Islamic Insights

Islamic Insights Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Islamic Insights, Religious organisation, Dhaka.

20/05/2026

যে দেশে কোন হত্যার বিচার আজও হয়নি
সে দেশে আর বাবা কী চাবে
নিজেকে নিজে ধিক্কার জানাই এমন দেশে জন্মিয়ে

এক আল্লাহ ছাড়া হয়তো আর কারো কাছেই এ বিচার পাবো না

03/04/2026

আল্লাহুম্মা সল্লি'ওয়া সল্লিম আ'লা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ' ﷺ.!♥️

জীবনে অনেক তো মুনাজাত করেছেন! এবার উত্তমরূপে এইভাবে একবার করুন।✅নিজের জন্য দোয়ার লিস্টআমাদের দু'আর সবচেয়ে বেশি হক্কদার আ...
16/03/2026

জীবনে অনেক তো মুনাজাত করেছেন! এবার উত্তমরূপে এইভাবে একবার করুন।

✅নিজের জন্য দোয়ার লিস্ট

আমাদের দু'আর সবচেয়ে বেশি হক্কদার আমরা নিজেরাই। রাসুলুল্লাহ্ (সা)এর সুন্নাহ, কারো জন্য দু'আ করলে প্রথমে নিজের জন্য দু'আ করা। (মুসনাদে আহমদ ২১২৪৭ (৫/১২১)

দু'আ লিস্টটাতে আমি নিজের জন্য দুনিয়া ও আখিরাতের বেসিক চাওয়াগুলোই লেখার চেষ্টা করেছি। আপনারা অবশ্যই আপনাদের নোটবুকে দু'আগুলো নোট করে নিবেন। এসব ছাড়াও আমাদের প্রত্যেকের ব্যক্তিগত অনেক অনেক প্রয়োজন আছে। সেসবও নোট করে রাখার চেষ্টা করবেন। ছোট-বড় সকল প্রয়োজন আল্লাহকে বলবেন। খুব করে আল্লাহর কাছে চাইবেন। বেশি বেশি চাইবেন।

দু'আতেই সব সুখ! একমাত্র দোয়াই ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে, মৃত্যু পর্যন্ত পিছিয়ে যায় (নেক হায়াৎ বৃদ্ধি পায়)।

ইয়া আল্লাহ, ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুম, ইয়া জাল জালালি ওয়াল ইকরাম,

আমাকে দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ দাও।

তুমিই আল্লাহ, তুমি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আমি তোমার নিকট আশ্রয় চাচ্ছি জাহান্নাম ও কবরের আযাব থেকে।

আমি তোমার কাছে পানাহ চাই তাকদিরের খারাপ কিছু থেকে।

হে আল্লাহ! আমার উপর তোমার রহমত, দয়া, বরকত, শান্তি, ক্ষমা বর্ষণ করো।

ক্ষমা করে দাও আমার আগের পাপ, আমার পরের পাপ, আমার ছোট-বড় সকল পাপ, আমার গোপন পাপ, আমার প্রকাশ্য পাপ। আমার বাড়াবাড়ি এবং যে সকল পাপের কথা তুমি ভালো জানো। ক্ষমা করো সেসব পাপ, যা আমি ভুলে যাই। ক্ষমা করো সেসব পাপ, যা আমি পাপই মনে করি না।

আমাকে আশ্রয় দাও বিতাড়িত শয়তান থেকে, তার ওয়াসওয়াসা থেকে ও অতৃপ্ত নফস থেকে।

আমাকে আশ্রয় দাও দুনিয়ার জীবনের ফিতনা ও মৃত্যুর ফিতনা থেকে। এবং দাজ্জালের অমঙ্গল থেকে।

আমার জন্য তোমার করুনার দরজা, তোমার রহমতের দরজা খুলে দাও।

আমার রিজিকে প্রশস্ততা দাও। অঢেল বরকতময় রিজিক দাও। বেহিসাবি রিজিক দাও। এবং সেসব তোমার সন্তুষ্টি অনুযায়ী তোমার পথে ব্যয় করার নসীব দাও।

আমাকে সন্তুষ্টি ও কৃতজ্ঞতার জীবন দাও। পরিপূর্ণ সুস্থতা, নিরাপত্তা দাও।

আমাকে মৃত্যু অবধি পরিপূর্ণ হিদায়তের উপর অটল রাখো। আমাকে এক মূহুর্তের জন্যও নিজের জিম্মায় ছেড়ে দিও না।

ইয়া রব্ব, আমার অভিভাবক, বন্ধু হিসেবে তুমিই যথেষ্ট হয়ে যাও।

হে আমার প্রতিপালক, আমাকে বানিয়ে দাও তোমার জন্য অধিক

কৃতজ্ঞতা প্রকাশকারী, অধিক যিকরকারী, অধিক তাকওয়াবান, তোমার প্রতি অধিক বিনয়ী, অধিক আনুগত্যকারী, তোমার প্রতি বেশি বেশি তওবাকারী।

আমার জিহ্বাকে তোমার যিকর দ্বারা সুসজ্জিত, পবিত্র করে দাও। আমার কলবকে আখিরাতের ফিকির দ্বারা পূর্ণ করে দাও।

আমার তওবা কবুল করে নাও। আমার পাপকে ধুয়ে দাও, আমার দুআ কবুল করো। আমার জিহ্বাকে পবিত্র ও সুসংরক্ষিত রাখো।

আমার অন্তরকে সুপথে পরিচালিত করো। হিংসা, বিদ্বেষ, সংকীর্ণতাসহ সমস্ত অন্তরের রোগ থেকে আমার অন্তরকে পবিত্র রাখো।

আমার হৃদয়কে আজীবনের জন্য প্রশান্ত করে দাও।

যা কিছু আমাকে পীড়িত করে, সেসব কিছু আমার কাছ থেকে সরিয়ে নাও।

আমার ইজ্জত-আব্রুকে হেফাজত করো আমার মৃত্যু অবধি এবং এর পরেও।

দুনিয়ার কারো কাছে আমার মাথা নত হতে দিও না। সৃষ্টির মুখাপেক্ষী হওয়া থেকে পানাহ দাও।

আল্লাহ! আমাকে দুনিয়া ও আখিরাতে আফিয়াতের সাথে সম্মানিত করো।

আমাকে দুনিয়ায় দাও উত্তম বাসস্থান, উত্তম পরিজন, উত্তম সঙ্গী ও উত্তম রিজিক। আখিরাতকে করো দুনিয়ার চেয়ে বহুগুণে উত্তম, পবিত্র ও সম্মানিত।

মৃত্যুকে আমার জন্য সহজ ও আনন্দদায়ক করে দাও। ইজ্জতের সাথে আমার মৃত্যু দাও। জবানে কালিমা রেখে, অন্তরে তোমার ভরপুর ভালোবাসা, তাকওয়া রেখে মৃত্যুবরণ করার তওফিক দাও। আমাকে শাহাদাতের মৃত্যু দাও। রাসুলের শহরে আমার মৃত্যু দাও। জান্নাতুল বাকিতে দাফন হওয়ার নসীব দাও। আমার কবরকে প্রশস্ত, আরামদায়ক করে দাও।

তোমার নিয়ামত দেওয়ার পর তা ছিনিয়ে নিও না। এবং এর সাথে পরীক্ষাও রেখো না।

আমাকে এমন কষ্ট দিও না, যা আমার ইমানকে সংকটে ফেলবে, আমার অন্তর বিধ্বস্ত করে দিবে। আমার শরীর ভেঙে দিবে। আমলে ঘাটতি আনবে।

আমি তোমার কাছে দুনিয়া ও আখিরাতের যাবতীয় কল্যাণ চাই। আমার জানা-অজানা যত কল্যাণ, সব তুমি আমায় দাও। আমার জানা-অজানা সমস্ত অকল্যাণ থেকে আমাকে আজীবন পানাহ দাও।

ইয়া রব্ব! তোমার কোনো বান্দা আমার উপর যেন প্রকাশ্যে ও অপ্রকাশ্যে জুলুম করতে না পারে। আমিও যেন তোমার কোনো বান্দার উপর জুলুম না করি।

আমাকে সবসময় এমন মানুষদের সঙ্গে রেখো, যাদের সঙ্গ ঈমানকে বৃদ্ধি করে।

মা-বাবা ও জীবনসঙ্গীর সন্তুষ্টি নিয়ে তোমার সাথে সাক্ষাতের তওফিক দাও।

ইয়া রব্ব। এমন দু'আ থেকে পানাহ চাই, যে দু'আ কবুল হয় না। আমার অন্তরের চাওয়াগুলো আমার চেয়ে তুমি ভালো জানো। আমার চাওয়াগুলো আফিয়াতের সাথে, উত্তমভাবে কবুল করে নাও।

আমিন

☞ ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে ইসলামিক অনুপ্রেরণা কে ফলো দিয়ে রাখুন!

12/03/2026

লাইলাতুল কদরে কান্না ভেজা যে দোয়াগুলো আপনি করতে পারেন

লাইলাতুল কদর এমন একটি রাত, যখন মানুষের ভেতরের লুকানো ব্যথা, লজ্জা, ভয়, আশা আর কান্না—সব আল্লাহর সামনে খুলে বলা যায়। এই রাতে আপনি শুধু মুখস্থ দোয়া নয়, নিজের হৃদয়ের গভীর কথাগুলোও বলতে পারেন। নিচে অনুবাদ করা সবগুলো দোয়া লিস্ট করে সাজিয়ে দেওয়া হলো।

১. জান্নাত ও জাহান্নাম থেকে মুক্তির দোয়া

হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে জান্নাত চাই। আমি এর যোগ্য বলে নয়, বরং আপনি আল-কারীম বলে। আমার আমল সামান্য হলেও আমাকে জাহান্নাম থেকে বাঁচিয়ে দিন। আমার ব্যর্থতার চেয়ে আপনার রহমত অনেক বড় হোক।

২. নিজেকে বদলে দেওয়ার দোয়া

হে আল্লাহ, এই রাত শেষ হলে আমাকে এমন একজন বানিয়ে দিন, যে আগের মতো থাকবে না। আরও পবিত্র, আরও কোমল, আরও আপনার নিকটবর্তী। এই রাতটাকে আমার আরেকটি নষ্ট করা রমজানের রাত বানাবেন না। এটাকেই আমার অনন্ত জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া রাত বানিয়ে দিন।

৩. ক্ষমা ও কবুলিয়াতের দোয়া

হে আল্লাহ, যদি এ রাত সেই রাত হয়—যে রাতে আপনি রহমত নিয়ে নেমে আসেন, তবে আমাকে পাশ কাটিয়ে চলে যাবেন না। আমাকে গাফিলদের দলে লিখে দেবেন না। আমি আপনার দরজায় দাঁড়িয়ে আছি, সঙ্গে আছে শুধু আশা। আমার আমল কম, গুনাহ অনেক। কিন্তু আপনার প্রতি আমার ভরসা—এসবের চেয়েও বড়। আপনি যদি আজ রাতে আমাকে ক্ষমা করে দেন, কেউ তা ঠেকাতে পারবে না। আপনি যদি আমাকে কবুল করেন, কেউ আমাকে প্রত্যাখ্যান করতে পারবে না। তাই হে আল্লাহ, আমার দিকে রহমতের দৃষ্টিতে তাকান। ক্ষমার দৃষ্টিতে তাকান। এমন এক বান্দা হিসেবে তাকান, যে মরিয়া হয়ে আপনাকেই চাইছে। আমাকে এই রাত থেকে খালি হাতে ফিরিয়ে দেবেন না।

৪. গুনাহ থেকে সম্পূর্ণ পরিষ্কার হওয়ার দোয়া

হে আল্লাহ, আমি আজ আপনার কাছে এসেছি এমন এক হৃদয় নিয়ে, যা নিখুঁত নয়; এমন এক আমলনামা নিয়ে, যা পরিষ্কার নয়; এমন এক আত্মা নিয়ে, যা বহুবার পথ হারিয়েছে। আমি আপনাকে যতবার হতাশ করেছি, তার হিসাব নেই। তবুও আপনি আমাকে এই রাত পর্যন্ত পৌঁছাতে দিয়েছেন। আমাকে আগের মতো ফিরিয়ে দেবেন না। আমাকে এমনভাবে ধুয়ে-মুছে দিন, যেন শুধু গুনাহ থেকেই নয়, গুনাহের ভালোবাসা থেকেও আমি পরিষ্কার হয়ে যাই।

৫. ভেতরের কষ্ট, ভয় ও দুর্বলতার দোয়া

হে আল্লাহ, আমার ভেতরে এমন কিছু অংশ আছে, যা আমি কাউকে দেখাই না। আমার সন্দেহ, আমার অনিরাপত্তা, ভবিষ্যৎ নিয়ে ভয়, অতীত নিয়ে অপরাধবোধ—সব আপনি দেখেন। আমি যদি ভেতরে ভেতরে ভেঙে পড়ি, তবে আমাকে জোড়া লাগান। আমি যদি পথ হারাই, আমাকে হিদায়াত দিন। আমি যদি দুর্বল হয়ে যাই, আমাকে শক্তি দিন। আপনার ছাড়া আমার আর কোনো আশ্রয় নেই।

৬. আল্লাহর দিকে ফিরে আসার দোয়া

হে আল্লাহ, যদি আমি আপনার থেকে দূরে সরে গিয়ে থাকি, তবে আমাকে কোমলভাবে ফিরিয়ে আনুন। যদি আমার হৃদয় কঠিন হয়ে যায়, তবে আপনার জিকির দিয়ে তা নরম করে দিন। যদি আমি অনেকবার দুনিয়াকে আপনার ওপর প্রাধান্য দিয়ে থাকি, তবে আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার অগ্রাধিকারগুলো ঠিক করে দিন। দুনিয়াকে আমার হৃদয়ে আখিরাতের চেয়ে বড় হতে দেবেন না।

৭. অবহেলা, তাড়াহুড়া ও গাফিলতির জন্য ক্ষমার দোয়া

হে আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করুন—প্রতিটি সেই নামাজের জন্য, যা আমি তাড়াহুড়া করে পড়েছি; প্রতিটি সেই নিয়ামতের জন্য, যা আমি স্বাভাবিক ধরে নিয়েছি; প্রতিটি সেই গুনাহের জন্য, যা আমি নিজের কাছে গ্রহণযোগ্য বানিয়েছি; প্রতিটি সেই মুহূর্তের জন্য, যখন আমি কৃতজ্ঞতার বদলে অবাধ্যতাকে বেছে নিয়েছি। আমি আমার ত্রুটিগুলোর জন্য লজ্জিত, কিন্তু আপনার রহমতের ব্যাপারে আশাবাদী। আমার সবচেয়ে বড় ভুলগুলোর চেয়েও আপনি অনেক মহান।

৮. জীবন বদলে দেওয়ার দোয়া

হে আল্লাহ, আপনি যদি জানেন—আমার হৃদয় আরেকটি বছর একই অবস্থায় টিকে থাকতে পারবে না, তবে আজ রাতেই আমাকে বদলে দিন। যা কিছু আমাকে আপনার থেকে দূরে নিয়ে যাচ্ছে, তা আমার কাছ থেকে সরিয়ে দিন—যদিও তা কষ্টদায়ক হয়। আর তার বদলে এমন কিছু দিন, যা আমাকে জান্নাতের আরও কাছে নিয়ে যায়।

৯. বাবা-মায়ের জন্য দোয়া

হে আল্লাহ, আমার বাবা-মাকে এমন ক্ষমা দিন, যা আসমান পর্যন্ত পৌঁছে যায়; এমন সুস্থতা দিন, যা তাদের শরীরকে আরাম দেয়; আর যখন তারা আপনার কাছে ফিরে যাবে, তখন তাদের কবরকে নূরে ভরে দিন। আমাকে তাদের জন্য সদাকায়ে জারিয়ার কারণ বানান, আফসোসের কারণ বানাবেন না।

১০. ভালো মৃত্যু ও শেষ পরিণতির দোয়া

হে আল্লাহ, আমাকে এমন মৃত্যু থেকে হিফাজত করুন, যা আসে হঠাৎ—আর আমি থাকি গাফিল অবস্থায়। আমার শেষ মুহূর্তগুলোকে আপনার জিকিরে, ইখলাসে এবং আপনার সন্তুষ্টিতে ভরে দিন। আমার শেষ নিঃশ্বাসে যেন আপনার নামই থাকে।

১১. লাইলাতুল কদরে ক্ষমাপ্রাপ্তদের দলে থাকার দোয়া

হে আল্লাহ, যদি আজ রাত লাইলাতুল কদর হয়, তবে আমাকে তাদের মধ্যে লিখে দিন—যাদের আপনি ক্ষমা করেছেন। তাদের মধ্যে লিখে দিন—যাদের আপনি জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিয়েছেন। তাদের মধ্যে লিখে দিন—যাদের তাকদির বদলে গেছে, কারণ তারা আপনার সামনে সত্যিকারের কান্না করেছে। ফেরেশতারা যেন আমার অশ্রুর সাক্ষী হয়, আর আমার দোয়াগুলোকে আসমানের দিকে বয়ে নিয়ে যায়।

শেষের কথা

হয়তো আল্লাহ আপনাকে এই পোস্টে এনেছেন, যেন আপনি এটি আরেকজনের কাছে পৌঁছে দেন। রহমতের এই ধারা ভেঙে দেবেন না। যাকে ভালোবাসেন, তার কাছে পাঠিয়ে দিন। আপনি জানেন না—কার হৃদয় হয়তো এই কথাগুলোর অপেক্ষাতেই আছে।

যেকোনো হালাল বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ইস্তিখারা করুন!ইস্তিখারা কী?ইস্তিখারা অর্থ হলো—আল্লাহর কাছে কল্যাণ চাওয়া।*যখন আম...
12/03/2026

যেকোনো হালাল বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ইস্তিখারা করুন!

ইস্তিখারা কী?
ইস্তিখারা অর্থ হলো—
আল্লাহর কাছে কল্যাণ চাওয়া।
*যখন আমরা কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে দ্বিধায় পড়ি (বিয়ে, চাকরি, ব্যবসা, পড়াশোনা, কোথাও যাওয়া ইত্যাদি), তখন আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতেই ইস্তিখারা করা হয়।

ইস্তিখারা কেন পড়তে হয়?
কারণ—
- আমরা ভবিষ্যৎ জানি না
- কোনটা আমাদের জন্য ভালো, কোনটা খারাপ—তা শুধু আল্লাহ জানেন
তাই ইস্তিখারার মাধ্যমে আমরা বলি:
“হে আল্লাহ, আপনি জানেন, আমি জানি না—আমার জন্য যেটা ভালো সেটাই করে দিন।”

*ইস্তিখারা কখন পড়বেন?*
- যেকোনো হালাল বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে
- ফরজ বা হারাম বিষয়ে ইস্তিখারা নেই

ইস্তিখারা কীভাবে পড়তে হয়?
১. ভালোভাবে অজু করবেন
২. দুই রাকাত নফল নামাজ পড়বেন
(ফরজ নামাজের সাথে মিলাবেন না)
৩. নামাজ শেষে ইস্তিখারার দোয়া পড়বেন
৪. দোয়ার সময় নিজের প্রয়োজনের কথা মনে মনে বলবেন

▫️ ইস্তিখারার দু'আ:

কোন কাজে ভালো মন্দ বুঝতে না পারলে, মনে ঠিক-বেঠিক, উচিত-অনুচিত বা লাভ-নোকসানের দ্বন্দ্ব আল্লাহর নিকট মঙ্গল প্রার্থনা করতে দুই রাকআত নফল নামায পড়ে নিম্নের দুআ পঠনীয়।

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْتَخِيرُكَ بِعِلْمِكَ ، وَأَسْتَعِينُكَ بِقُدْرَتِكَ ، وَأَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ الْعَظِيمِ ، فَإِنَّكَ تَقْدِرُ وَلا أَقْدِرُ ، وَتَعْلَمُ وَلا أَعْلَمُ وَأَنْتَ عَلامُ الْغُيُوبِ ، اللَّهُمَّ إِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هَذَا الأَمْرَ () خَيْرٌ لِي فِي دِينِي وَمَعَاشِي وَعَاقِبَةِ أَمْرِي وَعَاجِلِهِ وَآجِلِهِ ، فَاقْدُرْهُ لِي وَيَسِّرْهُ لِي ثُمَّ بَارِكْ لِي فِيهِ وَإِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هَذَا الأَمْرَ شَرٌّ لِي فِي دِينِي وَمَعَاشِي وَعَاقِبَةِ أَمْرِي وَعَاجِلِهِ وَآجِلِهِ فَاصْرِفْهُ عَنِّي ، وَاصْرِفْنِي عَنْهُ ، وَاقْدُرْ لِيَ الْخَيْرَ حَيْثُ كَانَ ، ثُمَّ رَضِّنِي بِهِ

উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস্‌তাখীরুকা বিইলমিকা অ আস্‌তাক্‌দিরুকা বি কুদরাতিকা অ আসআলুকা মিন ফায্বলিকাল আযীম, ফাইন্নাকা তাক্‌দিরু অলা আক্‌দিরু অতা’লামু অলা আ’লামু অ আন্তা আল্লা-মুল গুয়ূব। আল্লা-হুম্মা ইন কুন্তা তালামু আন্না হা-যাল আমরা ( ) খাইরুল লী ফী দীনী অ মাআ’শী অ আ’কিবাতি আমরী অ আ’-জিলিহী অ আ-জিলিহ, ফাক্‌দুরহু লী, অ য়্যাসসিরহু লী, সুম্মা বা-রিক লী ফীহ। অ ইন কুন্তা তা'লামু আন্না হা-যাল আমরা শাররুল লী ফী দীনী অ মাআ’শী অ আ’-কিবাতি আমরী অ আ’-জিলিহী অ আ-জিলিহ, ফাস্বরিফহু আন্নী অস্বরিফনী আনহু, অক্বদুর লিয়াল খাইরা হাইসু কা-না সুম্মা রায্বযিনী বিহ।

অর্থঃ হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি তোমার নিকট তোমার ইলমের সাথে মঙ্গল প্রার্থনা করছি। তোমার কুদরতের সাথে শক্তি প্রার্থনা করছি এবং তোমার বিরাট অনুগ্রহ থেকে ভিক্ষা যাচনা করছি। কেননা, তুমি শক্তি রাখ, আমি শক্তি রাখি না। তুমি জান, আমি জানি না এবং তুমি অদৃশ্যের পরিজ্ঞাতা। হে আল্লাহ! যদি তুমি এই ( ) কাজ আমার জন্য আমার দ্বীন, দুনিয়া, জীবন এবং কাজের বিলম্বিত ও অবিলম্বিত পরিণামে ভালো জান, তাহলে তা আমার জন্য নির্ধারিত ও সহজ করে দাও। অতঃপর তাতে আমার জন্য বৰ্কত দান কর। আর যদি তুমি এই কাজ আমার জন্য আমার দ্বীন, দুনিয়া, জীবন এবং কাজের বিলম্বিত ও অবিলম্বিত পরিণামে মন্দ জান, তাহলে তা আমার নিকট থেকে ফিরিয়ে নাও এবং আমাকে ওর নিকট থেকে সরিয়ে দাও। আর যেখানেই হোক মঙ্গল আমার জন্য বাস্তবায়িত কর, অতঃপর তাতে আমার মনকে পরিতুষ্ট করে দাও।

প্রথমে (هَذَا الأَمْرَ) ‘হা-যাল আমরা এর স্থলে বা পরে কাজের নাম নিতে হবে অথবা মনে মনে সেই জ্ঞাতব্য বিষয়ের প্রতি ইঙ্গিত করতে হবে।

সে ব্যক্তি কর্মে কোনদিন লাঞ্ছিত হয় না, যে আল্লাহর নিকট তাতে মঙ্গল প্রার্থনা করে, অভিজ্ঞদের নিকট পরামর্শ গ্রহণ করে এবং ভালো-মন্দ বিচার করার পর কর্ম করে। (বুখারী ৭/ ১৬২, আবু দাউদ ২/৮৯, তিরমিযী ২/৩৫৫, আহমাদ ৩/৩৪৪)।

ইস্তিখারার পর কী হবে?
• স্বপ্ন দেখা জরুরি নয়।
• মন যেদিকে স্বস্তি পায়
• কাজটি সহজ হয়ে যায় বা দূরে সরে যায়
—এভাবেই আল্লাহ সিদ্ধান্ত স্পষ্ট করেন

বিশ্বাস রাখুন
ইস্তিখারার পর আল্লাহ যা ঘটাবেন—সেটাই আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো।

আল্লাহ আমাদের সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার তাওফিক দিন।আমিন।

☞ ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে ইসলামিক অনুপ্রেরণা কে ফলো দিয়ে রাখুন!

এই লেখাগুলো পড়ার সময় অনেকেরই হবে না 🥹হয়তো বেশিরভাগ বোনেরা এড়িয়ে যাবেন 🥹তারপরেও দিলাম একজন যদি দেখে তাতেই আমি ধন্য ❤...
26/02/2026

এই লেখাগুলো পড়ার সময় অনেকেরই হবে না 🥹
হয়তো বেশিরভাগ বোনেরা এড়িয়ে যাবেন 🥹
তারপরেও দিলাম একজন যদি দেখে তাতেই আমি ধন্য ❤️

আমার খুব প্রিয় একটা কাজ হলো মোনাজাতের ভাষা শেখা, আল্লাহপাকের কাছে চাইতে শেখা।

আমার খুব প্রিয় একটা কাজ হলো মোনাজাতের ভাষা শেখা, আল্লাহপাকের কাছে চাইতে শেখা। আমরা চাইতেও জানিনা, গাড়ি চাই, বাড়ি চাই, টাকা চাই অথচ সুন্দর ভাষায় দুনিয়া আর আখিরাতের কল্যাণ চাইলে কিন্তু সব cover হয়! সুন্দর একটা মোনাজাত সংগ্রহ করেছি আজকে। কথাগুলো বেশিরভাগই জানা, চেষ্টা করি এভাবেই আল্লাহপাকের কাছে চাইতে। ফেসবুক ওয়ালে দিয়ে দিলাম আমার মতন আরো অনেকেই যাতে শিখতে পারে।

"আলহামদুলিল্লাহ রব্বিল আলামিন ওয়াস সালাতু ওয়াস সালামু আলা সায়্যিদিল মুরসালিন।

ইয়া আল্লাহ, ইয়া রহমান, ইয়া রহিম, ইয়া যাল যালালি ওয়াল ইকরাম, ইয়া মালিক, ইয়া খালিক, ইয়া রব। রব্বুল আলামীন আপনার ঐ মহান নামের উছিলায় আমাদের দুনিয়া ও আখেরাতের কল্যাণ দিন।

আমাদের রিযিক বৃদ্ধি করে দিন, আমাদের কে ঋনমুক্ত, অভাব মুক্ত, চিন্তা মুক্ত রাখুন মাবুদ। রব্বুল আলামীন আমাদের কে নেক হায়াত দান করুন, আমাদের পিতা মাতার মঙ্গল করুন।

যেসব আত্মীয় স্বজন কবরবাসি হয়েছে তাদের কবর গুলো আপনি জান্নাতের বাগান বানিয়ে দিন, তাদের কবরের আজাব মাফ করে দিন।

রব্বুল আলামীন আপনার তাওহীদ-

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু এর উছিলায়, আমাদের মনের নেক ইচ্ছে গুলো কবুল আর মঞ্জুর করুন আল্লাহ।

রব্বুল আলামীন মা বাবার সন্তানদের উপর রহমত বর্ষণ করুন, স্বামী স্ত্রীর মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে ভালোবাসা বাড়িয়ে দিন, প্রত্যেকটি পরিবারের উপর রহমত বর্ষণ করুন, আমাদের মানসিক দুশ্চিন্তা, দুঃখ কষ্ট দূর করে দিন।

আমি জানিনা কিভাবে ডাকলে আমার ডাকে সাড়া দিবেন..আমি জানিনা কিভাবে চাইলে আমার চাওয়া পূরণ করবেন...আমি জানিনা কিভাবে হাত উঠালে আমার হাত ভরে দিবেন আমি জানিনা কিভাবে দোয়া করলে আমার দোয়া কবুল করবেন..কিন্তু আপনি তো আপনার গুনাহগার বান্দার অন্তরের খবর জানেন., ইয়া রব! আপনি তো অন্তরটাই দেখেন এবং আপনিই তো বলেছেন,, তোমরা আমাকে ডাকো আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিবো-তোমরা আমার কাছে চাও আমি তোমাদের চাওয়া পূরণ করব।

আপনিই তো বলেছেন খালি হাতে ফিরিয়ে দিতে আপনি লজ্জা বোধ করেন।

আমি অযোগ্য আমার যোগ্যতার বাহিরে আপনি অনেক কিছুই দান করেছেন।

আমি এবারও বিশ্বাস করি আপনি আমাকে নিরাশ করবেন না..

আমি জানি আমি ছাড়া আপনার অনেক উত্তম বান্দা আছে কিন্তু আমার আপনি ছাড়া কেউ নেই ইয়া রব!

আমার আবদার করার মতো, ডাকার মতো, চাওয়ার মতো আপনি ছাড়া আর কেউ নেই।

ইয়া রব! আমি দুর্বল আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নেবেন না! আমি তার উপযুক্ত নই, আমার জন্য পরীক্ষা সহজ করে দিন।

আপনি আমার ডাকে সাড়া দিন, আমার চাওয়া পূরণ করুন, ইয়া
মালিক,

আমার খালি হাত আপনার রহমত দিয়ে পরিপূর্ণ করে দিন..!!!

আমিন.!!!"

সাওয়াবের নিয়তে পৌঁছে দিন সবার কাছে

#মোনাজাত

26/02/2026

হে আমার রব আমাকে একটু দয়া করুন

25/02/2026

একবার এক সাহাবী রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে বললেন:

ইয়া রাসূলাল্লাহ! কেউ একজন গুনাহ করল। এখন কী হবে?

আল্লাহর রাসূল বললেন: يكتب عليه - তার গুনাহ লিখে রাখা হবে।

এরপর সে আবার বলল: ইয়া রাসূলাল্লাহ! সে এরপর তাওবা করে ফেলল আর ইস্তিগফারও করল। এখন কী হবে?

হুযুর বললেন: يُغْفَرُ له ويتابُ عليه - তাকে মাফ করে দেয়া হবে তার তাওবাও কবুল করা হবে।

সাহাবীর মনের মধ্যে এখনো প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। তিনি ভাবছেন: আচ্ছা! গুনাহ তো মাফ হলো। তাওবাও কবুল হলো। আবার যদি গুনাহ করে তাহলে কী হবে? মনের মাঝে প্রশ্ন এসেছে আর নবী আলাইহিস সালামও তো বিরক্ত হবেন না। যাই! জিজ্ঞেস করেই আসি। তিনি আবার বললেন: ইয়া রাসূলাল্লাহ! সে যদি আবার গুনাহ করে। এখন?

আল্লাহর নবী তো! তিনি তো জানেন কী উত্তর দিতে হবে। বললেন: হ্যাঁ! তার গুনাহ আবার লেখা হবে।

সাহাবী ভাবলেন: গুনাহ যদি আবার লেখা হয় তাহলে তো আবার তাওবা ইস্তিগফার করতে হবে। তিনি জিজ্ঞেস করলেন: হুযুর! সে আবার তাওবা করল এবং আবারো গুনাহ মাফ চাইলে কি আল্লাহ মাফ করবেন?

এবার আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে উত্তরটা দিলেন তা শোনার সাথে সাথে আপনার মুখ দিয়ে বের হবে 'ওয়াহ'। আল্লাহ তায়ালা এত দয়ালু!

হুযুর এবার বললেন:

يُغْفَرُ له ويتابُ عليه ويثاب على توبته ولا يمَلُّ اللهُ حتَّى تمَلُّوا

তাকে মাফ করে দেয়া হবে। তার তাওবা কবুল করা হবে। তার তাওবার কারণে তাকে সাওয়াবও দেয়া হবে। এখানেই শেষ নয়। তোমরা ক্ষমা চাইতে চাইতে ক্লান্ত হয়ে যেতে পারো কিন্তু আল্লাহু আযযা ওয়াজাল্লাহ মাফ করতে করতে ক্লান্ত হবেন না। [তাবারানী]

এজন্যই তো বলেছেন সেই মালিক:

اِلَّا مَنۡ تَابَ وَ اٰمَنَ وَ عَمِلَ عَمَلًا صَالِحًا فَاُولٰٓئِكَ یُبَدِّلُ اللّٰهُ سَیِّاٰتِهِمۡ حَسَنٰتٍ ؕ

তবে যে তাওবা করে ও ঈমান আনে এবং নেক আমল করে। পরিণামে আল্লাহ তাদের গুনাহগুলো সাওয়াবে পরিবর্তন করে দেবেন।

ভাবা যায়! আমরা কেমন মালিকের গোলাম। যে মালিক তার বান্দাকে কাছে টেনে নিতে যেন সবসময় প্রস্তুত হয়েই আছেন। কিন্তু বান্দা তো যায় না। আমরা ভাবি বা অনেকসময় বলেও ফেলি: আল্লাহ তো আমার অকল্যাণই চায় তাইলে আমি মাফ চেয়ে কী হবে? আরে! আপনি গুনাহকে তো গুনাহই মনে করেন না। গুনাহ যদি মনে করতেন তবে আপনি মালিকের দরবারে লুটোপুটি করে কাঁদতেন। আর আপনার মালিকের রহমে জোয়ার এসে যেত।

এজন্যই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

إنَّ المؤمنَ يرَى ذنوبَه كأنه في أصلِ جبلٍ يخافُ أنْ يقعَ عليه وإنَّ الفاجرَ يرَى ذنوبَه كذبابٍ وقع على أنفِه قال به هكذا ، فطار .

নিশ্চয়ই মুমিনের কোনো গুনাহ হয়ে গেলে সে তার গুনাহকে এমনভাবে দেখে যেন সে পাহাড়ের গোড়ায় বসে আছে এবং ভয় পাচ্ছে এই বুঝি পাহাড়টা তার উপর ধ্বসে পড়ল বলে! আর পাপাচারী যখন গুনাহ করে সে তার গুনাহকে দেখে যেন একটা মাছি তার নাকে এসে বসল আর সে 'হুশ' করে তাড়িয়ে দিলো। আর মাছিটা উড়ে গেলো। [তিরমিযী]

গুনাহ করার পর যদি আপনার অস্বস্তি না লাগে। আপনার মনে ভয় না ধরে। তাহলে আপনি কীভাবে আশা করেন যে আল্লাহ তায়ালা আপনাকে তাওবা নসীব করবেন। ইস্তিগফারের তাওফিক দেবেন। আপনি তো গুনাহকে মাছির মত হালকা মনে করেন আর নিজের গুনাহের ব্যাপারে বাহানা দেয়া শুরু করেন। এটাই তো আল্লাহ তায়াল বলেছেন:

بل الإنسان على نفسه بصيرة ولو ألقى معاذيرة

মানুষ নিজের ব্যাপারে খুব ভালোমতই জানে। যদিও সে নানা বাহানা দিতে থাকে।

এবার আপনিই ঠিক করুন আপনি কোন কাতারে থাকবেন। আল্লাহর কাছে ভেঙে পড়া মুমিনের কাতারে নাকি সেই মুনাফিকের কাতারে যে কিনা কোনোদিন মালিকের কাছে ফিরে আসে না আবার অভিযোগ করে কেন তাকে মালিক মাফ করলো না। বলুন!

26/01/2026




28/11/2025

আপনি ছাড়া কোন মাবুদ নেই আল্লাহ
আপনি ক্ষমা না করলে কারো ক্ষমতা নেই ক্ষমা করার



25/03/2025

আল্লাহ আপনি ক্ষমাশীল
আমাকে ক্ষমা করে দিন

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic Insights posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share