SND Devotional

Call Directions Website Contact the place of worship

SND Devotional প্রচার মানে কৃষ্ণকে সেবা করার প্রকৃত মনোভাব জাগ্রত করা। প্রচার মানে যেকোনভাবে মানুষকে কৃষ্ণের প্রশংসায় নিয়োজিত করা।

https://snddevotional.com/

26/09/2026
হরিতকী গাছ কে? হরিতকী গাছের জন্ম কোথায়? পূর্ব জন্মে হরিতকী গাছ কে ছিল? বর্তমানে হরিতকী গাছ আসলো কিভাবে? হরিতকী কেন পূজায়...
26/09/2026

হরিতকী গাছ কে? হরিতকী গাছের জন্ম কোথায়? পূর্ব জন্মে হরিতকী গাছ কে ছিল? বর্তমানে হরিতকী গাছ আসলো কিভাবে? হরিতকী কেন পূজায় লাগে?

পদ্ম পুরাণ এবং অন্যান্য শাস্ত্রীয় গ্রন্থ অনুসারে হরিতকী গাছের মহিমা, উৎপত্তি এবং আধ্যাত্মিক গুরুত্ব নিচে বিস্তারিতভাবে দেওয়া হলো।

১. হরিতকী গাছ কে? (পরিচয়)

পদ্ম পুরাণ ও আয়ুর্বেদ শাস্ত্র অনুসারে, হরিতকী হলো 'অমৃতা' বা দেবমাতা। শাস্ত্রে বলা হয়েছে— "যস্য মাতা গৃহে নাস্তি, তস্য মাতা হরিতকী" (অর্থাৎ, যার ঘরে মা নেই, তার মা হলো হরিতকী)। এটি কেবল একটি বৃক্ষ নয়, এটি জগতের রোগ নিবারণী এক দিব্য শক্তি।

২. হরিতকী গাছের জন্ম কোথায়?

পদ্ম পুরাণের সৃষ্টিখণ্ড অনুযায়ী, হরিতকীর জন্ম মর্ত্যলোকে হলেও এর উৎস হলো স্বর্গীয় সুধা বা অমৃত। এটি স্বর্গ থেকে মর্ত্যে আসা এক পরম ওষধি।

৩. পূর্ব জন্মে হরিতকী গাছ কে ছিল?

পদ্ম পুরাণের কথা অনুসারে, হরিতকী দেবী রূপে গণ্য। সমুদ্র মন্থনের সময় যখন অমৃত কলস নিয়ে ধন্বন্তরি দেব আবির্ভূত হন, তখন সেই কলস থেকে সাতটি অমৃত বিন্দু পৃথিবীতে পড়েছিল। এই সাতটি বিন্দু থেকে সাত প্রকার হরিতকীর জন্ম হয়। অন্য মতে, এটি দেবী অদিতির হর্ষ বা আনন্দের অশ্রু থেকে উৎপন্ন।

৪. বর্তমানে হরিতকী গাছ আসলো কীভাবে? (পদ্ম পুরাণের কথা)

পদ্ম পুরাণে বর্ণিত আছে, একদা দেবরাজ ইন্দ্র স্বর্গলোকে অত্যন্ত তৃপ্তির সাথে অমৃত পান করছিলেন। পানের সময় অসাবধানতাবশত তাঁর মুখ থেকে এক বিন্দু অমৃত পৃথিবীতে পতিত হয়। সেই দিব্য অমৃত মর্ত্যের মৃত্তিকা স্পর্শ করার সাথে সাথেই একটি অলৌকিক বৃক্ষের জন্ম দেয়, যা 'হরিতকী' নামে পরিচিত হয়। অমৃত থেকে জন্ম হওয়ার কারণেই এটি জরা (বার্ধক্য) ও মৃত্যুভয় হরণ করতে সক্ষম।

৫. হরিতকী কেন পূজায় লাগে?

হরিতকী 'বিজয়' ও 'মঙ্গল'-এর প্রতীক। এটি বিঘ্ননাশক।

এটি শ্রীবিষ্ণুর অত্যন্ত প্রিয় ওষধি।

যেকোনো পূজা বা শুভ কাজের শুরুতে 'সংকল্প' করার সময় হরিতকী হাতে রাখা হয়, যাতে কর্মটি নির্বিঘ্নে ও সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

৪ বেদের মন্ত্র

১. ঋগ্বেদ (১০/৯৭/১):

য ওষধীঃ পূর্ব জাতা দেবেভ্যস্ত্রিযুগং পুরা।

অনুবাদ: দেবতাদের প্রকাশের তিন যুগ পূর্বে যে ওষধি বৃক্ষরাজি (হরিতকী আদি) উৎপন্ন হয়েছে, তারা আমাদের সকল রোগ থেকে মুক্ত করুক।

২. যজুর্বেদ (১২/৭৫):

মা বো রিষৎ খনিতে যা চ বৈ হং খনামি বঃ।

অনুবাদ: হে ওষধি বৃক্ষ! ঔষধ তৈরির জন্য যখন আমি তোমাকে গ্রহণ করি, তখন যেন তোমার কোনো ক্ষতি না করি। তুমি আমাদের আরোগ্য দান করো।

৩. সামবেদ (মন্ত্র-১):

সোমো ধেনুং সোমো অর্বন্তমাশুং সোমো বীরং কর্মণ্যং দদাতি।

অনুবাদ: সোম বা উদ্ভিদ জগত (যার মধ্যে হরিতকী প্রধান) আমাদের পুষ্টি, শক্তি ও কর্মক্ষমতা দান করে।

৪. অথর্ববেদ (১৯/৩৯/১):

অশ্বত্থো দেবসদনস্তৃতীয়স্যামিতো দিবি।

অনুবাদ: স্বর্গের অমৃত থেকে উদ্ভূত এই সকল ওষধি (হরিতকী) সকল প্রকার রোগ ও অশুভ শক্তি বিনাশকারী।

সাত্ত্বিক শাস্ত্র শ্লোক (শ্রীমদ্ভাগবত ও অন্যান্য শাস্ত্রসহ)

১. শ্রীমদ্ভাগবত মহাপুরাণ (৮/২/১৪):

পনসৈরাম্রৈঃ পিয়ালৈশ্চ হরিতক্যামলকৈস্তথা।
বিল্বৈঃ কপিত্থৈর্জম্বীরৈর্বৃত্তঃ সর্বর্তুভির্দ্দ্রুমৈঃ।।

অনুবাদ: (গজেন্দ্র মোক্ষণ কথাতে ত্রিকূট পর্বতের বর্ণনায়) সেই দিব্য পর্বতটি কাঁঠাল, আম, পিয়াল, হরিতকী, আমলকী, বেল ও কপিত্থ প্রভৃতি বৃক্ষে সুশোভিত ছিল, যা সকল ঋতুতে ফল প্রদান করে।

২. ভাবপ্রকাশ নিঘন্টু (হরিতক্যাদি বর্গ):

যস্য মাতা গৃহে নাস্তি, তস্য মাতা হরিতকী।
কদাচিৎ কুপ্যতি মাতা, নোদরস্থা হরিতকী।।

অনুবাদ: যার ঘরে মা নেই, হরিতকী তার মায়ের অভাব পূরণ করে। মা কখনো সন্তানের ওপর রাগ করতে পারেন, কিন্তু সেবন করা হরিতকী শরীরের কখনো কোনো ক্ষতি করে না।

৩. পদ্ম পুরাণ (সৃষ্টিখণ্ড):

অমৃতবিন্দু পতনাদ জাতা বৃক্ষ হরিতকী।

অনুবাদ: অমৃতের বিন্দু পৃথিবীতে পতনের ফলেই পরম পবিত্র হরিতকী বৃক্ষের জন্ম হয়েছে।

৪. বিষ্ণু পুরাণ:

সর্বপাপহরা দেবী সর্বব্যাধি বিনাশিনী।

অনুবাদ: এই হরিতকী রূপী দেবী মানুষের সকল পাপ হরণ করেন এবং সকল ব্যাধি বিনাশ করেন।

৫. চরক সংহিতা (চিকিৎসা স্থান):

হরিতকীং পঞ্চরসানাং পরম্।

অনুবাদ: হরিতকী পাঁচটি রসের আধার এবং এটি সমস্ত ঔষধির মধ্যে শ্রেষ্ঠ বা ওষধিরাজ হিসেবে গণ্য।

৬. গরুড় পুরাণ:

ফলানাং হরিতকী শ্রেষ্ঠা ওষধীনাং তথৈব চ।

অনুবাদ: ফলসমূহের মধ্যে হরিতকী শ্রেষ্ঠ এবং ওষধি হিসেবেও এটি সর্বশ্রেষ্ঠ স্থান অধিকার করে আছে।

সারকথা: হরিতকী কেবল একটি সাধারণ ফল নয়; এটি সাক্ষাৎ অমৃতের অংশ। এটি পূজায় যেমন শুদ্ধি আনে, তেমনি মানবশরীরের আরোগ্য দানে মায়ের মতো ভূমিকা পালন করে। এ কারণেই শাস্ত্রে হরিতকীকে অত্যন্ত উচ্চ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে।

🌼শ্রীরাধারাণীর অষ্টোত্তর শতনাম 🪷শ্রীরাধা নমো নমঃ। ১শ্রী বৃষভানুজা নমো নমঃ।। ২শ্রী কীর্তিদাকন্যাকা নমো নমঃ। ৩শ্রী রাসেশ্ব...
18/09/2026

🌼শ্রীরাধারাণীর অষ্টোত্তর শতনাম 🪷

শ্রীরাধা নমো নমঃ। ১
শ্রী বৃষভানুজা নমো নমঃ।। ২

শ্রী কীর্তিদাকন্যাকা নমো নমঃ। ৩

শ্রী রাসেশ্বরী নমো নমঃ।। ৪

স্ত্রী রাস-বাসিনী নমো নমঃ। ৫

শ্রী রশিক-ঈশ্বরী নমো নমঃ।। ৬

শ্রীকৃষ্ণ প্রাণাধিক নমো নমঃ। ৭

শ্রী কৃষ্ণ প্রিয়া নমো নমঃ।। ৮



শ্রী কৃষ্ণ স্বরূপিনী নমো নমঃ। ৯

শ্রী কৃষ্ণবামঙ্গসম্ভুতা নমঃ।। ১০

শ্রী পরমানন্দরুপিনি নমঃ। ১১

শ্রী কৃষ্ণা নমো নমঃ।। ১২

শ্রী বৃন্দাবনী নমো নমঃ। ১৩

শ্রী বৃন্দাবন বিনোদিনী নমঃ।। ১৪

শ্রী কৃষ্ণ চন্দ্ৰ নমো নমঃ। ১৫

শ্রী চন্দ্ৰকান্তা নমো নমঃ।। ১৬



শ্রী শতচন্দ্ৰনি ভনান নমো নমঃ। ১৭

শ্রী গান্ধারবিকা নমো নমঃ।। ১৮

শ্রী গান্ধাব্ধারাধিকা নামো নামঃ। ১৯

শ্রী মাধব সঙ্গিনী নমো নমঃ।। ২০

শ্রী দামোদরদ্বৈত সখি নমঃ। ২১

শ্রী সূর্যপাসিকা নামো নামঃ।। ২২

শ্রী আনন্দমঞ্জুরিজৈষ্ঠায় নমঃ। ২৩

শ্রী দামাবরজো নমো নমঃ।। ২৪



শ্রী উত্তমা নমো নমঃ। ২৫

শ্রী বিশাখা সয়া নমো নমঃ।। ২৬

শ্রী বৃন্দাবনেশ্বরী নমো নমঃ। ২৭

শ্রী জীবন স্বরূপা নমো নমঃ।। ২৮

শ্রী রাস বিলাসিনী নমঃ। ২৯

শ্রী নিত্য বিহারিনী নমঃ।। ৩০

শ্রী নিত্য কেশরী নমঃ। ৩১

শ্রী শ্যামপ্ৰণধণ নমো নমঃ।। ৩২



শ্রী প্রেমস্বরূপিনী নমো নমঃ। ৩৩

শ্রী নব কিশোরী নমো নমঃ।। ৩৪

শ্রী রাসবিহারী নমো নমঃ। ৩৫

শ্রীগৌরাঙ্গী নমো নমঃ।। ৩৬

শ্রী শ্যামা নমো নমঃ। ৩৭

শ্রী কুলবতী নমো নমঃ।। ৩৮

শ্রী শ্রীজি নমো নমঃ। ৩৯

শ্রী মথেশ্বরী নমো নমঃ।। ৪০



শ্রী ক্রিয়েশ্বরীর নমো নমঃ। ৪১

শ্রী স্বধেশ্বরি নমো নমঃ।। ৪২

শ্রী ত্রিবেদভারতীশ্বরী নমঃ। ৪৩

শ্রী সুরেশ্বরি নমো নমঃ।। ৪৪

শ্রী ব্রজাধিপে নমো নমঃ। ৪৫

শ্রী ব্রজেশ্বরী নমো নমঃ।। ৪৬

শ্রী আদ্যা শক্তি নমো নমঃ। ৪৭

শ্রী ক্ষমেশ্বরি নমো নমঃ।। ৪৮



শ্রী কলাবতী নমো নমঃ। ৪৯

শ্রী কৃপাবতি নমো নমঃ।। ৫০

সী ইন্দুমুখি নমো নমঃ। ৫১

শ্রী অনুপমা নমো নমঃ।। ৫২

স্ত্রী অবনী ধারণী নমো নমঃ। ৫৩

শ্রী ইষ্ঠভক্তি প্রদায়িনী নমো নমঃ।। ৫৪

শ্রী অপদুন্ধারিণী নমো নমঃ। ৫৫

শ্রীকৃষ্ণ প্রাণেশ্বরী নমো নমঃ।। ৫৬

শ্রী গোপেশ্বরী নমো নমঃ। ৫৭
শ্রী গোকুল ঈশ্বরী নমো নমঃ।। ৫৮

শ্রী দয়াময়ী নমো নমঃ। ৫৯

শ্রী করুণাময়ী নমো নমঃ।। ৬০

শ্রী কুঞ্জনিবাসিনী নমো নমঃ। ৬১

শ্রী নলিনাক্ষী নমো নমঃ।। ৬২

শ্রী কৃষ্ণভক্তি প্রদায়িনী নমঃ। ৬৩

শ্রী কল্যাণী নমো নমঃ।। ৬৪



শ্রী কৌমারী নমো নমঃ। ৬৫

শ্রী বল্লভী নমো নমঃ।। ৬৬

শ্রী প্রধানা প্রকৃতি নমো নমঃ। ৬৭

শ্রী হরি প্রিয়া নমো নমঃ।। ৬৮

শ্রী শ্রীশিবা নমো নমঃ। ৬৯

শ্রী বৈজয়ন্তী নমো নমঃ।। ৭০

শ্রী ধাত্রী নমো নমঃ। ৭১

শ্রী মনোরোমা নমো নমঃ।। ৭২



শ্রী ক্ষমাবতী নমো নমঃ। ৭৩

শ্রী ত্রৈলোক্য মঙ্গলময় নমঃ।। ৭৪

শ্রী যোগেশ্বরী নমো নমঃ। ৭৫

শ্রী যোগগক্ষ্যা নমো নমঃ।। ৭৬

শ্রী শান্তা নমো নমঃ। ৭৭

শ্রী সুগতি দায়িনী নমো নমঃ।। ৭৮

শ্রী প্রেমাঙ্গী নমো নমঃ। ৭৯

শ্রী পূর্ণানন্দময়ী নমো নমঃ।। ৮০



শ্রী নরাঙ্গানা নমো নমঃ। ৮১

শ্রী পরমার্থ প্রদায়িনী নমো নমঃ।। ৮২

শ্রী নিধুবন নিবাসিনী নমো নমঃ। ৮৩

শ্রী বংশীবট বিহারিনী নমো নমঃ।। ৮৪

শ্রী নারী শিরোমনি নমো নমঃ। ৮৫

শ্রী রমা নমো নমঃ।। ৮৬

শ্রী রত্মা নমো নমঃ। ৮৭

শ্রী পূর্ণা নমো নমঃ।। ৮৮



শ্রী শ্যামমোহিনী নমো নমঃ। ৮৯

শ্রী হরিণ নয়না নমো নমঃ।। ৯০

শ্রী মদন মোহন মোহিনী নমো নমঃ। ৯১

শ্রী সুধামুখী নমো নমঃ।। ৯২

শ্রী ভবসাগর তরণী নমো নমঃ। ৯৩

শ্রী সিন্ধু কন্যা নমো নমঃ।। ৯৪

শ্রী কৃষ্ণাত্মা নমো নমঃ। ৯৫

শ্রী মহাভাব স্বরূপিনী নমো নমঃ।। ৯৬



শ্রী সম্মোহিনী নমো নমঃ। ৯৭

শ্রী মহাভাব শিরোমনি নমো নমঃ।। ৯৮

শ্রী বৃন্দাবন বিহারী নমো নমঃ। ৯৯

শ্রী বৃন্দাবন বিলাসিনী নমো নমঃ।। ১০০

শ্রী কৃষ্ণানন্দ প্রদায়িনী নমো নমঃ। ১০১

শ্রী বিষ্ণু প্রিয়া নমো নমঃ।। ১০২

শ্রী কাঞ্চনাভ্য নমো নমঃ। ১০৩

শ্রী হেমগাত্ৰা নমো নমঃ।। ১০৪



শ্রী বেদপ্রিয়া নমো নমঃ। ১০৫

শ্রী বেদ গঙ্গা নমো নমঃ।। ১০৬

শ্রী বেনু বাদ্য নমো নমঃ। ১০৭

শ্রী বেনুরীতি নমো নমঃ।। ১০৮

|| ইতি সমাপ্ত রাধা রানীর অষ্টোত্তর শতনাম ||

গুরু ও শিষ্যের কথোপকথন !!এক শিষ্য তার গুরুদেবকে জিজ্ঞেস করলেন ,,গুরুদেব ভক্তি করার সর্বোত্তম দিন কোনটি ??গুরুদেব খুবই মি...
12/09/2026

গুরু ও শিষ্যের কথোপকথন !!

এক শিষ্য তার গুরুদেবকে জিজ্ঞেস করলেন ,,গুরুদেব ভক্তি করার সর্বোত্তম দিন কোনটি ??গুরুদেব খুবই মিষ্টিভাবে বললেন ,, মৃত্যুর ঠিক একদিন পূর্বে !! শিষ্যটি বললেন ,,গুরুদেব !মৃত্যুর তো কোন সময় নাই যেকোন সময়'ই মৃত্যু আসতে পারে !!গুরুদেব মৃদু হেসে বললেন ,,তাহলে জীবনের প্রত্যেকটা দিনকেই শেষদিন
বুঝে নিও !!

এই শিষ্যের মতো আমাদেরকেও প্রতিটা দিনকে জীবনের শেষদিন মনে করতে হবে এবং হরি ভজন করতে হবে ,,তাহলেই আমরা আর বিপদগামী হবনা।
হরিবোল !!

জয় শ্রীল জয়পতাকা স্বামী গুরুমহারাজ 🙏🙏💓❤️
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে ,,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে !!🙏🙏❤️💓

কি মনে হচ্ছে?খুব স্বাধীন!!!!😏প্রকৃতপক্ষে সে তার সুরক্ষা কবচ হারিয়েছে।আমরা দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা দিয় না। গুরু ও কৃষ্ণ...
12/09/2026

কি মনে হচ্ছে?
খুব স্বাধীন!!!!😏
প্রকৃতপক্ষে সে তার সুরক্ষা কবচ হারিয়েছে।

আমরা দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা দিয় না। গুরু ও কৃষ্ণ হচ্ছে আমাদের প্রকৃত রক্ষা কর্তা, আর সব আনুষঙ্গিক। তাই সময় থাকতে তার মুল্য দেওয়া ও যত্ন নেওয়া দরকার।গীতার শিক্ষা নিজের জীবনে প্রয়োগ করা দরকার।
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।

🙏গোবর্ধন পূজা ও অন্নকূট মহোৎসব✅ শরতের ঠিক মাঝামাঝি সময়ে কার্তিক মাসে ব্রজবাসীরা মহাসমারোহে ইন্দ্রপূজার আয়োজন করেন। কৃষ্ণ...
01/09/2026

🙏গোবর্ধন পূজা ও অন্নকূট মহোৎসব
✅ শরতের ঠিক মাঝামাঝি সময়ে কার্তিক মাসে ব্রজবাসীরা মহাসমারোহে ইন্দ্রপূজার আয়োজন করেন। কৃষ্ণের বয়স তখন সাত বছর। তাঁর পিতা এবং অন্যান্য লোকেদের নানান কাজে ব্যস্ত দেখে জিজ্ঞেস করলেন, বাবা, তোমরা কী করছো? তখন নন্দ মহারাজ বললেন যে, আমরা ইন্দ্রপূজা করছি। কৃষ্ণ জিজ্ঞেস করলেন, ইন্দ্রপূজা কেন করছো? নন্দ মহারাজ বললেন, দেখো আমরা তো বৈশ্যজাতি। কৃষি এবং.......🔸🔸🔸🔸 সম্পূর্ণ জানতে নিচের লিংকে অথবা কমেন্টে ক্লিক করুনঃ👇
https://snddevotional.com/annakut-mahotshav/

🙏গো-পূজা✅ গো-পূজার দিন গাভীদের মনোরমভাবে সাজানো হয়। তাদের অঙ্গে অলুদ ও সিঁদুরের ছাপ এবং নকশা আঁকা হয়। তাদের শিঙগুলোকে সজ...
01/09/2026

🙏গো-পূজা
✅ গো-পূজার দিন গাভীদের মনোরমভাবে সাজানো হয়। তাদের অঙ্গে অলুদ ও সিঁদুরের ছাপ এবং নকশা আঁকা হয়। তাদের শিঙগুলোকে সজ্জিত করা হয়। এদিন গাভীদের সতেজ তৃণ-গুল্ম এবং মিষ্টদ্রব্য ভোজন করানো হয়। গাভীদের সুন্দরভাবে পূজা করে পরিক্রমা করা হয়। শাস্ত্রে বলা হয়েছে, যে নর গো-গাত্রে শুক্লবর্ণ চিত্রাদি রচনা করে পরিক্রমা করা হয়। শাস্ত্রে বলা হয়েছে, যে নর গো-গাত্রে শুক্লবর্ণ চিত্রাদি রচনা করে কাজল, ফুল ও তৈল দ্বারা গোপূজা করে তার অক্ষয় স্বর্গলাভ হয়। যে ব্যক্তি প্রতিদিন পরের গাভীকে ঘাসমুষ্টি প্রদান করে, তার.......🔸🔸🔸🔸 সম্পূর্ণ জানতে নিচের লিংকে অথবা কমেন্টে ক্লিক করুনঃ👇
https://snddevotional.com/goopuja/

🌿সাধারণভাবে মনে হতে পারে যে, কোনো মৃত প্রাণীর চামড়া বা হাড় অবশ্যই অপবিত্র। কিন্তু শাস্ত্র আমাদের শেখায় যে, সবকিছুর ঊর্ধ্...
01/09/2026

🌿সাধারণভাবে মনে হতে পারে যে, কোনো মৃত প্রাণীর চামড়া বা হাড় অবশ্যই অপবিত্র। কিন্তু শাস্ত্র আমাদের শেখায় যে, সবকিছুর ঊর্ধ্বে হলো 'ভগবদ্-আজ্ঞা' বা বেদের বিধান। ঠিক যেমন একটি দেশের আইন সাধারণ যুক্তির চেয়ে বড়, তেমনি আধ্যাত্মিক জগতেও শাস্ত্রের নির্দেশই চূড়ান্ত।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📕 বেদের অমোঘ বিধান (Scriptural Authority) 📕

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

শাস্ত্রে বলা হয়েছে—কিছু বস্তু স্বভাবগতভাবেই পবিত্র, যদিও তারা বাহ্যিক দৃষ্টিতে অপবিত্র উৎস থেকে আসে। একে বলা হয় 'অপ্রাকৃত শুদ্ধি'। যেমন:

👉 - শঙ্খ: শঙ্খ হলো একটি মৃত প্রাণীর অস্থি বা হাড়। নিয়ম অনুযায়ী হাড় অপবিত্র,কিন্তু বিষ্ণুর হাতে থাকা এবং পূজায় ব্যবহৃত শঙ্খ পরম পবিত্র। কারণ, বেদ একে পবিত্র বলে ঘোষণা করেছে।

👉- গোবর ও গোমূত্র: প্রাণীর মল-মূত্র ত্যাগ করলে স্নান করার বিধান আছে, কিন্তু গরুর গোবর ও মূত্র দিয়ে স্থান পবিত্র করা হয়। এটি শাস্ত্রীয় ব্যতিক্রম।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

🦚 বিশেষ বিশেষ দ্রব্যের পবিত্রতা 🌻

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

🦌 - হরিণের চামড়া (মৃগচর্ম): মুনি-ঋষিরা ধ্যানের জন্য হরিণের চামড়া ব্যবহার করেন।এটি চর্ম হওয়া সত্ত্বেও পবিত্র বলে গণ্য হয়।

🦣 🦚 - হাতির দাঁত ও ময়ূরের পালক: হাতির দাঁত হাড়ের অংশ এবং ময়ূরের পালক হলো মৃত পাখির
দেহাবশেষ। কিন্তু এগুলো ভগবানের অলঙ্কার বা সিংহাসনে ব্যবহৃত হয় কারণ শাস্ত্র একে শুদ্ধতা দিয়েছে।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

‼️ মৃদঙ্গ বা খোলের বিশেষত্ব ‼️

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

বৈষ্ণব দর্শনে মৃদঙ্গকে কেবল একটি বাদ্যযন্ত্র মনে করা হয় না, একে বলা হয় 'শ্রীখোল'। এর পবিত্রতার পেছনে মূল কারণগুলো হলো:

🙏 - শ্রীকৃষ্ণ ও মহাপ্রভুর সেবা: মৃদঙ্গ প্রধানত হরিণাম সংকীর্তনে ব্যবহৃত হয়। মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যদেব সংকীর্তনকে শ্রেষ্ঠ ধর্ম বলেছেন। ভগবানের সেবায় যখন কোনো বস্তু উৎসর্গ করা হয়, তখন তার জাগতিক দোষ বা অপবিত্রতা কেটে যায় এবং সেটি 'চিন্ময়' বা অপ্রাকৃত বস্তুতে পরিণত হয়।

✍️ - উপাদানের রূপান্তর: মৃদঙ্গের ওপরের অংশ চামড়ার হলেও এর কাঠামোর ভেতর থাকে পবিত্র গঙ্গা মৃত্তিকা (মাটি)। চামড়াটি এখানে সুর তৈরির একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করে, যা ভগবানের নাম প্রচারে সহায়তা করে।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

🙏 শ্রীহরি-সেবার মহিমা 🙏

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

শাস্ত্র অনুযায়ী, ভগবানের স্পর্শে বা তাঁর সেবায় যা কিছু লাগে, তা পরম শুদ্ধ। যেমন—রেশম বা তসরের কাপড় গুটিপোকা থেকে তৈরি হয় (যা এক প্রকার লালা বা মল)। সাধারণ লালা অপবিত্র হলেও রেশম বস্ত্র দেবপূজায় শ্রেষ্ঠ হিসেবে গণ্য হয়। ঠিক তেমনি, শ্রীকৃষ্ণের কীর্তনে ব্যবহৃত হওয়ার কারণে মৃদঙ্গের চামড়া তার অপবিত্রতা হারিয়ে পরম পবিত্র হয়ে যায়।

সহজ কথায় বলতে গেলে, কোনো বস্তু নিজের গুণাগুণ দিয়ে পবিত্র হয় না, বরং সেটি ভগবানের কতটুকু কাজে লাগছে তা দিয়েই তার পবিত্রতা নির্ধারিত হয়।

বৈষ্ণবরা মৃদঙ্গকে প্রণাম করেন কারণ এটি ভগবানের নাম বহন করে। চামড়া যখন জুতো হিসেবে পায়ে থাকে, তখন তা অশুচি; কিন্তু সেই চামড়াই যখন মৃদঙ্গ হয়ে ভগবানের জয়গান গায়, তখন তা মাথায় তুলে রাখার মতো পবিত্র হয়ে যায়।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

✍️ সারকথা: 📕

━━━━━━━━━━━━━━━━━━

শাস্ত্রীয় বিধানে ভগবানের সন্তুষ্টির জন্য যা কিছু নির্ধারিত, তার কোনো বিচার সাধারণ পার্থিব মাপকাঠিতে করা চলে না। এই ভক্তি ও শাস্ত্রীয় আজ্ঞাই হলো বৈষ্ণবদের মৃদঙ্গ ব্যবহারের মূল কারণ।

🙏হরে কৃষ্ণ 🙏

Address

Begumganj
1200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SND Devotional posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to SND Devotional:

Shortcuts

Share