বিয়ে : ভালোবাসার পবিত্র বন্ধন

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • বিয়ে : ভালোবাসার পবিত্র বন্ধন

বিয়ে : ভালোবাসার পবিত্র বন্ধন "যে ব্যক্তি বিবাহ করলো, সে দ্বীনের অর্?

" ALL EYES ON ROMNA PARK "আমরা দেশটারে সমকামিদের আঁকড়া বানানোর জন্য স্বাধীন করিনি। কওমের লূতদের প্রতিহত করার সময় এখনই। "...
30/08/2024

" ALL EYES ON ROMNA PARK "
আমরা দেশটারে সমকামিদের আঁকড়া বানানোর জন্য স্বাধীন করিনি। কওমের লূতদের প্রতিহত করার সময় এখনই।
"যে অ'প'ক'র্মের নিরাপদ জোন রমনাপার্ক"
আজ রমনাপার্কের এ পরিবেশ দেখে ভেতর থেকে কান্না আসছিলো। সন্ধ্যার পর এ পার্কের ভেতরের বকুল তলার দৃশ্য এটি। গে'ইদের (স"-ম-"কা-"মি) আসর বসেছে।
এ পার্কের জামতলা, বকুল তলায় গে'ইদের আসর আগে নিয়মিত বসতো। এ আসরে আসতেন বিসিএস ক্যাডার শিক্ষক, আইনজীবী, ইঞ্জিনিয়ার নামি দামি কোম্পানির কর্মকতাসহ পাবলিক, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও।
বিষয়টি আমার নজরে আসার পর আনসার সদস্যদের মাধ্যমে পুরোপুরি নির্মূলের চেষ্টা করি। বেশ কয়েকদিন সন্ধ্যার পর আনসার সদস্যদের দিয়ে অভিযান পরিচালনা করেয়েছি। অভিযানে ধরাপড়ারা এক পর্যায়ে সব স্বীকার করতেন। কিছু কিছু ঘটনা পুরো চোখ কপারে উঠার মত। বিশ্বাসই হবে না এরা এমন কাজের সাথে জড়িত।
যাইহোক, রমনাপার্ককে তারা তাদের মিলিত হওয়ার নিরাপদ জোন মনে করতো। গাজিপুরসহ ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে তারা এখানে জমায়েত হতো। আমার চেষ্টা আর পার্কের আনসার কমান্ডারসহ বাকি সদস্যদের তৎপরতায় পুরোপুরি নির্মূলে সক্ষম হই। জনসাধারণের এ পার্কটির পরিবেশ মোটামুটি ভালোই ছিলো।
কিন্তু আজ সন্ধ্যার পর শাহবাগ থেকে পার্কের ভেতর হয়ে বেইলি রোড আসার সময় একটা চক্কর দিয়ে সার্বিক পরিবেশ দেখার চেষ্টা করি। বকুল তলায় আসতে প্রথমে ভেবেছি এরা কোন সংগঠন বা দলের লোকজন। কিন্তু একটু পর্যবেক্ষণ করতেই দেখি সবাই গে'ই। ভেতর থেকে কান্নাটা বেরিয়ে আসছিলো।
রাজধানীর প্রাণ কেন্দ্রের এ পার্ক থেকে এমন অপকর্ম দূর করতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় ব্যায় করেছিলাম। তৎকালীন আনসার কমান্ডার জানিয়েছিলো কেউ তাকে সহযোগিতা করছে না। আমি সাহস দিলাম। আমি আপনার পাশে আছি, চালিয়ে যান।
আজকে ফের এমন দৃশ্য দেখার পর বর্তমান আনসার কমান্ডারকে ফোন দিলাম। হকার ঢুকে পার্কটাকে তো ময়লার ভাগাড় বানালো, বিশেষ গোষ্ঠীদের তো আড্ডা জমলো? তিনি জানালেন, পরিস্থিতির কারণে আনসাররা সিভিল ড্রেসে ডিউটি করছে। কাউকে কিছু বলতেও পারছে না। যদি তারা শিক্ষার্থী পরিচয় দিয়ে আবার তাদের মা'র'ধর করে। তবে তিনি আশ্বাস দিলেন, খুব শ্রীর্ঘ্রই পরিবেশ ফিরবে।
অনেকে বলতে পারেন, চাহিদা মেটানোর জন্য কে কাকে বেছে নিবে সেটি একান্ত তার ব্যাপার। আমি বলি তা। কিন্তু পাবলিক একটি পার্কে এমন জঘণ্য অপকর্ম চলতে পারে না।
অভিভাবকদের জন্য একটি বার্তা। আপনার সন্তান কার সাথে মিশে, কোথায় যায়, তার সার্বিক আচরণ লক্ষ্য রাখুন। পশ্চিমা এ ভাইরাস ভ'য়া'বহ ভাবে ছড়িয়ে পড়ছে আমাদের দেশে। ধ্বংস করছে আমাদের যুব সমাজ, পরিবারকে। পরিবারের সদস্যদের ব্যাপারে সতর্ক হোন।
আমি, আশাকরি প্রাণের এ পার্ক আবারও খুব দ্রুত সুন্দর হয়ে উঠবে।
বিদ্র: এ পার্কে এক বিসিএস ক্যাডার শিক্ষক ধরা পড়েছিলো। তাকে নিয়ে একটি প্রতিবেদন করেছিলাম। কিন্তু কোন গণমাধ্যম তা প্রকাশ করতে দেয়নি!! ভাবছি নিজের আইডিতেই প্রকাশ করে দিবো।
~আব্দুল্লাহ আল-নোমান
গণমাধ্যমকর্মী, ঢাকা।

অফার | অফার | অফারআসসালামু আলাইকুম। আজকে রাজশাহীর বিখ্যাত ‘ল্যাংড়া আম’ দিবো খুবই কম দামে। • ঢাকার ভিতরে (সকল খরচসহ)— ৭০৳...
15/06/2023

অফার | অফার | অফার
আসসালামু আলাইকুম।
আজকে রাজশাহীর বিখ্যাত ‘ল্যাংড়া আম’ দিবো খুবই কম দামে।
• ঢাকার ভিতরে (সকল খরচসহ)— ৭০৳
• ঢাকার বাহিরে (সকল খরচসহ)—৭৫৳

[ অফার চলবে আজ দুপুর ২ টা পর্যন্ত ]

যারা নিতে চান দ্রুত মেসেজ করুন/
✆ 01610109522 (Call)
✆ 01776470727 (WhatsApp)

21/04/2022

একজন নারীর আবরণ যত বাড়ে, ততই তার লজ্জাবোধ বাড়তে থাকে।
যতই তার লজ্জাবোধ বাড়তে থাকে, ততই তার ঈমান বৃদ্ধি পেতে থাকে।
উল্টোটাও সত্যি!
একজন নারীর আবরণ যত কমতে থাকে, ততই তার লজ্জাবোধ কমতে থাকে। যতই তার লজ্জাবোধ কমতে থাকে, ততই তার ঈমান কমতে থাকে।

—শায়খ আতিক-উল্লাহ (হাফিঃ)

21/04/2022

পাত্র পাত্রীকে দেখার পরে পছন্দ হয়ে গেলে যথাসম্ভব দ্রুত আকদ করে ফেলা উচিত। কারণ—

১. একেকদিনের দৈর্ঘ্য তখন একেক বছরকে স্পর্শ করে!

২. অবৈধ ফোনালাপের পথও বন্ধ হয়ে যায়। বৈধ প্রেমের শীতল বারিধারায় সিক্ত হয় দু'টি হৃদয়।

৩. হঠাৎ করে বিয়ে ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কাও অনেকাংশে কমে আসে।

তাই আমরা পাত্র পাত্রীর দেখাদেখির পর দ্রুত আকদের চেষ্টা করবো এবং এজন্য আল্লাহ তাআ'লার কাছে একাগ্রচিত্তে দোয়া করবো।

লেখায় : মাওলানা ইমরান আহমেদ

21/06/2021

সবাই বলে—একজন ভালো স্ত্রী অমূল্য সম্পদ। জগতের শ্রেষ্ঠ নিয়ামত; কথা ঠিক। কিন্তু একজন ভালো স্বামীও যে কত বড় নিয়ামত—তা খুব একটা শোনা যায় না।

আসসালামু আলাইকুম। প্রিয় দ্বীনদার ভাই ও বোনেরা : সুখবর।আপনাদের অনবরত আগ্রহের কারনে বিয়ে : অর্ধেক দ্বীন এর একটি টিম— দ্বীন...
19/09/2020

আসসালামু আলাইকুম।
প্রিয় দ্বীনদার ভাই ও বোনেরা : সুখবর।
আপনাদের অনবরত আগ্রহের কারনে বিয়ে : অর্ধেক দ্বীন এর একটি টিম— দ্বীনদার পাত্র-পাত্রীদের নিয়ে কাজ করবে। ইনশাআল্লাহ।
ইতোমধ্যে আমাদের ফেইসবুক পেইজ ও গ্রুপ চালু হয়েছে।
পাত্র-পাত্রীদের বায়োডাটা দিতে আমাদের 'আল-ইয়াকিন ম্যারেজ মিডিয়া' পেইজে মেসেজ দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করুন।

🎙 পেইজ লিংক : https://www.facebook.com/AlYaqeenMarriageMedia/

🎙গ্রুপ লিংক : https://www.facebook.com/groups/AlYaqeenMarriageMedia/

▌দ্বীনদার বোনদের কান্না : বহু দ্বীনদার বোন রয়েছে যারা জীবনের পরিক্রমায় ভ্রান্ত পথ থেকে দ্বীনের পথে ফিরে এসেছেন। কেউবা ছো...
24/06/2020

▌দ্বীনদার বোনদের কান্না :
বহু দ্বীনদার বোন রয়েছে যারা জীবনের পরিক্রমায় ভ্রান্ত পথ থেকে দ্বীনের পথে ফিরে এসেছেন। কেউবা ছোটবেলা থেকেই ইসলামিক বিধি-বিদ্বান মেনে দ্বীনের উপর অটল রয়েছেন। যেহেতু তারা দ্বীনদার সেহেতু তারা জীবনসঙ্গী হিসেবে একজন দ্বীনদার পুরুষকে স্বামী হিসেবে চায়। যার সাথে সে তার দ্বীনের অর্ধেক পূর্ণ করবে, যার সাথে চললে তার ইসলামিক বিধি- বিদ্বান মেনে চলতে আরো সহজ হবে। রাতের আধারে সিজদায়, মুনাজাতে সর্বদা এমন পুরুষকেই স্বামী হিসেবে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে থাকে যে হচ্ছে দ্বীনদার, পরহেজগার।
কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ; এই সমস্ত বোনেরা দ্বীনদার, ইসলামিক স্বামী পছন্দ করলেও তাদের পরিবার তা পছন্দ করে না। তারা দেখে দুনিয়াদারি। তারা শুধু দেখে পাএ কতটা প্রতিষ্ঠিত, পাএের ধন-সম্পদ,ব্যাংক ব্যালেন্স কতটুকু রয়েছে! উত্তম চরিএ, দ্বীনদারিত্ব এদের কাছে কোন মূল্য নাই। তারা মনে করে টাকা পয়সা,ধনসম্পদই সবকিছু। আর এদিকে ওইসমস্ত বোনেরা শুধু কান্না করতে থাকে । না পারে পিতামাতার সাথে জোরগলায় বলতে যে, আমি তাকে বিবাহ করতে পারবো না! আর না পারে নিজের মনকে বুৃঝ দিতে। কিভাবেই বা বুঝ দিবে! যে মেয়ে সর্বদা তার রবের আদেশ, নিষেধ অনুযায়ী জীবনযাপন করে সে কিভাবে আল্লাহর অবাধ্যচার করা, ফাসেক, বেদ্বীন কোন স্বামীর সাথে ঘর সংসার করবে!
অভিভাবকদের বলি, আপনার মেয়ে আপনার প্রতি আল্লাহর দেওয়া এক আমানত। আপনি যদি এই আমানতের হক ঠিকমতো আদায় না করেন,তাহলে এজন্য কিয়ামতের দিন আপনাকে মহান রবের কাঠগড়ায় ধারাতে হবে। আপনি আপনার মেয়ের পছন্দ দ্বীনদার পাএ নির্বাচন না করে দুনিয়াদার পাএ নির্বাচন করলে আপনাকে অবশ্যই এজন্য আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে। সুতরাং মেয়ের জন্য পাএ হিসেবে দ্বীনদারিত্বকে প্রাধান্য দিন।

রাসূল (সাঃ) বলেন,
‘‘তোমাদের নিকট যখন এমন ব্যক্তি (বিবাহের পয়গাম নিয়ে) আসে; যার দ্বীন ও চরিত্রে তোমরা মুগ্ধ তখন তার সাথে (মেয়ের) বিবাহ দাও। যদি তা না কর তাহলে পৃথিবীতে ফিৎনা ও মহাফাসাদ সৃষ্টি হয়ে যাবে।’’
[ তিরমিঝি,হাদিস নং : ১০৮৫ ]

রাসূল (সাঃ)বলেন,
"তোমরা বিবাহের ক্ষেএে ধনসম্পদ, বংশ মর্যাদা ও সৌন্দর্যের চেয়ে দ্বীনদারিত্বকে প্রাধান্য দাও। নয়তো তোমার হাত ধুলায় ধূসরিত হোক।"
[ বুখারি,মুসলিম হাদিস নং : ৩০৮২ ]

রাসূল (সাঃ) আরো বলেন,
‘‘যে ব্যক্তি আল্লাহ তা'আলার সন্তুষ্টিলাভের উদ্দেশ্যে কিছু দান করে, কিছু দেওয়া হতে বিরত থাকে, কাউকে ভালোবাসে অথবা ঘৃণাকরে এবং তাঁরই সন্তুষ্টিলাভের কথা খেয়াল করে বিবাহ দেয়, তার ঈমান পূর্ণাঙ্গ ঈমান।’’
[ বাইহাকী,তিরমিঝি হাদিস নং : ২০৪৬ ]
পরিশেষে দোআ করি ---
মহান আল্লাহ তা'আলা এই সমস্ত অভিভাবকদের হেদায়াত ও সঠিক বুঝ দান করুন, আর বোনদের নেক স্বপ্নগুলো পূরন করুন,, [আ-মীন ]।
# জাগ্রত বিবেক #
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
💢শেয়ার করুন বন্ধুদের সাথে ইনশাআল্লাহ!

25/05/2020

'তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম'

'আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদ'।
💌 বিয়ে : ভালোবাসার পবিত্র বন্ধন পেইজের পক্ষ থেকে সকল সদস্যকে জানাই পবিত্র ঈদ–উল– ফিতরের শুভেচ্ছা💌
🌙 ঈদ মুবারক 🌙

কিভাবে জয় করবেন প্রিয়তমের হৃদয়।প্রিয় বোন! আপনার স্বামী আপনার প্রিয়তম জীবন সাথী। তার হাতে হাত রেখে পাড়ি দিতে হবে জী...
17/05/2020

কিভাবে জয় করবেন প্রিয়তমের হৃদয়।

প্রিয় বোন!
আপনার স্বামী আপনার প্রিয়তম জীবন সাথী। তার হাতে হাত রেখে পাড়ি দিতে হবে জীবনের যত সুখ যত দুংখ। আপনি হলেন স্বামীর হৃদয় রাজ্যের রানী।তার অন্তরের রাজত্ব করার অধিকার আপনারি। দাম্পত্য জীবনের সুখ ও সমৃদ্ধি লাভ করতে হলে আপনাকে অবশ্যই কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। সামান্য ভুলের কারণে যেন সুখের এই আলোকিত জগত দুঃখের আঁধারে ছেয়ে না যায়।

প্রিয় বোন!
দাম্পত্য জীবনের সুখের জন্য এখানে মাত্র পাঁচটি বৌশিষ্টের আলোচনা করা যাক।
আপনি যদি এই বৈশিষ্ট্য গুলো অর্জন করতে পারেন, ইনশাআল্লাহ মধুর দাম্পত্য জীবন লাভ করবেন।

❑. প্রথম বৈশিষ্ট্য হলো সুমিষ্ট ভাষার অধিকারী হওয়া:
সর্বদা মুচকি হেসে তাকে আপনার ভুবনে স্বাগত জানান আর প্রাণখোলা হাসির মাঝেই তাকে বিদায় দিন। তার শারীরিক ও মানসিক অবস্থার খোঁজ নিন তবে তার ব্যক্তিগত কাজকর্মে নাগগলানোর চেষ্টা না করাই নিরাপদ।
সুমিষ্ট ভাষায় তার সঙ্গে কথা বলুন। কথায় কথায় তার প্রতি আপনার দূর্বলতার দিকটি ফুটিয়ে তুলুন।
তার প্রতি আপনার হৃদয়ে লালিত শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার কথা তাকে বুঝতে দিন।
ঝগড়া হলে একটু সবর করুন কয়েক ঘণ্টা কিংবা কয়েক দিন তারপর মতো বিরোধ এমনিতেই মিটে যাবে।
শরীয়ার সীমানার ভিতরে থেকে তার আদেশ নিষেধ মেনে চলুন।

প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
إذا صلت المرءة خمسها وصامت شهرها وحفظت فرجها وأطاع الزوجها؛قيل لها أدخل الجنة من أى أبواب الجنة شيت.
অর্থ: নারীরা যখন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে, রমজানের সওম পালন করে, নিজের লজ্জা স্থান হেফাজত করে এবং স্বামীর আনুগত্য করে,
কেয়ামতের দিন তাকে বলা হবে জান্নাতের যে, দরজা দিয়ে তোমার ইচ্ছা প্রবেশ কর।

❑. দ্বিতীয় বৈশিষ্ট্য হলো প্রিয়তমের সুরক্ষা:
প্রিয় বোন!
আপনি স্বামীর গোপন বিষয়গুলোর সংরক্ষণকারী হোন। ভিতরের কোনো কথা যেন ঘরের বাইরে না যায়। একবার যদি অবিশ্বাসের বীজ বপন করে ফেলেন তবে মনে রাখবেন সেটি সংশোধন করার শক্তি আপনার নাই।
বোন আমার: খুব সতর্ক থাকুন,খুব সতর্ক থাকুন।
কখনো ঝগড়ার সময় তার দুর্বল পয়েন্ট তুলে খুচা দিতে যাবেন না। এতে তার চোখে আপনি এমন ঘৃণিত হবেন যার কোনো চিকিৎসা নেই।
তার সম্মান, মর্যাদা, সম্পদ ও ঘরবাড়ির হেফাজত করুন।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
فَالصّٰلِحٰتُ قٰنِتٍٰتٌ حٰفظٰتٌ لِّلْغَيْب بِمَا حَفِظَ اللّٰهُ
অর্থ: নেককার নারীরা স্বামীদের অনুগত হয় এবং তাদের অনুপস্থিতিতে ও আল্লাহ যা রক্ষা করতে বলেছেন তা রক্ষা করে।

❑. তৃতীয় বৈশিষ্ট্য হলো ইবাদত ও যিকির:
আল্লাহর যিকিরের কথা কখনো বিস্রিত হবেন না।
টেলিভিশন মোবাইল ল্যাপটপ ইত্যাদির অপব্যবহার আপনার হৃদয়কে মেরে ফেলবে।
ফরজ ইবাদতগুলোতে কখনো অবহেলা যেন না হয়।
প্রিয়তম কে সালাতের কথা স্বরণ করিয়ে দিন তার সামনে সালাত আদায় করুন যাতে সেও উদ্বুদ্ধ হয়। আল্লাহর ইবাদত ও স্বামীর আনুগত্যে কোনো ত্রুটি যেন না হয়।

❑. চতুর্থ বৈশিষ্ট্য হলো সুগন্ধীয় পোশাক:
সুন্দর মনকাড়া পোশাক পরে স্বামীর সামনে আবির্ভূত হন। মিষ্টি কোন সুগন্ধি ব্যবহার করুন।
পুরুষ তাদের স্ত্রীদের সুন্দর অবয়ব দেখতে ভালোবাসে। তার প্রিয় রঙের পোশাকে নিজেকে মোহনীয় করে তুলুন। নিজেকে সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ও ও আকর্ষণীয় করে রাখুন। যাতে আপনার প্রিয়তম সবসময় আপনার সান্নিধ্যে পাওয়ার প্রত্যাশায় থাকে।

❑. পঞ্চম বৈশিষ্ট্য হলো স্বামীর পরিচর্যা:
স্বামীর প্রয়োজনগুলোর কথা মনে রাখুন যথাসময়ে চাওয়ার আগেই হাজির করুন।তার স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও লেবাস পোশাকের পরিচ্ছন্নতার দিকেও খেয়াল রাখুন। মাঝে মাঝে বিভিন্ন উপলক্ষে তার পছন্দের খাবার রান্না করে খাওয়ান। অসুস্থ হলে মন প্রাণ দিয়ে তার সেবা করুন।

প্রিয় বোন: এই বৈশিষ্ট্যগুলোকে যদি আপনার চরিত্রের অংশ বানাতে পারেন তবে আল্লাহর রহমতে আপনি সুখময় দাম্পত্য জীবন
লাভ করবেন।
দোয়া করি, আল্লাহ সকল মুমিন বোনকে সুখময় দাম্পত্য জীবন দান করুন। আমীন

🔜Collected. •||• বিয়ে : অর্ধেক দ্বীন

▌স্বামী স্ত্রীর মাঝে রোমান্টিকতা এবং রাসুল (সাঃ) এর সুন্নত।[] প্রথম প্রথম বিয়ে হলে স্বামী স্ত্রীর মাঝে অদ্ভুত ভালো লাগা ...
26/04/2020

▌স্বামী স্ত্রীর মাঝে রোমান্টিকতা এবং রাসুল (সাঃ) এর সুন্নত।

[] প্রথম প্রথম বিয়ে হলে স্বামী স্ত্রীর মাঝে অদ্ভুত ভালো লাগা থাকে। একটুখানি হাসি, একটু মিষ্টি কথা যেন মনকে ছুয়ে ছুয়ে যায়। বিয়ের পর প্রথম যখন স্বামী স্ত্রী একজন আরেকজনের কাছাকাছি আসে, তখন উভয়ের মাঝে মিষ্টতা, আতিশয্য, ভালোলাগা বর্ণনাতীত।
আহা! যদি জীবনের শেষ পর্যন্ত প্রতিটি দিনই এমন হতো। তাহলে কি আর কিছু লাগতো দুনিয়াতে?! বিয়ের প্রথম কয়েকটা মাস হলো হানিমুন টাইপ। যখন এই হানিমুন পিরিয়ড শেষ, তখন থেকেই আসল ঘটনা শুরু।
·
[] স্বামী তাঁর চাকরী, ব্যবসা নিয়া ব্যস্ত। সারাদিন পর ক্লান্ত শ্রান্ত আর খিটখিটে মেজাজ নিয়ে বাসায় ফেরেন তিনি। চিৎকার করে স্ত্রীর কাছে খাবার চান, ধপ করে সোফায় বসে থম মেরে পড়ে থাকেন আর না হয় টিভি দেখেন, অথবা অন্য কাজ করেন।
·
[] অতঃপর খাওয়া শেষে সিংকে প্লেট ফেলে রেখে আবার সোফায় গিয়ে বসেন। এভাবে একটার পর একটা অর্ডার করতে থাকেন স্ত্রীকে। অপরদিকে, স্বামী মহাশয় তাঁর কোন এক পুরনো বন্ধুকে ফোন করেন, অথবা ফোন করেন কোন কলিগকে।
·
[] এরপর ঘুমের পালা। যদি স্বামী মহাশয়ের মুড ভালো থাকে, তাহলে তিনি স্ত্রীর সাথে মিলিত হয়ে থাকেন। কিন্তু শুধু নিজের খায়েশ মেটানোই থাকে উদ্দেশ্য। কাজ কর্ম শেষে ধপ করে পড়ে তিনি ঘুমিয়ে যান। বেচারী স্ত্রীর ব্যাপারে তাঁর কোন খেয়ালই থাকেনা। এভাবে, এটাই হয়ে যায় প্রতিদিনের রোযনামচা।
·
[] এবার আসুন স্ত্রীর দৃষ্টিভঙ্গিতে ব্যাপারটা যাচাই করে দেখি। স্ত্রী প্রথম প্রথম চেষ্টা করে স্বামীকে সন্তুষ্ট করার। কিন্তু ধীরে ধীরে সে তাঁর উৎসাহ, উদ্দিপনা হারাতে থাকে। কারণ সে তাঁর স্বামীর মনযোগ পায়না। সে তাঁর স্বামীকে খুশী করার জন্য রান্না করে।
·
[] খাবারের ডেকোরেশন পর্যন্ত নিখুত ভাবে করে। কিন্তু স্বামী তাঁর খাবারের প্রশংসাতো দূরের কথা, দোষ ধরতে ধরতে কিছু বাকি রাখেনা। এভাবে এমন অবস্থা হয় যে, স্ত্রী ততোক্ষণ ভালো থাকে যতক্ষণ স্বামী বাসায় থাকেনা। কারণ স্বামী বাসায় আসলেই শুরু হয় তাঁর দাসত্বের জীবন। সে হয়ে যায় চাকরানীর ন্যায়।
·
[] এধরনের দাম্পত্য ধীরে ধীরে ধ্বংসের দিকে যেতে থাকে। জীবনে সুখ পাওয়া হয়ে যায় দুষ্কর।
·
[] স্বামীর উচিৎ রাসুলুল্লাহ "সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের" মতো তাঁর দাম্পত্য জীবনকে সাজিয়ে তোলা। প্রেমের আইকন পুরুষ হিসেবে আমরা রোমিওকে বুঝি, রাসুলকে নয়। এটা আসলেই অত্যন্ত দুঃখজনক।
·
[] অথচ পৃথিবীর বুকে সর্বশ্রেষ্ঠ রোমান্টিক স্বামী যদি বলতে হয়, তাহলে বলতে হবে আমাদের রাসূলুল্লাহ "সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম" এর কথা। তাঁর জীবনী ভালোভাবে পড়লে তা আমাদের নিকট স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
·
[] আমাদের রাসুল (সাঃ) আদর্শ স্বামীর প্রকৃষ্ট উদাহরণ। তিনি ছিলেন তাঁর স্ত্রীদের কাছে সবচাইতে শ্রেষ্ঠ মানুষ।
·
একটি সুখী সংসার করতে হলে স্বামী এবং স্ত্রীর মাঝে অবশ্যই মনস্তাত্তিক, শারিরীক এবং আধ্যাত্নিক বন্ধন সুদৃঢ় হতে হবে।
·
[] নিচে রাসুলের সুন্নত থেকে কিছু টিপস দেয়া হল, যা পালন করলে অবশ্যই সুখী সংসার গড়া সম্ভব হবে।
·
১./ সঙ্গী/সঙ্গিনীর অনুভুতি বোঝার চেষ্টা করুন,
·
[] স্বামী স্ত্রী পরস্পরকে পরস্পরের অনুভুতির ব্যাপারে অবশ্যই অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। স্বামীকে বুঝতে হবে কখন স্ত্রীর মন মেজাজ ভাল বা খারাপ। তেমনি স্ত্রীকেও বুঝতে হবে কখন স্বামীর মন মেজাজ স্বাভাবিক না। কখনই দুই জনের মন মেজাজ একসাথে খারাপ হওয়া যাবে না।
·
[] কথাকাটাকাটি বা ঝগড়ার সময় দুই জনের একজনকে অবশ্যই চুপ থাকতে হবে। এ সময় উচিত একজন আরেকজনের পাশে বসে ঠান্ডা মাথায় সমস্যা বোঝার চেষ্টা করা।
·
[] আমাদের রাসুল (সাঃ) আম্মাজান আয়েশা (রাঃ) এর ব্যাপারে এতটাই সচেতন ছিলেন যে, তিনি বুঝতেন কখন আমাদের আম্মাজান খুশী হয়েছেন আর কখন বেজার হয়েছেন।

·
২./ তাঁকে আশ্বস্ত করুন।
·
[] স্বামী ও স্ত্রী দুজনকেই দুজনে আস্বস্ত রাখতে হবে। মানুষের জীবনে ভাল, খারাপ সময় এসেই থাকে। তাদেরকে জীবনের ভাল এবং খারাপ এই দুই সময়েই পাশে থাকতে হবে। ভাল সময় পাশে থাকলাম আর খারাপ সময় এলে ছেড়ে দূরে গেলাম এমনটি যেন না হয়। তাদের পরস্পরকে পরস্পরের কাছে স্বস্তি, ছায়া, অবলম্বন ইত্যাদি পেতে হয়।
·
[] একবার সাফিয়াহ (রাঃ) কোন এক সফরে রাসুল (সাঃ) এর সাথে যাবেন, কিন্তু তিনি একটু দেরী করে ফেললেন। যার ফলে তিনি কাঁদছিলেন। রাসুল (সাঃ) যখন তাঁকে এ অবস্থায় পেলেন, তিনি উম্মুল মুমিনীনের চোখের পানি মুছে দিয়ে প্রবোধ দিয়েছেন।
·
৩./ স্ত্রীর কোলকে বালিশ বানিয়ে শুয়ে থাকুন
·
[] স্বামীর কাছে ব্যাপারটা অত্যন্ত তুচ্ছ মনে হতে পারে। কিন্তু স্ত্রীর জন্য এটা অনন্য। এই আচরণ দুই হৃদয়কে কাছে টেনে নিয়ে আসে। এই আচরণে স্ত্রী প্রচন্ডভাবে আস্বস্ত হয়। বাহির থেকে স্বামীরা যখন বাসায় আসবেন, কিছুক্ষণের জন্য হলেও আপনার স্ত্রীর কোলে মাথা রেখেন শুয়ে পড়ুন। এতে আপনার বিশ্রাম ও হবে, সেই সাথে স্ত্রী ও খুশী হবেন।
·
[] হাদিসে এসেছে, রাসুল (সাঃ) আয়েশা (রাঃ) এর কোলে মাথা রেখে শুয়ে থাকতেন, এমনকি কুরআন তেলাওয়াত ও করতেন।
·
৪./ চুল আচড়ে দিন।
·
[] কোন কোন কাজ অনেক সময় সামান্য বলে মনে হলেও দাম্পত্য জীবনে এর প্রভাব যাদুময়ী। চুল আঁচড়ে দেয়া হল তাঁর মধ্যে অন্যতম। স্বামী স্ত্রী একে অপরের চুল মাঝে মাঝে আঁচড়ে দিতে পারেন। আমাদের উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা (রাঃ) মাঝে মাঝে নবীজির চুল আঁচড়ে দিতেন।
·
[] তেমনিভাবে অন্যান্য ছোটখাট কাজ করেও ভালবাসা বৃদ্ধি করতে পারেন। যেমনঃ জামা পড়তে সাহায্য করা, গরমের দিনে ঠান্ডা শরবত করে দেওয়া ইত্যাদি।
·
৫./ গ্লাস বা পাত্রের একই জায়গা দিয়ে খান।
·
[] হযরত আয়েশা (রাঃ)যখন কোন পাত্র দিয়ে পানি পান করতেন, রাসুল (সাঃ) সেই একই পাত্রের সেই একই জায়গা দিয়ে পানি পান করতেন। তেমনি ভাবে গোশত খাওয়ার সময় আয়েশা (রাঃ) যে স্থান হতে খেতেন রাসুল (সাঃ) ও ঐ একই স্থান হতে খেতেন।
·
[] আপনি ও আপনার স্ত্রী বা স্বামীর সাথে এভাবে ব্যবহার করুন। আপনাদের মাঝে ভালবাসা হবে প্রকট এবং বন্ধন হবে অটুট।
·
৬./ চুম্বন করুন।
·
[] হাদিসে এসেছে স্ত্রীর মুখে খাবারের লোকমা তুলে দেয়াতেও সওয়াব রয়েছে। তাই স্বামী স্ত্রী উভয়েই পরস্পরকে খাবার মুখে তুলে খাইয়ে দিন। সুযোগ পেলেই এ কাজ করুন।
·
৭./ ঘরের কাজে সাহায্য করুন।
·
[] রাসুল (সাঃ) যতক্ষণ বাসায় থাকতেন, ঘরের কাজে স্ত্রীদের সাহায্য করতেন। তিনি নিজের কাজ নিজে করতেন। নিজের কাপড় ধোয়া, জুতা সেলাই করা তিনিই করতেন।
তেমনিভাবে স্বামী স্ত্রী যদি বিনা দ্বিধায় এবং বিনা জিজ্ঞাসাতেই পরস্পরের কাজে সাহায্য করে তাহলে একে অপরের প্রতি সহানুভুতিশীলতা অনুভব করবে যা দাম্পত্য জীবনের অন্যতম চালিকা শক্তি।
·
৮./ গল্প করুন।
·
[] স্ত্রীর সাথে আপনার জীবনের ঘটে যাওয়া কোন মজার ঘটনা, অথবা গল্প শেয়ার করুন। স্বামী স্ত্রীর মাঝে দেখা যায় এক পর্যায়ে গিয়ে কাজের আর সংসারের কথা ছাড়া অন্য কোন কথাবার্তা হয়না। এটা ঠিকনা। তাঁদের উচিত নিজেদের মাঝে হাল্কা খোশগল্পে মেতে ওঠা।
·
[] অথচ আমরা যা করি তা হল, কোন ঘটনা বন্ধুদের কে ফোন করে বলে থাকি আর হাহাহুহু করে হাসি। কিন্তু স্ত্রীকে বলিনা। অথচ উচিত ছিল স্ত্রীকে নিয়েই সবার আগে হাহা হুহু হিহি করা। কাজেই আর দেরী না করে একটা রুটিন করুন, যে সময় আপনি ও আপনার স্ত্রী বসে হাল্কা খোশ মেজাজে কথাবার্তা বলবেন।
·
৯./ সুখের কোন সংবাদ বা সময়টুকু তাঁর সাথে শেয়ার করুন।
·
[] জীবনের ভাল সময় গুলো অথবা কোন ভাল ঘটনায় যখন আপনি খুশী হন, সে সময় টুকু স্ত্রীর সাথে উদযাপন করুন। স্বআমী স্ত্রী পরস্পর সুখ ও দুঃখ উভয় ক্ষেত্রেই অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হিসেবে কাজ করে থাকে।
·
১০./ বাচ্চাদের মতো খেলুন এবং প্রতিযোগিতা করুন।
·
[] রাসুল (সাঃ) তাঁর স্ত্রীদের সাথে হাসিতামাশা এবং ক্রীড়া কৌতুকে অংশগ্রহণ করতেন। আয়েশা (রাঃ) এবং রাসুল (সাঃ) এর দৌড় প্রতিযোগিতার ঘটনাটি এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
·
১১./ সুন্দর নাম দিন এবং সেই নামে ডাকুন।
·
[] রাসুল (সাঃ) তাঁর স্ত্রীদের সুন্দর নামে ডাকতেন। অনেক সময় তিনি আয়েশা (রাঃ) কে আহ্লাদ করে “আয়েশ” বলে ডাকতেন। তিনি কোন কোন সময় “হুমায়রা” বলেও ডাকতেন। হুমায়রা অর্থ হল হাল্কা লালাভ। আলিমগণ বলেছেন, কেউ যদি এত ফর্সা হয় যে রোদের আলোয় তাঁর চেহারা লাল বর্ণ হয়ে যায়, তখন এ অবস্থাকে হুমায়রা বলা হয়।
দাম্পত্য জীবনে এটাই দরকার। স্বামী স্ত্রী একজন আরেকজনকে প্রশংসা করবে, ভালবাসবে। ফলে জীবন হবে সুখময়।
·
১২./ সুন্দর জামা কাপড় পরুন এবং সাজুন।
·
[] স্বামী স্ত্রী একজন আরেকজনের জন্য পরিপাটি করে থাকা জরুরী। স্ত্রীরা যেমন স্বামীর জন্য ভাল ভাল জামা কিনে পড়ে, সাজগোজ করে। স্বামীর ও উচিত ভাল ভাল জামা পড়া, নিজেকে পরিপাটি করে রাখা, পরিচ্ছন্ন রাখা। অথচ আমাদের পুরুষদের মাঝে এটা দেখা যায়না। আর পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারেতো একেবারেই উদাসীন।
·
[] রাসুল (সাঃ) যখন বাহির থেকে বাসায় ফিরতেন, সঙ্গে সঙ্গে মেছয়াক করে নিতেন।
·
১৩./ সুগন্ধি ব্যবহার করুন।
·
[] রাসুল (সাঃ) সুগন্ধী অনেক পছন্দ করতেন এবং দুর্গন্ধ ঘৃণা করতেন। তাঁর এক সুগন্ধীদানী ছিল এবং সেখানে থেকে তিনি নিয়মিত সুগন্ধী লাগাতেন।
স্বামী স্ত্রীর উচিত সুগন্ধি ব্যবহার করা। নিজেকে পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে মনোরম থাকা। কারণ দুর্গন্ধ স্বামী স্ত্রীর মাঝে ভালবাসার অন্তরায়।
·
১৪./ একান্তে ঘটে যাওয়া বিষয় গোপন রাখুন।
·
[] স্বামী স্ত্রীর মাঝে ঘটে যাওয়া একান্ত মুহুর্তের ব্যাপারগুলো কখনই বন্ধু মহলে আলোচনা করবেন না। এটা সম্পর্কের মাঝে খারাপ প্রভাব বিস্তার করে। আপনার স্ত্রী শুধু আপনার জন্যই, আপনার স্বামী শুধু আপনার জন্যই।
·
[] কখনই গোপন বিষয়গুলো বাহিরে প্রকাশ করবেন না। যারা গোপন বিষয় বাহিরে বলে বাড়ায়, তাদের ব্যাপারে রাসুল (সাঃ) এ ধরনের ব্যক্তিকে নিকৃষ্ট বলে আখ্যা দিয়েছেন।.
·
১৫./ সঙ্গীর পরিবারের সদস্যদের ভালবাসুন এবং সম্মান করুন।
·
[] স্বামী এবং স্ত্রী শুধু তাদের নিজেদেরকে না, তাদের পরিবারের সদস্যদেরকেও সম্মান দেখাতে হবে, স্নেহ করতে হবে। অপরজনের সামনে নিকট আত্নীয়ের প্রশংসা করতে হবে। এতে উভয়ের মনে ভালবাসা বৃধি পাবে।
▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂

(আমাদের লেখাটি শেয়ার করে আপনিও হোন ইসলামের একজন দ্বায়ী)

Collected & edited :Umar Ibn Abdul Kadir
💕 বিয়ে : অর্ধেক দ্বীন ( .page)
👉 ইনশাআল্লাহ বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন।

বিয়ে দিলে দেখবেন আপনার বাবু একদম শান্ত হয়ে গেছে। কারণ, ওর রবের পক্ষ থেকে আসা এই আকর্ষণের ওষুধ সে তার রবের দেখানো পথেই পে...
23/04/2020

বিয়ে দিলে দেখবেন আপনার বাবু একদম শান্ত হয়ে গেছে। কারণ, ওর রবের পক্ষ থেকে আসা এই আকর্ষণের ওষুধ সে তার রবের দেখানো পথেই পেয়ে গেছে। কারণ, ওর চরিত্র এখন হেফাজতে আছে। সে এখন এমন এক দুর্গে আছে যেখান থেকে গুনাহ করা কিংবা গুনাহের পথে পা বাড়ানো ওর জন্য হয়ে গেছে অনেক কঠিন। আর সে গুনাহের দিকে পা বাড়াতেই বা কেন যাবে বলুন তো! ওকে তো আর এখন রাত-বিরাতে টাকা খরচ করে কথা বলা লাগছে না, গাঁটের পয়সা হোটেলে বিলিয়ে দিয়ে এসে কাউকে খুশি রাখতে হচ্ছে না, পহেলা বৈশাখে আপনার মেয়েটাকে হলুদ শাড়ী পরে টইটই করে ঘুরে বেড়াতে হচ্ছে না, দরজা আটকিয়ে ভিডিও কলেও আর কথা বলতে হচ্ছে না। কারণ, এর সবকিছুই ওরা এখন বাসায় বসে ফ্রিতেই পাচ্ছে। আগে কফি খেতে হোটেলে যেতে হত সেটা এখন বাসার বারান্দায় বসেই তারা যতখুশি চা-কফি খেতে পারছে, ভিডিও কলে একে অপরকে না দেখে জলজ্যান্ত মানুষটাকেই চোখের সামনে দেখতে পারছে। আগে 'তার' একটা হাসি দেখার জন্য মনটা কত অস্থির হত, আর যখন তখন চাইলেই তা পারছে ওরা। কে দেখে ফেললো, কে শুনে ফেললো, কে জেনে ফেললো, এসবের আর কোনো টেনশনই এখন ওদের নেই। ওরা এখন একেবারে স্বাধীন, পাখির মত ভারমুক্ত, হালকা।
'বিয়ে করিয়ে দিন' বই থেকে।
◾বিয়ে : অর্ধেক দ্বীন ( .page)
👉ইন-শা-আল্লাহ বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বিয়ে : ভালোবাসার পবিত্র বন্ধন posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to বিয়ে : ভালোবাসার পবিত্র বন্ধন:

Share