Guidelines to Jannah

Guidelines to Jannah Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Guidelines to Jannah, Religious Center, Dhaka.
(1)

গভীর সমুদ্র থেকে তুলে নিয়ে আসা ইহকালীন কল্যাণ ও পরকালীন মহা-মুক্তির জোগাড়পত্রে আপনাকে সু-স্বাগতম।

ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে আমাদের পেইজকে Follow দিয়ে রাখুন।

📬 যে-কোনো প্রশ্নের উত্তর জানতে SMS করুন।

যুবক-যুবতীদের ভয়ংকর কিছু প্রশ্ন—১। আমি দীর্ঘদিন রিলেশনে ছিলাম; হাত ধরাধরি, কাঁধে-কাঁধ রেখে ঘুমানো, একসাথে অনেক জায়গায় ঘো...
03/09/2026

যুবক-যুবতীদের ভয়ংকর কিছু প্রশ্ন—

১। আমি দীর্ঘদিন রিলেশনে ছিলাম; হাত ধরাধরি, কাঁধে-কাঁধ রেখে ঘুমানো, একসাথে অনেক জায়গায় ঘোরাঘুরি, ১৮+ চ্যাটসহ বিভিন্ন ছবি আদান-প্রদান হয়েছে, তবে শারিরীক সম্পর্ক হয়নি। সে আমাকে বিয়ে করতে চায় না। এখন পারিবারিকভাবে অন্যত্র বিয়ে করলে করণীয় কি, শুধু তওবা করলেই হবে?

২। আমি রিলেশনে ছিলাম; আমাদের আলিঙ্গন হয়েছে, টুকিটাকি অনেককিছুই হয়েছে, তবে ফিজিক্যাল হয়নি। তার কাছে আমাদের একসাথে তোলা অনেক ছবি আছে। পরে কোথাও বিয়ে হলে সে যদি ব্লাক মেইল করে। যদিও তা সাধারণ একসাথে তোলা ছবি। আমি এখন কি করবো। আল্লাহ কি আমাকে ক্ষমা করবেন?

৩। জীবনের ১ম প্রেম ছিলো, তাকে অনেক ভালোবাসতাম, অনেক ছবি মেমোরি হয়ে আছে দু’জনের ফোনে, অনেক বন্ধু-বান্ধব জানে আমাদের রিলেশনের কথা, বিভিন্ন পার্কে, রেস্তোরাঁতে গিয়েছি, শরীরের অনেক জায়গায় তার হাত আছে, তার শরীরের অনেক জায়গায় আমার হাত আছে(ব্যাড টাস)। কিন্তু শারীরিক সম্পর্ক হয়নি। কোনো এক কারণে সে আমাকে বিয়ে করতে চায় না। এমতাবস্থায় আমার করণীয় কি? আমি কি স্বামীর হক নষ্ট করে ফেলেছি?

৪। আমাদের অন-সাইডেড লাভ ছিলো। আমি তাকে আমার ভালোবাসার প্রমাণ দেওয়ার জন্য নিজের শরীর তাকে দিয়ে দিয়েছিলাম, এখন আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। আমি শেষ হয়ে যাচ্ছি। আমাকে পথ দেখালে কৃতজ্ঞ থাকবো।

৫। দীর্ঘদিন রিলেশনে ছিলাম। একে অন্যকে ভালোভাবে বুঝতাম। একসাথে ঘোরাঘুরি, আড্ডা দেওয়া, চুমু খাওয়া, হ্যান্ডশেক করা, শারীরিক সম্পর্ক সবই হয়েছে। এখন তার সাথে ব্রেকআপ হয়েছে। এখন অন্য কাওকে বিয়ে করলে তাকে কি পূর্বের বিষয় জানাতে হবে?

৬। আমি আমার ভাবির সাথে শারীরিক সম্পর্ক করেছি অনেকবার। এখন আমি আমার ভুল বুঝতে পেরেছি। সামনে আমার বিয়ে। এখন আমি কি আমার স্ত্রীর হক নষ্ট করেছি, তার আমানতের খেয়ানত করেছি?

৭। আমি আমার বন্ধুর সাথে খোলামেলা চলেছি, হাত ধরা, একসাথে বিভিন্ন জায়গায় যাওয়া-খাওয়া, ঘোরাঘুরি করা, আড্ডা দেওয়া, কোলাকুলি করা, তার বুকে মাথা রাখা এবং মাঝেমধ্যে হাতের মাধ্যমে কিছু গোনাহ হয়ে গিয়েছে। এখন আমি কি আমার স্বামীর হক নষ্ট করেছি?

৮। আমি দীর্ঘদিন আমার বয়ফ্রেন্ডের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করেছি। তার সাথে এখন আমার আর সম্পর্ক নেই। তার কাছে আমার অনেক ছবি+ভিডিও আছে। এখন আমার অন্য একজনের সাথে বিয়ে ঠিক হয়েছে। আমি তওবা করেছি। কিন্তু স্বামীর হক নষ্ট করেছি। আমি এটা ভেবে ভেবে মানুষিক রুগী হয়ে যাচ্ছি। আমাকে পথ দেখান প্লিজ।

৯। আমি পতিতালয়ে(বে*শ্যা*খানায়) যায়। বলতে পারেন বহুবার গিয়েছি। অনেক টাকা নষ্ট করেছি তাদের পেছনে। সামনে/পিছনে সবদিকে মিলিত হয়েছি। আমার বিয়ে ঠিক হয়েছে। এখন আমি খুবই অনুতপ্ত। আমার হবু স্ত্রীকে ধোঁকা দিয়েছি মনে হচ্ছে। এদিকে শরীরের অবস্থাও বেশি ভালো না। আল্লাহর কাছে অনেক কান্নাকাটি করেছি, তওবা করেছি। কি করা উচিত আমার?

১০। ফ্রি মিক্সিং করেছি, যেখানে সেখানে রাত থেকেছি। ছেলেদের সাথে কোলাকুলি করেছি, লং জার্নিতে গিয়েছি একসাথে, সিগারেট খেয়েছি, গায়ের উপর হাত দিয়ে চলেছি, বাসে-রিক্সায় একসাথে ঘুরেছি, বুকে-হাটুতে মাথা রেখে ঘুমিয়েছি। ভার্সিটি লাইফে অনেক কিছুই হয়ে গিয়েছে। আল্লাহ কি আমাকে ক্ষমা করবেন? দোয়া করলে আমি কি গায়রতবান জীবনসঙ্গী পাবো?

১১। আমার পূর্বের প্রেমিক, কিছু ছবি ভিডিও ফাঁস করার কথা বলে ব্লাক মেইল করে। আমার থেকে টাকা নেয় এবং শারীরিক সম্পর্ক করতে চায়। যদি আমি তার ঢাকে সাড়া না দেয়, তাহলে সে স্বামীকে সব পাঠিয়ে দিবে বলে ধমকি দেয়। আমি এটা থেকে কিভাবে বের হবো?

১২। আমার সাবেক প্রেমিকা আগের বিভিন্ন Screenshot, একসাথের ছবি আমার স্বামীকে দিয়ে দিবে বলে ব্লাক মেইল করে আমার সাথে শারিরীক সম্পর্ক করে, আমি চাইলেও কিছু করতে পারতেছি না। আমাকে পথ দেখান প্লিজ।

১৩। ভার্সিটিতে থাকতে হারাম রিলেশন থেকে বের হতে পরিবারকে না জানিয়ে বন্ধু-বান্ধবদের সাক্ষী রেখে ২জনে বিয়ে করেছিলাম। আমরা একসাথেও থাকতাম। কিন্তু ২বছর পর সে আমাকে তালাক দিয়ে দিয়েছে। আমি এখন নিরুপায়। কাউকে কিছু বলতেও পারি না। পরিবারকে কি বলবো! ডিপ্রেশনে কান্না করতে করতে জীবন শেষ হয়ে যাচ্ছে। আত্নহত্যা করতেও মনে চাই। অন্য জায়গায় বিয়েতে বসবোও কি করে। ভবিষ্যতে অন্য একজনের সাথে বিয়ে ঠিক হলে পূর্বের বিষয়টা জানানো উচিত? আপনারা তো অনেক অনেক মানুষকে গাইডলাইন দিয়ে থাকেন। আমার প্রতি একটু দয়া করেন। পরামর্শ দিন প্লিজ।

📌 আরো ভয়ংকর কিছু প্রশ্ন ইনবক্সে এসেছে।
সমাধান দিতে যেয়ে গা শিহরে উঠে, আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুক।

১। আমি আমার মায়ের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করেছি, এবং এখনো করি। আমি এটা থেকে বের হতে পারি না। আমাকে সমাধান দিন।

২। আমি আমার শালিকার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করেছি। এখন আমাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছে কি?

৩। আমি আমার বোনকে দেখে উত্তেজিত হয়ে যায়। এতে কি আমার বাবা-মায়ের বিবাহ ভেঙ্গে যাবে?

৪। আমি এক হিন্দু মহিলার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করেছি। তার গর্ভে সন্তানও এসেছে। এর বিধান কি?

৫। এছাড়া স্ত্রীর পেটে সাবেক প্রেমিকের বাচ্চা, স্বামী জানে না। এমন ভয়াবহ তথ্যও ইনবক্সে আসে।

৬। এদিকে বিয়ের পরের পরকিয়া সম্পর্কে কি আর বলবো। ওটা বলতে গেলে প্রশ্নপত্র আরো বড় হয়ে যাবে। বমি আসবে। বিয়ে করতে গেলে ভয় লাগবে। তাই অন্য প্রশ্নপত্রে তাদের ভয়াবহতা সম্পর্কে তথ্য দিবো। আল্লাহ এইসব বজ্জাত, বদমাইশ, জীবন ধ্বংসকারী ইবলিশ থেকে আমাদের সকলকে হেফাজত করুক, আর ওইসব নারী-পুরুষদের হেদায়েত দান করুক।

📌 আজ শুধু প্রশ্ন বলে গেলাম।
সকল প্রশ্নের উত্তর একবারে দেওয়ার চেষ্টা করবো ইংশাআল্লাহ্।
পরিশেষে বলতে চাই— এমন চরিত্রহীন পুরুষ/নারী কোনো উত্তম মানুষের জীবনে এসে জীবন ধ্বংস না করুক।

সত্য বলতে আমরা আর মানুষ নেই!
আমরা হয়ে গিয়েছি পশু, অমানুষ, জঘন্য নিকৃষ্ট জানোয়ার ও জাহান্নাম পিপাসু।

আপনাকে একটু বলি—
এসব করে আপনি নিজের স্বামী/স্ত্রীকে ধোকা দিলেন, প্রতারণা করলেন। অতঃপর আপনি অন্য জায়গায় বিবাহও করলেন। আর বিয়ের পরে এইসব কর্মকান্ড যদি আপনার স্বামী/স্ত্রী জানতে পারে, তাহলে বিশ্বাস করেন- কোনো উত্তম পুরুষ/নারী জীবনেও এটা মাফ করতে পারবে না। খুবই কম মানুষ এটাকে মাফ করতে পারে। তবুও এটা তার মাথাতে সব সময়ই ঘুরে বেড়াবে। আপনাকে এটার কারণে ঘৃণা করবে। অধিকাংশ পুরুষ/নারী এটার কারণে মানুষিক শান্তি হারিয়ে ফেলে, তার মনে স্বামী/স্ত্রীর প্রতি কোনো আকর্ষণ থাকে না, তাকে দেখলেই খারাপ লাগা কাজ করে, এক পর্যায়ে তাদের ডিভোর্স পর্যন্ত হয়ে যায়।

সুতরাং এইসব তথাকথিত হারাম প্রেম(শরীতে হাত দেওয়া, দেহ নিয়ে খেলা করা বন্ধ করুন)। আপনি যিনা করবেন না। স্বামী/স্ত্রীর হক নষ্ট করবেন না। এই একটা কারণে আপনার ইজ্জত(সম্মান) শেষ, দেহ-মন শেষ, দুনিয়া শেষ, জান্নাত শেষ, সম্পর্ক শেষ, শান্তি শেষ, সব শেষ। সুতরাং সাবধান, সাবধান এবং সাবধান।

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

📌 পোস্ট-টি সকল মা-বোন, ভাইকে সতর্ক করার লক্ষে শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন। আল্লাহ আমাদের সকলক৷ হেফাজত করুক, আমিন।

📌 ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে Guidelines to Jannah কে ফলো দিয়ে রাখুন।👍🌻💛

আমরা অনেকেই আছি যারা একসময় ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়তাম, কুরআন ধরতাম, চোখে পানি আসতো।  তারপর আস্তে আস্তে সব ছেড়ে দিলাম। নামাজে গ...
02/09/2026

আমরা অনেকেই আছি যারা একসময় ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়তাম, কুরআন ধরতাম, চোখে পানি আসতো।
তারপর আস্তে আস্তে সব ছেড়ে দিলাম। নামাজে গাফেলতি, গুনাহে আবার জড়িয়ে যাওয়া।

হিদায়েত পেয়েও হারিয়ে ফেলার কারণ:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
আল্লাহ কাউকে হিদায়েত দিয়ে কেড়ে নেন না। আমরা নিজেরাই কিছু ভুল করে হিদায়েতের নূর নিভিয়ে দেই:

১. গুনাহকে ছোট মনে করা:
━━━━━━━━━━━━━━━━━
“এই একটু গান শুনলাম, এই একটু গীবত করলাম, সমস্যা কি?”
ছোট ছোট গুনাহ করতে ক্বলবের উপর ময়লা জমে যায়।
তারপর আজান কানে লাগে না, কুরআন ভালো লাগে না।
রাসূল (ﷺ) বলেছেন: “গুনাহ কলবের উপর দাগ ফেলে দেয়।”

২. নেক আমল কন্টিনিউ না করা:
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
হিদায়েত পাওয়ার পর ১০০% স্পিডে ইবাদত শুরু করি। তারপর ২ সপ্তাহ পরেই আমরা ক্লান্ত হয়ে যাই।
রাসূল (ﷺ) বলেছেন: “আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় আমল যা নিয়মিত করা হয়, অল্প হলেও।”

৩. খারাপ সঙ্গ:
━━━━━━━━━
নামাজ ধরার পরও আগের বন্ধুদের সাথেই আড্ডা। যারা গীবত করে, হারাম রিলেশন নরমালাইজ করে।
১ মাস পর দেখবেন আপনিও আবার আগের মতো হয়ে গেছেন।
কারণ: “মানুষ তার বন্ধুর দ্বীনের উপর থাকে।” [তিরমিযি]

৪. শুকরিয়া ও দুয়া ছেড়ে দেওয়া:
━━━━━━━━━━━━━━━━━━━
হিদায়েত পেয়ে ভাবি “আমি তো এখন ভালো হয়ে গেছি”।
আল্লাহর কাছে আর কান্নাকাটি করি না। “ইয়া মুকাল্লিবাল কুলুব” বলি না।
তখন আল্লাহ অন্তর ঘুরিয়ে দেন। কারণ, হিদায়েত ধরে রাখার মালিকও তিনি।

৫. ইলম না থাকা:
━━━━━━━━━━━
শুধু আবেগ দিয়ে দ্বীন মানা যায় না। হালাল-হারাম, নামাজের নিয়ম না জানলে শয়তান সহজে ধোঁকা দেয়।
একটা ভুল ফতোয়া শুনেই সব ছেড়ে দেই।

হারানো হিদায়েত ফিরে পাবার কিছু উপায়:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
১. সাথে সাথে তওবা:
━━━━━━━━━━━━
পড়ে গেলেই উঠে যান। “আল্লাহ আমি আবার পাপ করেছি” বলে সিজদায় কাঁদুন।
আল্লাহ ত্বওবাকারীকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন।

২. ছোট ছোট আমল ধরুন:
━━━━━━━━━━━━━━━
দিনে ৫ ওয়াক্ত নামাজ, ২ পাতা কুরআন, অন্তত ১০ বার ইস্তেগফার (যত বেশি তত ভালো)।
এটাই যথেষ্ট। বেশি না, কিন্তু রেগুলার।

৩. সঙ্গ বদলান:
━━━━━━━━━
১ জন দ্বীনদার বান্ধবী/বন্ধু বানান। যার সাথে কথা বললে আল্লাহর কথা মনে পড়ে।

৪. প্রতিদিন এই দুয়াটা পড়ুন:
━━━━━━━━━━━━━━━━
“আল্লাহুম্মা ইয়া মুসাররিফাল কুলুব সররিফ কুলুবানা আলা ত-আতিক”
অর্থ: হে অন্তর পরিবর্তনকারী, আমাদের অন্তরকে আপনার আনুগত্যের দিকে ঘুরিয়ে দিন।

৫. গুনাহের রাস্তা বন্ধ করুন:
━━━━━━━━━━━━━━━━
যে অ্যাপ, যে মানুষ, যে জায়গা আপনাকে গুনাহে ফেলে— ওটা থেকে ১০ হাত দূরে থাকুন।

হিদায়েত হারিয়ে ফেলছেন মনে হলে বুঝবেন, আল্লাহ এখনো আপনাকে ভালোবাসেন।
নাহলে এই কষ্ট, এই অস্থিরতা আপনার হতো না।

শয়তান চায় আপনি হতাশ হয়ে একদম ছেড়ে দেন।
আল্লাহ চান আপনি হোঁচট খেয়ে আবার তাঁর দিকে দৌড়ান।

আল্লাহ বলেছেন,
“বান্দা যখন আমার দিকে হেঁটে আসে, আমি তার দিকে দৌড়ে যাই”।
— [হাদিসে কুদসি]

আল্লাহ আমাদের সবাইকে হিদায়েতের উপর অটল রাখুন। আমিন।

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

📌 পোস্ট-টি সদকায়ে জারিয়া এবং ইসলাম প্রচারের স্বার্থে শেয়ার করে অশেষ সওয়াবের ভাগিদার হোন। এই পোস্ট আপনার আখেরাতের কঠিন মুসিবাতের সময় নাজাতের ওসিলা হয়ে যাক, আমিন🤲

📌 ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে Guidelines to Jannah কে ফলো দিয়ে রাখুন।👍🌻💛

#হিদায়েত #তওবা #ফিরে_আসা #ইসলাম

পোস্টটি পড়ে হয়তো অনেকেই অবাক হচ্ছেন!ভাবছেন ইসলামে আবার সেক্স পজিশন বা সঙ্গমের নিয়মকানুন নিয়ে আলোচনা থাকবে কেন? তাদেরকে ব...
01/09/2026

পোস্টটি পড়ে হয়তো অনেকেই অবাক হচ্ছেন!
ভাবছেন ইসলামে আবার সেক্স পজিশন বা সঙ্গমের নিয়মকানুন নিয়ে আলোচনা থাকবে কেন? তাদেরকে বলে রাখছি, Islam is the complete code of life বা ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। ইসলাম যদি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধানই হয়, তাহলে অর্থনীতি, রাজনীতি বা সমাজনীতির পাশাপাশি স্বামী-স্ত্রীর একান্ত ব্যক্তিগত জীবন বা যৌনজীবনের সঠিক দিকনির্দেশনা না থাকলে তো এর পূর্ণাঙ্গতা থাকে না। এই বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলতে গেলে অনেকেই হয়তো নাক ছিটকাতে পারেন, ভাবতে পারেন এগুলো নিয়ে আবার প্রকাশ্যে কীসের আলোচনা! কিন্তু ইসলাম মানবজীবনের প্রতিটি বিষয় নিয়েই বিজ্ঞানসম্মত ও যৌক্তিক আলোচনা করে। সেক্স পজিশন বা সঙ্গম নিয়ে সাধারণত আমাদের সমাজে খোলামেলা আলোচনা হয় না বলেই বিকৃত যৌনাচারের ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে সমাজে।

পবিত্র কোরআনের সূরা বাকারার ২৭ নম্বর রুকুতে স্বামী-স্ত্রীর এই একান্ত সম্পর্কের বিষয়ে চমৎকার ও সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কোরআনের এই রুকুর ২২৩ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, “তোমাদের স্ত্রীরা হলো তোমাদের জন্য শস্যক্ষেত্রস্বরূপ।” আয়াতটির একটি বিশেষ শানে নুযূল বা অবতীর্ণ হওয়ার প্রেক্ষাপট রয়েছে। মদিনায় বসবাসরত ইহুদিদের মধ্যে একটি কুসংস্কার প্রচলিত ছিল। তারা মনে করত, স্বামী যদি স্ত্রীর সাথে পেছন দিক থেকে বা পজিশন পরিবর্তন করে যোনিপথে সঙ্গম করে, তবে যে সন্তান জন্ম নেবে সে ট্যারা চোখের অধিকারী হবে। মদিনার আনসার সাহাবীরাও তাদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এই ভিত্তিহীন ধারণা বিশ্বাস করতে শুরু করেছিলেন। এই কুসংস্কারের অবসান ঘটাতেই আল্লাহ তায়ালা সূরা বাকারার এই আয়াতটি নাযিল করেন এবং জানিয়ে দেন যে এটি সম্পূর্ণ একটি ভ্রান্ত ধারণা।

আয়াতে এরপর বলা হয়েছে, “অতএব, তোমরা তোমাদের শস্যক্ষেত্রে যেভাবে ইচ্ছা গমন করো।” এর মানে হলো, স্বামী-স্ত্রী তাদের শারীরিক মিলনে যেকোনো পজিশন বা ভঙ্গি অবলম্বন করতে পারে। সামনে থেকে, পেছন দিক থেকে, পাশ ফিরে বা অন্য যেকোনো সুবিধাজনক ও আনন্দদায়ক পজিশনে সঙ্গম করা ইসলামে সম্পূর্ণ বৈধ ও অনুমোদিত। এখানে স্বামী-স্ত্রীকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। তবে, এখানে মূল শর্ত একটাই, পজিশন যেটাই হোক না কেন, সঙ্গম হতে হবে প্রাকৃতিক প্রজনন অঙ্গে বা যোনিপথে। অনেকেই পজিশন এবং সঙ্গমের পথের মধ্যে গুলিয়ে ফেলেন। পেছন দিক থেকে স্ত্রী-অঙ্গে মিলন করা বৈধ, কিন্তু পায়ুপথে সঙ্গম করা সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয় এবং ইসলামে এটি সুস্পষ্টভাবে হারাম বা নিষিদ্ধ। মলদ্বার কোনো শস্যক্ষেত্র বা প্রজননের স্থান নয়, বরং এটি মানবদেহের বর্জ্য নিষ্কাশনের পথ। নবী কারীম (সা.) কঠোরভাবে সতর্ক করে বলেছেন, যে ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে মলদ্বারে সঙ্গম করে, আল্লাহ তার দিকে রহমতের দৃষ্টিতে তাকাবেন না। আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানও প্রমাণ করেছে যে, মলদ্বারে সঙ্গমের ফলে মারাত্মক সব ইনফেকশন ও স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়।

দাম্পত্য জীবনের এই অন্তরঙ্গতা এবং ভালোবাসার সবচেয়ে সুন্দর উদাহরণ আমরা পাই উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়েশা (রা.)-এর বর্ণিত হাদিসগুলো থেকে। তিনি রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবনের অনেক চমৎকার বিষয় আমাদের সামনে তুলে ধরেছেন, যা প্রমাণ করে ইসলামে শারীরিক সম্পর্ক কেবল একটি জৈবিক চাহিদাই নয়, বরং এটি গভীর রোমান্স ও ভালোবাসার অংশ। হযরত আয়েশা (রা.) বর্ণনা করেছেন যে, তিনি এবং রাসূল (সা.) একই পাত্র থেকে পানি নিয়ে একসাথে গোসল করতেন। স্বামী-স্ত্রীর একসাথে গোসল করার এই বিষয়টি তাদের মধ্যকার অন্তরঙ্গতা ও ভালোবাসাকে কতটা সুদৃঢ় করে, তা সহজেই অনুমেয়। এছাড়া তিনি আরও জানিয়েছেন যে, রাসূল (সা.) রোজা থাকা অবস্থাতেও স্ত্রীদের ভালোবেসে চুম্বন করতেন এবং আদর করতেন। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, দাম্পত্য জীবনে আদর-সোহাগ বা ভালোবাসার প্রকাশে ইসলাম কোনো কঠোরতা আরোপ করেনি।

সূরা বাকারার ২৭ নম্বর রুকুর ২২২ নম্বর আয়াতে স্ত্রীদের মাসিক বা ঋতুস্রাব চলাকালীন সময়ে কেবল শারীরিক মিলন বা সঙ্গম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কারণ, এই সময়টিতে মিলন হলে তা উভয়ের জন্যই অস্বস্তিকর এবং ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের কারণ হতে পারে। তবে এই সময়ে স্ত্রীকে আলাদা করে রাখা বা অচ্ছুত মনে করার যে কুসংস্কার সে যুগে ছিল, ইসলাম তা সম্পূর্ণরূপে ভেঙে দিয়েছে। হযরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে পাওয়া যায় যে, তাঁর ঋতুস্রাব চলাকালীন সময়েও রাসূল (সা.) তাঁর কোলে মাথা রেখে কোরআন তেলাওয়াত করতেন। এমনকি আয়েশা (রা.) পানি পানের সময় পাত্রের যে স্থানে মুখ রাখতেন, রাসূল (সা.) ভালোবেসে ঠিক সেই স্থানেই মুখ রেখে পানি পান করতেন। এর মানে হলো, মাসিক অবস্থায় কেবল যোনিপথে মূল সঙ্গম নিষিদ্ধ, কিন্তু স্ত্রীর সাথে মেলামেশা, এক বিছানায় ঘুমানো বা একে অপরের সান্নিধ্য উপভোগ করার ক্ষেত্রে ইসলামে কোনোই বাধা নেই।

ইসলাম স্বামী-স্ত্রীকে তাদের শারীরিক মিলনে এবং রোমান্সে পূর্ণ স্বাধীনতা ও আনন্দ উপভোগের অধিকার দিয়েছে। তবে তা হতে হবে একটি সুস্থ, সুন্দর ও প্রাকৃতিক নিয়মের মধ্যে। কোরআনের আয়াত এবং হযরত আয়েশা (রা.)-এর বর্ণিত হাদিসগুলো থেকে আমরা এটাই শিখতে পারি যে, সুস্থ সমাজ ও সুন্দর দাম্পত্য সম্পর্ক গঠনের জন্য যতটুকু জানার প্রয়োজন, ইসলাম তা অত্যন্ত শালীনতা, ভালোবাসা ও সুস্পষ্টতার সাথে আমাদের শিখিয়েছে। এখানে লুকোচুরির কিছু নেই, বরং সঠিক জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমেই একটি সুখী দাম্পত্য জীবন গড়ে তোলা সম্ভব। [ই-শালবন]

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

📌 পোস্ট-টি সদকায়ে জারিয়া এবং ইসলাম প্রচারের স্বার্থে শেয়ার করে অশেষ সওয়াবের ভাগিদার হোন। এই পোস্ট আপনার আখেরাতের কঠিন মুসিবাতের সময় নাজাতের ওসিলা হয়ে যাক, আমিন🤲

📌 ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে Guidelines to Jannah কে ফলো দিয়ে রাখুন।👍🌻💛

নবীজির শারীরিক অবস্থা খুব খারাপ। এই কিছুক্ষণ আগেই যখন আলী (রা.) দেখে গেলেন, তখনও বেশ সজীব ছিলেন। কথাবার্তা বললেন।দুপুরের...
31/08/2026

নবীজির শারীরিক অবস্থা খুব খারাপ। এই কিছুক্ষণ আগেই যখন আলী (রা.) দেখে গেলেন, তখনও বেশ সজীব ছিলেন। কথাবার্তা বললেন।

দুপুরের পর থেকেই দ্রুত অবনতি। কয়েকবার সংজ্ঞা হারালেন। শেষ মুহূর্তের লক্ষণ প্রকাশ পাচ্ছে। বার বার বলছেন: “নামায, নামায, আর দাসদাসী(এগুলোর প্রতি বিশেষ যত্ন নিও তোমরা)। কণ্ঠস্বর ক্ষীণ হয়ে আসছে।

চোখ মেললেন বহুকষ্টে। তাজা মিসওয়াক দেখে চেয়ে রইলেন। আম্মাজান আয়েশা বুঝতে পেরে মিসওয়াক নিয়ে চিবিয়ে নরম করে পবিত্র হাতে তুলে দিলেন। ভালো করে মিসওয়াক করলেন। ফিরিয়ে দিতে গিয়ে হাত কেঁপে পড়ে গেল।

প্রতি মুহূর্তে বেড়ে যাচ্ছে কষ্ট। পাশেই রাখা পানির পাত্র। বার বার হাত ভিজিয়ে চেহারায় নিচ্ছেন। বললেন: “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ... নিঃসন্দেহে মৃত্যুর কষ্ট সত্য। মৃত্যুর এই কষ্টে আমাকে সাহায্য করুন, আল্লাহ!”

বাবার এই কষ্ট দেখে ফাতিমা (রা.) ফুঁপিয়ে উঠলেন : “হায় আমার আব্বাজানের কতো কষ্ট!” ক্ষীণস্বরে হাবীব বললেন : “মা গো! আজকের পর থেকে তোমার বাবার আর কোনো কষ্ট নেই।” আরো কয়েকবার জ্ঞান হারালেন।

ঘরের ছাদের দিকে দৃষ্টি। উপরে হাত বাড়িয়ে বিড়বিড় করে বললেন : “আল্লাহুম্মা রফীকিল আ‘লা... ফী রফীকিল আ‘লা... ফী রফীকিল আ‘লা (পরম বন্ধুর পানে)।” হাত পড়ে গেল জমিনে।

উমর ইবনুল খাত্তাব খাপ থেকে তরবারি বাগিয়ে চিৎকার করে উঠলেন :
“নবিজি তাঁর রবের সাথে সাক্ষাৎ করতে গেছেন। যেমন মুসা (আ.) গিয়েছিলেন তুর পাহাড়ে। আল্লাহর কসম তিনি জীবিত। যে মুনাফিক বলবে, তিনি মারা গেছেন, হাত-পা কেটে নেবো তার।”

আবু বকর (রা.) যোহরের পর নবিজি থেকে অনুমতি নিয়ে গিয়েছিলেন দ্বিতীয় স্ত্রীর কাছে, মদিনার বাইরে। খবর শুনে ফিরে এলেন। ঢুকলেন হুজরায়। চাদর সরিয়ে হাবীবের কপালে চুমু খেলেন। টপ টপ করে পানি পড়ে পোশাক ভিজে যাচ্ছে। সাহাবিদের প্রিয় কথাটুকু উচ্চারণ করলেন শেষবার :
“ফিদাকা আবী ওয়া উম্মী। আমার বাবা-মা আপনার ওপর কুরবান হোক। আপনি জীবিত অবস্থায় যেমন সর্বোত্তম ছিলেন, মৃত্যুতেও সর্বোত্তম।”

একদিন পর—
ফজরের আজান ভেসে এলো মসজিদ থেকে -
আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রাসূলুল্লাহ” পর্যন্ত এসে বিলাল (রা.) আর সামনে এগোতে পারলেন না।
নেই, তিনি নেই। ঝরঝর করে কাঁদতে লাগলেন।
“হাইয়া আলাস সালাহ” ডেকে গেল কান্নার আড়ালে। সবাই নিজের পরাণখানি মাটিচাপা দিয়ে এসেছে। বুক ফাঁকা। শূন্য দৃষ্টি। ফাতিমা রা. কাঁদছেন আর বলছেন : “আনাস! তোমার পক্ষে কী করে সম্ভব হলো, তুমি তোমার রাসূলকে মাটিচাপা দিয়ে রেখে এলে?”

— পরানবন্দী বই থেকে।

হে উম্মতি মুহাম্মাদ! কাকে হারালাম আমরা! কাকে হারালাম আমরা!
আমরা তার রেখে যাওয়া আমানতের কদর করলাম তো!
কি জবাব দিবো তার কাছে! তার শাফায়াত কপালে জুটবে তো! তিনি আমাদের ধুর ধুর করে তাড়িয়ে দিবেন না তো!

আল্লাহুম্মা সল্লী আ'লা মুহাম্মাদ, ওয়ালা আ'লি মুহাম্মাদ।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📌 পোস্ট-টি সদকায়ে জারিয়া এবং ইসলাম প্রচারের স্বার্থে শেয়ার করে অশেষ সওয়াবের ভাগিদার হোন। এই পোস্ট আপনার আখেরাতের কঠিন মুসিবাতের সময় নাজাতের ওসিলা হয়ে যাক, আমিন🤲

📌 ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে Guidelines to Jannah কে ফলো দিয়ে রাখুন।👍🌻💛

স্ত্রীর মানসিক সমস্যা সমাধানে স্বামীর কর্তব্য— নারীদের কিছু মানুষিক সমস্যা হয় বা তাদের সাইকোলজির কিছু দিক সেইটা তার স্বা...
29/08/2026

স্ত্রীর মানসিক সমস্যা সমাধানে স্বামীর কর্তব্য—

নারীদের কিছু মানুষিক সমস্যা হয় বা তাদের সাইকোলজির কিছু দিক সেইটা তার স্বামীকে জানতে হবে। কারণ, এইসব সমস্যা একমাত্র নারীটার পার্টনার হ্যান্ডেল করতে সক্ষম হয়। এমন কিছু মানুষিক সমস্যা নারীরা ফেস করে যার ধারণা পুরুষদের থাকা উচিত।

ইসলাম নারী-পুরুষ উভয়কে পরস্পরের জন্য প্রশান্তি ও শান্তির কারণ হিসেবে সৃষ্টি করেছে। আল্লাহ তা’আলা বলেন:

“আর তাঁর নিদর্শনসমূহের মধ্যে এই যে, তিনি তোমাদের জন্য তোমাদের থেকেই স্ত্রীদের সৃষ্টি করেছেন, যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি লাভ করতে পারো; আর তিনি তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা ও দয়া সৃষ্টি করেছেন।” (সূরা আর-রূম: ২১)

এই আয়াত থেকে বোঝা যায়, স্ত্রীর মানসিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার দায়িত্ব শুধু তার উপর নয়, বরং স্বামীকেও তার মানসিক অবস্থা সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। নিম্নে নারীদের কিছু সাধারণ মানসিক অবস্থা ও ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে তার সমাধান তুলে ধরা হলো:

১। প্রিমেন্সট্রুয়াল সিন্ড্রমঃ
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
পিরিয়ড শুরুর আগে নারীদের মেজাজ খিটখিটে হওয়া, হুট করে কেঁদে ফেলা, ক্লান্তি বা মন খারাপ থাকা স্বাভাবিক।

রাসূল (ﷺ) স্ত্রীদের সাথে সুন্দর ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন: “তোমাদের মধ্যে সেই উত্তম যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম।” (তিরমিজি)।

এই সময় ধৈর্য ও সহানুভূতি দেখানো উচিত। তার পিরিয়ড চক্র সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং তাকে জিজ্ঞাসা করা যে কখন তার এই সময় শুরু হয়, তা তাকে মানসিকভাবে সাহায্য করবে।

মনে রাখবেন, এটি তার ইচ্ছাকৃত আচরণ নয়, বরং শারীরবৃত্তীয় পরিবর্তন। তাকে “টক্সিক” বা অতিরিক্ত ভাবা উচিত নয়।

২. পেরিমেনোপজ ও মেনোপজঃ
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
যখন নারীর পিরিয়ড চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়, তখন হরমোনের পরিবর্তনের কারণে মুড সুইং, গরম অনুভূতি ও বিষণ্নতা দেখা দেয়।

ইসলামী নির্দেশনা হলো— এই সময় নারী শারীরিক ও মানসিকভাবে দুর্বল থাকে। স্বামীর উচিত ধৈর্য ধরা এবং আরও বেশি যত্ন নেওয়া।

রাসূল (সা.) বলেছেন: “স্ত্রীদের সাথে উত্তম ব্যবহারের বিষয়ে তোমরা আল্লাহকে ভয় করো।” (বুখারী, মুসলিম)।

৩. সন্তান প্রসব পরবর্তী বিষণ্নতাঃ
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
সন্তান জন্মের পর হরমোনের পরিবর্তন, ঘুমের অভাব ও নতুন দায়িত্বের চাপে অনেক মা বিষণ্নতায় ভোগেন।

ইসলামী নির্দেশনা হলো— স্বামীকে অবশ্যই মানসিক ও শারীরিকভাবে স্ত্রীর পাশে থাকতে হবে।
আল্লাহ তা’আলা স্বামী-স্ত্রীকে পরস্পরের “পোশাক” হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন, অর্থাৎ একে অপরের ত্রুটি ঢেকে দেওয়া, সান্ত্বনা দেওয়া এবং নিরাপত্তা দেওয়া।

৪. ওভারথিংকিংঃ
▬▬▬▬▬▬▬▬☞
নারীরা ওভারথিংকিং করে। একটা সরল বিষয় নিয়েও তারা ওভারথিংকিং করে। তাদের সাইকোলজি পুরুষদের মত নয়। কোন ছোট সমস্যাকে তারা বিশাল বড় সমস্যা ভাবতে পারে।

ইসলামী নির্দেশনা হলো— স্বামীকে সতর্ক থাকতে হবে, কোনো কথা এমনভাবে না বলা যে তার মনে ভয় বা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়।
প্রয়োজনে তাকে আশ্বস্ত করা, যেমন: “আমি তোমার সাথে আছি, তুমি চিন্তা করো না।” রাসূল (সা.) স্ত্রীদের সাথে নরম ও মিষ্টভাষী হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

৫. কথা বলার সুযোগ দেওয়াঃ
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
নারীকে কথা বলতে দিবেন। আপনি যদি কোন নারীকে কথা বলার স্কোপ দেন এইটা তাকে যে মানুষিক শান্তি দিবে তা বলার বাহিরে। জিনিসটা এমন যে আপনি তার বেলায় গুড লিসেনার এবং তার বেলায় মিস্টিভাষী। এইটা তাকে যে মানুষিক সুখ দিবে তা আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। নারী যখন রেগে যাবে চুপ করে যাবেন। কথা বলতে দেন। তখন কাউন্টার দিবেন না। রাগ থামাবেন। সে বলতে থাকুক। প্রয়োজনে পরের দিন বলবেন যে আমাকে এই কথাটা বলেছিলা। সে নিজেই তখন বুঝতে পারবে। নারীকে তার মনের ভাব এক্সপ্রেস করতে দিন।

ইসলামী নির্দেশনা— স্বামী যখন তার দিনের খোঁজখবর নেন, তাকে গুরুত্ব দেন, তখন সে আত্মবিশ্বাসী ও সুরক্ষিত বোধ করে।
রাসূল (সা.) আয়েশা (রা.)-এর সাথে আদর-স্নেহ-যত্ন-ভালোবাসা ও হাসি-ঠাট্টা করতেন, যা সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা বাড়ায়।
তার রাগের সময় চুপ থেকে কথা বলতে দেওয়া এবং পরে সেটা নিয়ে আলোচনা করা বুদ্ধিমানের কাজ।

৬. বার্ন আউট ও মানসিক অবসাদঃ
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
নারীকে অল্পতে রেগে যেতে দেখলে বা হুট করে চুপচাপ হয়ে গেলে বুঝে নিবেন তার বার্ন আউট ঘটেছে। সে সংসারের চাপ, পড়াশোনা, অথবা সন্তান সামলানো সব মিলিয়ে বার্ন আউটে ভুগছে। সে ছোট খাটো ব্যাপারেও চাপ খাচ্ছে। এই সময়টাতে কাকে মেন্টাল সাপোর্ট দিন। ঘুরতে নিয়ে যান, দুস্টুমি করেন, মিস্টি মিস্টি কথা বলেন।

ইসলামী নির্দেশনা— স্বামী তাকে বিশ্রামের ব্যবস্থা করা, ঘুরতে নিয়ে যাওয়া, মিষ্টি কথা বলা, এমনকি হাস্যরসের মাধ্যমে তার মন হালকা করতে পারে।
ইসলামে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে খেলাধুলা ও আমোদ-প্রমোদকে উৎসাহিত করা হয়েছে।

সারকথা: মানসিক সুখই সম্পর্কের মূল শক্তি।

স্বামী যদি স্ত্রীকে বলে: তুমি পারবে, আমি তোমার সাথে আছি।” এই কথাটি তার কাছে সব চেয়ে বড় সান্ত্বনা।
নারী শুধু অর্থ বা পদমর্যাদায় নয়, বরং মানসিক নিরাপত্তা, সহানুভূতি ও ভালোবাসায় আকৃষ্ট হয়।

যে স্বামী তার মানসিক সমস্যাগুলো বোঝে এবং সমাধান করে, সেই স্ত্রীর কাছে অপরিবর্তনীয় হয়ে ওঠে।
ইসলামে স্বামীকে স্ত্রীর প্রতি সদয়, ধৈর্যশীল ও সহানুভূতিশীল হতে উৎসাহিত করা হয়েছে, কারণ নারীরা তাদের স্বামীর কাছ থেকে মানসিক শান্তি প্রত্যাশা করে।

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
“স্ত্রীদের ব্যাপারে উত্তম ব্যবহারের নির্দেশ দাও। কারণ তারা তোমাদের সহায়িকা।” (ইবনে মাজাহ)

পরিশেষে, নারীর মানসিক সুখের কারণ হওয়াই হলো তাকে নিজের করে রাখার আসল মাধ্যম। যে পুরুষ তার স্ত্রীর মানসিক নিরাপত্তার কারণ হতে পারে, সেই পুরুষের জন্যই নারী পরিবার-পরিজন ও পৃথিবী সবকিছু ছেড়ে দিতে পারে। কারণ আল্লাহ তাআলা স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ককে করেছেন প্রশান্তি ও ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ।

━━━━━━━━━━━━━━━━━━━━

📌 পোস্ট-টি সদকায়ে জারিয়া এবং ইসলাম প্রচারের স্বার্থে শেয়ার করে অশেষ সওয়াবের ভাগিদার হোন। এই পোস্ট আপনার আখেরাতের কঠিন মুসিবাতের সময় নাজাতের ওসিলা হয়ে যাক, আমিন🤲

📌 ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে Guidelines to Jannah কে ফলো দিয়ে রাখুন।👍🌻💛

কাকে বিয়ে করবো?😭যার জন্য নিজের চরিত্রকে হেফাজত করলাম, এখন শুনি তার দেহে নাকি অন্য পুরুষের ছোঁয়া রয়েছে। একান্ত আমার জীবনস...
27/08/2026

কাকে বিয়ে করবো?😭
যার জন্য নিজের চরিত্রকে হেফাজত করলাম, এখন শুনি তার দেহে নাকি অন্য পুরুষের ছোঁয়া রয়েছে। একান্ত আমার জীবনসঙ্গিনীর দেহে অন্য পুরুষের হাত দেওয়া আমি কিভাবে মাফ করবো?

এক ভাইয়ের সাথে এমন কিছু ঘটে যাওয়ার কারণে,
এক ভাই লিখেছেন— বিয়ের পর স্বামী-স্ত্রীর ফোনের পাসওয়ার্ড, বিভিন্ন একাউন্টের পাসওয়ার্ড দুজ’নের কাছেই থাকবে।

যামানার শ্রেষ্ঠ ওলিও ফিতনা থেকে মুক্ত নয়।

প্রথমবার দেখতে যাবার সময় সুস্পষ্ট করে বলে দিতে হবে, আমি সারাজীবন আমার পবিত্রতা হেফাজত করেছি। আপনার যদি কোনো অতীত থাকে, আপনি যদি অপবিত্র হোন, আপনার কোনো অপকর্মের ইতিহাস থাকে, তাহলে বিয়ে ভেঙে দিন। আমি এবিষয়ে কোনো কম্প্রোমাইজ করবো না। ভবিষ্যতে জানতে পারলে খু**ন করে ফেলবো। নূন্যতম সোজা তালাকে যাবো এবং বেইজ্জত করবো পরিবারসহ।

আমি আমার মতো কাউকে চাই।

কেউ তার কালো অতীত গোপন রাখতে চাইলে সেটা করুক, তবে সে যেনো এমন প্রস্তাব না করে দেয়। কারণ, ভবিষ্যতে এর থেকে বড় অঘটন হয়।

এবার আসুন, ইসলাম কি বলে জেনে নেয়ঃ
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
বিয়ের আগে প্রেম ছিলো,
শারীরিক সম্পর্কও হয়েছে অনেকবার।

এখন আমার প্রশ্ন হলো—
অন্যত্র বিয়ের আগে নিজের অতীত কি হবু স্বামী/স্ত্রীকে বলতেই হবে?
কুরআন, হাদিস ও যুক্তির আলোকে বলবেন প্লিজ।

আজকাল অধিকাংশ যুবক-যুবতী এমন প্রশ্ন বেশি করছে।
▪️আমার আগে একটা সম্পর্ক ছিল, বলব?
▪️কেউ আমাকে ঠকিয়েছিল, জানাব?
▪️ইনবক্সে কারো সাথে কথা হয়েছে, সেটা কি স্বামীকে বলা ফরজ?
☞ না বললে কি প্রতারণা হবে?
☞ কারণ, আমি তো স্বামী/স্ত্রী’র হক নষ্ট করেছি!

❑ প্রথমেই একটি বিষয় পরিষ্কার করি:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
প্রত্যেক অতীত এক রকম নয়।
কেউ শুধু কারো সাথে কয়েকদিন কথা বলেছে।
কেউ হারাম সম্পর্কে জড়িয়েছিল।
কেউ প্রতারণার শিকার হয়েছে।
কেউ নিজ নিজ ইচ্ছায় শরীর বিলিয়ে দিয়েছে।
কেউ জোরপূর্বক নির্যাতনের শিকার হয়েছে।
তাই সব ঘটনার জন্য একটাই উত্তর দেওয়া সঠিক নয়।

❑ আমরা প্রথমে জানবো ইসলামের মূলনীতি কী?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
রাসূল ﷺ বলেছেন, “আমার উম্মতের সবাই ক্ষমাপ্রাপ্ত হবে, তবে যারা নিজেদের গুনাহ প্রকাশ করে বেড়ায় তারা নয়।”
(সহিহ আল-বুখারী, ৬০৬৯; সহিহ মুসলিম, ২৯৯০)
অর্থাৎ, আল্লাহ যদি আপনার কোনো গুনাহ মানুষের কাছ থেকে গোপন রাখেন, তাহলে অকারণে নিজে নিজে তা প্রকাশ করা ইসলামের শিক্ষা নয়।

আর আল্লাহ তা’আলা বলেন,
“তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেন।” (সূরা আয-যুমার ৩৯:৫৩)
যদি কেউ আন্তরিকভাবে তাওবা করে, গুনাহ ছেড়ে দেয় এবং নিজেকে সংশোধন করে; তবে আল্লাহ তার তাওবা কবুল করতে পারেন।

❑ তাহলে কি কখনোই কিছু বলা যাবে না?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
এখানেই ভারসাম্য দরকার।
যদি এমন কোনো বিষয় থাকে যা ভবিষ্যৎ দাম্পত্য জীবনে বাস্তবভাবে প্রভাব ফেলবে, অথবা যেটি গোপন করলে পরে বড় ধরনের প্রতারণা বা ক্ষতির কারণ হবে, তাহলে সেটি নিয়ে সৎভাবে আলোচনা করা উচিত।

কিন্তু শুধু অতীতে কারো সাথে কথা হয়েছে, কেউ প্রপোজ করেছিল, একসময় সম্পর্ক ছিল কিন্তু সব শেষ হয়ে গেছে, তাওবা করা হয়েছে, এখন তার কোনো প্রভাব নেই, এসব বিস্তারিত খুলে বলা ইসলামে বাধ্যতামূলক নয়।
বরং অপ্রয়োজনীয় অতীত অনেক সময় নতুন একটি হালাল সম্পর্কের মধ্যে সন্দেহ, কষ্ট ও অশান্তির বীজ বপন করে।

❑ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অনেকেই বলেন:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
“আমি না বললে তো ঠকানো হবে।”

কিন্তু প্রশ্ন হলো—
আপনি কি বর্তমানে নিজেকে পরিবর্তন করেছেন?
আপনি কি তাওবা করেছেন?
আপনি কি এখন বিশ্বস্ত ও দ্বীনের পথে চলতে চান?
যদি উত্তর হ্যাঁ হয়, তাহলে আপনার বর্তমান চরিত্রই আপনার পরিচয়।
মানুষের অতীত নয়, বর্তমান তাকওয়া ও চরিত্রই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

❑ তবে মিথ্যা বলা যাবে?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
না। কখনোই না।
যদি ভবিষ্যৎ জীবনসঙ্গী সরাসরি এমন প্রশ্ন করেন যার উত্তর দিলে মিথ্যা বলতে হবে, তাহলে মিথ্যা বলা জায়েজ নয়।

তবে নিজের অতীতের অপ্রয়োজনীয় খুঁটিনাটি প্রকাশ করাও জরুরি নয়।
বুদ্ধিমানের মতো বলা যেতে পারে—
“আমার জীবনে কিছু ভুল ছিল। আল্লাহর কাছে আন্তরিকভাবে তাওবা করেছি। এখন আমি সেই জীবন থেকে সম্পূর্ণ ফিরে এসেছি এবং নতুনভাবে একটি হালাল জীবন শুরু করতে চাই।”
যারা অতীত নিয়ে কষ্ট পাচ্ছেন, তাদের জন্য।

❑ মনে রাখবেন—
শয়তান চায় আপনি সারাজীবন অতীতের শৃঙ্খলে বন্দী থাকুন।
কিন্তু আল্লাহ চান আপনি তাওবা করে নতুন জীবন শুরু করুন।
অতীতের ভুলকে শিক্ষা বানান, পরিচয় বানাবেন না।
আল্লাহ যদি আপনার পর্দা রক্ষা করেন, তাহলে সেই পর্দা নিজের হাতে ছিঁড়ে ফেলবেন না।

📌 বিশিষ্ঠ কিছু আলেমগণের অভিমত:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
বিয়ের আগে যিনা করলে,
বিয়ের সময় মিথ্যা বলা যাবে কিনা, এ ব্যাপারে বলেন—

❑ তওবা করার দ্বারা দ্বীনদারি ফিরে আসে, তাক্বওয়া ফিরে আসে। কিন্তু কুমারীত্ব ফিরে আসেনা। কেউ যদি কাউকে খুন করার পরে তওবা করে, তাহলে তার পাপ আল্লাহ মাফ করে দিতে পারেন, কিন্তু মারা যাওয়া ব্যক্তি আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবেনা। অকুমারি কেউ নিজেকে কুমারী হিসেবে জাহির করে বিয়ে-শাদী করাও জায়েজ নেই। এজন্য সবচেয়ে সহজ সমাধান হলো, যারা জীবনে এ ধরণের পাপ করে পরে তওবা করেছেন, তারা এমন কাউকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেয়া, যে নিজেও পূর্বে ভুল করে পরে তওবা করেছে।

☞ একই বিধান ছেলেদের ক্ষেত্রেও।

💌 গাইডলাইন’স টু জান্নাহ আরজ করতে চাই—
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
❑ হে ভাই/বোন!
প্রেম-প্রীতি বা বিভিন্ন মোহে পড়ে— কোথায় পালাবেন?
স্বামী/স্ত্রী’র তথা বান্দার হক কি আল্লাহ ক্ষমা করতে পারে?

তোমার শরীর শুধু তোমার না, এটা তোমার স্বামী বা স্ত্রী’রও।
তাই, তুমি তোমার দেহ বিলিয়ে দাওনি; বরং তুমি তোমার স্বামী বা স্ত্রী’র হক নষ্ট করেছে! এখন তার হক নষ্ট করার গুনাহ কিভাবে ক্ষমা করাবা!? বান্দার হক তো আর আল্লাহ ক্ষমা করতে পারে না।

ইনবক্সে শত মত মানুষকে যখন নসিহা দেয়,
তাহলে তাকে অবশ্যই এটা বলি যে—
বেঁচে থাকতে অসংখ্য পাপ কজ হয়ে যাক, কিন্তু প্রেম-ভালোবাসা অতঃপর যিনার মত পাপ কাজ, কখনই যেন না হয়।(প্রেম করিও না। কারণ, হারাম প্রেমের অনুভূতি শুরুতে স্বর্গের স্বাদ অনুভাব করালেও পরে তা নরকীয় বাতাসের স্বাদ গ্রহণ করিয়ে ছাড়ে। আর পরকালে এর শাস্তি তো আছেই)।

❑ সবাই তওবা করার সুযোগ পায় না। পেলেও তা খাঁটি তওবা হয়েছে কিনা, আল্লাহ গুনাহ্ মাফ করেছে কিনা, অনিশ্চয়তাই ভোগে। তাই এর মানসিক অশান্তির বোঝা মৃত্যু পর্যন্ত টেনে নিয়ে যেতে হয়।

📌 হে ভাই/বোন! আল্লাহ রহমানুর রহিম। বান্দার জন্য তওবার দরজা খোলা রেখেছেন মৃত্যু পর্যন্ত। বান্দার যত বড় গোনাহই হোক না কেন, খাঁটি তওবা করলে আল্লাহ মাফ করে দেন। কারণ, পৃথিবী সমান গোনাহও আল্লাহ রহমতের কাছে সামান্য ধুলি কণার সমানও না। তাই নিরাশ হবেন না। আল্লাহ আপনাকে সুযোগ দিয়েছেন এবং ডাকছেনও। তাই এখনই তওবা করে ফিরে আসুন রবের দিকে।

আর বান্দার হক নষ্ট করে থাকলে, তার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিন।

❑ আর যারা অলরেডি না বলে
বিবাহ করে ফেলেছেন, তাদের বলবো:
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
যেহেতু বিয়ে হয়েই গিয়েছে, বলাও হয়নি; অর্থাৎ ভুলের উপর ভুল হয়ে গিয়েছে।এখন কি করবেন?
পূর্বের যেসব গুনাহ হয়ে গিয়েছে, যেসব গোনাহের জন্য তওবা করেছেন, তা স্বামী বা স্ত্রী’কে বলবেন না। এতে সংসারে সন্দেহ, ভুল বোঝাবুঝি, ঝগড়া, অশান্তি সৃষ্টি হতে পারে। তওবা করার পর ইসলাম কখনই অতীত নিয়ে খোঁটা দেয় না। তওবা করেছেন, এখন একদম পরিপূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশ করে পরিপূর্ণভাবে আল্লাহর আদেশ-নিষেধ মেনে চলুন। আপনার রব পরম দয়ালু।

📌 ইসলামিক পেইজ বলতে আপনারা কি বুঝেন?
আমাদের এই পেইজটা একবার হলেও ঘুরে আসবেন এবং ইহ-পরকালের মহা কল্যানের জন্য ফলো দিয়ে রাখবেন।

📌 আপনার মতামত কী?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
আপনি কি মনে করেন, তাওবার পর অতীত প্রকাশ করা উচিত, নাকি আল্লাহ যেটা ঢেকে রেখেছেন সেটাকে ঢেকেই রাখা উচিত?
সুস্থ, শালীন ও ইসলামসম্মত আলোচনা করুন। কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করবেন না।

❑ আর একজন স্বামী/স্ত্রী কখনই কি তার জীবনসঙ্গীর অন্য কেউ এর সাথে বিছানায় যাওয়া কখনো মাফ করতে পারে?

📌 বিঃদ্রঃ এমন বাজে কথার SS দেওয়ার জন্য “গাইডলাইন টু জান্নাহ” আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে। ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

▪️আপনার মহা-উপকারের জন্য পেইজটা ফলো দিয়ে রাখুন।
▪️ডিপ্রেশন?
▪️জ্বীনের সমস্যা?
▪️সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন?
▪️আপনার দোয়া কবুলের গল্প সবাইকে বলতে চান?
▪️আপনার জীবনের সত্য ঘটনা শেয়ার করতে চান?
▪️তাহলে আমাদের SMS করুন আপনার গল্প।

💌 ইসলামকে সুন্দরভাবে আপনাদেরকে জানাতে আমরা দৃঢ় প্রত্যয়ী।

📌 ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে Guidelines to Jannah কে ফলো দিয়ে রাখুন।👍🌻💛

💌 সওয়াবের উদ্দেশ্যে ছড়িয়ে দিন সবার কাছে।
📬 আপনাদের যে কোনো সমস্যার সমাধানের জন্য আমাদের SMS করুন।

বিয়ের আগে সব কিছুঅন্য কাউকে দিয়ে দিলে, স্বামীর জন্য কি থাকে?▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞আমাদের সমাজে একটি ছেলে যখন বিয়ের সিদ্ধান...
26/08/2026

বিয়ের আগে সব কিছু
অন্য কাউকে দিয়ে দিলে, স্বামীর জন্য কি থাকে?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
আমাদের সমাজে একটি ছেলে যখন বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়, তখন সে শুধু একজন মানুষকে ঘরে আনে না; সে তার জীবনের স্বপ্ন, বিশ্বাস, ভবিষ্যৎ এবং আবেগ একজনের হাতে তুলে দেয়। বছরের পর বছর পরিশ্রম করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে, পরিবার গড়ার মতো মানসিক ও আর্থিক প্রস্তুতি নেয়—কারণ সে চায় তার জীবনের বিশেষ মানুষটির সাথে নতুন করে সবকিছু শুরু করতে।

বিয়ের সৌন্দর্য আসলে এখানেই—দু’জন মানুষ একে অপরের জীবনে নতুন অধ্যায় হয়ে আসবে। একে অপরের জন্য কিছু অমলিন অনুভূতি, একান্ত ভালোবাসা এবং বিশেষত্ব থাকবে।

কিন্তু প্রশ্নটা তখনই আসে, যখন জানা যায়—বিয়ের আগেই কেউ নিজের আবেগ, বিশ্বাস, এমনকি শরীরের ঘনিষ্ঠতাও অন্য কারো কাছে সম্পূর্ণভাবে বিলিয়ে দিয়েছে। স্বামীর চাওয়া পরম সম্পদগুলো যখন- (স্ত্রী তার নিজের শরীর ও প্রথম ভালোবাসা, আবেগ সবই উজাড় করে দিয়েছে অন্য কাওকে! এটা কিভাবে একজন স্বামী মেনে নিবে! সে তো কখনই প্রথম ভালোবাসার প্রকৃত স্বাদ- বাচ্চামি, পাগলামি, ভালোবাসা, আবেগ, শরীরের প্রতি টান, মানসিক শান্তি কিছুই পাবে না, কিছুই না।

তখন স্বাভাবিকভাবেই একজন স্বামীর মনে প্রশ্ন জাগে —
“আমার জন্য নতুন কি রইলো? আমি কি শুধু দায়িত্ব নেওয়ার মানুষ, নাকি বিশেষ হওয়ার জায়গাটাও আমার আছে?”

বিষয়টি শুধু শারীরিক নয়, এটি গভীরভাবে মানসিক। একজন মানুষ চায় তার দাম্পত্য সম্পর্কের ভিত হোক একান্ততা ও পারস্পরিক সংরক্ষণে। বিয়ে মানে শুধু সামাজিক স্বীকৃতি নয়; এটি এমন একটি সম্পর্ক যেখানে দু’জন মানুষ মনে করে — আমি তোমার কাছে বিশেষ, এবং তুমি আমার কাছে অনন্য।

যখন সেই একান্ত অনুভূতির জায়গাটি আগে অন্য কারো সাথে ভাগ হয়ে যায়, তখন অনেকের কাছে সম্পর্কের আবেগগত মূল্য কমে যায়। কারণ মানুষ স্বাভাবিকভাবেই চায় তার জীবনসঙ্গীর কাছে সে হোক প্রথম অগ্রাধিকার, প্রথম বিশ্বাস, প্রথম গভীর সংযোগ।

এখানে মূল কথা কাউকে অপমান করা নয়, বরং একটি বাস্তব অনুভূতি তুলে ধরা—বিয়ে শুধু দায়িত্ব ভাগাভাগি নয়; এটি নিজেকে সংরক্ষণ করে একজন মানুষের জন্য রেখে দেওয়ার এক ধরনের মানসিক অঙ্গীকারও।

যেমন একটি ছেলে নিজের ভবিষ্যৎ গড়তে সময় দেয়, নিজেকে প্রস্তুত রাখে তার স্ত্রীর জন্য– তেমনি অনেকেই আশা করে তার জীবনসঙ্গীও আবেগ, মূল্যবোধ ও ব্যক্তিগত সীমার ক্ষেত্রে একই সম্মান বজায় রাখবে।
কারণ, শেষ পর্যন্ত সংসার টিকে থাকে শুধু ভালোবাসায় নয়, বিশেষ হওয়ার অনুভূতিতে। যেখানে দু’জনই মনে করে—“আমি তোমার জীবনে শুধু একজন নই, আমি তোমার জন্য সংরক্ষিত একজন।”

বিয়ের আগে সব কিছু
অন্য কাউকে দিয়ে দিলে, স্ত্রী’র জন্য কী থাকে?
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞
একটি মেয়ে বিয়ে করে স্বপ্ন নিয়ে — সে চায় তার স্বামী হোক তার জীবনের প্রথম অগ্রাধিকার, প্রথম বিশ্বাস, প্রথম গভীর টান।

কিন্তু যখন জানতে পারে, বিয়ের আগেই স্বামী তার আবেগ, মানসিক সমর্পণ এমনকি শরীরের ঘনিষ্ঠতা সবটুকু অন্য কাউকে দিয়ে ফেলেছে, তখন স্ত্রীর মনে প্রশ্ন জাগে,

“আমার জন্য নতুন কী রইল?”

স্ত্রী চান না তিনি হন শুধু আইনগত সঙ্গী, গৃহস্থালির অংশীদার। তিনি চান হোন অনন্য, চান স্বামীর কাছে সেই মানুষ যার জন্য তিনি নিজেকে সংরক্ষিত রেখেছিলেন। কিন্তু স্বামী তার শরীর ও প্রথম ভালোবাসা, আবেগ সবই দিয়ে দিয়েছে অন্য জনকে! এটা কিভাবে একজন স্ত্রী মেনে নিবে! সে তো কখনই প্রথম ভালোবাসার প্রকৃত স্বাদ- বাচ্চামি, পাগলামি, ভালোবাসা, আবেগ, শরীরের প্রতি টান, মানসিক শান্তি কিছুই পাবে না।

যখন স্বামী আগেই সব দিয়ে ফেলে, তখন স্ত্রীর হাতে আসে শুধু—
—দায়িত্বের বোঝা,
—অতীতের ছায়া,
—আর ‘পরে আসা’ হওয়ার হতাশা।

বিয়ে টিকে থাকে বিশেষত্বে। আর সেই বিশেষত্বের জায়গা যদি আগেই অন্য কেউ নিয়ে নেয়, তাহলে স্ত্রীর জন্য কী থাকে আমৃত্যু হতাশা, কষ্টে বুকটা ফেটে যাওয়া।

শুধু একটা শূন্যতা — “আমি কি কারও সম্পূর্ণ ছিলাম না?”

📌 ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে Guidelines to Jannah কে ফলো দিয়ে রাখুন।👍🌻💛

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Guidelines to Jannah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share