কৃষ্ণভাবনাময় চেতনা

কৃষ্ণভাবনাময় চেতনা আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (International Society for Krishna Consciousness).

28/11/2025

🥰🙏🙏🙏
মোক্ষদা একাদশী
শুরু - 01 ডিসেম্বর 2025 (সোম) 06:25
পারন - 02 ডিসেম্বর 2025 (মঙ্গল) 06:26 - 10:01

যুধিষ্ঠির বললেন---হে বিষ্ণু! আপনাকে আমি বন্দনা করি। আপনি ত্রিলোকের সুখদায়ক, বিশ্বেশ্বর, পুরুষোত্তম। আমার একটি সংশয় আছে। অগ্রহায়ন মাসের শুক্লপক্ষের যে একাদশী তার নাম কি, বিধিই বা কি এবং কোন দেবতা এই একাদশীতে পূজিত হন, তা আমাকে বলুন।
শ্রী কৃষ্ণ বললেন---হে মহারাজ! আপনি উত্তম প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেছেন, যার মাধ্যমে আপনার যশ চতুর্দিকে বিস্তৃত হবে। এখন এই একাদশীর কথা বর্ণনা করছি যা শোনামাত্রেই বাজপেয় যজ্ঞের ফল লাভ হয়।
অগ্রহায়ন মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী 'মোক্ষদা' নামে পরিচিত। সর্বপাপবিনাশিনী ও ব্রত মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠা এই একাদশীর দেবতা শ্রী দামোদর। তুলসী, তুলসী মঞ্জরী, ধূপ, দীপ ইত্যাদি উপচারে শাস্ত্রবিধি অনুসারে শ্রী দামোদরের পূজা করতে হবে। পূর্ব বর্ণিত বিধি অনুসারে দশমী ও একাদশী পালন করতে হবে। এই উপবাস দিনে স্তব-স্তুতি, নৃত্য-গীত আদি সহ রাত্রি জাগরণ করা কর্তব্য।
হে মহারাজ! প্রসঙ্গক্রমে একটি অলৌকিক কাহিনী আমি বলছি। মনোযোগ দিয়ে এই ইতিহাস শ্রবণ মাত্রই সর্বপাপ ক্ষয় হয়। যে পিতৃ পুরুষেরা নিজ নিজ পাপে অধঃযোনি প্রাপ্ত হয়েছে, এই ব্রত পালনের পুণ্য ফল বিন্দুমাত্র তাদেরকে দান করলে তারাও মুক্তিলাভের যোগ্য হন।
কোন এক সময় মনোরম চম্পক নগরে বৈখানস নামে এক রাজা ছিলেন। তিনি ছিলেন সমস্ত বৈষ্ণব সদ্ গুনে বিভূষিত। প্রজাদের তিনি পুত্রের মতো পালন করতেন। তার রাজ্যে বহু বেদজ্ঞ ব্রাহ্মণ বাস করতেন। রাজ্যের সকলেই ছিল বেশ সমৃদ্ধশালী। একবার রাজা স্বপ্নে দেখলেন যে তার পিতা নরকে পতিত হয়েছেন। তা দেখে তিনি অত্যন্ত বিস্মিত হলেন। পরদিন ব্রাহ্মণদের ডেকে বলতে লাগলেন---হে ব্রাহ্মণগণ! গতরাত্রিতে স্বপ্নে নরকযাতনায় পিতাকে কষ্ট পেতে দেখে আমার হৃদয় বিদীর্ণ হচ্ছে। তিনি আমাকে লক্ষ্য করে বলতে লাগলেন---'হে পুত্র! তুমি আমাকে নরক সমুদ্র থেকে উদ্ধার কর।' তার সেই অবস্থা দেখে আমার অন্তরে সুখ নেই। আমার এই বিশাল রাজ্য, স্ত্রী-পুত্র, কিছুতেই আমি শান্তি পাচ্ছি না। কি করি, কোথায় যাই কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না। আমার পূর্বপুরুষেরা মুক্তিলাভ করতে পারেন এমন কোন পুণ্য ব্রত, তপস্যা ও যোগের কথা আমাকে উপদেশ করুন। আমি তা অনুষ্ঠান করব। আমার মতো পুত্র বর্তমান থাকা সত্ত্বেও যদি পিতা-মাতা, পূর্বপুরুষেরা নরক যাতনা ভোগ করতে থাকেন, তবে সে পুত্রের কি প্রয়োজন?
ব্রাহ্মণগণ বললেন---হে মহারাজ! আপনার রাজ্যের কাছেই মহর্ষি পর্বত মুনির আশ্রম রয়েছে। তিনি ত্রিকালজ্ঞ। তার কাছে আপনার মুক্তির উপায় জানতে পারবেন।
ব্রাহ্মণদের উপদেশ শ্রবণ করে মহাত্মা বৈখানস তাদের সঙ্গে নিয়ে সেই পর্বত মুনির আশ্রমে গমন করলেন। তারা দূর থেকে ঋষিবরকে সষ্টাঙ্গ প্রণাম করে তার কাছে গেলেন। মুনিবর রাজার কুশলবার্তা জিজ্ঞাসা করলেন।।
রাজা বললেন---হে প্রভু! আপনার কৃপায় আমার সবই কুশল। তবে আমি একদিন স্বপ্নযোগে পিতার নরক যাতনা ও কাতর আর্তনাদ শুনে অত্যন্ত দুঃখিত ও চিন্তাগ্রস্ত হয়েছি। হে ঋষিবর! কোন পুণ্যের ফলে তিনি সেই দুর্দশা থেকে মুক্তি পাবেন, তার উপায় জানতেই আপনার শরণাগত হয়েছি।
রাজার কথা শুনে পর্বত মুনি কিছুক্ষন ধ্যানস্থ হয়ে বললেন---হে মহারাজ! পূর্বজন্মে তোমার পিতা অত্যন্ত কামাচারী হওয়ায় তার এরকম অধোগতি লাভ হয়েছে। এখন এই পাপ থেকে মুক্তির উপায় বর্ণনা করছি অগ্রহায়ন মাসের শুক্লপক্ষের মোক্ষদা একাদশী পালন করে সেই পূণ্য ফল পিতাকে প্রদান কর। সেই পূণ্য প্রভাবে তোমার পিতার মুক্তি লাভ হবে।
মুনির কথা শুনে রাজা নিজের প্রাসাদে ফিরে এলেন। সেই পবিত্র তিথির আবির্ভাবে তিনি স্ত্রী-পুত্রাদি সহ যথাবিধি মোক্ষদা একাদশী ব্রত পালন করলেন। ব্রতের পুণ্য ফল পিতার উদ্দেশ্যে প্রদান করলেন। ঐ পুণ্য ফল দানের সঙ্গে সঙ্গে আকাশ থেকে পুষ্প বৃষ্টি হতে লাগল। 'হে পুত্র! তোমার মঙ্গল হোক।'এই বলতে বলতে বৈখানস রাজার পিতা নরক হতে মুক্ত হয়ে স্বর্গে গমন করলেন।
হে মহারাজ যুধিষ্ঠির! যে ব্যক্তি এই মঙ্গলদায়িনী মোক্ষদা একাদশী ব্রত পালন করে, তার সমস্ত পাপ বিনষ্ট হয় এবং মৃত্যুর পরে মুক্তি লাভ করে। এই ব্রতের পুণ্য সংখ্যা আমিও জানিনা। চিন্তামণির মতো এই ব্রত আমার অত্যন্ত প্রিয়। এই ব্রত কথা যিনি পাঠ করেন এবং যিনি শ্রবণ করেন, উভয়েই বাজপেয় যজ্ঞের ফল প্রাপ্ত হন।

13/11/2025

যখন রাস্তায় জাম্ব'র সাথে হরিনাম কীর্তন রত সাধুদের দেখা যায়‼️ Harinam Sankirtan | Monks vs Zombies





02/04/2025

Gaurāńgera Duṭi Pada, Jār Dhana Sampada

Author: Narottama Dasa Thakura

-srilaprabhupada

 #হরে_কৃষ্ণ 🌹🌹🌹🌹🌹পাপমোচনী একাদশী 🌹🌹🌹🌹শুরু - 26 মার্চ 2025 (বুধ) 05:56পারন  - 27 মার্চ 2025 (বৃহস্পতি) 05:55 - 10:00যুধিষ...
26/03/2025

#হরে_কৃষ্ণ
🌹🌹🌹🌹🌹পাপমোচনী একাদশী 🌹🌹🌹🌹

শুরু - 26 মার্চ 2025 (বুধ) 05:56
পারন - 27 মার্চ 2025 (বৃহস্পতি) 05:55 - 10:00

যুধিষ্ঠির শ্রীকৃষ্ণ কে বললেন--হে জনার্দন! চৈত্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীর নাম ও মাহাত্ম্য কৃপা করে আমাকে বলুন।
শ্রীকৃষ্ণ বললেন-- হে ধর্মরাজ যুধিষ্ঠির! আপনি ধর্মবিষয়ক প্রশ্ন করেছেন। এই একাদশী সকল সুখের আধার, সিদ্ধি প্রদানকারী ও পরম মঙ্গলময়। সমস্ত পাপ থেকে নিস্তার বা মোচন করে বলে এই পবিত্র একাদশী তিথি 'পাপমোচনী' নামে প্রসিদ্ধ। রাজা মান্ধাতা একবার লোমশ মুনিকে এই একাদশীর কথা জিজ্ঞাসা করেছিলেন। তাঁর বর্ণিত সেই বিচিত্র উপাখ্যানটি আপনার কাছে বলছি। আপনি মনযোগ দিয়ে তা শ্রবন করুন।
প্রাচীনকালে অতি মনোরম 'চৈত্ররথ' পুষ্প উদ্যানে মুনিগন বহু বছর ধরে তপস্যা করতেন। একসময় মেধাবী নামে এক ঋষি কুমার সেখানে তপস্যা করতেন। মঞ্জুঘোষা নামে এক সুন্দরী অপ্সরা তাঁকে বশীভূত করতে চাইলো। কিন্তু ঋষির অভিশাপের ভয়ে সে আশ্রমের দুই মাইল দূরে অবস্থান করতে লাগল। বীণা বাজিয়ে মধুর স্বরে সে গান করত। একদিন মঞ্জুঘোষা মেধাবীকে দেখে কামবাণে পীড়িতা হয়ে পড়ে। এদিকে ঋষি মেধাবীও অপ্সারার অনুপম সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়ে পড়েন। তখন সেই অপ্সরা মুনিকে নানা হাব-ভাব ও কটাক্ষ দ্বারা বশীভূত করে। ক্রমে কামপরবশ মুনি সাধন-ভজন বিসর্জন দিয়ে তার আরাধ্য দেবকে বিস্মৃত হন। এইভাবে অপ্সরার সাথে কামক্রীড়ায় মুনির বহুবছর অতিক্রান্ত হল।
মুনিকে আচার-ভ্রষ্ট দেখে সেই অপ্সরা দেবলোকে ফিরে যেতে মনস্থ করল। একদিন মঞ্জুঘোষা মেধাবী মুনিকে বলতে লাগল-- হে প্রভু , এখন আমাকে নিজ গৃহে ফিরে যাবার অনুমতি প্রদান করুন। কিন্তু মেধাবী বললেন-- হে সুন্দরী! তুমি তো এখন সান্ধ্যকালে আমার ক কাছে এসেছ, প্রাতঃকাল পর্যন্ত আমার কাছে থেকে যাও। মুনির কথা শুনে অভিশাপ ভয়ে সেই অপ্সরা আরও কয়েক বছর তার সাথে বাস করল। এইভাবে বহু বছর (55 বছর 9 মাস 7 দিন) অতিবাহিত হল। দীর্ঘকাল অপ্সরার সহবাসে থাকলেও মেধাবীর কাছে তা অর্ধরাত্রি বলে মনে হল। মঞ্জুঘোষা পুনরায় নিজস্থানে গমনের প্রার্থনা জানালে মুনি বললেন--এখন প্রাতঃকাল, যতক্ষণ পর্যন্ত আমি সন্ধ্যা বন্দনা না সমাপ্ত করি, ততক্ষণ পর্যন্ত তুমি এখানে থাকো।
মুনির কথা শুনে ঈষৎ হেসে মঞ্জুঘোষা তাকে বলল-- হে মুনিবর! আমার সহবাসে আপনার যে কত বছর অতিবাহিত হয়েছে তা একবার বিচার করে দেখুন। এই কথা শুনে মুনি স্থির হয়ে দেখলেন যে, তাঁর ছাপ্পান্ন বছর অতিবাহিত হয়ে গেছে।
মুনি তখন মঞ্জুঘোষার প্রতি ক্রোধ পরবশ হয়ে বললেন যে-- রে পাপিষ্ঠে, দুরাচারিণী, তপস্যার ক্ষয়কারিণী, তোমাকে ধিক! তুমি পিশাচী হও। মেধাবীর শাপে অপ্সরার শরীর বিরূপ প্রাপ্ত হল। তখ তখন সে অবনতমস্তকে মুনির কাছে শাপমোচনের উপায় জিজ্ঞাসা করল।
মেধাবী বললেন-- হে সুন্দরী! চৈত্রমাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া পাপমোচনী একাদশী, সর্বপাপ ক্ষয়কারিণী। সেই ব্রত পালনে তোমার পিচাশত্ব দূর হবে।
পিতার আশ্রমে ফিরে গিয়ে মেধাবী বললেন-- হে পিতা! এক অপ্সরার সঙ্গদোষে আমি মহাপাপ করেছি। এর প্রায়শ্চিত্ত কি? তা কৃপা করে আমাকে বলুন।
উত্তরে চ্যবন মুনি বললেন-- চৈত্র মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া পাপমোচনী একাদশী ব্রতের প্রভাবে তোমার পাপ দূর হবে। পিতার উপদেশ শুনে মেধাবী সেই ব্রত ভক্তিভরে পালন করল। তার সমস্ত পাপ দূর হল। পুনরায় তিনি তপস্যার ফল লাভ করলেন। মঞ্জুঘোষাও ঐ ব্রত পালনের ফলে পিচাশত্ব থেকে মুক্ত হয়ে দিব্য দেহে স্বর্গে গমন করল।
হে মহারাজ! যারা এই পাপমোচনী একাদশী পালন করেন, তাদের পূর্বকৃত সমস্ত পাপই ক্ষয় হয়। এই ব্রতকথা পাঠ ও শ্রবণে সহস্র গোদানের ফল লাভ হয়।

15/03/2025

আসল তপস্যা হচ্ছে
অন্যের দোষ দেখবো না।

@শ্রী শ্রীমৎ ভক্তি প্রচার পরিব্রাজক স্বামী মহারাজ

🌹🌹🌹একাদশী অন্নদা🌹🌹🌹একাদশী শুরু - 29 আগস্ট 2024 (বৃহস্পতি) 05:39পারন  - 30 আগস্ট 2024 (শুক্র) 08:22 - 09:53এই ভাদ্রবতী কৃ...
29/08/2024

🌹🌹🌹একাদশী অন্নদা🌹🌹🌹

একাদশী শুরু - 29 আগস্ট 2024 (বৃহস্পতি) 05:39

পারন - 30 আগস্ট 2024 (শুক্র) 08:22 - 09:53

এই ভাদ্রবতী কৃষ্ণপক্ষীয়া অন্নদা একাদশীর মাহাত্ম্য ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণে বর্ণনা করা হয়েছে।
মহারাজ যুধিষ্ঠির বললেন--হে কৃষ্ণ! ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীর নাম কি তা শুনতে আমি অত্যন্ত আগ্রহী।
শ্রীকৃষ্ণ বললেন--হে রাজন! আমি সবিস্তারে এই একাদশীর কথা বর্ণনা করছি। আপনি একাগ্র চিত্তে শ্রবণ করুন।
ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীর নাম অন্নদা। এই তিথি সর্বপাপবিনাশিনী। যিনি শ্রী হরির অর্চনে এই ব্রত পালন করেন তিনি সর্বপাপ মুক্ত হন। এমনকি এই ব্রতের নাম শ্রবণেই রাশি রাশি পাপ বিদূরিত হয়ে যায়। এই ব্রত প্রসঙ্গে একটি পৌরাণিক ইতিহাস আছে।
প্রাচীন কালে হরিশচন্দ্র নামে এক নিষ্ঠাপরায়ন সত্যবাদী, চক্রবর্তী রাজা ছিলেন। পূর্ব কর্মফল ও প্রতিজ্ঞার সত্যতা রক্ষায় তিনি রাজ্য ভ্রষ্ট হন। অবস্থা এমন হল যে, তিনি নিজের স্ত্রী পুত্র ও অবশেষে নিজেকেও পর্যন্ত বিক্রি করতে বাধ্য হলেন।
হে রাজেন্দ্র! এই পুণ্যবান রাজা চন্ডালের দাসত্ব স্বীকার করেও সত্য রক্ষার্থে দৃঢ়নিষ্ঠা প্রদর্শন করেছিলেন। তিনি শ্মশানে মৃত ব্যক্তির বস্ত্রও কর রূপে গ্রহণ করতেন। এই ভাবে বহু বছর কেটে গেল।
দুঃখসাগরে নিমজ্জিত হয়ে 'কি করি, কোথায় যাই, কিভাবে এই দুর্দশা থেকে উদ্ধার পাই'---এই চিন্তায় দিন রাত্রি তিনি বিভোর হলেন। এমন সময় দৈবক্রমে পরদুঃখদুঃখী গৌতম ঋষি রাজার কাছে এলেন।রাজা মুনিকে দর্শন করে ভক্তি সহকারে প্রণাম করলেন। করজোড়ে তাঁর সামনে দাঁড়িয়ে একে একে নিজের সমস্ত কথা জানালেন। রাজার দুঃখের কথা শুনে মুনিবর বিস্ময়াপন্ন হলেন।
অত্যন্ত ব্যথিত হয়ে তিনি বললেন--হে রাজন! ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশী অন্নদা নামে জগতে প্রসিদ্ধ। আপনি এই ব্রত পালন করুন। এই ব্রত প্রভাবে আপনার সমস্ত পাপ বিনষ্ট হবে। আপনার ভাগ্যবশত আগামী সাত দিন পর এই তিথির আবির্ভাব হবে। ঐ দিন উপবাস থেকে রাত্রি জাগরণ করবেন। এই ব্রত পালনে আপনার সমস্ত পাপ ক্ষয় হবে। হে রাজন! আপনার পুণ্য প্রভাবে আমি এখানে এসেছি জানবেন। এই কথা বলে গৌতম ঋষি অন্তর্হিত হলেন। ঋষিবরের উপদেশ মতো তিনি শ্রদ্ধা সহকারে সেই ব্রত পালন করলেন। তার ফলে তার সমস্ত পাপ দূর হল। হে মহারাজ! এই ব্রতের প্রভাব শ্রবণ করুন। যথাবিধি এই ব্রত পালনে বহু বছরের দুঃখ ভোগের অবসান হয়। ব্রতের প্রভাবে রাজা হরিশচন্দ্রের সকল দুঃখ সমাপ্ত হল। পুনরায় তিনি স্ত্রীকে ফিরে পেলেন এবং তার মৃত পুত্রও জীবিত হল। আকাশ থেকে দেবগণ দুন্দুভিবাদ্য ও পুষ্পবর্ষণ করতে লাগলেন। নিষ্কন্টক রাজ্য সুখ ভোগ করে অবশেষে আত্মীয় স্বজন ও নগরবাসী সহ স্বর্গে গমন করলেন।
যে মানুষ নিষ্ঠা সহকারে এই ব্রত পালন করেন, তিনি শ্রী হরি চরণে ভক্তি লাভ করে অবশেষে দিব্য ধামে গমন করেন। এই ব্রতের মাহাত্ম্য পাঠ ও শ্রবণে অশ্বমেধ যজ্ঞের ফল লাভ হয়।

10/08/2024

হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর 'নিপীড়ন'-এর প্রতিবাদে শাহবাগ অবরোধ ‼️
বাংলাদেশে হিন্দুদের অস্তিত্ব রক্ষায় "৪ দফা দাবীর ঘোষণা" ✊ 👇👇👇


#হিন্দু_আন্দোলন
​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​

06/08/2024

গতকাল বাংলাদেশের মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত ইসকন মন্দিরে দুষ্কৃতিকারী আগুনে সমস্ত মন্দির প্রাঙ্গণ ভস্মীভূত হয়ে গেলেও শ্রী শ্রী জগন্নাথ, বলদেব ও সুভদ্রা মহারাণী অক্ষত আছেন ...

𝐖𝐞 𝐃𝐞𝐦𝐚𝐧𝐝 𝐒𝐚𝐟𝐞𝐭𝐲 𝐎𝐟 𝐁𝐚𝐧𝐠𝐥𝐚𝐝𝐞𝐬𝐡𝐢 𝐇𝐢𝐧𝐝𝐮𝐬 ✊✊
​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​ ​

ক্যান্সারে আক্রান্ত শুভ প্রভুর জীবন বাচাঁতে সকলে এগিয়ে আসুন 🙏 পুরান ঢাকার বাসিন্দা শুভ প্রভু দীর্ঘদিন ধরে এই মরণব্যাধি ক...
01/08/2024

ক্যান্সারে আক্রান্ত শুভ প্রভুর জীবন বাচাঁতে সকলে এগিয়ে আসুন 🙏

পুরান ঢাকার বাসিন্দা শুভ প্রভু দীর্ঘদিন ধরে এই মরণব্যাধি ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত। অনেক চিকিৎসার পরও কোনো লাভ হয়নি। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়। উনার হার্টের দুইটি ভালভ অলরেডি নষ্ট হয়ে গিয়েছে। উনার শ্বাস নিতে খুবই কষ্ট হচ্ছে। খুব তাড়াতাড়ি উনার উন্নত চিকিৎসা না হলে উনাকে বাচানো সম্ভব নয়। উনারা নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের। যা অর্থ ছিলো সবকিছু পুর্বের চিকিৎসায় শেষ হয়েছে। এখন পরবর্তী চিকিৎসার জন্য তাদের কোনো সামর্থ্য নেই। এই পরম দুঃসময়ে উনারা সকলের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করেছেন। যদি আমরা সাহায্য না করি তাহলে হয়তো এক শুদ্ধ ভক্তের বিদায়ের সাথে সদ্য বিবাহিত বোনের জীবনও নিঃস্ব হয়ে যাবে।

উনারা আমাকে বিশেষ অনুরোধ করেছেন সকলের কাছে সাহায্য চেয়ে আমার পেইজে পোস্ট করতে। দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য ২-৩দিনের মধ্যে ভারতে যাবেন। ১০-১১ লক্ষ টাকা প্রয়োজন। এর মধ্যে ৫লাখের মতো উনারা ম্যানেজ করেছেন। আর বাকি ৬ লক্ষ টাকা দ্রুত ম্যানেজ না হলে অসুবিধা হয়ে যাবে। আপনারা সকলে আপনাদের সামর্থ্য অনুযায়ী যে যা পারেন দ্রুত সাহায্য করুন। নিজে না পারলেও অন্যান্য সামর্থবানদের বলুন এবং পোস্টটি শেয়ার করুন 🙏

কৃষ্ণভক্তের জীবন বাচাঁনোর জন্য সাহায্য করার ফল কৃষ্ণ কখনো ভুলবেন না! আর আজ পবিত্র কামিকা একাদশী। দান করার জন্য সকলের জন্য পরম সুযোগ 🙌

যোগাযোগ নাম্বার: ‪+880 1317‑210407‬

টাকা পাঠানোর মাধ্যম:👇

বিকাশ- 01943790599 (শুভ প্রভুর বড় ভাইয়ের)
নগদ- 01836174721 (শুভ প্রভুর বড় ভাইয়ের)
সিটি ব্যাংক এ্যাকাউন্ট নাম্বার - 2302517700001 (শুভ প্রভুর বাবার)

ভারত থেকে যারা সাহায্য করতে চান
GOOGLE PAY / Phone Pay : 8946048973

NB: সবগুলি একাউন্ট শুভ প্রভুর (রোগী)

বিস্তারিত জানতে উনার স্ত্রীর দেওয়া পোস্টটি পড়ুন 👇
"প্রথমে কি বলব! বলার মত ভাষা আমি হারিয়ে ফেলেছি। আর কোন ভাষা নাই। আমার স্বামীর শরীর খুব খারাপ তার আগে একটা টিউমার থেকে ক্যান্সার ধরা পড়ে তারপরে ওটা ট্রিটমেন্ট করা হয় রেডিও থেরাপি কেমোথেরাপি সবকিছু দেওয়া হয় ডেলটা হসপিটাল থেকে। আবার ভারত থেকেও ডাক্তার বলেছিল সে ঠিক হয়ে গেছে তার ক্যান্সারের কোন সমস্যা এখন আর নাই। আমরা অনেকবার ট্রিটমেন্ট করিয়ে নিয়ে এসেছি ভেলোর থেকে। তারপর তার শরীর খুব ভালো ছিল কিন্তু কিছুদিন যাবৎ তার বুকে ব্যথা, হাত পা অবশ হয়ে যায় আরো অনেক সিনড্রোম দেখা দেয় পরে তাকে ডেল্টা হসপিটালে ভর্তি করা হয় ওইখান থেকে ডাক্তাররা পরিক্ষা নিরীক্ষা করে বলেছে তার বুকের ভাল্বে একটা ছিদ্র হয়েছে আর তার পাশে মাংসপেশী বেড়ে গেছে। তাই তার শরীরের অবস্থা খুব খারাপ ও হসপিটালে ভর্তি আছে এইচডিউতে। তার শরীরের অবস্থার খুব খারাপ এখন আমরা তার পিছনে খরচ করতে করতে যা বলার মত না আর সম্ভব হয়ে উঠছে না। এখন যদি আপনারা একটু আর্থিকভাবে সহায়তা করতেন আমাদের খুব উপকার হতো খুব উপকার হতো দয়া করে আপনারা আমার পাশে একটু দাঁড়ান। আপনারা যদি আমার পাশে একটু দাঁড়ান তাহলে আমি খুব উপকৃত হবো যা বলার মত নয় অনেক টাকা লাগবে প্রায় ৪ থেকে ৫ লক্ষ টাকার মতো। আপনারা যদি যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী একটু সহযোগিতা করেন তাহলে আমার শাঁখা সিঁদুর অক্ষয় হবে। গুরু কৃষ্ণের কাছে সবাই প্রার্থনা করবেন যেন আমার স্বামী সুস্থ হয়ে যায় আর একটু সহযোগিতা করবেন দয়া করে আমার পোস্টটা সবাই দয়া করে একটু শেয়ার করবেন সহায়তা করবেন।

হরে কৃষ্ণ🙏

"আর্থিক সাহায্য না করতে পারলেও,
পোস্ট টি শেয়ারের মাধ্যমে সহযোগিতা করুন" 🙏

27/07/2024
11/07/2024

brahmachari's gour kotha class | ananga mohan das | rashorani110 | iskcon bangla lecture 2024 >>.

Address

Baruakhali
Dhaka
1322

Telephone

+8801636725753

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কৃষ্ণভাবনাময় চেতনা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to কৃষ্ণভাবনাময় চেতনা:

Share