ইসলামি দরবার শরীফ

ইসলামি  দরবার শরীফ বিনা পয়সায় পবিত্র কোর'আন শিখানো হয়

বৃষ্টি শুরু হলো। কুরআনে আছে বৃষ্টি আসে রহমতস্বরুপ। আর আমরা এই রহমতকে নষ্ট না বরং আতংক হিসেবে ব্যবহার করি। জানেন কি বছরে ...
12/05/2026

বৃষ্টি শুরু হলো। কুরআনে আছে বৃষ্টি আসে রহমতস্বরুপ। আর আমরা এই রহমতকে নষ্ট না বরং আতংক হিসেবে ব্যবহার করি। জানেন কি বছরে গড়ে ২,৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টি (কিছু সুত্রে ২১৭৪) হয়? পৃথিবীর সবচেয়ে বৃষ্টিবহুল দেশগুলোর একটি আমরা। অথচ প্রতি বছর বর্ষা শেষ হতে না হতেই শুনি পানির সংকট, ফসল নষ্ট, জলাবদ্ধতা, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নামছে।
এত পানি পেয়েও আমরা পানি ধরে রাখতে পারছি না। এটা প্রকৃতির ব্যর্থতা না। এটা আমাদের পরিকল্পনার ব্যর্থতা।
বৃষ্টি শুরুর আগেই পাঁচটা কাজ করা দরকার। এখনই।
এক. গাছ লাগান : কিন্তু সঠিক গাছ
গাছ লাগানোর কথা আমরা সবাই বলি। কিন্তু কোন গাছ, সেটা নিয়ে কেউ কথা বলে না।
একটি পরিণত তাল গাছ দিনে ৩০০ লিটার পর্যন্ত পানি মাটিতে টেনে নামাতে পারে। হিজল, বরুণ, কদম এই দেশীয় গাছগুলো শুধু ছায়া দেয় না, মাটির গভীরে পানির পথ তৈরি করে।
ভারতের রাজস্থানে, যেখানে বৃষ্টি বছরে মাত্র ৩০০ মিলিমিটার, সেখানে দেশীয় গাছ ও ঐতিহ্যবাহী জলসংরক্ষণ পদ্ধতি একসাথে ব্যবহার করে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ৬ মিটার থেকে ১৫ মিটার পর্যন্ত উপরে তুলে আনা হয়েছে।
দুই. মাটির নিচের পানির স্তর ফেরানো
BWDB-র তথ্য অনুযায়ী, ঢাকায় প্রতিদিন ভূগর্ভ থেকে তোলা হচ্ছে প্রায় ২৩ লাখ কিউবিক মিটার পানি। ফেরত যাচ্ছে কতটুকু? নগণ্য। কারণ মাটি ঢেকে গেছে কংক্রিটে।
এক সময় বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামে এবং ঢাকার আশেপাশে হাজার হাজার পুকুর ছিল যা প্রাকৃতিক 'রিটেনশন রিজার্ভার' হিসেবে কাজ করত। এখন আমাদের জলাভূমি ভরাট করে ফেলার কারণে পানি যাওয়ার জায়গা পায় না।
তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ঢাকায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ৮৬ মিটারে নেমেছে, যা ১৯৯৬ সালের ২৫ মিটার থেকে অনেক বেশি এবং মাত্র ৩ শতাংশ জলাভূমি অবশিষ্ট আছে।
সমাধান জটিল না। রিচার্জ পিট। মাটিতে ৩ থেকে ৫ ফুট গর্ত করে বালি ও নুড়ি ভরে দিলে বৃষ্টির পানি সরাসরি ভূগর্ভে যায়। জাপানের টোকিওতে প্রতিটি নতুন ভবনে বাধ্যতামূলক রেইনওয়াটার রিচার্জ সিস্টেম আছে। রেইন ওয়াটার এবং গ্রে ওয়াটার হারভেস্টিং আমাদের ভবিষ্যত- বাধ্যতামুলক করতে হবেই।।
চীন তাদের শহরগুলোতে কংক্রিটের বদলে এমন এক ধরণের 'পারমিবল পেভমেন্ট' বা ছিদ্রযুক্ত ইট ব্যবহার করছে যা বৃষ্টির পানি শুষে নিতে পারে। আমাদের বসুন্ধরাতেও এরকম ইট বসাতে দেখেছি।।
একটি ১,০০০ বর্গফুটের ছাদ থেকে বছরে প্রায় ১ লাখ লিটার পানি সংগ্রহ করা সম্ভব। সেটা মাটিতে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করলেই ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ধীরে ধীরে ফিরবে।
তিন. উপকূলে পানির রিজার্ভার
উপকূলীয় বাংলাদেশের মানুষের সামনে একটা নির্মম বিদ্রূপ আছে - চারদিকে পানি, তবু খাওয়ার পানি নেই। সমুদ্র লবণাক্ত, নদীর পানি লবণাক্ত, মাটির নিচেও লবণ।
উপকূলীয় এলাকার প্রায় ৮০-৯০ শতাংশ নলকূপের পানি লবণাক্ত হয়ে গেছে। লবণাক্ত জমির পরিমাণ গত চার দশকে প্রায় ২৭ শতাংশ বেড়েছে এবং লবণাক্ততা ৫০ থেকে ৭০ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। ফলে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি মানুষ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, খুলনার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে মানুষ এখন বিশুদ্ধ পানির জন্য দিনে ২ থেকে ৩ কিলোমিটার হাঁটে। জলবায়ু পরিবর্তনে সমুদ্রের লবণাক্ততা আরও ৪০ কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে আসবে বলে আশঙ্কা করছেন গবেষকরা।
সমাধান হলো রেইনওয়াটার হার্ভেস্টিং রিজার্ভার। বর্ষার মিষ্টি পানি ধরে রেখে সারা বছর ব্যবহার করা। বাংলাদেশে ইতিমধ্যে কিছু এনজিও এই মডেলে কাজ করছে। একটি পরিবারের জন্য ১০,০০০ লিটারের একটি ট্যাংক পুরো শুষ্ক মৌসুম পার করে দেয়। এটা জাতীয় কর্মসূচিতে নেওয়া দরকার ছিল আরও দশ বছর আগে।
অগভীর নলকূপ দিয়ে পানি তুলতে গিয়ে কৃষকের যে পরিমাণ বিদ্যুৎ বা ডিজেল খরচ হয়, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করলে সেই খরচ ৩০-৪০% কমিয়ে আনা সম্ভব।
চার. কম্পোস্টিং : মাটিকে বাঁচান
বাংলাদেশের কৃষিজমিতে জৈব পদার্থের পরিমাণ আদর্শ মাত্রার (৩-৫%) অনেক নিচে - প্রায় ১% বা তারও কম (কিছু এলাকায় ০.৯% পর্যন্ত)। মাটি দুর্বল মানে মাটি পানি ধরে রাখতে পারছে না, বন্যায় ভেসে যাচ্ছে, খরায় ফেটে যাচ্ছে।
একটা সুস্থ মাটি তার ওজনের ২০ শতাংশ পর্যন্ত পানি ধরে রাখতে পারে। সেই মাটি তৈরি হয় কম্পোস্ট থেকে। আর কম্পোস্টিং এর সময় এখনি। মাটির স্বাস্থ্য ফেরাতে বৃষ্টির পানি এবং জৈব সারের (কম্পোস্ট) যে যুগলবন্দী, তা ফসলের ফলন ২০% পর্যন্ত বাড়িয়ে দিতে পারে।
প্রতিটি পরিবার যদি রান্নাঘরের বর্জ্য থেকে কম্পোস্ট তৈরি করে, সেটা শুধু মাটির জন্য না, ল্যান্ডফিলের চাপও কমায়। ঢাকায় প্রতিদিন প্রায় ৬,০০০ টন বর্জ্য তৈরি হয়, যার ৭০ শতাংশই জৈব এবং কম্পোস্টযোগ্য। সেটা এখন যাচ্ছে মাটিতে পুঁতে। বিষ তৈরি করছে, কম্পোস্ট না।
পাঁচ. জলাবদ্ধতা : ড্রেন নয়, ভাবুন ভিন্নভাবে
ঢাকায় এক ঘণ্টা ভারী বৃষ্টি হলেই হাঁটু পানি। কেন? কারণ ১৯৭০-এর দশকে ঢাকার যে ৪৭ থেকে ৬৫টি প্রধান খাল ছিল, তার বেশিরভাগ এখন দখল হয়ে গেছে বা ভরাট হয়ে গেছে। পানি বের হওয়ার পথ নেই।
প্রতি বছর একই চিত্র- বৃষ্টি শুরু, তারপর খাল ড্রেন পরিষ্কার করার উদ্যোগ।
এটা উল্টো হওয়া উচিত। বর্ষা শুরুর আগেই সব খাল, ড্রেন, নালা পরিষ্কার না করলে পানি নামার পথ বন্ধ থাকবে, যত বড় ড্রেনই বানান, কাজ হবে না।
ড্রেন বড় করলেই সমস্যা সমাধান হয় না। কারণ পানির গন্তব্য দরকার। সেটা হতে পারে পুনরুদ্ধার করা খাল, শহরের ভেতরে ছোট জলাধার, পার্কের নিচে আন্ডারগ্রাউন্ড রিটেনশন ট্যাংক।
টোকিওতে ভূগর্ভে একটি বিশাল পানি ব্যবস্থাপনা সুড়ঙ্গ আছে - যা শহরকে জলাবদ্ধতামুক্ত রাখে। আমাদের শহরে সেই বিনিয়োগ নেই। কিন্তু ছোট পরিসরে খাল পুনরুদ্ধার এবং নগর জলাধার তৈরি করা এখনও সম্ভব - যদি রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকে।
বর্ষা আমাদের সমস্যা না- বর্ষা আমাদের সুযোগ।
প্রশ্ন হলো, আমরা কি এই কয়েক মাসের পানিটা ধরে রাখতে পারব, নাকি আগের মতোই চোখের সামনে নষ্ট হতে দেখব?
( এর মধ্যে ১,২,৩ এবং ৫ Bangladesh Nationalist Party-BNP এর ইশতেহারে আছে। ৪ ওয়াস্ট ম্যানেজমেন্ট প্ল্যানের অংশ)

10/05/2026
ধরেন, স্বামী এক্সিডেন্ট করে বিছানায় পড়ে গেছে ১০ মাসের জন্য।বৌ এর সাথে সেক্স করার শক্তি নাই। এই পরিস্থিতিতে বৌ যদি স্বামী...
06/05/2026

ধরেন, স্বামী এক্সিডেন্ট করে বিছানায় পড়ে গেছে ১০ মাসের জন্য।

বৌ এর সাথে সেক্স করার শক্তি নাই।

এই পরিস্থিতিতে বৌ যদি স্বামীকে ছেড়ে দিয়ে "হালাল সেক্স করার জন্য" আরেকটা বিবাহ করে,

সেইটা কি হারাম হবে?

না। হারাম হবে না। ইসলামে যে কোন সময়ই যে কাউকে ডিভোর্স দেওয়া যায়।

কিন্তু কাজটা কি মানবিক হবে?

উত্তরটা হলো, না, হবে না।

এবার চিন্তা করেন, একজন নারী প্রেগনেন্ট। এক সপ্তাহ পর তার ডেলিভারি। জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়ে আছেন।

এই পরিস্থিতিতে স্বামী আরেকটা বিবাহ করে আনতেসেন।

লজিক কী? "গোনাহ থেকে বাঁচার জন্য", পরকীয়া না করে হালাল উপায়ে সেক্স করার জন্য।

সেইটা আবার ফেসবুকে প্রকাশ করতেসেন। হাজার হাজার মানুষকে এনকারেজ করতেসেন, যেহেতু তিনি একজন সেলিব্রিটি আলেম।

এইসবে সমাজে কী মেসেজ যায়?

মেসেজ যায় যে বৌ অসুস্থ হয়ে পড়ে থাকুক, সেক্স এর ব্যবস্থা করতেই হবে। সেক্স থামানো যাবে না।

কারণ একটাই, বিষয়টা "হালাল", "হারাম" না।

অথচ একটা সম্পর্ক কি হালাল হারাম দিয়ে টিকে থাকে?

এই যে আমার জ্বর হইলে আমার মা না ঘুমাইয়া সেবা যত্ন করে, এই যে ঘরের সবার ভালো মন্দ হিসেব করে গোটা সংসারটা চালানো,

এসবের একটাও ধর্মে নাই।

আই রিপিট, ধর্মে নাই।

মানে আমার মা আমার খাবার দাবার তো দূরের কথা, আমার জন্মের পর যদি আমাকে বুকের দুধ না খাওয়ায়, ধর্ম অনুযায়ী তিনি কোন "হারাম" কাজ করতেন না।

বৌদের উপর সংসারের কোন কাজ তো না ই, ইভেন বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানোও ফরজ না।

ফাঁক খুজলে এইটা খুঁজতেই পারত।

কিন্তু কয়টা মা এইটা খুজে?

কয়টা মা বলে যে বাচ্চার জন্য রানতে পারব না? বাচ্চাকে খাওয়াইতে পারব না?

একটা মাও বলে না।

বলে না, কারণ, হালাল হারামের বাইরেও সংসারে একটা জিনিস আছে, তার নাম ভালোবাসা, মায়া।

আপনি হাসপাতালে ভর্তি থাকলে কোন ধর্মেই বলা নাই যে আপনার বৌ কে আপনার সেবা করতে হবে।

কোথাও লেখা নাই।

বৌরে করে না সেবা?

হালাল হারাম মেনে করে?

নাকি ভালোবাসা থেকে করে?

বাংলাদেশের বেশিরভাগ পুরুষের জীবনই গরিবি জীবন।

এদের সংসারে নুন আনতে পান্তা ফুরায়।

অথচ আর্থিক স্ট্রাগল করার কোন বাধ্যবাধকতা কি ইসলাম বৌদের উপর দিয়েছে?

দেয়নি।

ইভেন, বৌদের চাহিদা পূরণ করা স্বামীদের উপর ফরজ।

অথচ কয়টা বৌ স্বামীদের কাছে মুখ ফুটে কিছু চায়?

শুধু সংসারের দিকে তাকাইয়া কত মেয়ে তাদের "হালাল" স্বর্ণ, বিলাসিতা, শৌখিনতা এমনকি দেনমোহর পর্যন্ত স্যাক্রিফাইস করে দেয়।

জাস্ট স্বামীর মুখের দিকে তাকাইয়া এরা এদের ধর্মীয় অধিকার পর্যন্ত স্যাক্রিফাইস করে।

কেন?

ভালোবাসা, মায়া।

তো এই ভালোবাসা আর মায়া দিয়ে দিয়ে একটা মেয়ে সেইটা কেন এক্সপেক্ট করবে না?

প্রেগনেন্ট হইলে কেন একটা মেয়েকে দেখতে হবে সেক্স করার জন্য তার স্বামী "হালাল" "হারামের" খাতা খুলে আরেকটা বিবাহ করে আনসে?

বহুদিন আগে লিখেছিলাম,

ধর্ম আর ধার্মিকতা বিবাহের কোন ক্রাইটেরিয়া হইতে পারে না।

কেন বলসিলাম, এখন বুঝতেসেন?

কে কত ধার্মিক, কে কত বড় আলেম, কে কত নামাজ রোজা করে, এইগুলা কোনদিনই মানুষের ক্রাইটেরিয়া না।

একজন মানুষ তখনই মানুষ যখন তার মধ্যে মায়া থাকে, ভালোবাসা থাকে।

যারা করে ফেলেছেন, তারা তো করেই ফেলেছেন,

বাট যারা বিবাহ করেন নাই, ছেলে হোন বা মেয়েই হোন,

লেবাস দেখে, জোব্বা দেখে, বোরকা দেখে বা হিজাব দেখে বিয়ে কইরেন না, কে কত ভালো ফতোয়া দিতে পারে তা দেখে পার্টনার চুজ কইরেন না,

করলে দেখবেন,

আপনি অসুস্থ হয়ে বিছানায় পড়ে আছেন, আর আপনার স্বামী সেই অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে দ্বিতীয় বৌ এর ফতোয়া নিয়ে হাজির হয়ে গেছে ।

মায়াহীন আর ভালোবাসাহীন মানুষ, পশুরও অধম, তা সে যত ফতোয়াই দিক না কেন!!.....

ভালো লেগেছে এই জন্য, পুরো বিষয় টা একজন পুরুষ লিখেছেন সাদিকুর ভাইয়ের লিখা।

Prothom Alo The Daily Star Daily Ittefaq Daily Jugantor সমাজের এই বিষয় গুলো নিয়ে অনেক বেশি সচেতনতার লিখা গুলো সাধারণ আশা ইতিবাচক ভাবে বড় বড় নিউজ গুলো তুলে ধরে পরিবর্তন করতে সহায়তা করবে। ব্যক্তিগত ভাবে শুধু নারী নয় সমাজের সব স্তর এর মানুষের মানবিক হবার জন্য এগিয়ে আসতে হবে ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে।

#বাংলাদেশ #বাংলাদেশের #হুজুর #সেলিব্রিটি #সম্পর্ক #মায়াহীন

যাদের ইয়াতেকাপ সম্বন্ধে ধারণা নেইএই ছবিটি তাদের জন্য , পবিত্র মক্কা-মদিনায় এভাবে ইয়াতেকাফ এর ব্যবস্থা করা হয়।
14/03/2026

যাদের ইয়াতেকাপ সম্বন্ধে ধারণা নেই
এই ছবিটি তাদের জন্য , পবিত্র মক্কা-মদিনায় এভাবে ইয়াতেকাফ এর ব্যবস্থা করা হয়।

No Excuse for Salah! 🌸
09/03/2026

No Excuse for Salah! 🌸

কে বলে দোয়া কবুল হয় না?মক্কার হারামে কর্মরত একজন পাকিস্তানি পরিচ্ছন্নতা কর্মীর এক বিস্ময়কর ঘটনা। ইফতারের ঠিক আগ মুহূর্তে...
04/03/2026

কে বলে দোয়া কবুল হয় না?
মক্কার হারামে কর্মরত একজন পাকিস্তানি পরিচ্ছন্নতা কর্মীর এক বিস্ময়কর ঘটনা। ইফতারের ঠিক আগ মুহূর্তে তিনি অত্যন্ত বিনয় ও একাগ্রতার সাথে আল্লাহর কাছে দোয়া করছিলেন।

অভাব-অনটনে জর্জরিত এই ব্যক্তিটি নিজের ঋণ থেকে মুক্তির জন্য আল্লাহর দরবারে হাত তুলে কাঁদছিলেন।

ঠিক সেই মুহূর্তে হারামের লাইভ ক্যামেরাটি তাঁর ওপর ফোকাস করে। হারাম শরীফের চ্যানেল থেকে সেই দৃশ্যটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়।

সৌদি আরবের একজন দানবীর ব্যক্তির চোখে ভিডিওটি পড়লে তিনি সেই কর্মীর সাথে যোগাযোগ করেন এবং তাঁর সমস্ত ঋণ পরিশোধ করার দায়িত্ব নেন।

পরবর্তীতে সেই কর্মীকে জিজ্ঞেস করা হলো, তিনি তখন কোন দোয়াটি পড়ছিলেন? তিনি জানালেন, তিনি অভাব মুক্তির সেই দোয়াটি পড়ছিলেন যা রাসূলুল্লাহ ﷺ এক মেহমানের আগমনের সময় পড়েছিলেন।

ঘটনাটি হলো, একবার নবীজী ﷺ-এর ঘরে একজন মেহমান এলেন। তিনি তাঁর স্ত্রীদের কাছে খাবারের খোঁজে লোক পাঠালেন, কিন্তু খবর এলো ঘরে কিছুই নেই। তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ এই দোয়াটি পাঠ করলেন,

​"اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ وَرَحْمَتِكَ، فَإِنَّهُ لَا يَمْلِكُهَا إِلَّا أَنْتَ"

(আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন ফাদলিকা ওয়া রাহমাতিকা, ফাইন্নাহু লা ইয়ামলিকুহা ইল্লা আন্তা)

অর্থ: "হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আপনার অনুগ্রহ ও রহমত প্রার্থনা করছি। কেননা, আপনি ছাড়া আর কেউ এর মালিক নয়।" (আবু দাউদ, সহীহ আল জামে, তাবারানী)

দোয়া করার কিছুক্ষণ পরই নবীজী ﷺ-এর কাছে উপহার হিসেবে একটি ভাজা বকরি এলো।

উলামাদের মতে, অভাব ও সংকটের সময় এই দোয়াটি পড়া অত্যন্ত বরকতময়।

আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে তাঁর কাছে চাইলে তিনি এমন জায়গা থেকে সাহায্য করেন যা আমরা কল্পনাও করতে পারি না।

- সংগৃহীত!

04/03/2026

কিছুদিন আগে কুরআন পড়তেছিলাম অর্থ সহ। অনেক্ক্ষণ ফ্লো তে ছিলাম, হঠাৎ ফ্লো ভেঙে যায় সুরা আদিয়াতে এসে। প্রথম আয়াত পড়েই ভ্যাবাচেকা খাইছি। আল্লাহ একটা ঘোড়ার শপথ নিয়ে একটা সূরা শুরু করলো!! আমি আবার পড়লাম আয়াতটা, "শপথ সেই ঘোড়াগুলোর, যারা উর্ধশ্বাসে শব্দ করতে করতে দৌড়ায়"। আমি তখন বসে ভাবা শুরু করলাম, দুনিয়ায় এত কিছু থাকতে ঘোড়া কেন!? কোরআনে অনেক সূরাই এরকম বিভিন্ন জিনিসের শপথ নিয়ে শুরু হইছে। যেমন, 'শপথ সূর্যের ও তার রৌদ্রচ্ছটার', 'শপথ আসমানের ও শপথ তারার', 'সময়ের শপথ', 'শপথ রাতের যখন তা আধারে ঢেকে যায়', 'শপথ আলোকোজ্জ্বল মধ্য দিনের', 'শপথ ভোরের', 'শপথ ফেরেশতাদের যারা ডুব দিয়ে আত্মা ছিনিয়ে আনে'। বিশেষ করে ত্রিশ নাম্বার পারার বেশিরভাগ সূরাই এরকম বিভিন্ন জিনিসের শপথ নিয়েই শুরু হইছে। কিন্তু ঘোড়া কেন!?

আমি তারপর আদিয়াতের পরের আয়াত গুলা পড়া শুরু করলাম,
"শপথ সে সব সাহসী ঘোড়ার যাদের ক্ষুরাঘাতে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ বের হয়। শপথ এমন সব ঘোড়ার যারা প্রভাতে অভিযানে বের হয়। এবং সেই সময়ে ধূলি উৎক্ষিপ্ত করে। অতঃপর নির্দ্বিধায় শত্রুদলের অভ্যন্তরে ঢুকে পড়ে তাদের ছিন্নভিন্ন করে দেয়।"

আমার মাইন্ড ব্লো হয়ে গেছে ঠিক এর পরের আয়াতটা পড়েই! "মানুষ সত্যিই তার মালিকের ব্যাপারে অকৃতজ্ঞ"

আমার মাথা কিছুক্ষণের জন্য পুরা ব্ল্যাংক হয়ে গেছিলো। আমি পুরা জিনিসটা আবার রিয়েলাইজ করার চেষ্টা করলাম। বলতে চাইতেছে কি?! একেবারে হঠাৎ করেই ঘোড়ার কাহিনি থেকে মানুষের অকৃতজ্ঞতার কথায় কেন চলে গেছে আল্লাহ?! তাও আবার এরকম নাটকীয় ভাবে!

আমি তাফসির খুললাম। পুরা সূরার তাফসির পড়লাম। কয়েকটা ভিন্ন ভিন্ন গ্রন্থ থেকে পড়লাম। তারপর আমার রিয়েলাইজেশনে যা আসছে, তা হলো:

এই সূরা ঈমান, ইসলাম, জান্নাত, জাহান্নাম কিচ্ছু দিয়ে শুরু হয় নাই। শুরু হইছে ঘোড়া দিয়ে। আল্লাহ এমন একটা জন্তুর উদাহরণ দিয়ে সূরা শুরু করলেন, যার লয়ালটি নিয়ে কোনো সন্দেহ নাই। আবার যেমন তেমন ঘোড়া না, যুদ্ধঘোড়া। যার পায়ের থেকে আগুনের ঝল্কা বের হয়! যে ধুলা উড়াইতে উড়াইতে শত্রুদের মাঝখানে ঢুকে শত্রুদের ছিন্নভিন্ন করে ফেলে।। যুদ্ধঘোড়া ভয় পায়, ক্লান্ত হয়, আহত হয়, কিন্তু কখনো পিছনে দৌড়ায় না। সে জানেও না যুদ্ধ কেন, তবুও সে তার মালিকের প্রতি বিশ্বস্ত। রিপিট, সে জানেও না যুদ্ধ কেন।

তারপর হঠাৎ আল্লাহর রায়: ইন্নাল ইংসানা লি রব্বিহি লাকানুদ, 'মানুষ সত্যিই তার মালিকের ব্যাপারে অকৃতজ্ঞ'। আল্লাহ মানুষকে বলতেছে, দেখো, একটা প্রাণী তার মালিকের জন্য এত বিশ্বস্ত। আর তুমি?

এইটা insult না, এইটা moral comparison।
তাফসিরে “কানূদ” মানে বলা হইছে, যে ব্যক্তি নিয়ামত গুনে না বা আল্লাহর দেয়া নেয়ামত গুলাকে উপলব্ধি করে না, অভিযোগ গুনে, রবকে ভুলে যায়, নিজের অর্জন নিজের বলে মনে করে। যে বিপদ স্মরণ রাখে এবং নেয়ামত ভুলে যায়। অর্থাৎ: মানুষ নেয় অনেক, স্বীকার করে কম। নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করে না। নেয়ামত কে অস্বীকার করে।

সবচেয়ে ভয়ংকর আয়াত: ওয়া ইন্নাহু আলা যালিকা লাশাহিদ, এবং সে নিজেই নিজের অকৃতজ্ঞতার সাক্ষী। এখানে আল্লাহ মানুষকে অভিযুক্ত করতেছে না। বরং বলতেছে, তোমার বিরুদ্ধে সাক্ষী আমি না, তুমি নিজেই। অর্থাৎ মানুষ অবহিত, সে জানে কে তারে রিজিক দেয়, সে জানে সে কার কাছে ফিরে যাবে, সে জানে কোন কাজটা ভুল। মানুষ নিজেই জানে যে সে অকৃতজ্ঞ। এখানে বড় রিয়েলাইজেশন হইতেছে মানুষ ইগ্নোরেন্সের কারণে হারায় যায় বিষয়টা এমন না। মানুষ তার সেল্ফ এর সাথে বিট্রে করে।

কুরআন এখানে মানুষের ভেতরের বিভাজন দেখায়।
একই মানুষের মধ্যে থাকে: ১. কর্মকারী সত্তা। যে ভুল করে, দৌড়ায়, লোভ করে। ২. সাক্ষী সত্তা। যে নীরবে দেখে। কোনো ভুল করার পর, ভিতরে একটা কণ্ঠ বলে “এটা ঠিক হয়নাই ” এই কণ্ঠটাই আয়াতের "শাহিদ" (সাক্ষী)।

আমরা ভাবি বিচার দিবস ভবিষ্যতে। কিন্তু এই আয়াত বলতেছে, বিচার প্রক্রিয়া অলরেডি শুরু হয়ে গেছে। মানুষ প্রতিদিন নিজের বিরুদ্ধে প্রমাণ জমা করতেছে। তাফসিরে বলা হয়: মানুষ যখন একা থাকে, তার আসল বিচারক সক্রিয় হয়। কারণ তখন সমাজ নাই, image নাই, audience নাই। শুধু নিজে আর নিজের সত্য।

কেন এই আয়াত এত ভয়ংকর?
কারণ মানুষ আল্লাহকে অস্বীকার করতে পারে। সমাজকে প্রতারণা করতে পারে। ইতিহাস বদলাইতে পারে। কিন্তু মানুষ কখনো নিজের ভিতরের জ্ঞান/স্মৃতি মুছতে পারে না। এই জন্যই অন্য জায়গায় কুরআন বলে: মানুষ নিজের বিরুদ্ধে নিজেই স্পষ্ট সাক্ষী। মানে, শেষ বিচারে নতুন কিছু জানানো হবে না। শুধু প্রকাশ করা হবে যা মানুষ অলরেডিই জানে।

সবচেয়ে গভীর Realisation, এই আয়াত আসলে বলতেছে: তোমার সবচেয়ে বড় সমস্যা পাপ না। তোমার সমস্যা তুমি জানো। যদি মানুষ সত্যিই না জানতো, তাহলে অপরাধ হতো ignorance। কিন্তু এখানে অপরাধ, conscious neglect। জেনেও ভুল পথে থাকা। কিয়ামতের দিন আল্লাহ নতুন অভিযোগ আনবে না। তিনি বলবেন: “তুমি নিজেই বলো।” কারণ সাক্ষী: তোমার স্মৃতি, তোমার নিয়ত, তোমার অন্তর। সব তোমারই অংশ।

সূরা আদিয়াতের এই আয়াতে মানুষের সবচেয়ে লুকানো সত্য প্রকাশ করে। মানুষ পথ হারায় না কারণ সে অন্ধ। মানুষ পথ হারায় কারণ হইতেছে সে চোখ বন্ধ রাখে।

Root Disease: ওয়া ইন্নাহু লিহুব্বিল খইরি লাশাদিদ, নিশ্চয়ই মানুষ সম্পদের ভালোবাসায় প্রবলভাবে আসক্ত। এখানে খাইর (خير)” কেন বলা হলো? আরবরা সম্পদকে খাইর বলত। আল্লাহ এইটা বলে নাই যে মানুষ সম্পদ ভালোবাসে। বলছে: লাশাদীদ, violent intensity। মানে: অন্ধ আসক্তি, যুক্তিহীন আকর্ষণ, আত্মপরিচয় নির্ভরতা। মানুষ সম্পদকে নিরাপত্তার হাতিয়ার ভাবা শুরু করছে। এখানে সূরা একটা terrifying সত্য বলে। মানুষ আল্লাহকে অস্বীকার করে না। সে শুধু replace করে। Replace করে ambition দিয়ে, success দিয়ে, recognition দিয়ে, influence দিয়ে। তাফসিরকাররা বলেন, হৃদয়ে দুই ভালোবাসা পূর্ণ শক্তিতে একসাথে থাকতে পারে না। যেটা intense হবে, সেটাই মানুষকে চালাবে। মানুষ ভাবে টাকা, সম্পদ, মালিকানা, এসব থাকলে মানুষ নিরাপদ। অর্থাৎ মানুষের নিরাপত্তা দেয়ার বস্তুর রিপ্লেসমেন্ট ঘটে যায়। আল্লাহকে নিরাপত্তার জন্য যথেষ্ট মনে হওয়া কমে আসে।

ফ্লো টা দেখেন:
১. ঘোড়া দৌড়াচ্ছে মালিকের জন্য
২. মানুষ অকৃতজ্ঞ
৩. মানুষ জানে সে অকৃতজ্ঞ
৪. কারণ, সে দুনিয়ার প্রেমে বন্দী

মানুষ কেন রবকে ভুলে যায়? কারণ তার হৃদয় already occupied। মানুষ আল্লাহকে ছাড়ি দেয় না কারণ সে যুক্তি হারায়। মানুষ আল্লাহকে ছাড়ি দেয় কারণ সে অন্য কিছুকে বেশি ভালোবেসে ফেলতাছে।

এর পরের দুই আয়াত: আফালা ইয়া‘লামু ইযা বু‘ছিরা মা ফিল কুবূর, যখন কবরের ভিতরের সবকিছু উল্টে দেওয়া হবে। ওয়া হুসসিলা মা ফিসসুদূর, এবং বুকে যা ছিল তা বের করে আনা হবে।

এখানে দুইটা স্তর আছে। একটা দৃশ্যমান, একটা অদৃশ্য। একটা শরীরের, একটা অন্তরের। একটা ইতিহাসের, একটা নিয়তের।

এখানে “বু'ছিরা” — শুধু উঠানো না, উল্টেপাল্টে দেওয়া। এখানে “بُعْثِرَ” শব্দটা সাধারণ “পুনরুত্থান” না। এর অর্থ: ওলটপালট করা, উল্টে দেওয়া, লুকানো জিনিস বের করে দেওয়া। অর্থাৎ কবর শুধু খোলা হবে না, ভেতরের গোপন ইতিহাস সব উন্মোচিত হবে। কবর হইতেছে মানুষের শেষ ব্যক্তিগত জায়গা। আল্লাহ বলতেছেন সেই শেষ আশ্রয়ও ভেঙে দেওয়া হবে।

"হুসসিলা” মানে শুধু বের করা না। এর অর্থ: ছেঁকে নেওয়া, বিশুদ্ধ করে আলাদা করা, ফিল্টার করা, যেটা আসল সেটা তুলে ধরা। মানে, তুমি যে ভালো কাজ করছিলা, কিন্তু ভেতরে ছিল রিয়া (লোক দেখানো),ওইটা ছেঁকে আলাদা হবে। তুমি যে হাসছিলা, কিন্তু ভেতরে আছিল হিংসা, ওইটা প্রকাশ পাবে। তুমি যে ইবাদত করছিলা, কিন্তু ভেতরে ছিল অহংকার, ওইটা সামনে আসবে।

হৃদয় আসলে আর্কাইভ। মানুষ ভাবে যে সে ভুলে গেছে। কিন্তু নফস ভুলে না। তুমি হয়তো কোনো পাপের স্মৃতি মুছে ফেলছো। কিন্তু তোমার অন্তর জানে কেন তুমি ওই কাজ করছিলা। এই আয়াত বলতেছে, বিচার দিবসে নতুন কিছু তৈরি হবে না, নতুন কোনো ইনফো এড হবে না। শুধু তোমার ভিতরের লুকানো আর্কাইভ খুলে দেওয়া হবে।

শেষ আয়াত: ইন্না রাব্বাহুম বিহিম ইয়াওমা-ইযিল্লাখাবীর, নিশ্চয়ই তাদের রব সেই দিনে তাদের সম্পর্কে সম্পূর্ণভাবে অবগত থাকবেন। অর্থাৎ আল্লাহ প্রত্যেক মানুষের অন্তর, নিয়ত, এবং কাজের প্রতি সম্পূর্ণ সচেতন। এখানে “خبير” মানে শুধু জানা' বোঝায় নাই। এখানে বুঝাইছে যে আল্লাহর হৃদয় বোঝার ক্ষমতা আছে। আল্লাহ জানেন তোমার মন কোথায়, তোমার অনাস্থা কোথায়, তোমার ভালবাসা কোথায়। কেউ মুখে সত্য বলে, অন্তরে অন্য কিছু ভাবতে পারে। কিন্তু আল্লাহ সেই অন্তরের আবেগ, আকাঙ্ক্ষা, লোভ, ভয়, আশা, সব কিছুই জানেন।

একটা ঘোড়া তার মালিকের কাছ থেকে যতসামান্য খাবার পায়। অল্প চনা, বা ছোলা, বা ঘাস। যা তার জন্য অনেক সমহ পর্যাপ্তও হয় না। তারপরেও সে তার মালিকের অন্ধ আনুগত্য করে। সে জানে না তার মালিক তারে কোথায় নিতেছে, তবুও সে দৌড়ায়। কিন্তু মানুষরে আল্লাহ এত এত নেয়ামত দিছে, এত সম্পদের মালিক বানাইছে, উপলব্ধি করার মত, বিচার বুদ্ধি করার জন্য একটা মগজ দিছে, অন্ধ্য আনুগত্য করতেও বলে নাই।তারপরেও সে অকৃতজ্ঞ। আল্লাহ কে বাদ দিয়া দুনিয়ার সব কিছুর পিছনে দৌড়ায়।

সমস্যা এই না যে মানুষ দৌড়ায়। সমস্যা হইতেছে, মানুষ ভুল জিনিসের জন্য দৌড়ায়। ঘোড়া জানে না, তবু সঠিক মালিকের জন্য প্রাণ দেয়। মানুষ জানে, তবুও ভুল মালিক বেছে নেয় (আসল মালিকরে রিপ্লেস করে, ওইখানে যা ইচ্ছা তা বসায়)। সবচেয়ে বড় ভয় হইতেছে এইটাই যে, মানুষের জীবনের “দৌড়” যদি ভুল উদ্দেশ্যের জন্য হয়, তইলে জীবনের সমস্ত পরিশ্রমই তো অর্থহীন। সমস্ত পরিশ্রমই অর্থহীন।

Abu Bakr Siddiq

সুন্দরবনের বাঘেরা দৈনিক ৫-১৫ কেজি হরিনের মাংস খায়, তবে সুযোগ পেলে বড় পুরুষ বাঘ ৩০ কেজি মাংসও খেতে পারে। যার বর্তমান বা...
20/02/2026

সুন্দরবনের বাঘেরা দৈনিক ৫-১৫ কেজি হরিনের মাংস খায়, তবে সুযোগ পেলে বড় পুরুষ বাঘ ৩০ কেজি মাংসও খেতে পারে। যার বর্তমান বাজার দর আনুমানিক (২০-৩০) হাজার টাকা। যদি গরু বা মহিষের মাংস খায় তারও বর্তমান বাজার দর (১৫-২০) হাজার টাকা।

অথচ বাঘের কোন ইনকাম নাই, কোনো চিন্তাও নাই।

কিন্তু আপনি ভাত খান ২৫০-৩৫০ গ্রাম!

তার জন্য আপনি চুরি করেন, সুদ খান, ঘুষ খান, অন্যের হক নষ্ট করেন। আরো কত কী...

আপনার একাউন্টে অনেক টাকা, আপনার শরীরে অনেক রোগ, আপনার সন্তানেরা কথা শুনে না, আপনার অনেক দুশ্চিন্তা।

বাঘ কি চিন্তা করে আজকে কি খাবো!

আপনি চিন্তা করেন আগামি ২০ বছর কি খাবো….?

আল্লাহ সবার রিযিকের ব্যবস্থা করে রেখেছেন, অথচ তারপরও মানুষ টেনশন করে, চুরি করে, ডাকাতি করে, সুদ খায়, ঘুষ খায়, অপকর্ম করে!

আপনার কি মনে হয়,,,?
কথায় কি ভুল আছে???

আল্লাহ আমাদের কে সঠিক জ্ঞান দান করুক।
🤲
আমিন।

18/02/2026

পুরো রমজান মাস জুড়ে এই আমল করুন—ইনশাআল্লাহ বিয়ে, চাকরি, মনের শান্তি ও জীবনের কল্যাণ পাবেন!

রমজান এসেছে—রহমত, মাগফিরাত ও দোয়া কবুলের সোনালি মাস! এ মাসে গুনাহ মাফ হয়, রহমতের দরজা খোলে, রিজিক বাড়ে এবং আল্লাহ বান্দার নেক চাহিদা পূরণ করেন। অনেকের জীবনে আজ বিয়ের অপেক্ষা, চাকরির চিন্তা, মনের অস্থিরতা—এসবের সমাধান আল্লাহর কাছে। রোজা, নামাজ, কুরআন ও ইস্তেগফার দিয়ে গুনাহ দূর করলে আল্লাহ সবকিছু সহজ করে দেন।

এখানে সংক্ষিপ্ত কিন্তু খুবই কার্যকর আমলগুলো দিলাম কুরআন-হাদিসের আলোকে, সহজে করা যায় এবং অনেকে আমল করে আল্লাহর রহমতে ফল পেয়েছেন।

প্রধান আমলগুলো (পুরো রমজান জুড়ে):

১. বেশি বেশি ইস্তেগফার
সারাদিন, ইফতার-সেহরি, নামাজের পর "আসতাগফিরুল্লাহ" জারি রাখুন। হাদিসে আছে—ইস্তেগফার দুশ্চিন্তা দূর করে, রিজিক বাড়ায় এবং বন্ধ দরজা খোলে। গুনাহ মাফ হলে দোয়া কবুলের পথ সহজ হয়।

২. সূরা ফুরকানের ৭৪ নম্বর আয়াত (চোখের শীতলতার দোয়া)
প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর গভীর মনোযোগ সহকারে পড়ুন:

رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا

উচ্চারণ: রাব্বানা হাব লানা মিন আজওয়াজিনা ওয়া যুররিয়্যাতিনা কুররাতা আ'ইউনিঁ ওয়াজআলনা লিলমুত্তাকীনা ইমামা।

অর্থ: হে আমাদের রব! আমাদের স্ত্রী-সন্তানদের মধ্য থেকে চোখের শীতলতা দান করুন এবং আমাদের মুত্তাকীদের জন্য ইমাম বানিয়ে দিন।

এ দোয়া নেক জীবনসঙ্গী ও পরিবারের শান্তির জন্য সরাসরি কুরআনি দোয়া।

৩. হজরত মুসা (আ.)-এর দোয়া (সূরা কাসাস ২৪) সেজদায় বা যেকোনো সময় বেশি পড়ুন:

رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنْزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ

উচ্চারণ: রাব্বি ইন্নী লিমা আনযালতা ইলাইয়্যা মিন খাইরিন ফাকীর।
অর্থ: হে আমার রব! তুমি আমার প্রতি যে কোনো কল্যাণ নাযিল করবে, আমি তার মুখাপেক্ষী।

এ দোয়া বিয়ে, চাকরি, রিজিক—সব খায়রের জন্য অসাধারণ।

৪. দোয়া কবুলের সময়গুলোতে দোয়া।
তাহাজ্জুদ (শেষ রাতে উঠে), সেজদায়, ইফতারের মুহূর্তে, তারাবীহর পর—এসব সময় নিজের চাহিদা বলুন:
"ইয়া আল্লাহ! আমাকে নেক জীবনসঙ্গী দান করুন, হালাল চাকরি দান করুন, মনের শান্তি দান করুন।

৫. সদকা ও অন্যের জন্য দোয়া।
প্রতিদিন অল্প হলেও সদকা দিন—সদকা বিপদ দূর করে। যারা বিয়ে-চাকরির অপেক্ষায়, তাদের জন্য দোয়া করুন; ফেরেশতারা আপনার জন্য দোয়া করবেন।

৬. নিয়মিত নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত ও রুকইয়াহ।
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ (জামাতে পড়বেন পুরুষ হলে) তারাবীহ ছাড়বেন না। বেশি বেশি কুরআন তিলাওয়াত করুন। সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক-নাস, আয়াতুল কুরসি নিয়মিত পড়ে নিজেকে হেফাজত করুন।

ভাই-বোনেরা, এ আমলগুলো সহজ, কিন্তু ইখলাস ও ভরসা নিয়ে করলে আল্লাহ পরিবর্তন করে দেন। রমজান হলো পরিবর্তনের মাস—আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে নেক জীবনসঙ্গী, হালাল রিজিক ও মনের শান্তি দান করেন। এবং রমজানের সকল রহমত দান করেন.. আমীন।

এ পোস্ট শেয়ার করুন, অন্যদেরও উপকার হোক। আল্লাহ আমাদের কবুল করুন!

আমার খুব প্রিয় একটা কাজ হলো মোনাজাতের ভাষা শেখা, আল্লাহপাকের কাছে চাইতে শেখা। আমরা চাইতেও জানিনা, গাড়ি চাই, বাড়ি চাই,টাক...
22/01/2026

আমার খুব প্রিয় একটা কাজ হলো মোনাজাতের ভাষা শেখা, আল্লাহপাকের কাছে চাইতে শেখা। আমরা চাইতেও জানিনা, গাড়ি চাই, বাড়ি চাই,টাকা চাই অথচ সুন্দর ভাষায় দুনিয়া আর আখিরাতের কল্যাণ চাইলে কিন্তু সব cover হয়! সুন্দর একটা মোনাজাত সংগ্রহ করেছি আজকে। কথাগুলো বেশিরভাগই জানা,চেষ্টা করি এভাবেই আল্লাহপাকের কাছে চাইতে।ফেসবুক ওয়ালে দিয়ে দিলাম আমার মতন আরো অনেকেই যাতে শিখতে পারে।

"আলহামদুলিল্লাহ রব্বিল আলামিন ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আলা সায়্যিদিল মুরসালিন।

ইয়া আল্লাহ, ইয়া রহমান, ইয়া রহিম, ইয়া যাল যালালি ওয়াল ইকরাম, ইয়া মালিক, ইয়া খালিক, ইয়া রব।
রব্বুল আলামীন আপনার ঐ মহান নামের উছিলায় আমাদের দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ দিন।

আমাদের রিযিক বৃদ্ধি করে দিন, আমাদের কে ঋনমুক্ত, অভাব মুক্ত, চিন্তা মুক্ত রাখুন মাবুদ। রব্বুল আলামীন আমাদের কে নেক হায়াত দান করুন, আমাদের পিতা মাতার মঙ্গল করুন।

যেসব আত্নীয় স্বজন কবরবাসি হয়েছে তাদের কবর গুলো আপনি জান্নাতের বাগান বানিয়ে দিন, তাদের কবরের আজাব মাফ করে দিন।

রব্বুল আলামীন আপনার তাওহীদ -
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু এর উছিলায়,আপনার হাবীব প্রিয় বন্ধু হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উম্মত হওয়ার উছিলায়
আমাদের মনের নেক ইচ্ছে গুলো কবুল আর মঞ্জুর করুন আল্লাহ।

রব্বুল আলামীন মা বাবার সন্তানদের উপর রহমত বর্ষণ করুন, স্বামী স্ত্রীর মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে ভালোবাসা বাড়িয়ে দিন, প্রত্যেকটি পরিবারের উপর রহমত বর্ষণ করুন, আমাদের মানসিক দুশ্চিন্তা, দুঃখ কষ্ট দূর করে দিন।

আমি জানিনা কিভাবে ডাকলে আমার ডাকে সাড়া দিবেন..আমি জানিনা কিভাবে চাইলে আমার চাওয়া পূরণ করবেন...আমি জানিনা কিভাবে হাত উঠালে আমার হাত ভরে দিবেন আমি জানিনা কিভাবে দোয়া করলে আমার দোয়া কবুল করবেন..কিন্তু আপনি তো আপনার গুনাহগার বান্দার অন্তরের খবর জানেন.,ইয়া রব! আপনি তো অন্তরটাই দেখেন এবং আপনিই তো বলেছেন,,তোমরা আমাকে ডাকো আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিবো-তোমরা আমার কাছে চাও আমি তোমাদের চাওয়া পূরণ করব।

আপনিই তো বলেছেন খালি হাতে ফিরিয়ে দিতে আপনি লজ্জা বোধ করেন।

আমি অযোগ্য আমার যোগ্যতার বাহিরে আপনি অনেক কিছুই দান করেছেন।

আমি এবারও বিশ্বাস করি আপনি আমাকে নিরাশ করবেন না..

আমি জানি আমি ছাড়া আপনার অনেক উওম বান্দা আছে কিন্তু আমার আপনি ছাড়া কেউ নেই ইয়া রব!

আমার আবদার করার মতো, ডাকার মতো, চাওয়ার মতো আপনি ছাড়া আর কেউ নেই।

ইয়া রব! আমি দুর্বল আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নেবেন না! আমি তার উপযুক্ত নই, আমার জন্য পরীক্ষা সহজ করে দিন।

আপনি আমার ডাকে সাড়া দিন, আমার চাওয়া পূরণ করুন, ইয়া মালিক,

আমার খালি হাত আপনার রহমত দিয়ে পরিপূর্ণ করে দিন..

পড়া শেষ হলে একবার আল্লাহ শুকরিয়া আদায় করুন। আমিন

Address

Tejgaon
Dhaka
1215

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইসলামি দরবার শরীফ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share