08/06/2014
গত শনিবার পার্বত্য বান্দরবনের রোয়াংছড়ির ব্রাক আনন্দ স্কুলের শিক্ষিকা উ প্রু মার্মা (২৩) ধর্ষিত হয়েছে । এ মহৎ কর্মটি বরাবরের মতই স্থানীয় বাঙ্গালিদের দ্বারা সম্পাদিত হয়েছে । পাহাড়ি অঞ্চলে এ ঘটনা এখন নিত্যদিনের রুটিনে পরিনত করে নিয়েছে বাঙ্গালিরা । কোন বিচার নেই, শাসন নেই, প্রতিবাদ নেই, প্রতিরোধ নেই দেশের কোন মহলে । তবে ব্যাতিক্রম হলো ধর্ষক সন্দেহে মুছা আলম নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করেছে বিক্ষুব্ধ জনতা ।
সেনাবাহীনীর সদস্য, পুলিশ, সাধারণ জনতা যে যেমন পারছে লুটে নিচ্ছে কাফির পাহাড়িদের ইজ্জত আর সম্ভ্রম । শুধু ইজ্জতই নয়, জীবনও নিয়ে নিচ্ছে তারা । জীবিত থাকলে ঝামেলা তাই হত্যাই শ্রেয় । সারাদেশের হিন্দু মেয়েদের ক্ষেত্রে যা ঘটছে, পাহাড়েও তাইই ঘটছে । কাফির নারী হলো গনিমতের মাল, চুলকানি শুরু তো মুরগির মত কাফির যুবতি নারী ধরে কিছুক্ষণ চুলকে নিচ্ছে দেশের শান্তির পথের পথিকেরা ।
হিন্দু মেয়ে অপহরণ কিংবা ধর্ষণের বিষয়ে এফ,আই,আর করাতে থানায় গেলে, কর্তব্যরত পুলিশ এমন ভাব দেখায় যেন এ আবার এমন কি ঘটনা !!! এর জন্য একটা পৃষ্ঠা খরচ করে এফ,আই,আর দাখিলই বৃথা । এসব ক্ষেত্রে বেশিরভাগই “আপনার মেয়ের সম্মান আরো যাবে, এ ধরনের ঘটনা নিয়ে টানা হেচড়া না করাই ভালো”, ইত্যাদি বুঝিয়ে এফ,আই,আর করা থেকে নিরুৎসাহিত করা হয় । আর কেউ যদি নাছোড়বান্দা হয়ে এফ,আই,আর করেন ও, তাতে লাভের লাভ কিছুই হয় না ।
সারাদেশে হাজারো হিন্দু ও পাহাড়ি মেয়ে গ্যাং রেপ হয়, অপহরণ হয় । কিন্তু এই দেশ তার একটারও বিচার করেছে এমন নজীর নেই । ধরলাম যারা ধর্ষক তারা না হয় পথভ্রষ্ট, তারা না হয় অসামাজিক অধার্মিক ।
কিন্তু যারা বিচারের আসনে বসে আছেন, তারা ?
(হিন্দু বীর যুব সংঘ)