৃত্যুর সময় এই আবু জেহেল,আবু লাহাবরাই বলেছিল কালেমা পড়ে বাপ-দাদার মুখে চুনকালি দিওনা,এজন্য আবু তালিব ঈমান নিয়ে মরতে পারেনাই।যদিও তিনি নবীজি সাঃ এর প্রিয়তম চাচাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন।

আবু তালেব জানতো কোরআন আল্লাহর বানী,মুহাম্মাদ সাঃ আল্লাহর প্রেরিত সত্য নবী,তবুও বাপ-দাদার মুখে চুনকালি পড়বে ভেবে সত্য মেনে নিতে পারে নাই। তাই কাফের হয়ে মরতে হয়েছে।

এখনো কিছু লোক আছে যারা কুরআন সুন্নাহর স্পষ্ট দলিল পাওয়ার পরও ইসলামে বাপ-দাদার দোহাই দেয়।

মাইন্ড করবেন না!আর কিছুতে বাপদাদার দোহাই দেননা কেন?

কুরআন হাদিসের রেফারেন্স দিলেই বলেন বাপের জন্মে এসব শুনেন নাই!

শুনবেন কি করে? শুনেছেন শুধু কিছু হুজুরদের আজগুবি কিচ্ছা কাহিনী।

এখন শুনার সুযোগ হয়েছে শুনে নিন।
যাচাই করে দলিল মিলিয়ে নিন।

যার কথা কুরআন হাদিস সম্মত তারটা গ্রহন করুন।বাকিটা ছুড়ে ফেলে দিন।

ইসলামে বাপ-দাদার দোহাই চলেনা।

বাপ-দাদার হিসাব বাপ-দাদারা দিবেন।আপনার হিসাব আপনাকে দিতে হবে।এটা কিন্তু ১০০% সত্য।

এরপরও যারা ওহীর বিধান থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় আসলে প্রকৃতপক্ষে এরাই আবু জেহেল,আবু লাহাবের উত্তরসূরী।

কিছু নমুনা দেখুনঃ-

(১)বাপ-দাদারা কি এতদিন ভুল করে এসেছেন?
(২)অধিকাংশ মানুষই কি ভুল করে
আসছেন?
(৩)এত বড় বড় আলেম তো এভাবেই বলে আসছেন,আমল করে আসছেন!তারা কি ভুল করে গেছেন?

মূলত এই তিনটি অজুহাতে মানুষ কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর দাওয়াতকে পরিত্যাগ করে।

মনে রাখতে হবে “অধিকাংশ” কোন দলীল নয়;দলীল হল কুরআন ও সহীহ হাদিস।

আল্লাহ ভালো করেই জানেন (তিনি পূর্ব পর সবই অবগত) ভবিষ্যতে এমন প্রশ্ন আসবে তাই নিদর্শন রেখে অজুহাত বন্ধ করে দিয়েছেন।

অধিকাংশের ব্যাপারে মহান আল্লাহ্ তায়ালা কুরআনে বলেছেন-

“অধিকাংশ মানুষ প্রকৃত ব্যাপার
সম্পর্কে অবগত নয়” [সূরা ইউসুফ : ৬৮]

“অধিকাংশ লোকই অবগত নয়” [সূরা
আনআম : ৩৭]

“অধিকাংশই অজ্ঞ” [সূরা আনআম : ১১১]

“অধিকাংশই জানে না”[সূরা আরাফ : ১৩১]

“তুমি যতই প্রবল আগ্রহ ভরে চাও না কেন,মানুষদের অধিকাংশই ঈমান আনবে না”[সূরা ইউসুফ:১০৩]

“আমি তোমার নিকট সুস্পষ্ট আয়াত নাজিল করেছি,ফাসিকরা ছাড়া অন্য কেউ তা অস্বীকার করে না;বরং তাদের অধিকাংশই ঈমান রাখে না”[সূরা বাকারাহ:৯৯-১০০]

“আমি তো তোমাদের কাছে সত্য নিয়ে গিয়েছিলাম কিন্তু তোমাদের অধিকাংশই ছিলে সত্য অপছন্দকারী”[সূরা যুখরুফ:৭৮]

“তাদের অধিকাংশকেই আমি প্রতিশ্রুতি পালনকারী পাইনি,বরং অধিকাংশকে ফাসিকই পেয়েছি” [সূরা আরাফ : ১০২]

“তুমি যদি পৃথিবীর অধিকাংশ লোকের অনুসরন কর তাহলে তারা তোমাকে আল্লাহর পথ হতে বিচ্যুত করে ফেলবে, তারা কেবল আন্দাজ-অনুমানের অনুসরন করে চলে তারা মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছুই করেনা”[সূরা আনআম :১১৬]

‘’তাদের অধিকাংশই কেবল ধারনার-অনুসরন করে সত্যের মোকাবেলায় ধারনা কোন কাজে আসে না।[সূরা ইউসুফ : ৩৬]

“অধিকাংশ মানুষ আল্লাহকে বিশ্বাস করে, কিন্তু সাথে সাথে শিরকও করে’’ [সূরা ইউসুফ : ১০৬]

“আমি কি তোমাদের জানাব কাদের নিকট শয়তানর অবতীর্ণ হয়?

তারা অবতীর্ণ হয় প্রত্যেকটি চরম মিথ্যুক ও পাপীর নিকট।ওরা কান পেতে থাকে আর তাদের অধিকাংশই মিথ্যাবাদী’’[সূরা শু’আরা:২২১-২২৩]

“তারা তাদের পিতৃ-পুরুষদের বিপথগামী পেয়েছিল। অতঃপর তাদেরই পদাংক অনুসরন করে ছুটে চলেছিল। এদের আগের লোকদের অধিকাংশই গোমরাহ হয়ে গিয়েছিল”[সূরা সাফফাত :৬৯-৭১]

বাপ-দাদার দোহাই দেয়া ওয়ালাদের সম্পর্কে তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন-
তাদেরকে যখন বলা হয়, আল্লাহ যা নাযিল করেছেন, তোমরা তার অনুসরণ কর, তখন তারা বলে, বরং আমরা আমাদের পূর্ব পুরুষদেরকে যে বিষয়ের উপর পেয়েছি, তারই অনুসরণ করব। শয়তান যদি তাদেরকে জাহান্নামের শাস্তির দিকে দাওয়াত দেয়, তবুও কি? [সুরা লুকমান: ২১]

সুতরাং হে আমার মুসলিম ভাই/বোন! আসুন আমরা অধিকাংশের, বাপ-দাদার, পুর্ব পুরুষদের অজুহাত বাদ দিয়ে ””কুরআন” ও “সহীহ সুন্নাহর অনুসরন করি। আর সেটাই সকলের জন্য উত্তম ও কল্যানকর।

আল্লাহ আমাদের সকলকে দ্বীনের সঠিক জ্ঞান দান করুন।

আমীন

10/06/2020

অনেকে বলেন দেশে শতকরা ৯০ ভাগ মুসলিম। অনুবীক্ষণ দিয়ে খুজলেও ২০% মুসলিম পাইতে পারেন কিনা সন্দেহ।নামে ইসলামের গন্ধ থাকলে আর মুসলিম বাসায় জন্ম হলেই মুসলিম হবে ব্যাপারটা এমন না।ঈমান আক্বীদার ব্যাপার আছে।আবার ইসলামের প্রলেপ লাগালেও মুসলিম হয়না যেমনটা ইসলামি মদ হয় না।

এই ৯০%এর বেশিরভাগই কুরআন হাদিসের বিরোধিতা অবলীলায় করে। মানবে তো দূরের কথা, নিজের মতো না ভাল্লাগলেই উল্টাপাল্টা কথা বলে ফেলে। তাদের কুফরের প্রতি ভালোবাসার অন্ত নাই! নিজে মুসলিম কিনা তাও জানেনা। আজকালতো নাস্তিকেও নিজেকে সাচ্চা মুসলিম বলে বেড়ায়।

ভাই এইটা নামে মাত্র মুসলিম প্রধান রাষ্ট্র , ইসলামিক রাষ্ট্র না।সেক্যুলার রাষ্ট্র যাকে বলে এটা তাই। এখানে আপনার কথা যা একটা নাস্তিকের কথাও তাই। এদেরকে মানবতার তেল পড়া ভালোভাবেই দেয়া হয়েছে। অন্তত ৫০ ভাগ সত্যিকারের মুসলিম হইলেও আমরা শরীয়াহ আইন বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করতে গেলেই এখানে ৯০ ভাগের ৯৯ ভাগই আপনার আমার বিরোধিতা করতে কুন্ঠাবোধ করবেনা সেখানে এতো মুসলিম পাবো কই? তন্ত্রমন্ত্র দিয়ে এদের মগজ ধোলাই করা। যার ৮০% বলে আমি আগে বাঙালি, তারপর মানুষ তারপর ধর্ম! এদেরকে কিভাবে দ্বীন বুঝাই?

মুসলিম আর মুমিনের মাঝে মোটাদাগে পার্থক্য আছে। সাধারণ ভাবে যাকে মুসলিম বলা হবে এই সংখ্যাটা সর্বোচ্চ ২০% পাবেন কিনা তা নিয়েই সন্দিহান। ঈমান ভঙের কারণ ধরে ধরে ছাঁকলে ১০% মুসলিম পাইবেন কিনা তাও প্রশ্ন থাকে! পারিপার্শ্বিক অবস্থা তাই বলে।

আচ্ছা, ভাবুনতো আসলেই কি ১০ ভাগ মুসলিম আছে? ৯০ভাগের কতজন প্র‍্যাক্টিসিং মুসলিম কিংবা ইসলাম ধর্ম যে একটা পরিপূর্ণ জীবনবিধান তা জানেন কয়জন? বর্তমানে অধিকাংশই কুরআন পড়তেই পারেনা! কুরআনের অর্থও পড়েনা তাফসীর তো দেখার চেষ্টাও করেনা অনেকে নামও জানেনা। কোন আয়াতের বিরোধিতা করলে ঈমান থাকেনা সেটাইবা জানে কয়জন?

আচ্ছা অন্তত বাংলা মূল হাদিসটাও শতকরা কতজন পড়েন? সাধারণ মাসয়ালা মাসায়েল গুলোও জানেন বা জানার চেষ্টা করে কতজন? ইসলামি বিয়ে ও তালাক্বের বিষয়টা নিয়ে ধারনা আছে কয়জনের? গ্রহনযোগ্য হাদিসের বিরোধিতা করলে যে ঈমান থাকেনা সেটাইবা জানে কয়জন?

শতকরা গড় হিশেবে প্রতিটি পরিবারে কতজন দ্বীন মানতে সচেষ্ট কিংবা চেষ্টা চালাচ্ছে? ইসলাম'ই একমাত্র সত্য ধর্ম অন্তত এটা জানেন কতজন? পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় এবং আন্তর্জাতিক সার্বিক নির্দেশনা ইসলামে আছে তা জানে বা জানার চেষ্টা করেছে কয়জন? শিক্ষাব্যবস্থার কত শতাংশ শিক্ষার্থী ধর্ম পালন করে কিংবা জানার চেষ্টা করে? এই ব্যবস্থা কি আদৌ অনুকূলে?

আচ্ছা, দ্বীনের মূল ভিত্তি আক্বীদা ঈমান বলতে কি বুঝায় তা কত শতাংশ লোকে জানে? "লা ইলাহা, ইল্লাল্লাহ"- এর মূল ব্যাখ্যা কতজন জানে? কোন কারনে ঈমান ভঙ হয় তা জানে কতজন? ফরজ বিধান জিহাদ কি? এই সম্পর্কে নূন্যতম ধারনা রাখে কতজন? এই নাম শুনলেইতো উল্টাপাল্টা ভেবে বসে। আউযুবিল্লাহ

তারপর, শিরক, কুফর, বিদাত রিদ্দাহ,মুরতাদ হারাম,হালাল সম্পর্কে কয়জন ধারনা রাখে কিংবা জানার চেষ্টা করেন? ইসলামের আলাদা আইন ব্যবস্থা ও দণ্ডবিধির যে আছে তাইবা জানে কয়জন?ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক ও ভ্রান্ত মতবাদগুলো জানে কতজন?

এগুলো কঠিন বিষয়, তো সহজে যাইঃ- ফরজ গোসল কেন করতে হয়? কিভাবে করতে হয়? কিভাবে কাপড় পবিত্র করতে হয় এইগুলো জানেন কয়জন? নামাজের ছানা,তাশাহুদ, দুরুদ,দোয়ায় কুনুত কিংবা দোয়ায় মাছুরা পারে কতজন? কতজন কুরআন শিখার চেষ্টা করছে? কতজন যিনা, মাহরাম সম্পর্কে নূন্যতম ধারনা রাখে?

এইসবের হিশেব আমি মিলাতে পারিনা তাই আমি নামে মুসলিমও খুজতে বেগ পাই। সেখানে আপনারা ৯০% মুসলিম কোথায় দেখেন তাই মাথায় আসেনা। উপরের প্রশ্নের উত্তরগুলো মেলানোর চেষ্টা করুন আর ভাবুন তো সরেজমিনে কতজন মুসলিম মু'মিন আছে?

ভাই আমি নিজেও পাপীবান্দা, নফসের উপর জুলুম করি তাওবাও করি। জানিনা কবুল হয় কিনা। তারপরেও পরিবারকে নিয়ে ভাবার পর উম্মাহকে নিয়ে একটু ভাবতে গেলেই ঘাবড়িয়ে যাই।

আমাদের দাওয়াতের পরিমান সর্বোচ্চ হারে বাড়াতে হবে। তাওহীদের দিকে ডাকতে হবে।দাওয়াহ’র জন্যে ট্রেইনড হতে হবে। স্পেশাল প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। আমাদের আলিমদের তাওহীদের উপর এক হতে হবে। যুবক যুবতীদের দ্বীনের দিকে ডাকতে হবে আমরাই আগামীর কর্ণধার ইন শা আল্লাহ। এর জন্যে প্রয়োজন প্রচুর মেহনত। ইয়াং জেনারেশন বুঝলে বাকিরা আস্তে আস্তে বুঝবে ইন শা আল্লাহ।

অনলাইন কিংবা অফলাইন তর্কবিতর্ক না করে মূল তাওহীদের দাওয়াত সর্বোচ্চ বেগে পৌঁছে দিতে হবে।ঈমান ভঙের কারণ নিয়ে প্রচুর আলোচনা করতে হবে। ভাই নাস্তিকতাকে সেকুলারিজম কে উতখাৎ করতে হলে দাওয়াতের বিকল্প নাই। একেকজন একেক অংশের দাওয়াহ দিবেন।দাওয়াতের পূর্বে একটা নির্দেশনা তৈরি করে নিতে হবে নিজের আক্বীদাকে ঝালাই করে নিতে হবে। এর ফলে অন্তত বিধিনিষেধ গুলো জানালে মানার চেষ্টা করবে আরো জানার চেষ্টা করবে।

প্রচুর পরিমানে দাওয়াতি কাজের চেষ্টা অব্যহত রাখতে হবে। আলিম ও জেনারেল লাইনের শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে একটা টিম করতে হবে যারা অফলাইন ও অনলাইন সব জায়গায় কাজ করবে। তারপর যখন একটা সন্তোষজনক সংখ্যা পাওয়া যাবে তখন দ্বীনের বিধিনিষেধ আরোপ করা সহজ হবে ইন শা আল্লাহ কেননা সবাই তখন সত্যকে বুঝার চেষ্টা করবে, সত্যকে মেনে নিবে। বিজয় আমাদেরই বি ইয নিল্লাহ। শুধুপ্রয়োজন উপযুক্ত পদক্ষেপ ও প্রচেষ্টা বাকিটা আল্লাহই ব্যবস্থা করে দিবেন, প্রকৃতপক্ষে তিঁনি সাহায্য করবেন।

সংগৃহীত

প্রায় একমাস আগে ভারতের দক্ষিণ-পূর্ব দিল্লির জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭ বছর বয়সী সমাজবিজ্ঞানের শিক্ষা...
09/06/2020

প্রায় একমাস আগে ভারতের দক্ষিণ-পূর্ব দিল্লির জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭ বছর বয়সী সমাজবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী সাফুরা জারগারের বাড়িতে এসে তাকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। এপ্রিলের ১০ তারিখে তাকে তুলে নিয়ে গেলেও তার জামিনের কোন নামগন্ধ নেই আজো। রমজানের মধ্যে করোনার এই দুঃসময়ে ২১ সপ্তাহের গর্ভবতী সাফোরা জারগার রেহাই পায়নি ৷ তার জামিন নাকচ করে দিয়েছে আদালত! অপরাধ কী ছিলো? ইন্ডিয়ান সরকারের মুসলিম বিরোধী আইনের প্রতিবাদ৷

ইদলিবে নয় মাসের গর্ভবতী ঈমানী আল রাহমুনকে ধর্ষণ করে মেরে তার দশ বছরের ছেলের সামনে । ছেলেটাকেও আর বাঁচতে দেয়নি ।

ইরাকে ৩৫ বছর বয়সী নাবিহাকে হাসপাতালে নেয়া হচ্ছিল । বহনকারী গাড়িতে প্রসব যন্ত্রণায় যখন ছটফট করছিল, হাসপাতালের কাছাকাছি আসতেই পুরো গাড়ী আগুনে জ্বালিয়ে দেয় ইউএস মিলিটারী ।

ফিলিস্তিনে ১৪ মাসের সিবা যখন গর্ভবতী মায়ের কোলে ঘুমন্ত, তখন হঠাৎ ইসরাইলী প্লেন বোমা মেরে নিমিষেই তাদের কয়লা বানিয়ে দেয় ।

গত ১৮ই মে বিবিসি হৃদয়বিদারক নিউজ ছেপেছে । কাবুলের এক হাসপাতালে খাবারের জন্য কাঁদছে অনেক নবজাতক । তাদের মা আমেরিকার নিক্ষিপ্ত বোমায় মৃত । বাচ্চাদেরকে পাউডার দুধ দেয়া হচ্ছিল কিন্তু খাচ্ছে না । খবর পেয়ে আরেক নবজাতকের মা ছুটে আসেন । ফিরোজা ওমর বড় জোর চারটা বাচ্চাকে তার বুকের দুধ খাওয়াতে পেরেছিলেন ।

কয়টা বলবো, আপনি ধৈর্য্য হারিয়ে ফেলবেন ।

এসব ঘটনা আমাদের অজানা । এসব ঘটনায় লাইক বাটন চাপিনা , শেয়ার করি না । তবে কেরলার গর্ভবতী হাতির খবর আমরা জানি । একটা প্রাণীর এরকম করুণ মৃত্যু কাম্য নয় । আমরা নিউজ ফীড ভরে ফেলেছি গর্ভবতী হাতির দুঃখে, গুড জব । তবে গর্ভবতী একটা মানুষ একটা মাকে নৃসংশ হত্যায় বা আটকে আপনি চুপ কেন ? আপনি চুপ থাকেন মানে এই না যে এ ঘটনাগুলোয় আপনার মন কেঁদে উঠেনি । মন কেঁদে উঠলেও আপনি চুপ থাকবেন আপনাকে এটাই শিখানো হয়েছে । ঐসব ঘটনায় লাইক চাপলে আপনাকে সাম্প্রদায়িক,সন্ত্রাসী,জঙ্গী,হেফাজতি ট্যাগ দেয়া হবে । আপনি তাই মানবতার খুনীদের দেখানো পথে মানবতার জয়গান গাচ্ছেন ।

আমি আপনি পছন্দ না করলেও আল্লাহ তাই করেন যা তিনি ইচ্ছা করেন । কে জানতো চোখে দেখা যায়না একটা জীবাণু হঠাৎ সারা পৃথিবীকে বিনা নোটিসে লক করে দিবে । কে জানতো নিশ্চল প্লেনের চাকায় পাখি বাসা বাঁধবে । একটা গ্যাস সিলিন্ডারে দুই ভাই ভাগাভাগি করে মারা যাবে, যদি জানতো তবে এস আলম পুরো স্কয়ার হাসপাতাল কিনে রাখতো । করোনার ধকল সইতে না সইতে এক জর্জ ফ্লয়েড পুরো আমেরিকা নাড়িয়ে দিবে কে জানতো । সারা দুনিয়ায় এই রকম কত জর্জ ফ্লয়েড মরছে হিসাব নাই, আসলে আল্লাহ চাইলে ছোট একটা ইস্যুই যথেষ্ট ।

আমাদের পাপের বোঝায় পৃথিবীর বুক ভারী হয়ে উঠেছে । সময় আসন্ন , চারদিকে মৃ্ত্যুর খবর । কতটুকু প্রস্তুত আমি । যাকে কবরে নামিয়ে আসা হয়েছে তার হিসাব শুরু হয়ে গেছে।

প্রতিটা লাইক, কমেন্ট,শেয়ার, প্রতিটা টাইপিং 'ডে অব জাজমেন্টে' সাক্ষী হবে । মাইন্ড ইট-সিরিয়াসলি ।

জান্নাত খুব দামী, খুব কম মানুষই তা পাবে । সত্য পথে বন্ধু কমে যাবে, আপনি একা হাটবেন । শুধু বোকারাই গড্ডালিকায় গা ভাসায় ।
.....
https://www.bbc.com/news/world-asia-india-52608589
https://www.orient-news.net/en/news_show/138613/0/Pregnant-Syrian-woman-baby-brutally-murdered-in-Turkey-laid-to-rest-in-Idlib
https://www.chinadaily.com.cn/world/2006-06/01/content_605491.htm
https://www.aljazeera.com/news/2019/05/palestinian-mother-baby-killed-israeli-raids-gaza-190504162115210.html
https://www.bbc.com/news/world-asia-52675705

Golam Rabbii

Safoora Zargar is among a number of Muslim students and activists jailed during the Covid-19 lockdown.

09/06/2020

#হে যুবক ! লেখাটি তোমার জন্য ।

এই দশটি উপায়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পাপ থেকে বাঁচুন
——————————————————
১, সোশ্যাল মিডিয়ায় একাকী বিচরণের সময় আল্লাহর উপস্থিতি উপলব্ধি করুন । তিনি চোখের খিয়ানতের ব্যাপারে সম্যক অবগত ।

২,ভুলে যাবেন না, নিযুক্ত ফেরেশতারাও আপনার সংগী হয়ে আছেন । আপনি কখনোই একা নন । আপনার প্রতিটি মুহুর্ত রেকর্ড হচ্ছে । এ সব কিছুই একদিন বিশ্ববাসীর সামনে প্রকাশ হবে ।

৩, এ কথা চির সত্য যে, রেকর্ডকৃত প্রতিটি সেকেন্ড আপনার পরকালীন সফলতা বা ব্যার্থতার হাতিয়ার । প্রতিটি মুহুর্ত হয়তো আপনার জান্নাতের উসিলা, নয়তো জাহান্নামে ঠেলে দেয়ার মাধ্যম । মাঝামাঝি বলতে কিছু নেই ।

৪, পরিবার বা সমাজের চোখে আপনি ভদ্র থাকতে চান । তাই তাদের চোখের সামনে মন্দ কিছু দেখতে লজ্জা পান । আপনি কি আপনার একমাত্র রবের কাছে ভদ্র হতে চান না ? প্লিজ, তার ব্যাপারে লজ্জাশীল হোন ।

৫, প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ ভালো । এই কথা আমলে আনুন । বন্ধু নির্বাচন, নানান পেইজে লাইক/শেয়ার/কমেন্টের ব্যাপারে সচেতন হোন । মন্দ কিছু চোখে পড়লে বেঁচে থাকার চেয়ে, সেগুলো চোখের সামনে না আসার উপায় অবলম্বন অধিকতর সহজ ।

৬, সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় ব্যায় কমিয়ে আনুন । একান্ত প্রয়োজন ছাড়া এই এলাকায় প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রন করাটাই আপনার প্রধান চ্যালেঞ্জ ।

৭, নানান প্রোলিফিক ইসলামিক স্কলারদের লেখনি, ভিডিও লাইক/শেয়ার করুন । নিজে উপকৃত হোন । অন্যদের উৎসাহিত করুন । এতে করে সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু ভালো প্রতিবেশি আপনি খুঁজে পাবেন ।

৮, সন্দেহযুক্ত কোন ভিডিও বা লিংকে প্রথম ক্লিকের ব্যাপারে সচেতন থাকুন । এটিই হতে পারে আপনার বেঁচে যাওয়ার অন্যতম উপায় ।

৯, সুযোগ থাকলে নিজে কল্যাণকর কিছু লিখুন । বলার যোগ্যতা থাকলে বলুন । মনে রাখবেন, পাত্র কখনোই খালি থাকে না । তাই সেটা ভালো কিছু দিয়েই ভরপুর রাখুন ।

১০, সর্বোপরি আল্লাহর কাছে হিদায়াতের উপর টিকে থাকার দুয়া করুন । বহু মানুষ এই ছোট আমলের অভাবে বড় নিয়ামত থেকে বঞ্চিত হয়েছে ।
সংগৃহীত

কোন আলেম বা দায়ীর নাম ধরে কথা বলা আমার পছন্দ না। এটি যথাসম্ভব এড়িয়ে যাওয়া উত্তম। তবে মাঝেমাঝে নাম ধরে কথা বলা দরকার হয়ে ...
06/06/2020

কোন আলেম বা দায়ীর নাম ধরে কথা বলা আমার পছন্দ না। এটি যথাসম্ভব এড়িয়ে যাওয়া উত্তম। তবে মাঝেমাঝে নাম ধরে কথা বলা দরকার হয়ে যায়। কিছু বিষয় স্পষ্ট করে বলা না হলে সাধারণ মানুষের পক্ষে বুঝা কঠিন হয়ে যায়। তাই সোজাসাপ্টা কিছু কথা এখন বলা জরুরী মনে করছি।
শায়খ আনোয়ার আল-আ(ওলা)কী রহ. কে নিয়ে শায়খ মঞ্জুরে ইলাহির একটি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেখলাম। শায়খ আ(ওলা)কী রহ. কে আলাদাভাবে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কিছু নেই। তাওহিদ ও জি(হা)দের দাওয়াতকে অবিকৃতভাবে বিশ্বের মুসলিমদের কাছে পৌছে দেওয়ার কারণে, মুমিনদের কি(তা)লের জন্য উদ্বুদ্ধ করার কারণে আমেরিকা তাঁকে হত্যা করে। ইনশাআল্লাহ তিনি শহীদ। প্যারিস থেকে ঢাকা পর্যন্ত রসুলের সা. অবমাননাকারীদের উপযুক্ত প্রাপ্য যেই মর্দে মুসলমানগণ বুঝিয়ে দিয়েছেন তাঁদের সকলে কোন না কোনভাবে শায়খ আ(ওলা)কীর কাছে কৃতজ্ঞ। আমরা আশা রাখি শুধু এই একটি অবদানের জন্যই তিনি আমাদের রবের কাছে অত্যন্ত উত্তম প্রতিদান পাবেন। তাঁর অন্যান্য খেদমতের প্রতিদান তো আছেই।
এই মহান ব্যক্তি সম্পর্কে শায়খ মঞ্জুরে ইলাহী বলেছেন যে তাঁর বক্তব্য থেকে ইলম গ্রহণ করা যাবে না। এছাড়া শায়খ মঞ্জুরের কথায় তাচ্ছিল্যের ভাবও ফুটে উঠেছে। যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এভাবে বিভিন্ন প্রশ্ন করে করে “জারহ তাদিল” করা মাদখালিদের পছন্দের পদ্ধতি। শায়খ মঞ্জুরে ইলাহি তাই করেছেন। তো শায়খ যখন এই ডিজিটাল জারহ তাদিলের পথ খুলে দিয়েছেন তখন প্রাসঙ্গিকভাবে কিছু কথা আমি শায়খের কাছে, তার ভক্ত-অনুসারী ও ছাত্রদের কাছে, এবং আমভাবে সকল পাঠকের সামনে রাখছি।
যেহেতু আলেমদের নাম ধরে ধরে প্রশ্ন করা হচ্ছে, তাই আমার প্রশ্ন হল -
যে ব্যক্তি মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধরত কোন কাফের রাষ্ট্রের সরকারের আমন্ত্রনে সেই দেশে যায়। এবং উক্ত দেশে গিয়ে আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি সংক্রান্ত আলোচনা ও প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করে। এবং আন্তঃধর্মের দাওয়াতের দিকে আহ্বানকারীদের সাথে একসাথে বসে। যে স্থানে একই সাথে কুফরী ধর্ম ও ইসলামকে মিশিয়ে ফেলার কাজ করা হয়, সেখানে যায় ও হাস্যোজ্জল মুখে ছবি তুলে – এমন ব্যক্তির কাছ থেকে কি ইলম গ্রহণ করা যাবে? এবং এমন ব্যক্তির ব্যাপারে হুকুম কী হবে? কিবারুল উলামা এমন ব্যক্তির ব্যাপারে কী অবস্থান গ্রহণ করেছেন?
আশা করি শায়খ মঞ্জুরে ইলাহির কাছে আপনারা এ প্রশ্ন পৌছে দিবেন, এবং শায়খ এ প্রশ্নের উত্তর দিবেন। এ প্রশ্ন কেন এইখানে করা দরকার তা নিয়ে বলি। ২০১৮ সালে শায়খ মঞ্জুরে ইলাহি জার্মান সরকারের আমন্ত্রনে এমনই একটি আন্তঃধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন। তার বিভিন্ন ছবিও আছে। তার এই জার্মানী সফরের ব্যাপারে তারই সফরসঙ্গী তারেক শামসুর রহমানের বক্তব্য উপস্থাপন করছি, যাতে সন্দেহের কোন অবকাশ না থাকে। ৯ এপ্রিল, ২০১৮ তারিখে, দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত, “জার্মানির অভিজ্ঞতায় ধর্মীয় সম্প্রীতি” শীর্ষক প্রবন্ধে তারেক শামসুর এই সফর নিয়ে বিস্তারিত লিখেছে। পাঠক মূল প্রবন্ধটি পড়ে নিবেন - https://www.jugantor.com/…/জার্মানির-অভিজ্ঞতায়-ধর্মীয়-সম্প্…
আমি এখানে উল্লেখযোগ্য কিছু অংশ উল্লেখ করছি-
তারেক শামসুর রহমান লিখেছে –
১। প্রায় প্রতিবছরই একবার জার্মানিতে বেড়াতে যাই। কিন্তু এবারের যাওয়াটা ছিল একটু ভিন্ন ধরনের। আমন্ত্রণটা এসেছিল জার্মানির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে।
২। Diversity and co-existence of Religions in Germany প্রোগ্রামের আওতায় জার্মান সরকার বাংলাদেশের কয়েকজন শিক্ষাবিদ, সরকারি কর্মকর্তা ও মিডিয়া তথা সোশ্যাল মিডিয়ায় যারা একটিভ তাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। আমরা মোট ছয়জন ছিলাম। (সেই ছয়জনের ছবি। কালো জ্যাকেট গায়ে, চশমা পরিহিত লম্বা ব্যাক্তি হলেন তারেক শামসুর রহমান। সর্ববামে শায়খ মঞ্জুরে ইলাহি, তার পাশে ফেবুর মহাপন্ডিত আসিফ শিবগাতও আছে)
৩। আমরা খুব কাছ থেকে দেখেছি কীভাবে জার্মান সরকার সেখানে বিভিন্ন ধর্মের মানুষদের একই জায়গায় দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছে। দেখেছি কীভাবে ধর্মীয় সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রাণান্তকর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এটা ছিল এক ধরনের শিক্ষা সফর।...এমনকি সব ধর্মকে এক পতাকাতলে আনার একটি উদ্যোগও আমরা লক্ষ্য করেছি।
৪। আমাদের জন্য নতুন এক অভিজ্ঞতা অপেক্ষা করছিল The House of one এ যাওয়ার এবং তাদের ধর্মীয় সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগের কথা শোনার। House of one হচ্ছে তিনটি ধর্মের (ইসলাম, খ্রিস্ট ও ইহুদিবাদ) একটি মিলনস্থল। যেখানে ধর্মের নামে মানুষ হত্যা করার খবর আমরা জানি, যেখানে ইহুদি ধর্ম আর ইসলাম ধর্মের মধ্যকার দ্বন্দ্ব ও বিভেদ ফিলিস্তিন সংকটকে গভীর থেকে গভীরতর করেছে, সেখানে জার্মানিতে এ তিনটি ধর্মের মাঝে সম্প্রীতি ও সহাবস্থানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
৫। (হাউজ অফ ওয়ান) প্রজেক্টের আওতায় একই জায়গায় তিন ধর্মের উপাসনালয় প্রতিষ্ঠা করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। প্রজেক্টের স্থান আমাদের ঘুরিয়ে দেখালেন ইমাম ওসমান ওরস। একই ভবনে তিন ধর্মের মিলনমেলা। ওরা এর নামকরণ করেছে House of owe। পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে এ রকমটি আছে কিনা আমার জানা নেই।
৬। House of one আমাদের স্মরণ করিয়ে দিল জেরুজালেমের কথা। এ জেরুজালেম শহরেই তিন ধর্মের- ইসলাম, খ্রিস্ট ও ইহুদিবাদের ধর্মীয় স্থাপনা আছে। জার্মানিতে, বার্লিনে এমনটাই হতে যাচ্ছে। তবে পার্থক্যটি হল একই ভবনে হতে যাচ্ছে তিন ধর্মের ধর্মস্থান, মসজিদ, গির্জা আর সিনোগোগ। (হাউজ অফ ওয়ানে শায়খ মঞ্জুরে ইলাহি ও তার সফর সঙ্গীদের ছবি পোস্টের সাথে সংযুক্ত)
অজানা কারণে তারেক শামসুর তার প্রবন্ধে house of one কে ভুল করে house of owe লিখেছে। আমরা সেটিকে সঠিক করে দিলাম। এই হাউস অফ ওয়ানে, শায়খ মঞ্জুরে ইলাহি এবং তাঁর সফরসঙ্গী এবং তাঁদের জার্মান আপ্যায়নকারীদের ছবিও আছে। পাঠকের সুবিধার্থে সেটি যুক্ত করে দেওয়া হল। হাউস অফ ওয়ান নিয়ে একটি ভিডিও - https://www.youtube.com/watch?v=61O5cjQTfco

হাউস অফ ওয়ানের ওয়েবসাইট - https://house-of-one.org/en
উইকিপিডিয়া - https://en.wikipedia.org/wiki/House_of_One
উল্লেখ্য শায়খ মঞ্জুর ইলাহি এবং তাঁর ভক্ত-অনুসারীরা যাদেরকে হক্কানী উলামা মনে করেন আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি নিয়ে তাঁদের অত্যন্ত কঠিন বক্তব্য আছে। আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতির নামে যে কার্যকলাপ চলে সেগুলোকে তাঁরা কুফর ও রিদ্দা বলেছেন।
- যেমন লাজনাহ ওয়াদদাইমাহর একটি ফতোয়াতে বলা হয়েছে, কোন মুসলিমের কাছ থেকে যদি ইন্টারফেইথ/আন্তঃধর্মীয় আহ্বান আসে তাহলে সেটি সরিহ রিদ্দা গণ্য হবে। উক্ত ফতোয়ার লিঙ্ক (আট নং পয়েন্ট দ্রষ্টব্য) - https://islamhouse.com/ar/fatwa/65889/
- শায়খ সালিহ ইবনে উসাইমিন রহ.কে ইন্টারেফেইথ তথা ইহুদী-খ্রিষ্টানদের সাথে আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতির দিকে আহ্বানকারীদের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হয়েছিল। শায়খ রহ. এমন ব্যক্তির উপর কুফরের হুকুম দিয়েছেন। লিঙ্ক - http://binothaimeen.net/content/676
- শায়খ আবদূররহমান বিন নাসের আল-বাররাক বিস্তারিত ফতোয়াতে বলেছেন যে ইন্টারফেইথের কার্যকলাপ হল কুফর ও রিদ্দা - https://www.saaid.net/fatwa/f64.htm
- এমন ফতোয়া শায়খ সালেহ আল-ফাউজান, আর-রাজিহি, আব্দুল্লাহ আল-গুনাইমান, আলুশ শায়খসহ বিভিন্ন আলেমের কাছ থেকে এসেছে। (আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি তথা ইন্টারফেইথ কার্যক্রম নিয়ে জানতে পাঠক এ প্রবন্ধটিও পড়ুন - https://dorar.net/artic…/…/الحوار-بين-الأديان-حقيقته-وأنواعه )
তো শায়খ মঞ্জুরে ইলাহির কাছে আমার প্রশ্ন - ইন্টারফেইথের ‘শিক্ষাসফরে’ যাওয়া ব্যক্তির ব্যাপারে কিবারে উলামার ফতোয়াসমূহ অনুযায়ী হুকুম কী হবে? আর এই ব্যক্তির কাছ থেকে কি ইলম গ্রহণ করা যাবে?
একই ছাদের নিচে মসজিদ, গীর্জা আর সিনাগগ নির্মাণ হয়েছে। সেখানে গিয়ে হাসিমুখে ছবি তুলার ব্যাপারে ফতোয়া কী হবে? আর এমন কাজ করা ব্যক্তির কাছ থেকে কি ইলম গ্রহণ করা যাবে?
এই ‘শিক্ষাসফর’ থেকে ফিরে এসে শিক্ষাগ্রহণকারীরা বাংলাদেশে যদি আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি সংক্রান্ত বিভিন্ন কর্মকান্ড শুরু করে, কিংবা এমন কোন কর্মকান্ডের “শরঈ উপদেষ্টা’ হিসাবে ভূমিকা পালন করে, কিংবা এমন অন্য কোন কাজের সাথে যুক্ত হয় তাহলে সেই ব্যাপারে কী ফতোয়া হবে? এমন ব্যক্তির কাছ থেকে কি ইলম নেওয়া যাবে?
আশা করি আমার এ প্রশ্নগুলোর উত্তর পাবো।
===
লিখেছেন - Ibrahim ভাই

06/06/2020

আযানের উত্তর যেভাবে দিবেন?
আযানের উত্তর দেয়া হারিয়ে যাওয়া সুন্নাহর মধ্যে একটি।
রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন,
"যখন তোমরা আযান শুনবে, তখন মুয়াজ্জিন যা বলে তার মতো তোমরাও বলবে।"
[ সহিহুল বুখারীঃ ৬১১]
রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন,
যখন মুয়াজ্জিন "আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবর " বলে, আর তোমাদের কেউ হৃদয় থেকে বলে, "আল্লাহু আকবার,আল্লাহু আকবার"; ঈমাম যখন বলে, " আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" সেও বলে "আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" ; অতঃপর ঈমাম যখন বলে "আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রসূলুল্লাহ" সেও বলে "আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ" ; ঈমাম যখন বলে, "হাইয়্যা আলাস সালাহ" সে বলে, "লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ" যখন বলে, "হাইয়্যা আলাল ফালাহ" সে বলে, লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ", এরপর ঈমাম যখন বলে, আল্লাহু আকবার,আল্লাহু আকবার" সেও বলে, "আল্লাহু আকবার,আল্লাহু আকবার"; এবং ঈমাম যখন বলে, "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ", সেও বলে " লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ",
-তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
[সহিহ মুসলিমঃ ৩৮৫]
সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ।
আসুন আজ থেকে আমরাও এই আমলটি শুরু করে দেই ইনশাআল্লাহ

ডা. জাকির নায়েকের দৃষ্টিতে বর্তমান সময়ের শ্রেষ্ঠ তিনজন আলিম (ফিকহ্): তাঁদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতিঃ১|✪ শায়খ মুহাম্মাদ হাসান আ...
02/06/2020

ডা. জাকির নায়েকের দৃষ্টিতে বর্তমান সময়ের শ্রেষ্ঠ তিনজন আলিম (ফিকহ্): তাঁদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতিঃ
১|✪ শায়খ মুহাম্মাদ হাসান আদ দিদো

মৌরিতানিয়ান, তবে এখন তুরস্কে থাকেন। বিশ্বের শ্রেষ্ঠ কয়েকজন আলেমের একজন তিনি। বিশেষত কুরআন-সুন্নাহর মূল টেক্সট মুখস্থ রাখার দিক থেকে তিনি অনন্য। শায়খ সুফী ঘরানার হলেও বিদ‘আতী নন।
২|✪ শায়খ আবদুল আযীয আত ত্বরীফী

সৌদি আরবের বিখ্যাত একজন হকপন্থী আলেম। গত শতকের বিখ্যাত আলিম শায়খ বিন বায (রাহ.) এবং বিশ্বখ্যাত সিরাতগ্রন্থ ‘আর রাহীকুল মাখতূম’-এর লেখক আল্লামা মুবারকপুরী (রাহ.)-এর ছাত্র তিনি। ২০১৬ সালে তাঁকে গ্রেফতার করে সৌদি সরকার, যেভাবে পূর্বে শায়খ সালমান আল আউদাহ, শায়খ সাফার হাউয়ালি, শায়খ সুলাইমান আল আলওয়ানসহ অসংখ্য যুগশ্রেষ্ঠ সত্যনিষ্ঠ আলিমকে গ্রেফতার করেছে। শায়খ তারিফির ইলম ও প্রজ্ঞা বিস্ময়কর। তিনি কুরআন-সুন্নাহ থেকে সূক্ষ্মভাবে বিভিন্ন মাসয়ালা বের করে আনেন। তাঁর কিছু লেখা বাংলায় অনূদিত হয়েছে ‘সবুজ পাতার বন’ নামে। সেটা পড়তে পারেন।
৩|✪ শায়খ মুহাম্মাদ সালিহ আল মুনাজ্জিদ

সিরিয়ান বংশোদ্ভূত সৌদি আরবের একজন পরিচিত আলেম। বিশ্বখ্যাত জনপ্রিয় ফতোয়া সাইট islamqa. info-র প্রতিষ্ঠাতা। শায়খের কিতাবগুলো ভীষণ উপকারী। তাঁর ২০/৩০-টির মত বই বাংলায় অনূদিত হয়েছে রুহামা প্রকাশন, হুদহুদ প্রকাশন, হাদিস ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন প্রকাশনী থেকে। শায়খ সৌদি সরকারের তোষামোদ করেননি বরং সত্যের ব্যাপারে আপোসহীন ছিলেন, তাই কয়েক বছর যাবত তাঁকে গুম করে রাখা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তাঁকে জেলে বন্দী করা হয়েছে। কেউ কেউ তাঁকে মেরে ফেলার আশঙ্কা করেছেন। কারণ পূর্বে বেশ কয়েকজন হক্বপন্থী আলিমকে সৌদি সরকার জেলখানায় হত্যা করেছে। শায়খ মুনাজ্জিদের নজিরবিহীন সবর ও উত্তম চরিত্রের একটি দৃষ্টান্ত হলো, তিনি তাঁর ছেলের হত্যাকারীকে ক্ষমা করে দিয়েছেন।
ডা. জাকির নায়েক—দুই দিন হলো—তাঁর ফেইসবুক ভেরিফাইড পেইজে নতুন একটি ভিডিও আপলোড করেছেন। সেখানে তিনি একজনের প্রশ্নের জবাবে এই তিন জন বিখ্যাত আলিমের নাম সাজেস্ট করেছেন।

ডা. জাকির অত্যন্ত মুখলিস মানুষ। তিনি শাসকদের দরবারপুষ্ট আলিমদের নাম না বলায় কিছু হিংসুক মানুষ তাঁর বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে, তাঁকে বিভিন্নভাবে বাতিল প্রমাণ করার চেষ্টা করছে। আপনারা এই হিংসুকদের ব্যাপারে সাবধান থাকবেন।
ইয়া আল্লাহ্ আপনি শায়খ তারিফি ও শায়খ মুনাজ্জিদকে জালিমের কারাগার থেকে মুক্ত করুন। আমীন।

01/06/2020

🍁"আমি যদি আমার স্ত্রীর সাথে কোন পরপুরুষকে দেখি তাহলে আমি তাকে সোজা তরবারী দ্বারা আঘাত করে হত্যা করব। " - সা'দ ইবনে উবাদা (রাঃ)

নবীজি(সাঃ) যখন সাহাবা(রাঃ)'র এই উক্তিটি শোনেন তখন তিনি তাকে আত্মমর্যাদা সম্পন্ন সাহাবা বলেছেন। (বুখারী)
একজন স্বামীর মধ্যে যদি এমন প্রটেক্টিভ জেলাসি বা গাইরাত না থাকে তাহলে তার কোন ব্যক্তিত্ব নাই।
◾বোন সে আপনাকে ভালোইবাসে না◾

আমাদের সমাজে আমরা প্রায় দেখি কিছু ব্যক্তি তার বউয়ের রুপ অশ্লীলভাবে প্রদর্শন করেন। বউয়ের পর্দা দূরে থাক, শরীরেও কাপড়ে খুব কম ব্যবহার করে। ফেসবুকে ছবি তুলে প্রদর্শন করে।

বন্ধুরা তার বউকে সুন্দরী বলবে, কথা বলতে চাইবে, ফেসবুকে ছবি দেখলে কবিতার ফুলঝুড়ি ছড়াবে এমনটাই আশা করেন। বউকে সামাজিক বানাতে গিয়ে অন্যকিছু বানিয়ে ফেলেন।

ভালোবাসার প্রথম প্রমানই তো হলো আপনার মধ্যে গাইরাত বা প্রটেক্টিভ জেলাসি ব্যপারটা থাকবে। আপনার বউ এর পাশে কাউকে এসে দাড়াতেই দিবেন না। তাকে শো করা তো বহু দূরের ব্যপার।
◾ভাই, বউটা কিন্তু আপনার।◾

নিজের স্ত্রী, মা, বোন কিংবা মেয়ে সম্পর্কে যার কোন গাইরাত বা protective jealousy নেই। যে নিজের স্ত্রীকে কিংবা তার পরিবারের মেয়েদের পর পুরুষকে দেখিয়ে আনন্দ পায় কিংবা পর পুরুষের সামনে যেতে কোন ধরণের বাধা দেয় না সেই ব্যক্তি দাইয়্যুস।

আর দাইয়্যুস ব্যক্তি জান্নাতে তো যাবে না; জান্নাতের সুঘ্রাণ ও পাবে না। তিন ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না। এমনকি আল্লাহ তায়ালা তাদের দিকে তাকিয়েও দেখবেন না। তার মধ্যে এক শ্রেনী হচ্ছে দাইয়্যুস ব্যক্তি; যাদের দিকে আল্লাহ তাকিয়েও দেখবেন না।( মুসনাদে আহমাদ)

কিছু মেয়ে আছে, আজ আধুনিকতার নামে নিজেকে ফেসবুকে প্রদর্শন করে। কিছু নন মাহরাম ছেলেরা সেখানে তাদের উৎসাহ দিয়ে যায়। বন্ধুত্বের নামে চলে বেহায়াপনা। তারা ফ্রি মাইন্ডেড দাইয়্যুস হাজবেন্ড খোজে।

এই ব্যপারে একটা মেয়ে আরেকটা মেয়েকে বলে, "জানিস, আমার হাজবেন্ড খুব ভালো। আমার ছেলে বন্ধুদের জেলাস করে না। গলায় ওড়না নিতে বলে না। বিয়ের আগে খুব চিন্তায় ছিলাম। শুনেছি ছেলেটা নামাযী কালামি। কিন্তু এখন দেখি খুব ফ্রি মাইন্ডেড। আমি খুব ভাগ্যবতী। "
◾বোন আপনার ভাগ্য খুবি খারাপ।◾

ভাই আপনি নামাযি কালামি? গাইরাত নাই অন্তরে? ইবনুল কায়্যিম রহিমাহুল্লাহ বলেন- “যদি গাইরাত মানুষের হৃদয় ত্যাগ করে চলে যায়, তবে সে হৃদয় থেকে ঈমানও হারিয়ে যাবে”

প্রতিটি স্ত্রী তার স্বামীর কাছে স্পেশালভাবে প্রাপ্য। একজন দায়িত্বশীল স্বামী কখনো তার স্ত্রীকে বেগানা পুরুষের সামনে যেতে, কথা বলতে বাধ্য করবে না। কিংবা তার স্ত্রী, মা, বোনের সাথে অন্য কারো এমন আচরণ সহ্য করবে না যেটা তার আত্মসম্মানবোধে লাগে।

ভাই, আপনি হয়তো ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলো মানেন। কিন্তু আপনার মেয়ে বা বোন স্কুলে,কলেজে,ভার্সিটির ফাংশানে নাচে। আপনি বাপ/ভাই হয়ে সহ্য করেন কিভাবে? আপনার বউ পর পুরুষের সামনে যায়, আর আপনি দাত কেলিয়ে হাসেন কিভাব??

◾আপনার মা/বোন/বউ বাজারে যায়? আপনি ঘরে কি করেন?◾

◾ বিশ্বাস করুন, আপনার সালাত, সিয়াম, বাকী সব আমল কোন কাজে আসবে না। কারন আপনি নিজে একজন ‘দাইয়্যুস’ ব্যক্তিতে পরিনত হয়েছেন। আর দাইয়্যুস ব্যক্তির জন্য আল্লাহ জান্নাত হারাম করেছেন! (নাসাঈ:২৫৬২, মুসনাদে আহমাদ, মিশকাত: ৩৬৫৫)

◾ একজন পুরুষ হবে ব্যক্তিত্ববান। তার স্ত্রী,মা, কন্যা, বোনদেরকে সে হিফাজাত করবে। আল্লাহ তায়ালা আমাদের বুঝার তৌফিক দান করুক। ----- আমীন।

Address

Dhaka
1207

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ড. জাকের নায়েকের উম্মুক্ত প্রশ্ন সমুহ এবং উত্তর সমুহ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share