The School Of Islamic Authentic Thought

The School Of Islamic Authentic Thought কোরআন ও সহীহ্ হাদিস প্রচার মাধ্যম।
||প্রোটন||
"The School Of Islamic Authentic Thought."

21/09/2022

⚫আল কুরআনের গুরুত্বপূর্ণ একশ নির্দেশনাঃ

০১. কথাবার্তায় কর্কশ হবেন না। (০৩ঃ১৫৯)
০২. রাগকে নিয়ন্ত্রণ করুন (০৩ঃ১৩৪)।
০৩. অন্যের সাথে ভালো ব্যবহার করুন। (০৪ঃ ৩৬)
০৪. অহংকার করবেন না। (০৭ঃ ১৩)
০৫. অন্যকে তার ভুলের জন্য ক্ষমা করুন (০৭ঃ ১৯৯)
০৬. লোকদের সাথে ধীরস্থির হয়ে শান্তভাবে কথা বলুন। (২০ঃ ৪৪)
০৭. উচ্চস্বরে কথা বলবেন না। (৩১ঃ ১৯)
০৮. অন্যকে উপহাস করবেন না (৪৯ঃ ১১)
০৯. পিতামাতার প্রতি দায়িত্বশীল আচরণ করুন। (১৭ঃ ২৩)
১০. পিতামাতার প্রতি অসম্মানজনক শব্দ উচ্চারণ করবেন না। (১৭ঃ ২৩)
১১. অনুমতি না নিয়ে পিতামাতার শোবার ঘরে প্রবেশ করবেন না। (২৪ঃ ৫৮)
১২. ঋণ গ্রহণ করলে তা লিখে রাখুন। (০২ঃ ২৮২)
১৩. কাউকে অন্ধভাবে অনুসরণ করবেন না। (০২ঃ ১৭০)।
১৪. ঋণ গ্রহণকারীর কঠিন পরিস্থিতিতে পরিশোধের সময় বাড়িয়ে দিন। (২ঃ ২৮০)
১৫. কখনো সুদের সাথে জড়িত হবেন না। (০২ঃ ২৭৫)
১৬. কখনো ঘুষের সাথে জড়িতে হবেন না। (০২ঃ১৮৮)
১৭. প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করবেন না। (০২.১৭৭)
১৮. আস্থা রাখুন (০২ঃ ২৮৩)
১৯. সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশ্রিত করবেন না। (২:৪২)
২০. ইনসাফের সাথে বিচার করবেন। (০৪ঃ ৫৮)
২১. ন্যায়বিচারের জন্য দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে যান। (০৪: ১৩৫)
২২. মৃতদের সম্পদ তাদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সুষ্ঠভাবে বিতরণ করুন। (০৪ঃ ০৭)
২৩. মহিলাদের উত্তরাধিকারের অধিকার আদায় করুন। (০৪ঃ ০৭)
২৪. এতিমদের সম্পত্তি গ্রাস করবেন না। (০৪.১০)
২৫. এতিমদের রক্ষা করুন। (০২.২২০)
২৬. অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করবেন না। (০৪ঃ ২৯)
২৭. মানুষের মধ্যে বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য চেষ্টা করুন। (৪৯ঃ ০৯)
২৮. সন্দেহ এড়িয়ে চলুন। (৪৯ঃ ১২)
২৯. গুপ্তচরবৃত্তি করবেন না, কুৎসা রটাবেন না। (৪৯ঃ ১২)
৩০. আল্লাহর বিধানুসারে বিচার করুন। (০৫ঃ ৪৫).
৩১. সাদাকাতে সম্পদ ব্যয় করুন। (৫৭ঃ০৭)
৩২.দরিদ্রকে খাবার খাওয়ান। (১০৭ঃ ০৩)
৩৩. অভাবীকে অভাব পূরুনের উপায় বলে দিন। (০২ঃ ২৭৩)
৩৪. অপব্যয় করবেন না। (১৭ঃ ২৯)
৩৫. খোঁটা দিয়ে দানকে নষ্ট করে দিবেন না। (০২ঃ ২৬৪)
৩৬. অতিথিকে সম্মান করুন। (৫১ঃ ২৬)
৩৭. কেবলমাত্র নিজে আমল করে তারপর সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অন্যকে আমল করার আদেশ দিবেন। (০২ঃ৪৪)
৩৮. কাউকে গালাগালি করবেন না। (০২ঃ ৬০)
৩৯. লোকজনকে মসজিদে যেতে বাধা দিবেন না। (০২ঃ ১৪৪)
৪০. কেবল তাদের সাথেই লড়াই করুন, যারা আপনার সাথে লড়াই করে (০২ঃ ১৯০)
৪১. যুদ্ধের শিষ্টাচার মেনে চলুন। (০২ঃ ১৯১)
৪২. যুদ্ধেংদেহী হবেন না। (০৮ঃ১৫)
৪৩. দ্বীন নিয়ে বাড়াবাড়ি করবেন না। (০২ঃ ২৫৬)
৪৪. সকল নবির উপর ঈমান আনুন। (২: ২৮৫)
৪৫. স্ত্রীর মাসিকের সময় যৌন মিলন করবেন না। (০২ঃ ২২২)
৪৬. আপনার শিশুকে পূর্ণ দুবছর বুকের দুধ খাওয়ান। (০২ঃ ২৩৩)
৪৭. অননুমোদিত উপায়ে যৌন মিলন করবেন না। (১৭ঃ ৩২)
৪৮. যোগ্যতা অনুসারে নেতৃত্বের দায়িত্ব অর্পণ করুন। (০২ঃ ২৪৭)
৪৯. কোনো ব্যক্তিকে সামর্থ্যের বাহিরে বেশি বোঝা চাপিয়ে দিবেন না। (০২ঃ ২৮৬)
৫০. বিভক্তি উসকে দিবেন না। (০৩ঃ ১০৩)
৫১. মহাবিশ্বের বিস্ময় ও সৃষ্টি সম্পর্কে গভীরভাবে চিন্তা করুন (৩: ১৯১)
৫২. আমল অনুযায়ী পুরুষ ও মহিলাদের সমান পুরষ্কার পাবেন; তাই আমল করুন। (৩: ১৯৫)
৫৩. 'মাহরাম' আত্মীয়কে বিবাহ করবেন না। (০৪ঃ ২৩)
৫৪. পুরুষ হিসেবে মহিলাদের সুরক্ষা দিন। (০৪ঃ ৩৪)
৫৫. কৃপণ হবেন না । (০৪ঃ ৩৭)
৫৬. অন্তরে পরশ্রীকাতরতা পুষে রাখবেন না। (০৪ঃ ৫৪)
৫৭. একে অপরকে হত্যা করবেন না। (০৪ঃ ৯২)
৫৮. প্রতারণার পক্ষে ওকালতি করবেন না। (০৪ঃ ১০৫)
৫৯. পাপ কাজে এবং আগ্রাসনে সহযোগিতা করবেন না। (০৫ঃ০২)
৬০. সৎ কাজে সহযোগিতা করুন। (০৫ঃ ০২)
৬১. সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেই কোনোকিছু সত্য বলে গ্রহণ করবেন না। ( ০৬ঃ ১১৬)
৬২. ন্যায়বিচার করুন। (০৫ঃ ০৮)
৬৩. অপরাধীকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিন। (০৫ঃ ৩৮)
৬৪. পাপ ও বেআইনী কাজের বিরুদ্ধে লড়াই করুন (০৫ঃ ৬৩)
৬৫. মৃত প্রাণী, রক্ত, শুকরের মাংস ভক্ষণ থেকে দূরে থাকুন। (০৫ঃ ০৩)
৬৬. মাদক এবং অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন (৫:৯০)
৬৭. জুয়া খেলবেন না। (০৫ঃ ৯০)
৬৮. অন্য ধর্মের দেবদেবীদের অবমাননা করবেন না। (০৬ঃ ১০৮)
৬৯. ক্রেতাকে ঠকানোর উদ্দ্যেশ্যে মাপে কম দিবেন না। (০৬ঃ ১৫২)
৭০. খান এবং পান করুন; তবে অপচয় করবেন না। (০৭ঃ ৩১)
৭১. নামাজের সময় ভালো পোশাক পরিধান করুন। (০৭ঃ ৩১)
৭২. আশ্রয়প্রার্থীকে সুরক্ষা দিন, সহযোগিতা করুন। (০৯ঃ ০৬)
৭৩. বিশুদ্ধতাকে আঁকড়ে ধরুন। (০৯ঃ ১০৮)
৭৪. আল্লাহর রহমতের আশা কখনই পরিত্যাগ করবেন না। (১২ঃ ৮৭)
৭৫. অজ্ঞতাবশত ভুল করলে আল্লাহর ক্ষমা প্রত্যাশা করুন। ( ১৬ঃ ১১৯)
৭৬. মানুষকে আল্লাহর পথে আহ্বান করুন হিকমা ও উত্তমভাবে। (১৬ঃ ১২৫)
৭৭. অন্যের পাপের বোঝা কাউকে বইতে হবে না, বিশ্বাস করুন। (১৭ঃ ১৫)
৭৮. দারিদ্র্যের ভয়ে আপনার বাচ্চাদের হত্যা করবেন না। (১৭ঃ ৩১)
৭৯. যে বিষয়ে জ্ঞান আপনার জ্ঞান নাই, সে বিষয়ে কারও পিছু লাগবেন না। (১৭ঃ ৩৬)
৮০. নিরর্থক কাজ থেকে দূরে থাকুন। (২৩ঃ ০৩)
৮১. অনুমতি না নিয়ে অন্যের বাড়িতে প্রবেশ করবেন না। (২৪ঃ ২৭)
৮২. যারা আল্লাহকে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, তাদের জন্য তিনি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করবেন, এই বিশ্বাস রাখুন। (২৪:৫৫)
৮৩. জমিনে নম্রভাবে চলাফেরা করুন। (২৫ঃ ৬৩)
৮৪. পৃথিবীতে আপনার অংশকে অবহেলা করবেন না। (২৮ঃ ৭৭)
৮৫. আল্লাহর সাথে অন্য কোনো উপাস্যকে ডাকবেন না। (২৮ঃ ৮৮)
৮৬. সমকামিতার ঘৃণ্য কাজে লিপ্ত হবেন না। (২৯ঃ ২৯)
৮৭. সৎ কাজের আদেশ দিন, অসৎ কাজে বাধা দিন। (৩১ঃ ১৭)
৮৮. জমিনের উপর দম্ভভরে ঘুরে বেড়াবেন না। (৩১ঃ ১৮)
৮৯. মহিলারা তাদের জাকজমকপূর্ণ পোষাক প্রদর্শন করে বেড়াবেন না। (৩৩ঃ ৩৩)
৯০. আল্লাহ সকল গুনাহ ক্ষমা করেন, বিশ্বাস রাখুন। (৩৯ঃ ৫৩)
৯১. আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হবেন না। (৩৯ঃ ৫৩)
৯২. ভালো দ্বারা মন্দকে প্রতিহত করুন। (৪১ঃ ৩৪)
৯৩. পারস্পরিক পরামর্শের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুন। (৪২ঃ ১৩)
৯৪. সর্বোত্তম মানুষ হওয়ার লড়াই করুন। (৪৯ঃ ১৩)
৯৫. বৈরাগ্যবাদী হবেন না। ( ৫৭ঃ ২৭)
৯৬. জ্ঞান অন্বেষণে ব্যাপৃত হোন। ( ৫৮ঃ ১১)
৯৭. অমুসলিমদের সাথে সদয় এবং নিরপেক্ষ আচরণ করুন। (৬০ঃ ০৮)
৯৮. লোভ থেকে নিজেকে বাঁচান। (৬৪ঃ ১৬)
৯৯. আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। (৭৩ঃ ২০)
১০০. ভিক্ষুককে ফিরিয়ে দিবেন না। (৯৩ঃ ১০)

বিঃদ্রঃ ৬৪ সূরা নাম্বারঃ ১৬ আয়াত নম্বর।
আল্লাহ আমাদের নির্দেশনা গুলি আমল করার তাওফিক দান করুন।
©️

19/09/2022

❑ রিয়া কি?

রিয়া (الرياء) অর্থ: লোক দেখানো, প্রদর্শন করা বা প্রদর্শনেচ্ছা।
ইসলামের পরিভাষায়, মানুষকে দেখানোর উদ্দেশ্যে কোন আমল সম্পাদন করাকে রিয়া বলা হয়। অন্য কথায়, আল্লাহর জন্য করণীয় ইবাদত পালনের মধ্যে মানুষের দর্শন, প্রশংসা বা বাহবার ইচ্ছা পোষণ করাকে রিয়া বলে।
অর্থাৎ যখন কোন মানুষ নামায, রোযা, দান-সদকা, কুরআন তিলাওয়াত বা দ্বীনের কোনও কাজ করবে এ উদ্দেশ্যে যে, মানুষ তার প্রশংসা করবে, মানুষ জানবে যে, সে দ্বীনদার, নামাযী, সৎকর্ম শীল, সবাই তাকে দানশীল বলবে, সমাজে সে ভাল মানুষ হিসেবে পরিচিত হবে, মানুষ তাকে বাহবা দিবে, তার নামে মিছিল-শ্লোগান দিবে... তাহলে তখন এ আমলটি রিয়া হিসেবে পরিগণিত হবে।

❑ রিয়ার ভয়াবহতা:

রিয়া হল, ছোট শিরক। এর মাধ্যমে মানুষের আখিরাতের প্রতিদান ধ্বংস হয়। হাদিসে এর ভয়াবহতা কথা উল্লেখিত হয়েছে এভাবে:

মাহমুদ ইবনে লাবীদ রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
إِنَّ أَخْوَفَ مَا أَخَافُ عَلَيْكُمْ الشِّرْكُ الأَصْغَرُ قَالُوا وَمَا الشِّرْكُ الأَصْغَرُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ الرِّيَاءُ يَقُولُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ لَهُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِذَا جُزِيَ النَّاسُ بِأَعْمَالِهِمْ اذْهَبُوا إِلَى الَّذِينَ كُنْتُمْ تُرَاءُونَ فِي الدُّنْيَا فَانْظُرُوا هَلْ تَجِدُونَ عِنْدَهُمْ جَزَاءً
‘‘আমি সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি তোমাদের ব্যাপারে ভয় পাই তা হল, শিরক আসগর বা ক্ষুদ্রতর শিরক। সাহাবীগণ প্রশ্ন করেন: হে আল্লাহর রাসুল, শিরক আসগর কী? তিনি বলেন: রিয়া বা প্রদর্শনেচ্ছা। কিয়ামতের দিন যখন মানুষদেরকে তাদের কর্মের প্রতিফল দেওয়া হবে তখন মহান আল্লাহ এদেরকে বলবেন, তোমরা যাদের দেখাতে তাদের নিকট যাও, দেখ তাদের কাছে তোমাদের পুরস্কার পাও কি না!’’ (আহমদ, আল-মুসনাদ ৫/৪২৮-৪২৯; হাইসামী, মাজমাউয যাওয়াইদ ১/১০২। হাদিসটি সহীহ)

Remember, Death has no age
16/09/2022

Remember, Death has no age

20/08/2022

Sometimes we get what we ask for, sometimes not. But every time, it is to test our faith in Allah, Glorified and Exalted, which increases our patience. Your faith in Allah should not waiver because of unanswered prayer. Rather, it should be rooted in the evidence of Tawheed (The Oneness of God) found in the Holy Books; the Qur’an, the Gospels and the Torah.

20/08/2022

Don't waste your time with people you will never marry. If he/she refuses to go one step further, they will always fall down. It's like climbing the stairs... there are no half stairs. If you don't raise your foot high enough you could fall down. Happiness is to have someone who believes in Allah, who shares your feelings, who helps you in difficult times and who loves you whatever happen. May Allah SWT bless you with a pious spouse. Ameen

জান্নাতী রমণীর কিছু আলামত:=================বিভিন্ন হাদীস থেকে জান্নাতী রমণীর পরিচয়ে নিম্ন লিখিত বিষয়গুলো জানা যায়:০১. জা...
20/08/2022

জান্নাতী রমণীর কিছু আলামত:
=================
বিভিন্ন হাদীস থেকে জান্নাতী রমণীর পরিচয়ে নিম্ন লিখিত বিষয়গুলো জানা যায়:

০১. জান্নাতী রমণী তার উপর ফরয-ওয়াজিব যাবতীয় নেক ও পূণ্যের কাজে অংশ নেয় এবং তার পালনকর্তার ইবাদত করে তাঁর হক আদায় করে। সলাত-সিয়াম প্রভৃতি ফরয কাজে কখনো শিথীলতা করে না।

০২. জান্নাতী রমণী এমন ক্ষেত্রে স্বামীর আনুগত্য করবে যাতে আল্লাহর নাফারমানী নেই। গুনাহ আছে এমন কাজের আদেশ যদি স্বামী করে, তবে জান্নাতী রমণী তার কথা মানবে না। সুন্দরভাবে তা প্রত্যাখ্যান করবে এবং ঐ অন্যায় থেকে বিরত থাকবে।

০৩. নিজের ইজ্জতের হেফাযত করবে, কখনোই বেপর্দা হবে না- বিশেষ করে স্বামীর অনুপস্থিতিতে বেপর্দা হবে না, কখনই পরপুরুষের সামনে যাবে না।

০৪. স্বামীর সম্পদের হেফাযত করবে ও তার সন্তানদেরকে সঠিকভাবে লালন-পালন করবে। টাকা-পয়সা যত্র-তত্র খরচ করবে না, যা মনে চায় তাই করবে না। কারণ, এই টাকা-পয়সা সম্পর্কেও সে আল্লাহর কাছে জিজ্ঞাসিত হবে।

০৫. সর্বদা এমনভাবে স্বামীর সামনে হাযির হবে যাতে তিনি খুশি হন। এজন্য অতিরিক্ত সাজগোজ ও সৌন্দর্য অবলম্বন করবে। সর্বদা হাসি মুখ নিয়ে তার সামনে থাকার চেষ্টা করবে।

০৬. সাধ্যানুযায়ী স্বামীর খেদমত করবে, তার সন্তানদেরকে উত্তম পন্থায় লালন-পালন করবে, তাদের সৎ সন্তান হিসেবে গড়ে তোলার সর্বোচ্চ চেষ্টা নিয়োগ করবে।

০৭. স্বামী রাগ হলে যে কোন প্রকারে তাকে খুশি করার সর্বাত্মক চেষ্টা করবে। কেননা সেই তার জান্নাত অথবা জাহান্নাম। যেমনটি ইতোপূর্বে হাদীসে উল্লেখ হয়েছে।

০৮. স্বামী তার সঙ্গ চাইলে কোনভাবেই তাতে বাধা দেয়ার চেষ্টা করবে না। তার ডাকে সাড়া দিবে এবং পরিপূর্ণরূপে নিজেকে তার কাছে সমর্পন করবে।

এরকম জান্নাতী রমণী যেন আল্লাহ প্রত্যেক জান্নাতী পুরুষকে দান করেন।
--------------------
লিখেছেন: আবদুল্লাহ আল কাফী বিন আবদুল জলিল..
দাঈ, দক্ষিণ জেদ্দা ইসলামী দাওয়া সেন্টার

15/08/2022

"বান্দার আমল কমে গেলে আল্লাহ তা'আলা তাকে দুশ্চিন্তার পরীক্ষায় ফেলেন।"

- ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বল (রহ.)
[কিতাবুল যুহদ,৬৪]

15/08/2022
15/08/2022

কাউকে জীবনের অপরিহার্য ভাববেন না৷ কেউ না থাকলে আপনার জীবন শেষ এমনটা ভাববেন না। ১০ মাস গর্ভ ধারণ করে জন্ম দেয়া মায়ের সেই মেয়েটিও বিয়ের পর তার বাবার ঘরে গেস্ট হয়ে যায়। এটাই নিয়ম। অন্ধকারে আপনার ছায়াও আপনার সাথে থাকেনা। জীবনে এমনও হয়, যে বলে- 'আমি তো আছি। কোনো টেনশন করো না'; কোনো একসময় হয়তো সে-ই সবচেয়ে বড় টেনশনটা দিয়ে বিদায় নেয়'।
আপনি সুখে আছেন এটাই বড় দুঃসংবাদ তাদের কাছে যারা চেয়েছিল আপনি সুখে না থাকেন। বোকারা জবাব দেয় মুখে, বিচক্ষণরা জবাব দেয় কাজে। বেস্ট হওয়ার জন্য কাউকে পেছনে টেনে ধরতে হবে না, আপনি এগিয়ে গেলে বাকিরা এমনিতেই পেছনে পড়ে থাকবে।

14/08/2022

ফাসেক শাসক এবং কাফের শাসকের মধ্যে পার্থক্যঃ

14/08/2022

“বিশ্বাস করুন”
জাল নোট যেমন টাকার মত লাগে কিন্তু প্রকৃত টাকা নয়।

তেমনি বিদ’আত ইবাদতের মত লাগে কিন্তু প্রকৃত ইবাদত নয়_

প্রশ্ন: ধূমপান করা মাকরুহ নাকি হারাম? “ধূমপান করলে ৪০ দিনের ইবাদত কবুল হয়না”এ বক্তব্য কতটুকু সঠিক?▬▬▬▬▬▬▬▬ ◆◯◆▬▬▬▬▬▬▬▬উত...
13/08/2022

প্রশ্ন: ধূমপান করা মাকরুহ নাকি হারাম? “ধূমপান করলে ৪০ দিনের ইবাদত কবুল হয়না”এ বক্তব্য কতটুকু সঠিক?
▬▬▬▬▬▬▬▬ ◆◯◆▬▬▬▬▬▬▬▬
উত্তর:নি:সন্দেহে মাদকদ্রব্য হচ্ছে সকল অকল্যাণ ও অমঙ্গলের প্রধান উৎস। মাদকের নীল নেশায় ক্ষয়ে যাচ্ছে আমাদের তারুণ্য। মাদকতার গহীন প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে বর্তমান যুবসমাজ।যেসকল মাদকদ্রব্য সমাজ ধ্বংস করছে তার মধ্যে অন্যতম সিগারেট বা ধূমপান। ধুমপান হচ্ছে তামাক (To***co) জাতীয় দ্রব্যাদি বিশেষ উপায়ে প্রক্রিয়াজাত করে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে শ্বাসের সাথে তার ধোঁয়া শরীরে গ্রহণের প্রক্রিয়া। সাধারণ যেকোনো দ্রব্যের পোড়ানো ধোঁয়া শ্বাসের সাথে প্রবেশ করলে তাকে ধূমপান বলা গেলেও মূলত তামাকজাতীয় দ্রব্যাদির পোড়া ধোঁয়া গ্রহণকেই ধূমপান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা,ও বিভিন্ন বিজ্ঞানীগণসহ মোটামুটি সর্বজনীনভাবে স্বীকৃত যে,ধুমপানের কারণে ফুসফুস, মুত্রথলি, ঠোঁট, মুখ, জিহবা ও কণ্ঠনালি, কিডনী ইত্যাদিতে ক্যান্সার ও ব্রংকাইটিস ও হৃদরোগ হয়ে মানুষ মারা যায়। ধুমপান করলে ঠোঁট, দাতের মাড়ি, আঙ্গুল কালো হয়ে যায়। যৌনশক্তি ও ক্ষুধা কমে যায়। এমনকি স্মৃতি শক্তিও কমে যায়।যার ফলাফল স্বরূপ মানুষ দ্রুত মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।অথচ মহান আল্লাহ বলেন- তোমরা নিজেদেরকে ধ্বংসের দিকে নিক্ষেপ করো না (সূরা বাকারা/১৯৫ নিসা,২৯)।আহালুল আলেমগন এই বিষয়ে একমত যে, তামাক (To***co) থেকে তৈরি সকল প্রকার নেশাধার বস্তু গ্রহণ করা হারাম।যারা সিগারেট খাওয়াকে মাকরুহ বলেন তাদের এই বক্তব্যের পক্ষে কোন দলিল নেই তারা মূলত গুল,জর্দা খাওয়ার সেই বাপ-দাদার আমলের প্রথা টিকিয়ে রাখার জন্য এমনটি বলে।অথচ এগুলো নেশাদার দ্রব্য এর অন্তর্ভুক্ত।আল্লাহ্‌ তা'আলা এক্ষেত্রে আমাদেরকে খুব স্পষ্টভাবে বলেছেন যে খাবার ও পানীয়ের ক্ষেত্রে আমরা যেন শুধুমাত্র পবিত্র বস্তু খাই ও পান করি এবং অপবিত্র খাবার ও পানীয় না খাই(সূরা আরাফ,৭/৩২)।অপবিত্র খাবার কি তা আল্লাহ্‌ তা'আলা কুরআন মাজিদে স্পষ্ট করে বলে দিয়েছেন। মদ ও সকল প্রকার নেশাদার দ্রব্যকে আল্লাহ্‌ তা'আলা অপবিত্র ও শয়তানের পথ বলেছেন এবং এর কাছেও যেতে নিষেধ করেছেন (সূরা মায়েদা,৫/৯০)।
তাছাড়া প্রিয় নবী মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর বহু বাণী দ্বারা সূর্যালোকের ন্যায় স্পষ্ট যে, মাদকদ্রব্য সেবন করা হারাম। এ মর্মে তাঁর একাধিক বাণী বিধৃত হয়েছে। যেমন- জাবির (রাযিয়াল্লাহু) থেকে বর্নিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘যে বস্তুর অধিক পরিমাণ ব্যবহারে নেশা আনয়ন করে, ঐ বস্তুর অল্প পরিমাণ ব্যবহার করাও হারাম’।(মুসনাদে আহমাদ, হা/৬৫৫৮; আবু দাঊদ, হা/৩৬৮১; তিরমিযী, হা/১৮৬৫; নাসাঈ, হা/৫৬০৭; ইবনু মাজাহ, হা/৩৩৯৩ ও ৩৩৯৪, সনদ হাসান সহীহ)অপর বর্ননায় রাসূল(সালালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন,‘মাদকতা আনয়নকারী প্রত্যেক বস্ত্তই মদ এবং প্রত্যেক নেশা সৃষ্টিকারী জিনিসই হারাম।(সহীহ মুসলিম,২০০৩, আবূ দাঊদ ৩৬৭৬, নাসায়ী ৫৬৭৩ তিরমিযী ১৮৬১ সহীহ আল জামি‘ ৪৫৫৩,মিশকাত হা/৩৬৩৮)
সিগারেট বা নেশা জাতীয় দ্রব্য পান করা, বহন করা, বিক্রি করা, চাষাবাদ করা, এতে কর্মী হিসাবে কাজ করা সবই হারামের অন্তর্ভুক্ত। (সহীহ বুখারী হা/৬১২৪; আবুদাঊদ হা/৩৪৮৮;তিরমিযী হা/১২৯৫ ইবনু মাজাহ হা/৩৩৮২ মিশকাত হা/২৭৭৬,ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ২৮/৩৩৭; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৩/৫৪, ২২/১৪৪; আল-মাউসূ‘আতুল ফিকহিয়াহ ৫/২৫)
ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃরাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘সব ধরনের নেশাদার দ্রব্য হারাম’(ইবনু মাজাহ হা/৩৩৮৮)।অপর এক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, ‘যে জিনিস এক ফারাক্ব পরিমাণ ব্যবহার করলে নেশা সৃষ্টি হয়, উহা হাতের অঞ্জলি পরিমাণ ব্যবহারও হারাম’।(মুসনাদে আহমাদ, হা/২৪৪৬৮; আবু দাঊদ, হা/৩৬৮৭; তিরমিযী, হা/১৮৬৬; মিশকাত, হা/৩৬৪৬, সনদ সহীহ)
ইবনু ওমর (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃরাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘প্রত্যেক ঐ বস্তু যা বিবেকের ক্ষতি করে সেসবই মদ। আর সব ধরনের মদই হারাম।’[ইবনু মাজাহ হা/৩৩৯০]রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আরো বলেন,প্রত্যেক পানীয় যা নেশা সৃষ্টি করে, তাই হারাম।’ (সহীহ বুখারী, হা/৫৫৮৬;সহীহ মুসলিম, হা/২০০১; মিশকাত, হা/৩৬৩৭)।
সুতরাং যারা এ সকল ক্ষতিকর মাদকদ্রব্য গ্রহণে অভ্যস্ত তাদের জন্য ফরজ হল,অনতিবিলম্বে এগুলো বর্জন করা এবং একনিষ্ঠ ভাবে তওবা করে আল্লাহর পথে ফিরে আসা। মহান আল্লাহ বলেন, হে মুমিনগণ ! তোমরা আল্লাহর কাছে তাওবা কার---বিশুদ্ধ তাওবা সম্ভবত তোমাদের রব তোমাদের পাপসমূহ মোচন করে দেবেন এবং তোমাদেরকে প্রবেশ করবেন জান্নাতে, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত। (সূরা তাহরীম,৬৬/৮)

◾বিড়ি-সিগারেট খেলে কি ৪০ দিনের ইবাদত কবুল হবেনা?
_________________________________________
ধূমপান করা হারাম যা উপরোক্ত আলোচনা থেকে সুস্পষ্ট কিন্তু ধূমপান করলে ৪০ দিনের ইবাদত কবুল হবে না, উক্ত বক্তব্য শরীয়ত সম্মত নয়। কেননা এখানে কিছু শর্ত রয়েছে। হাদীসে বর্ণিত হয়েছে,মদ পান করে কেউ যদি যদি নেশাগ্রস্ত হয় তথা মদের প্রভাবে মাতাল বা মস্তিষ্ক বিকৃত হয় তাহলে আল্লাহ তা‘আলা তার চল্লিশ দিনের সালাত কবুল করবেন না-(অন্যান্য ইবাদত নয়)দলিল আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাযিয়াল্লাহু আনহুমা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন,কেউ মদ পান করে নেশাগ্রস্ত হলে তার চল্লিশ দিনের সালাত কবুল করা হবে না এবং এমতাবস্থায় তার মৃত্যু হলে সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। তবে যদি সে তওবা করে নেয় তা হলে আল্লাহ তা‘আলা তার তওবা কবুল করবেন। এরপর আবারও যদি সে মদ পান করে নেশাগ্রস্ত হয় তাহলে আবারও তার চল্লিশ দিনের সালাত কবুল করা হবে না এবং এমতাবস্থায় তার মৃত্যু হলে সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। অবশ্য যদি সে তওবা করে তাহলে আল্লাহ তা‘আলা তার তওবা কবুল করবেন। এরপর আবারও যদি সে মদ পান করে নেশাগ্রস্ত হয় তাহলে আবারও তার চল্লিশ দিনের সালাত কবুল করা হবে না এবং এমতাবস্থায় তার মৃত্যু হলে সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। কিন্তু যদি সে তওবা করে নেয় তাহলে আল্লাহ তার তওবা কবুল করবেন। এরপর আবারও যদি সে মদ পান করে নেশাগ্রস্ত হয় তখন আল্লাহর হক হয়ে যায়, ক্বিয়ামতের দিন তাকে ‘রাদগাতুল খাবাল’ পান করানো। ছাহাবীগণ বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! ‘রাদগাতুল খাবাল’ কী? তিনি বললেন, জাহান্নামীদের পুঁজ।(ইবনু মাজাহ, হা/২৭৩৮;সহীহুল জামে‘, হা/৬৩১৩ সনদ সহীহ)।

উক্ত হাদীসের আলোকে আবূ আব্দিল্লাহ ইবনু মানদাহ (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, لا يثاب على صلاته أربعين يوماً عقوبة لشربه الخمر كما قالوا في المتكلم يوم الجمعة والإمام يخطب إنه يصلي الجمعة ولا جمعة له يعنون أنه لا يعطى ثواب الجمعة عقوبة لذنبه ‘চল্লিশ দিন সালাত কবুল হবে না’-এর অর্থ হল, মদপানের শাস্তি হিসাবে চল্লিশ দিনের সালাতের ছাওয়াব পাবে না। যেমন ফক্বীহগণ বলেছেন, জুমু‘আর দিন খুত্ববাহ চলাকালীন যদি কেউ কথা বলে সে জুমু‘আহ পড়বে কিন্তু তার জুমু‘আহ হবে না। অর্থাৎ তার এই অপরাধের কারণে তাকে জুমু‘আর ছালাতের ছওয়াব প্রদান করা হবে না।’ (তা‘যীম কাদরিছ সালাত, ২/৫৮৭ ও ৫৮৮)।

ইমাম নববী (রাহিমাহুল্লাহ) বলেন, وَأَمَّا عَدَم قَبُول صَلاته فَمَعْنَاهُ أَنَّهُ لا ثَوَاب لَهُ فِيهَا وَإِنْ كَانَتْ مُجْزِئَة فِي سُقُوط الْفَرْض عَنْهُ وَلا يَحْتَاج مَعَهَا إِلَى إِعَادَة ‘আর সালাত কবুল না হওয়ার অর্থ হল, এতে তার ছাওয়াব হবে না। যদিও ফরয আদায়ের জন্য তা যথেষ্ট হবে এবং তা পুনরায় আদায় করার প্রয়োজন নেই’ (শরহুন সহীহ মুসলিম, ১৪/২২৭ পৃ.)।
অর্থাৎ ৪০ দিন সালাত কবুল না হওয়ার বিধানটি কেবল মদ-গাজা বা নেশা দ্রব্য পান করার মাধ্যমে যারা নেশাগ্রস্ত বা মাতাল হয় তাদের উপর প্রযোজ্য; সাধারণ ধূমপানকারীদের উপর নয়। কারণ ধূমপান, গুল-জর্দা ইত্যাদি সেবনের মাধ্যমে সাধারণত: মানুষ নেশায় বুদ হয়ে মতালামি বা পাগলামি করে না। সুতরাং এসব হারাম ও ক্ষতিকর দ্রব্যাদি সেবনের ফলে কবিরা গুনাহগার হলেও যতক্ষণ না পর্যন্ত ধূমপান করা ব্যক্তি নেশাগ্রস্ত বা মাতাল না হয় তার পূর্বে তাকে উক্ত ৪০ দিনের সালাত কবুল হবেনা মর্মে বর্ণিত হাদীসের আওয়াতায় ফেলার সুযোগ নাই।
পরিশেষে,তামাক শুধু মানুষের জন্য নয়,বরং সকল প্রাণীর জন্য ক্ষতিকর। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব মতে বিশ্বে প্রতিবছর প্রায় ৫০-৬০ লক্ষ লোক তামাকজনিত রোগে মারা যায়। তন্মধ্যে ৬ লাখের অধিক হ’ল পরোক্ষভাবে ধূমপায়ী।আর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, ‘নিজে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ো না এবং অন্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করো না।’[ইবনু মাজাহ হা/২৩৪০ সহীহাহ হা/২৫০]আল্লাহ আমাদের সকলকে মাদকতা পরিত্যাগ করে সুশীল সমাজ গড়ার তাওফীক্ব দিন।
(আল্লাই সবচেয়ে জ্ঞানী)।
___________________________
উপস্থাপনায়,
জুয়েল মাহমুদ সালাফী।

Address

174/1, Siddique Bazar
Dhaka
GPO-1000

Telephone

+8801682733677

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The School Of Islamic Authentic Thought posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to The School Of Islamic Authentic Thought:

Share