I love islam

I love islam Allah

15/08/2021
আমিন
02/07/2021

আমিন

27/06/2021

সুস্থতা মহান রবের অনেক
বড় নেয়ামত,🥀
যা অসুস্থ না হলে
কখনো বুঝা যায় না।😥

মুসলিম পরিবারের বিয়েতে কনে বরকে সোনার আংটি পরিয়ে দেয় কেন?“আমার উম্মতের যে ব্যক্তি (পুরুষ) সোনা পরিধান করবে, আল্লাহ তা...
17/01/2021

মুসলিম পরিবারের বিয়েতে কনে বরকে সোনার আংটি পরিয়ে দেয় কেন?

“আমার উম্মতের যে ব্যক্তি (পুরুষ) সোনা পরিধান করবে, আল্লাহ তার প্রতি জান্নাতের সোনা হারাম করে দিবেন।” (আহমাদ, আদাবুয যুফাফ ২২২ পৃষ্ঠা)

আমাদের মুসলিম পরিবারে বিয়েতে কনে বরকে স্বর্ণের আংটি পরিয়ে দেয়। এই রেওয়াজ বহু বছর ধরে চলে আসছে। শুধু বরকে নয় বরের বোন জামাইদেরকেরও স্বর্ণের আংটি উপহার দেয়া হয়। আর বিয়েতে বরকে অনেক আত্মীয়-স্বজন ও স্বর্ণের আংটি উপহার দিয়ে থাকে। আমরা কি জানিনা স্বর্ণ ব্যবহার পুরুষদের জন্য হারাম? নাকি নবী করিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হাদিস পড়েও না জানার ভান ধরে এই প্রথা চালিয়ে দিচ্ছি। এর জন্য কি শাস্তি পেতে হবে না? যারা জেনে শুনে নবী করিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আদেশকে অমান্য করছে তারা কি জান্নাতে যেতে পারবে? তারা কি পুলসিরাত পার হতে পারবে?

পুরুষের জন্য স্বর্ণ ব্যবহার হালাল না কি হারাম কয়েকটি হাদিস থেকে জেনে নিই:

আবু হুরায়রা (রা:) বলেন, “ নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সোনার আংটি পরিধান করতে নিষেধ করেছেন।” (বুখারী- আদাবুয যুফাফ-২১৪)

আলী (রা:) বলেন,“রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাকে সোনার আংটি পরিধান করতে নিষেধ করেছেন।” (তিরমিযী, আবুদাঊদ, নাসাঈ,ইবনু মাজাহ, মিশকাত হা/৪৫৬,‘পোশাক অধ্যায়)

আবু হুরায়রা (রা: বলেন, রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি তার প্রিয়জনকে আগুনের কড়া বা আংটি পরানো পছন্দ করে, সে যেন তাকে সোনার কড়া বা আংটি পড়ায়। (আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৪৪০১, বাংলা মিশকাত হা/৪২০৫)

আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রা:) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এক লোকের হাতে সোনার একটি আংটি দেখলেন। তিনি তা খুলে নিয়ে নিক্ষেপ করলেন এবং বললেন, “তোমাদের কোন ব্যক্তি আগুনের টুকরো হাতে রাখতে চাইলে এই আংটি হাতে রাখতে পারে।” (মুসলিম, আলবানী, আদাবুয যুফাফ ২১৫ পৃষ্ঠা)

আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রা:) বলেন, রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন,‘আমার উম্মতের যে ব্যক্তি সোনা পরিধান করবে, আল্লাহ তার প্রতি জান্নাতের সোনা হারাম করে দিবেন। (আহমাদ, আদাবুয যুফাফ ২২২ পৃষ্ঠা)

যায়েদ ইবনু আকরাম (রা:) বলেন, রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ‘স্বর্ণ ও রেশমি বস্ত্র আমার উম্মতের নারীদের জন্য বৈধ এবং পুরুষের জন্য হারাম।’ (সিলসিলা ছাহীহা হা/১৮৬৫/৩০৩০)

উপরোক্ত হাদিসগুলো পড়ে আমরা জানতে পারি:

পুরুষের জন্য স্বর্ণ ব্যবহার হারাম। তাই বিয়েতে বরকে স্বর্ণের আংটি পরিয়ে দেয়া জায়েজ নয়। স্বর্ণের আংটির পরিবর্তে হাত ঘড়ি পরিয়ে দেয়া যেতে পারে।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'য়ালা মুসলিম ভাই ও বোনের ইসলামী শরিয়ত অনুযায়ী হালাল ও হারাম বুঝার তাওফীক দিন।
ওমা তাওফীকি ইল্লা বিল্লাহ,
আল্লাহুম্মা আমিন।

বিয়ে নিয়ে এগোনোর পূর্বে কিছু ব্যাপার মাথায় রাখা উচিত!নিজেকে প্রশ্ন করুনঃআপনি কি চরিত্র রক্ষার্থে বিয়ে করছেন ?আপনি কি বিয়...
17/01/2021

বিয়ে নিয়ে এগোনোর পূর্বে কিছু ব্যাপার মাথায় রাখা উচিত!
নিজেকে প্রশ্ন করুনঃ
আপনি কি চরিত্র রক্ষার্থে বিয়ে করছেন ?
আপনি কি বিয়ের পূর্বে দ্বীন মানার ক্ষেত্রে সাধ্যমতো কঠোর ছিলেন?
বিয়ের পূর্বে নজরের হেফাজত করছেন তো?
এসব প্রশ্ন খুবই গুরুত্বপূর্ণ!ছেলে-মেয়ে উভয়ের জন্য! নজরের হেফাজত বিয়ের পূর্বে এবং পরে উভয় সময়েই ফরজ! প্রত্যেক মুসলিম ও মুসলিমার জন্য! নিজ স্ত্রীকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী মনে হবে যদি বিয়ের পূর্বে নজরের হেফাজত করেন! একই ভাবে বিয়ের পরও !
ঠিক একই ব্যাপার মেয়েদের জন্যও প্রযোজ্য! বিশ্বাস করুন ,আপনার স্ত্রী হয়তো কালো! কিন্তু আপনি যদি নজরের হেফাজত করতে পারেন সেইই হবে আপনার চক্ষুশীতলকারী আলো ইনশা আল্লহ!
আপনার স্বামী হয়তো অন্য ছেলেদের মতো অত্ত হ্যান্ডসাম নয়! কিন্তু আপনার দ্বীনদার স্বামীর মতো আপনিও যদি নিজেকে হেফাজতে রাখতে পারেন , নজরের হেফাজত করেন তাহলে আপনার স্বামীই হবে আপনার হৃদয়রাজ্যের রাজা ইনশা আল্লহ!!!
বিয়ের ক্ষেত্রে ছেলে-মেয়ে উভয়ের জন্য দ্বীনের দিকে কঠোর থাকার ব্যাপারে বলা হয়েছে! আচ্ছা একজন দ্বীনদার স্বামী বা স্ত্রীর চেয়ে আর কি চান আল্লহু আলাম!!!!
একটা কথা মাথায় রাখুন,আপনার স্ত্রী বা স্বামীকে হয়তোবা সমাজের অনেকেই সুন্দর বলে না কিংবা দেখতে নায়িকা বা নায়কের মতো না কিন্তু দ্বীনের কারণে মহান রব খুশি হয়ে যখন জান্নাত দিবেন তখন জানেন কি আপনার স্ত্রী হবে হুরদের চেয়ে ৭০ গুণ বেশি সুন্দরী!!! আর আপনিও !!!
সুবহানাল্লহ! কত্ত মহান আমাদের রব !
দুনিয়াবি কোন আক্ষেপ আর থাকবে না জান্নাতে!!!
আপনার স্বামী যদি দ্বীনদার হয় তবে আপনি নিশ্চিন্ত মনে অবস্থান করতে পারবেন বাসায় এই ভেবে যে ,আপনার স্বামী নজরের খেয়ানত স্বেচ্ছায় করবে না এবং দিনশেষে আপনার নিকট এসেই আপনাকে পরীর ন্যায় দেখবে ইনশা আল্লহ!
আর স্ত্রীও যদি দ্বীনদার হয় তবে মানসিকভাবে আপনি তৃপ্তিতে থাকবেন ইনশা আল্লহ!
সর্বোপরি বিয়ের পূর্বে একটা জিনিস বোঝা দরকার তাহলো বাস্তবতা আর ফ্যান্টাসি ভিন্ন বিষয়! তবে উভয়ের মাঝে সামঞ্জস্য রক্ষা করলে তা জান্নাতি রূপ নিবে ইনশা আল্লহ!!!
আসুন আমরা দ্বীনের হেফাজত করি! মেনে চলি মহান রবের আদেশ!!! আর মানসিক ভাবে প্রস্তুত হই ইল্ম ও আমলের মাধ্যমে ইনশা আল্লহ!!!

Address

Banagladesh
Dhaka
8000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when I love islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share