ISLAM WAY of LIFE

ISLAM WAY of LIFE Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ISLAM WAY of LIFE, Religious organisation, Baron, Earpur Union, Ashulia, Savar, Dhaka.

26/12/2025
19/05/2025

রাসুল (সাঃ) এর চল্লিশটি হাদিস-

1.রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন- যে ব্যক্তি আমার চল্লিশটি হাদীস আমার উম্মতের কাছে পৌঁছাবে, তার জন্য আমি কিয়ামতের দিন বিশেষ ভাবে সুপারিশ করব।

2. মানুষের মধ্যে যারা মৃত্যুকে বেশি স্মরণ করে এবং উহার জন্য প্রস্তুতি নেয় তারাই সবচেয়ে বুদ্ধিমান।

3. প্রত্যেক জিনিসের যাকাত আছে, আর দেহের যাকাত হচ্ছে রোজা।

4. যে তার সময় আল্লাহর জন্য ব্যয় করে না, তার জন্য জীবন অপেক্ষা মৃত্যু শ্রেয়।

5. যারা সবসময় ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) করে তাদের সাথে উঠা

বসা করুন, কেননা তাদের হৃদয় সবচেয়ে কোমল হয়।

6. তুমি যত সিজদাহ্ দিবে, আল্লাহ তত গুনাহ মাফ করে দিবেন।

7. সুরা ফাতিহা প্রায় ১০০০ রোগের ঔষধ।

৪. হাতের তালুতে জ্বলন্ত আগুনের কয়লা রাখলে যেমন কষ্ট হবে, তার চেয়ে বেশি কষ্ট হবে শেষ জামানায় ইমান রাখতে।

৭. রোজাদারদের জন্য প্রতিদিন জান্নাত সুসজ্জিত করা হয়।

10. রাসুল (সাঃ) বলেছেন- কিয়ামতের দিন সব নবীর চেয়ে আমার উম্মতের সংখ্যা বেশি হবে এবং আমিই সর্বপ্রথম জান্নাতের দরজা খুলবো।

[সহীহ্ মুসলিম-১৯৬]

11. যে ব্যাক্তি রোজা রাখা অবস্থায় মারা যাবে আল্লাহ তাকে কেয়ামত পর্যন্ত সকল রোজার সাওয়াব দান করবেন।

12. যে ব্যাক্তি ফযরের নামাজ আদায় করল, সে আল্লাহর হিফাজাতে চলে গেলো।

13. রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন- রোজা ও কোরআন কিয়ামতের দিন মানুষের জন্য সুপারিশ করবে। (মুসনাদে আহমাদ: হাদিস ৬৬২৬)

14. নবীজি বলেছেন, রোজাদারদের জন্য সবচেয়ে বড় খুশির সংবাদ হলো, হাশরের মাঠে আল্লাহ সবার আগে রোজাদারদের সাথে সাক্ষাৎ করবেন।

15. যখন রমজান আসে, তখন জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয়।

16, রাসূল (সাঃ) বলেন, যখন কোনো বান্দা আল্লাহর দিকে দুটি হাত উঠায়, তখন তিনি তা ব্যর্থ বা শূন্য ভাবে ফিরিয়ে দেন না।

(তিরমীজি-৫/৫০২)

17. হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন, একটি খেজুরের অর্ধেক হলেও দান করে জাহান্নামের শাস্তি হতে নিজেকে হেফাজত করো।

(বুখারীঃ৬০২৩)

18. যদি ভালো হতে চাও তবে সর্বপ্রথম মিথ্যা বলা ছেড়ে দাও।

19. তুমি যখন রাস্তা দিয়ে যাও তখন আল্লাহর নামে জিকির কর, কারণ হাশরের দিন ঐ রাস্তা তোমার নামে সাক্ষী দিবে।

20. তোমরা সবসময় ওযু করো কারণ কিয়ামতের দিন যারা ওযুকারী তাদের হাত-পা উজ্জ্বল থাকবে।

21. যার দুঃখ বেশি তার প্রতি আল্লাহর রহমতও বেশি।

22. যখনি নামাজে দাঁড়াবেন, জীবনের শেষ নামাজ মনে করবেন।

23. যে মহিলা গর্ভাবস্থায় এক খতম কোরআন পাঠ করবে তার গর্ভের ঐ সন্তান এক জন নেককার বান্দা হিসেবে দুনিয়াতে আগমন করবে।

24. চুপ থাকার কারণে মানুষের যেই মর্যাদা হাসিল হয়, তা ষাট বছর নফল ইবাদত হতে উত্তম।

25. রাসূল (সাঃ) বলেছেন, জান্নাতের সবচেয়ে নিকটবর্তী আমল হলো সময়মতো সালাত আদায় করা।

(সহীহ মুসলিম ২৬০)

26. যে ধোকা দেয় সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়।

27. তুমি জানো তুমি সঠিক, তবুও তর্ক করোনা।

28. হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেন, তোমরা বিপদে পড়ে মৃত্যু কামনা করবে না। বরং বলবে, হে আল্লাহ যে পর্যন্ত জীবিত থাকা আমার জন্য কল্যাণকর, আমাকে ততক্ষণ জীবিত রাখুন এবং যখন মৃত্যু আমার জন্য কল্যাণকর তখন আমাকে মৃত্যু দিন।

29. সূরা ইয়াসিন কে কোরআনের হৃদয় বলা হয়।

30. হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেছেন, মায়ের একটি কষ্টের নিঃশ্বাস, সাতটি দোযখের চেয়েও ভয়ংকর। আর একটি সুখের হাসি আটটি বেহেস্তের সমান।

31. যে অন্যের বাবা-মা কে গালি দিলো সে যেনো নিজের বাবা মাকেই গালি দিলো।

32. রাসুল (সাঃ) বলেছেন, আমি যা জানি তোমরা যদি তা জানতে পারতে, তবে নিশ্চয়ই খুব কম হাসতে এবং খুব বেশি কাঁদতে।

33. মানুষ যদি মৃত ব্যক্তির আর্তনাদ দেখতে এবং শুনতে পেতো

তাহলে মানুষ মৃত ব্যক্তির জন্য কান্না না করে নিজের জন্য কাঁদত।

34. মহানবী (সাঃ) বলেছেন, সূরা ফাতিহা তোমরা ধীরে ধীরে পাঠ করো, কারণ মহান আল্লাহ নিজে তার জবাব দেন।

(মুসলিম-৯১০)

35. রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন,কিয়ামতের দিন যে জিনিসটি মুমিনদের পাল্লায় ভারী হবে সেটি হচ্ছে সুন্দর চরিত্র।

(আবু দাউদঃ-৪১০১)

36. কবরের ভিতরের প্রথম চাপ পৃথিবীর সকল কষ্টকে হার মানিয়ে দিবে।

[হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)]

37. হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) বলেন, যে ব্যক্তির অন্তরে এক সরিষা দানা পরিমাণ অহংকার থাকবে সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।

[সহীহ মুসলিম, হাদিসঃ ৯১]

38. কিয়ামতের দিন ঐ ব্যক্তির জন্য সুপারিশ করা হবে যে প্রচুর শীত উপেক্ষা করেও ফজরের নামাজ আদায় করলো।

39. নিশ্চয় মহান আল্লাহ নম্র, তিনি নম্রতা পছন্দ করেন। তিনি নম্র স্বভাবের লোককে যা দান করেন তা কঠিন স্বভাবের লোককে দান করেন না।

(আবু দাউদ-৪৮০৭, সহীহ)

40. কবর মানুষকে দিনে ৭০ বার করে স্বরন করে।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক জ্ঞান এবং বুঝার তৌফিক দান করুন এবং আমাদেরকে এই সমস্ত হাদিসসমূহের উপর আমল করতে সাহায্য করুন।
আমিন❤️

যাক্কুম গাছ। দেখতে কী ভয়াবহ আর বীভৎস! এই গাছ রয়েছে সৌদি আরবের তায়েফ অঞ্চলে। মক্কা থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরে তাইফ শহরে। শহর...
17/09/2024

যাক্কুম গাছ। দেখতে কী ভয়াবহ আর বীভৎস! এই গাছ রয়েছে সৌদি আরবের তায়েফ অঞ্চলে। মক্কা থেকে ৮০ কিলোমিটার দূরে তাইফ শহরে। শহরটি চারদিকে শীতল পাহাড় দ্বারা বেষ্টিত। কয়েক বছর ধরে এই অঞ্চলে যাক্কুম গাছও সমৃদ্ধ হচ্ছে।
এটি প্রচুর বড় বড় তীক্ষ্ণ কাঁটযুক্ত একটি গাছ। পবিত্র কোরআনে সুরা আল-ওয়াকিয়াহ-এর ৫২ নং আয়াতে বলা হয়েছে,

لَءَاكِلُونَ مِن شَجَرٍ مِّن زَقُّومٍ

অর্থঃ তোমরা অবশ্যই ভক্ষণ করবে যাক্কুম বৃক্ষ থেকে,

এই গাছের ফল হবে জা*হা*ন্না*ম বাসীদের জন্য খাদ্য স্বরূপ। তাফসীরে এসেছে, এই খাবার পচে গলে যাওয়া অতিশয় দুর্গন্ধযুক্ত খাবার। গলিত পিতলের মতো স্বাদ আসবে, বরং তার চেয়ে আরও খারাপ। ফলগুলো তাদের শরীরে ও মুখে জ্বলন্ত অঙ্গার স্বরূপ হবে।
যাক্কুম শব্দটি পবিত্র কুরআনে সূরা আশ-শাফায়াত-এর ৬২, ৬৩, ৬৬ ও ৬৭, ৬৮ নং আয়াতে, সূরা আল-ইসরা-এর ৬০ নং আয়াতে, সূরা আদ-দুখান-এর ৪৩ নং আয়াতে এবং সূরা আল-ওয়াকিয়াহ-এর ৫২ নং আয়াতসহ মোট আট বার ব্যবহৃত হয়েছে।
এই খাবার মূলত যি*নাকারী বা ব্যভিচারী নারী-পুরুষদের খাওয়ানো হবে। মহান রব্ব আমাদের সকলকে যি*না ব্যভিচার থেকে হেফাজত করুন ।

তথ্যসূত্রঃ ঢাকা টাইমস, উইকিপিডিয়া।

কার্টেসিঃ HC - Halal Canvas

ধরুন, আপনি কাউকে দুই মাসের জন্য ১ হাজার টাকা ধার দিলেন। তো হাদিসের ভাষ্যমতে আপনি এখন এই দুই মাস পর্যন্ত প্রতিদিন ১ হাজার...
21/01/2024

ধরুন, আপনি কাউকে দুই মাসের জন্য ১ হাজার টাকা ধার দিলেন। তো হাদিসের ভাষ্যমতে আপনি এখন এই দুই মাস পর্যন্ত প্রতিদিন ১ হাজার টাকা দান করার সাওয়াব পাবেন। কী দারুণ তাই না?

আরো ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হল, দুইমাস পর যদি ঋণগ্রহীতা টাকা ফেরত দিতে অপারগ হয় এবং আপনি যদি বলেন, যাও! আরো কিছুদিন সময় দিলাম। যখন সামর্থ হয় ফেরত দিও।

তাহলে দুই মাস পর থেকে পরে যতদিন সময় বাড়বে তার বিনিময়ে প্রতিদিন ২ হাজার টাকা দান করার সাওয়াব পাবেন। কী অবাক হলেন?

আসুন এবার হাদিসখানা একটু পড়ে নিই।

عَنْ بريدة، قَالَ : سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ:
বুরায়দা রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আমি আল্লাহর রাসুল (সঃ) থেকে বলতে শুনেছি....
" مَنْ أَنْظَرَ مُعْسِرًا فَلَهُ بِكُلِّ يَوْمٍ مِثْلُهُ صَدَقَةٌ ".
যে ব্যক্তি কোনো অভাবীকে [ঋণ আদায়ে] অবকাশ দিবে সে প্রতিদিন ওই পরিমাণ সম্পদ সদকার সাওয়াব পাবে...
قَالَ: ثُمَّ سَمِعْتُهُ يَقُولُ : " مَنْ أَنْظَرَ مُعْسِرًا فَلَهُ بِكُلِّ يَوْمٍ مِثْلَيْهِ صَدَقَةٌ"
বুরায়দা রা. বলেন, অতঃপর আমি আল্লাহর রাসুলকে [আবার] বলতে শুনলাম, যে ব্যক্তি কোনো অভাবীকে [ঋণ আদায়ে] সুযোগ দিবে সে প্রতিদিন উক্ত ঋণের দিগুণ পরিমাণ সম্পদ সদকার সাওয়াব পাবে... قُلْتُ : سَمِعْتُكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ تَقُولُ: " مَنْ أَنْظَرَ مُعْسِرًا فَلَهُ بِكُلِّ يَوْمٍ مِثْلُهُ صَدَقَةٌ "، ثُمَّ سَمِعْتُكَ تَقُولُ : " مَنْ أَنْظَرَ مُعْسِرًا فَلَهُ بِكُلِّ يَوْمٍ مِثْلَيْهِ صَدَقَةٌ"

আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! আমি আপনাকে একবার বলতে শুনলাম, যে ব্যক্তি অভাবীকে [ঋণ আদায়ে] অবকাশ দিবে সে প্রতিদিন ওই পরিমাণ সম্পদ সদকার সাওয়াব পাবে। এরপর আবার বলতে শুনলাম, যে ব্যক্তি অভাবীকে [ঋণ আদায়ে] সুযোগ দিবে সে প্রতিদিন উক্ত ঋণের দিগুণ পরিমাণ সম্পদ সদকার সাওয়াব পাবে।
[এর ব্যাখ্যা কী?]
قَالَ لَهُ : " بِكُلِّ يَوْمٍ صَدَقَةٌ قَبْلَ أَنْ يَحِلَّ الدَّيْنُ، فَإِذَا حَلَّ الدَّيْنُ فَأَنْظَرَهُ فَلَهُ بِكُلِّ يَوْمٍ مِثْلَيْهِ صَدَقَةٌ ".
তখন আল্লাহর রাসুল বললেন, ঋণের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রতিদিন ঋণের সমপরিমাণ দানের সাওয়াব হবে। অতঃপর যখন মেয়াদ পূর্ণ হয়ে যাবে—কিন্তু ঋণ আদায়ে অক্ষমতা প্রকাশ করবে—তখন যদি আবার সময় বাড়িয়ে দেওয়া হয়, তাহলে প্রতিদিন ডবল দানের সাওয়াব হবে।

[মুসনাদে আহমাদ: ২৩০৪৬]

Address

Baron, Earpur Union, Ashulia, Savar
Dhaka
1349

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ISLAM WAY of LIFE posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share