কোরআন মাজিদ বাংলা উচ্চারণ সহ অর্থ Quran Majid Translate into Bengali

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • কোরআন মাজিদ বাংলা উচ্চারণ সহ অর্থ Quran Majid Translate into Bengali

কোরআন মাজিদ বাংলা উচ্চারণ সহ অর্থ Quran Majid  Translate into Bengali পেজটিতে পবিত্র কুরআন মাজিদের প্রতিটি সূরার বাংলা উচ্চারণ সহ অর্থ দেয়া আছে ৷ তাছাড়া রয়েছে সামায়েলে তিরমিযির সবকটি হাদিস।

রাসুলুল্লাহ (সা.) এবং খাদিজা (রা.)-এর দাম্পত্য ছিল বিশ্বাস, মমতা এবং চরম ত্যাগের এক অনন্য মহাকাব্য। মানুষের জীবনের কঠিনত...
27/08/2026

রাসুলুল্লাহ (সা.) এবং খাদিজা (রা.)-এর দাম্পত্য ছিল বিশ্বাস, মমতা এবং চরম ত্যাগের এক অনন্য মহাকাব্য। মানুষের জীবনের কঠিনতম সময়ে একজন জীবনসঙ্গী কতটা বড় শক্তি হতে পারেন, তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ তারা দুজনেই।
নবুয়তের সেই শুরুর দিনগুলোতে যখন রাসুল (সা.) হেরা গুহায় প্রথম ওহি লাভের পর প্রচণ্ড কাঁপছিলেন এবং ভয় পাচ্ছিলেন, তখন তিনি কোনো বন্ধুর কাছে না গিয়ে সরাসরি ছুটে গিয়েছিলেন তার প্রিয়তমা স্ত্রী খাদিজার কাছে। খাদিজা (রা.) কোনো প্রশ্ন না করেই তাকে চাদর দিয়ে ঢেকে দিয়েছিলেন এবং আশ্বস্ত করেছিলেন যে, একজন পরোপকারী ও সৎ মানুষকে আল্লাহ কখনো বিপদে ফেলেন না। ইতিহাসের সেই সন্ধিক্ষণে তিনিই ছিলেন প্রথম ব্যক্তি, যিনি রাসুল (সা.)-এর নবুয়তের ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন।
খাদিজা (রা.) মক্কার সবচেয়ে ধনাঢ্য এবং মহীয়সী নারী হওয়া সত্ত্বেও ইসলামের প্রসারে নিজের সমস্ত সুখ-শান্তি এবং সম্পদ অকাতরে বিলিয়ে দিয়েছিলেন। কুরাইশরা যখন মুসলিমদেরকে 'শেবে আবি তালিবে' তিন বছরের জন্য অবরুদ্ধ করে রেখেছিল, তখন এই বৃদ্ধ বয়সেও তিনি তপ্ত মরুভূমিতে গাছের পাতা খেয়ে জীবন পার করেছেন, কিন্তু রাসুল (সা.)-এর পাশ থেকে সরে যাননি।
তার এই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও ত্যাগের কারণে রাসূল (সা.) তাকে সারাজীবন গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করতেন। তিনি বলতেন, যখন মানুষ তাকে অস্বীকার করেছিল, তখন খাদিজাই তাকে বিশ্বাস করেছিলেন এবং যখন কেউ পাশে ছিল না, তখন খাদিজাই তার হাত শক্ত করে ধরেছিলেন।
এই অভাবনীয় ত্যাগের প্রতিদান স্বরূপ আল্লাহ তাআলা খাদিজা (রা.)-কে বিরল সম্মান দান করেছিলেন। একবার জিবরাঈল (আ.) রাসুল (সা.)-এর কাছে এসে জানালেন যে, স্বয়ং আল্লাহ তাআলা খাদিজাকে সালাম পাঠিয়েছেন।
একইসাথে তাকে জান্নাতে এমন একটি প্রাসাদের সুসংবাদ দেওয়া হয়, যা হবে খাঁটি মুক্তা দিয়ে তৈরি এবং যেখানে কোনো শোরগোল বা ক্লান্তি তাকে স্পর্শ করবে না। দুনিয়াতে ইসলামের জন্য তিনি যে অস্থিরতা ও ত্যাগ স্বীকার করেছিলেন, আল্লাহ তার বদলে তাকে দান করেছেন চিরস্থায়ী প্রশান্তি।
#জান্নাতের_সুসংবাদপ্রাপ্ত_নারী_সাহাবিদের_জীবনকথা

26/08/2026
22/08/2026

▪️সাতটি আমল সাতটি বিষয় ছাড়া অর্থহীন।

জনৈক বিদ্বান ব্যক্তি বলেন, সাত ধরনের আমল সাত ধরনের গুণ ব্যতীত কোন কাজে আসবে না।

১. পরিহার ব্যতীত ভীতি : অর্থাৎ কেউ বলে, আমি আল্লাহর আ*যাবকে ভয় করি, অথচ সে গুনাহ পরিহার করে না। সুতরাং, তার এ কথা কোনো কাজে আসবে না।

২. চেষ্টা ছাড়া আশা : অর্থাৎ, কেউ বলে, আমি আল্লাহ তা'আলার নিকট সওয়াবের আশা রাখি, অথচ নেক আমলের মাধ্যমে তা তালাশ করে না। সুতরাং, তার এ কথা কোনো কাজে আসবে না।

৩. চেষ্টা সাধনা ব্যতীত নিয়ত : অর্থাৎ, কোনো ব্যক্তি অন্তরে এ ইচ্ছা রাখে যে- সে ভালো কাজ করবে, কল্যাণ কর্মে ব্রতী হবে, কিন্তু এর জন্য চেষ্টা ও উদ্যোগ গ্রহণ করে না। এ ব্যক্তির নিয়তও কোনো কাজে আসবে না।

8. পরিশ্রম ব্যতীত দু'আ : অর্থাৎ কোনো ব্যক্তি আল্লাহর নিকট কল্যাণকর্মের তাওফীক চেয়ে দু'আ করে, অথচ তা সম্পাদন করার জন্য কোনো পরিশ্রম করে না। সুতরাং, এ দোয়া তার কোনো উপকারে আসবে না। বরং তার দায়িত্ব হলো পরিশ্রম করা, যাতে আল্লাহ তা'আলা তাকে তাওফীক দান করেন। যেমন আল্লাহ তা'আলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেছেন,

وَالَّذِينَ جَاهَدُوا فِينَا لَنَهْدِيَنَّهُمْ سُبُلَنَا وَإِنَّ اللَّهَ لَمَعَ الْمُحْسِنِينَ
অর্থ : যারা আমার পথে সাধনায় আত্মনিয়োগ করে, আমি অবশ্যই তাদেরকে আমার পথে পরিচালিত করব। নিশ্চয় আল্লাহ সৎকর্মশীলদের সঙ্গে রয়েছেন। (সূরা আনকাবুত : ৬৯)

অর্থাৎ, যারা আমার আনুগত্যের পথে ও আমার দ্বীনের জন্য চেষ্টা করে, আমি অবশ্যই তাদেরকে সে কাজে সফলতা দান করি।

৫. অনুশোচনাহীন ইস্তিগফার : অর্থাৎ কেউ বলে- আমি আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাচ্ছি। অথচ কৃত গুনাহের জন্য তার কোনো অনুতাপই নাই। সুতরাং, অনুশোচনাহীন ইস্তিগফার তার কোনো কাজে আসবে না।

৬. গোপনে নয়, কেবল প্রকাশ্যে শোধরানো : অর্থাৎ কেউ তার বাহ্যিক দিকটাকে শুধরে নিল। অথচ অপ্রকাশ্যে ও গোপনীয় দিককে শোধরালো না। সুতরাং, তার বাহ্যিক শোধরানো কোনো কাজে আসবে না।

৭. ইখলাস ব্যতীত পরিশ্রম : অর্থাৎ কেউ ভালো কাজের জন্য প্রচুর পরিশ্রম করল, কিন্তু সে কাজে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন উদ্দেশ্য ছিল না। সুতরাং, তার এমন চেষ্টা-সাধনা কোনো কাজে আসবে না।

[সূত্র : তাম্বীহুল গাফিলীন, খন্ড - ১, পৃ. ৪০-৪২]

#সীরাহ

20/08/2026

মক্কা থেকে এক দীর্ঘ, ক্লান্তিকর ও শ্বাসরুদ্ধকর সফরের পর মদিনার উপকণ্ঠে এসে থামলেন দুজন মানুষ। একজন আমাদের প্রিয় নবি মুহাম্মদ (সা.), আর অন্যজন তার ছায়াসঙ্গী আবু বকর (রা.)। সময়টা ছিল ১ হিজরির রবিউল আউয়াল মাস।
তারা এসে পৌঁছালেন মদিনার অদূরে ‘কুবা’ নামক এক পল্লিতে। সেখানে তখন আনন্দের বন্যা। মক্কার সীমাহীন জুলুম থেকে বেঁচে আসা প্রিয় নবিকে কাছে পেয়ে কুবার মানুষেরা আনন্দে আত্মহারা। বনু আমর বিন আউফ গোত্রের আতিথেয়তায় নবিজি (সা.) সেখানে যাত্রাবিরতি করলেন।
এত লম্বা আর কষ্টকর একটা সফরের পর মানুষ কী চায়? একটু বিশ্রাম, তাই না? কিন্তু আমাদের নবিজি (সা.) শুধু নিজের বিশ্রামের কথা ভাবলেন না, তিনি ভাবলেন পুরো উম্মাহর কথা, একটা সুন্দর সমাজের কথা। তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন সেখানে একটি মসজিদ নির্মাণের।
আর এভাবেই, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হলো ইসলামের ইতিহাসের সর্বপ্রথম মসজিদ—‘মসজিদে কুবা’-এর। নবিজি (সা.) শুধু নির্দেশ দিয়েই বসে থাকেননি, বরং তিনি নিজে সাহাবিদের সাথে কাঁধে পাথর আর মাটি বহন করে এই মসজিদ নির্মাণে অংশ নিয়েছিলেন। নেতা আর কর্মীদের এক কাতারে কাজ করার কী অপূর্ব সেই দৃশ্য!
এই মসজিদের ভিত্তি ছিল ‘তাকওয়া’ বা আল্লাহভীতির ওপর। মহান আল্লাহ তাআলার কাছে এই মসজিদটি এতই প্রিয় হয়ে ওঠে যে, পবিত্র কুরআনে তিনি এর কথা উল্লেখ করেছেন:
"যে মসজিদ প্রথম দিন থেকেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তাকওয়ার ওপর, সেটিই আপনার (নামাজের জন্য) দাঁড়ানোর বেশি হকদার..." (সুরা আত-তাওবাহ, আয়াত: ১০৮)
মসজিদে কুবার মর্যাদা এতই বেশি যে, এর সম্পর্কে নবিজি (সা.) চমৎকার কিছু সুসংবাদ দিয়েছেন।
• একটি ওমরাহর সমান সওয়াব! ভাবতে পারেন, শুধু একটি মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়লেই ওমরাহর সওয়াব পাওয়া যায়! নবিজি (সা.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি নিজের ঘরে ভালোভাবে পবিত্রতা অর্জন করে (অজু করে) মসজিদে কুবায় আগমন করে এবং সেখানে নামাজ আদায় করে, সে একটি ওমরাহর সমপরিমাণ সওয়াব লাভ করবে।"
(সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৪১২)
• নবিজির (সা.) নিয়মিত যাতায়াত: মদিনায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরুর পরও নবিজি (সা.) কুবা মসজিদকে ভুলে যাননি। আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, "রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রতি শনিবার মসজিদে কুবায় যেতেন। কখনো হেঁটে, আবার কখনো বাহনে চড়ে। আর সেখানে তিনি দুই রাকাত নামাজ আদায় করতেন।" (সহিহ বুখারি, হাদিস ১১৯৩)
মসজিদে কুবা আমাদের জীবনে একটি বড় শিক্ষা দেয়—যেকোনো কাজের শুরুটা যদি তাকওয়া, সততা আর আল্লাহর সন্তুষ্টির ওপর ভিত্তি করে হয়, তবে আল্লাহ সেই কাজে এমন বরকত দেন যা যুগ যুগ ধরে টিকে থাকে। ১৪০০ বছরের বেশি সময় পার হয়ে গেছে, কিন্তু মসজিদে কুবার মর্যাদা এতটুকুও কমেনি।
আজও মদিনায় গেলে হাজিরা ছুটে যান কুবায় দুই রাকাত নামাজ পড়তে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে অন্তত একবার হলেও ইসলামের প্রথম মসজিদে গিয়ে দুই রাকাত নামাজ পড়ার তৌফিক দান করুন। আমিন!

19/08/2026

একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ফজর কাযা হয়!

একটি অভিযান থেকে ফেরার পথে সবাই ক্লান্ত ছিলেন। এমন অবস্থায় ঘুমালে ফজরে উঠার সম্ভাবনা কম। এজন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চিন্তা করলেন।

তখন বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহুকে দায়িত্ব দেয়া হয়, তিনি যেন সবাইকে ডেকে তুলেন।

যাত্রাপথের ক্লান্তির ফলে সবাই গভীর ঘুমে। এদিকে বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহুও ঘুমিয়ে পড়েন!

যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ঘুম ভাঙ্গলো, দেখা গেলো সূর্য উঠে গেছে।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞেস করলেন, কী ব্যাপার? তোমার না আমাদেরকে জাগানোর কথা?

বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহুর সরল স্বীকারোক্তি- আপনাদেরকে যা আচ্ছন্ন করেছে, আমাকেও তা!

অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবীদের নিয়ে ফজরের কাযা নামাজ আদায় করেন এবং বলেন- “কেউ কোন নামাজ আদায় করতে ভুলে গেলে যখন স্মরণ হবে তখনই যেন সে তা আদায় করে নেয়।”
এই ঘটনাটি তো না ঘটলেও পারতো, তাই না?

কিন্তু, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জীবন তো আমাদের জন্য শিক্ষা। এই কারণে একটা নামাজ মিস হলেও কী ধরণের সিরিয়াসনেস থাকা দরকার সেটা বুঝানোর জন্য আল্লাহ হয়তো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ফজর কাযার মাধ্যমে আমাদেরকে শিখালেন।

আমাদের অনেকের নামাজ কাযা হয়। বিশেষ করে ফজরের। সেক্ষেত্রে কী করতে হবে সেটা এই ঘটনা থেকে আমরা শিখতে পারি। তার মানে এই না কিন্তু প্রতিদিন এটা করবো। বরং প্রায়োরিটি হলো ওয়াক্তের সময় নামাজ; যদি মিস হয় তখন যেন অবহেলা না করে সাথে সাথে পড়ি।


তথ্যসূত্র:
সহীহ বুখারী: ৫৯৫, সহীহ মুসলিম: ৬৮৪

19/08/2026

শত ব্যস্ততার মাঝেও নির্দিষ্ট আমল পূরণ করার জন্য সালাফদের পূর্ণ মনোযোগ থাকত। কারণ তাঁরা জানতেন, নামাজে কুরআন তিলাওয়াত ও কুরআনে বর্ণিত তাসবিহ পাঠ আত্মার খোরাক। যা ছাড়া আত্মার বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। তাঁরা শরীরের জন্য খাদ্য গ্রহণের আগে, রূহের খোরাকের প্রতি মনোযোগী হতেন; এতে কোনো ধরনের ব্যত্যয় ঘটলে, তাঁরা এর অভাব হাড়ে-হাড়ে টের পেতেন।
কিন্তু পরিতাপ তাদের জন্য, যারা কুরআন থেকে অনেক দূরে। যাদের ক্ষুধা ও তৃষ্ণা হচ্ছে দেহ-কেন্দ্রিক। তারা কীভাবে আত্মার মধ্যে ঘটে যাওয়া কোনো কিছুর শূন্যতা অনুভব করবে?
[বই : কুরআন অনুধাবন (পদ্ধতি ও সতর্কতা), পৃ. ২৯]

Address

Khilgaon
Dhaka
1219

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কোরআন মাজিদ বাংলা উচ্চারণ সহ অর্থ Quran Majid Translate into Bengali posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to কোরআন মাজিদ বাংলা উচ্চারণ সহ অর্থ Quran Majid Translate into Bengali:

Shortcuts

Share