Taher Sayeed Hafijahullah

Taher Sayeed Hafijahullah I just create this page for Islamic teach. My name is Taher Sayeed Hafijahullah.

I just want to shared Islamic waz Islamic boyan sotter poth islamer dini poth al koraner alo shisuder sikkha koraner alochona.

12/02/2025
29/08/2024

বন্যার্ত মানুষের পাশে যদি দাঁড়াতে চান। তাদের যদি অর্থ দিয়ে সাহায্য করতে চান। তাহলে উপরে দেওয়া নাম্বারে অর্থ প্রদান করতে পারেন।

ইসলামের পাখি
06/01/2024

ইসলামের পাখি

24/09/2023

কোন আমল করলে স্ত্রী বাবার বাড়ী কম যাবে
HD Quality: https://youtu.be/ER6C5YckuNs

23/09/2023

কোন আমল করলে স্বপ্নে নবীজি কে দেখা যায়
HD Quality: https://youtu.be/sPPNotyglmQ

প্রিয় নবীকে স্বপ্নে দেখার আমল

হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আমাকে স্বপ্নে দেখল, সে আমাকেই দেখল। কেননা বিতাড়িত শয়তান আমার রূপ ধরতে পারে না।

আর যে ব্যক্তি আমার ওপর মিথ্যাচার করল, সে তার দোজখের আসন গ্রহণ করল। ' –সহিহ বোখারি : ১১০

অন্য আরেক হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, 'যে আমাকে স্বপ্নে দেখল, শিগগিরই সে আমাকে জাগরণে দেখবে অথবা সে যেন আমাকে জাগরণেই দেখল। আর শয়তান আমার রূপ ধরতে পারে না। ' –সহিহ মুসলিম : ২২৬৬

ইসলামের ইতিহাসে দেখা যায় যে, অনেক সাহাবি, তাবেঈ ও বুজুর্গরা নবী করিম (সা.) কে স্বপ্নে দেখেছেন। ইসলামের বিধান হলো, নবী করিম (সা.) কে স্বপ্নে দেখা বাস্তবে দেখার মতো। কেননা, শয়তান কখনও নবীজির অাকৃতি ধারণ করতে পারে না।

এখন আমাদের জানা দরকার, নবী করিম (সা.) কেমন ছিলেন তিনি। কোন আকৃতিতে তাকে স্বপ্নে দেখা যাবে। শামায়েলে তিরমিজির বর্ণনায় নবী করিম (সা.)-এর আকার-আকৃতির বর্ণনা দেওয়া হয়েছে এভাবে—

তিনি ছিলেন মানানসই দীর্ঘদেহি। তার গায়ের রঙ দুধে-আলতায় মিশ্রিত গোলাপের মতো। গোলগাল হালকা-পাতলা চেহারা। ঘন দাড়ি। মুখগহবর প্রশস্ত। ঘাড় যেন রৌপ্যপাত্রে রক্তঢালা। কেশরাশি সামান্য কোঁকড়ানো-বাবরি। মেদহীন সুঠাম দেহ। হাত-পায়ের আঙুলগুলো শক্তিশালী ও মজবুত।

বাহু, কাঁধ ও বুকের ওপরে পশমবিশিষ্ট। অতিরিক্ত পশমমুক্ত শরীর। বুকে নাভি পর্যন্ত পশমের দীর্ঘ রেখা। দুই কাঁধের মাঝখানে মোহরে নবুওয়ত। মাথা ও অস্থিবন্ধনীগুলো কিছুটা বড়সড়। প্রশস্ত ললাট। চক্ষুগোলক ডাগর ডাগর। চোখের মণি কুচকুচে কালো। পাপড়ি লম্বাটে। ভ্রুযুগল অমিলিত প্রশস্ত ঘন।

ভ্রুদ্বয়ের মাঝখানে প্রস্ফুটিত একটা রগ, যা রাগের সময় স্ফীত হতো। উন্নত চকচকে নাসিকা। দাঁতগুলো বিযুক্ত রুপার গাথুনি। এক কথায় তার অপূর্ব রূপমাধুর্য বর্ণনাতীত। যে কেউ তাকে প্রথম দর্শনে হতভম্ব হয়ে পড়ত। সে একথা বলতে বাধ্য- জীবনে এমন সুন্দর মানুষ দ্বিতীয়জন দেখিনি। ’

নবী করিম (সা.) কে স্বপ্নে দেখতে হবে ঈমান অবস্থায়। পূর্ণ ইসলাম পরিপালনকারী ও সুন্নতের অনুসারীরাই কেবল তাকে দেখতে পাবেন। এ ছাড়া কেউ নবী করিম (সা.) কে দেখার দাবী করলে সেটা মিথ্যা দাবী হবে।

মনে রাখতে হবে, যে যাকে ভালোবাসে, তার সঙ্গ লাভে নিজেকে ধন্য মনে করে। তার চালচলন, ভাবভঙ্গি ও বচনাচার অনুকরণ করে। সে নবী করিম (সা.) কে স্বপ্নে দেখে। সবসময় তার সাক্ষাতের প্রতীক্ষায় থাকে। এভাবেই যুগে যুগে হাজারো নবীপ্রেমিক নবী করিম (সা.) কে স্বপ্নে দেখেছেন।

তাকে স্বপ্নে দেখেছিলেন- ইমাম আবু হানিফা, আবদুর রহমান জামি, জালালুদ্দীন রুমি, শেখ সাদি, সাদুদ্দীন তাফতাজানি। হজরত শাহ ওলিউল্লাহ দেহলভি, আবদুল আজিজ, শায়খ জাকারিয়াসহ অসংখ্য নবীপ্রেমিক (রহ.)। বর্ণিত আছে, ইমাম মালেক (রহ.) অধিকাংশ রাতেই নবী করিম (সা.) কে স্বপ্নে দেখতেন।

নবী করিম (সা.) কে স্বপ্নে দেখতে হলে করণীয় হলো- সত্যিকারের নবী প্রেমে মাতোয়ারা হওয়া, তার সুন্নতসমূহ পালনের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি পেতে উদ্গ্রীব হওয়া। তাহলেই কেবল নবী করিম (সা.) কে স্বপ্নে দেখা সম্ভব।

কোনো কোনো আলেম বলেছেন, নবী করিম (সা.) কে স্বপ্নে দেখতে হলে, বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা। অজুসহকারে পবিত্র হয়ে বিছানায় শয়ন করা। শেষ রাতে উঠে তওবা করা।

তবে সর্বাগ্রে যেটা মনে রাখা দরকার সেটা হলো- ফরজ ইবাদদ তার হকসহ পরিপূর্ণভাবে পালন করেই তবে নফল ইবাদতে মনোনিবেশ করা।

Our Another youtube Channel: If you Want to learn Computer A to Z, Click this link https://www.youtube.com/channel/UCM4ZIVl3ZawQ5NA2ZpXveQg

Facebook Link: https://www.facebook.com/Tahersayeedhafijahullah

Facebook Account :https://www.facebook.com/mdai.shamim/

22/09/2023

যেই আমল করলে রাগ নিয়ন্ত্রন থাকে
HD Quality: https://youtu.be/4_iK3nPMazw

রাগ নিয়ন্ত্রণে ইসলামের নির্দেশনা

রাগ নেই, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। এক সাহাবি হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে এসে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাকে অল্প কথায় কিছু নসিহত করুন।

রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন, রাগ বর্জন করো। সাহাবি কয়েকবার বললেন, আরও নসিহত করুন। প্রত্যেকবারই রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন, রাগ বর্জন করো। -বোখারি শরীফ

রাগ মানবিক আবেগের অংশ বিশেষ। তবে অনিয়ন্ত্রিত রাগ মারাত্মক ক্ষতিকারক। জ্ঞানীরা বলেন, রাগ হলো বারুদের গুদামের মতো। আগুনের স্ফূলিঙ্গের ছোয়ায় সব কিছু ধ্বংস করে দিতে পারে এই রাগ। এ কারণে রাগ নিয়ন্ত্রণের কোনো বিকল্প নেই। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, কোনো কোনো মানুষ দ্রুত রেগে যায় এবং তাদের রাগও প্রচ-। এমনকি মানুষ রেগে গিয়ে গালিগালাজ শুরু করতে পারে, মানুষের সঙ্গে মেলামেশাও বাদ দিতে পারে। এ ধরনের ব্যক্তিরা রাগের কারণে নানা দৈহিক রোগেও আক্রান্ত হতে পারে।

আরেক ধরনের লোক হলো এরকম যে, তারা ভারসাম্যপূর্ণ। বিবেক ও নৈতিক শিক্ষার ভিত্তিতে যৌক্তিক পন্থায় নিজেদের ক্রোধ নিয়ন্ত্রণে রাখে। এ ধরনের ব্যক্তিরা সাধারণত সাহসী ও আশাবাদী হয়। এই দুই ধরনের লোকদের বাইরেও আরেক দল আছে, যারা ভয়ের কারণে রাগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে না। বিষয় যেটাই হোক, এটা সত্য যে, নৈতিক শিক্ষা মানুষকে রাগ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে ভারসাম্যপূর্ণ হতে সাহায্য করে। এ কারণে মানুষকে রাগ নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে ভারসাম্যপূর্ণ হতে হবে।

সাধারণত কোনো কারণ ছাড়া মানুষ ক্রুদ্ধ হয় না। এর মধ্যে কোনো কোনো কারণ গ্রহণযোগ্য, আবার কোনো কোনোটি অগ্রহণযোগ্য ও অযৌক্তিক। ব্যর্থতা, অযৌক্তিক প্রত্যাশা, হিংসা-বিদ্বেষ ও অন্যের দোষ খুঁজে বেড়ানোর মতো কিছু অভ্যাস ও ঘটনার পাশাপাশি অবিচার, জুলুম ও দারিদ্রের মতো সামাজিক অসঙ্গতিগুলো মানুষের রাগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে রাগ প্রকাশের ধরনের ক্ষেত্রে ব্যক্তিভেদে পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। কিছু লোক আছে, একজনের ওপর রাগ পুষে রেখে অন্যের ওপর তার প্রকাশ ঘটায়। অনেকে আবার সরাসরি প্রতিক্রিয়া দেখায়। কেউ কেউ আছেন, শত অন্যায়ের পরও কোনো প্রতিক্রিয়া দেখান না। এ ধরনের প্রতিক্রিয়াহীন অবস্থা শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য ভালো নয়। তবে যারা রাগকে কৌশলে সংবরণ করে সেই শক্তিকে ভালো কাজে লাগাতে পারেন, তারাই প্রকৃত সফলকাম।

ইসলাম মানুষকে রাগ নিয়ন্ত্রণ করার নির্দেশ দিয়েছে। ইসলাম মনে করে, রাগ মানুষকে জ্ঞান, বিবেক ও ধর্মের পথ থেকে বিচ্যুত করে দেয়। রাগের কারণে মানুষের আচার-আচরণ ও চিন্তায়া খারাপ প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। তাই রাগান্বিত অবস্থায় ক্ষমা করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে ইসলাম। বিশেষ করে কোনো ব্যক্তি যদি প্রতিশোধ নেওয়ার ক্ষমতা থাকার পরও প্রতিশোধ না নেয় এবং ক্ষমা করে দেয়, তাহলে তার এ কাজটি ইসলামের দৃষ্টিতে অনেক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত।

ইসলামের ইতিহাসে দেখা যায়, বড়া বড় মনিষীরা ক্ষমা করার ক্ষেত্রে ছিলেন অগ্রগামী। তারা রাগান্বিত হলে সূরা আল ইমরানের ১৩৪ নম্বর আয়াতটি তেলাওয়াত করতেন। এ আয়াতে বলা হয়েছে, ‘যারা সচ্ছল ও অসচ্ছল সব অবস্থায়ই অর্থ-সম্পদ ব্যয় করে এবং যারা ক্রোধ দমন করে ও অন্যের দোষ-ক্রটি মাফ করে দেয়। এ ধরনের সৎলোকদের আল্লাহ অত্যন্ত ভালোবাসেন। ’

মহান ও আধ্যাত্মিকভাবে পরিশুদ্ধ ব্যক্তিরা সব সময় অন্যের জন্য দোয়া করেন। মানুষকে সংশোধন করে দেওয়ার জন্য আল্লাহর কাছে আবেদন জানান। তাদের কথা হলো, কোনো আত্মীয়-স্বজন বা বন্ধু-বান্ধব আপনার ওপর রেগে থাকলে ক্ষুব্ধ লোকটির কাছে গিয়ে নম্রভাবে তাকে স্বান্তনা দিন, তার ক্ষোভ উপশমের ব্যবস্থা করুন, যাতে সে শান্ত হয়। এমনটি করলে ক্ষুব্ধ ব্যক্তিটির ক্ষোভ কমবে, তার কোনো ক্ষতি করার পরিকল্পনা থাকলে তা থেকে সরে আসবে।

রাগ নিয়ে ইসলামের এমন অবস্থানের পরও কিন্তু কোনো কোনো ক্ষেত্রে ক্ষোভকে সঠিক বলে রায় দিয়েছে। সমাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, জুলুম ও বৈষম্য দূর করা এবং মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য অপরাধী ও জুলুমবাজদের মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে রাগ বৈধ। জাতীয়, ধর্মীয় ও মানবিক আদর্শ ও মূল্যবোধ রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনে রাগকে কাজে লাগাতে হবে। তবে অন্যায় দমন করতে যেয়ে অন্যায়কে যাতে প্রশ্রয় না দেওয়া না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

বস্তুত রাগ মানুষের জীবনকে সহজেই বিষাক্ত করে তুলতে পারে। রাগের মাথায় এমন সব কাজ ঘটে যাতে পারে- যা ব্যক্তি, সমাজ তথা গোটা বিশ্বের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ। তাই রাগ হলে আলেমরা ‘আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজীম’ পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন। এক হাদিসে বলা হয়েছে, ‘যখন তোমাদের কারও রাগ আসে, তখন সে দাঁড়িয়ে থাকলে যেন বসে পড়ে। তাতে যদি রাগ দমে না যায়, তাহলে সে যেন শোয়ে পড়ে। ’ -তিরমিজি
আবু দাউদ শরীফের একটি হাদিসে আছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘রাগ আসে শয়তানের কাছ থেকে। শয়তান আগুনের তৈরি। আর আগুন নেভাতে লাগে পানি। তাই যখন তোমরা রেগে যাবে, তখন অজু করে নেবে। ’ আর মুসলিম শরীফের এক হাদিসে আছে, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে রাগের সময় নিজেকে সামলে নিতে পারে, সেই প্রকৃত বাহাদুর। আরেক হাদিসে বলা হয়েছে, রাগ দেখানোর সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও যে তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, আল্লাহতায়ালা তাকে কিয়ামতের দিন পুরস্কৃত করবেন।

Our Another youtube Channel: If you Want to learn Computer A to Z, Click this link https://www.youtube.com/channel/UCM4ZIVl3ZawQ5NA2ZpXveQg

Facebook Link: https://www.facebook.com/Tahersayeedhafijahullah

Facebook Account :https://www.facebook.com/mdai.shamim/

21/09/2023

কোন আমল করলে অর্শ রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়
HD Quality: https://youtu.be/qFOUM7SmqZA

অনেক লোক আমাদের সমাজে অর্শ রোগে আক্রান্ত
আমরা সমাজে অনেকেই বলে অভিযোগ। মূলত অর্শ রোগ পাইলস যেটাই হোক
এ রোগথেকে বাঁচার জন্য কুরআনী চিকিৎসা কি
ও বুযুর্গানে দ্বীন কিতাবেরমধ্যে লেখেন
যে ব্যক্তি ফজরের নামাজের সুন্নত প্রথম রাকাতে সূরাফাতিহার পরে ওয়াদ্দুহা অল লাইলি ইজা সাজা
তারপরে আলাম নাশরাহ সূরা এবং আলাম তারা কাইফা ফালারাব্বুকা বিয়া আসহা বিল ফীল। সূরা ফিল তেলাওয়াত করবে এবংদ্বিতীয় রাকাতে সুরা ফাতেহার পরে সুরা লিলাফি কুরাইশ পড়বে এবংসূরা কাফিরুন করবে এবং সূরা ইখলাস তেলাওয়াত করবে
আল্লাহ রাব্বুলআলামীন সারাজীবনের জন্য তাকে অভিশাপ থেকে মুক্ত কইরা দিবেন
এই নিয়মে সূরা ফজরের নামাজে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাকে অর্শরোগ থেকে মুক্তি দান করবেন
আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদেরকে তোওফিকদান করুক

Our Another youtube Channel: If you Want to learn Computer A to Z, Click this link https://www.youtube.com/channel/UCM4ZIVl3ZawQ5NA2ZpXveQg

Facebook Link: https://www.facebook.com/Tahersayeedhafijahullah

Facebook Account :https://www.facebook.com/mdai.shamim/

20/09/2023

কি আমল করলে খারাপ বা বদ জ্বীন থেকে মুক্তি পাওয়া যায়
HD Quality: https://youtu.be/XUozg2G2Vg4

সূরা আনআমের প্রথম তিন আয়াত এর ফজিলত

২৪ হাজার ফেরেশতার কেয়ামত পর্যন্ত ইবাদতের সওয়াব

আজ আমরা সূরা আনামের প্রথম তিন আয়াতের ফজিলত সম্পর্কে জানবো। এই তিনটি আয়াতের পুণ্য আমাদের জীবনে কতটা মূল্যবান তা জানলে অবাক হবেন। আমরা, মানুষ, আজ বা কাল মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে, এটি এমন একটি মুহূর্ত যার কোন নির্দিষ্ট সময় বা স্থান নেই। তাই আমাদের সবার উচিত মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত হওয়া। এই একটি কাজ আপনার জীবন বদলে দেবে।

প্রশ্নঃ কোন আমল করলে চব্বিশ হাজার ফেরেশতা কেয়ামত পর্যন্ত এবাদত করিতে থাকিবে ?

জবাবঃ হাদিস শরীফ এ বর্ণিত আছে,

“যে ব্যক্তি সূরা আন্‌আম এর প্রথম তিন আয়াত সকাল বা বিকালে পাঠ করিবে, চব্বিশ হাজার ফেরেশতা কেয়ামত পর্যন্ত এবাদত করিতে থাকিবে এবং ঐ ফেরেশতাগণ এর সকল সওয়াব ঐ দোয়া পাঠকারী ব্যক্তির আমলনামায় লিখে দেওয়া হবে। একই সাথে, এমন একজন ফেরেশতা নিযুক্ত করা হবে, সে শয়তান এর মুখে চাবুক মারতে থাকবে; যেন শয়তান ঐ দোয়া পাঠকারী ব্যক্তিকে কোন প্রকার কুমন্ত্রণা দিতে না পারে। ইহার ফলস্বরূপ, শয়তান এবং দোয়া পাঠকারী ঐ ব্যক্তির মাঝে পর্দা পড়ে যায়। আর, কেয়ামত এর দিন আল্লাহ্‌ তা’য়ালা ঐ দোয়া পাঠকারী ব্যক্তিকে ডেকে বলবেন, “হে বান্দা! আমার আরশের ছায়ায় এসো। আমি তোমাকে জান্নাত এর খানা খাওয়াব, হাউজে কাউসার এর পানি পান করাব এবং সালসাবিল ঝর্নার পানি দ্বারা গোসল করাব।”

[ইমাম জালালুদ্দিন সুয়ূতীঃ তফসীরে জালালাইন শরীফ]

সূরা আন্‌আম এর প্রথম তিন আয়াত হলঃ
“আল হামদু লিল্লাহিল লাযী খলাকাস্‌ সামাওয়াতি ওয়াল আর্‌দা ওয়া যায়ালায্‌ যুলুমাতি ওয়াননূর ছুম্মাল লাযীনা কাফারু বিরব্বিহিম ইয়াদিলূনা। হুয়াল্‌ লাযী খলাক্কুম মিন ত্বীনিন ছুম্মা ক্ব-যা আযালান ওয়া আযালুম মুসাম্‌মান ইনদাহু ছুম্মা আন্‌তুম তামতারুন। ওয়াহুয়াল্লাহু ফিস্‌ সামাওয়াতি ওয়াফিল আরদি ইয়ায়লামু সির্‌রাকুম ওয়া যাহরাকুম ওয়া ইয়ায়্‌লামু মা তাকসিবুন।”

Our Another youtube Channel: If you Want to learn Computer A to Z, Click this link https://www.youtube.com/channel/UCM4ZIVl3ZawQ5NA2ZpXveQg

Facebook Link: https://www.facebook.com/Tahersayeedhafijahullah

Facebook Account :https://www.facebook.com/mdai.shamim/

19/09/2023

কোন আমল করলে ঋন থেকে মুক্তি পাওয়া যায়
HD Quality: https://youtu.be/zyuXE44BlVU

সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াতের ফজিলত

সুরা বাকারা। পবিত্র কোরআনের দ্বিতীয় সুরা। এ সুরার শেষ দুটি আয়াতের রয়েছে বিশেষ ফজিলত ও তাৎপর্য। নিয়মিত এ অংশের আমল বান্দাকে নানা বিপদাপদ থেকে রক্ষা করবে। জান্নাতের পথও সুগম করবে।

রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করেছিলেন, হে আল্লাহর রাসুল (সা.), কোরআনের কোন সুরা সবচেয়ে বেশি মর্যাদাবান? তিনি বললেন, সুরা এখলাস। এরপর আবার বললেন, কোরআনের কোন আয়াতটি মর্যাদাবান? তিনি বললেন, আয়াতুল কুরসি। এরপর আবার বলেন, হে আল্লাহর নবী, আপনি কোন আয়াতকে পছন্দ করেন, যা দ্বারা আপনার ও আপনার উম্মত লাভবান হবে। নবীজি (সা.) বললেন, সুরা বাকারার ২৮৫-২৮৬ নম্বর শেষ দুটি আয়াত।

এ দুটি আয়াত কখন অবতীর্ণ হয়?

সহিহ্ মুসলিমে এ দুটি আয়াতের ব্যাপারে বর্ণিত আছে যে, ‘এ দুটি আয়াত রাসুল (সা.)-কে মিরাজের রাতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সঙ্গে আসমানে দান করা হয়েছে।’

আমানার রাসুলু বিমা উনঝিলা ইলাইহি মিররাব্বিহি ওয়াল মুমিনুন। কুল্লুন আমানা বিল্লাহি ওয়া মালা ইকাতিহি ওয়া কুতুবিহি ওয়া রুসুলিহি লা নুফাররিকু বাইনা আহাদিমমির রুসুলিহি। ওয়া কালু সামিনা ওয়া আতানা গুফরানাকা রাব্বানা ওয়া ইলাইকাল মাসির। লা ইউকাল্লিফুল্লাহু নাফসান ইল্লা উসআহা–লাহা মা কাসাবাত ওয়া আলাইহা মাকতাসাবাত–রাব্বানা লা তুআখিজনা ইন-নাসিনা আও আখতানা–রাব্বানা ওয়া লা তাহমিল আলাইনা ইসরান কামা হামালতাহু আলাল্লাজিনা মিং ক্বাবলিনা– রাব্বানা ওয়া লা তুহাম্মিলনা মা লা তাকাতা লানা বিহি–ওয়াফু আন্না ওয়াগফিরলানা ওয়ারহামনা– আংতা মাওলানা ফাংসুরনা আলাল কাওমিল কাফিরিন।’ (সুরা বাকারা: আয়াত ২৮৫-২৮৬)

এ দুটি আয়াতের অর্থ হচ্ছে রাসুল ইমান এনেছেন যেসব বিষয়ের ওপর তার পালনকর্তার পক্ষ থেকে যা কিছু তাঁর প্রতি নাজিল করা হয়েছে এবং মুসলমানেরা ও তারা সবাই ইমান এনেছে আল্লাহর প্রতি, আর ফেরেশতাদের প্রতি, তাঁর কিতাবসমূহের প্রতি, তাঁর রাসুলদের প্রতি। (তারা বলে) আমরা তার নবীদের মধ্যে কোনো তারতম্য করি না, আর তারা বলে আমরা শুনেছি এবং কবুল করেছি। আমরা আপনার ক্ষমা চাই, হে আমাদের পালনকর্তা আপনারই দিকে প্রত্যাবর্তন করতে হবে। আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যাতীত কোনো কাজের ভার দেন না, সে তাই পায়, যা সে উপার্জন করে এবং তার ওপর তাই বর্তায় যা সে করে। হে আমাদের পরওয়ারদেগার! যদি আমরা ভুলে যাই কিংবা ভুল করি তাহলে আমাদের অপরাধী করবেন না। হে আমাদের প্রভু আর আমাদের ওপর এমন দায়িত্ব অর্পণ করবেন না, যেমন আমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর করেছেন, হে আমাদের রব! আর আমাদের দ্বারা ওই বোঝা বহন করাবেন না, যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই। আমাদের গুনাহ মাফ করে দিন, আমাদের ক্ষমা করুন এবং আমাদের প্রতি দয়া করুন। আপনিই আমাদের মাওলা। সুতরাং কাফের সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে আমাদের সাহায্য করুন।

সুরা বাকারার শেষ আয়াত দুটি নিয়ে হাদিসে আরও অনেক ফজিলত বর্ণনা করা হয়েছে। এ দুটি আয়াতের ফজিলত প্রসঙ্গে নবী (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি রাতে এ দুটি আয়াত পাঠ করবে, তার জন্য এটাই যথেষ্ট।’

জুবাইর ইবনু নুফাইর (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘সুরা আল-বাকারাকে আল্লাহ তাআলা এমন দুটি আয়াত দ্বারা শেষ করেছেন, যা আমাকে আল্লাহর আরশের নিচের ভান্ডার থেকে দান করা হয়েছে। তাই তোমরা এ আয়াতগুলো শিখবে। তোমাদের স্ত্রীদেরও শেখাবে। কারণ এ আয়াতগুলো হচ্ছে রহমত, (আল্লাহর) নৈকট্য লাভের উপায় ও (দীন দুনিয়ার সকল) কল্যাণলাভের দোয়া।’ [মিশকাতুল মাসাবিহ: ২১৭৩]

বদরি সাহাবি আবু মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘সুরা বাকারার শেষে এমন দুটি আয়াত রয়েছে, যে ব্যক্তি রাতের বেলা আয়াত দুটি তিলাওয়াত করবে, তার জন্য এ আয়াত দুটোই যথেষ্ট। অর্থাৎ রাতে কোরআন মজিদ তিলাওয়াত করার যে হক রয়েছে, কমপক্ষে সুরা বাকারার শেষ দুটি আয়াত তিলাওয়াত করলে তার জন্য তা যথেষ্ট।’ [সহিহ্ বুখারি: ৪০০৮]

হজরত আলী (রা.) বলেছেন, ‘আমার মতে যার সামান্য বুদ্ধিজ্ঞান আছে, সে এ দুটি আয়াত পাঠ করা ছাড়া নিদ্রা যাবে না।’

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বর্ণনা করেন যে রাসুলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেন, ‘যখন আমাকে সিদরাতুল মুনতাহায় নিয়ে যাওয়া হয়, তখন তিনটি জিনিস দান করা হয়। ১. পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, ২. সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত, ৩. এ উম্মতের মধ্যে যারা শিরক করে না, তাদের কবিরা গুনাহ মাফ হওয়ার সুসংবাদ।’ [মুসলিম, তাফসিরে মাজহারি]

Our Another youtube Channel: If you Want to learn Computer A to Z, Click this link https://www.youtube.com/channel/UCM4ZIVl3ZawQ5NA2ZpXveQg

Facebook Link: https://www.facebook.com/Tahersayeedhafijahullah

Facebook Account :https://www.facebook.com/mdai.shamim/

18/09/2023

বিসমিল্লাহির ফজিলত কী ?
HD Quality: https://youtu.be/I5zthjgGtys

বিসমিল্লাহ একটি আরবি শব্দ, যা "আল্লাহর নামে শুরু করছি" বা "আমি আল্লাহর নামে শুরু করছি" এই মানে হয়। এটি ইসলামে অত্যন্ত মুখ্য একটি প্রস্তাবনা, প্রস্তাবনা, এবং প্রশংসা যাচ্ছে এবং এটি কোনও ইসলামিক ক্রিয়াকলাপের শুরুতে ব্যবহৃত হয়, যেমন, কোনও নামাজ পড়ার সময়, কোনও কোরআনি সূরা পড়ার সময়, যেমন, কোনও কিস্সা বা নিবন্ধ শুরু করার সময়, কোনও খাবার খাওয়ার সময়, এবং আরও অনেক ইসলামিক আদর্শের মধ্যে।

বিসমিল্লাহ বলার ফজিলত নিম্নলিখিত:

বিসমিল্লাহ পঠনে আল্লাহর নামে শুরু করার মাধ্যমে একটি ক্রিয়াকলাপে আল্লাহর বরকত অর্জন করা যায়।

ইসলামে বিসমিল্লাহ পড়ার আদর্শ এবং প্রস্তাবনা আছে, এটি আল্লাহর ইচ্ছা অনুযায়ী কোনও কাজ শুরু করা হয় এবং এটি নিজেকে আল্লাহর নির্দেশনা অনুসরণ করার স্মরণ দেয়।

ইসলামে আল্লাহর নামে শুরু করা পবিত্র একটি আদর্শ, যা ইমান ও তাকওয়া (ভয় এবং সতর্কতা) বৃদ্ধি করে এবং প্রতিটি কাজে আল্লাহর রাজি হতে সাহায্য করে।

কোরআন ও সুন্নাহে এই পবিত্র প্রথা সমর্থন করে এবং ইসলামিক সাহিত্যে প্রচলিত রয়েছে।

এই কারণে, বিসমিল্লাহ বলার প্রাকৃতিক এবং ধার্মিক ফজিলত ইসলামে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি আদর্শ হিসেবে মোটামোটি মেনে নেওয়া হয়।

Our Another youtube Channel: If you Want to learn Computer A to Z, Click this link https://www.youtube.com/channel/UCM4ZIVl3ZawQ5NA2ZpXveQg

Facebook Link: https://www.facebook.com/Tahersayeedhafijahullah

Facebook Account :https://www.facebook.com/mdai.shamim/

26/06/2023

হজ্জ কবুল হওয়ার জন্য কতো সময় আরাফার ময়দানে থাকতে হবে
HD quality : https://youtu.be/qgfL6Qzzkpk

১০৮-আরাফার মাঠে অবস্থানের হুকুম কি?
এটা হজ্জের রুকন। এটা বাতিল হয়ে গেলে হজ্জ বাতিল হয়ে যাবে।

১০৯- আজ কখন আরাফাতে রওয়ানা দেব?
আজ ৯ই যিলহজ্জ সূর্য উদয় হওয়ার পর আরাফাতের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেবেন। এর আগ পর্যন্ত মিনাতেই অবস্থান করা সুন্নত। রওয়ানা দেয়ার সময় তালবিয়াহ ও কালিমা পড়বেন ও তাকবীর বলতে থাকবেন।

لَبَّيْكَ اللَّهُمَّ لَبَّيْكَু لَبَّيْكَ لاَ شَرِيكَ لَكَ لَبَّيْكَুإِنَّ الْحَمْدَ وَالنِّعْمَةَ لَكَ وَالْمُلْكَু لاَ شَرِيكَ لَكَ

১১০- আরাফার ময়দানে হাজীদের করণীয় কাজগুলো কী কী?
(১) আরাফায় পৌঁছে মসজিদে ‘নামিরা’র কাছে অবস্থান করা মুস্তাহাব অর্থাৎ উত্তম। সেখানে জায়গা না পেলে আরাফার সীমানার ভিতরে যে কোন স্থানে অবস্থান করতে পারেন। এতে কোন অসুবিধা নেই- (মুসলিম)। তবে পাশেই ‘উরানা’ নামের একটি উপত্যকা আছে। সেটি আরাফার চৌহদ্দির বাইরে। কাজেই সেখানে যাবেন না। ঐখানে অবস্থান করবেন না।

(২) যুহরের সময় হলে ইমাম সাহেব খুৎবা দেবেন। খুৎবার পর যুহরের ওয়াক্তেই যুহর ও আসরের সালাত একত্রে জমা করে পড়বেন। দু’ নামাযেরই আযান দেবেন একবার, কিন্তু ইকামাত দেবেন দু’বার। কসর করে পড়বেন। অর্থাৎ যুহর দু’রাকআত এবং আসরও দু’রাকআত পড়বেন। যুহরের ওয়াক্তেই আসর পড়ে ফেলবেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কাবাসী ও বহিরাগত সব হাজীকে নিয়ে একত্রে এভাবে নামায পড়িয়েছিলেন। এটা সফরের কসর নয়, বরং হজ্জের কসর। কোন নফল-সুন্নাত নামায আরাফায় পড়বেন না। কারণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পড়েননি।

(৩) মসজিদে নামিরায় যেতে না পারলে নিজ নিজ তাবুতেই উপরে বর্ণিত পদ্ধতিতে জামা‘আতের সাথে যুহর-আসর একত্রে যুহরের আউয়াল ওয়াক্তে দুই দুই রাক‘আত করে কসর ও জমা করে পড়বেন।

(৪) আরাফার ময়দানের সীমানা সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে অবশ্যই আরাফার পরিসীমার ভিতরে অবস্থান করতে হবে। আরাফার সীমানা চিহ্নিত করে চতুষ্পার্শে অনেক পিলার দেয়া আছে। এর বাইরে অবস্থান করলে হজ্জ হবে না।

(৫) সুন্নাত হলো বেশী বেশী দোয়া করা, দোয়ার সময় হাত উঠানো, অত্যন্ত বিনম্র হওয়া, যিকর করা, তাসবীহ পড়া, ‘আলহাম্দুলিল্লাহ’ ও ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ পড়া, তাওবাহ করা, কান্নাকাটি করে গোনাহ মাফ চাওয়া, মাতা-পিতা, স্ত্রী, পুত্র-কন্যা, দাদা-দাদী, নানা-নানী, আপনজন ও আত্মীয়-স্বজনের জন্য বেশী বেশী দোয়া করা।

তাছাড়া নীচের দোয়াটি আরো বেশী বেশী পড়া উত্তমঃ

لاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللهُ وَحْدَهচ لاَ شَرِيكَ لَه لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

এছাড়া নীচের তাসবীহটি বেশী বেশী পড়বেন।

سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهৃ وَسُبْحَانَ اللهِ الْعَظِيْمِ

এতদসঙ্গে অন্যান্য মাসনূন দোয়া সূর্যাস্ত পর্যন্ত করতে থাকবেন। সাওয়াব কমে যাবে এমন কোন কাজ করা থেকে সাবধান থাকতে হবে।

(৬) যখন সূর্য ডুবে যাবে এবং সূর্য অস্ত গিয়েছে এরূপ নিশ্চিত হবেন তখন প্রশান্ত মনে ধীরে সুস্থে মুযদালিফায় রওয়ানা দেবেন। এ সময় বেশী বেশী তালবিয়াহ পড়তে থাকবেন। সাবধান, কোন অবস্থাতেই সূর্যাস্তের আগে আরাফার ময়দান ত্যাগ করা যাবে না।

১১১- আরাফার দিনে হাজীদের জন্য আল্লাহ কী কী মর্যাদা ও ফযীলত রেখেছেন?
(১) এ তারিখে দিনের বেলায়ই আল্লাহ তা‘আলা প্রথম আসমানে অবতীর্ণ হন।

(২) আল্লাহর কাছে ঐ দিনের চেয়ে উত্তম আর কোন দিন নেই।

(৩) বান্দাদের জন্য আল্লাহ তাঁর দয়ার ভান্ডার খুলে দেন।

(৪) সেদিন আল্লাহ বান্দাদের অতি নিকটবর্তী হন।

(৫) আরাফাতে অবস্থানকারী ও মাশআরুল হারাম- বাসীকে আল্লাহ সেদিন ক্ষমা করে দেন।

(৬) উমর রাদিআল্লাহু আনহুর প্রশ্নের জবাবে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, আরাফায় আগমনকারীদের জন্য এ ক্ষমা প্রদর্শন কিয়ামত পর্যন্ত চালু থাকবে।

(৭) যমীনবাসীদের নিয়ে আল্লাহ ফেরেশতাদের সাথে গৌরব করে বলেন, ‘‘আমার বান্দাদের দিকে তাকিয়ে দেখ তারা ধূলিমলিন অবস্থায় এলোকেশে দূর-দূরান্ত থেকে এসেছে আমার রহমতের আশায়, অথচ আমার আযাব তারা দেখেনি। কাজেই আরাফার দিনে এত অধিক সংখ্যক লোককে জাহান্নাম থেকে আমি মুক্তি দিয়ে দিচ্ছি যা অন্যদিন তারা পায়নি।

(৮) শয়তান ঐদিন সবচেয়ে বেশী লাঞ্ছিত, হীন ও নিকৃষ্ট বনে যায় এবং তাকে ক্রোধান্বিত দেখা যায়। বান্দাদের দোয়া কবূল ও যিকরের মাধ্যমে শয়তানকে বেদনাবিধুর করে দেয়া হয়।

(৯) আল্লাহ সেদিন বলেন, এরা কি চায়? অর্থাৎ হাজীরা যা চায় তাই তিনি দিয়ে দেন।

(১০) সেদিন ফেরেশতা অবতীর্ণ হয় এবং রহমত বর্ষিত হয়।

১১২- দোয়াতে আল্লাহর কাছে কী কী জিনিস চাওয়া যেতে পারে?
আপনার মনের যত সব হাজত আছে সবই তা প্রাণ খুলে আল্লাহর কাছে চাইতে পারেন আপনার ভাষায়। এছাড়াও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর শেখানো কিছু দোয়া আছে। বইয়ের শেষাংশে এগুলো আরবীতে ও এর বাংলা অনুবাদ দেয়া হল। দোয়াগুলো বার বার করতে থাকবেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘শ্রেষ্ঠ দোয়া হচ্ছে আরাফার দিনের দোয়া।’’

১১৩- একটা দোয়া কতবার করা উত্তম?
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটা দোয়া সাধারণতঃ তিনবার করে করতেন। কিন্তু আরাফার মাঠে পুনরাবৃত্তি করতেন আরো বেশী পরিমাণে।

১১৪- আরাফায় অবস্থান ও দোয়ার ইসলামী আদব জানতে চাই।
আদবগুলো নিম্নরূপঃ

(১) গোসল করে নেয়া,
(২) পরিপূর্ণ পবিত্র থাকা,
(৩) কিবলামুখী হয়ে দোয়া করা ও অন্যান্য তাসবীহ পড়া,
(৪) দোয়া, তাসবীহ ও তাওবা-ইস্তিগফারের পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়া,
(৫) নিজের ও অন্যদের জন্য দুনিয়া ও আখেরাতে উভয় জাহানের কল্যাণ ও মুক্তি চেয়ে দোয়া করা,
(৬) দু’হাত উঠিয়ে দোয়া করা,
(৭) মনকে বিনম্র ও খুশু-খুযু রেখে মুনাজাত করা,
(৮) দোয়াতে কণ্ঠস্বর নীচু রাখা, উচ্চঃস্বরে দোয়া না করা।

১১৫- যেসব দোয়ার বইয়ে কুরআন ও হাদীসের দোয়া আছে ঐসব দোয়া কি হায়েজ অবস্থায় মহিলারা আরাফার মাঠে পড়তে পারবে?
হাঁ, পারবে। কারণ স্ত্রীসহবাস বা স্বপদোষের কারণে যে নাপাক হয় তা ইচ্ছা করলেই নিমিষের মধ্যে গোসল করে পবিত্র হওয়া যায়। কিন্তু হায়েজ-নিফাস থেকে পবিত্র হওয়া মানুষের ইচ্ছাধীন নয়। বিষয়টি আল্লাহর হাতে এবং সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। এজন্য হায়েজ-নিফাসওয়ালী মহিলাদের জন্য কুরআন-হাদীসের এসব দোয়া পড়া জায়েয আছে।

১১৬- আরাফায় অবস্থানের সময় কখন শুরু হয় এবং এর শেষ সময় কখন?
দুপুরে সূর্য পশ্চিমে ঢলার পর থেকে আরাফার প্রকৃত সময় শুরু হয়। তবে ইমাম হাম্বলের মতে সেদিনের সকালের ফজর উদয় হওয়া থেকেই এ সময় শুরু হয়। আর এর শেষ সময় হল আরাফার দিবাগত রাত্রির ফজর উদয় হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত।

১১৭- কমপক্ষে কী পরিমাণ সময় আরাফাতে থাকতে হবে?
দিনে অবস্থানকারীর সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান করা।

Our Another youtube Channel: If you Want to learn Computer A to Z, Click this link https://www.youtube.com/channel/UCM4ZIVl3ZawQ5NA2ZpXveQg

Facebook Link: https://www.facebook.com/Tahersayeedhafijahullah

Facebook Account :https://www.facebook.com/mdai.shamim/

26/06/2023

হজ্জ শেষ হওয়ার পরে মক্কায় থাকলে কি মুসাফির নাকি মুকিম
HD quality : https://youtu.be/dKo8hpRNGds

হজ-ওমরা ও যে কোনো সফরের সময় নামাজের বিধান

সফর মানুষের কষ্টের বিষয়। তাই কেউ সফরে গেলে তাকে দ্রুত ফিরে আসার কথা বলা হয়েছে। নবী সা. সফরের কষ্টের কারণে সফরে ইবাদতকে হালকা করেছেন। চার রাকাত ফরজকে দুরাকাত আদায় করার অনুমোদন দিয়েছেন। তেমনি সুন্নাতকে নফলে পরিণত করেছেন। আর ফরজ রোজাকে পরে কাযা করার শর্তে ঐচ্ছিক করেছেন। নিম্নে সকল ধরনের সফরে নামাজের বিধান বর্ণনা তুলে ধরা হলো:
১. সফরে সাধারণত চার রাকাত ফরযকে দুই রাকাত পড়তে হবে। তবে কোনো মুকীমের ইকতিদা করলে, তখন চার রাকাত পড়বে। আর ওয়াজিব ঠিকই আদায় করবে। সুন্নাত ফ্রি থাকলে বা মন ভালো থাকলে পড়বে, তাড়াহুড়া থাকলে বা পেরেশানীতে থাকলে ছেড়ে দিবে। তবে ফজরের সুন্নাতকে একটু গুরুত্ব দেবে।

২. মুসাফির হওয়ার জন্য স্থলভাগে ৪৮ মাইল তথা ৭৭ কিলোমিটার অতিক্রম করতে হবে।
৩. মুসাফির নিজের শহরের আবাদীর বাইরে গেলেই সফরের নামাজ পড়তে পারবে।

৪. কোনো মুসাফির যদি দুই রাকাত কসর না করে চার রাকাত নিজে নিজে পড়ে নেয়, তখন তাকে সিজদা সাহু করতে হবে। নতুবা আবার আদায় করতে হবে।

৫. যদি কেউ সফরে কোনো এলাকায় পনের দিন থাকার নিয়ত করে, তখন সে মুকীম হয়ে যাবে। তবে তা একটি স্থানে নিয়ত করতে হবে।
৬. মুসাফির হওয়ার জন্য দুটি শর্ত। এক. কমপক্ষে ৭৭ কিলোমিটার সফর করার জন্য নিয়ত করতে হবে। দুই. নিজ এলাকা ত্যাগ করতে হবে।

৭. সফরে নফল ও সুন্নাত গাড়িতে চলন্ত অবস্থায়ও পড়া যায়, তবে ফরয ও বিতর গাড়ি থেকে নেমে পড়তে হবে। বিমানে সব নামাজ পড়া যাবে। তখন কিবলা বিপরীত হলেও সমস্যা নেই; যদি প্রথমে কেবলামুখী হয়ে শুরু করে। তবে পানি না পেলে সেখানে তায়াম্মুম করে পড়বে। যদি তায়াম্মুমও করতে না পারে, তখন নামাজ মওকূফ রাখবে, পরে নামলে পড়ে নেবে। ইচ্ছে হলে নামাজীর সাদৃশ্য গ্রহণ করতে পারবে।
৮. সফরে জুমা, ঈদ, কুরবানী ওয়াজিব হয় না।

৯. হানাফী মাযহাব মতে কাযা নামাজে মুসাফির মুকীমের ইকতিদা করতে পারবে না।
১০. সফরের কাযা নামাজ ইকামত অবস্থায় আদায় করলে দুই রাকাত পড়তে হবে। আর ইকামতের কাযা সফরে করলে চার রাকাত আদায় করতে হবে। অর্থাৎ, নামাজ যেটা যেভাবে কাযা হয়েছে সেভাবেই আদায় করতে হবে।

১১. মক্কাতে হাজী যাওয়ার পরে যদি পনের দিন মিনায় যাওয়ার পূর্বে অবস্থান করে, তখন সে মুকীম হবে। তাই সে মিনা, মুজদালিফা ও আরাফাতেও মুকীম হিসেবে থাকবে। অতঃপর মক্কায় আসলেও সে মুকীম থাকবে। আর যদি সে আট তারিখ মিনায় যাওয়ার পূর্বে পনের দিন মক্কাতে থাকতে পারেনি, তখন সে মুসাফির হবে এবং মিনা, মুজদালিফা ও আরাফাতেও সে মুসাফির হবে। অতঃপর মক্কায় ফিরলে যদি পনের দিন থাকার নিয়ত করে, তখন সে মুকীম হবে, নুতবা মুসাফির থাকবে।

১২. সাধারণত সৌদি আরবে হজের কারণে কসর করে। তবে তা হানাফী মাযহাব মতে বিশুদ্ধ নয়। তাই তারা রিয়াদ থেকে ইমাম আনে আরাফাতে নামাজ পড়ানোর জন্য, যাতে হানাফী মাযহাবে জটিলতা না থাকে।

১৩. জিদ্দার লোকেরা মক্কায় গেলে বা মক্কার লোকেরা জিদ্দায় গেলে মুসাফির হবে না। কেননা, তাদের মাঝখানে ৭৭ কিলোমিটারের দূরত্ব নেই। কিন্তু জিদ্দার বাসিন্দা যদি মিনা ও আরাফাতে যায়, তখন মুসাফির হবে। তখন দূরত্ব ৭৭ কিলোমিটারের বেশি হয়। তাই জিদ্দার বাসিন্দা ওমরা করতে গেলে মুসাফির হয় না, হজ করতে গেলে মুসাফির হয়।

১৪. আরাফাত ও মুজদালিফা ব্যতীত সফরে কোথাও দুই নামাজ একত্রে পড়া হানাফী মাযহাব মতে বৈধ নয়।

১৫. সফরে যখন বিমানে থাকবে যদি নামার পূর্বে নামাজের সময় কাযা হয়ে যায়, তখন সেখানেই পড়ে নেবে। যদি সেখানে কিবলা ঠিক করে পড়েছেন, তাহলে আর পুনরায় পড়তে হবে না। যদি কিবলা ঠিক রাখা সম্ভব না হয়, তখন আবার পুনরায় পড়ে নেবে। আর যদি বিমান থেকে নামার পরে সময় থাকার প্রবল সম্ভাবনা থাকে, তখন নেমে পড়ার জন্য অপেক্ষা করবে। বিমানে রুকু সিজদা করা সম্ভব না হলে, ইশারা দ্বারা নামাজ আদায় করবে।

১৬. বিমানে যদি অযূ ও তায়াম্মুমের ব্যবস্থা না থাকে, তখন নামাজকে মওকুফ করবে। আর সে সেখানে নামাজীর সাদৃশ্য গ্রহণ করবে।
১৭. মুসাফিরের উপর আবু হানিফার মতে তাকবীরে তাশরীক ওয়াজিব না হলেও ইমাম আবু ইউসুফ ও মুহাম্মাদের নিকট ওয়াজিব। এর উপরই ফতওয়া। (মিনহাতুস সুলুক ফি শরহি তুহফাতিল মুলূক, পৃ. ১৮০)।

১৮. মুকীম বাসায় একা নামাজ পড়লে আযান ও ইকামত দুটিই ছেড়ে দিতে পারবে। মাকরূহ হবে না। আর মুসাফির আযান ছেড়ে দিতে পারবে; তবে ইকামত ছেড়ে দেওয়া মাকরূহ হবে। (তুহফাতুল ফুকাহা, খ. ১, পৃ. ১১৪)।

সারকথ হলো, ইসলাম সহজ ধর্ম। তাতে মানুষের সাধ্যের বাইরে কোনো শরীয়ত নেই। যা মানুষের জন্য সহজ তাই ইসলামে পালন করার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

Our Another youtube Channel: If you Want to learn Computer A to Z, Click this link https://www.youtube.com/channel/UCM4ZIVl3ZawQ5NA2ZpXveQg

Facebook Link: https://www.facebook.com/Tahersayeedhafijahullah

Facebook Account :https://www.facebook.com/mdai.shamim/

Address

Gulshan Badda, Dhaka/
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Taher Sayeed Hafijahullah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Taher Sayeed Hafijahullah:

Share