N. An-nur

N. An-nur I am working for Islam. please support me to spread Islam. please follow my page for Islam

31/08/2026

পরিবারের দুনিয়াবি ভরণপোষণের পাশাপাশি তাদের আখিরাত ও ঈমানের যত্ন নেওয়া আমাদের সবার বড় দায়িত্ব।
প্রত্যেক মুমিনকে নিজে পাপ কাজ থেকে বেঁচে থাকার পাশাপাশি তার পরিবার-পরিজনকেও (স্ত্রী ও সন্তান) ভালো কাজের আদেশ এবং মন্দ কাজ থেকে নিষেধের মাধ্যমে জাহান্নামের ভয়াবহ আগুন থেকে রক্ষা করতে হবে।

“হে মুমিনগণ, তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবার-পরিজনকে রক্ষা কর আগুন (জাহান্নাম) থেকে, যার ইন্ধন হবে মানুষ ও পাথর, যাতে নিয়োজিত আছে নির্মম ও কঠোরস্বভাব ফেরেশতাগণ, যারা আল্লাহ তাদেরকে যা আদেশ করেন তা অমান্য করে না এবং তারা যা করতে আদেশপ্রাপ্ত হয় তাই করে।”

সুরা আত-তাহরিম (আয়াত: ৬)

30/08/2026

আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনের সুরা আত-ত্বালাক (আয়াত ৪)-এ ইরশাদ করেছেন:

“যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার কাজ সহজ করে দেন।”

আল্লাহভীতি বা তাকওয়া অর্থ শুধু আল্লাহকে ডজন ডজন ভয় পাওয়া নয়।এর মূল অর্থ হলো—আল্লাহর আদেশ মেনে চলা এবং নিষেধ করা কাজগুলো থেকে দূরে থাকা।দৈনন্দিন জীবনে সততা বজায় রাখা এবং সব কাজে তাঁর সন্তুষ্টি খোঁজা।

27/08/2026

জুমার দিনে দরুদ পাঠ করার ফজিলত সম্পর্কিত হাদিস :🔴 হযরত আউস ইবনে আউস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:"দিনগুলো...
27/08/2026

জুমার দিনে দরুদ পাঠ করার ফজিলত সম্পর্কিত হাদিস :

🔴 হযরত আউস ইবনে আউস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:"দিনগুলোর মধ্যে জুমার দিনটি সর্বোত্তম। ... অতএব, এ দিনে তোমরা আমার ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করো। কারণ, তোমাদের দরুদ আমার কাছে পেশ করা হয়।"— সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ১০৪৭; সুনানে নাসায়ি, হাদিস: ১৩৭৪

🔴 রাসূলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেছেন:"জুমার দিনে এবং জুমার রাতে তোমরা আমার ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করো। যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরুদ পাঠ করবে, আল্লাহ তার ওপর দশবার রহমত নাজিল করবেন।"— সুনানে বায়হাকি, হাদিস: ৫৯৯৪

🔴 অন্য হাদিসে এসেছে, কিয়ামতের দিন সেই ব্যক্তি রাসূল (সা.)-এর সবচেয়ে কাছাকাছি থাকবে, যে দুনিয়াতে বেশি দরুদ পড়েছে (তিরমিজি, হাদিস: ৪৮৪)।

সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম 💖

একজন ভালো ঈমানদার বান্দা যখন মৃত্যুর সময় আল্লাহর দয়া ও জান্নাতের সুসংবাদ পায়, তখন সে আনন্দের সাথে আল্লাহর কাছে যেতে চায় ...
26/08/2026

একজন ভালো ঈমানদার বান্দা যখন মৃত্যুর সময় আল্লাহর দয়া ও জান্নাতের সুসংবাদ পায়, তখন সে আনন্দের সাথে আল্লাহর কাছে যেতে চায় এবং আল্লাহও তার সাথে সাক্ষাৎ পছন্দ করেন; পক্ষান্তরে একজন পাপী বা অবাধ্য মানুষ যখন মৃত্যুর সময় আল্লাহর শাস্তি ও জাহান্নামের খবর পায়, তখন সে ভয়ে আল্লাহর কাছে যেতে চায় না এবং আল্লাহও তার সাক্ষাৎ অপছন্দ করেন।

হযরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন যে, যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাৎ পছন্দ করে, আল্লাহও তার সাক্ষাৎ পছন্দ করেন এবং যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাৎ অপছন্দ করে, আল্লাহও তার সাক্ষাৎ অপছন্দ করেন।

সহিহ বুখারি: হাদিস নম্বর ৬৫৬৩
সহিহ মুসলিম: হাদিস নম্বর ২৬৮৪

22/08/2026

রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন:"যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাত ভালোবাসে, আল্লাহও তার সাক্ষাত ভালোবাসেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাত অপছন্দ করে, আল্লাহও তার সাক্ষাত অপছন্দ করেন।"
(সহিহ বুখারী: হাদিস নং: ৬৫০৭)

যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভালোবেসে তাঁর সান্নিধ্যে যেতে চায়, আল্লাহও তাকে ভালোবেসে তাঁর দয়া ও ক্ষমার সাগরে স্বাগত জানান। মৃত্যুর শেষ মুহূর্তে একজন ইমানদার মানুষকে যখন জান্নাত ও আল্লাহর সন্তুষ্টির সুসংবাদ দেওয়া হয়, তখন সে দুনিয়ার সব মায়া ভুলে খুশিতে আল্লাহর কাছে যাওয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে ওঠে। পক্ষান্তরে, যে ব্যক্তি আল্লাহর হুকুম অমান্য করে তাঁর মুখোমুখি হওয়াকে অপছন্দ করে, আল্লাহও তাকে দয়া থেকে দূরে সরিয়ে দেন। এখানে স্বাভাবিক মৃত্যুর ভয়ের কথা বলা হয়নি, বরং ভালো কাজের মাধ্যমে আল্লাহর রহমতের আশা রেখে তাঁর সাথে দেখা করার পরম আত্মিক আনন্দের কথা বলা হয়েছে।

18/08/2026

"হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের ইহকালে কল্যাণ দান করুন এবং পরকালেও কল্যাণ দান করুন এবং আমাদেরকে আগুনের (জাহান্নামের) আযাব থেকে রক্ষা করুন।" সূরা আল-বাকারাহ (2:201)

"একটি চমৎকার প্রার্থনা। এই প্রসঙ্গে উল্লেখ করা যেতে পারে যে, আমাদের আধ্যাত্মিক হিসাবের খাতা ক্রমেই বড় হচ্ছে—যার পাপ বা লোকসান এবং পুণ্য বা লাভ উভয় দিকই ভারী হচ্ছে। পার্থিব হিসাব-নিকাশে আমাদের লাভ এবং ক্ষতি উভয়ই বিলম্বিত হতে পারে, কিন্তু আল্লাহর দরবারের হিসাবে কোনো বিলম্ব নেই। আমাদের কর্মসমূহ আমাদের আগেই (পরকালে) চলে যায়।"

16/08/2026

(مَالِكِ يَوْمِ ٱلدِّينِ)"যিনি বিচারদিনের মালিক।"

"আল্লাহকে একমাত্র ও পরম প্রতিপালক হিসেবে ঘোষণা করার মাধ্যমে মানবজাতিকে সতর্ক করা হয়েছে যে, সে কেবলই এক সাময়িক ও ক্ষণস্থায়ী জীবন অতিবাহিত করছে—যেখানে তার মনে একটি ভাসা-ভাসা বা কাল্পনিক ধারণা কাজ করে যে সে এই নশ্বর পৃথিবীর ভাগ্য নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম। কিন্তু এমন একদিন আসবে, যেদিন একমাত্র তিনিই একমাত্র মালিক বা প্রতিপালক হিসেবে তাঁর চূড়ান্ত বিচার ফয়সালা করবেন।"
(সূরা ফাতিহা আয়াত -৩)

16/08/2026

প্রশংসার আসল মালিক কে?
আল্লাহ্ 💖

জগতে যা কিছু সুন্দর, যা কিছু নিখুঁত এবং যা কিছু প্রশংসনীয়, তার একমাত্র রূপকার হলেন আল্লাহ। তাই সৃষ্টির সৌন্দর্য দেখে আমরা যে প্রশংসা করি, তার মূল উৎস ও আসল দাবিদার হলেন স্বয়ং স্রষ্টা। সহজ কথায়—"উৎস সুন্দর বলেই সৃষ্টি এত সুন্দর, তাই সব প্রশংসা কেবল তাঁরই।"

আলহামদুলিল্লাহি
অর্থ: সমস্ত প্রশংসাই আল্লাহর জন্য

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when N. An-nur posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share