ISLAM Peace Life

ISLAM Peace Life আসসালামু আলাইকুম - সালাম মানে হচ্ছে শান্তি, দোয়া

আত্তাহিয়াতু এর পিছ‌নে এত সুন্দর এক‌টি গল্প তা জানা ছিল না, আমার বিশ্বাস সবার ভাল লাগ‌বে, এবং পড়ার ম‌নো‌যোগ ও বাড়‌বে। #...
25/05/2021

আত্তাহিয়াতু এর পিছ‌নে এত সুন্দর এক‌টি গল্প তা জানা ছিল না, আমার বিশ্বাস সবার ভাল লাগ‌বে, এবং পড়ার ম‌নো‌যোগ ও বাড়‌বে।
# # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # #

আত্তাহিয়াতু আসলেই অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি দোয়া। এই দোয়াটার পিছনের গল্পটা জানার পর সত্যি আমার হৃদয়টা অনেক কোমল হয়ে গেছে!

আত্তাহিয়াতু আসলে, আল্লাহর সাথে আমাদের মহানবী (সঃ) কথোপকথন একটা অংশ। যা আমাদের মহানবী (সঃ) ইসরাইল মিরাজ যাত্রার সময় হয়েছে মহান আল্লাহর সাথে! মহানবী (সঃ) যখন আল্লাহর সাথে কথোপকথন শুরু করে তখন আল্লাহকে আসসালামু আলাইকুম বলেননি!

তাহলে কি বলেছিল,,,??

কারন, আমরা মহান আল্লাহকে বলতে পারব না, আল্লাহ আপনার উপর শান্তি নাজিল হউক! কারন, আল্লাহ নিজেই একমাত্র পৃথিবীর সকল শান্তির এবং রহমতের উৎপত্তিস্থল!

মহানবী (সঃ) আল্লাহকে উদেশ্য করে বলেছিলেনঃ

আত্তাহিইয়া-তু লিল্লা-হি ওয়াছ ছালাওয়া - তু ওয়াত্ ত্বাইয়িবা -তু
অর্থঃ যাবতীয় সম্মান, যাবতীয় উপাসনা ও যাবতীয় পবিত্র বিষয় আল্লাহর জন্য।

উওরে মহান আল্লাহ বলেনঃ

আসসালা-মু'আলায়কা আইয়ুহান্নাবিয়ু ওয়া রহমাতুল্লা-হি ওয়া-বারাকাতুহু।
অর্থঃ হে নবী, আপনার উপরে শান্তি বর্ষিত হউক এবং আল্লাহর অনুগ্রহ ও সমৃদ্ধি সমূহ নাযিল হউক।

এতে মহানবী (সঃ) বলেনঃ

আসসালা-মু-আলায়না ওয়া আলা ইবাদিল্লা-হিছছালেহীন।
অর্থঃ আল্লাহর সমৃদ্ধি শান্তি বর্ষিত হউক আমাদের উপরে ও আল্লাহর সৎকর্মশীল বান্দাগণের উপরে।

মহান আল্লাহ এবং মহানবী (সঃ) এই কথোপকথন শুনে ফেরেস্তারা বলেনঃ

আশহাদু আল লা-ইলাহা ইলল্লালাহু ওয়া আশহাদুআন্না মুহাম্মাদান আব্দুহু ওয়া রাসূলুহু।
অর্থঃ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই এবং আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মাদ (সঃ) তার বান্দা ও রাসূল।
"সুবহানাল্লাহ"।

এখন আমি এবং আপনি আত্তাহিয়াতু গুরুত্ব এবং পিছনের ইতিহাস জানতে পারলাম, এবার একটু চিন্তা করুন তো, এই লেখাটি যদি আপনার মাধ্যমে অন্যান্য মানুষেরাও জানে তাহলে তারাও এই দোয়ার গুরুত্ব বুজতে পারবে!
সংগৃহীত।

ইফতারের সময় বেশি বেশি আল্লাহর কাছে চাইবেন...একমাত্র মুসা নবী'ই আল্লাহর সাথে ঘন ঘন সাক্ষাৎ করার বায়না ধরতেন এবং সুযোগও পে...
18/04/2021

ইফতারের সময় বেশি বেশি আল্লাহর কাছে চাইবেন...
একমাত্র মুসা নবী'ই আল্লাহর সাথে ঘন ঘন সাক্ষাৎ করার বায়না ধরতেন এবং সুযোগও পেতেন। একবার তিনি মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়া’লা কে জিজ্ঞেস করেছিলেন, হে আল্লাহ একমাত্র আমাকে আপনার সাথে সরাসরি কথা বলার সম্মান ও সুজোগ দিয়েছেন, এমন সুযোগ কি অন্য কাউকে দিয়েছেন বা দিবেন?

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা উত্তরে বললেন,হে মুসা" পরবর্তী কালে আমি উম্মত পাঠাবো, যারা মুহাম্মদ (সা:) এর উম্মত হবে, যারা রোজা রাখবে এবং রোজা অবস্থায় তারা তোমার চেয়েও আমার অধিক নিকটবর্তী হবে, হে মুসা, যখন তুমি আমার সাথে কথা বলো তখন তোমার আর আমার মাঝে ৭০,০০০ সুক্ষ পর্দা থাকে যা তুমি দেখতে পাও না কিন্তু ইফতারের সময় আমার আর আমার বান্দাদের মধ্যে একটি পর্দাও থাকবে না। হে মুসা " (আমি স্বয়ং এই দায়িত্ব নিচ্ছি যে, ইফতারের সময় আমি কখনোই একজন রোজাদারের দোয়া অস্বীকার করবো না)

সুবহানাল্লাহ❤

#সংগৃহীত

09/07/2020

সব থাকার পরেও নির্জনে আপনার হৃদয়টা হাহাকার করে উঠে, মরুভূমির মতো ফাঁকা লাগে অন্তরটা,
এত এত পেয়েও অতৃপ্ত থেকে যায় আত্মা।
হাসি তামাশায় পুরোটা দিন কাটিয়ে দিলেও রাতে বিছানায় ছটফট করেই পার করতে হয় ।
আপনি গানের ভলিয়মটা বাড়িয়ে দিলেন ! না তবুও আপনার অন্তর প্রশান্ত হচ্ছে না।
কেন হচ্ছে না জানেন ?
কখনও নিজের হৃদয়কে জিজ্ঞেস করেছেন সে কি চায় ?

আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা'য়ালা বলেছেন :
ﻭَﻣَﺎ ﺧَﻠَﻘۡﺖُ ﺍﻟۡﺠِﻦَّ ﻭَﺍﻟۡﺎِﻧۡﺲَ ﺍِﻟَّﺎ ﻟِﯿَﻌۡﺒُﺪُﻭۡﻥِ
"আমি জ্বিন ও মানবকে সৃষ্টি করেছি একমাত্র এ কারণে যে, তারা আমারই ‘ইবাদাত করবে।"[১]

আপনার অন্তরকে সৃষ্টিই করা হয়েছে আল্লাহর ইবাদাতের জন্য তাহলে আপনি কিভাবে তাকে অন্য কাজে নিয়োজিত রেখে প্রশান্তি খুজছেন?
আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা'য়লা বলেছেন:

ﺍَﻟَّﺬِﯾۡﻦَ ﺍٰﻣَﻨُﻮۡﺍ ﻭَﺗَﻄۡﻤَﺌِﻦُّ ﻗُﻠُﻮۡﺑُﻬُﻢۡ ﺑِﺬِﻛۡﺮِ ﺍﻟﻠّٰﻪِ ؕ ;s ﺍَﻟَﺎ ﺑِﺬِﻛۡﺮِ ﺍﻟﻠّٰﻪِ ﺗَﻄۡﻤَﺌِﻦُّ ﺍﻟۡﻘُﻠُﻮۡﺏُ ؕ
"তারাই ঈমান আনে এবং আল্লাহর স্মরণে তাদের অন্তর প্রশান্তি লাভ করে।
জেনে রেখ, আল্লাহর স্মরণের মাধ্যমেই দিলের সত্যিকারের প্রশান্তি লাভ করা যায়।" [২]

মনে এই হাহাকার, একাকিত্ব দূর করতে কি কখন আল্লাহর কাছে ছুটে গিয়েছেন?
মধ্যেরাতে সেজদায় গিয়ে কষ্ট গুলো তার সামনে তুলে ধরেছেন?
নাহ আপনি তার কিছুই করেননি অথচ অন্তরে প্রশান্তি খুজছেন !

ইমাম ইবনুল কায়্যিম রহঃ বলেছেন ,
"যদি রাজা বাদশাহ সুলতানরা জানতো, আমরা কী সুখের মধ্যে আছি,তাহলে তরবারি দিয়ে লড়াই করে আমাদের সুখ ছিনিয়ে নিতে চাইত।" [৩]

আপনার কি মনে হয় ইমাম ইবনুল কায়্যিম রহঃ বিলাসবহুল জীবন যাপন করতেন ?
যখন যা ইচ্ছা তাই করতেন ?
নাহ !!
তিনি অতি সাধারণ চলাফেরায় অভ্যস্ত ছিলেন ।
এমনকি তাকে দেখে কখনও তার জ্ঞানের পরিধি সম্পর্কে আন্দাজও করা যেত না ।
তবে তিনি এমন কোন সুখের কথা বলেছেন যার কথা রাজা বাদশাহরা জানতে পারলে তা লড়াই করে ছিনিয়ে নিতে আসবেন ?
তিনি বলেছেন অন্তরের প্রশান্তির কথা , প্রকৃত সুখের কথা যা কেবল আল্লাহর ইবাদাতের মাধ্যমেই অর্জন করা যায় ।

রেফারেন্সসমূহ :
______________
[১] সূরা আয যারিয়াত : ৫৬
[২]সূরা রা'দ :২৮

09/07/2020

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমরা নিয়মিত বেশি বেশি পাঠ করো : "ইয়া যাল-জালালি ওয়াল-ইকরাম" অর্থাৎ হে বড়ত্ত্ব, শ্রেষ্ঠত্ব এবং সম্মান ও বদান্যতার অধিকারী। (তিরমিযি, হাদীস নং ৩৫২৪/৩৮৬৮)। এটি মূলত: আল্লাহর ৯৯টি নামের একটি।

এই নাম বেশি বেশি জপতে বলার সুপ্ত রহস্য ফুটে ওঠে এর অর্থের দিকে গভীরভাবে খেয়াল করলে। জালাল শব্দটি সৌন্দর্য, পরিপূর্ণতা এবং বড়ত্ত্ব ও মহত্বের অর্থ বহন করে। আর ইকরাম শব্দের মধ্যে উদারহস্তে দান ও বাদান্যতার অর্থ রয়েছে। সুতরাং এই নামে আল্লাহর স্মরণ করার অর্থ হচ্ছে- একাধারে আপনি আল্লাহর প্রশংসা ও গুণকীর্তন করছেন আবার পাশাপাশি তাঁর কাছে ‘প্রার্থনা’ও করছেন।

নবীজি (সা:) যা বেশি বেশি পড়তে বলেছেন, আপনার কি তা কম পড়া হয় হলে এখনি শুরু করুন-ﻳﺎﺫﺍ ﺍﻟﺠﻼ‌ﻝ ﻭﺍﻹ‌ﻛﺮﺍﻡ (ইয়া যাল-জালালি ওয়াল-ইকরাম)। অর্থাৎ হে বড়ত্ত্ব, শ্রেষ্ঠত্ব এবং সম্মান ও বদান্যতার অধিকারী।

হস্তমৈথুন ! লজ্জা নয়, জানতে হবে । তরুণ প্রজন্মের জন্য অত্যাধিক একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়...।🙏🙏🙏=বিয়ের আগে না জানার কারণে...
07/07/2020

হস্তমৈথুন ! লজ্জা নয়, জানতে হবে । তরুণ প্রজন্মের জন্য অত্যাধিক একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়...।🙏🙏🙏
=
বিয়ের আগে না জানার কারণে ছেলে/মেয়ে এক বদ অভ্যাসে জড়িয়ে পরে । আমাদের স্কুল কলেজ গুলোতে সব বিষয়ে বলা হলেও এসব বিষয়ে বলা হয় না বললেই চলে ।
তাই এই বিষয়ে না জানার কারণে অনেক ছেলে মেয়ে নিজের জীবনকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে ।
Calculation করে দেখা গেছে বর্তমানে অবিবাহিত ছেলেদের মধ্যে ৮০% আর মেয়েদের মধ্যে ৬৫% এই বদ অভ্যাসে জড়িত ।
যেটা কে আরবিতে বলা হয় নিকাহ বিল ইয়াদী
( অর্থাৎ হাতের সাথে বিবাহ করা ) ।

ইংরেজিতে বলা হয় Ma********on আর শুদ্ধ বাংলায় বলা হয় হস্তমৈথুন ।
যেটাকে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হারাম বলেছেন এবং এর শাস্তি ভয়ানক হওয়ার কারণে কিয়ামতের দিন আঙ্গুলের পেট গুলো থেকে বাচ্চা অর্ধেক বের হয়ে থাকবে । বাকিটা ফেরেস্তারা টেনে বের করবেন ।
অন্য আর জায়গায় বলা হয় এটার কারণে যে Sparm বাহির হয় ,, কোন কোন ডাক্তার বলে থাকেন একবারের Sparm এ বিশ লক্ষ শুক্রাণু থাকে । সেই শুক্রাণু গুলো থেকে একটি ডিম্বাণুতে গিয়ে বাচ্চা জন্ম হয় ।
তো এই অপচয়ের কারনে আল্লাহ তা'আলা বলবেন যে,
এই শুক্রাণু গুলোর জীবন দাও !
যখন দিতে পারবে না তখন তাকে কঠিন শাস্তি দেওয়া হবে ।
এটাতো গেলো মৃত্যুর পরের কথা কিন্তু কেউ যদি ছাড়তে না পারে তাহলে তাকে দুনিয়াতে অনেক পস্তাতে হবে ।

#এটা_করার_কারণে_ছেলে_মেয়ে_যেসব_সমস্যার মধ্যে পড়ে তা হচ্ছে...
------------------------------------------------
(১) বিয়ে করতে পারবে না

(২) বিয়ে করলেও স্ত্রীর হক আদায় করতে পারবে না
Sparm এ শুক্রাণু রয়েছে তা শেষ হয়ে যাবে ।
যার ফলে সন্তানের বাবা হতে পারবে না ।

(৩) Panis অস্বাভাবিক মোটা /চিকন হয়ে যাবে ।
Panis আর দাড়াবে না ।

(৪) Sparm একেবারে পাতলা হয়ে যাবে যার ফলে প্রসাব করতে গেলে আগে/পরে Sparm বের হবে ।

(৫) Panis লুজ হয়ে যাবে যার ফলে দৌড় দিলেও প্রস্রাব বের হয়ে আসবে ।

(৬) আর অতিরিক্ত করার কারণে সর্বশেষ যেটা হবে প্রস্রাব করতে গেলে আর প্রস্রাব আসবে না বরং রক্ত আসবে ।

#মেয়েরা_যেই_সমস্যার_সম্মুখীন_হবে
----------------------------------------------------------
(১) বিয়ের পর স্বামী সন্দেহ করবে যে বিয়ের আগে কোন পুরুষের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করছে হয়তো ।

(২) কেননা এর দ্বারা virgin নষ্ট হয়ে যায় ।

(৩) Period অস্বাভাবিক হয়ে যাবে ।

(৪) বন্ধ্যা হয়ে যাবার সম্ভাবনা রয়েছে ।

(৫) G***s লুজ হয়ে যাবে যার ফলে স্বামীকে তৃপ্তি দিতে পারবে না ।

(৬) আর ছেলে/মেয়ের উভয়ের যেই সমস্যা গুলো হবে তা হলো :মাথা এবং কোমরে ব্যাথা করবে ।

(৭) অল্প বয়সে যৌবন শেষ হয়ে যাবে ।

(৮) চেহারার সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যাবে ।

(৯) রক্ত উৎপাদনের যেই মেসিন রয়েছে তা দূর্বল হয়ে যাবে । ফলে রক্ত উৎপাদন কমে যাবে ।
কিডনি দূর্বল হয়ে যাবে । প্রস্রাবে সমস্যা হবে
মোটকথা শরীরের প্রত্যেকটা অঙ্গ দূর্বল হয়ে পড়বে ।

(১০) Absence of s*x pawer (যৌন দূর্বলতা ) এই রোগে ভুগতে হবে ।

োনাহ্_থেকে_বাঁচার_উপায়
---------------------------------------------------------
(১) কোনো পর্ণোগ্রাফি/ ব্লুফিল্ম দেখা যাবেনা । এটা দেখা হারাম ।

(২) কোনো খারাপ চিন্তা মনে আসতে না দেওয়া ।

(৩) নিজেকে সবসময় কাজকর্মে ব্যস্ত রাখা ।

(৪) বাথরুম/টয়লেটে প্রবেশ করার সময়, শয়তানের ধোঁকা থেকে বাঁচার জন্য দুয়া পাঠ করা । অর্থাৎ টয়লেটে প্রবেশ করার সময় যে দোয়া পাঠ করতে হয় সেটা ।

(৫) সবসময় অজু অবস্থায় থাকা ।

(৬) কোন খারাপ চিন্তা মাথায় আসলে সাথে সাথে ইসতেগফার পড়া ।

(৭) যখন বেশি উত্তেজনা সৃষ্টি হয় তখন আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা ও দুই রাকাত নফল নামাজ পড়া এবং নির্জনতা পরিহার করা । অর্থাৎ মানুষের সমাগমে থাকলে এ কাজ করার সাহস পাবেনা ।

(৮) আর যারা অসুস্থ হয়ে পড়বে তাদের ডাক্তার এর সুপরামর্শ নেওয়া ।

সর্বোপরি আপনার ছেলে মেয়েকে সময়মত বিয়ে দিন । তাহলে হস্তমৈথুনের মত মারাত্মক গুনাহ তাদের দ্বারা হবেনা । প্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার সাথে সাথে বিয়ে দিয়ে দিন । আর যদি আপনার ছেলে মেয়েকে সময়মত বিয়ে না দেন তাহলে তারা বিয়ে বহির্ভূত যেনা ব্যভিচার যেসব পাপ কাজ করবে তা তার পিতা মাতার আমল নামায় বর্তাবে । পিতা মাতা না থাকলে বড় ভাইয়ের উপর বর্তাবে । তাই বিয়েকে সহজ করুন, যেনা ব্যভিচারের পথকে বন্ধ করুন ।
___________________________________
বিঃদ্রঃ- মুসলিম ভাই ও বোনদের মারাত্মক ক্ষতি থেকে বাঁচার জন্য এই লেখনী । আল্লাহর কাছে দোয়া করি সবাই যাতে এই ভয়ানক গোনাহ্ থেকে বেঁচে থাকতে পারে । আর যারা যুক্তি উপস্থাপন করে হস্তমৈথুনকে বৈধতা দিতে চায় বা বৈধ করতে চায়, তাদের থেকে ১০০ হাত দূরত্ব বজায় রাখবেন । কারন এরা নিজেরাও ক্ষতির মধ্যে নিমজ্জিত এবং আপনাকেও ক্ষতির সম্মুখীন করতে চায় । এরা নিজেরাও গোমরাহ/বিপদগ্রস্ত, আপনাকেও তাই করে ছাড়বে । কারন এরা নিজেরাই হস্তম.

একটি শিক্ষনীয় সত্য ঘটনা ( পড়ার পর শেয়ার করার অনুরোধ)একদিন ইবরাহীম ইবনে আদহাম (রঃ) (মৃত্যুঃ১৬২ হিজরী) বসরা শহরের একটি বাজ...
04/07/2020

একটি শিক্ষনীয় সত্য ঘটনা ( পড়ার পর শেয়ার করার অনুরোধ)

একদিন ইবরাহীম ইবনে আদহাম (রঃ) (মৃত্যুঃ১৬২ হিজরী) বসরা শহরের একটি বাজারের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। লোকজন তাঁর পাশে সমবেত হয়ে জিজ্ঞাসা করলঃ হে আবু ইসহাক! আল্লাহ সুবহানাহু তাআলা কুরআনে বলেন, 'আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিবো' কিন্তু আমরা অনেক প্রার্থনা করার পরেও আমাদের দোয়া কবুল হচ্ছে না।

তখন তিনি বললেন, 'ওহে বসরার অধিবাসী, দশটি ব্যাপারে তোমাদের অন্তর মরে গেছে-

(১) তোমরা আল্লাহ সম্পর্কে অবগত কিন্তু তাঁর প্রদত্ত কর্তব্যসমূহ পালন কর না।

(২) তোমরা কুরআন পড় কিন্তু সে অনুযায়ী আমল কর না।

(৩) তোমরা দাবী কর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কে ভালোবাসো কিন্তু তাঁর সুন্নাহকে পরিত্যাগ কর।

(৪) তোমরা নিজেদেরকে শয়তানের শত্রু হিসেবে দাবী কর কিন্তু তোমরা তার পদাংক অনুসরণ কর।

(৫) তোমরা জান্নাতে যেতে উদগ্রীব কিন্তু তার জন্য পরিশ্রম কর না।

(৬) তোমরা জাহান্নামের ভয়ে আতঙ্কিত কিন্তু পাপের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত তার নিকটবর্তী হচ্ছো।

(৭) তোমরা স্বীকার কর মৃত্যু অনিবার্য কিন্তু তার জন্য নিজেকে প্রস্তুত কর না।

(৮) তোমরা সর্বদা অন্যের দোষ বের করতে সচেষ্ট কিন্তু নিজের দোষ-ত্রুটির ব্যাপারে উদাসীন।

(৯) তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহ উপভোগ কর কিন্তু তার জন্য শুকরিয়া আদায় কর না।

(১০) তোমরা মৃতদেহের দাফন সম্পন্ন করার পর তার থেকে শিক্ষা গ্রহণ কর না।

আমাদেরও কি ভেবে দেখা উচিৎ নয় আমাদের অন্তর এসব ব্যাপারে মরে গেছে কিনা।

23/06/2020
রাসুল (সাঃ) এই দুআ রুকু সিজদায় বার বার বেশি বেশি করে পাঠ করতেন - সুবহানাকা আল্লাহুম্মা রাব্বানা ওয়া বিহামদিকা আল্লাহুম ম...
23/06/2020

রাসুল (সাঃ) এই দুআ রুকু সিজদায় বার বার বেশি বেশি করে পাঠ করতেন -
সুবহানাকা আল্লাহুম্মা রাব্বানা ওয়া বিহামদিকা আল্লাহুম মাগফিরলি| অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি পবিত্র তোমার প্রশংসায় আমি রত, আমায় ক্ষমা কর|(বুখারী, মুসলিম, নাসাই, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ)

ঈমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল নামাজ। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর পক্ষ থেকে বার বার নামাজ...
22/06/2020

ঈমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল নামাজ। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর পক্ষ থেকে বার বার নামাজের তাগিদ পেয়েছেন। কুরআনে পাকে আল্লাহ তাআলা বিভিন্ন জায়গায় সরাসরি ৮২ বার সালাত শব্দ উল্লেখ করে নামাজের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।

তাই প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামাজকে ঈমানের পর স্থান দিয়েছেন। নামাজের গুরুত্ব ও ফায়েদা সম্পর্কে সাহাবায়ে কেরামের সামনে অসংখ্য হাদিন বর্ণনা করেছেন। তন্মধ্যে একটি হলো-

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলাম- (হে আল্লাহর রাসুল!) আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি প্রিয় আমল কোনটি? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘নামাজ’। (বুখারি ও মুসলিম)

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‘আল্লাহ তাআলা মনোনীত সর্বোত্তম আমল হলো নামাজ। অতএব যে বেশি বেশি নামাজ পড়তে সক্ষম, সে যেন বেশি বেশি নামাজ পড়ে। (তাবারানি)

প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামাজের গুরুত্ব বুঝাতে হাদিসের মাধ্যমে একটি উপমা প্রদান করেছেন।

হজরত আবু যর গিফারি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন যে, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক সময় শীতকালে বাইরে (কোথা্র) তাশরিফ আনলেন। তখন গাছের পাথা ঝরার মওসুম ছিল। নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম গাছের একটি ডাল হাত দিয়ে ধরলেন। ফলে তার পাতা আরও বেশি ঝরতে লাগল।

অতঃপর তিনি বললেন, হে আবু যর! আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল! আমি উপস্থিত। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করলেন-

মুসলমান বান্দা যখন আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নামাজ আদায় করে, তখন তার থেকে পাপসমূহ ঝরে পড়ে; যেমন এ গাছের পাতা ঝরে পড়ছে। (মুসনাদে আহমদ)

নামাজই একমাত্র ইবাদত; যার মাধ্যমে মানুষ দুনিয়ার সব কাজ ছেড়ে শুধুমাত্র আল্লাহর জন্য নিবেদিত হয়ে যায়। এ নামাজই মানুষকে দুনিয়ার সব পাপ-পংকিলতা থেকে ধুয়ে মুছে পাক-সাফ করে দেয়। দুনিয়ার সব অন্যায়-অনাচার থেকে হেফাজত করে।

পরিশেষে…নামাজের প্রতি যত্নবান হওয়া মুমিন মুসলমানরে ঈমানের দাবি ও ফরজ ইবাদত। নামাজি ব্যক্তিই হলো সফল। যার সুস্পষ্ট বর্ণনা দিয়েছেন প্রিয়নবি। তিনি বলেছেন-

‘যে ব্যক্তি নামাজের প্রতি যত্নবান থাকে; কেয়ামতের দিন ওই নামাজ তার জন্য নূর হবে এবং হিসেবের সময় নামাজ তার জন্য দলিল হবে এবং নামাজ তার জন্য নাজাতের কারণ হবে।

পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি নামাজের প্রতি যত্নবান হবে না- কেয়ামতের দিন নামাজ তার জন্য নূর ও দলিল হবে না। তার জন্য নাজাতের কোনো সনদও থাকবে না। বরং ফেরাউন, হামান ও উবাই ইবনে খালফের সাথে তার হাশর হবে।’

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সহিহ তরিকায় সঠিক পদ্ধতিতে নির্ধারিত সময়ে নামাজ আদায় করার তাওফিক দান করুন। ফরজ নামাজ আদায়ের পাশাপাশি নফল নামাজ আদায় করার তাওফিক দান করুন। নামাজকে পরকালের নাজাতের ওসিলা বানিয়ে দিন। আমিন।

🌺 যে ব্যক্তি রুকু থেকে মাথা উঠিয়ে, "সামি আল্লাহু লিমান হামিদাহ" বলার পর,"রাব্বানা লাকাল হামদ" বলে, ৩০ জন ফেরেশতা তার সওয়...
21/06/2020

🌺 যে ব্যক্তি রুকু থেকে মাথা উঠিয়ে,
"সামি আল্লাহু লিমান হামিদাহ" বলার পর,
"রাব্বানা লাকাল হামদ" বলে, ৩০ জন ফেরেশতা তার সওয়াব লেখার জন্য প্রতিযোগিতা করে।" সহীহ বুখারী-৭৬০🌺

তারপর রুকু থেকে উঠে আমরা বলি,
”সামি আল্লাহু লিমান হামিদা” অর্থ আল্লাহ সেই ব্যক্তির কথা কবুল করেন, যে আল্লাহ প্রশংসা করে| (বুখারী ও মুসলিম);

তারপর পরই আমরা আল্লাহর প্রশংসা করে বলি, ‘ আল্লাহুম্মা ‘রাব্বানা ওয়া লাকাল হামদ’ অর্থ হে আল্লাহ! যাবতীয় প্রশংসা কেবল তোমারই| (বুখারী ও মুসলিম)

 #সূরা_আল_আনকাবুত_সূরা_২৯_আয়াত_৬৪আর এ দুনিয়ার জীবন খেল-তামাশা ছাড়া আর কিছুই নয় এবং নিশ্চয় আখিরাতের নিবাসই হলো প্রকৃত জীব...
15/06/2020

#সূরা_আল_আনকাবুত_সূরা_২৯_আয়াত_৬৪

আর এ দুনিয়ার জীবন খেল-তামাশা ছাড়া আর কিছুই নয় এবং নিশ্চয় আখিরাতের নিবাসই হলো প্রকৃত জীবন, যদি তারা জানত।

 #নামাজ_পড়ার_সংক্ষিপ্ত_নিয়মপ্রথমে অজুসহকারে দাঁড়িয়ে যান। নামাজের নিয়ত করে উভয় হাত কান পর্যন্ত ওঠান। তাকবিরে তাহরিমা বলার...
11/06/2020

#নামাজ_পড়ার_সংক্ষিপ্ত_নিয়ম

প্রথমে অজুসহকারে দাঁড়িয়ে যান। নামাজের নিয়ত করে উভয় হাত কান পর্যন্ত ওঠান। তাকবিরে তাহরিমা বলার পর বাঁ হাতের ওপর ডান হাত রেখে নাভির নিচে রাখুন। এরপর অনুচ্চৈঃস্বরে বলুন,

উচ্চারণ : ‘সুবহানাকাল্লাহুম্মা ওয়াবি হামদিকা ওয়া তাবারা কাসমুকা ওয়া তাআলা জাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা।’

অর্থ : হে আল্লাহ! আমরা তোমারই পবিত্রতা ও প্রশংসা বর্ণনা করছি, তোমার নামই বরকতপূর্ণ এবং তোমার গৌরবই সর্বোচ্চ, তুমি ছাড়া অন্য কোনো উপাস্য নেই। (নাসায়ি, হাদিস : ৮৮৯)

এরপর অনুচ্চৈঃস্বরে আউজু বিল্লাহ (আউজু বিল্লাহি মিনাশ শায়তানির রাজিম)। এরপর বিসমিল্লাহ (বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম) পড়ুন। (তাহাবি : ১/৩৪৭)

এবার সুরায়ে ফাতিহা পড়ুন। শেষ হলে অনুচ্চৈঃস্বরে আমিন বলুন। হানাফি মাজহাব মতে আমিন আস্তে পড়া উত্তম। তবে জোরে আমিন বলার ব্যাপারে ইমামদের মতামত পাওয়া যায়। সুতরাং বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক অনাকাঙ্ক্ষিত।

সুরা ফাতিহা শেষ হলে একটি সুরা অথবা তিনটি ছোট আয়াত, যা কমপক্ষে লম্বা একটি আয়াতের সমতুল্য হয় পড়ুন। (আবু দাউদ, হাদিস : ৬৯৫)

এই পরিমাণ তিলাওয়াত নামাজ শুদ্ধ হওয়ার জন্য আবশ্যক। তবে নামাজে কোরআন তিলাওয়াতের সুন্নত পরিমাণের বিবরণও ফিকহের কিতাবে উল্লেখ রয়েছে।

অতঃপর আল্লাহু আকবার বলে রুকুতে যান। রুকুতে মাথা নিতম্বের বরাবর করুন। (আবু দাউদ, হাদিস : ৭২৯)

রুকুতে আঙুলগুলো ছড়িয়ে দিয়ে হাঁটু আঁকড়ে ধরুন। (মুজামে সাগির ২/৪৯৭)

রুকুতে কমপক্ষে তিনবার ‘সুবহানা রাব্বিয়াল আজিম’ পড়ুন। (তিরমিজি, হাদিস : ২৪২)

এবার রুকু থেকে ‘সামিয়াল্লাহু লিমান হামিদাহ’ বলে মাথা ওঠান। মুক্তাদি হলে অনুচ্চৈঃস্বরে শুধু ‘রাব্বানা লাকাল হামদ’ বলুন। এরপর তাকবির তথা আল্লাহু আকবার বলে সিজদায় যান। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৭৪৭)

সিজদায় যাওয়ার সময় প্রথমে হাঁটু, তারপর হাত, তারপর উভয় হাতের মাঝে কপাল মাটিতে রাখুন। নিজের পেটকে রান থেকে এবং বাহুকে পার্শ্বদেশ থেকে পৃথক করে রাখুন। হাত ও পায়ের আঙুলকে কিবলামুখী করে রাখুন। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৭৮৫)

সিজদায় কমপক্ষে তিনবার ‘সুবহানা রাব্বিয়াল আলা’ পড়ুন। (তিরমিজি, হাদিস : ২৪২)

এরপর সিজদা থেকে ওঠার সময় সর্বপ্রথম মাথা উঠিয়ে উভয় হাতকে রানের ওপর রেখে স্থিরতার সঙ্গে বসে পড়ুন। এরপর তাকবির বলে দ্বিতীয় সিজদা করুন। দ্বিতীয় সিজদায়ও কমপক্ষে তিনবার তাসবিহ পড়ুন। অতঃপর জমিতে হাত দ্বারা ঠেক না দিয়ে এবং না বসে সরাসরি তাকবির বলে দাঁড়িয়ে যান। এ পর্যন্ত প্রথম রাকাত সম্পন্ন হলো।

এখন দ্বিতীয় রাকাত শুরু হলো। এতে হাত উঠাবেন না, ছানাও পড়বেন না, আউজু বিল্লাহও পড়বেন না। তবে আগের মতো সুরা ফাতিহা ও সঙ্গে অন্য একটি সুরা পড়ে রুকু-সিজদা করবেন। দ্বিতীয় সিজদা শেষ করে ডান পা খাড়া করে বাঁ পা বিছিয়ে দিয়ে তার ওপর বসে যাবেন। তখন আপনার হাত থাকবে রানের ওপর এবং ডান পায়ের আঙুলগুলো থাকবে কিবলামুখী। (মুসলিম, হাদিস : ৯১২)

অতঃপর নিম্নের তাশাহুদ পড়বেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৭৮৮)

উচ্চারণ : ‘আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি ওয়াস সালাওয়াতু ওয়াত তায়্যিবাত। আসসালামু আলাইকা, আইয়্যুহান্নাবিয়্যু ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ। আসসালামু আলাইনা ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিস সালিহিন। আশহাদু আল-লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহ।’

তাশাহুদ পড়ার সময় ‘আশহাদু আল-লা ইলাহা’ পড়ার সময় শাহাদাত আঙুল উঁচু করে ইশারা করবেন। আর ‘ইল্লাল্লাহু’ বলার সময় আঙুল নামিয়ে ফেলবেন।

তবে তাশাহুদের বাক্য ও আঙুল দিয়ে ইশারা করার বিষয়ে অন্য নিয়মেরও হাদিস পাওয়া যায়। তাই বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি কাম্য নয়।

যদি দুই রাকাতবিশিষ্ট নামাজ হয়, যেমন—ফজরের নামাজ ইত্যাদি, তাহলে তাশাহুদের পর নিম্নের দরুদ শরিফ পাঠ করবেন। (মুসলিম, হাদিস : ৬১৩)

উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদ ওয়ালা আলি মুহাম্মদ, কামা সাল্লাইতা আলা ইবরাহিমা ওয়া আলা আলি ইবরাহিম। ইন্নাকা হামিদুম মাজিদ। আল্লাহুম্মা বারিক আলা মুহাম্মদ, ওয়ালা আলি মুহাম্মদ, কামা বারাকতা আলা ইবরাহিম, ওয়া আলা আলি ইবরাহিম, ইন্নাকা হামিদুম মাজিদ।’

এরপর পবিত্র কোরআন ও হাদিসে বর্ণিত যেকোনো দোয়া পাঠ করবেন। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা, ১/২৯৮)

যেমন—এই দোয়া পড়তে পারেন। এটাকে দোয়ায়ে মাসুরা বলা হয় (সহিহ বুখারি, হাদিস : ৭৯)

উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি জালামতু নাফসি জুলমান কাসিরাও ওয়ালা ইয়াগফিরুজ জুনুবা ইল্লা আনতা, ফাগফিরলি মাগফিরাতাম-মিন ইনদিকা, ওয়ার হামনি ইন্নাকা আনতাল গাফুরুর রাহিম।’

অথবা এই দোয়া পড়বেন—উচ্চারণ : ‘রাব্বানা আতিনা ফিদ-দুনইয়া হাসানাহ, ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাহ, ওয়া কিনা আজাবান-নার।’

এরপর ‘আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ’ বলতে বলতে ডানে এবং বাঁয়ে মাথা ফেরাবেন। সালাম ফেরানোর সময় আপনার পাশের নামাজি ব্যক্তি এবং ফেরেশতাদের কথা স্মরণ করবেন।

যদি নামাজ তিন রাকাতবিশিষ্ট হয়, যেমন—মাগরিবের নামাজ, তখন প্রথম বৈঠকে তাশাহুদের পর আর কিছু পড়বেন না। বরং ‘আল্লাহু আকবার’ বলে সোজা দাঁড়িয়ে যাবেন। (তিরমিজি, হাদিস : ২২৪)

তবে তৃতীয় রাকাতে সুরায়ে ফাতিহা পড়বেন।

আর নামাজ যদি চার রাকাতবিশিষ্ট হয়, যেমন—জোহর, আসর ও এশার নামাজ, তখন চতুর্থ রাকাতেও শুধু সুরায়ে ফাতিহা পড়বেন। এরপর প্রথম দুই রাকাতের মতো রুকু-সিজদা করে দুই রাকাত সম্পন্ন করে শেষ বৈঠকে বসবেন। সেখানে উল্লিখিত পদ্ধতিতে তাশাহুদের পর দরুদ এবং এরপর দোয়ায়ে মাসুরা পড়ে সালাম ফেরাবেন।

Address

Uttara
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ISLAM Peace Life posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share