24/04/2026
হযরত সাহেব (মা.জি.আ) কেবলার কারামত:
আল্লাহুমা সাল্লি আলা সাইয়্যেদিনা মুহাম্মদিঁও ওয়া আলা আলিহি ওয়া আস সাহাবিহি ওয়া সাল্লিম।
হযরত আবুন নসর আনাস ফারুকী (মা.জি.আ) বর্তমান সময়ের অনেক উচ্চ মাকামে আসীন একজন আল্লাহর অলী।
উঁনার সম্মানিত পিতামহ (দাদাজান) হযরত আবুল হাসান যায়েদ ফারুকী রহ. এর নিকট থেকে নকশাবন্দিয়া মোজাদ্দেদিয়া তরিকার খাস ইজাজত ও খিলাফত প্রদান করেন।এই সিলাসিলার Golden Chain এর অংশ হন।
উঁনার প্রপিতামহ ছিলেন হযরত মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহ আবুল খায়ের রহ.। যার শিরার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হযরতে ইমামে রব্বানী আহমাদ সেরহিন্দি ফারুকী রহ. এর তেজস্বী রক্তধারা । এই তেজস্বী ধারা তো ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা হযরত উমর রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু থেকে প্রাপ্ত।
হযরত সাহেবের সম্মানিত খলিফাদের মাধ্যমে ইসলামের খেদমত হচ্ছে চীন, আফগানিস্তান, কাশ্মীর সহ বিশ্বের আনাচে কানাচে।
হযরত সাতটি তরিকার খাস কামালতপ্রাপ্ত বুজুর্গ।
কারামাত ১: আল্লাহ আল্লাহ জিকির কলবে জারি হয়ে যায় হযরত সাহেব কেবলা কে দেখামাত্রই।
কাউকে দেখামাত্র আল্লাহ এঁর কথা মনে পড়ে যাওয়া তার অলী হওয়ার নিশানা।
আর দেখামাত্র কলবে আল্লাহ আল্লাহ জিকির দ্বারা আচ্ছাদিত হয়ে যাওয়া বাকামাল মোকাম্মেল আউলিয়ার নিশানা।
আর সিলসিলায়ে নকশাবন্দিয়া মোজাদ্দেদিয়ায় সবচেয়ে বড় কারামত হলো মৃত কলবকে জিন্দা করে।
কারামত ২ : ভারতে হযরত সাহেবের একজন খলিফা সন্তানহীন ছিলেন। উনি লজ্জায় হযরতকে বলতেও পারতেন নাহ তার বেদনা। কিন্তু প্রিয় হযরত কামালিয়াতের উচ্চ মাকামে আসীন হওয়ায় তাঁর খলিফার মনোকষ্ট তাঁর নিকট আজানা থাকলো নাহ।উঁনি নিজে থেকেই বললেন দিল্লি দরবারে প্রতি বৃহস্পতিবার খতমে খাজেগান শরীফে দোয়ায় মধ্যে খেয়াল করতে। হযরতের খলিফা তা অনুসরণ করলেন। আলহামদুলিল্লাহ এক বছর পার হতেই আল্লাহ তায়ালা হযরতের ওসিলায় উনাকে পুত্র সন্তান দিয়ে সরফরাজ করলেন।
সুবহানাল্লাহ। আলহামদুলিল্লাহ।
কারামত ৩: কালিগন্জে হযরতের অত্যন্ত আশেক এক মুরিদ পারিবারিক কলহের মধ্য দিয়ে পার হচ্ছিল। সে তার স্ত্রীকেও হযরতের মুরিদ করান। তার স্ত্রী যখন কারো কুপরামর্শে মনে মনে স্বামী থেকে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে চায়। তখন সে মুরিদের স্ত্রীর স্বপনে হযরত তাশরিফ আনেন,নির্দেশ দেন সংসার করতে। আর ঐ স্বপ্নের মধ্যে মুরিদের স্ত্রী দেখতে পান তার ২য় সন্তানের মা হয়েছে।অথচ মুরিদের স্ত্রী বিয়ের আগে থেকে তীব্র ইনফেকশনের সমস্যা ছিল যা তার ১ম সন্তান হওয়ার পরে আরো জটিল আকার ধারণ করেছিল। ফলে তার ২য় সন্তানের বিষয়টা তার বোধগম্য হচ্ছিল নাহ কারন ডাক্তার তাকে বেশ কঠিন কথা বলেছিল। সেই স্ত্রী তার মাকে এই স্বপ্নের কথা জানালে তার মা মেয়ের মনে সন্দেহ প্রবেশ করানোর জন্য ২য় সন্তানের বিষয়টা টানে আর এই স্বপ্নের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন করে।তবে ঐ স্ত্রী তার কথা না শুনে স্বপ্নে হযরতের বর্নিত নির্দেশ মোতাবেক আমল করে। আর কয়েক মাস পরে জানতে পারে সে দ্বিতীয় সন্তানের মা হতে যাচ্ছে। যা ঐ মুরিদ ও তার স্ত্রীর জন্য ছিল মহা খুশির সংবাদ। কারন ঢাকা মেডিকেল কলেজের বড় গাইনী ডাক্তারের বিশেষ তত্ত্বাবধানে রিপোর্ট অনুসারে ডাক্তার যা বলেছিল তা ছিল খুবই চিন্তনীয়।
এটা ২০২৫ এর শেষাংশের ঘটনা।
হযরতের মাকাম কত উচ্চ মাকামের আউলিয়া হলে তার মুরিদ কি নিয়ে পেরেশানিতে আছে তা সুদূর দিল্লি হতে খবর রাখেন এবং সমাধানও করেন আল্লাহ তায়ালার মেহেরবানি তে।
হযরতের অগনিত কারামতের স্বাক্ষী তার খাস মুরিদানরা। অনেক কারামত এর স্বাক্ষী আমি অধম নিজে। যা আস্তে আস্তে লিখবার চেষ্টা করব ইনশা আল্লাহ।
এমন উচ্চ মাকামের আউলিয়াকে নিজের মুর্শিদ হিসেবে পাওয়া সৌভাগ্যও বটে যা বদনসিবদের হাসিল হয় না।
``না ডর আনাস মুরশিদ, খায়েরে জাঁহা
নবী(ﷺ)তেরে শাফেয়ে খোদা মেহেরুবা।``
ওয়াস সালাম।