বাংলাদেশের হিন্দু নির্যাতনের প্রতিবাদ

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • বাংলাদেশের হিন্দু নির্যাতনের প্রতিবাদ

বাংলাদেশের হিন্দু  নির্যাতনের প্রতিবাদ অহিংসা পরম ধর্ম.. Help Us Grow :Like ✔ Tag ✔ Share

23/07/2014

"সর্বধর্মান্ পরিত্যজ্য
মামেকং শরনং ব্রজ।
অহং ত্বাং সর্বপাপেভ্যো
মোক্ষয়িষ্যামি মা শুচঃ ।।
অর্থ্যাত্- "সকল প্রকার ধর্ম পরিত্যাগ করে, কেবল আমার
চরণে শরনাগত হও , আমি তোমাকে সকল প্রকার পাপের
ফল থেকে উদ্ধার করব, সুতরাং উদ্বিগ্ন হইও না ।
(গীতাঃ ১৮/৬৬)

11/07/2014

অহিংসা পরম ধর্ম..
Help Us Grow :Like ✔ Tag ✔ Share

11/07/2014

প্রত্যেক অহিন্দু ছেলের মনের ভিতর সুপ্ত বাসনা থাকে একটা হিন্দু মেয়েকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ভাগিয়ে নেয়া। গত বছরে এমনি ইষ্ট ওয়েষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় এর এক মেয়ে বিয়ের আগের দিন অহিন্দু বয়ফেন্ড এর সাথে পালিয়ে যায়।ছেলেটি ২দিন মেয়েকে ভোগ করে মেয়ের বাসায় পাঠিয়ে দেয়।মেয়ের বাবা মায়ের আত্মহত্যা করার মত অবস্থা। শেষে কিছু দিন আগে এক আমেরিকা প্রবাসী হিন্দু ছেলে সব জেনে শুনে মেয়েকে বিয়ে করতে রাজি হয়।বর্তমানে মেয়েটি অনেক সুখে আছে। ঐ দাদাকে অনেক ধন্যবাদ এমন মহৎ কাজ করার জন্য।আর মেয়েটি ও আত্মহত্যা না করে বাবা মায়ের কাছে ফিরে আসার জন্য। আপনাদের যেসব ভাই বোন আত্মীয় কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে তাদের সাথে এগুলু শেয়ার করুন। লাভ জিহাদের থাবা থেকে হিন্দু বোনদের রক্ষা করুন। আপনাদের একটু সচেতনতায়য় সনাতন জাতি বিলুপ্তির হাত থেকে বাঁচতে পারে। নমস্কার সবাইকে। ভাল থাকবেন

13/06/2014

OM Jai Jagdish Hare Flute Version -

Dear listeners, Here's a humle effort and my presentation of the most devotional and historical songs - Om Jai Jagdish Hare. Its a very peaceful hymn and nev...

08/06/2014

গত শনিবার পার্বত্য বান্দরবনের রোয়াংছড়ির ব্রাক আনন্দ স্কুলের শিক্ষিকা উ প্রু মার্মা (২৩) ধর্ষিত হয়েছে । এ মহৎ কর্মটি বরাবরের মতই স্থানীয় বাঙ্গালিদের দ্বারা সম্পাদিত হয়েছে । পাহাড়ি অঞ্চলে এ ঘটনা এখন নিত্যদিনের রুটিনে পরিনত করে নিয়েছে বাঙ্গালিরা । কোন বিচার নেই, শাসন নেই, প্রতিবাদ নেই, প্রতিরোধ নেই দেশের কোন মহলে । তবে ব্যাতিক্রম হলো ধর্ষক সন্দেহে মুছা আলম নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা ।
সেনাবাহীনীর সদস্য, পুলিশ, সাধারণ জনতা যে যেমন পারছে লুটে নিচ্ছে কাফির পাহাড়িদের ইজ্জত আর সম্ভ্রম । শুধু ইজ্জতই নয়, জীবনও নিয়ে নিচ্ছে তারা । জীবিত থাকলে ঝামেলা তাই হত্যাই শ্রেয় । সারাদেশের হিন্দু মেয়েদের ক্ষেত্রে যা ঘটছে, পাহাড়েও তাইই ঘটছে । কাফির নারী হলো গনিমতের মাল, চুলকানি শুরু তো মুরগির মত কাফির যুবতি নারী ধরে কিছুক্ষণ চুলকে নিচ্ছে দেশের শান্তির পথের পথিকেরা ।
হিন্দু মেয়ে অপহরণ কিংবা ধর্ষণের বিষয়ে এফ,আই,আর করাতে থানায় গেলে, কর্তব্যরত পুলিশ এমন ভাব দেখায় যেন এ আবার এমন কি ঘটনা !!! এর জন্য একটা পৃষ্ঠা খরচ করে এফ,আই,আর দাখিলই বৃথা । এসব ক্ষেত্রে বেশিরভাগই “আপনার মেয়ের সম্মান আরো যাবে, এ ধরনের ঘটনা নিয়ে টানা হেচড়া না করাই ভালো”, ইত্যাদি বুঝিয়ে এফ,আই,আর করা থেকে নিরুৎসাহিত করা হয় । আর কেউ যদি নাছোড়বান্দা হয়ে এফ,আই,আর করেন ও, তাতে লাভের লাভ কিছুই হয় না ।
সারাদেশে হাজারো হিন্দু ও পাহাড়ি মেয়ে গ্যাং রেপ হয়, অপহরণ হয় । কিন্তু এই দেশ তার একটারও বিচার করেছে এমন নজীর নেই । ধরলাম যারা ধর্ষক তারা না হয় পথভ্রষ্ট, তারা না হয় অসামাজিক অধার্মিক ।
কিন্তু যারা বিচারের আসনে বসে আছেন, তারা ?

(হিন্দু বীর যুব সংঘ)

গোপালগঞ্জে হিন্দুদের শোভা যাত্রায় হামলায় মামলা http://bit.ly/1mU2Bs9
07/04/2014

গোপালগঞ্জে হিন্দুদের শোভা যাত্রায় হামলায় মামলা http://bit.ly/1mU2Bs9

রোববার রাতে কোটালীপাড়া উপজেলার পূন্যার্থীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

01/04/2014

#বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন #বন্ধ করতে হলে :

দেশে হিন্দু নির্যাতন বন্ধ করতে হলে দুই ধাপে মোট ছয়টি কাজ করতে হবে। প্রথম ধাপে যে তিনটি কাজ করতে হবে তা হলো:

এক. প্রতিটি হিন্দু নির্যাতন ঘটনার বিচার করতে হবে।

দুই. হিন্দু নির্যাতনের ঘটনার মামলাগুলো বিশেষ আদালতের মাধ্যমে দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা করতে হবে।

তিন. হিন্দু নির্যাতনের ঘটনাগুলোর জন্য দায়ী ব্যক্তিদের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিচয় প্রচারের ব্যবস্থা নিতে হবে। এটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এটি করা হলে উপরের দু’টি কাজ করার দরকার ক্রমশ কমে আসবে।

দ্বিতীয় ধাপে যে তিনটি কাজ করতে হবে সেগুলো হলো:

এক. হিন্দু যারা নির্যাতিত হয়ে দেশত্যাগ করেছে তাদের জমিজমা বিগত ২৩ বছরে (১৯৯১-২০১৪) কারা কিনেছে তার একটি তালিকা প্রকাশ করা। সেখানে হিন্দুদের জমির ক্রেতাদের নাম ও রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ করতে হবে। এই তালিকা বিএনপি ও আওয়ামী লীগের শাসনামলের প্রতি ৫ বছরওয়ারি পৃথকভাবে দেখানো।

দুই. দেশের পুলিশ বিভাগকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করতে হবে। কোন হিন্দু পরিবারের সাহায্যে কিংবা যারাই হিন্দু নির্যাতন মোকাবেলায় কিংবা তথ্য দিয়ে সাহায্য করতে এগিয়ে আসবে তাদেরকে পুলিশ প্রটেকশন দিতে হবে।

তিন. হিন্দু নির্যাতন মামলাগুলোর খরচ সরকার বহন করবে।

উল্লেখিত কাজগুলো ছাড়াও বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা উপজেলার সচেতন মানুষদের হিন্দু নির্যাতনের ঘটনাগুলো ঘটা মাত্রই নিজ উদ্যোগে কেন ঘটেছে কারা ঘটিয়েছে সে ব্যাপারে ফেসবুকসহ সামাজিক মিডিয়াতে ব্যাপকভাবে প্রচারের ব্যবস্থা নিতে হবে।

যাদের অস্ত্র কলম, তাদেরকে বলব গর্জে উঠুক আপনার কলম। গত ৪২ বছর ধরে এই দেশে হিন্দুরা নির্যাতিত হচ্ছে। কাজটি কিন্তু সারাবছর ধরেই চলে। যেহেতু বিচ্ছিন্নভাবে কাজটি চলে সেকারণে মিডিয়াতে বিষয়টি তেমনভাবে আসে না। নির্বাচনকালীন সময়ে বিষয়টি সামনে আসে দুই কারণে। এক. সুযোগসন্ধানীরা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে তৎপর হয়ে উঠে। দুই. স্বল্পতম সময়ে বেশি ঘটনা ঘটার কারণে মিডিয়া সক্রিয় হয়ে উঠে।

২০০১ সালের নির্বাচনের পর মিডিয়া ব্যাপকভাবে সরব হয়ে উঠেছিল হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে। তারপর দীর্ঘ বিরতি দিয়ে এবারের নির্বাচনের পর মিডিয়াতে হিন্দু নির্যাতনের ঘটনা আবারো ব্যাপকভাবে প্রচার পাচ্ছে।

বাংলাদেশ কতোগুলো মাইন্ডসেট দিয়ে চলে। একটি মাইন্ডসেট হলো এই দেশে হিন্দু নির্যাতন মানেই সেটা বিএনপি জামায়াত করেছে। এটা খুব সহজে খাওয়ানো যায় বলে প্রশাসন তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন না করেই বলে দেয় বিএনপি জামায়াতের কথা। এবারো এর ব্যতিক্রম হয়নি। এতে করে প্রকৃত দোষী আড়ালে থেকে যায় কিংবা থেকে যাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

২০০১ সালে নির্বাচনের পর হিন্দু নির্যাতনের কারণ হিসেবে আওয়ামী লীগ ও এদেশের তথাকথিত প্রগতিশীলদের পক্ষ (যারা নিজেদের একমাত্র প্রগতিশীল বলে দাবী করে থাকেন) থেকে বলা হয়েছিল যে, যে সকল আসনে বিএনপি ও জামায়াত হেরেছে সেসকল এলাকায় হিন্দুদের নির্যাতন করা হয়েছে। আওয়ামী লীগকে নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার কারণেই তাদেরকে নির্যাতিত হতে হয়েছিল।

এবার যখন সত্যি সত্যি নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়ার কারণে অভয়নগরে হিন্দুদের উপর নির্যাতন চালানো হলো তখন মাইন্ডসেট থিওরি থেকে ঢাকাভিত্তিক বুদ্ধিজীবির দল ভাঙ্গা রেকর্ড বাজানোর মতো করে বলতে শুরু করল বিএনপি ও জামায়াত অভয়নগরের হিন্দুদের উপর নির্যাতন চালিয়েছে। যেখানে স্থানীয়দের বক্তব্য হলো আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হুইপ ওহাব তাকে ভোট না দিয়ে নৌকা মার্কায় ভোট দেয়ার শাস্তি হিসেবে হিন্দু প্রধান গ্রামগুলোতে হামলা চালিয়েছিল।

লাঙ্গলই নৌকা আওয়ামী লীগ এবং তথাকথিত বুদ্ধিজীবির দল এটাকে হিন্দু মুসলমান দ্বন্দ্ব হিসেবে প্রমাণ করতে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়ল। তারা এটাকে হিন্দু বিদ্বেষ এবং সাম্প্রদায়িকতা হিসেবে প্রমাণ করার জন্য বরাবরের মতো ব্যস্ত হয়ে পড়ল। হিন্দু নির্যাতনের ঘটনাকে তারা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার কাজে ব্যবহারে তৎপর হয়ে উঠল। যেখানে বিষয়টি মূলত দলীয় কোন্দল। সেটা আওয়ামী লীগের মধ্যেকার দলীয় কোন্দল। কারণ এবারের একদলীয় নির্বাচনের রূপটা কেমন ছিল সেটা জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদের ব্যানার ‘লাঙ্গলই নৌকা নৌকাই লাঙ্গল’ থেকেই সুস্পষ্ট। এবারের আসন ভাগাভাগির নির্বাচন করেছে মহাজোট এবং মহাজোটের শরিক দল এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা। ঘুরে ফিরে সেই আওয়ামী লীগ। ফলে নির্বাচনোত্তর সহিংসতা যা কিছু সেটার দায়ভারও আওয়ামী লীগ এবং বিদ্রোহী আওয়ামী লীগারদের। দেশের জেলা উপজেলায় লাখ লাখ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতে সরকারি দলের ক্ষমতাধররা ছাড়া সহিংসতা করার সামর্থ্য কারো থাকার কথা নয়। এখানে ধর্মের উপস্থিতি তো নেইই।

সত্য গোপন করার এই প্রবণতা বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতন বাড়িয়েছে। কারণ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা যখন হিন্দুদের নিযাতন করছে তখন তারা জনগণকে দেওয়া পারসেপশনের কারণেই অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে না। মিডিয়া এবং তথাকথিত সুশীল সমাজ তাদেরকে প্রটেকশন দিচ্ছে। আর স্থানীয়ভাবে আওয়ামী লীগের এমপি, পুলিশ প্রশাসন কিংবা সরকারি প্রশাসন তাদেরকে প্রটেকশন দিচ্ছে। একারণে বিএনপি ও জামায়াতের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ কোন ধরনের ঝুঁকি ছাড়াই হিন্দুদের নিযাতন করতে পারছে।

আসলে বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতনের মূল কারণ লোভ। হিন্দুদের সম্পত্তি দখলই মূল লোভ। সঙ্গে অন্যান্য লোভও কাজ করে। লোভীদের দলে বিএনপি, জামায়াত, জাতীয় পার্টি, আওয়ামী লীগ সবদলেরই ক্ষমতা অনুযায়ী অংশগ্রহণ থাকে। যেহেতু বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের জোরটা বেশি সেকারণে হিন্দু নির্যাতনে তাদের ভূমিকাটাও বেশি। জনগণ ও প্রশাসনের মাইন্ডসেট এক্ষেত্রে তাদেরকে সহায়তা করে থাকে। মিডিয়া ও সুশীল সমাজের প্রটেকশন থেকে তারা বিদেশেও এটিকে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের কাজ বলে প্রচার করতে পারে। ফলে এক ঢিলে দুই পাখি মারা যায় আর কি। হিন্দুদের জমি জমাও দখলে কিংবা কম দামে কেনা হলো আবার দোষটা প্রতিপক্ষের উপর চাপিয়ে তাদের ইমেজ ধ্বংস ও নিজেদের ইমেজ বৃদ্ধি করা গেলো।

লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, নিপীড়ন নির্যাতনের শিকার হিন্দুরা মূলত দুর্বল প্রকৃতির হিন্দু। আজ পর্যন্ত আপনি নিশ্চয়ই শোনেননি একজন হিন্দু সচিব, কিংবা কোন হিন্দু মন্ত্রী কিংবা হিন্দু কোন মেজর বা মেজর জেনারেল নির্যাতিত হয়েছেন? ধর্মের কারণে যদি নির্যাতনের ঘটনা ঘটত তাহলে ক্ষমতাধর হিন্দুরাও বাদ যেতেন না। কারণ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার রূপটা তেমনই হয়ে থাকে। এটাও প্রমাণ করে যে বাংলাদেশে হিন্দু নিযাতনের বিষয়টি মোটেই সাম্প্রদায়িকতা নয়।

আমি জোর গলায় বলতে পারি বাংলাদেশে হিন্দু নির্যাতনের ঘটনার সঙ্গে সাম্প্রদায়িকতার কোন সম্পর্ক নেই। এটা পুরোপুরিই শক্তিশালীদের অপেক্ষাকৃত শক্তিহীনদের উপর নির্যাতন। একথা মানতেই হবে যে, বাংলাদেশের মানুষ সাধারণভাবে শান্তিপ্রিয়। শান্তিপ্রিয় মানুষের এই দেশকে কখনো ধর্মের নামে কখনো রাজনীতির নামে অশান্ত করা হয় মূলত লোভ দ্বারা চালিত পক্ষগুলোর সুবিধা আদায়ের লক্ষ্যে।

এই রকম একটি পরিস্থিতিতে পুলিশ আর বিচার বিভাগ বড় ধরনের ভূমিকা নিয়ে এগিয়ে আসতে পারে। যা এখন অনুপস্থিত।

আমাদেরকে মনে রাখতে হবে হিন্দু নির্যাতন একটি ফৌজদারি অপরাধ। আর অপরাধের শাস্তি হওয়া বাঞ্চনীয়। কিন্তু যেকোন কারণেই হোক বছরের পর বছর ধরে হিন্দু নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে সুশীল সমাজ ও কতিপয় রাজনৈতিক দল ফায়দা লুটলেও নির্যাতিত হিন্দুরা বিচার পাননি।

আমাদের প্রশাসনের কতিপয় দুর্নীতিগ্রস্ত অফিসার ততোধিক দুর্নীতিগ্রস্ত এমপিদের দ্বারা ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আর তাদের এই কাজে সহায়তা করে পুলিশ ও সরকার প্রভাবিত বিচার বিভাগ। আর এভাবেই হিন্দুদের উপর নির্যাতনের বিষয়গুলো মিডিয়াতে প্রচার পায়, সভা সেমিনার হয়, সুশীলদের বিদেশ ট্যুর হয় আর দিন শেষে নির্যাতিত হিন্দু পরিবারগুলো তাদের জমিজমা বিক্রি করে ভিনদেশে পাড়ি জমায়। আর সেই জমি কিনে নেওয়ার জন্যই অনেক সময় বস্তিতে আগুন লাগানোর মতো করে হিন্দু নির্যাতনের মতো ঘটনা ঘটানো হয় ক্ষমতাধরদের পক্ষ থেকে।

আওয়ামী লীগের প্রায় প্রতিটি মন্ত্রী এমপির কয়েক গুণ থেকে কয়েক শ গুণ সম্পত্তি বেড়েছে। জায়গা জমি বেড়েছে। এমপি মন্ত্রীদের যাদের জায়গা জমি বেড়েছে সেগুলোর মধ্যে কি পরিমাণ জমি হিন্দুদের জমি সেটার পৃথক তালিকা প্রকাশ করা উচিৎ। সেখান থেকেও হিন্দু নিযাতনের কোন অজানা অধ্যায় বের হয়ে আসতে পারে। আমি প্রস্তাব করতে চাই ক্ষমতাধররা যখন তাদের সম্পদের বিবরণ দেবেন সেখানে স্থাবর সম্পত্তির বিবরণে তাদের ক্রয়কৃত জমি জমার হিসেবের মধ্যে হিন্দুদের সম্পত্তি কেনার হিসেব পৃথকভাবে দেবেন। এ ব্যাপারে দেশী ও প্রবাসী তথাকথিত প্রগতিশীলদের সমর্থন আশা করছি। আশা করছি তারা তাদের মাইন্ডসেট থেকে বের হবেন এবং আমার দাবীর প্রতি সমর্থন দেবেন।

মাইন্ডসেট বাণিজ্য চলছে দেশে। এই বাণিজ্য বন্ধ না হলে হিন্দু নির্যাতন বন্ধ হবে না।

সবশেষে বলব আসুন হিন্দুরাও মানুষ তাদেরকে মানুষের মর্যাদা দেই। যারা তাদেরকে মানুষের মর্যাদা দিতে চায় না তাদের সম্পত্তি দখল করার জন্য তাদেরকে ‘সংখ্যালঘু’ বলে তাদেরকে নিন্দা জানাই।

বাংলাদেশে কোন সাম্প্রদায়িতকা নেই। ছিলো না। থাকবেও না। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাই হলো সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার একমাত্র উপায়। সেদিকেই আমাদেরকে অগ্রসর হতে হবে।

01/04/2014

সংখ্যালঘু নিযাতন বন্ধ কর ১৯৯০ সালে এরশাদ সাহেবের উস্কানিতে.১৯৯২ সালে বাবরি মসজিদ ভাংগার ঘটনায়.২০০১ সালে বি এন পি জামায়াত সরকার গটন করায়.এবার ২০১৪ সালে ভোট দিতে যাওয়ায় আমাদের বাংগালীদের অনেক মুল্য দিতে হয়েছে কেন? আমরা এর বিচার চাই তার সাথে অ বাংগালীদের রুখতে ও চাই, যাগো বাংগালী, রুখে দাড়াও বাংলদেশ ।

15/01/2014

※※ঐক্য ঐক্য ঐক্য চাই※※
সুপ্রিয় সকল হিন্দু ভাই-বোনদের উদ্দ্যশে বলছি………
আপনারা সকলে ঐক্যবদ্ধ হোন, একের বিপদে তার পাশে দাড়ান… কেউ আপনাদের হারাতে পারবে না!!!
তার এক উজ্জল দৃষ্টান্ত আমি আজকে নিজের চোখে দেখলাম……
আজ আনমনে এক গাছের দিকে তাকালাম, তখন দেখী ঐ গাছে থাকা এক ছোট্র পাখির বাসা থেকে পাখির ছানাকে নিয়ে যেতে এসেছে এক কাক…… কিন্তু ঐ ছানাগুলোর পিতা-মাতার সাথে তাদের আরো কয়েকটা স্বজাতি মিলিত হয়ে সম্পূর্ণ পন্ড করে দিলে ঐ কাকের অপচেষ্টা|কিছুক্ষন যুদ্ধ করার পর কাকটি ফিরে যেতে বাধ্য হলো………
এতেই বুঝা যায়…একতাই শক্তি!!

11/01/2014

গানিতিক হিসাব :বাংলাদেশে ২০০০-১৩ সাল পর্যন্ত এই ১৩ বছরে উগ্র মুসলিমদের সাম্প্রদায়িক হামলায় বলি প্রায় ৬০০০ হিন্দু।
January 12, 2014 at 3:54am

বাংলাদেশে ২০০০-১৩ সাল পর্যন্ত এই ১৩ বছরে উগ্র মুসলিমদের সাম্প্রদায়িক হামলায় বলি প্রায় ৬০০০ হিন্দু।

আজ "বাংলাদেশ প্রতিদিন" পত্রিকার একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০০ সাল থেকে ১৩ সাল পর্যন্ত মোট দুই হাজার বার সংখ্যালঘুদের উপর হামলা চালিয়েছে উগ্র মুসলমানরা। এসব হামলায় মৃত্যুবরণ করেছে ৬,০০০ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ, আহত হয়েছে ৬০,০০০ মানুষ এবং পঙ্গুত্ব বরণ করেছে প্রায় ২২ হাজার সংখ্যালঘু। এছাড়া এই ১৩ বছরে এসব হামলায় মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েক লক্ষ কোটি টাকা বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ।

সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটেছে ২০০১-০৬ সালের মধ্যে। বিএনপি সরকারের আমলে সবচেয়ে বেশি ভয়াবহ হামলার ঘটনা ঘটে। হিন্দু নারী ধর্ষণ ও লুটপাটের একাধিক ঘটনা ঘটেছে এই ১৩ বছরে। যদিও এই বিষয়গুলি প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়নি। এছাড়া লক্ষ লক্ষ হিন্দুর দেশত্যাগে বাধ্য হওয়ার ঘটনাগুলি নিয়েও কোনো মন্তব্য করা হয়নি। তবে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ অভিযোগ করেছে আজ পর্যন্ত সংখ্যালঘুদের উপর এসব সাম্প্রদায়িক হামলার একটি বিচারও সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়নি বা আগ্রহ দেখায়নি সরকার। কোনো সরকারই সংখ্যালঘু নির্যাতনের ব্যাপারে কঠোর নয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে ।
............................""STOP GENOCIDE".......................................

যশোরের অভয়নগরে মালোপাড়ায় সংখ্যালঘুদের উপর নির্বাচনোত্তর হামলার পর একই জেলার মণিরামপুর উপজেলায় দুই গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযো...
11/01/2014

যশোরের অভয়নগরে মালোপাড়ায় সংখ্যালঘুদের উপর নির্বাচনোত্তর হামলার পর একই জেলার মণিরামপুর উপজেলায় দুই গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার রাতে মণিরামপুর উপজেলার হাজরাইল ঋষিপল্লীতে এ ঘটনা ঘটে।

লোকলজ্জা ও হামলাকারীদের ভয়ে ক্ষতিগ্রস্তরা ঘটনাটি এতদিন প্রকাশ না করলেও শুক্রবার থানায় অভিযোগ করার পর বিষয়টি জানাজানি হয়ে যায়।

এর আগে নির্বাচনের দিন (রোববার) যশোরের অভয়নগরের চাপাতলা গ্রামের মালোপাড়ায় অন্তত দেড়শ বাড়ির আসবাবপত্র, ঘরের চালা, ধান-গমের গোলাসহ বিভিন্ন মালামাল ভাংচুর ও তছনছ করে নির্বাচন বিরোধীরা।

পরে তারা ৪/৫টি বাড়িতে আগুন দেয় এবং বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায়। ওই সময় ভয়ে মালোপাড়ার নারী-পুরুষ-শিশু গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে বাঁচে।

মণিরামপুর থানার ওসি মীর রেজাউল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, মঙ্গলবার রাত ২টা থেকে আড়াইটার দিকে মুখ বাঁধা ৫/৬ জন দুর্বৃত্ত ঋষিপল্লীর একশ’ গজ ব্যবধানে দুটি বাড়িতে হানা দেয়। তারা অস্ত্রের মুখে পুরুষদের জিম্মি করে দুই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে।

শুক্রবার সকালে ওই দুই গৃহবধূ থানায় অভিযোগ করেছেন। দুপুরে মামলা দুটি নথিভুক্ত করা হয়েছে।

পুলিশের ভয়ে পলাতক নির্বাচনে সহিংসতা সৃষ্টিকারীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে ওসি জানিয়েছেন।

ঘটনার শিকার এক গৃহবধূ সাংবাদিকদের জানান, মুখে কাপড় বাঁধা কয়েকজন লোক অস্ত্রের মুখে তার শ্বশুর ও স্বামীকে বেঁধে তার ওপর নির্যাতন চালায়।

অপর নারীর ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে বলে জানান তিনি।

এদিকে ঘটনার পর পল্লীতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ঋষিপল্লীর যুবকরা রাত জেগে এলাকায় পাহারা দিচ্ছেন।

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, মাগুরা, জামালপুর, জয়পুরহাট, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ সমর্থক ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর হামলা, নির্যাতনের ঘটনা ঘটে।

২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরও দেশের বিভিন্ন স্থানে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের উপর ব্যাপক নির্যাতন চালানো হয়। সে সময় সংখ্যালঘু পরিবারের অনেকে ধর্ষণের শিকার হন।



লিংক: http://m.bdnews24.com/bn/detail/home/727599

- সুব্রত শুভ

যশোরের অভয়নগরে মালোপাড়ায় সংখ্যালঘুদের উপর নির্বাচনোত্তর হামলার পর একই জেলার মণিরামপুর উপজেলায় দুই গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশের হিন্দু নির্যাতনের প্রতিবাদ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share