ইসলাম ও আল কোরআন

ইসলাম ও আল কোরআন আল কোরআন, সুন্নাহ, হাদীস শরীফ ও ইসলামে?

13/01/2024

Surah Al Infitar.
Verse: 01-06
সুরা আল ইনফিতর
আয়াতঃ ০১-০৬
তিলাওয়াত করেছেনঃ হাফেজ মাওলানা আব্দুল মোতালেব হোসাইন।

08/01/2024

সূরা আল-ক্বদর বাংলা অর্থসহ তিলাওয়াত

তিলাওয়াত করেছেনঃ
Mishary bin Rashid Alafasy



08/11/2023
হে আমার প্রিয় রব, হে আমার মহান প্রতিপালক!আপনি আমাদেরকে ক্ষমা করে দিন। আমাদের সকল গুনাহসমুহ ক্ষমা করে দিন। আপনি আমার, আমা...
08/11/2023

হে আমার প্রিয় রব, হে আমার মহান প্রতিপালক!

আপনি আমাদেরকে ক্ষমা করে দিন। আমাদের সকল গুনাহসমুহ ক্ষমা করে দিন। আপনি আমার, আমাদের সকলের মৃত পিতা-মাতা কে ক্ষমা করে দিন। সকল মুসলিম মৃত নর-নারীকে ক্ষমা করে তাদের কে বেগুনা মাসুম হিসাবে কবুল করুন।
নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল এবং ক্ষমা করতে ভালোবাসেন।
আমরা যারা জীবিত আছি তাদের উপর রহমত নাজিল করুন।

রাব্বির হাম হুমা কামা রাব্বায়ানি সাগিরা
রাব্বির হাম হুমা কামা রাব্বায়ানি সাগিরা

আমিন। আমিন। আমিন।

07/11/2022

হাদীস: প্রকৃত মুসলিম সে, যার মুখ ও হাত থেকে সকল মুসলিম নিরাপদ থাকে। আর প্রকৃত মুহাজির সে, যে আল্লাহ যা থেকে নিষেধ করেছেন তা ত্যাগ করে।

‘আব্দুল্লাহ ইবন ‘আমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “প্রকৃত মুসলিম সে, যার মুখ ও হাত থেকে সকল মুসলিম নিরাপদ থাকে। আর প্রকৃত মুহাজির সে, যে আল্লাহ যার থেকে নিষেধ করেছেন, তা ত্যাগ করে।” আর আবূ মূসা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল! সর্বোত্তম মুসলিম কে?’ তিনি বললেন, “যার মুখ ও হাত থেকে মুসলিমরা নিরাপদ থাকে।”
সহীহ - মুত্তাফাকুন ‘আলাইহি (বুখারী ও মুসলিম)।

ব্যাখ্যা

প্রকৃত মুসলিম সে, যার মুখ থেকে সকল মুসলিম নিরাপদ থাকে। সে তাদেরেকে গালি দেয় না, অভিশাপ প্রদান করে না, কারো গীবত করে না, তাদের মধ্যে কোনো প্রকার অপকর্ম ও ফ্যাসাদ সৃষ্টি করার চেষ্টা করে না। তারা তার হাত থেকে নিরাপদ থাকে, সে তাদের ওপর সীমালঙ্ঘন করে না, অন্যায় ভাবে তাদের সম্পদ হনন করা বা এ ধরনের কোনো কাজ সে করে না। আর মুহাজির তো সে, যে আল্লাহ যা হারাম করেছেন তা ছেড়ে দেয়।

27/02/2022

আজকের হাদিসঃ

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ

যদি তোমাদের কোন ব্যক্তি শয্যা গ্রহণ করতে যায়, তখন সে যেন তার লুঙ্গির ভেতর দিক দিয়ে নিজ বিছানাটা ঝেড়ে নেয়। কারণ, সে জানে না যে, বিছানার উপর তার অনুপস্থিতিতে পীড়াদায়ক কোন কিছু আছে কিনা। তারপর পড়বেঃ

بِاسْمِكَ رَبِّ وَضَعْتُ جَنْبِي وَبِكَ أَرْفَعُهُ، ‏‏‏‏‏‏إِنْ أَمْسَكْتَ نَفْسِي فَارْحَمْهَا، ‏‏‏‏‏‏وَإِنْ أَرْسَلْتَهَا فَاحْفَظْهَا بِمَا تَحْفَظُ بِهِ عِبَادَكَ الصَّالِحِينَ

হে আমার রব্ব! আপনারই নামে আমার শরীরটা বিছানায় রাখলাম এবং আপনারই নামে আবার উঠবো। যদি আপনি ইতোমধ্যে আমার জান কব্‌য করে নেন তা হলে, তার উপর রহম করবেন। আর যদি তা আমাকে ফিরিয়ে দেন, তবে তাকে এমনভাবে হিফাযত করবেন, যেভাবে আপনি আপনার নেক বান্দাদের হিফাযাত করে থাকেন।

রেফারেন্সঃ
সহিহ বুখারী ৬৩২০

27/02/2022

আজ
২৫ রজব, ১৮৪৩ হিজরি,
২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২২ খ্রীঃ
১৪ ফাল্গুন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ।
রোজ রবিবার।

সালাতের বিস্তারিত সময়সুচী।

ফজর শুরু ভোর ৫ টা ০৯ মিনিটে, শেষ ৬ টা ২২ মিনিটে
যোহর শুরু দুপুর ১২ টা ১৬ মিনিটে, শেষ বিকাল ৪ টা ২২ মিনিটে
আসর শুরু বিকাল ৪ টা ২৩ মিনিটে, শেষ ৫ টা ৪৩ মিনিটে
মাগরিব শুরু সন্ধ্যা ৬ টা ০৩ মিনিটে, শেষ ৭ টা ১৪ মিনিটে
এশা শুরু ভোর ৭ টা ১৫ মিনিটে।

আজকের সালাত এর নিষিদ্ধ সময়ঃ

ভোর ৬ টা ২৩ মিনিট থেকে ৬ টা ৩৮ মিনিট পর্যন্ত,
দুপুর ১২ টা ০৮ মিনিট থেকে ১২ টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত
সন্ধ্যা ৫ টা ৪৪ মিনিট থেকে ৫ টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত

আজকের সুর্যোদয় হয়েছে ভোর ৬ টা ২৩ মিনিটে
সুর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬ টা ০০ মিনিটে

26/02/2022

আজ
২৪ রজব, ১৮৪৩ হিজরি,
২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২২ খ্রীঃ
১৩ ফাল্গুন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ।
রোজ শনিবার।

সালাতের বিস্তারিত সময়সুচী।

ফজর শুরু ভোর ৫ টা ০৯ মিনিটে, শেষ ৬ টা ২৩ মিনিটে
যোহর শুরু দুপুর ১২ টা ১৬ মিনিটে, শেষ বিকাল ৪ টা ২১ মিনিটে
আসর শুরু বিকাল ৪ টা ২২ মিনিটে, শেষ ৫ টা ৪২ মিনিটে
মাগরিব শুরু সন্ধ্যা ৬ টা ০২ মিনিটে, শেষ ৭ টা ১৪ মিনিটে
এশা শুরু ভোর ৭ টা ১৫ মিনিটে।

আজকের সালাত এর নিষিদ্ধ সময়ঃ

ভোর ৬ টা ২৪ মিনিট থেকে ৬ টা ৩৯ মিনিট পর্যন্ত,
দুপুর ১২ টা ০৮ মিনিট থেকে ১২ টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত
সন্ধ্যা ৫ টা ৪৩ মিনিট থেকে ৫ টা ৫৮ মিনিট পর্যন্ত

আজকের সুর্যোদয় হয়েছে ভোর ৬ টা ২৪ মিনিটে
সুর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৫ টা ৫৯ মিনিটে

ইসলামের খলিফা হযরত উমর (রাঃ) এর দায়িত্বশীলতাঃ এক শীতের রাতে উমর তাঁর নিয়মিত টহল দিচ্ছিলেন মদীনার পথে পথে, তখন তিনি বাচ্চ...
09/06/2021

ইসলামের খলিফা হযরত উমর (রাঃ) এর দায়িত্বশীলতাঃ

এক শীতের রাতে উমর তাঁর নিয়মিত টহল দিচ্ছিলেন মদীনার পথে পথে, তখন তিনি বাচ্চাদের কান্নার আওয়াজ শুনতে পেলেন। শব্দ অনুসরণ করে কারণ খুঁজতে গেলেন তিনি, দেখলেন একজন বিধবার চারপাশ ঘিরে কয়েকটি বাচ্ছা কাঁদছে। কারণ জিজ্ঞাসা করতেই মহিলাটি বললেন যে, ক্ষুধার জ্বালায় তারা কাঁদছে। চুলায় তখন হাঁড়িতে কি যেন টগবগ করে ফুটছিল।ওমর জিজ্ঞাসা করলেন: চুলার উপর হাঁড়িটিতে কি আছে? মহিলাটি উত্তর দিলেন যে ওতে কয়েকটি নুড়ি পাথর ছাড়া আর কিছুই নেই। বাচ্চাদের এভাবে ভুলিয়ে রাখা হচ্ছে যতক্ষণ না তারা ঘুমিয়ে যায়। মহিলাটি খলিফার বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ তুললেন। ওমরের দুচোখ বেয়ে পানির ধারা নেমে এলো। তিনি বায়তুল মালে ছুটে গেলেন এবং সেখান থেকে আটার বস্তা ও তেল পিঠে করে বয়ে নিয়ে এলেন। নিজে ফুঁ দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে খাবার তৈরি করে বাচ্চাদের খাওয়ালেন। তারপর তিনি মহিলাটিকে বললেন বায়তুল মাল থেকে সে যেন তার প্রতিদিনের চাহিদা অনুযায়ী খাবার নিয়ে আসে।

তাঁর খিলাফতের এলাকায় কোথায় কার কি অবস্থা তার সবকিছু জানার কথা নয় তাঁর, তবু তিনি নিজেকে জনগণের জন্য দায়িত্বশীল মনে করতেন এবং আল্লাহর কাছে এজন্য জবাবদিহি করতে হবে সে ভয় করতেন।

কয়েকজন ক্রীতদাস একটি উট চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়েছিল। খলিফা দেখলেন লোকগুলো একেবারেই হাড্ডিসার। তিনি বুঝলেন যে ক্ষুধার তাড়নায় তারা চুরি করেছে। তাদের শাস্তি দেয়ার বদলে তিনি তাদের মালিককে ভৎর্সনা করলেন তাদেরকে যথেষ্ট পরিমাণে খেতে না দেওয়ার জন্য। তারপর তিনি ক্রীতদাসদের মালিকদের চুরি যাওয়া উটের মালিককে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশ দিলেন। আর ক্রীতদাসদের সতর্ক করে দিলেন যে তারা যেন আর চুরি না করে।

20/04/2021

কিছু দাগ যদি হয় মানবতার কল্যানের ফলে তাহলে সেই দাগই তো ভালো...।।

Courtesy: Surf Excel ad 2016

15/02/2021

সূরা ত্বীন এর বাংলা অনুবাদ ও এর তাতপর্য,

সূরা আত-ত্বীন (আরবি: التين‎‎) মুসলিম ধর্মগ্রন্থ আল-কুরআনের ৯৫ তম সূরা। এর মোট ০৮(আট) টি আয়াত বা বাক্য রয়েছে। ত্বীন শব্দের অর্থ আঞ্জির বা ডুমুর। এই সূরাতে আল্লাহর উপর ঈমান (বিশ্বাস) এবং সৎকর্মশীলতার উপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে। এই সূরাতে আল্লাহ প্রদত্ত কয়েকটি নিয়ামত বা অনুগ্রহের বর্ননা দিয়ে ঈমান ও সৎকাজ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, যেহেতু মানবজাতি আল্লাহ প্রদত্ত অনেক অনুগ্রহ দ্বারা ধন্য হয়েছে, সেহেতু তাদের উচিত আল্লাহর উপর ঈমান রাখা এবং সৎকাজ করা; নচেৎ তারা নীচ ও শাস্তিযোগ্যরূপে গণ্য হবে।

আরবীঃ

وَٱلتِّينِ وَٱلزَّيْتُونِ
وَطُورِ سِينِينَ
وَهَٰذَا ٱلْبَلَدِ ٱلْأَمِينِ
لَقَدْ خَلَقْنَا ٱلْإِنسَٰنَ فِىٓ أَحْسَنِ تَقْوِيمٍ
ثُمَّ رَدَدْنَٰهُ أَسْفَلَ سَٰفِلِينَ
إِلَّا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ فَلَهُمْ أَجْرٌ غَيْرُ مَمْنُونٍ
فَمَا يُكَذِّبُكَ بَعْدُ بِٱلدِّينِ
أَلَيْسَ ٱللَّهُ بِأَحْكَمِ ٱلْحَٰكِمِينَ

উচ্চারণঃ
আত-ত্বীন ওয়াঝঝাইতূন।ওয়া তূরি ছীনীন। ওয়া হা-যাল বালাদিল আমীন। লাকাদ খালাকনাল ইনছা-না ফীআহছানি তাকবীম। ছু ম্মা রাদাদ না-হু আছফালা ছা-ফিলীন। ইল্লাল্লাযীনা আ-মানূওয়া‘আমিলুসসা-লিহা-তি ফালাহুম আজরুন গাইরু মামনূন। ফামা-ইউকাযযি বুকা বা‘দুবিদ্দীন। আলাইছাল্লা-হু বিআহকামিল হা-কিমীন।

বাংলা অনুবাদঃ
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।[৩]

শপথ আঞ্জির ও যয়তুনের,
এবং সিনাই পর্বতের,
এবং এই নিরাপদ (মক্কা) নগরীর।
আমি সৃষ্টি করেছি মানুষকে সুন্দরতম অবয়বে।
অতঃপর তাকে নামিয়ে দিয়েছি নীচ থেকে নিচে।
কিন্তু যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে ও সৎকর্ম করেছে, তাদের জন্যে রয়েছে এমন পুরস্কার যা কোনোদিন শেষ হবেনা।
কাজেই (হে নবী!) এরপর পুরস্কার ও শাস্তির ব্যাপারে কে তোমাকে মিথ্যাবাদী বলতে পারে?
আল্লাহ কি সকল বিচারকদের মধ্যে শ্রেষ্টতম বিচারক নন?

মুল বক্তব্যঃ
এই সূরার শুরুতে আঞ্জির (ডুমুর), যয়তুন (জলপাই), সিনাই পর্বত এবং মক্কা শহরের কসম বা দোহাই দেয়া হয়েছে। আরবে সেই যুগে আঞ্জির ও জলপাই অত্যন্ত গুরুত্ববাহী দুটি ফল ছিল; খাদ্য ও অর্থকরী ফসল হিসেবে এর গুরুত্ব ছিল অসীম। সিনাই পর্বত হলো নবী হযরত মুসা এর স্মৃতিবিজড়িত স্থান। আর মক্কা ছিল নবী হযরত ইব্রাহিম এবং ইসমাইল -এর স্মৃতিবিজড়িত জায়গা। তদুপরি পবিত্র কাবা ঘরের মর্যাদার কারণে এই শহরটি নিরাপদ শহর হিসেবে তৎকালে গণ্য হত; সেখানকার অধিবাসীরা যুদ্ধ ও লুন্ঠনের আশঙ্কামুক্ত ছিল। এসকল বিষয়ের দোহাই দেওয়ার পর বলা হয়েছে, মানুষ অত্যন্ত সুন্দর গড়নে সৃষ্ট হয়েছে কিন্তু এদেরকেই আবার অত্যন্ত নিচে নামিয়ে দেয়া হবে যদি এরা স্রষ্টা ও প্রতিপালকের উপর বিশ্বাস না রাখে এবং ভাল কার্যকলাপ না করে। তদুপরি শেষ বিচারের দিন এদেরকে কঠিন বিচারের মুখোমুখিও হতে হবে। সমাপ্তিতে এও মনে করিয়ে দেয়া হয়েছে যে, মহান আল্লাহ কখনো কারো উপর অবিচার করবেন না; শুধুমাত্র সুবিচারই করবেন।

Address

Dhaka

Telephone

+8801759347665

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইসলাম ও আল কোরআন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to ইসলাম ও আল কোরআন:

Share