Speech of Islam

Speech of Islam Speech of Islam Religious Preach & Info-service Organization

02/05/2026

পাওনা ও যাকাত!

প্রশ্ন: এক ব্যক্তির মুদির দোকান আছে। তার এই ব্যবসার জাকাত এসেছে ১০ হাজার টাকা। তিনি একজন গরীব মানুষের কাছে ৫ হাজার টাকা পাবে। এখন যদি ঋণগ্রহিতাকে ওই টাকাগুলো মাফ করে দেয় তাহলে ওই ব্যক্তির জাকাত আদায় হবে?

উত্তর: পাওনা টাকা প্রয়োজনের সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে মাফ করে দেওয়া আপনার অধিকার। এজন্য আপনি অনেক সওয়াব পাবেন। তবে, এসময় জাকাতের নিয়ত করলে তা আদায় হবে না। জাকাত দেওয়ার আগে জাকাতের নিয়ত করে দিতে হয়। অনাদায়ী ঋণকে যাকাত হিসাবে ধরে ক্ষমা করে দিলে জাকাত আদায় হয় না।

সৌজন্যে- দীনী দাওয়াত ও তথ্যসেবা সংস্থা "স্পীচ অব ইসলাম"

16/08/2025

প্রশ্ন: গত দুই মাস আগে আমি আমার মেয়েকে এক প্রবাসী ছেলের সঙ্গে বিয়ে দিই। ছেলে বিদেশ থাকা অবস্থায়ই তার প্রতিনিধির মাধ্যমে বিয়ে সংঘটিত হয়। কিন্তু আল্লাহর ফয়সালা ওই ছেলের দেশে আসার পূর্বেই ইন্তেকাল হয়ে গেছে।
জানার বিষয় হল, বিয়ের পর তো আমার মেয়ের সঙ্গে তার স্বামীর দেখাসাক্ষাৎ কিছুই হয়নি। এক্ষেত্রেও কি তার ওপর ইদ্দত পালন জরুরি? ইদ্দত অতিক্রান্ত হওয়ার পূর্বে তাকে কি অন্যত্র বিবাহ দেওয়া যাবে?
উত্তর: প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে আপনার মেয়ের ওপর স্বামী মৃত্যুর ইদ্দত (চার মাস দশ দিন) পালন করা জরুরি। ইদ্দত শেষ হওয়ার পূর্বে তাকে অন্যত্র বিবাহ দেওয়া জায়েজ হবে না।
কেননা স্বামী মৃত্যুর ইদ্দত আবশ্যক হওয়ার জন্য বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রীর পরস্পর দেখা-সাক্ষাৎ, মেলামেশা কিংবা নির্জনবাস কিছুই শর্ত নয়; বরং বিবাহ সহীহভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর স্বামী-স্ত্রীর মাঝে দেখাসাক্ষাৎ হওয়ার আগে স্বামী মারা গেলেও স্ত্রীর জন্য চার মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করা আবশ্যক।
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন– আর তোমাদের মধ্যে যারা স্ত্রী রেখে মারা যায়, তাদের স্ত্রীরা নিজেদের চার মাস দশ দিন প্রতীক্ষায় রাখবে। (সূরা বাকারা)
এ আয়াতের ব্যাখ্যায় ইমাম ইবনে কাসির রহ. বলেন– যেসকল নারীর স্বামী মারা গেছে তাদের জন্য আল্লাহর নির্দেশ হল, তারা চার মাস দশ রাত ইদ্দত পালন করবে। এবং এ বিধানটি স্বামীর সঙ্গে সহবাস হয়েছে বা হয়নি– সকল নারীর জন্যই প্রযোজ্য। এ ব্যাপারে সবার ইজমা। (তাফসিরে ইবনে কাসির ১/৪২৬)
আতা রহ. বলেন– স্বামী মারা গেলে স্ত্রী চার মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করবে, যদিও স্বামীর সঙ্গে সহবাস না হয়ে থাকে। (মুসান্নাফে আবদুর রায্যাক, বর্ণনা ১২০৪৯)
ইদ্দত কাকে বলে, কতদিন পালন করতে হয়?
ইদ্দতের আভিধানিক অর্থ হলো গণনা করা। পরিভাষায় ইদ্দতের অর্থ হলো: নারীদের ওই সময় পর্যন্ত অন্যত্র বিয়ে করা থেকে বিরত থাকা যা তার ইতোপূর্বের বিবাহের প্রভাব প্রকাশ যেমন অন্তঃসত্ত্বা ইত্যাদি প্রকাশের সম্ভাবনা শেষ হবার জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিস্তারিত বললে ইদ্দত বলা হয়, স্বামী যদি স্ত্রীকে তালাক দেয়, বা খোলা করে, কিংবা ঈলা ইত্যাদি করে বা কোনভাবে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে, অথবা স্বামী মারা যায়, তাহলে এসব সূরতে কিছুদিনের জন্য নিজেকে ঘরে আবদ্ধ রাখা। সেই সময়ের মধ্যে ঘর থেকে বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া বের না হওয়া এবং অন্যত্র বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ না হওয়াকে ইদ্দত বলা হয়।
তালাক বা স্বামীর ইন্তেকাল যেভাবেই হোক বিবাহ বিচ্ছেদ হলে ইদ্দত পালন করা নারীদের উপর আবশ্যক।
তালাকের মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ হলে তিন হায়েজ পরিমাণ হলো ইদ্দত যদি হায়েজ আসে। আর যদি হায়েজ না আসে, তাহলে তিন মাস পর্যন্ত ইদ্দত পালন করতে হয়।
আর যদি স্বামী মারা যায়, তাহলে চার মাস দশ দিন ইদ্দত পালন করতে হয়।
বিবাহ বিচ্ছেদের পর থেকে বা স্বামী ইন্তেকালের পর থেকেই ইদ্দতের সময়কাল শুরু হয়।
সূত্র: শরহু মুখতাসারিত তাহাবী, জাস্সাস ৫/২৩৯; আলমুহীতুল বুরহানী ৫/২২৬; ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ৫/২২৮; ফাতাওয়া বায্যাযিয়া ৪/২৫৬; আলবাহরুর রায়েক ৪/১৩২; আদ্দুররুল মুখতার ৩/৫১০
প্রচার সৌজন্যঃ দীনী দাওয়াত ও তথ্য সেবা সংস্থা স্পীচ অব ইসলাম।

19/01/2025

আহসান হাবীব
ইমেইল থেকে
প্রশ্ন : আমরা জানি যে, সাধারণত সালামের জওয়াব দেওয়া ওয়াজিব। কিন্তু অনেক সময় অনেকে ওয়াটসাপ, টেলিগ্রাম বা বিভিন্ন সোশ্যাল মাধ্যমে মেসেজ করে সালাম দিয়ে থাকেন। এসব সালামের জওয়াব দেওয়াও কি ওয়াজিব?
উত্তর : এসম মাধ্যমের সালাম যখন চোখে পড়বে, তখন মুখে উত্তর দিলেই ওয়াজিব আদায় হয়ে যায়। যেহেতু শ্রোতা সামনে নেই, অতএব মনে মনে দিলেও চলে। কারণ, উদ্দেশ্য তার ওপর আল্লাহর কামনা। সুবিধা হলে বা প্রয়োজন মনে করলে কেউ লিখিত জবাবও পাঠাতে পারে। তবে, বাধ্যতামূলক নয়।
উত্তর দিয়েছেন : আল্লামা উবায়দুর রহমান খান নদভী। প্রচার সৌজন্য: স্পীচ অব ইসলাম।

14/01/2025

সময়ের প্রশ্ন!
ইমরান: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে-
প্রশ্ন: কোনো মুসলিমকে গালমন্দ করা; আবার কখনো কখনো তারই ইমামতে নামায পড়ার বিষয়ে ইসলাম কী বলে?
উত্তর: কোনো মুসলিমকে গালি দেয়ার বিষয়ে নিচের হাদিসটি লক্ষণীয়।
عن عَبْدِ اللَّهِ بنِ مَسْعُودٍ رضي الله عنه أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: سِبَابُ المُسْلِمِ فُسُوقٌ، وَقِتَالُهُ كُفْرٌ
আবদুল্লাহ ইবনে মাসঊদ রাজিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, নবী সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: কোনো মুসলিমকে গালি দেয়া ফুসূক বা পাপাচরণ; আর তাকে হত্যা করা কুফর বা আল্লাহ তায়ালাকে অস্বীকার করার শামিল।
আর নামাযের বিষয়টি আপেক্ষিক! যদি গালিদাতা জেদ, অসামাজিকতা বা আত্মনিয়ন্ত্রণহীনতার কারণে গালি দিয়ে থাকে; মনেপ্রাণে গালির দায় বা দায়িত্ব ধারণ না করে, তাহলে তার নামাযে সমস্যা হবার কথা নয়। কারণ ইমামের আনুগত্যই প্রধানতম শর্ত।
তবে যদি মনেপ্রাণেও গালির দায় ও দায়িত্ব গ্রহণ ও ধারণ করে- তাহলে তার জন্যে উক্ত ইমামের এক্তেদায় নামায না পড়াই শ্রেয়! কারণ আনুগত্যের উৎসই মন। উল্লেখ্য, পরবর্তীতে কখনো যদি তার আত্মোপলব্ধি ও অনুশোচনা আসে- তাহলে কোনো নিরুৎসাহিতকরণ নেই।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: যদি গালিদাতা ব্যক্তি কেবলমাত্র আক্রোশপ্রসূত মনোভাব নিয়ে গালি-গালাজ করে থাকে; অথচ যাকে গালি দিয়েছে- সে আদতে গালির পাত্র নয়; তাহলে উক্ত গালি-গালাজ পর্তুগালের ড্রাগন নদীর মতো এঁকেবেঁকে ঘুরে ফিরে অবশেষে দিকভ্রান্ত হয়ে দাতার উপরই বর্তাবে!
Courtesy: Speech of Islam

10/04/2024

প্রশ্ন : আরবের পরদিন বাংলাদেশে ঈদ হয় কেন? এমন তো নয় যে বাংলাদেশ ও আরবের সময়ের ব্যবধান ২৪ ঘণ্টা। তাহলে কেন একদিন পর হয় বাংলাদেশে?
উত্তর : ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। বাংলাদেশের ঈদ আরবের ঈদের পরদিন হয়। আপনি ঠিক বলেছেন। এটা এই অঞ্চলের যে ভৌগলিক অবস্থা তাতে আমরা একদিন পরই চাঁদ দেখি। আপনি খেয়াল রাখবেন, আপনি যে সময়ের কথা বলেছেন সেটা সূর্যকে কেন্দ্র করে বলছেন। আর ঈদ করা হয় চাঁদ দেখে। চাঁদের গবেষণা সূর্য দিয়ে হবে না। আমাদের চেয়ে ১৫ থেকে ১৮ ঘণ্টা আগে আরব দেশ চাঁদ দেখে। তাই তাদের একদিন ঈদ হয়। সময়টা আমরা সূর্য-এর ওপর ভিত্তি করে থাকি। আর ঈদ করতে হয় চাঁদের দেখার ওপর ভিত্তি করে। তাই বুঝতে হবে। এখানে দুটির মধ্যে বিশাল পার্থক্য। এটি সম্পূর্ণ ভৌগলিক কারণে হয়। এটা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। সমস্ত পৃথিবীতে এক সঙ্গে চাঁদ দেখা যাবে না। এটাই প্রকৃতির নিয়ম।
সৌজন্যে- দীনী দাওয়াত ও তথ্যসেবা সংস্থা স্পীচ অব ইসলাম।

26/02/2024
30/11/2023

রসিকতায় বিয়ে!
প্রশ্নঃ আমি স্থানীয় এক স্কলারকে বলতে শুনেছি, ৩টি বিষয় রসিকতায় হলেও নাকি কার্যকর হয়ে যায়। তার মধ্যে ১টি হলো বিয়ে। যতটুকু জানি বিয়ের জন্য প্রস্তাব দেওয়া, গ্রহণ করা এবং সাক্ষী থাকা জরুরি। এখন প্রশ্ন হলো- বর্তমান সমাজে, বিশেষ করে সহশিক্ষার সুবাদে ফ্রি-মিক্সিংয়ে অভ্যস্ত পরিণত বয়সের অনেক ছেলে-মেয়ে অনেক সময় একে অপরকে ফাজলামোর ছলে বলে ফেলে- আমি তোকে বিয়ে করলাম, অপরজন বলে ফেলে- আমিও রাজি এবং সেখানে তাদের বন্ধু-বান্ধবও উপস্থিত থাকে- এই অবস্থায় কি তাদের বিয়ে হয়ে যাবে? (সানী, ময়মনসিংহ। ইমেইল মারফত)
উত্তরঃ হাসি-ঠাট্টা রসিকতা করে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে বিয়ের প্রস্তাব করা এবং কবুল বলার দ্বারা বিয়ে হয়ে যায়। তিরমিযী শরীফের এক বর্ণনায় এসেছে হযরত আবু হুরায়রা রা. বলেন- রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ثَلَاثٌ جِدّهُنّ جِدّ وَهَزْلُهُنّ جِدّ: النِّكَاحُ وَالطّلَاقُ وَالرّجْعَةُ তিনটি বিষয় এমন, যা স্বাভাবিকভাবে করলেও কার্যকর হয় এবং ঠাট্টাচ্ছলে করলেও কার্যকর হয়। ১. النِّكَاحُ নিকাহ ২. الطّلَاقُ তালাক এবং ৩. الرّجْعَةُ তালাক (রাজয়ী) দেওয়ার পর স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেয়া। (জামে তিরমিযী, হাদীস ১১৮৪)
তাই প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে উপস্থিত লোকদের সামনে ঐভাবে ইজাব কবুলের কথা বলার দ্বারা তাদের বিয়ে হয়ে যাবে। পরবর্তী ঐ মেয়েকে অন্যত্র বিয়ে দিতে হলে প্রথমে যার সাথে রসিকতা করে বিয়ে হয়েছিল তার কাছ থেকে তালাক নিতে হবে। অন্যথায় অন্যত্র বিয়ে দেওয়া জায়েয নয়, বরং হারাম হবে। তালাকের পর মেয়েটি নিয়মানুযায়ী অন্যত্র বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে। বিয়ে ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ একটি বিধান। এ নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ বা রসিকতা চরম অন্যায়। এ থেকে বিরত থাকা অত্যাবশ্যক।
والله اعلم بالصواب
সৌজন্যে- দীনী দা'ওয়াত ও তথ্যসেবা সংস্থা- স্পীচ অব ইসলাম।

20/09/2023

প্রশ্নঃ আপনি নামাজ পড়াচ্ছেন, কিন্তু আমি এক রাকাআত/দুই রাকাআত/তিন রাকাআত/নামাজ পাইনি। তখন আমার করণীয় কী?

উত্তরঃ জামাতে নামাজ পড়াকালীন কোনো রাকাআতের রুকুতে গিয়ে যদি এক তাসিবহ পরিমাণ সময় আপনি পান তাহলে ঐ রাকাআতকে এক রাকাআত হিসেবে ধরা হয়। অর্থাৎ- আপনি বাহির থেকে এসে দেখলেন ইমাম সাহেব রুকুতে গেছেন, আপনিও তার সাথে রুকুতে গিয়ে একবার তাসবিহ পাঠ করতে পারলেন। এরমধ্যে ইমাম রুকু থেকে দাঁড়িয়ে গেলেন। এতে আপনি পুরো এক রাকাআত পেয়ে গেলেন।

এখন আপনি যদি নামাজের প্রথম রাকাআত মিস করেন তাহলে ইমাম সালাম ফিরানো শেষ করার পর দাঁড়িয়ে এক রাকাআত নামাজ আদায় করবেন। এই এক রাকাআত নামাজে আপনি সূরা ফাতিহা ও অন্য সূরা বা আয়াত পড়বেন। রুকু করবেন, সিজদা করবেন এরপর বসে তাশাহুদ, দুরুদ ও দোয়া পড়ে সালামের মাধ্যমে নামাজ শেষ করবেন।

প্রথম দুই রাকাআত না পেলে আপনি দুই রাকাআত নামাজ ফাতিহা ও সূরা মিলিয়ে পড়বেন। আগের মতো রুকু সিজদা করবেন। দ্বিতীয় রাকাআতের সিজদার পর তাশাহুদ ইত্যাদি পড়ে নামাজ শেষ করবেন।

তিন রাকাআত নামাজ ছুটে গেলে- প্রথম এক রাকাআত সূরা ফাতিহা ও অন্য সূরা মিলিয়ে রুকু করবেন। দুই সিজদার পর বসে যাবেন। এরপর তাশাহুদ পড়ে দ্বিতীয় রাকাআতের জন্য দাঁড়াবেন। পরে আবার সূরা ফাতিহা ও অন্য সূরা পড়ে রুকু করবেন। দুই সিজদাহ দিয়ে দাঁড়িয়ে যাবেন। এরপর শুধু সূরা ফাতিহা পড়ে আরো এক রাকাআত নামাজ পড়ে শেষ বৈঠকের মাধ্যমে নামাজ শেষ করবেন।

আর যদি চার রাকাআত নামাজ মিস করেন। অর্থাৎ- আপনি জামাতে শরিক হয়েছেন চার রাকাআতের রুকুর পর। এতে আপনি ইমামের সাথে জামাতে যুক্ত হলেন। কিন্তু চার রাকাআত নামাজ আপনার ছুটে গেছে। এই অবস্থায় ইমাম সালাম ফিরানোর পর পুরো চার রাকাআত নামাজ আপনি পড়ে নিবেন। প্রথম দুই রাকাআতে সূরা ফাতিহা ও অন্য সূরা এবং শেষ দুই রাকাআতে শুধু সূরা ফাতিহা দিয়ে নামাজ পড়বেন।

মাগরিবের প্রথম দুই রাকাআত ছুটে গেলে- ইমাম নামাজ শেষ করলে আপনি দাঁড়িয়ে প্রথম এক রাকাআত সূরা ফাতিহা ও অন্য সূরা মিলিয়ে রুকু করবেন। এরপর দুই সিজদাহ করার পর দাঁড়িয়ে যাবেন না। তাশাহুদ পড়ে তারপর দাঁড়াবেন এবং আবারো সূরা ফাতিহা ও অন্য সূরা মিলিয়ে পড়ে আরো এক রাকাআত নামাজ পড়বেন এবং শেষ বৈঠক দিয়ে নামাজ শেষ করবেন।

এখানে চার রাকাআত ওয়ালা নামাজের প্রথম দুই রাকাআত ছুটে যাওয়া নামাজ আদায় এবং তিন রাকাআত ওয়ালা (মাগরিব) নামাজের প্রথম দুই রাকাআত ছুটে যাওয়া নামাজ আদায়ের মধ্যে একটু পার্থক্য আছে। মাগরিবের ছুটে যাওয়া দুই রাকাআতেই বৈঠক দিতে হয়। প্রথম রাকাআতের পর শুধু তাশাহুদ পরের রাকাআত শেষে শেষ বৈঠকে দিয়ে শেষ করতে হয়।
সৌজন্যে- দীনী দা'ওয়াত ও তথ্যসেবা সংস্থা- স্পীচ অব ইসলাম।

মুসলিম উম্মাহর বৃহত্তর স্বার্থে...
16/08/2023

মুসলিম উম্মাহর বৃহত্তর স্বার্থে...

16/06/2023

hello...
hello একটি ইংরেজি শব্দ। hello: [noun] অর্থ- ওহে; আরে প্রভৃতি। ঠিক তেমনি hell আরেকটি ইংরেজি শব্দ। hell: [noun] অর্থ- নরক; প্রেতভূমি প্রভৃতি। এই hello কে hell এর সাথে relate করে- হ্যালো বললে ফোনের অপর প্রান্তের ব্যক্তিটির জন্য প্রকারান্তরে নরক কামনা করা হয়ে থাকে মর্মে- বিভ্রান্তি যারা সৃষ্টি এবং সম্প্রচার করেন- তারা পরিচিতিতে মুসলমান হলেও লোক ভালোনা! এদের এড়িয়ে চলুন।
আসুন, আমাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রতিটি পৃথক সাক্ষাৎ বা ফোনালাপের শুরুতে সালাম দেয়ার চর্চা এমনিতেই করি। পরিবারের সদস্য, বন্ধু-সহকর্মী, পরিচিত বা ফোনবুকে সংরক্ষিত নম্বরধারী ব্যক্তি হলেতো কোনো কথাই নেই। অচেনা'র ক্ষেত্রে সালামটা hello'র পরেও দেয়া-নেয়া করা যেতে পারে। মহল বিশেষ কর্তৃক উদ্দেশ্যমূলকভাবে সৃষ্ট বিভ্রান্তিটির নিরসন হওয়া দরকার। ইবাদত কবুলের মালিক আল্লাহপাক।
সৌজন্যেঃ দীনী দাওয়াত ও তথ্য সেবাসংস্থা স্পীচ অব ইসলাম।

31/08/2022

আকীকা...
একজন জানতে চেয়েছেন, আমার জানার বিষয় হলো, আকীকা দেয়ার জন্য সপ্তম দিন বলতে কোন দিনকে বুঝায়? যেমন শুক্রবারে শিশু জন্ম নিলে কোন দিন আকীকা দিবে? যদি শুক্রবার রাতে শিশু জন্ম নেয়, তাহলে তার আকীকা কোন দিন দিলে সপ্তম দিন বলে সাব্যস্ত হবে?
উত্তর: যেদিন শিশু জন্ম গ্রহণ করেছে, সেই দিন থেকে সপ্তম দিনের দিন আকীকা করা মানে হলো সপ্তম দিনের দিন আকীকা। যেমন শুক্রবার জন্মগ্রহণ করলে উক্ত শিশুর আকীকা হবে পরের বৃহস্পতিবার। এটাই জন্মের পরের সপ্তম দিন। আর যদি শিশু রাতে জন্ম নেয়, তাহলে সেই রাতের আগের দিনটা গ্রহণ করা হয় না, বরং পরের দিনটা হিসেবে সপ্তম দিন হিসাব করবে। কারণ, আরবী দিন শুরু হয় রাত থেকে। যেমন শুক্রবার দিবাগত রাতে শিশু জন্ম নিলে উক্ত শিশুর সপ্তম দিন হবে সামনের শুক্রবার দিন।
عن سمرة بن جندب أن رسول الله -صلى الله عليه وسلم- قال « كل غلام رهينة بعقيقته تذبح عنه يوم سابعه ويحلق ويسمى
হযরত সামুরা বিন জুনদুব রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন-প্রত্যেক বালকের পক্ষ থেকে আক্বিকা হল বন্ধক স্বরূপ, যা তার পক্ষ থেকে সপ্তম দিনে জবাই করবে, এবং তার মাথা মুন্ডাবে, এবং তার নাম রাখবে। {সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং-২৮৪০, সুনানে বায়হাকী কুবরা, হাদীস নং-১৯০৪৭, সুনানে দারামী, হাদীস নং-১৯৬৯, মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নং-২০০৮৩, সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-২২৮, সুনানে তিরমিজী-১/২৭৮, নাসায়ী-২/১৬৭}
وذهب جمهور الفقهاء إلى أن يوم الولادة يحسب من السبعة ولا تحسب الليلة إن ولد ليلا بل يحسب اليوم الذى يليها (الموسوعة الفقهية الكويتية-30/278)
প্রচার সৌজন্যঃ দীনী দাওয়াত ও তথ্যসেবা সংস্থা স্পীচ অব ইসলাম।

Address

Dhaka

Telephone

+8801711631313

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Speech of Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Speech of Islam:

Share