Practicing Muslim- প্র্যাকটিসিং মুসলিম

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • Practicing Muslim- প্র্যাকটিসিং মুসলিম

Practicing Muslim- প্র্যাকটিসিং মুসলিম আল্লাহর বিধান অনুসারে, তার আনুগত্য করে যাওয়া।

15/04/2026

রিজকের সংকীর্ণতা দূর করার জন্য ইস্তিগফারের চেয়ে আর বড় কোন ওজিফা নেই।

- শাইখ মাক্কি আল হিজাজি হাফিযাহুল্লাহ

‘অধিক পরিমাণে ইস্তিগফারের চেয়ে কবরে বান্দার সর্বোত্তম সঙ্গী আর কিছু হতে পারে না।’

- আবদুর রহমান বিন মুতয়িম (রহিমাহুল্লাহ)
[আল ফাউযুল আযিম: ১১৯]

আল্লাহ তা'আলা জানিয়েছেন যে, তিনি ইস্তিগফারকারীকে আ'যাব দেন না। কেননা ইস্তিগফার ঐ গুনাহকেই মিটিয়ে দেয় যা আ'যাবের কার্যকারণ হয়ে থাকে।

— ইমাম ইবনু তাইমিয়াহ (রহি.)
[মাজমুঊল ফাতাওয়া : ৮/১৬৩; পৃ. ৬৮৪]

রিকসাচালক সুজনের কথা আপনাদের মনে আছে? বিপ্লবের তকমাধারী দলটি সাধারণ মানুষের দল হয়ে ওঠার গল্প বুনেছিলো যাকে ঢাকা-৮ আসনে এ...
03/01/2026

রিকসাচালক সুজনের কথা আপনাদের মনে আছে? বিপ্লবের তকমাধারী দলটি সাধারণ মানুষের দল হয়ে ওঠার গল্প বুনেছিলো যাকে ঢাকা-৮ আসনে এমপি প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া নিয়ে। তাদের নেতারা রিকসাওয়ালার হাত উঁচিয়ে ধরে ছবি তুলে বেশ হইচই ফেলে দিয়েছিলেন। কিন্তু গল্প যখন বিক্রি শেষ হলো, হাট যখন ভেঙে গেলো তখন জানা গেলো যে সুজন প্রাথমিক বাছাইয়েই টেকেনি। কোনো হইচই আছে?

গণতন্ত্র দরিদ্র মানুষের হাতে একটি কাগজের চাবি তুলে দেয়—নাম তার ভোটাধিকার। এই চাবি দেখিয়ে তাকে বোঝানো হয়, দেশটির মালিক সে-ই। কিন্তু বাস্তবে সে চাবি দিয়ে তাদের ভাগ্যের দরজাটি কখনো খোলে না; খুলে যায় অন্য কারও জন্য।

ভোটাধিকার এখানে ক্ষমতার বাস্তব উৎস নয়, বরং ক্ষমতাহীনতাকে বৈধতা দেওয়ার এক সূক্ষ্ম কৌশল।

দেখবেন, নির্বাচনকে বাইরে থেকে উৎসবমুখর করার জন্য রাষ্ট্রের এক ধরনের তাগাদা থাকে, ভেতরে যতই তাহাজ্জুদ পড়ে ভোট দেওয়ার, কিংবা পর্দার আড়ালে আগেই সিদ্ধান্তকৃত দলকে ক্ষমতায় নিয়ে আসার চক্রান্ত থাকুক না কেন।

উৎসবমুখর করার পেছনে মূলত থাকে সাধারণ মানুষকে অংশগ্রহণের অনুভুতি দেওয়া। নির্বাচনের দিন দরিদ্র মানুষ লাইনে দাঁড়ায়, ভোট দেয়, ছবি তুলে পত্রপত্রিকায় প্রকাশ করে। রাষ্ট্র বলে, “দেখো, তুমিও এই রাষ্ট্রের অংশীদার।” কিন্তু নির্বাচনের পর যে রাষ্ট্র পরিচালিত হয়, তার বাজেট, নীতি, আইন-- সবই লেখা হয় ধনীদের স্বার্থ রক্ষা করে। কর কাঠামো এমনভাবে সাজানো হয় যাতে বড় কর্পোরেটদের ছাড় বাড়ে, আর পরোক্ষ করের বোঝা পড়ে সাধারণ মানুষের কাঁধে।

স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বাসস্থান--এসব মৌলিক অধিকারগুলো বাজারে ঠেলে দেওয়া হয়; কিনতে না পারলে বঞ্চনা স্বাভাবিক বলে মেনে নেওয়া হয়।

নামকাওয়াস্তে মুখ বাঁচানোর জন্য সরকারি একটা ব্যবস্থা থাকে, কিন্তু সেখানে ধনীরা, সরকারের উচ্চপদস্থ লোকেরা, মন্ত্রী আমলারা যায় না। তারা চিকিৎসা নেয় উন্নত প্রাইভেট হাসপাতালে, কিংবা বিদেশে। তাদের সন্তানরা সরকারি স্কুলে যায় না। তারা পড়ে উন্নত স্কুলে, কিংবা বিদেশে।

একারণে সেসব হাসপাতাল বা স্কুল কলেজের শিক্ষার মান নিয়ে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রক বা ধনীদের কোনো মাথাব্যথা নাই।

গরীবের সন্তানরা নিম্নমানের নামকাওয়াস্তে চালানো শিক্ষা ব্যবস্থায় পড়ে কখনো ধনীদের সন্তানদের সমান যোগ্য হয়ে উঠতে পারে না। ফলাফল কাঠামোগতভাবেই প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে গরিব আরও গরীব হয়, ধনি আরও ধনি হয়।

নির্বাচনী প্রচারে রাজনীতিকেরা দরিদ্রের পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার করেন। কারণ দরিদ্রের সংখ্যা বেশি। কিন্তু ক্ষমতায় এসে দেখা যায় এরাই ব্যাংককে বেইলআউট দেয়, বড় শিল্পগোষ্ঠীর ঋণ মওকুফ করে, শেয়ারবাজার বাঁচাতে রাষ্ট্রীয় তহবিল ঢালে।

একই সময়ে শ্রমিকের ন্যূনতম মজুরি বাড়াতে বলা হলে বলা হয়, “অর্থনীতি চাপ সহ্য করতে পারবে না।” প্রশ্ন হলো, কোন অর্থনীতি? কার চাপ?

গণতন্ত্রে নীতিনির্ধারণের টেবিলে বসে কর্পোরেট লবিস্ট, বড় দাতারা, মিডিয়ার মালিকরা, যাদের হাতে অর্থ ও বয়ান নির্মানের ক্ষমতা। দরিদ্র মানুষ ভোট দেয়, কিন্তু নীতি লেখে না। সে প্রতিনিধি বেছে নেয়, কিন্তু প্রতিনিধির ওপর বাস্তব নিয়ন্ত্রণ রাখে না। পাঁচ বছরে একদিনের ভোট, বাকি সময়ে নীরবতা।এটাই গরীবের ক্ষমতা ও অংশগ্রহণের সীমা।

আরেকটি ভ্রান্তি হলো “সমান সুযোগ”-এর গল্প। বলা হয়, সবাই সমানভাবে প্রতিযোগিতা করতে পারে। কিন্তু যাদের হাতে উন্নত শিক্ষা, অঢেল পুঁজি, ব্যাংক থেকে শত শত কোটি টাকার লোন পাওয়ার সুযোগ রয়েছে, দরিদ্ররা তাদের কীভাবে সমান প্রতিযোগী হয়? গণতন্ত্র এখানে মাঠ সমান না করে রেফারির ভূমিকায় থাকে; খেলা চলে আগেই শক্তিশালীদের পক্ষে ঢালু করা মাঠে। পানি যেদিকেই ঢালা হোক, গড়িয়ে তা ধনীদের ক্ষেতেই যাবে।

সবচেয়ে বিপজ্জনক দিক হলো, এই ব্যবস্থা দরিদ্রকে তার পরাজয়ের জন্য নিজেকেই দোষী বানায়। বলা হয়, তুমি ভোট দিয়েছ, তাই এই অবস্থার জন্য দায় তোমারই। ফলে কাঠামোগত বৈষম্য আড়ালে থাকে, ব্যক্তিগত ব্যর্থতার গল্প সামনে আসে।

অনেকে মনে করেন, এটা কেবল তৃতীয় বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোর চিত্র। না, বরং কথিত উন্নত বিশ্বের বাস্তব চিত্রও একইরকম।

গণতন্ত্র যদি সত্যিই জনগণের শাসন হতো, তবে ভোটাধিকার কেবল প্রতীক থাকত না; অর্থনৈতিক ক্ষমতা, নীতিনির্ধারণে অংশগ্রহণ, জবাবদিহি—এসবও জনগণের হাতে থাকত।

দিন শেষে যা হয়, তা হলো, গণতন্ত্র দরিদ্রকে নিয়ন্ত্রণের একটা অনুভূতি দেয়, কিন্তু দেশটি নির্মিত হয় ধনী ও সুবিধাভোগীদের জন্য। ভোটের বাক্সে সমতা দেখানো হয়, কিন্তু জীবনের বাক্সে বৈষম্যই থাকে যায়।

আর কতদিন ঠকতে রাজি আপনারা?

Ahmed Rafique

28/12/2025

আল্লাহ ছারা কোনো মাবুদ নাই আল্লাহ এক অদ্বীতি'অ তিনি ছারা কোনো ইলাহ নেই।

25/12/2025

ইলেকশনের নামে প্রকাশ্যে টাকা সংগ্রহ করলে অনেকেই সেটাকে ‘স্মার্ট রাজনীতি’ বলে বাহবা দিচ্ছে। অথচ দ্বীন ও মাদ্রাসা পরিচালনার জন্য আলেমরা যখন অনুদান সংগ্রহ করেন, তখন সেই একই কাজকে তাচ্ছিল্য ও বিদ্রূপের চোখে দেখে।

এটাই আমাদের সমাজের দ্বিমুখী মানসিকতার এক নগ্ন বাস্তবতা! ইলেকশনের নামে গণ কালেকশন নিয়ে কথিত বুদ্ধিজীবীদের কোন মাথা ব্যথা নেই। অথচ, মাদ্রাসা কেন অন্যের দানে চলে, এ নিয়ে তাদের ঘুম নাই!

20/12/2025
সাম্প্রতিক সময়ে জোবায়েদ হ^ত্যাকান্ড আমাদের ঘুনে ধরা সমাজ ব্যবস্থা বোঝার জন্য একটি ভালো নির্দেশক! একটি সভ্য, সুস্থ, সমাজব...
23/10/2025

সাম্প্রতিক সময়ে জোবায়েদ হ^ত্যাকান্ড আমাদের ঘুনে ধরা সমাজ ব্যবস্থা বোঝার জন্য একটি ভালো নির্দেশক! একটি সভ্য, সুস্থ, সমাজব্যবস্থায় এমন আচরণ অকল্পনীয়, তবে আজ এটিই বাস্তব এবং এমন কিছুই যেন স্বাভাবিকতা!
বিকৃত সমাজ ব্যবস্থা, বিকৃত শিক্ষা ব্যবস্থা, বিকৃত বিনোদন- এসব কিছুই আজ সমাজের স্বাভাবিক, দৈনন্দিন উপাদান! অথচ এগুলো অকল্পনীয় বিকৃতি!
এসব বিকৃতি কোন দুর্ঘটনা নয়। এমনও নয় যে- আমরা তো আসলে এসব চাইনা তবে বাইরের গ্রহ থেকে এলিয়েনরা এসে আমাদের এই সমাজে এসব বিকৃতি প্রচার প্রসার করে গেছে! বরং এই সমাজ, তার কাঠামো এবং এক শ্রেণীর জঘন্য মানুষের চেহারার পশু এই বিকৃতি আমাদের সমাজে প্রচার প্রসার করে।
সামাজিক এই বিকৃতির বিষয়টি মোকাবেলা করার জন্য এর স্বরূপ প্রকৃতি আগে বুঝতে পারা জরুরী। আমি, আপনি, আমরা হঠাত করেই একদিন ঘুম থেকে উঠে এর মোকাবেলা করতে পারবো না, একে ধরাশায়ী করতে পারবো না বা সমাজ থেকে বিতাড়িত করতে পারবো না। সামাজিক এই বিকৃতি নিজে কোন অস্তিত্ব বা পরিচয় নয়। লক্ষ্য করুন, বিকৃতির নিজস্ব কোন চেহারা নেই, শরীর নেই। সে আমাদের শরীর, আমাদের মন, মানসিকতা ব্যাবহার করে টিকে থাকে। বিকৃতি নিজে কোন অস্তিত্ব নয় বরং আমাদের অস্তিত্বের সাথেই বিকৃতি জড়িয়ে থাকে।
এজন্য এসব জঘন্য মানসিকতার সাথে লড়াই আগে নিজ থেকে, নিজ পরিবার থেকে শুরু করতে হবে। আমাদের দেখতে হবে আমি, আমার পরিবার, আমার ভাইবোন, স্ত্রী সন্তান অশ্লীলতা থেকে, বিকৃতি থেকে মুক্ত কিনা! আপনাকে জানতে হবে কীভাবে এসব বিকৃতি অস্তিত্বে আসে? আপনাকে তা চিহ্নিত করতে হবে এবং সেই রাস্তা বন্ধ করতে হবে।
ক্লোজ আপ- ‘ভালোবাসার কাছে আসার গল্প’ দেখায় - সেই একই ভালোবাসার র^ক্তাক্ত বীভৎসতা তারা দেখায়না! এর দায় তারা নেয়না! অথচ আমরা কাছে আসার গল্পের ফাঁদে পা দেই!
আমি আপনি ভাবতে পারি, জোবায়েদ মরেছে,আমার ছেলে তো মরেনি, গাজীপুরে ধ^র্ষন হয়েছে, আমার মেয়ে তো ঠিক আছে! কে আপনাকে লিখে দিল আগামীকাল আপনি এর শিকার হবেন না?
অন্যায়, অনাচার, বিকৃতি, অশ্লীলতা, সামাজিক বিশৃঙ্খলাকে প্রশ্রয় দিবেন না। যেখানেই অন্যায় দেখবেন, সামর্থ্য অনুযায়ী বাধা দিবেন। এটিই করার জন্য আল্লাহ আমাদের আদেশ দিয়েছেন। বনী ইসরাইল ধ্বং^স হয়ে যাবার অন্যতম একটি কারণ ছিল তারা সমাজে মন্দ কাজে বাধা দিত না।
আমরাও কী তাদের পথ অনুসরণ করছিনা!?

21/10/2025

Kafir can't be friends

আফগানিস্তানের বাদগিস প্রদেশে এক ব্যক্তির অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার পর প্রকাশ্যে গু লি করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।দ্য ডে...
21/10/2025

আফগানিস্তানের বাদগিস প্রদেশে এক ব্যক্তির অপরাধ প্রমাণিত হওয়ার পর প্রকাশ্যে গু লি করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

দ্য ডেইলি মেইল এবং এনএসটি অনলাইন-এর খবরে জানা যায়, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির অপরাধ ছিল—সে আট মাসের গর্ভবতী এক নারী ও তার স্বামীকে খু ন করেছিল।

আফগান সুপ্রিম কোর্ট এক বিবৃতিতে জানায়, মৃত্যুদণ্ডটি কার্যকর করা হয় বাদগিস প্রদেশের রাজধানী কালা-ই-নাউ শহরের একটি ক্রীড়া স্টেডিয়ামে, যেখানে হাজারো মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষীদের বরাত দিয়ে জানানো হয়, নিহত দম্পতির এক আত্মীয় আদালতের নির্দেশে হত্যাকারীকে তিন রাউন্ড গুলি করে মৃ ত্যুদণ্ড কার্যকর করেন। মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে ওই আত্মীয়ের কাছে অপরাধী ক্ষমাপ্রার্থনা করলেও তা প্রত্যাখ্যান করা হয়।

বাদগিস প্রদেশের তথ্যপ্রধান মতিউল্লাহ মুত্তাকি বলেন,

“অভিযুক্ত ব্যক্তি এক পুরুষ ও তার স্ত্রীকে হত্যা করেছিল। স্ত্রীটি তখন প্রায় আট মাসের গর্ভবতী ছিলেন।”

তিনি আরও জানান, মামলাটি তিনটি পৃথক আদালতে পর্যালোচনা শেষে আফগান সরকারের সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা মৃত্যুদণ্ডের অনুমোদন দেন।

আফগানে শরিয়া আইনের অধীনে চালু থাকা “কিসাস” (ন্যায়বিচার) নামের এই ব্যবস্থায় ভিকটিমের পরিবার চাইলে হত্যাকারীকে ক্ষমা করতে পারে, অথবা সমান শাস্তি দাবি করতে পারে। এই ঘটনায় নিহত পরিবারের পক্ষ থেকে ক্ষমা না করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সূত্র অনুযায়ী, এটি আফগান সরকারের অধীনে এ পর্যন্ত ১১তম প্রকাশ্য মৃত্যুদণ্ড।

মামুনুর রশিদ কাসেমি একজন জ্ঞা’নপাপী,  নারীলো’ভী ও দু’শ্চরিত্রের লোক। নিজের অপকর্মের বৈধতার জন্য বারবার সে ইসলামকে হাতিয়...
20/10/2025

মামুনুর রশিদ কাসেমি একজন জ্ঞা’নপাপী, নারীলো’ভী ও দু’শ্চরিত্রের লোক। নিজের অপকর্মের বৈধতার জন্য বারবার সে ইসলামকে হাতিয়ার বানিয়েছে। এখনও বানাচ্ছে। এমনকি রাসূল সাঃ ও তাঁর স্ত্রীদের ব্যাপারেও অশালীন কালিমা লেপন করেছে। এখনও করেই যাচ্ছে।

আমি যখন (পূর্বে) ওরে তালাক নিয়ে ছেলেখেলার জন্য ওর টুটি চেপে ধরেছিলাম তখন সে রাসূল সাঃ সম্পর্কেও বিষোদগার করেছিল। বলেছিল আল্লাহর রাসূল ৬ বার বা ৬ জন স্ত্রীকে তালাক দিয়েছিলেন। নাউজুবিল্লাহ। অথচ তখন আমি একটা ভিডিও দিয়েছিলাম। যেটাতে প্রমাণ করেছিলাম। আল্লাহর রাসূল সাঃ এর জীবনে তিনি শুধুমাত্র একজন স্ত্রীকে ১ তালাক দিয়েছিলেন। উম্মুল মুমিনিন হাফসা রা.কে। এক তালাক দিয়েছিলেন। তাও সেটা তিনি রজআত করেছেন। অর্থাৎ এক তালাকের পর হাফসা রা.কে প্রিয় নবীজি ফিরিয়ে নিয়েছেন। ভিডিওটি আমার টাইমলাইনে এখনও আছে। প্রয়োজনে আমি আবারও দিয়ে রাখব।

নিচের ছবিতে থাকা মামুনুর রশিদের কোনও ভিডিও বা লাইভের ক্যাপশনটা একটু ভালোভাবে দেখুন। সে রাসূল সাঃ এর স্ত্রীদের কয়েকজনকে দুর্ববহারকারী হওয়ার ট্যাগিং করে দিল। এবং এরজন্য রাসূল সাঃও নাকি তাঁদেরকে তালাক দিয়েছেন বলে চালিয়ে দিল। কত্ত বড় জাহেল এবং স্বার্থান্বেষী বাটপার হলে এই কাজ মানুষ করতে পারে? নিজের তালাকদানের বৈধতার দলিল দিচ্ছে কী অশালীনভাবে! স্ত্রী মুখে মুখে তর্ক করে। এতটুকু কারণে সম্প্রতি সময়ে সে নিজের তৃতীয় স্ত্রীকে তালাক দিয়েছে। এই নষ্টামি কাজের দলিল দিচ্ছে আল্লাহর রাসুল ও তাঁর স্ত্রীদের নামে মিথ্যা রটিয়ে। আসুন আসল সত্যটা জানি।

আসমা বিনতে নোমান আলকিন্দিয়া রা.কে রাসূল সাঃ বিয়ে করে তাঁর কাছে গেলে তিনি আউজুবিল্লাহ পড়েন। অর্থাৎ আল্লাহর কাছে আশ্রয় চান। যা মূলত তাঁর গোত্রের কতিপয় মহিলারা শিখিয়ে দেন। তিনি না বুঝে অজ্ঞতার কারণে আল্লাহর রাসূল সাঃ ঘরে প্রবেশ করলে এটা পড়েন। আল্লাহর রাসূল সাঃ তখন তাঁকে বলেন যে, মহান সত্তার কাছে তুমি আশ্রয় চেয়েছ। যাও নিজ ঘরে (তোমার পরিবারের কাছে) ফিরে যাও। এবং রাসূল সাঃ তাঁকে তালাক দেন।

ইবনু হাজার আসকালি রহ. এই হাদিসের ব্যাখ্যায় আসমা বিনতে নোমান আল কিন্দিয়ার এই কাজটির ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি লিখেছেন, তাঁর গোত্রের কতিপয় মহিলারা বলেছিলেন যে, আল্লাহর রাসূল যখন ঘরে আসবে তখন তুমি আউজুবিল্লাহ পড়বে। তিনি সেটাই করেছিলেন। মূলত তিনি এর অর্থ বা মানে বুঝতেন না। তাই রাসূল সাঃ তাঁকে সম্মানের সাথে ফেরত পাঠান। এখানে কোনো দুর্ব্যবহার বা রাসূলের সঙ্গে বেআদবির ঘটনা ঘটেই নি। বিস্তারিত প্রথম কমেন্টে দিয়ে রাখব। আপনারাও তাহকিক করে নিয়েন।

এবার বলেন তো আপনারা। এই লোকটা কি ইসলামের নামে বাড়াবাড়ি করছে না? ওরে থামানো উচিত না? সম্মানিত আলেম সমাজ। আপনাদের বলি, এখনও পর্যন্ত যারা মামুনুর রশিদের পক্ষ নিয়েছেন। এবং কোনভাবে সে দীনের কাজ করছে বলে তাঁকে সমর্থন দিয়ে গেছেন। আপনাদের বলি, আপনারা ওর থেকে নিজেদের বারাআতের ঘোষণা দিন। এবং এই লম্পটের সাথে সম্পর্কের ইতি টানুন। প্রকাশ্যে ওর কর্মকাণ্ডের সাথে আপনারা জড়িত না থাকবার বিষয়টি স্পষ্ট করুন। বিশেষত ইতঃপূর্বে যারা ওর কাছে গিয়েছেন। বা ওর কাজের প্রশংসা করেছেন আপনারা অবশ্যই বারাআতের ঘোষণা প্রকাশ্যে দিন। আর পারলে ওরে থামানোর ব্যপারে আমাকে সহায়তা করুন। নয়ত মনে রাইখেন। ওরে আমি থামাবই ইনশাআল্লাহ। যদি ভিন্ন লোকদের মাধ্যমে থামাতে হয় তাহলে আমরা (আপনারা) আলেম সমাজও কলুষিত হবো। যদিও ইতোমধ্যেই হয়ে গেছি আমরা। সামনে আরও হবেন। তখন আমাকে দোষারোপ করতে পারবেন না। কারণ আমি আপনাদের সহায়তা চেয়ে ফেলেছি। এবার যদি আপনারা আমার সঙ্গ না দেন তাহলে সামনের নিন্দিত দিনের অপেক্ষা করুন। আল্লাহ এই বান্দাকে অবশ্যই সাহায্য করবেন ইনশাআল্লাহ।

সাইফুল ইসলাম

মুসলিম-অমুসলিম বইয়ের “অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসবে অংশগ্রহণ ও তাতে শুভেচ্ছা বিনিময়” পরিশিষ্ট থেকে‘শরিয়তের এমন স্পষ্ট বিধান থা...
06/10/2025

মুসলিম-অমুসলিম বইয়ের “অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসবে অংশগ্রহণ ও তাতে শুভেচ্ছা বিনিময়” পরিশিষ্ট থেকে

‘শরিয়তের এমন স্পষ্ট বিধান থাকার পরেও আজ দুনিয়ার সামান্যকিছু অর্জনের জন্য মুসলিম সন্তানদের দেখা যায় খুব আয়োজন করে অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসবে শুভেচ্ছা জানাতে! ফুকাহায়ে কেরাম মুখে একটু বলাকেই কতটা কঠিনভাবে দেখেছেন, সেখানে আজ তো পকেটের টাকা খরচ করে পোস্টার বানিয়ে কুফরি শব্দ দিয়ে তৈরি শুভেচ্ছাবার্তা দেওয়া হয়! আরও দুঃখজনক হলো, এই কাজগুলোতে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ইসলামের নামে রাজনীতি করা ব্যক্তিবর্গ! গণতান্ত্রিক ভোটের রাজনীতির দোহাই দিয়ে এই হারাম কাজে এই শ্রেণিকেই সবচেয়ে বেশি লিপ্ত দেখা যায়। আমাদের ছোট মনে এই কথাটুকু বুঝে আসে না, আল্লাহর বেঁধে দেওয়া হারামের গণ্ডি মাড়িয়ে আল্লাহর জন্য মানুষ কীসের রাজনীতি করে! সাথে মনে আরেকটি প্রশ্ন উঁকি দেয়, যে ব্যক্তি ক্ষমতার জন্য আল্লাহর হারামের গণ্ডিকে পদদলিত করতে পারে, সে কাল ক্ষমতায় গিয়ে ক্ষমতা ধরে রাখতে যে আরও অসংখ্য বিধানের গলায় ছুরি চালাবে না তার নিশ্চয়তা কি আছে? সে যে ক্ষমতার জন্য ইসলাম ছেড়ে দেবে না, তার কি কোনো গ্যারান্টি আছে? আল্লাহ আমাদেরকে দুনিয়ার সবচেয়ে দামি বস্তু নিজের ঈমানকে রক্ষা করার তাওফিক দান করুন। আমিন।'

"তোমাদের জন্য তোমাদের ধর্ম, আর আমার জন্য আমার ধর্ম।" সূরা আল-কাফিরুন : আয়াত ৬
30/09/2025

"তোমাদের জন্য তোমাদের ধর্ম,
আর আমার জন্য আমার ধর্ম।"

সূরা আল-কাফিরুন : আয়াত ৬

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Practicing Muslim- প্র্যাকটিসিং মুসলিম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Practicing Muslim- প্র্যাকটিসিং মুসলিম:

Share