Guidelines to Jannah

Guidelines to Jannah Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Guidelines to Jannah, Religious Center, Dhaka.
(2)

গভীর সমুদ্র থেকে তুলে নিয়ে আসা ইহকালীন কল্যাণ ও পরকালীন মহা-মুক্তির জোগাড়পত্রে আপনাকে সু-স্বাগতম।

ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে আমাদের পেইজকে Follow দিয়ে রাখুন।

📬 যে-কোনো প্রশ্নের উত্তর জানতে SMS করুন।

এই সমাজে হারাম প্রেমের রাগ ভাঙাতে,মন রক্ষা করার জন্যও শরীর বিলিয়ে দেওয়া লাগে!😥ইজ্জত কি এতই সস্তা?বিয়ের আগে একবার যিনা কর...
02/06/2026

এই সমাজে হারাম প্রেমের রাগ ভাঙাতে,
মন রক্ষা করার জন্যও শরীর বিলিয়ে দেওয়া লাগে!😥

ইজ্জত কি এতই সস্তা?
বিয়ের আগে একবার যিনা করে ফেললে,
সেটার খেসারত কিভাবে দিবা যদি স্বামী/স্ত্রী মাফ না করে?

📌 তওবা করার দ্বারা দ্বীনদারি ফিরে আসে, তাক্বওয়া ফিরে আসে। কিন্তু কুমারীত্ব ফিরে আসেনা। কেউ যদি কাউকে খুন করার পরে তওবা করে, তাহলে তার পাপ আল্লাহ মাফ করে দিতে পারেন, কিন্তু মারা যাওয়া ব্যক্তি আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবেনা। অকুমারি কেউ নিজেকে কুমারী হিসেবে জাহির করে বিয়ে-শাদী করাও জায়েজ নেই। এজন্য সবচেয়ে সহজ সমাধান হলো, যারা জীবনে এ ধরণের পাপ করে পরে তওবা করেছেন, তারা এমন কাউকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেয়া, যে নিজেও পূর্বে ভুল করে পরে তওবা করেছে। একই বিধান ছেলেদের ক্ষেত্রেও।

তবে শয়তানের ধোঁকায় পড়ে হারাম রিলেশন করে ফেলেন; দেখাসাক্ষাৎ, চলাফেরা হয়েছে কিন্তু ইজ্জত/সতীত্ব হারাননি, তবে রবের কাছে খাঁটি তওবা করে মাফ চেয়ে নিয়েন। আর মানুষটা ভালো পেয়ে গেলে এসব বিষয় নিয়ে কখনই আপনাকে খোঁটা দিবে না। বরং সে আপনাকে আগলে রাখবে, ভালোবেসে যাবো ইহ ও পরকাল।

📌 গাইডলাইন’স টু জান্নাহ প্রায় বলে থাকে—
প্রেম-প্রীতি বা বিভিন্ন মোহে পড়ে,
নিজের ইজ্জত বিলিয়ে কোথায় পালাবা জামিল/জামিলা?
স্বামী/স্ত্রী’র তথা বান্দার হক কি আল্লাহ ক্ষমা করতে পারে?

❑ তোমার শরীর শুধু তোমার না, এটা তোমার স্বামী বা স্ত্রী’রও।
তাই, তুমি তোমার দেহ বিলিয়ে দাওনি; বরং তুমি তোমার স্বামী বা স্ত্রী’র হক নষ্ট করেছে! এখন তার হক নষ্ট করার গুনাহ কিভাবে ক্ষমা করাবা!? বান্দার হক তো আর আল্লাহ ক্ষমা করতে পারে না। বান্দার কাছ থেকেই মাফ চেয়ে নিতে হয়।

আমি যদি কাওকে সৎ পরামর্শ দেয়, তাহলে তাকে এটা অবশ্যই বলি—
বেঁচে থাকতে অসংখ্য পাপ কজ হয়ে যাক, কিন্তু প্রেম-ভালোবাসা অতঃপর যিনার মত পাপ কাজ, কখনই যেন না হয়।(প্রেম করিও না। কারণ, হারাম প্রেমের অনুভূতি শুরুতে স্বর্গের স্বাদ অনুভাব করালেও পরে তা নরকীয় বাতাসের স্বাদ গ্রহণ করিয়ে ছাড়ে। আর পরকালে এর শাস্তি তো আছেই)।

❖ সবাই তওবা করার সুযোগ পায় না। পেলেও তা খাঁটি তওবা হয়েছে কিনা, আল্লাহ গুনাহ্ মাফ করেছে কিনা, অনিশ্চয়তাই ভোগে। তাই এর মানসিক অশান্তির বোঝা মৃত্যু পর্যন্ত টেনে নিয়ে যেতে হয়।

❑ বিঃদ্রঃ — আল্লাহ রহমানুর রহিম। বান্দার জন্য তওবার দরজা খোলা রেখেছেন মৃত্যু পর্যন্ত। বান্দার যত বড় গোনাহই হোক না কেন, খাঁটি তওবা করলে আল্লাহ মাফ করে দেন। কারণ, পৃথিবী সমান গোনাহও আল্লাহ রহমতের কাছে ধুলোরও সমান না। তাই নিরাশ হবেন না। আল্লাহ আপনাকে সুযোগ দিয়েছেন এবং ডাকছেনও। তাই এখনই তওবা করে ফিরে আসুন রবের দিকে।

☞ আর বান্দার হক নষ্ট করে থাকলে, তার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিন।

❑ মেয়ে-ছেলে উভয়কেই বলবো—
বিয়ে করার পরে– পূর্বের যেসব গুনাহ হয়ে গিয়েছে, যেসব গোনাহের জন্য তওবা করেছেন, তা স্বামী বা স্ত্রী’কে বলবেন না। এতে সংসারে সন্দেহ, ভুল বোঝাবুঝি, ঝগড়া, অশান্তি সৃষ্টি হতে পারে। তওবা করার পর ইসলাম কখনই অতীত নিয়ে খোঁটা দেয় না। তওবা করেছেন, এখন পরিপূর্ণভাবে আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মেনে চলুন। আপনার রব পরম দয়ালু।

☞ ইসলামিক পেইজ বলতে আপনারা কি বুঝেন?
আমাদের এই পেইজটা একবার হলেও ঘুরে আসবেন এবং ইহ-পরকালের মহা কল্যানের জন্য ফলো দিয়ে রাখবেন।

📌 ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে Guidelines to Jannah কে ফলো দিয়ে রাখুন।👍🌻💛

সদকার নিয়তে পোস্টটি শেয়ার করে দিন।

❑ প্রেমে ছ্যাকা খেয়ে আত্ন*হত্যা করতে চান?❑ কোন মেয়ে যদি খুব বাজে ভাবে ধর্ষিত হওয়ার পর শারীরিক+মানসিক যন্ত্রণায় আত্ম*হত্য...
31/05/2026

❑ প্রেমে ছ্যাকা খেয়ে আত্ন*হত্যা করতে চান?

❑ কোন মেয়ে যদি খুব বাজে ভাবে ধর্ষিত হওয়ার পর শারীরিক+মানসিক যন্ত্রণায় আত্ম*হত্যা করে ফেলে, তাও কি তার কবরের আজাব+জাহান্নাম ভুগতে হবে?

📌 গাইডলাইন’স টু জান্নাহ আফসোস করে বলে—
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
❝অধিকার কেনা যায়!❞
মিষ্টি-মিষ্টি কথা, টাকা, উপহার, দামি খাবার ইত্যাদি দিয়ে অনায়াসেই নারীর শরীরে হাত দেওয়ার ❛অধিকার কেনা যায়।❜ — “আফসোস!”

বিষয়টা এমন হয়েছে, ‘আমি তাকে খাওয়ায়, তাকে খাওয়ার জন্য।’

এ সমাজে হারাম প্রেম সহজ, বিয়ে মারাত্মক কঠিন!
আপনার সন্তানের খবর নিন, সঠিক সময়ে সন্তানের বিয়ে দিয়ে দিন।

মানুষকে মানুষের আইন দিয়ে কখনই কন্ট্রোল করা সম্ভব না।
যিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন, তার আইন লাগবে– ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনা করতে। এসব পাপের পাপীদের শা*স্তি পাথর ছুড়ে মৃ*ত্যু*দণ্ড।

💘 রিলেশনঃ
▬▬▬▬▬▬☞
এই রিলেশন কতই না ভয়াবহ্!
‘হারাম রিলেশন’ পবিত্র বন্ধুত্বের সম্পর্কগুলোকে নষ্ট করে দেয়।
পরিবার, আত্নীয় এমনকি আল্লাহ ও বান্দার মাঝের সকল সম্পর্কের ছেদ ঘটায়।

বর্তমান তরুন-তরুনী, যুবক-যুবতী সবচেয়ে বড় যে ভুলটা করে- আবেগের বসে ভুল মানুষদের বিশ্বাস করে। জানে না তার/তাদের অতীত, জানে না ফ্যামেলি হিস্ট্রি! উপর উপর যা দেখে এবং দেখায়, তাতেই বিশ্বাস, বন্ধুত্ব ইত্যাদি। বাস্তবতার বয়সে আবেগে চলে; অতঃপর বড় সময়ের কান্নার ঘানি, আফসোস!

আমার এই দু’চক্ষু আবেগের বসবতী কিছু প্রিয় মানুষদের দেখেছে— বি*ষ/গলায় দ*ড়ির মত আত্ন*হ*ত্যা, পিতামাতা-সন্তানের ঝগড়া, ফ্যামেলি-আত্নীয়, প্রতিবেশীর কাছে মানসম্মান ধুলিস্যাৎ, বাবা-মায়ের সমাজের কাছে চুনকালি, কালারিং, সারাজীবনের কান্না, ছেলে-মেয়ের জীবনসহ এজগৎ-পরজগৎও বরবাদ!

💫 মজার ব্যাপার হলেঃ
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
“আমার বোনকে আমি রিলেশন করতে দিচ্ছি না। বেকার ছেলের সাথে বিয়েও দিচ্ছি না। অথচ আমি ঠিকই অন্যের বোনের সাথে রিলেশন করছি। বেকার অবস্থায় তাকে বিয়ে করতে চাচ্ছি, পালিয়ে যেতে চাচ্ছি!”

বোন মনে রাখবেন—
“মৌমাছি ঘুরে বেড়ায় ফুলে বসে মধু খাওয়ার জন্য। সে কখনই হুদাই উড়ে বেড়ায় না। বহু দূর পর্যন্ত উড়ে, শুধু মাত্র ফুলে বসে মধু খাওয়ার জন্য। ফুলের মধু খাওয়া শেষ হলে ঠিকই সে উড়ে যায়, তাকে আটকে রাখা যায় না।”

এই ভয়াবহ রিলেশনের জন্য কত যুবক/যুবতী বিয়ে করতে ভয় পায়। ভয়ে থাকে, কে না জানি আমার জীবনে আসে! সে কি রিলেশন করতো! রিলেশনে অন্য কোনো কিছু করেছি কিনা? তারা এটা চিন্তা করতে করতেই ট্রমার মধ্যে চলে যায়। রবের শরণাপন্ন হয়। তাঁর কাছে কান্না করে উত্তম জীবনসঙ্গী ও সঙ্গিনী চায়।

বর্তমান সময়ে রিলেশন মানে ফিজিক্যাল। ফিজিক্যাল হওয়া এখন তো অন-টু এর ব্যাপার। আল্লাহ আমাদের সকল বোন ও ভাইদের হেফাজত করুক, আমিন।

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

📬 উত্তরঃ হ্যাঁ, এমন কাজ আত্মহ*ত্যার অন্তর্ভুক্তই হবে। তাই এ পথে অগ্রসর হওয়া জায়েয নয়। আত্ম*হ*ত্যা ইসলামে গুরুতর গুনাহ।

তবে এটাও মনে রাখতে হবে, ধর্ষণের শিকার নারী কোনো অপরাধী নয়; বরং সে মাজলুম। তার উপর যে জুলুম, অপমান ও মানসিক যন্ত্রণা নেমে আসে, তা অত্যন্ত ভয়াবহ। তাই তাকে ঘৃণা বা দোষারোপ নয়; বরং সহানুভূতি, সহযোগিতা ও দোয়া করা উচিত।

এ অবস্থায় করণীয় হলো—ধৈর্য ধারণ করা, আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া, বিশ্বস্ত মানুষদের সহযোগিতা নেওয়া এবং অপরাধীদের যথাযথ শাস্তির ব্যবস্থা করার চেষ্টা করা।

আল্লাহ তা’আলা মাজলুমের আর্তনাদ অবশ্যই শোনেন।

📌 কবরের আজাব ও জাহান্নাম পরিণতি কী হবে সেটা আল্লাহর ইখতিয়ার। কিন্তু কুরআন ও হাদিসে বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি অত্যাচারিত হয়ে পাগলপ্রায় বা অজ্ঞান হয়ে যায় (মানসিকভাবে সম্পূর্ণ সচেতন না থাকে), তার ওপর কিছু দায়িত্ব নেই। আর ধর্ষণের মতো ভয়াবহ ট্রমা কখনো কখনো মানুষকে মানসিকভাবে অসুস্থ করে ফেলে। আল্লাহ বলেন: “আল্লাহ কাউকে তার সামর্থ্যের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেন না” (সূরা বাকারাহ, ২৮৬)।

📌 মনে রাখবেন—
ধর্ষিতা মেয়ে যদি বিশ্বাসী হয় এবং ধর্ষণের আগ পর্যন্ত নামাজ-রোজা ইত্যাদি পালন করতো, তাহলে তার ভালো আমলগুলো বাতিল হয়নি। আর ধর্ষণের ফলে তার যে মানসিক বিপর্যয়—তা ইসলামী আইনে “উজর” (অজুহাত) হিসেবে গণ্য হতে পারে। অনেক আলেম বলেন, এই অবস্থায় আত্ম*হত্যা করলেও সেটা সাধারণ আত্ম*হত্যার মতো গণ্য হবে না, বরং আল্লাহ তার নেক আমল ও কষ্টের ভিত্তিতে ক্ষমা করে দিতে পারেন(আল্লাহর ইখতিয়ার)।

📬 হারাম রিলেশন ছ্যাকা—
আর যদি কেউ হারাম রিলেশন করে ছ্যাকা খেয়ে ট্রমাতে যেয়ে আত্ম*হত্যা করে, তাহলে সেটা ১০০% আত্ম*হত্যা। যার পরিণতি আজাব ও ভয়াবহ জাহান্নাম। তার যাবতীয় সবকিছু বরবাদ হয়ে যাবে।

প্রিয় ভাই/বোন! ইসলামে সবকিছুরই সমাধান আছে।
তাই কখনই শয়তাদের ধোঁকায় পড়ে উল্টাপাল্টা সিদ্ধান্ত নিবেন না। আল্লাহ বলেছেন, নিশ্চয়ই কষ্টের পরে রয়েছে স্বস্তি। আর বান্দা যদি খাঁটি তওবা করে রবের দিকে ফিরে আসে, তাহলে রাব্বে কারিম তার পূর্বের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেন।

ইসলাম এতটাই সুন্দর যে,
মানুষ পাপ করার পর তওবা করে ফিরে আসলে, ইসলাম কখনই পূর্বের গুনাহ নিয়ে খোঁটা দেয় না।

💌 ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে Guidelines to Jannah কে ফলো দিয়ে রাখুন।👍🌻💛

📪 প্রশ্ন : কোনো অবস্থায় কি আত্ম*হ*ত্যা জায়েজ নেই?📬 উত্তর : প্রিয় ভাই/বোন! কেন আপনি এই হারাম কাজটি করতে চাচ্ছেন? যার পর...
26/05/2026

📪 প্রশ্ন : কোনো অবস্থায় কি আত্ম*হ*ত্যা জায়েজ নেই?

📬 উত্তর : প্রিয় ভাই/বোন! কেন আপনি এই হারাম কাজটি করতে চাচ্ছেন? যার পরিণতি ভয়াবহ জাহান্নাম।
এই দুনিয়ায় আপনাকে কেউ ভালো না বাসলে আল্লাহ তা’য়ালা তো আপনাকে অনেক ভালোবাসেন।

আত্মহত্যা তো দূরের কথা আল্লাহ তা’য়ালা চান না আপনি আপনার শরীরের একটা অঙ্গতেও আঘাত করেন, আল্লাহ তা’য়ালা এতে অনেক রাগান্বিত হন। কারণ, আল্লাহ তা’য়ালা আপনাকে অনেক ভালোবাসেন।

কখনো অন্য কেউ আপনাকে আঘাত করলে আল্লাহ তা’য়ালা আপনার গুনাহ গুলোকে ধুয়ে মুছে দেন এবং পরকালে জান্নাত ফিক্সড করে রাখেন। যে আপনাকে আঘাত করেছে আল্লাহ তা’য়ালা তার বিচার করেন, সেটা অনেক সময় দুনিয়াতেই হয়ে যায় আবার পরকালেও।

অতএব কারো জন্য না হলেও আপনি আল্লাহ তা’য়ালার জন্যই বেঁচে থাকেন। তিনিই আপনার জন্য দুনিয়া ও আখেরাতের সঙ্গী হবেন ইংশাআল্লাহ।

❑ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা বলেন—
وَاِذَا سَاَلَکَ عِبَادِیۡ عَنِّیۡ فَاِنِّیۡ قَرِیۡبٌ ؕ اُجِیۡبُ دَعۡوَۃَ الدَّاعِ اِذَا دَعَانِ ۙ فَلۡیَسۡتَجِیۡبُوۡا لِیۡ وَلۡیُؤۡمِنُوۡا بِیۡ لَعَلَّہُمۡ یَرۡشُدُوۡنَ

(হে নবী!) আমার বান্দাগণ যখন আপনার কাছে আমার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে, তখন (আপনি তাদেরকে বলুন যে,) আমি এত নিকটবর্তী যে, কেউ যখন আমাকে ডাকে, আমি তার ডাক শুনি।
সুতরাং তারাও আমার কথা অন্তর দিয়ে গ্রহণ করুক এবং আমার প্রতি ঈমান আনুক, যাতে তারা সঠিক পথে এসে যায়। (আল বাকারা - ১৮৬)

❑ রাসূল (ﷺ) বলেছেন—
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَا يُصِيبُ الْمُسْلِمَ مِنْ نَصَبٍ وَلاَ وَصَبٍ وَلاَ هَمٍّ وَلاَ حُزْنٍ وَلاَ أَذًى وَلاَ غَمٍّ حَتَّى الشَّوْكَةِ يُشَاكُهَا، إِلاَّ كَفَّرَ اللَّهُ بِهَا مِنْ خَطَايَاهُ ".

আবু সা‘ঈদ খুদরী ও আবু হুরায়রা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী করীম (ﷺ) বলেছেনঃ মুসলিম ব্যক্তির উপর যে সকল যাতনা, রোগ-ব্যাধি, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, দুশ্চিন্তা, কষ্ট ও পেরেশানী আপতিত হয়, এমন কি যে কাটা তার দেহে বিদ্ধ হয়, এ সবের দ্বারা আল্লাহ তার গুনাহ সমুহ ক্ষমা করে দেন।

❑ হাদীসের ব্যাখ্যা:
▬▬▬▬▬▬▬▬☞
এ হাদীছ দ্বারা বোঝা যায় মু'মিন ব্যক্তির কোনো কিছুই বৃথা যায় না। সে যে কোনো দুঃখ-কষ্ট ও বালা-মসিবতে পড়ে, তাতেও পুরস্কৃত হয়। গুনাহ মাফ হয়। সে হিসেবে দুঃখ-কষ্ট তার পক্ষে এক নি'আমত ও রহমত। অবশ্য এটা নি'আমত হবে তখনই, যখন বান্দা তাতে সবর অবলম্বন করবে। সবর না করলে কষ্টের কষ্টও হল, আবার লাভও কিছু হল না। সবর না করলে কষ্ট লাঘব হবে এমন তো নয়। সুতরাং বুদ্ধিমত্তার পরিচায়ক হবে যে-কোনও কষ্ট-ক্লেশে অধৈর্য না হয়ে সবর অবলম্বন করা। তাতে কষ্ট হলেও সেই কষ্ট বৃথা যায় না। বরং পাপের বোঝা হালকা হয়। এমনকি সবর দ্বারা কষ্টও লাঘব হয়। অন্তরে যখন পুরস্কারের আশা থাকে, তখন কষ্ট বরদাশত করা সহজ হয়।

— উত্তর দিয়েছেন : ফরিদ বিন মজিদ

💫 “গাইডলাইন’স টু জান্নাহ” এর নসিহা হলো—
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
আত্মহত্যার ইচ্ছা জাগলে— ৪টা কাজ অবশ্যই করা উচিত।
১ম কাজ— হাসপাতাল পরিদর্শন করা।

২য় কাজ— আত্মহত্যার পরিণাম জাহান্নাম। অতঃপর জাহান্নামের ভয়ানক আজাব-গজব সম্পর্কে জানা ও অনুধাবন করা।

৩য় কাজ— ইসলামে কত কঠিন পাপ কাজ, যেমন— জিনা-ব্যভিচার, খুনসহ বড় বড় গুনাহ করার পরও মানুষ সম্পূর্ণ ক্ষমা পায়! সেই গফুরুর রহিম মহান আল্লাহর মহত্ত্ব সম্পর্কে জানা।

৪র্থ কাজ— আত্মহত্যার পরিবর্তে সৎপরামর্শ দেওয়ার মতো কোনো বন্ধু-বান্ধবী অথবা কাছের মানুষের সাথে বসে এক কাপ চা খাওয়া। কারণ, ১কাপ চা'য়ে ভাবার জন্য এক জীবন সময় পাওয়া যায়।

মানুষ মরতে চায়, বাঁচার জন্য!
অথচ! মানুষের উচিত, মরার জন্য বেঁচে থাকা।

📌 ডিপ্রেশনে যদি কখনো শয়তানের ধোঁকায় পড়ে আত্নহত্যার ইচ্ছা জাগে, তাহলে “গাইডলাইন’স টু জান্নাহ” এর সাথে ১ কাপ চা খেতে আইসেন।

📌 ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে Guidelines to Jannah কে ফলো দিয়ে রাখুন।👍🌻💛

স্বামী বা স্ত্রীর কাছে ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামের পাসওয়ার্ড দিতে চায় না, ইনবক্স দেখতে দিতে চায় না অনেকেই।‌ কেউ কেউ এক ধা...
24/05/2026

স্বামী বা স্ত্রীর কাছে ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রামের পাসওয়ার্ড দিতে চায় না, ইনবক্স দেখতে দিতে চায় না অনেকেই।‌ কেউ কেউ এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে ফোনও ধরতে দিতে চায় না। এটা নাকি প্রাইভেসির লঙ্ঘন। আবার অনেক সময় স্বামী বা স্ত্রী পাসওয়ার্ড চাইলে বা ইনবক্স দেখতে চাইলেই তেজ দেখিয়ে বলে, “তুমি কি আমাকে সন্দেহ করো? ছোটলোকি করো কেন?” ঝগড়ার সূত্রপাত ঘটে তখন।

কিন্তু আমার কথা হচ্ছে এইটা কোন দিক থেকে ছোটলোকি? আপনি কি করতেছেন না করতেছেন এইটা আপনার পার্টনার জানতে পারবে না? রাতে যার সামনে বস্ত্রমুক্ত হচ্ছেন, একসাথে ঘুমাচ্ছেন, তার সঙ্গে আবার প্রাইভেসি কোত্থেকে আসে? তার সঙ্গে তো আপনার সম্পর্ক থাকবে খোলা বইয়ের মতো। কিসের আবার প্রাইভেসি?

যারা এই ধরনের প্রাইভেসি চায়, তারা আসলে ঝামেলা যুক্ত। এদের ফেসবুকে, ইন্সটাগ্রামে বিভিন্নজনের সঙ্গে রসালো সম্পর্ক থাকার সম্ভাবনা ৯৫%। আর নয়তো ফেসবুক ইন্সটাগ্রামের পাসওয়ার্ড দিতে এতো তাল বাহানার প্রশ্নই আসে না। তাই আপনার পার্টনার যদি পাসওয়ার্ড দিতে তাল বাহানা করে তবে সতর্ক হোন। ডাল মে কুচ কালা হ্যায়!

একজনের আরেকজনের উপর পূর্ণ অধিকার আছে, থাকবেও। কারণ, এটা সবচেয়ে সুন্দর পবিত্র বন্ধন।

স্বামী-স্ত্রীর সবকিছু উন্মুক্ত থাকবে দু’জনের কাছে। তা না হলে তারা কিসের স্বামী-স্ত্রী হলো। যাদের সম্পর্ক জান্নাতের, সে পবিত্র সম্পর্কের মধ্যে বিন্দু মাত্র সন্দেহ কিসের!

গাইডলাইন’স টু জান্নাহ বলে—
বৈবাহিক জীবনে পারস্পরিক এই সম্মতি দিয়ে রাখা উচিত নিজেদের ভালোর জন্যই। তবে ২-১টি ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। সেটা হলো স্বামীর ছেলেবন্ধুদের স্ত্রী দেখুক তা স্বামী চায়না, অথবা স্ত্রী তার নিজের মেয়ে বান্ধবীদের ছবি ও কথোপকথন স্বামী দেখুক তা চায়না, এক্ষেত্রে তারা পরস্পর সাবধানতা অবলম্বন করবে।

— পরিমার্জিত শেখ জায়েদ হোসেন সাদ

📌 ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে Guidelines to Jannah কে ফলো দিয়ে রাখুন।👍🌻💛

বিয়ের জন্য একটা ভালো মানুষ খুঁজে নিয়েন।অর্থ-বিত্ত কম হোক, কিন্তু মানুষটা যেন ভালো হয়।বোন! ইসলামিক মাইন্ড, নম্র-ভদ্র, মিশ...
22/05/2026

বিয়ের জন্য একটা ভালো মানুষ খুঁজে নিয়েন।
অর্থ-বিত্ত কম হোক, কিন্তু মানুষটা যেন ভালো হয়।

বোন! ইসলামিক মাইন্ড, নম্র-ভদ্র, মিশুক স্বভাবের ছেলে পেয়ে গেলে জীবন জান্নাত হয়ে যাবে।
আপনাকে বুঝবে; ভালোবাসা, কেয়ারের অভাব হবে না ইংশাআল্লাহ্।

ভাই! ইসলামিক মাইন্ড, নম্র-ভদ্র, সাংসারিক ও অল্পে তুষ্ট থাকা মেয়ে পেয়ে গেলে, এ দুনিয়ায় সর্ব-সুখ আপনি ঘরে পেয়ে যাবেন ইংশাআল্লাহ্।

সাবধান! তথাকথিত ভালোবেসে(যিনা করে) বিয়ে করবেন না।
হারাম ভালোবাসাতে কখনই ঢুকবেন না। দুনিয়া ও আখেরাতের জন্য যদি সবচেয়ে বড় ভুল করেন/করবেন, তাহলে সেটা হারাম ভালোবাসাতে জড়িয়ে।
আমাদের এই বয়সের আবেগের সিদ্ধান্ত অধিকাংশই ভুল। আসলে আমরা সেটাই দেখি, সেটা অপর পিঠের মানুষ আমাদের দেখায়।

মনে রাখবেন,
হারাম প্রেমে ক্ষণিকের জন্য স্বর্গীয় সুখ অনুভূত হলেও, পরে ১০০% তা নরকীয় বাতাসে রূপ নিবে, নিবে, নিবেই।
আলেমগণ বলে থাকেন— হারাম প্রেম করে বিয়ে করলে আল্লাহ সাংসারিক বরকত উঠিয়ে নেন।

আর যেখানে রবের বরকত নেই, যেখানে বাবা-মা রাজি না(এক প্রকার ফোর্স করে রাজি করাতে হয়); সেই মানুষ এবং তার সাথের সংসারে রহমত-বরকত আশা করা বোকামি।

📌 বিয়ের আগে ছেলে/মেয়ে সম্পর্কে ভালোভাবে খোঁজ নিয়েন।
💌 মেয়ের যে-সব বিষয় সম্পর্কে অবগত হবেন:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
১। লেবাসধারী পর্দাশীল কিনা,
২। বেনামাজি কিনা,
৩। ঝগড়াটে কিনা,
৪। অধিক মেজাজী কিনা,
৫। অল্পতে সন্তুষ্ট কিনা,
৬। সাংসারিক কিনা।
৭। ছেলের গ্রাম, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় যেয়ে খোঁজ নিবেন, কেমন মেয়ে।

💌 ছেলের যে-সব বিষয় সম্পর্কে অবগত হবেন:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
১। লেবাসধারী হুজুর কিনা(লেবাসধারী হুজররা বউকে ভয়ানক অত্যাচার করে, আমার ইনবক্সে অসংখ্য ঘটনা এভেলেবেল)।
২। বেনামাজি কিনা,
৩। অধিক রাগি,
৪। মিশুক কিনা,
৫। অল্পতে সন্তুষ্ট কিনা,
৬। পরিবারের সাথে সমতা বজায় রাখতে পারবে কিনা,
৭। বিড়ি-সিগারেট ও নেশা করে কিনা,
৮। জুয়া খেলে কিনা(বর্তমান এটা ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে)।
৯। তার বন্ধুরা কেমন(কাদের সাথে মেশে)।
১০। হালাল ইনকাম করে কিনা(সেটা অল্প হলেও)।
১১। ছেলের গ্রাম, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় যেয়ে খোঁজ নিবেন, কেমন ছেলে।

🌻 গাইডলাইন’স টু জান্নাহ্ বলে—
বিয়ের পর স্বামী বা স্ত্রী কেউ একজন খারাপ হলে জীবনটা নরক হয়ে যায়। একজনের সেক্রিফাইস করতে করতে জীবনের দেওয়ালে যেন পিঠ ঠেকে যায়। এক পর্যায়ে বাবা-মা, আত্মীয়-স্বজনের সাথেও সম্পর্ক খারাপ হয়ে যায়। অতঃপর ইহ ও পরকালে ধ্বংস নামে। সুতরাং জীবনসঙ্গী ও জীবনসঙ্গিনী চুজ করার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ খোঁজ-খবর, যাচাই-বাছাই করে নিবেন।

💌 ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে Guidelines to Jannah কে ফলো দিয়ে রাখুন।👍🌻💛

✍️ গাইডলাইন’স টু জান্নাহ্

❑ খাঁটি তওবা করার নিয়ম—• হারাম প্রেম করে অনুতপ্ত?• আল্লাহর নাফরমানি করে-• পাহাড় সমান গোনাহ করে ফেলেছেন?• এখন কি আল্লাহর ...
21/05/2026

❑ খাঁটি তওবা করার নিয়ম—

• হারাম প্রেম করে অনুতপ্ত?
• আল্লাহর নাফরমানি করে-
• পাহাড় সমান গোনাহ করে ফেলেছেন?
• এখন কি আল্লাহর দিকে ফিরতে চান?
• তাহলে–আসুন তওবা করে আল্লাহর পথে ফিরি...
——————————————————•

❑ শুরুতে জানি– তওবা কাকে বলে :
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
তওবা হলো– সকল পাপের জন্য অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর কাছে ফিরে আসা বা প্রত্যাবর্তন করা। এটি হলো অতীতের পাপ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়ে, ভবিষ্যতে নেক কাজ করার দৃঢ় সংকল্প করা এবং আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা।

অর্থাৎ দেহ এবং আত্নার সকল প্রকার গুনাহ থেকে ফিরে থাকার নাম তওবা।

✴️ বান্দার সাথে বান্দার সম্পর্কিত গুনাহের তওবা—
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
আপনি যদি কোনো মানুষের হক নষ্ট করে থাকেন! তাহলে তার কাছে মাফ না চেয়ে হাজার-কোটি বার তওবা করলেও কাজ হবে না। বরং তার হক আদায় করে বা মাফ চেয়ে দায়মুক্ত হতে হবে। অতঃপর আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি ও অনুতাপের অশ্রু ফেলে তওবা করতে হবে।

আর হকদার মারা গেলে, ওয়ারিশদেরকে তার হক আদায় করে দিতে হবে। মনে রাখবেন, বান্দার হকের ব্যাপারে কোনো ছাড় নেই। আল্লাহর হকের ব্যাপারে আল্লাহ চাইলেই যে কোনো ক্ষুদ্র নেক আমলের পরিবর্তে আপনার সকল গুনাহ ক্ষমা করে দিতে পারেন। কিন্তু বান্দার হক নষ্ট করে, তা আদায় না করলে- কেয়ামতের দিন দেখা গেল ছোট থেকে ছোট হক নষ্ট করার কারণে, আপনার জীবনে করা সকল সওয়াব তাকে দিয়ে দিতে হচ্ছে।

❑ আমরা যেভাবে মানুষের হক নষ্ট করি:
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
আমরা যুবকরা যে হক প্রায়ই নষ্ট করি, তা হলো—
বাস এবং ট্রেনে উঠে টাকা দেয় না।(মিথ্যা বলা)।

▪️অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে—
•—————————•
১) চুরি, ডাকাতি, প্রতারণা—অন্য মানুষের সম্পদ জবরদখল বা জোরপূর্বক নেওয়া।
২) ঘুষ বা দুর্নীতি—অসৎ উপায়ে অর্থ বা সুযোগ আদায় করা।
৩) মজুরি না দেওয়া—শ্রমিকের উপযুক্ত মজুরি বা পারিশ্রমিক না দেওয়া।
৪) জমি বা সম্পদ দখল—অন্যের জমি বা সম্পদ অবৈধভাবে দখল করা।

▪️শারীরিক ও মানসিক ক্ষতি—
•————————————•
১) শারীরিক নির্যাতন—মারধর, আহত করা বা শারীরিক ক্ষতি সাধন।
২) মানসিক নির্যাতন—অপমান, ভয় দেখানো, বা মানসিকভাবে আঘাত দেওয়া।
৩) অপবাদ দেওয়া—মিথ্যা কথা বলে বা গিবত করে কারো সম্মান নষ্ট করা।

▪️সামাজিক ও পারিবারিক অধিকার—
•———————————————•
১) পরিবারের অধিকার অপূর্ণ রাখা—সন্তানের প্রতি দায়িত্ব, পিতামাতার সাথে সদাচরণ না করা।
২) প্রতিবেশীর হক নষ্ট করা—তাদের কষ্ট দেওয়া, প্রয়োজনে সাহায্য না করা।
৩) সম্পর্ক ছিন্ন করা—আত্মীয়স্বজনের সাথে সম্পর্ক বজায় না রাখা।

▪️কর্মক্ষেত্রে—
•———————•
১) অন্যায়ভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা।
২) কর্মীদের সাথে খারাপ আচরণ বা তাদের প্রাপ্য সুযোগসুবিধা না দেওয়া।
৩) পদোন্নতি বা সম্মান থেকে বঞ্চিত করা।

▪️শিক্ষা ও জ্ঞানগত ক্ষেত্রে—
•————————————•
১) শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা।
২) মেধা বা কৃতিত্ব চুরি করা।
৩) জ্ঞান গোপন করা যখন তা অন্যকে সাহায্য করতে পারে।

▪️আইনগত ও ন্যায়বিচার সংক্রান্ত—
•——————————————•
১) মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া।
২) কাউকে অবৈদ্ধভাবে আটকানো বা শাস্তি দেওয়া।
৩) ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করা।

▪️ধর্মীয় ও নৈতিক অধিকার—
•————————————•
১) ধর্মীয় স্বাধীনতায় বাধা দেওয়া।
২) অন্যকে ধর্ম পালনে বাধা দেওয়া বা উপহাস করা।

▪️পরিবেশ ও সম্পদ—
•——————————•
১) প্রাকৃতিক সম্পদের অপচয় বা দূষণ যা মানুষের বসবাসের পরিবেশ নষ্ট করে।
২) সাধারণ সম্পদ (পানি, বায়ু) দূষিত করা।

▪️ইসলামী দৃষ্টিকোণ—
•——————————•
☞ ইসলামে প্রতিটি মানুষের হক বা অধিকার গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ্ কুরআনে বলেছেন,
وَلا تَبْخَسُوا النَّاسَ أَشْيَاءَهُمْ
“আর মানুষের জিনিসপত্র কম দিয়ো না।”
— (সূরা আল-আ‘রাফ, ৭:৮৫)

☞ রাসূল (সা.) বলেছেন:
“তোমার ভাইয়ের প্রতি যুলুম করো না” এবং “প্রতিটি মুসলিমের জীবন, সম্পদ ও সম্মান অন্যজনের জন্য হারাম।”

বান্দার যখন গোনাহ হয়ে যায়, তখন তার কর্তব্য হলো– আল্লাহর কাছে তওবা-ইস্তিগফার করা।

✴️ বান্দার সাথে আল্লাহর সম্পর্কিত গুনাহের তওবা:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
আল্লাহর হক সম্পর্কিত গুনাহ হলে ৪টি কাজ করতে হবে। তাহলেই তওবা পূর্ণাঙ্গ হবে।
১. গোনাহ ছেড়ে দেওয়া।
২. লজ্জিত ও অনুতপ্ত হওয়া। আল্লাহর কাছে এজন্য ক্ষমাপ্রার্থী হওয়া এবং কান্নাকাটি করা।
৩. ভবিষ্যতে এই ধরনের গোনাহ না করার দৃঢ় সংকল্প করা।
৪. কোনো ফরয-ওয়াজিব ছুটে গিয়ে থাকলে মাসআলা অনুযায়ী তার কাযা-কাফফারা আদায় করা।

উপরোক্ত চারটি শর্তে তওবা করলে তা কবুল হবেই ইংশাআল্লাহ।

❑ তওবা করার জন্য অযু জরুরী না। তবে অযু করলে মন ফ্রেশ থাকে, হৃদয় শান্তি অনুভব হয়। অতঃপর তওবার নামাজও পড়তে পারেন।

☞ হে ভাই/বোন! তওবা করার সৌভাগ্য সবার কপালে জোটে না। যাবতীয় হারাম সম্পর্ক ত্যাগ করে আমরা আজ, এখনই তওবা করে রবের কাছে ফিরে আসি।

❑ আমরা যেভাবে আল্লাহর হক নষ্ট করি:
➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖➖
▪️ইবাদত ও আনুগত্য সংক্রান্ত হক নষ্ট করা—
•——————————————————•
এটি হলো আল্লাহর দেওয়া ফরজ কাজগুলো ঠিকমতো না করা।

১) সালাত তরক করা—ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজ না পড়া, সময়মতো না পড়া, বা এর নিয়ম-কানুন ঠিকমতো না মানা।

২)রোজা না রাখা—শরীয়তসম্মত কারণ ছাড়া রমজানের ফরজ রোজা না রাখা।

৩) যাকাত না দেওয়া—যাদের উপর যাকাত ফরজ তারা তা না দেওয়া। এটা গরীবদের হকের পাশাপাশি আল্লাহর হকও বটে।

৪) হজ না করা—সামর্থ্য থাকার পরও জীবনে একবারও ফরজ হজ আদায় না করা।

৫) কুরআন তিলাওয়াত থেকে বিরত থাকা—আল্লাহর কালাম পড়া, শেখা ও বোঝা থেকে দূরে থাকা।

৬) দু’আ ও যিকর থেকে গাফেল থাকা—আল্লাহকে স্মরণ না করা এবং তাঁর কাছে কিছু না চাওয়া।

৭) আল্লাহর শুকরিয়া না করা—তিনি যে অগণিত নেয়ামত দিয়েছেন, সেজন্য কৃতজ্ঞতা না প্রকাশ করা।

▪️নিষিদ্ধ কাজ ও গুনাহ সংক্রান্ত হক নষ্ট করা—
•——————————————————•
এটি হলো আল্লাহ যে কাজগুলো করতে সম্পূর্ণ নিষেধ করেছেন, সেগুলো করা।

১) শিরক করা—আল্লাহর সাথে কাউকে শরিক করা। এটি সবচেয়ে বড় জুলুম ও আল্লাহর হকের উপর সবচেয়ে বড় আঘাত।

২) অহঙ্কার করা —নিজেকে বড় মনে করা এবং আল্লাহর আদেশ-নিষেধকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা।

৩) আল্লাহর আয়াত ও বিধান নিয়ে ঠাট্টা-তামাশা করা।
৪) জাদু বা যাদুবিদ্যা চর্চা করা।
৫) অন্যায়ভাবে মানুষ হত্যা করা।
৬) যিনা-ব্যভিচার করা।
৭) সুদ খাওয়া ও সুদের লেনদেন করা।
৮) অন্যের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভক্ষণ করা (চুরি, ছিনতাই, ঘুষ ইত্যাদি)।
৯) মাতা-পিতার অবাধ্য হওয়া।
১০) আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করা।
১১) মিথ্যা কথা ও মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া।
১২) অন্যের গিবত (পেছনে সমালোচনা) ও চোগলখুরি করা।
১৩) অশ্লীলতা ও বেহায়াপনা প্রকাশ্যে ছড়িয়ে দেওয়া।
১৪) অহংকার করা।
১৫) হিংসা করা।
১৬) অন্তরে অন্তরে শত্রুতা করা।
১৭) লোভ-লালসা করা।
১৮) গুরুর বা ধোঁকার মধ্যে থাকা।
১৯) লোক দেখানো ইবাদত করা।
২০) আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হওয়া—গুনাহ করেও এটা মনে করা যে আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করবেন না।
২১) আল্লাহর আযাব থেকে নিরাপদ বোধ করা—এটা মনে করা যে, আমি যত গুনাহই করি না কেন, আল্লাহ আমাকে শাস্তি দেবেন না।

❑ আল্লাহ গুনাহকারীদের সুসংবাদ দিয়ে বলেছেন—
•———————————————————•
[إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ التَّوَّابِينَ وَيُحِبُّ الْمُتَطَهِّرِينَ [٢:٢٢٢
নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারী এবং অপবিত্রতা থেকে যারা বেঁচে থাকে তাদেরকে পছন্দ করেন। [বাকারা-২২২]

إِنَّمَا التَّوْبَةُ عَلَى اللَّهِ لِلَّذِينَ يَعْمَلُونَ السُّوءَ بِجَهَالَةٍ ثُمَّ يَتُوبُونَ مِنْ قَرِيبٍ فَأُولَٰئِكَ يَتُوبُ اللَّهُ عَلَيْهِمْ ۗ وَكَانَ اللَّهُ عَلِيمًا حَكِيمًا [٤:١٧] وَلَيْسَتِ التَّوْبَةُ لِلَّذِينَ يَعْمَلُونَ السَّيِّئَاتِ حَتَّىٰ إِذَا حَضَرَ أَحَدَهُمُ الْمَوْتُ قَالَ إِنِّي تُبْتُ الْآنَ وَلَا الَّذِينَ يَمُوتُونَ وَهُمْ كُفَّارٌ ۚ أُولَٰئِكَ أَعْتَدْنَا لَهُمْ عَذَابًا أَلِيمًا [٤:١٨

অবশ্যই আল্লাহ তাদের তওবা কবুল করবেন, যারা ভূলবশতঃ মন্দ কাজ করে, অতঃপর অনতিবিলম্বে তওবা করে; এরাই হল সেসব লোক যাদেরকে আল্লাহ ক্ষমা করে দেন। আল্লাহ মহাজ্ঞানী,রহস্যবিদ। আর এমন লোকদের জন্য কোন ক্ষমা নেই, যারা মন্দ কাজ করতেই থাকে, এমন কি যখন তাদের কারো মাথার উপর মৃত্যু উপস্থিত হয়, তখন বলতে থাকেঃ আমি এখন তওবা করছি। আর তওবা নেই তাদের জন্য, যারা কুফরী অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে। আমি তাদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছি। [সূরা নিসা-১৭-১৮]

وَإِنِّي لَغَفَّارٌ لِّمَن تَابَ وَآمَنَ وَعَمِلَ صَالِحًا ثُمَّ اهْتَدَىٰ [٢٠:٨٢]
আর যে তওবা করে, ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে অতঃপর সৎপথে অটল থাকে, আমি তার প্রতি অবশ্যই ক্ষমাশীল। [সূরা ত্বহা-৮২]

রাসূল ﷺ বলেন—
হযরত উবাদা বিন আব্দুল্লাহ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ

التَّائِبُ مِنَ الذَّنْبِ، كَمَنْ لَا ذَنْبَ لَهُ
গোনাহ থেকে তওবাকারী এমন, যেন সে গোনাহ করেইনি। [সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-৪২৫০]

হযরত আয়শা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন,
فَإِنَّ العَبْدَ إِذَا اعْتَرَفَ ثُمَّ تَابَ، تَابَ اللَّهُ عَلَيْهِ

বান্দা গোনাহ স্বীকার করে মাফ চাইলে আল্লাহ পাক তা কবুল করেন। [সহীহ বুখারী, হাদীস নং-৪১৪১]

عَنْ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَا أَصَرَّ مَنِ اسْتَغْفَرَ، وَإِنْ عَادَ فِي الْيَوْمِ سَبْعِينَ مَرَّةٍ
হযরত আবু বকর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, যদি কেউ ক্ষমা প্রার্থনা করে, তবে সে দৈনিক সত্তর বার গোনাহ করলেও সে যেন আসলে গোনাহই করেনি। [সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং-১৫১৪]

☞ আল্লাহর দরবারে রোনাজারি ও ক্ষমাপ্রার্থনা নিজের ভাষায়ও করা যায়। তেমনি হাদীস শরীফে তাওবা-ইস্তিগফারের যে দু’আগুলো আছে সেগুলো পড়েও তওবা-ইস্তিগফার করা যায়।

❑ এই সংক্ষিপ্ত আলোচনা থেকে বোঝা যায়—
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
১) তওবা করা তারই দায়িত্ব, যে গোনাহ করেছে। নিজের গোনাহর জন্য নিজেকেই অনুতপ্ত হতে হবে এবং আল্লাহর কাছে মাফ চাইতে হবে। যদিও আল্লাহর কোনো নেক বান্দার কাছ থেকে তওবা-ইস্তিগফারের নিয়ম জেনে নিয়ে তার বলে দেওয়া শব্দ উচ্চারণ করেও তওবা করা যায়, কিন্তু তওবার জন্য এটা জরুরি নয়। তওবার ক্ষেত্রে উল্লেখিত শর্তগুলো পালন না করে শুধু কারও বলে দেওয়া তওবার বাক্যগুলো উচ্চারণ করলেই তওবা হয়ে যায় না। তওবা হল মুমিন-জীবনের সার্বক্ষণিক আমল।

নবী করীম (ﷺ) নিষ্পাপ হওয়া সত্ত্বেও দিনে ৭০ থেকে ১০০ বার ইস্তিগফার করতেন বলে হাদীসে এসেছে।

২) আরো বুঝা গেল যে, তওবার জন্য অযু অপরিহার্য নয়। তবে কেউ যদি সালাতুত তাওবা বা তওবার নামাজ আদায় করতে চায়, তাহলে অন্যান্য নামাযের মতোই তাকে অযু করতে হবে। এ প্রসঙ্গে নবী ﷺ ইরশাদ করেছেন, যদি কেউ কোনো গুনাহ করে ফেলে অতপর পূর্ণ পবিত্রতা অর্জন করে নামাযে দাঁড়ায় এবং আল্লাহর কাছে গোনাহ মাফ চায় তাহলে আল্লাহ তার গোনাহ মাফ করে দিবেন। অতপর নবী ﷺ কুরআন মজীদের আয়াত তিলাওয়াত করলেন, (তরজমা) ‘এবং তারা সেই সকল লোক, যারা কখনো কোনো মন্দ কাজ করে ফেললে বা নিজেদের প্রতি জুলুম করলে সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং নিজেদের গোনাহর জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে। আর কে আছে আল্লাহ ছাড়া, যে গোনাহ ক্ষমা করতে পারে? আর তারা জেনেশুনে তাঁদের কৃত-কর্মের উপর অবিচল থাকে না।’
— [সূরা আলইমরান : ১৩৫; জামে তিরমিযী, হাদীস : ৩০০৬; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস : ১৫২১; সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস : ১৩৯৫]

💌 ইসলামিক পেইজ বলতে আসলে আমরা কি বুঝি?
আমাদের এই পেইজটা একবার হলেও ঘুরে আসুন এবং ফলো দিয়ে রাখুন। দুনিয়া ও আখেরাতের মহা-কল্যাণ সাধিত হবে ইংশাআল্লাহ্।

📌 ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে Guidelines to Jannah কে ফলো দিয়ে রাখুন।👍🌻💛

💌 আপনার যে কোনো সমস্যার সমাধান পেতে আমাদের SMS করুন।

💌 পোস্ট-টি সদকায়ে জারিয়া এবং ইসলাম প্রচারের স্বার্থে শেয়ার করে অশেষ সওয়াবের ভাগিদার হোন। এই পোস্ট আপনার আখেরাতের কঠিন মুসিবাতের সময় নাজাতের ওসিলা হয়ে যাক, আমিন🤲

আপনি হয়তো ভাবছেন, “পরিষ্কার থাকা তো খারাপ কিছু নয়!”কিন্তু কেউ যখন দিনে ৩০–৪০ বার হাত ধোয়, যখন ছোট্ট একটুখানি দাগ দেখে...
20/05/2026

আপনি হয়তো ভাবছেন, “পরিষ্কার থাকা তো খারাপ কিছু নয়!”
কিন্তু কেউ যখন দিনে ৩০–৪০ বার হাত ধোয়, যখন ছোট্ট একটুখানি দাগ দেখেই মন ভরে যায় ভয় আর অপরাধবোধে, তখন সেটা আর শুধু পরিচ্ছন্নতা নয়, এটা এক মানসিক যুদ্ধ, (OCD)।

📌 শুচিবায়ু/OCD/সন্দেহ রোগ থেকে বাঁচার উপায়:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
ওয়াসওয়াসা (কুমন্ত্রণা) এবং সন্দেহ রোগ কি এবং কেন?
কুরআন ও হাদিসের আলোকে এর সমাধান—

ওয়াসওয়াসা হলো—ইবাদতে বিঘ্ন সৃষ্টি করার জন্য বা পাপ ও অন্যায় কাজে প্ররোচিত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে অন্তরে কুমন্ত্রণা।
ওয়াসওয়াসাকে মেডিকেলীয় টার্মে শুচিবায়ু বা সংশয়রোগ বা OCD বলা হয়।

▪️একই কাজ বারবার করা, যেমন: হাত-পা বারবার ধৌত করা
▪️পরিচ্ছন্নতার কাজ বারবার করতে থাকা।
▪️যেকোন বিষয়ে খুব বেশি খুঁতখুঁত,সন্দেহ বা বাড়াবাড়ি করা।
▪️অযু গোসলের পরেও পবিত্রতা নিয়ে সন্দেহে ভুগা।
▪️ইবাদাতের ব্যাপারে সন্দেহে ভুগা।
▪️টয়লেটে গেলে নাপাকি নিয়ে সন্দেহের ফলে মাত্রাধিক সময় লাগানো।
▪️অন্যের ব্যাপারে সন্দেহ ও বাজে ধারনা তৈরি হওয়া।
☞ এ সবই ওসওয়াসার অন্তর্ভুক্ত।

সর্বসম্মতিক্রমে শুচিবায়ু শয়তানের পক্ষ থেকে আসে। শয়তানের উদ্দেশ্য – মুমিনকে বিভ্রান্তির ডোবাতে ফেলে দেয়া, পেরেশান করে রাখা, জীবনকে ভারাক্রান্ত করে তোলা, অন্তরকে অন্ধকারাচ্ছন্ন ও বিষাদময় করে ফেলা; যাতে এক পর্যায়ে তাকে ইসলাম থেকে এমনভাবে বের করে ফেলতে পারে যে সে টেরও পাবে না।

আল্লাহপাক বলেন—
"নিশ্চয় শয়তান তোমাদের শত্রু; সুতরাং তাকে শত্রু হিসেবে গ্রহণ কর।” [সূরা ফাতির, আয়াত: ৬]

আল্লাহ পাক বলেন—
مِن شَرِّ الْوَسْوَاسِ الْخَنَّاسِ الَّذِي يُوَسْوِسُ فِي صُدُورِ النَّاسِ
“তার অনিষ্ট থেকে (আশ্রয় প্রার্থনা করছি), যে কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্নগোপন করে, যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে।” [সূরা নাস: ৪ ও ৫]

নবী (সাঃ) সাবধান করে বলেছেন:
“তোমরা পানি ব্যবহারে শুচিবায়ু (কুমন্ত্রণাদাতা শয়তান) থেকে বেঁচে থাক, যাকে ‘ওয়ালাহান’ ডাকা হয়। অহেতুক কাজ করানো ও বাড়াবাড়ির কুমন্ত্রণা দেয়ার কারণে তাকে এই নামে ডাকা হয়। যে ব্যক্তি শুচিবায়ুতে আক্রান্ত হয়েছে সে যেন ‘আউযুবিল্লাহ্‌’ পড়ে এবং (দুঃশ্চিন্তাকে বাড়তে না দিয়ে) থেমে যায়।

আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, “যে ব্যক্তি এই ওয়াসওয়াসা দ্বারা আক্রান্ত হবে সে যেন তিনবার বলে, আমরা আল্লাহ্‌র প্রতি ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান এনেছি। এতে করে, তার থেকে এটি দূর হয়ে যাবে”। [সহিহ মুসলিম, ২২০৩]

উসমান বিন আবুল আস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, "তিনি বলেন,শয়তান আমার এবং আমার নামায ও তেলাওয়াতের মাঝে প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়িয়েছিল।এমন শয়তানকে ‘খিনযিব’ বলা হয়। এমনটি ঘটলে আপনি আউযুবিল্লাহ্‌ পড়ুন (অর্থাৎ শয়তান থেকে আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চান) এবং বামদিকে তিনবার থুথু ফেলুন। তখন আমি এভাবে করলাম। ফলে আল্লাহ্‌ শয়তানকে আমার থেকে দূরে সরিয়ে দিলেন।"

শয়তান মানুষকে সরাসরি পথভ্রষ্ট করতে ব্যার্থ হয়ে এই কুমন্ত্রণা দেয়ার গোপন পন্থা অবলম্বন করে।
ওযু, গোসল, পাক-পবিত্রতা, সালাত, সিয়াম ইত্যাদিতে শয়তান কুমন্ত্রণা দিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি করে মুমিনকে অহেতুক কাজে লাগিয়ে দিয়ে ইবাদতে বিঘ্ন সৃষ্টি করতে চায়।পানি,শক্তি,সময়ের অপচয় করিয়ে গুনাহগার বানায়।
মানুষের মনে খারাপ কাজের কুমন্ত্রণা দেয়। মন্দ কাজকে ভালো কাজ হিসেবে তুলে ধরে। তখন দুর্বল ঈমানদার ব্যক্তি তার এই কুমন্ত্রনা বুঝতে না পেরে নিজের অজান্তে পাপের পথে পা বাড়ায়।

📌 ওসওয়াসার ক্ষেত্রে মুমিন ব্যক্তির করণীয় কি?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
শয়তানের ওয়াসওয়াসার বা কুমন্ত্রণা টের পেলে সাথে সাথেই ‘আউযুবিল্লাহি মিনাশ শায়তানির রাজীম’ অর্থ: আমি বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি-পাঠ করবে। আল্লাহ পাক বলেন:
“আর যদি শয়তানের প্ররোচনা তোমাকে প্ররোচিত করে, তাহলে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করো।” (সূরা আরাফ: ২০০)

আর তার কুমন্ত্রনার দিকে মনোযাোগ না দিয়ে আল্লাহর আদেশ-নিষেধ পালন অব্যহত রাখবে এবং দুয়া ও যিকির সমূহের প্রতি মনোযোগী হবে।
প্রাত্যহিক জীবনে সুন্নাতের পাবন্দী করা।ইবাদাতে ফরজ ওয়াজিব সুন্নাতের প্রতি মনোযোগী হওয়া।
বাথরুমের কাজ যখনই শেষ হবে। কোন কিছু চিন্তা না করেই দ্রুত বের হয়ে যাবে। যদিওবা তা একদিনে সম্ভব না তবুও চেষ্টা করে যাওয়া।
যারা অযু, গোসল, নামাজ নিয়ে সংশয়ে ভুগছেন তারা উত্তমরুপে একবারই অযু করুন এরপর যত্নসহকারে সালাত আদায় করে নিন। এরমধ্যে যদি আপনি সংশয়ে পড়ে যান তাহলে নতুন করে কোন কিছুরই দরকার নেই… মনে রাখবেন ওয়াসওয়াসা মানেই সংশয়রোগ। তাই চেষ্টা করেন ইগনোর করা।
তারপরেও না পারলে নিজেকে প্রশ্ন করুন, যেই সন্দেহ আপনার মনে এসেছে তা শুধুই সন্দেহ? নাকি আপনি ১০০% শিওর?? যদি ১০০% শিওর হোন তাহলে আবার অযু করে সালাত আদায় করুন।আর শিউর না হলে অর্থাৎ শরীরে কাপড়ে হয়তো নাপাকি লেগেছে এই সন্দেহের উপর অযু নামাজ আবার আদায় করবেন না।
নিজেকে বলুন,শয়তান মুমিনকে সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে ওয়াসওয়াসার মত গোপন পন্থা অবলম্বন করে।আমি কিছুতেই শয়তানের আনুগত্য করবোনা।

পার্থিব সব বিষয়ে, সব কাজে সন্দেহ পোষণ করা একটি মানসিক রোগ। এটি যে কারো হতে পারে। এর জন্য প্রয়জনে মানসিক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়া যেতে পারে।

—————————————•

📌 ইবনে হাজার আল-হাইতামি তাঁর ‘আল-ফাতাওয়া আল-ফিকহিয়্যা আল-কুবরা’ গ্রন্থে (১/১৪৯) শুচিবায়ু (ওয়াসওয়াসা) এর প্রতিকার সম্পর্কে যা উল্লেখ করেছেন—

“তাঁকে ওয়াসওয়াসা এর প্রতিকার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন: এর ঔষধ একটাই সেটা হচ্ছে– শুচিবায়ুকে সম্পূর্ণরূপে এড়িয়ে যাওয়া; এমনকি মনের মধ্যে কোন দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকা সত্ত্বেও। কেননা কেউ যদি সেটাকে ভ্রুক্ষেপ না করে তাহলে সেটা স্থির হবে না। কিছু সময় পর চলে যাবে; যেমনটি তাওফিকপ্রাপ্ত লোকেরা যাচাই করে পেয়েছেন। আর যে ব্যক্তি শুচিবায়ুকে পাত্তা দিবে এবং সে অনুযায়ী কাজ করবে সে ব্যক্তির শুচিবায়ু বাড়তেই থাকবে; এক পর্যায়ে তাকে পাগলের কাতারে নিয়ে পৌঁছাবে কিংবা পাগলের চেয়েও নিকৃষ্ট পর্যায়ে পৌঁছাবে। যেমনটি আমরা অনেক মানুষের মাঝে দেখেছি, যারা শুচিবায়ুতে আক্রান্ত হয়ে এতে কান দিয়েছেন এবং এর শয়তানের কথা শুনেছেন। যে শয়তানের ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাবধান করে বলেছেন: “তোমরা পানি ব্যবহারে শুচিবায়ু (কুমন্ত্রণাদাতা শয়তান) থেকে বেঁচে থাক, যাকে ‘ওয়ালাহান’ ডাকা হয়। অহেতুক কাজ করানো ও বাড়াবাড়ির কুমন্ত্রণা দেয়ার কারণে তাকে এই নামে ডাকা হয়। যেমনটি আমি ‘শারহু মিশকাতিল আনওয়ার’ নামক গ্রন্থে এ বিষয়ে বিস্তারিত উল্লেখ করেছি। সহিহ বুখারী ও সহিহ মুসলিমে আমি যে পরামর্শ দিয়েছি এর সমর্থনমূলক বর্ণনা এসেছে যে, যে ব্যক্তি শুচিবায়ুতে আক্রান্ত হয়েছে সে যেন ‘আউযুবিল্লাহ্‌’ পড়ে এবং (দুঃশ্চিন্তাকে বাড়তে না দিয়ে) থেমে যায়। আপনি এ প্রতিকারটি একটু ভেবে দেখুন; যে প্রতিকারের পরামর্শ দিয়েছেন এমন ব্যক্তি যিনি তাঁর উম্মতকে লক্ষ্য করে মনগড়া কোন কথা বলেন না। জেনে রাখুন, যে ব্যক্তি এই প্রতিকার অবলম্বন করা থেকে বঞ্চিত, সে আসলেই বঞ্চিত। কেননা, সর্বসম্মতিক্রমে শুচিবায়ু শয়তানের পক্ষ থেকে আসে। আর এই লানতপ্রাপ্ত শয়তানের সর্বাত্মক উদ্দেশ্য হচ্ছে­ – মুমিনকে বিভ্রান্তির ডোবাতে ফেলে দেয়া, পেরেশান করে রাখা, জীবনকে ভারাক্রান্ত করে তোলা, অন্তরকে অন্ধকারাচ্ছন্ন ও বিষাদময় করে ফেলা; যাতে এক পর্যায়ে তাকে ইসলাম থেকে এমনভাবে বের করে ফেলতে পারে যে সে টেরও পাবে না। (নিশ্চয় শয়তান তোমাদের শত্রু; সুতরাং তাকে শত্রু হিসেবে গ্রহণ কর।” [সূরা ফাতির, আয়াত: ৬]

হাদিসের অন্য এক বর্ণনায় শুচিবায়ুগ্রস্ত ব্যক্তির ব্যাপারে এসেছে, সে যেন বলে: “আমি আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান এনেছি”। নিঃসন্দেহে যে ব্যক্তি নবীদের আদর্শগুলো পর্যালোচনা করে দেখবে, বিশেষতঃ আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদর্শ; সে দেখতে পাবে যে, তাঁর আদর্শ ও শরিয়ত হচ্ছে- সহজ, সুস্পষ্ট, স্বচ্ছ সাদা, পরিষ্কার ও এত সরল যে তাতে কোন বক্রতা নেই। “তিনি দ্বীনের ব্যাপারে তোমাদের উপর কোন সংকীর্ণতা রাখেননি।” [সূরা হাজ্জ, আয়াত: ৭৮]

যে ব্যক্তি তা ভেবে দেখবে এবং এর প্রতি যথাযথভাবে ঈমান আনবে তার থেকে শুচিবায়ু রোগ ও এর শয়তানের কুমন্ত্রণাগ্রস্ত হওয়া দূর হয়ে যাবে। ইবনে সুন্নির গ্রন্থে আয়েশা (রাঃ) এর সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, “যে ব্যক্তি এই ওয়াসওয়াসা দ্বারা আক্রান্ত হবে সে যেন তিনবার বলে, আমরা আল্লাহ্‌র প্রতি ও তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান এনেছি। এতে করে, তার থেকে এটি দূর হয়ে যাবে”।

আল-ইয্‌য ইবনে আব্দুস সালাম ও অপরাপর আলেমগণও আমরা যা উল্লেখ করেছি এ রকম কথা উল্লেখ করেছেন। তারা বলেছেন: ওয়াসওয়াসা বা শুচিবায়ু এর প্রতিষেধক হচ্ছে- ব্যক্তি এ বিশ্বাস করা যে, এটি শয়তানী কুমন্ত্রণা। ইবলিস এটি তার অন্তরে আরোপ করছে এবং তার সাথে লড়াই করছে। এতে করে সে ব্যক্তি জিহাদ করার সওয়াব পাবে। কেননা সে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র শত্রুর সাথে লড়াই করছে। যদি কেউ এভাবে অনুভব করতে পারে তাহলে শয়তান তার থেকে পালিয়ে যাবে। সৃষ্টির সূচনাকালে মানুষকে যেভাবে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং পরীক্ষা করার উদ্দেশ্যে মানুষের উপর শয়তানকে ক্ষমতা দেয়া হয়েছে এটা সে জাতীয় পরীক্ষা; যাতে করে এর মাধ্যমে আল্লাহ্‌ সত্যকে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করবেন এবং মিথ্যাকে বাতিল গণ্য করবেন, যদিও কাফেরেরা তা অপছন্দ করুক না কেন। [সহিহ মুসলিমে, ২২০৩]

উসমান বিন আবুল আস (রাঃ) এর সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেন: শয়তান আমার মাঝে এবং আমার নামায ও তেলাওয়াতের মাঝে প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়িয়েছিল। তিনি বললেন: এমন শয়তানকে ‘খিনযিব’ বলা হয়। এমনটি ঘটলে আপনি আউযুবিল্লাহ্‌ পড়ুন (অর্থাৎ শয়তান থেকে আল্লাহ্‌র কাছে আশ্রয় চান) এবং বামদিকে তিনবার থুথু ফেলুন। তখন আমি এভাবে করলাম। ফলে আল্লাহ্‌ শয়তানকে আমার থেকে দূরে সরিয়ে দিলেন।
এর মাধ্যমে ইতিপূর্বে আমি যা উল্লেখ করেছি তার যথার্থতা জানা যায় যে, ওয়াসওয়াসা (শুচিবায়ু) শুধু এমন সব ব্যক্তির উপর ভর করে যার মাঝে অজ্ঞতা, নির্বুদ্ধিতা প্রভাব সৃষ্টি করে রেখেছে, তার নিজের কোন বিবেচনাশক্তি নেই। পক্ষান্তরে, যে ব্যক্তি ইলম ও বিবেক-বুদ্ধির উপর অবিচল আছে সে ব্যক্তি কখনও অনুসরণের পথ ছেড়ে বিদাতের পথে হাঁটবে না। নিকৃষ্টতম বিদাতী হচ্ছে­– শুচিবায়ুগ্রস্ত ব্যক্তিরা। এরপর ইমাম মালেক (রাঃ) তাঁর শিক্ষক রাবিআ – তাঁর যামানায় আহলে সুন্নাহ্‌র সর্বোচ্চ নেতা-সম্পর্কে বলেন: দুইটি বিষয়ে রাবিআ সকল মানুষের চেয়ে দ্রুতগতি ছিলেন: মলমুত্র থেকে পবিত্র হওয়া ও ওযু করার ক্ষেত্রে। এমনকি অন্য কেউ...। আমি বলব: অর্থাৎ অন্য কেউ না করলেও। (সম্ভবতঃ তিনি বুঝাতে চাচ্ছেন: অন্য কেউ ওযু না করলেও)।

ইবনুল হুরমুয মলমুত্র থেকে পবিত্র হওয়া ও ওযু করার ক্ষেত্রে ধীরগতি ছিলেন। তিনি বলতেন: আমি পরীক্ষার শিকার, তোমরা আমাকে অনুসরণ করো না।

ইমাম নববী (রহঃ) জনৈক আলেম থেকে বর্ণনা করেন যে, যে ব্যক্তি ওযু কিংবা নামাযে শুচিবায়ু রোগে আক্রান্ত তার জন্য ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলা মুস্তাহাব। কেননা শয়তান যিকির শুনলে দূরে চলে যায়। আর ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্‌’ হচ্ছে–প্রধান যিকির। শুচিবায়ু দূর করার উত্তম মহাষৌধ হচ্ছে– বেশি বেশি আল্লাহ্‌র যিকিরে মশগুল থাকা। [ইবনে হাজার হাইতামি এর বক্তব্য সমাপ্ত]।

আমরা আল্লাহ্‌র কাছে প্রার্থনা করি, তিনি যেন যে শুচিবায়ুতে আপনি আক্রান্ত তা দূর করে দেন। আমাদের ও আপনার ঈমান, দ্বীনদারি ও তাকওয়া বাড়িয়ে দেন, আমিন🤲

💌 আপনার মহা-উপকারের জন্য পেইজটা ঘুরে আসার অনুরোধ।
📌 ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে Guidelines to Jannah কে ফলো দিয়ে রাখুন।👍🌻💛

💌 আপনার প্রিয় বন্ধু-বান্ধব, ভাই-বোন, আত্মীয়-স্বজনকে OCD থেকে বাঁচাতে পোস্টটি শেয়ার দিয়ে ছড়িয়ে দিন।।

📬 যাদের OCD আছে, তাদের মহা উপকারের জন্য মেনশন করুন।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Guidelines to Jannah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share