Raaf islam

Raaf islam Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Raaf islam, Religious organisation, Dhaka.

12/05/2024

জীবনসঙ্গী___________..

কাউকে মন থেকে হালাল ভাবে চেয়েও যদি জীবনসঙ্গী হিসেবে তাকে না পান তাহলে কখনোই তাতে দুঃখ পাবেন না আফসোস করবেন না। যদি কখনো কাউকে আপনার ভালো লাগে যদি বুঝতে পারেন যে তাকে ভালোবেসে ফেলেছেন তাহলে পছন্দের মানুষটির সঙ্গে কখনোই হারাম রিলেশনশিপ এ লিপ্ত হবেন না। কখনোই না। যদি তাকে প্রকৃত ভালোবেসে ফেলেন যদি তাকে জীবনসঙ্গী হিসেবে সারাজীবনের জন্য পেতে চান তাহলে পছন্দের মানুষকে পাবার আশায় সালাতুল হাজত নামাজ পড়িবেন। মহান আল্লাহকে মনের কথা গুলো বলবেন। মহান আল্লাহ কে বলবেন যে, হে আমার রব আমি যা বলতে চাচ্ছি তার কোনো কিছুই আপনার অজানা নয়। রব আমার অপরাধ ক্ষমা করবেন, আমি একজনকে খুবই ভালোবেসে ফেলেছি তাকে আমি আমার জীবনসঙ্গী হিসেবে পেতে চাই। হে আমার পরওয়ারদিগার, আমি জানিনা আমি যাকে চাচ্ছি সে আমার জন্য কল্যাণকর নাকি অকল্যাণকর। মালিক, আমি যাকে চাচ্ছি যদি সে আমার জন্য অকল্যাণকর হয়ে থাকে তাহলে তুমি আমাকে তার প্রতি আসক্ত হওয়া থেকে হেফাজত করো । তাকে চিরতরে ভুলে যাবার জন্য আমাকে সাহায্যে করুন। আর যদি সে আমার জন্য কল্যাণকর হয় তাহলে আপনি আমাকে সাহায্য করুন। তাকে যেনো আমি হালাল ভাবে নিজের জীবনসঙ্গী হিসাবে পেয়ে যায় সেই ব্যবস্থা আপনি করে দিন। রব, আমি আপনার সাহায্যের অপেক্ষায় আছি। আমার রব দয়া করে আমার মনের কথাগুলো কবুল করুন। এই পাপী বান্দার দু'য়া গুলো দয়া করে কবুল করে নেন। এইভাবেই নিজের মনের কথাগুলো সেজদায় পড়ে দুচোখের পানি নিয়ে প্রিয় রব কে বলবেন। আপনার জন্য যেটা উওম হবে অবশ্যই মহান আল্লাহ আপনার জন্য সেটাই করবেন। যাকে চাচ্ছেন তাকে যদি জীবনে পেয়ে যান তাহলে ভেবে নিবেন অবশ্যই সেই মানুষটা আপনার জন্য কল্যাণকর ছিল। যা মহান আল্লাহ আপনাকে দয়া করে উপহার দিয়েছেন। আর যদি তাকে জীবনে না পান তাহলে ভেবে নিবেন সেই মানুষটি আপনার জন্য অকল্যাণকর ছিল। যা থেকে মহান আল্লাহ আপনাকে হেফাজত করেছেন। যেটাই জীবনে ফলাফল আসুক না কেন উভয়ের জন্যই মহান আল্লাহর নিকট শুকরিয়া আদায় করবেন।

এখন তো অধিকাংশ মানুষ-ই লোভে পড়ে বিয়ে করে এবং লোভে পড়ে-ই হারাম রিলেশনশিপ এ লিপ্ত হয়। আর অধিকাংশ নারী-পুরুষ-ই শুধুমাত্র সেক্স করার জন্যই হারাম রিলেশনশিপ এ লিপ্ত হয়। এটাই হচ্ছে বাস্তবতা।

যাইহোক, আপনি যাকে বিয়ে করার জন্য পাগল হয়েছেন অথবা যাকে আপনি এত ভালোবাসেন তার পিছনে অবশ্যই কিন্তু কিছু না কিছু কারণ আছে। অনেক ধরনের কারণ-ই থাকতে পারে। সেই কারণ গুলোর মধ্যে প্রধান কিছু কারণ হচ্ছে জীবনসঙ্গীর___রুপ-সৌন্দর্য, অর্থবিত্ত, যোগ্যতা, যশ-খ্যাতি, দ্বীনদার, উওম চরিত্রবান এবং গুনাগুণ ইত্যাদি ইত্যাদি। মূলত মানুষ এসবের প্রতি-ই সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট হয়। যার ফলে ছেলে-মেয়ে একে অপরকে ভালোবাসে এবং জীবনসঙ্গী হিসেবে পেতে চাই।

ধরুন, আপনি হয়তো এমন একজনকেই পছন্দ করেছেন যেমনটা আপনি মনে মনে চাচ্ছেন। আর তাকেই চাচ্ছেন জীবনসঙ্গী হিসেবে পেতে। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তা সম্ভব নয়। তাই আপনার মনে অনেক কষ্ট, অনেক আফসোস করছেন এই ভেবে যে, যাকে আপনি চেয়েছিলেন তাকে পেলে জীবনে হয়তো-বা অনেক সুখী হইতেন। তাকে পেলে হয়তো আপনার জীবনটাই পরিবর্তন হয়ে যেতো এটা সেটা ইত্যাদি ইত্যাদি। সেই আশাতেই তাকে পাবার জন্য হয়তো হাজারো কষ্ট সহ্য করেছেন, হয়তো তার জন্য অনেক কিছুই করেছেন যা কেবল একমাত্র মহান আল্লাহ-ই ভালো জানেন। এতকিছু করার পরেও দুর্ভাগ্যবশত তাকে জীবনে জীবনসঙ্গী হিসেবে পাননি। তাই তো এখনো হয়তো-বা হায় আফসোস, হায় আফসোস করেন দুঃখ পান এবং হতাশায় ভুগেন।

আচ্ছা যাকে মনে মনে চেয়েছেন কিন্তু পাননি তাকে জীবনে জীবনসঙ্গী হিসেবে পেলে আসলেই কি আপনি সুখী হইতেন? এই প্রশ্নের উওরে একেকজন একেকরকম মন্তব্য করবে। একেকজন একেকরকম ভাবে তার মনের কথাগুলো প্রকাশ করবে। কেউ বলবে__হ্যাঁ তাকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পেলে অবশ্যই অনেক অনেক সুখী হইতাম আর কেউ বলবে___তাকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পেলে হয়তো-বা সুখী হইতাম না।

আসলে এখানে বাস্তবতা বলতে কি জানেন? যে যা-ই কিছু বলুক না কেন তবুও বাস্তবতা এটাই যে, যাকে আপনি পছন্দ করেন ভালোবাসেন অথবা যাকে আপনি আপনার জীবনে জীবনসঙ্গী হিসাবে পেতে চাচ্ছেন তাকে পেলেই যে জীবনে সুখী হবেন তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। আবার তাকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পেলে যে অসুখী হবেন তাও কিন্তু নয়। জীবনে একসঙ্গে সারাটি জীবন চলার পথে এই সুখী-অসুখী হওয়া উভয়ই নির্ভর করছে আপনি যাকে পছন্দ করেন যাকে জীবন সঙ্গী হিসেবে পেতে চাচ্ছেন তার কাজ কর্মের মাঝে, তার স্বভাব-চরিত্রের মাঝে। সেটা আপনি হারাম ভালোবাসায় লিপ্ত হয়ে বৎসরের পর বৎসর প্রেম করে কখনো বাস্তবতা বুঝতে পারবেন না। বাস্তবতা তখনই উপলব্ধি করতে পারবেন যখন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবেন। যখন সারাটি জীবন একসঙ্গে কাটাবেন তখনই আপনার জীবনসঙ্গীর ভালো-মন্দ সকল দিকগুলো আপনি বুঝতে পারবেন জানতে পারবেন। আরও বাস্তবতা কি জানেন? আপনি যাকে পছন্দ করেন, ভালোবাসেন তাকে বিবাহের আগে দেখবেন এক রুপে আর যখন তার সঙ্গে আপনি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবেন তখন দেখবেন অন্য রুপে। বিয়ের আগের রুপ এবং পরের রুপ কখনোই মিলবে না। কখনোই না। আর যদিও তা মিলে তা সংখ্যায় খুবই কম পাবেন। আর সেটা ভাগ্যের প্রয়োজন। তা ব্যতীত সম্ভব নয়।

আপনি যদি হালাল ভাবে সঠিক মানুষটিকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিতে পারেন তাহলে আপনি জিতে যাবেন। আর যদি জীবনে জীবনসঙ্গী হিসেবে সঠিক মানুষটাকে বাছাই করতে ব্যর্থ হন তাহলে ভীষণভাবেই হেরে যাবেন। তবে কখনোই হারাম রিলেশনশিপ এ লিপ্ত হবেন না। যেই হারাম রিলেশনশিপ কে মহান আল্লাহ হারাম করেছেন যেই হারাম রিলেশনশিপ কে মহান আল্লাহ অপছন্দ করেন সেখানে আপনি কীভাবে হারাম রিলেশনশিপ কে পছন্দ করেন? কীভাবেই-বা মহান আল্লাহর অবাধ্য হয়ে তাতে সুখী হবেন বলুনতো?

অধিকাংশ নারী-পুরুষ-ই এখন হারাম রিলেশনশিপ এ লিপ্ত হয়ে প্রতিনিয়ত সেক্সে লিপ্ত হচ্ছে। তারা তাদের পবিত্র চরিত্র কে অপবিত্র করে ফেলে। সর্বদা তারা হতাশায় ভুগে। হারাম রিলেশনশিপ এ লিপ্ত হয়ে তারা মা-বাবার মনে কষ্ট দিচ্ছে, মহান আল্লাহর অবাধ্য হচ্ছে এবং নিজের ভার্জিনিটি হারাচ্ছে। হারাম রিলেশনশিপ এ লিপ্ত হয়ে তারা তাদের জীবনসঙ্গীকেও ভীষণভাবেই ঠকাচ্ছে। কখনোই হারাম রিলেশনশিপ এ প্রকৃত শান্তি খুঁজে পাবেন না৷ কখনোই না। যা পাবেন তা শুধুই অশান্তি আর অশান্তি। এই হারাম রিলেশনশিপ এ লিপ্ত হবার কারণে হাজারো সমস্যার সম্মুখীন হবেন। নিজের জীবন থেকে অনেক কিছুই হারিয়ে ফেলবেন। হারাম রিলেশনশিপ এ লিপ্ত হয়ে তারা নিজের উপর নিজেই প্রতিনিয়ত জুলুম করছে। এই হারাম রিলেশনশিপ এ লিপ্ত হয়ে একদিন মানুষ ধ্বংস হয়ে যায়। মানুষের সুন্দর একটি জীবন অসুন্দরে পরিণত হয়ে যায়। প্রতিনিয়ত-ই তারা পাপের সাগরে হাবুডুবু খায়। একদিন মহান আল্লাহ আপনার সকল পাপের হিসেব আপনার কাছ থেকে পই পই করে নিবেন।

তবে জীবনে যাকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে পেতে চান না কেন যদি তাকে জীবনে জীবনসঙ্গী হিসেবে না পান তাহলে কখনোই দুঃখ পাবেন না। কখনোই তাতে আফসোস করবেন না। কারণ, কাউকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পাওয়া না পাওয়ার সিদ্ধান্ত একমাত্র মহান আল্লাহর কাছে। মহান আল্লাহ তাকেই আপনার জীবনে পাঠাবেন আপনি যেমন কর্ম করবেন। আপনার কর্ম অনুযায়ী-ই ফল পাবেন। যদি আপনি ব্যাক্তি হিসেবে প্রকৃত ভালো হন যদি আপনার চরিত্র প্রকৃত ভালো হয় তাহলে অবশ্যই ভালো কাউকে জীবনে পাবেন। আর যদি আপনি ব্যাক্তি হিসেবে খারাপ হন যদি আপনার চরিত্র খারাপ হয় তাহলে জীবনে খারাপ কোনো কিছু পাবার-ই আশঙ্কা থাকবে সবচেয়ে বেশি। কখনো কখনো ভিন্নরকমও হয়। ভালো ব্যাক্তি পাই খারাপ জীবনসঙ্গী আর খারাপ ব্যাক্তি পাই ভালো একজন জীবনসঙ্গী। এটা হচ্ছে মহান আল্লাহর তার বান্দার প্রতি একটি বিশেষ পরীক্ষা। এই পরীক্ষা প্রকৃত মুমিন নারী-পুরুষদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। যারা এই পরীক্ষায় সফল হয় তারাই একদিন সুখী হয়, তারাই একদিন পুরস্কার পাই। তা দুনিয়াতে না হলেও আখিরাতে নিশ্চিত।

এই দুটো কথা সর্বদা মনে রাখবেন,

(১)কখনো কারো উপরের চাল-চলন, তার ধন-সম্পদ, তার বংশমর্যাদা, তার রূপ-সৌন্দর্য ও যোগ্যতা দেখে মুগ্ধ হয়ে যেও না। অন্যথায় একদিন লাঞ্ছিত ও ভীষণ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সেইসকল কিছুর ঊর্ধ্বে অতি গুরুত্বপূর্ণ দেখার প্রয়োজন তার দ্বীনদারী, স্বভাব-চরিত্র এবং ধৈর্য।

(২)জীবনে চাইলেই হয়তো-বা বড় বড় হুজুর-বুজুর্গ, হাফেজ-হাফেজা, আলেম-আলেমা, মুফতি এবং যোগ্যতাবান ও ইসলামিক স্কলারদের কে জীবনসঙ্গী হিসেবে পাবেন। কিন্তু জীবনে একজন প্রকৃত দ্বীনদার, জ্ঞানী এবং উওম চরিত্রের জীবনসঙ্গী চাইলেই পাবেন না।

(Raaf islam)

03/05/2024

শ্রদ্ধা তাদেরকেই করুন যারা আপনাকে শ্রদ্ধা করে, ভালোবাসে এবং গুরুত্ব দেয়। তাদেরকেই ভালোবাসুন যে আপনার সকল বিপদাপদের সময় সর্বদা পাশে থাকে। তাদের জন্যই দু'আ করুন যারা আপনার সর্বদা ভালো চাই এবং আপনার দুঃখে দুঃখ পায়। তাদেরকেই সাহায্যে করুন যারা আপনাকে সর্বদা সাহায্য করে।

আর যারা আপনার সঙ্গে ভাব দেখায়, আপনার কথাবার্তায় এবং আপনার সঙ্গ বিরক্তবোধ হয় তাদেরকে এড়িয়ে চলুন। যারা অন্যের নিকট আপনার পরিচয় দিতে দ্বিধাবোধ করে আপনিও কখনোই অন্যের নিকট তাদের পরিচয় দিবেন না। আপনাকে যারা পর ভাবে আপনিও তাদেরকে পর ভাবুন। যারা নিজেকে সর্বদা জ্ঞানী ভাবে আর মানুষকে হিংসে করে এইসকল মূর্খদের নিকট থেকে দূরে থাকুন। যারা যোগ্যতায় এগিয়ে আছে বলে আপনাকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে, অহংকার করে, অপছন্দ করে সেইসকল মূর্খরদের নিকট থেকেও দূরে থাকুন। হোক সে আপন কিংবা পর তাতে কী-বা আসে যায়! যে আপনার সঙ্গে যেমন করবে আপনিও তার সঙ্গে তেমনই করবেন।

আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব এবং অন্যান্য যেই হোক না কেন যে আপনার সঙ্গে যেমন ব্যবহার করবে আপনিও তার সঙ্গে তেমনই ব্যবহার করবেন। যারা আপনাকে মূল্যায়ন করে না আপনিও তাদেরকে কখনোই মূল্যায়ন করবেন না। যে আপনাকে যতটুকু শ্রদ্ধা করবে, ভালোবাসবে এবং পছন্দ করবে আপনিও তাকে ঠিক ততটুকুই শ্রদ্ধা করুন, ভালোবাসুন আর পছন্দ করুন। যারা আপনার পাশ এড়িয়ে চলে আপনিও তাদের পাশ এড়িয়ে চলুন।

(Raaf islam)

30/04/2024

হারাম রিলেশনশিপ এর মধ্যে আরামের চেয়ে দুঃখ-ই বেশি পাবেন। যেটাকে মহান আল্লাহ হারাম করেছেন সেটাতে কীভাবে আপনি আরাম পাবেন বলুনতো?

(Raaf islam)

30/04/2024

অধিকাংশ নারী-পুরুষ-ই হারাম রিলেশনশিপ এ লিপ্ত হয়ে প্রতিনিয়ত সেক্স করে।

(Raaf islam)

29/04/2024

হারাম রিলেশনশিপ এ লিপ্ত হয়ে অধিকাংশ নারী-পুরুষ-ই প্রতিনিয়ত সেক্সে লিপ্ত হয়। হারাম রিলেশনশিপ এর প্রকৃত ফলাফল একদিন যা পাবেন তা হচ্ছে___নিজের সতীত্ব হারাবেন, চরিত্রহীন হয়ে যাবেন। ব্রেকআপ হবে ও ঠকে যাবেন। ভবিষ্যত জীবনসঙ্গীকে ভীষণভাবেই ঠকাবেন। মহান আল্লাহর অবাধ্য হবেন, মা-বাবারও অবাধ্য হবেন। জীবন থেকে অনেক কিছুই হারিয়ে যাবে। সময় এবং টাকার অপচয় হবে। মান-মর্যাদা নষ্ট হবে। প্রতিনিয়ত-ই হতাশায় ভুগবেন, কষ্ট পাবেন, কান্না করবেন এবং নেশায় আসক্ত হয়ে যাবেন। অপমানিত হবেন, বিভিন্নরকম সমস্যার সম্মুখীন হবেন। অধিকাংশ মানুষ-ই আত্মহত্যা করবে। আপনিও ধ্বংসের শেষ প্রান্তে চলে যাবেন। সুন্দর একটি জীবন অসুন্দরে পরিণত হবে। হাজারো পাপের ভাগিদার হবেন।

(Raaf islam)

29/04/2024

দুনিয়াতে যে যত বড়ই হিরো, সেলেব্রিটি অথবা যা কিছুই হোক না কেন তার ভক্ত হয়ে তার জন্য তাকে একবিন্দু দেখার জন্য, তাকে স্পর্শ করার জন্য, তার চালচলন গুলো অনুসরণ করার জন্য ইত্যাদি ইত্যাদি এগুলোর জন্য কখনোই পাগল হয়ে যাবেন না। কখনো নিজের ক্ষতি করে, নিজ পরিবারকে কষ্ট দিয়ে অন্যদেরকে কষ্ট দিয়ে তাদের জন্য কিছু করতে যাবেন না। তাদের পিছু অযথা সময় নষ্ট করবেন না। তাদের জন্য আপনি যত কিছুই করুন না কেন দিনশেষে দেখবেন ফলাফল শূণ্য। যদিও আপনার কোনো পছন্দের হিরো, সেলেব্রিটি অথবা যেই হোক না কেন তার সাথে যদি দেখার সুযোগ পান, কথা বলার সুযোগ পান তাহলে দেখবেন আপনাকে অনেক কষ্ট আর যুদ্ধ করেই তাদের সামনে আসতে হবে। তারপর তাদের সাথে কিছু ছবি তুলতে পারবেন আর সাময়িক একটু আনন্দ পাবেন তা ব্যতীত আর কিছুই নয়। কিন্তু এই সাময়িক আনন্দ আর মনের আশা গুলো পূরণ করার জন্য দেখবেন অধিকাংশ অতিরিক্ত পাগল ভক্তরা তাদের মান-মর্যাদা হারায়, তারা নিজেও কষ্ট পায় অন্যদেরকেও কষ্ট দেয়। তারা নিজের ক্ষতি নিজেরাই করে।

এমন ধরনের পাগল ভক্তদের অভাব নেই এই দুনিয়ায়। যারা নিজের পছন্দের হিরো, সেলিব্রিটি কিংবা যেইহোক না কেন তার পছন্দের মানুষ হইলেই ভক্তরা তাদের জন্য নিজের জীবনটাও দিয়ে দেয়। তারা তো বোকা ব্যতীত কিছুই নয়।

আচ্ছা তারা কি কখনো ভেবে দেখে না যে, তারা কাদের জন্য পাগল হয়েছে? যেখানে মহান আল্লাহ এসব ছবি, নাটক, গান ইত্যাদি ইত্যাদি গুলো হারাম করেছে সেখানেই তাদের পছন্দের মানুষ গুলো দিন-রাত পাপের সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছে। যেখানে মহান আল্লাহ নারী-পুরুষদেরকে পর্দা করতে বলেছেন সেখানে তারা প্রতিনিয়ত অশ্লীল কথাবার্তা, অশ্লীল ভাবভঙ্গী ইত্যাদি ইত্যাদিতে প্রতিনিয়ত লিপ্ত হচ্ছে। তাদের এগুলো দেখেই মানুষ হারাম প্রেমে লিপ্ত হচ্ছে আরও কত মানুষ কত ধরনের পাপে যে প্রতিনিয়ত হাবুডুবু খাচ্ছে তা কেবল একমাত্র মহান আল্লাহই ভালো জানেন। আর আমরা উচ্চ শিক্ষিত ভক্তরা পছন্দের তারুকাদের দেখেই হাত তালি দেয়, আনন্দ পায়, উপভোগ করি এবং তাদের পাগল ভক্ত হয়ে যায়। কারণ, তারা চলচ্চিত্র জগতের আইডল। তারপর তাদেরকে আমরা অনুসরণ করি, তাদের জন্য নিজের পক্ষে যতটুকু করার ক্ষমতা আছে ততটুকু দিয়েই সর্বোচ্চ চেষ্টা করি তাদেরকে খুশী রাখতে।

তারপর নিজের পছন্দের তারুকাদের নিয়ে কেউ কিছু বললে আমরা প্রচন্ড রেগে যায়। ঝগড়াঝাটি করি, মারামারি হয় এমনকি প্রায় সময়-ই নিজের জীবনটাও হারাতে হয়। কারণ নিজের পছন্দের তারুকাদের নিয়ে মন্দ কিছু বললে কেউ-ই তা সহ্য করতে পারে না। অথচ দেখুন যেই ভক্ত গুলো আজকে তার তারুকাদের জন্য জন্য এত কিছু করছে, এত ভালোবাসা এত শ্রদ্ধা ইত্যাদি ইত্যাদি তাদের সেই আইডল তারুকা গুলো তাকে চিনেও না। তার বিপদেও কখনোই ছুটে আসে না। মরে গেলেও দেখতে আসে না। মরে গেলে তো দূরের কথা তাকে তো চিনেই না, জীবনে দেখেইনি তো কেন আসবে তাকে দেখতে? আর সে তো তারুকাদের কোন বিশেষ কেউ-ই না। তাহলে কোন দুঃখে আসবে তারুকারা তার লাশ দেখার জন্য!

এখন একটু ভেবে দেখুনতো আপনি যাকে এত এত পছন্দ করেন,ভালোবাসেন, শ্রদ্ধা করেন সেই মানুষটাই প্রতিনিয়ত মহান আল্লাহ আইন অমান্য করে চলছে, সেই প্রতিনিয়ত অহরহ পাপের সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছে, সেই মহান আল্লাহর ইবাদত থেকে অনেক দূরে চলে গেছে, সেই আপনাকে চিনে না, জানে না, আপনার দুঃখে-সুখেও কোন দিন তাকে পান না তারপরেও কেন আমরা তাদেরকে ভালোবাসি, শ্রদ্ধা করি, অনুসরণ করি, আইডল মানি বলুন? শুধুমাত্র তাদেরকে ভালো লাগে বলে, পছন্দ করি বলেই কি আজ তাদের প্রতি আমাদের এত ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, অনুসরণ?

এখন একটু ভেবে দেখুনতো আমরা কাদেরকে পছন্দ করি, ভালোবাসি, অনুসরণ করি,শ্রদ্ধা করি। যারা মহান আল্লাহকে প্রকৃত ভালোবাসে, ভয় পায়, সকল হারাম থেকে দূরে থাকে এবং সকল পাপ কাজকর্ম থেকে নিজেকে হেফাজতে রাখে তাদেরকে আমরা ভালোবাসি নাকি যারা মহান আল্লাহর অবাধ্য পথে চলে, মহান আল্লাহর কথা ভুলে গিয়ে দুনিয়াদারী নিয়ে ব্যস্ত আছে তাদেরকে আমরা,পছন্দ করি, ভালোবাসি, অনুসরণ করি, শ্রদ্ধা করি? প্রকৃতপক্ষে আমরা কাদেরকে পছন্দ করি, ভালোবাসি, অনুসরণ করি, শ্রদ্ধা করি এটা এখন আপনিই ভেবে দেখুন। কারণ, আপনিই বলতে পারবেন আপনি কাদেরকে সবচেয়ে বেশি মূল্য দিচ্ছেন। আপনিই বলতে পারবেন আপনার পছন্দ-অপছন্দের মানুষ কারা। আপনিই ভালো জানেন আপনি কাদেরকে অনুসরণ করছেন।

আপনি ব্যক্তিগত ভাবে দুনিয়ার যাকেই ভালোবাসুন না কেন যাকেই পছন্দ, শ্রদ্ধা, অনুসরণ আর ভালোবাসুন না কেন একদিন মহান আল্লাহ আপনার কাছ থেকে আপনার সকল ভাল-মন্দ কাজকর্মের হিসেব পই পই করে নিবেন। সেইদিন এইগুলোরও হিসেব দিতে হবে যে, আপনার আইডল কে কে ছিলো, আপনার পছন্দের, শ্রদ্ধার মানুষ কে কে ছিলো। আপনি কাদেরকে অনুসরণ করতেন, ভালোবাসতেন এবং কাদের সাথে আপনার উঠাবসা ছিলো। মহান আল্লাহ কিয়ামত এর মাঠে আপনার কাছ থেকে এগুলোর হিসেব পই পই করে নিবেন। পারবেন তো সেইদিন আপনার পছন্দদের হিরো, সেলিব্রিটি আর তারুকাদের তাদের নাম বলে ভয়ংকর আজাব থেকে বেঁচে যেতে? পারবেন তো দুনিয়ায় আপনি যাদেরকে ভালোবাসতেন, শ্রদ্ধা করতেন, অনুসরণ করতেন আর যাদের সাথে প্রতিনিয়ত উঠাবসা করতেন তাদের কথা বলে মহান আল্লাহর আজাব-গজব থেকে বাঁচতে? পারবেন তো আজকে যাদের জন্য ইসলামিক স্কলারদের বিরুদ্ধে কথা বলছেন, যাদের জন্য আলেমদের বিরুদ্ধে কথা বলছেন, সড়যন্ত্র করছেন তাদের পরিচয় দিয়ে জাহান্নামের আগুন থেকে নিজেকে বাঁচাতে? অপেক্ষায় থাকুন খুব শ্রিঘ্রই আপনি আপনার কৃতকমের ফলাফল ভোগ করবেন। আপনার কর্ম অনুযায়ী-ই আপনি ফল পাবেন।

(Raaf islam)

29/04/2024

জীবন যুদ্ধে চলার পথে ভালোবাসার মানুষ-ই হোক কিংবা বন্ধুবান্ধ-ই হোক যেই হোক না কেন কাউকেই আপনি আপনার মনের মতো করে পাবেন না। দেখবেন, আপনি যাদেরকে অনেক ভালোবাসেন, শ্রদ্ধা করেন এবং যাদেরকে আপনি প্রিয়জন ভাবেন, গুরুত্ব দেন তারাই একদিন আপনার সামান্য ভুলের কারণে আপনাকে ছেড়ে চলে গেছে। তাদের চোখে খারাপ হয়ে যাবেন। কখনোই তারা আপনার কোন খোঁজ-খবর নিবে না। বরং আপনার উপস্থিতিটাতেও তারা বিরক্তবোধ হবে। আপনি মরে গেলেও তারা কখনোই আপনার লাশটা দেখতে আসবে না। এমনকি আপনাকে চিনেও তারা না চেনার ভং করবে।

আপনার সকল ভুল গুলো ক্ষমা করে দিয়ে, আপনার ভুল গুলো আপনাকে দেখিয়ে,বুঝিয়ে আপনাকে ভালোবেসে বুকে টেনে নিবে এমন একজন প্রকৃত ভালোবাসার মানুষ, বন্ধুবান্ধব কিংবা যেই হোক না কেন তাকে জীবনে পাওয়াটা খুবই দুষ্কর। যে আপনার দুঃখ গুলো বুঝতে পারবে, আপনার ভুল গুলো না দেখে আপনার ভালো দিক গুলোকে দেখবে। আপনাকে ভালো জ্ঞান দিবে এবং সর্বদা আপনার সকল বিপদাপদ এর সময় পাশে থাকবে। আপনি অপরাধ করার পর আপনি তা বুঝতে পারার পর লজ্জিত হয়ে অনুতপ্ত হয়ে তার কাছে ক্ষমা চাইবার আগেই সে আপনার কাছে এসে উল্টো ক্ষমা চাইবে এইভেবে যে, আপনি আপনার ভুল গুলো বুঝতে পারার পর কষ্ট পাচ্ছেন, অনুতপ্ত হয়েছেন এবং লজ্জায় কোন কিছু তাকে বলতে পারছেন না এইগুলোর জন্য। এমন প্রকৃতির মানুষ জীবনে পাওয়াটা প্রায় অসম্ভব।

(Raaf islam)

23/04/2024

জীবন যুদ্ধে চলার পথে যতো বেশি বোকা হবেন ততই বেশি বিপদের সম্মুখীন হবেন। এবং যতো বেশি সরল হবেন ততই বেশি ঠকে যাবেন। আর মানুষের নিকট যখন নিজের দুর্বলতার কথা প্রকাশ করবেন তখনই বিপদাপদ এবং কষ্টের সম্মুখীন হবেন। যখন মানুষ জানতে পারবে বোঝতে পারবে যে, আপনি একজন বোকা, সহজ-সরল আর আপনার দুর্বলতার কথা গুলো যখন সব জানতে পারবে তখনই মানুষ আপনাকে ঠকাবে, আপনার সরলতার সুযোগ নিবে, আপনাকে বিপদে ফেলবে। আপনাকে নিয়ে তারা হাসি-তামাশা করবে। আপনাকে কীভাবে বিপদে ফেলানো যায়, কীভাবে আপনাকে অপমান করা যায় ও কীভাবেই-বা আপনার ক্ষতি করা যায় সেই চিন্তাভাবনাতেই সবাই-ই তখন মগ্ন থাকবে। তারা আপনাকে তাদের প্রয়োজনের বেলায় ব্যবহার করবে। যখন আপনার প্রয়োজনের গুরুত্ব তাদের কাছে শেষ হয়ে যাবে তখনই তারা আপনাকে অপ্রয়োজনীয় কাগজের পাতার মতো ছুড়ে ফেলে দেবে। তখন তারা আপনাকে চিনেও না চেনার ভং করবে। একসময় আপনি তাদের কাছে ঘৃণার পাত্র হয়ে যাবেন। এভাবেই একদিন তারা আস্তে-ধীরে আপনার জীবন থেকে চিরতরে দূরে সরে যাবে।

(Raaf islam)

20/04/2024

শিক্ষিত প্রতিবেশীর গুরুত্ব____

একজন ছাত্র-ছাত্রী'র বাড়ির প্রতিবেশীরা যদি শিক্ষিত হয় তাহলে এটা তাদের জন্য খুবই মূল্যবান একটি বিষয়। প্রতিবেশীরা যদি শিক্ষিত হয় তাহলে তাদের কাছ থেকে লেখাপড়া বিষয়ে অনেক সাহায্যে পাওয়া যায়। যা ছাত্র-ছাত্রীদের জীবনে অনেক বড় একটি ভূমিকা পালন করে। পড়াশোনার বিষয়ে যেইকোনো সমস্যার সমাধান তাদের কাছে গিয়ে পাওয়া যায়। প্রতিবেশীরা যখন শিক্ষিত হয় তখন ছোট-বড় সকল ধরনের মানুষ-ই তাদের কাছ থেকে যেইকোনো ভাল-মন্দ সম্পর্কে সকল কিছুই বুঝতে পারে জানতে পারে এবং শিখতে পারে। একজন শিক্ষিত মানুষ সবার জন্যই একজন উপকারী প্রকৃত বন্ধু। যে সর্বদা সবাইকে অন্ধকার পথ থেকে বের করে আলোর পথ দেখায়। জীবনে চলার পথে উওম পথ দেখায়। তাই জীবনে চলার পথে শিক্ষিত ব্যাক্তিদের সঙ্গে উঠাবসা করা অতি উত্তম। তাদের সঙ্গে আপনি চললে অনেক কিছুই জানতে পারবেন, বোঝতে পারবেন এবং শিখতে পারবেন। ভালো মন্দের পার্থক্য বোঝতে পারবেন। তাদের কাছ থেকে ভালো কিছু শিক্ষা গ্রহণ করতে পারবেন। প্রতিবেশীরা শিক্ষিত হলে কতটা যে লাভ সেটা কেবল একজন ছাত্র-ছাত্রীরাই ভালো জানে। সেটা কেবল মূর্খরাই জানে। সেটা কেবল একজন মাতা-পিতা-ই ভালো জানেন। মাতা-পিতা জানেন তাদের সন্তানদেরকে মানুষের মতো মানুষ বানানোর জন্য একটি ভালো পরিবেশ কতটা যে গুরুত্বপূর্ণ। একটি শিক্ষিত সমাজ যে জীবনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

আর যেই ছাত্র-ছাত্রীদের বাড়ির প্রতিবেশীরা মূর্খ থাকে তখন এই বিষয়টা তাদের জন্য খুবই দুঃখজনক একটি বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। তখন ছাত্র-ছাত্রীরা ইচ্ছে করিলেই তাদের মূর্খ প্রতিবেশীদের কাছ থেকে লেখাপড়া বিষয়ে কখনোই কোনো সাহায্যে পায় না। কখনো তাদের কাছ থেকে উওম কোনো উপদেশ আশা করা যায় না। বরং তারা আপনাকে কুমন্ত্রণা দিয়ে তাদের লেভেল এ নিয়ে যাবার চেষ্টা করবে। আপনাকে তারা কখনোই জীবনে উন্নতি করতে দেবে না। তারা আপনার সকল ভালো কাজেই বাধা সৃষ্টি করবে। আপনার উন্নতি দেখলে মূর্খরা হিংসায় জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়ে যাবে। তাই তারা আপনার ক্ষতি করার জন্য সারাক্ষণ-ই আপনার পিছু লেগে থাকবে। আর সুযোগ পেলেই আপনার ক্ষতি করে বসবে। অধিকাংশ মানুষ-ই তাদের মূর্খ প্রতিবেশীদের প্রভাবে নষ্ট হয়ে যায়। মূর্খ প্রতিবেশীদের পাল্লায় পড়ে নষ্ট হয়ে যায় হাজারো মানুষের সুন্দর একটি জীবন।

(Raaf islam)

18/04/2024

অধিকাংশ খারাপ মানুষেরই স্বভাব চরিত্র এমন যে, তারা নিজে কোনে কিছু পারে না, জানে না, বোঝে না তাই তারা অন্যদের কেও ভালো কিছু করতে দেয় না। অন্যের ভালো কাজে তারা সর্বদা বাঁধা সৃষ্টি করে আর অন্যের ব্যাপারে সর্বদা সবার নিকট মিথ্যা মন্দ মন্তব্য করে থাকে। কারণ তারা অন্যদের গুণাবলী দেখে হিংসায় একদম জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়ে যায়। তাই তারা মানুষের পা টেনে কীভাবে নিচে নামাবে সেই চিন্তাভাবনাতেই সারাক্ষণ মগ্ন থাকে। এইসকল খারাপ চরিত্রের মানুষ গুলোই হচ্ছে মানসিক রোগী এবং শয়তানের বন্ধু। এগুলোই হচ্ছে প্রকৃত মূর্খ। এইসকল মানসিক রোগী গুলো খুবই ভয়ংকর। তারা সুযোগ পেলেই মানুষের ক্ষতি করে। এবং অন্যের ক্ষতিতে তারা আনন্দ পায়। অন্যের দুঃখে তারা খুশী হয়।

এই ধরনের স্বভাব-চরিত্রের মানুষ গুলোই হচ্ছে প্রকৃত____খারাপ, মূর্খ, মানসিক রোগী, ছোটলোক এবং অপদার্থ। এগুলো সারাজীবন মানুষের পিছনেই লেগে থাকে আর পিছনেই সারাজীবন পড়ে থাকবে তবুও কখনোই সামনে এগোতে পারবে না। কখনোই তারা নিজে ভালো কিছু করে দেখাতে পারবে না। কারণ সেই যোগ্যতা তাদের মাঝে নেই। যদি সেই যোগ্যতা তাদের মাঝে থাকতো তাহলে তারা কখনোই অন্যের প্রতিভা নিয়ে হাসি-তামাশা করতো না। তারা শুধু মানুষকে নিয়ে হাসি-তামাশা-ই করতে পারবে, গীবত-ই করতে পারবে, সমালোচনা-ই করতে পারবে কিন্তু কখনোই নিজে ভালো কোনো কিছু করে সবাইকে দেখাতে পারবে না। কখনোই না। তাইতো মানুষের ভালো কোনো কিছু দেখলে তাদের শরীর জ্বলে উঠে। আর হতাশায় ভুগে। এইসকল খারাপ চরিত্রের মানুষ গুলো দুনিয়া ও আখিরাত উভয়ের মধ্যেই একদিন ভীষণভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তারা তাদের কৃতকর্মের ফলাফল গুলো দুনিয়াতে না পেলেও আখিরাতে নিশ্চিত পাবে। এই সকল মন্দ লোক গুলো থেকে মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন।

(Raaf islam)

08/04/2024

এক ধরনের অধিকাংশ শিক্ষিত মূর্খরা আছে যারা সর্বদা নিজেকে জ্ঞানী ভাবে এবং অন্যদেরকে মূর্খ ভেবে নিজেকে ভাবে মহাজ্ঞানী।

(Raaf islam)

08/04/2024

জীবনের সুখ-শান্তি গুলো কেড়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ যেকোনো সমস্যা-ই যথেষ্ট। হোক সেটা শারীরিক সমস্যা কিংবা অন্যান্য সমস্যা। সমস্যা মানেই হচ্ছে সুন্দর একটি জীবন অসুন্দর এ পরিণত হবার প্রধান মাধ্যম। যার কারণে প্রতিনিয়ত মানুষ কষ্ট পায় এবং হতাশায় ভুগে। একসময় জীবন থেকে অনেক কিছুই হারিয়ে ফেলে এবং অনেক কিছুই হারিয়ে যায়। আর একদিন মানুষ গুলো আস্তে-ধীরে ধ্বংসের শেষ প্রান্তে চলে যাই।

(Raaf islam)

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Raaf islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share