চৈতন্য জ্ঞান-Chaitanya gyan

চৈতন্য জ্ঞান-Chaitanya gyan Divine Grace, Love, advice to the mankind irrespective of cast,creed and color, to the last corner.

শ্রীবাস অঙ্গনে আশ্চর্য ঘটনা!মহাপ্রভু যথারীতি সংকীর্তনে নৃত্য করছেন। সঙ্গে অন্তরঙ্গ পার্ষদ নরহরি, গদাধর প্রভৃতি ও  ভক্তগণ...
21/11/2025

শ্রীবাস অঙ্গনে আশ্চর্য ঘটনা!

মহাপ্রভু যথারীতি সংকীর্তনে নৃত্য করছেন। সঙ্গে অন্তরঙ্গ পার্ষদ নরহরি, গদাধর প্রভৃতি ও ভক্তগণ।

দক্ষিণেতে নরহরি বামে গদাধর।
শ্রীবাস অঙ্গনে নাচে গৌরাঙ্গ সুন্দর।।-----শ্রীচৈতন্য মঙ্গল।

ভক্তগণ হঠাৎ দেখলেন মহাপ্রভুতে রসরাজভাব এবং তিনি শৃঙ্গার রসাত্মক কৃষ্ণপীতবর্ণ ধারণ করলেন। নরহরি সরকার নিজসিদ্ধ নাগরীস্বরূপে "মধুমতি" হলেন এবং গদাধর পণ্ডিত "রাধারাণী" হলেনঃ-

নরহরি ভুজে ভুজ আরোপিয়া।
শ্রীবাস অঙ্গনে নাচে গৌর বিনোদিয়া।।
গৌরদেহে শ্যাম তনু দেখে ভক্তগণ।
গদাধর রাধারূপ হৈলা তখন।।
নরহরি মধুমতি হৈলা সে ক্ষণে।
দেখিয়া বৈষ্ণবগণ হরি হরি বোলে।।----শ্রীচৈতন্যমঙ্গল।

অর্থাৎ শ্রীবাস অঙ্গনে মহারাস সংঘটিত হলো। যথা শ্রীচৈতন্যভাগবতেঃ-

অহর্নিশ ভক্ত সঙ্গে নাচে বিশ্বম্ভর।
প্রাপ্তি নাহি কারো সব নিত্য কলেবর।।
বৎসরেক নাম মাত্র কত যুগ গেল।
চৈতন্য-আনন্দে সব কিছু না জানিল।।
যেন মহা রাসক্রীড়া কত যুগ গেল।
তিলার্দ্ধেক হেন সব গোপিনী মানিল।।----চৈ,ভা ২/৮

আবতারিক দেহে গৌরশক্তি নরহরি-গদাধরাদি পুরুষ, কিন্তু ভাবদেহে সকলই প্রকৃতি। ভাবরাজ্যে একমাত্র পুরুষ শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য মহাপ্রভু।

"সত্য সত্য গদাধর কৃষ্ণের প্রকৃতি"।---চৈ,ভা ২/১৮

বিস্তারিত প্রবন্ধের লিংকঃ-
১)
https://www.facebook.com/share/p/1ZMMkq3uKs/

২)
https://www.facebook.com/share/p/17TLbdpiAk/

৩) https://www.facebook.com/share/p/1B6C7ADDct/
জয় গৌরভক্তবৃন্দ।

পাণ্ডরপুর শহরটি মহারাষ্ট্রের সোলাপুর জেলায়, ভীমা নদীর তীরে অবস্থিত। কথিত আছে যে, শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু যখন পাণ্ডরপুরে আসেন...
02/06/2025

পাণ্ডরপুর শহরটি মহারাষ্ট্রের সোলাপুর জেলায়, ভীমা নদীর তীরে অবস্থিত। কথিত আছে যে, শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু যখন পাণ্ডরপুরে আসেন, তখন বিঠ্ঠল ভগবানকে দেখে আনন্দে আত্মহারা হয়ে যান।

শ্রীচৈতন্যচরিতামৃতের মধ্যলীলার ৯.২৮২ নম্বর শ্লোকটি নিম্নরূপ:
**তথা হৈতে পাণ্ডরপুরে আইলা গৌরচন্দ্র
বিঠ্ঠল-ঠাকুর দেখি' পাইলা আনন্দ ॥ ২৮২ ॥ **

আর, এই বিঠ্ঠল ভগবানের এক পরম ভক্ত ছিলেন, সাধু "তুকারাম বল্লাল", যিনি মারাঠী ভাষায় সুন্দর ও অপূর্ব মধুর সংগীত রচনা করেছেন। তাই, মহারাষ্ট্র রাজ্যে অত্যন্ত বিখ্যাত হয়ে ওঠেন এবং রাজ্যজুড়ে সংকীর্তন আন্দোলন ছড়িয়ে দেন। আজও, তুকারামের কীর্তন দল মুম্বাই এবং সমগ্র মহারাষ্ট্র রাজ্যে খুবই জনপ্রিয়। তাঁর গ্রন্থ অভঙ্গ। তাঁর কীর্তন দলটি গৌড়ীয় বৈষ্ণব কীর্তন দলের মতোই, কারণ তারাও মৃদঙ্গ এবং করতালের সাহায্যে ভগবানের পবিত্র নাম জপ করে।জাতপাত, সম্প্রদায়কে তুচ্ছজ্ঞান করে, শুধু ভক্তি-মুক্তিকেই প্রাধান্য দিতেন।
দুজন সমসাময়িক না হলেও তাদের আধ্যাত্মিক ভাবধারা, জ্ঞান, ও ভক্তি আন্দোলনের উদ্দেশ্য অভিন্ন।
—————————————————————
বিঃদ্রঃ [বিঠ্ঠল ভগবান (বা ভিটোবা, পাণ্ডুরঙ্গ, বিট্টাল নামে পরিচিত) হলেন হিন্দুধর্মের ভগবান বিষ্ণুর এক বিশেষ রূপ, যিনি মূলত মহারাষ্ট্র ও কর্নাটক অঞ্চলে বিশেষভাবে পূজিত হন।]

27/03/2025
18/02/2025

মাধবেন্দ্র পুরী উড়িষ্যার অভিমুখে চললেন, তখন পথে রাজায় রাজায় বিরোধ, পথ অতি দুৰ্গম ও বিপদসঙ্কুল। মাধবেন্দ্রের মাত্ৰ কটিবাস সম্বল, বিপদ সম্পদ তাঁর জ্ঞান নেই।-- তিনি রেমুনা নগরীতে উপস্থিত হয়ে গোপীনাথ-বিগ্ৰহ দৰ্শন করলেন, এই বিগ্রহকে ক্ষীরাভোগ দেওয়া হয়-গোপীনাথের ক্ষীরভোগ অতি প্ৰসিদ্ধ । মাধবেন্দ্র ভাবলেন, “যদি এই ক্ষীরের একটু আস্বাদ পেতাম তবে আমি বৃন্দাবনে গিয়ে গোপালকে এইরূপ ক্ষীরভোগ দিতে পারতাম।” কিন্তু পরক্ষণেই মনে বিবাগ উপস্থিত হল,
“ছিঃ, আমার ক্ষীর খাবার জন্য জিহ্বার লালসা এখনও গেলনা ?”
অনুতপ্ত হয়ে তিনি বাজারের একটু দূরে একটি গাছের তলায় বসে গোপালের চিন্তায় ধ্যানমগ্ন হলেন। তখন বেলা পড়ে গেছে। গোপীনাথ-মন্দিরের প্রধান পাণ্ডা ভগবান শ্রী কৃষ্ণকে ভোগ দেওয়ার পর নিজে প্রসাদ খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েছেন, এমন সময়ে হঠাৎ ঘুম ভেঙে তিনি চমকে উঠলেন, এবং দ্রুতগতিতে মন্দিরে গিয়ে দেখিলেন-গোপীনাথের পিছনে তাঁর উত্তরীয়র সঙ্গে কিছুটা ক্ষীর বাধা আছে।
তখন পাণ্ডার দুই চক্ষু জলে পূর্ণ।
তিনি উচ্চস্বরে বললেন, “গোপীনাথ "আমায় বলছেন, ‘আজ আমি ভোগ খাই নি, কারণ আমার শ্রেষ্ঠ ভক্ত মধবেন্দ্র পুরী না খেয়ে আছেন। তাঁর জন্য আমি আঁচলে কিছুটা ক্ষীর বেঁধে রেখেছি , আগে মধবেন্দ্র পুরীকে ক্ষীর খাইয়ে এস, তবে আমি প্রসাদ গ্রহণ করবো ।” ”
সেই ক্ষীর খণ্ড হাতে করে পাগলের মত পাণ্ডা বাজারে ছুটলেন,
“এমন ভাগ্যবান কে যার জন্য স্বয়ং গোপীনাথ ক্ষীর চুরি করেছেন, তাঁর দর্শন এবং মহা পবিত্র
স্পর্শ কখন পাবো ?
চিৎকার করে বললেন কোন সন্নাসীর নাম মধবেন্দ্র পুরী ?” এই চীৎকারে মধবেন্দ্র পুরীর ধ্যানভঙ্গ হইল, তিনি ধরা দিলেন ।
এরই মধ্যে বিশাল জনতা মধবেন্দ্র পুরীকে
ঘিরে ধরলো। তিনি সমস্ত শুনে রোমাঞ্চিত কলেবরে ক্ষীরপ্রসাদ পেলেন এবং মহা আনন্দে নৃত্য করতে লাগলেন, সেই সঙ্গে সঙ্গে সমস্ত রেমুনাবাসীর আবাল - বৃদ্ধ - বনিতা নৃত্য করতে লাগলেন—– তারা মধবেন্দ্র পুরীর সঙ্গ ছাড়তে চায় না কেউ। কিন্তু যশ প্ৰতিষ্ঠা বৈষ্ণবদের চোখে অতি ঘৃণার বিষয়, এই প্ৰতিষ্ঠায় ভয় পেয়ে সন্ন্যাসী রেমুনা হইতে উদ্ধার পাবার পথ খুজতে লাগলেন ;
রাত্রে তিনি উৰ্দ্ধশ্বাসে ছুটে পলিয়ে বহুদূরে চলে গেলেন। — এখনও বৃন্দাবনের পাণ্ডারা বাংলায় রচিত এই দুইটি চরণ আবৃত্তি করে থাকে-
“ধন্য ধন্য মহাভক্ত মাধবেন্দ্র পুরী।
যার জন্য গোপীনাথ ক্ষীর করিলেন চুরি।”
গোপীনাথের এই চুরির আখ্যা এখনও যায়নি –এখনও রেমুনার গোপীনাথ “ক্ষীর-চোরা গোপীনাথ” নামে পরিচিত ।
পুরী হইতে চন্দন লইয়া মাধবেন্দ্ৰ বৃন্দাবনে ফিরে আসলেন। দাক্ষিণাত্যে শ্ৰীপৰ্ব্বতে মাধবেন্দ্ৰ পুরীর সঙ্গে নিত্যানন্দের দেখা হয়েছিল। মাধবেন্দ্রের ভক্তি অসাধারণ -আকাশে মেঘোদয় হইলেই তিনি কৃষ্ণস্ৰমে মুগ্ধ দৃষ্টিতে চাহিয়া থাকিতেন এবং মুছিত হইয়া পড়িতেন।

“মাধবেন্দ্র পুরীর কথা অকথ্য কথন । মেঘদরশনমাত্র হয় অচেতন ৷।”
এই মাধবেন্দ্ৰ পুরীর রচিত শ্লোকগুলি চৈতন্য আগ্রহ সহকারে আবৃত্তি করিতেন।
“যার জন্য গোপীনাথ ক্ষীর করিলেন চুরি।
ধন্য ধন্য মহাভক্ত মাধবেন্দ্র পুরী।"

এই মাধবেন্দ্র পুরী তারপর তীর্থ ভ্রমন করতে করতে বৃন্দাবনে উপনীত হন। তিনি গিরিগোবর্ধন
পরিক্রমা করে যমুনায় স্নান সেরে গোবিন্দকুন্ডের তীরে একটি বৃক্ষ্মুলে বসে প্রেমানন্দে হরিনাম জপ করছিলেন। সে সময় এক গোপ বালক এক ভান্ড দুধ অযাচক মাধবেন্দ্র পুরীকে দিয়ে বললেন,''এই দুধ টুকু তুমি পান কর।
এখানে সবাই মেগে খায়, তুমি মেগে খাচ্ছ না কেন ?'' পুরীপাদ ছোট গোপ বালকের রুপে মুগ্ধ হলেন এবং বললেন, তুমি কি করে জানলে আমি না খেয়ে আছি ? গোপ বালক উত্তর দিল,
'' স্ত্রীলোকেরা রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় তোমাকে দেখে গেছে তারাই আমাকে এই দুধ দিয়ে পাঠালেন। তুমি দুধ টুকু খাও আমি পরে এসে ভান্ডটি নিয়ে যাব ।"
গোপ বালক চলে গেলে দুধ খেয়ে ভান্ডটি ধুয়ে তার জন্য অপেক্ষা করতে লাগল কিন্তু ও এল না এবং পুরীপাদ ঘুমিয়ে গেলেন। পুরীপাদ স্বপ্নে দেখলেন গোপ বালক তাঁকে বলছেন,
'' আমি বহুবছর ধরে এই কুঞ্জের ভিতর পড়ে আছি। তুমি গ্রামের লোকজন নিয়ে এই কুঞ্জ থেকে উদ্ধার কর এবং গিরিগোবর্ধনে যত্ন করে মন্দির স্থাপন করে শীতল জল দিয়ে পরিমার্জন কর। আমি শ্রীকৃষ্ণের প্রপৌত্র ব্রজ্যনাভের স্থাপিত বিগ্রহ আমার নাম গোপাল ।"
তারপর মাধবেন্দ্র পুরীপাদ আশেপাশের গ্রামের লোকজন নিয়ে সেই কুঞ্জ খনন করে ভগবান গোপালকে উত্তোলন করে গিরিগোবর্ধনে স্থাপন করে সেবা পুজা করেন। যা অন্নকূট মহোৎসব নামে পরিচিত।
অন্নকুট শব্দের অর্থ অন্নের পর্বত। দ্বাপরের শেষের দিকে গোবর্ধন পুজা উপলক্ষে বৃন্দাবনের ব্রজবাসীরা যে অন্নকুট মহোৎসবের আয়োজন করেছিলেন, তাতে কৃষ্ণ স্বয়ং গিরিগোবর্ধন রুপ ধারন করে পর্বত-প্রমান ভোগ্যবস্তু খেয়েছিলেন। আর এই কলিয়ুগে প্রায় সাড়ে পাঁচশো বছর পূর্বে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুদ্ধভক্ত মাধবেন্দ্র পুরী কর্তৃক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই উৎসবে স্বয়ং গোপাল পর্বত সমান ভোগ্যসামগ্রীগুলি গ্রহন করেছিল।
বর্তমানে এই গোপাল বিগ্রহ নাথোদ্বারে শ্রীনাথজী নামে বল্লভ-সম্প্রদায়দ্বারা স্বাড়ম্বরে পুজিত হচ্ছে।

''প্রভু কহে--নিত্যানন্দ, করহ বিচার,
পুরীসম ভাগ্যবান জগতে নাহি আর।
দুগ্ধদান ছলে কৃষ্ণ যারে দেখা দিল,
তিনবারে স্বপ্নে আসি যাঁরে আজ্ঞা দিল।
যাঁর লাগি গোপীনাথ ক্ষীর কৈল চুরি,
অতএব নাম হৈল ক্ষীরচোরা করি''।।

শ্রীল মাধবেন্দ্রপুরী ব্রহ্ম-মাধ্ব-গৌড়িয় সম্প্রদায়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আচার্য। তিনি ১৪০০ খ্রিস্টাব্দে আবির্ভূত হন। মাধবেন্দ্রপুরীপাদ ছিলেন কৃষ্ণপ্রেমে উন্মত্ত ও তিনিই রাধাকৃষ্ণের যুগলমূর্তির মহিমা সবার নিকট বিভাতিচিত্তে বর্ননা করেন। তিনিই ছিলেন রাধাকৃষ্ণের ভক্তিতত্ত্ব দানকারী প্রথম সন্ন্যাসী।
তিনি হচ্ছেন শ্রীপাদ লক্ষ্ণীপিতির প্রধান শিষ্য। পরবর্ত্তীতে তিনি অনেক শিষ্য করেন।
তাদের মধ্যে
শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর গুরুদেব ঈশ্বর পুরী অন্যতম,
অদ্বৈত আচার্য, শ্রীমনিত্যানন্দ প্রভু, পরমানন্দ পুরী, ব্রহ্মানন্দ পুরী, রঙ্গপুরী, পুন্ডরীক বিদ্যানিধি ও রঘুপতি উপাধ্যায় প্রমূখ বিখ্যাত ছিলেন।

💚❤️💚🙏🙏রাধে রাধে🙏🙏💚❤️💚🌺🌺শ্রীশ্রী বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর আবির্ভাব তিথি🌺🌺🪷🌺🪷মাঘ মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে নবদ্বীপে আবির্ভূতা হ...
02/02/2025

💚❤️💚🙏🙏রাধে রাধে🙏🙏💚❤️💚
🌺🌺শ্রীশ্রী বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর আবির্ভাব তিথি🌺🌺

🪷🌺🪷মাঘ মাসের শুক্লা পঞ্চমী তিথিতে নবদ্বীপে আবির্ভূতা হয়েছিলেন বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী। সে তিথি ছিলো বিদ্যার দেবী মাতা সরস্বতীর আরাধনার তিথি। নবদ্বীপে প্রতি টোলে টোলে বৈদিক মন্ত্রে দেবী বীণাপাণির আরাধনা চলছিলো। সে সময় নদীয়ার বৈদিক ব্রাহ্মণ দুর্গাদাস মিশ্রের পুত্র রাজপণ্ডিত সনাতন মিশ্রের গৃহ ভরে উঠলো হুলুধবনি ও আনন্দে। সেই গৃহেই আবির্ভূতা হয়েছিলেন মাতা বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী। বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর পিতার নাম সনাতন মিশ্র, মাতার নাম যোগমায়া দেবী।

বাল্যকালেই বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী মা যোগমায়া দেবীর সাথে তিনবার গঙ্গা তে স্নান করতে যেতেন। মা বাবাকে ভক্তি, বিষ্ণু আরাধনা এই নিয়েই বড় হয়েছেন বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী। নবদ্বীপের রাজা বুদ্ধিমন্ত খানের রাজপণ্ডিত ছিলেন সনাতন মিশ্র। স্বচ্ছল অবস্থাসম্পন্ন ছিলেন সনাতন মিশ্র। বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীকেও ছোটবেলা থেকেই স্বচ্ছল অবস্থাতেই মানুষ করেছেন, দৈন্যতার আঁচ লাগেনি বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর শৈশবে।

কালে কালে কন্যা বয়োঃপ্রাপ্ত হলেন। গৃহদেবতার সেবা পূজার ভার নিলেন। বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী মাতা যোগমায়া দেবীর সাথে গঙ্গা স্নানে যাবার কালে নিমাই পণ্ডিতের মাতা শচী দেবীর সাথে প্রায়শই দেখা হত বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর। শচীমা মনে মনে ভাবতেন এই মেয়েটিকে যদি আমার নিমাই এর বৌ করে নিয়ে যাওয়া হত, না জানি কতই ভালো হত।

বিশ্বম্ভর মিশ্র অর্থাৎ নিমাই পণ্ডিতের পাণ্ডিত্যের খ্যাতি দিগদিগন্তে ছড়িয়ে পড়েছে। সর্পাঘাতে নিমাই পণ্ডিতের প্রথমা স্ত্রীর প্রয়াণের পর নিমাই পণ্ডিতের মধ্যে তীব্র বৈরাগ্য ও সংসারের প্রতি অমনোযোগিতাকে লক্ষ্য করে মাতা শচী দেবী খুবই ভীতা ছিলেন। বিশেষত বড় পুত্রের সন্ন্যাস গ্রহণের স্মৃতিকে স্মরণ করে তিনি চিন্তিত ছিলেন। নিমাইকে সংসারমুখী করবার জন্য বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীকে পুত্রবধূ করবেন বলে স্থির করেছিলেন।

কাশীনাথ পণ্ডিত কে ঘটক হিসেবে মধ্যস্থতা করে শুভদিনে শচীদেবী নিমাইয়ের পুনঃবিবাহের জন্য সনাতন মিশ্রের কন্যা বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীকে চাইলেন। সনাতন মিশ্র খুবই খুশী হলেন। যেহেতু নিমাইকে তিনি চিনতেন, এছাড়া বিশ্বম্ভর মিশ্রর পাণ্ডিত্যের খ্যাতি নবদ্বীপের সীমানা ছাড়িয়ে বাহিরেও ছড়িয়ে গেছে। সনাতন মিশ্র সম্মত হলেন। অবশেষে এলো সেই শুভক্ষণ। বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী ও নিমাই পণ্ডিতের বিবাহ সুসম্পন্ন হল।

এরপরে মহাপ্রভু গৃহত্যাগ করলেন। জীবের উদ্ধারের জন্য নিমাই পণ্ডিত গৃহে আর বেশীদিন থাকলেন না। মাঘের শেষে শুক্ল পক্ষে চব্বিশ বছর বয়সে গৃহ ত্যাগ করে চললেন সন্ন্যাস গ্রহণের জন্য। জীবের মুক্তির জন্য সর্বত্র বিতারিত করতে হবে হরি নাম।

বিষ্ণু প্রিয়া গো বিষ্ণু প্রিয়া গো
আমি চলে যাই আমি চলে যাই
তুমি আছো ঘুম ঘোরে আমি চলে যাই।

শ্যামের ও বিরহ লাগি বিরহ বিলাই
আমি চলে যাই।

কি আবেশে বাহু ডোরে
লতায়ে আছিলে মোরে
জাগিয়া দেখিবে আমি নাই
ললাটে কাঁকন হানি সবারে
কহিবে জানি ''কি নিঠুর নদের নিমাই''।

কেমনে বুঝাব কাকে জ্বলিয়াছি -
শ্যাম রাগে, শ্যাম রসে নয়ন ভিজাই,
রাধার বিরহ লয়ে কৃষ্ণাঙ্গ গৌরাঙ্গ হয়ে
হরি নামে পরান বিছাই।

ঘরে কি রহিতে পারে
কৃষ্ণ সাপ কাটে যারে
শ্যাম বিষে জরেছে নিমাই
শোন হে নদীয়া বাসি
আমি কৃষ্ণ অভিলাষী
সে পরশমণি কথা পাই।

বিষ্ণু প্রিয়া গো বিষ্ণু প্রিয়া গো
আমি চলে যাই আমি চলে যাই॥

ঘুমন্ত অবস্থায় বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী স্বামীর গৃহত্যাগের সঙ্কেত পান নি, যখন পেলেন তখন অনেক দেরী হয়ে গেছে। মাতা বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর সাথে এরপর আর কোনদিন স্বামীর দেখা হয় নি।

আজ থেকে ৫১৩ বছর পূর্বে ১৫১০ সালের মাঘ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে বিশ্বম্ভর মিশ্র অর্থাৎ নিমাই পণ্ডিত সন্ন্যাস গ্রহণ করে হলেন “শ্রীকৃষ্ণচৈতন্য”, আর ভক্তদের কাছে “মহাপ্রভু”।

পরবর্তীতে মহাপ্রভু নবদ্বীপে আগমন করলেও, বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী তাঁহার দর্শন পান নি -- কেবল লাভ করেছিলেন ছেড়ে যাওয়া স্বামীর চরণপাদুকা। তাহাই ভক্তিতে সেবা করতেন তিনি। তিনি ছিলেন ব্রহ্মচারিণীর জীবন্ত মূর্তি। খুবুই কঠোর নিয়মে চলতেন। অতি প্রভাতে গঙ্গা স্নান, ইষ্ট দেবতার পূজা, চরণ পাদুকার পূজা, হরিনাম জপ ইত্যাদি করতেন।

মহাপ্রভুর গৃহত্যাগের পর বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী একেবারেই আত্মগোপন করেছিলেন সাধনভজন নিয়ে। স্বামীর অবর্তমানে মিশ্র পরিবারের পূজিত শালগ্রাম শিলার সেবাপূজার ভার গ্রহণ করেছিলেন বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী। জননী শচী ঠাকুরানি, গৃহভৃত্য ঈশান দাস এবং ভক্তদের দায়িত্বও নিয়েছিলেন বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী। শচীমায়ের অন্তর্ধানের পর বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে গেলেন। ভক্তরা এলে দেবীর চরণ দর্শন করতে পারতেন মাত্র। গৃহের বারান্দাতে কাপড়ের পর্দা দেওয়া থাকতো। মাতা বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী তাহার অন্তরালে থাকতেন। ভক্ত সন্তানেরা এসে কেবল মায়ের শ্রীচরণ দর্শন করে ধন্য হতেন। ব্রাহ্মমুহূর্তে উঠে গঙ্গা তে স্নান করে চলে আসতেন ঘরে। সারাদিন আর বেরোতেন না। সূর্যদেবও বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর দর্শন পেতেন না। গৃহস্থালির যা কাজ তা বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর দুই সখী অমিতা আর কাঞ্চনাই করতেন।

একবার নবদ্বীপ থেকে রথযাত্রার আগে ভক্তরা পুরীতে যাচ্ছেন। বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর তো যাবার অনুমতি নেই। তবুও ইচ্ছে স্বামীর পদসেবা যদি করতে পারতাম ! ইচ্ছে বলবতী করেই বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী একজোড়া খড়ম নির্মাণ করালেন এবং ভক্তদের হাতে দিয়ে পাঠালেন। সেই খড়ম পেয়ে মহাপ্রভু প্রথমে স্বীকার করতে চাননি কারণ স্ত্রী সম্ভাষণ তিনি করবেন না। কিন্তু পরে নিত্যানন্দ প্রভু আদি ভক্তদের আকুলতা এবং সর্বোপরি রাজা প্রতাপরুদ্রদেবের অনুরোধে মহাপ্রভু একটিবারের জন্য সেই খড়ম জোড়াতে নিজের পাদপদ্ম প্রবেশ করিয়েছিলেন। অদ্যাবধি সেই খড়ম যুগল পুরীতে গম্ভীরা মঠে বিরাজিত।

মহাপ্রভু ভক্তদের মাধ্যম করে নবদ্বীপে শচীদেবীর জন্য প্রসাদ বস্ত্র ইত্যাদি পাঠাতেন। কিন্তু তাঁর মধ্যে রঙিন বস্ত্রটি পাঠাতেন কার জন্যে ? বিধবা মায়ের জন্য নিশ্চয়ই রঙিন বস্ত্র পাঠাবেন না। মহাপ্রভু স্ত্রী সম্ভাষণ করতেন না শুধুমাত্র সাধারণ মানুষের জন্য ; সন্ন্যাসের আদর্শ প্রতিষ্ঠার জন্য।

পুরীতে গম্ভীরা তে মহাপ্রভু যুগলরস আস্বাদন করতেন স্বরূপ দামোদর আর রায় রামানন্দের সাথে। এদিকে নবদ্বীপে বাড়িতে ঘরের অভ্যন্তরে অমিতা আর কাঞ্চনার সাথে গৌরকথা আস্বাদন করতেন বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী।

পুরীধামে বাসরত মহাপ্রভু নবদ্বীপে ভজনরতা বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীকে স্বপ্নাদেশ দিলেন। যে নিমগাছের তলায় মহাপ্রভু জন্মগ্রহণ করেছেন সেই নিমগাছের কাঠ দিয়েই তৈরি করতে হবে মহাপ্রভুর বিগ্রহ। দাঁইহাটের এক ভাস্করও এই একই স্বপ্নাদেশ পেলেন। সেই ভাস্করের হাতেই নিমগাছের কাঠ দিয়ে মহাপ্রভু নিজের বিগ্রহ তৈরি করিয়ে নিলেন এবং বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী সেই বিগ্রহ সেবা শুরু করলেন।

আজও বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর সেবিত এই গৌরাঙ্গ বিগ্রহ শ্রীধাম নবদ্বীপে ধামেশ্বর মহাপ্রভু নামে সুসেবিত হচ্ছেন। স্বামীর অবর্তমানে মিশ্র পরিবারের পূজিত যেসকল মৃর্তি শালগ্রাম শিলার সেবাপূজার ভার গ্রহণ করেছিলেন বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী, তা আজও শ্রীধাম নবদ্বীপে মহাপ্রভুর মন্দিরে বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর সেবিত সেইসকল মূর্তি শালগ্রাম সেবিত হচ্ছেন। ধামেশ্বর মহাপ্রভুর মন্দিরে আজও নিত্য চারটি পারসে ভোগের আয়োজন হয়ে থাকে। দুটি শালগ্রাম আর গোপালের পারস। আর দুটি গৌর বিষ্ণুপ্রিয়ার। ভোগ নিবেদনের সময় বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর আসন দেওয়া হয় মহাপ্রভুর ডানদিকে। সাধারণত স্বামীর বামেই স্ত্রী থাকেন। ধামেশ্বর মহাপ্রভুর মন্দিরে এই উল্টো রীতি কেননা ডানদিকে বসলেই কাউকে খাইয়ে দিতে সুবিধা হয়। ধামেশ্বর মহাপ্রভুর মন্দিরে বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী গৌরহরিকে নিজের হাতে খাইয়ে দেন। বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর হাতে না খেলে ধামেশ্বর গৌরহরি তৃপ্তি পান না যে !

আজ এই মহাসাধিকা বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর শুভ আবির্ভাব তিথি। গৌরহরির সেবা যিনি সর্বসমক্ষে এনেছিলেন অথচ নিজে অন্তরালে চলে গেছিলেন এই মহীয়সী নারী। মহাপ্রভু সন্ন্যাসী হয়েছিলেন বলেই হয়ত বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী এইভাবে নারীত্বের আদর্শ তুলে ধরতে পেরেছেন বিশ্ববাসীর সামনে। অজ্ঞ সন্তান কে সুপথে চালাবার জন্য জগতজননী স্বয়ং আচরণ করে ধর্মের আদর্শ স্থাপন করলেন। তিনি যখন পূজাসনে বসতেন, ধ্যানে এত টাই নিমগ্ন হয়ে যেতেন, বোঝাই যেতো না তিনি সশরীরে আছেন কি দেহ রেখেছেন। এমন প্রবাদ আছে মাতা বিষ্ণুপ্রিয়া দেবী শেষ সময়ে মহাপ্রভুর সেই চরণপাদুকা বক্ষে নিয়ে লীলা সংবরণ করেছিলেন।

ত্যাগ, ব্রহ্মচর্য, নিষ্ঠার জীবন্ত রূপ মাতা বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর পাদপদ্মে শতকোটি প্রণাম।

জয় জগন্নাথ 🙏🙏❤️পুরীতে আজ স্নানযাত্রা, এই বিশেষ দিনেই মর্ত্যে নাকি আবির্ভূত হয়েছিলেন জগন্নাথ দেব।শাস্ত্র বলছে যে জ্যৈষ্ঠ ...
22/06/2024

জয় জগন্নাথ 🙏🙏❤️

পুরীতে আজ স্নানযাত্রা, এই বিশেষ দিনেই মর্ত্যে নাকি আবির্ভূত হয়েছিলেন জগন্নাথ দেব।
শাস্ত্র বলছে যে জ্যৈষ্ঠ মাসের পূর্ণিমা তিথিতে স্বয়ম্ভ‌ু মনুর ‌যজ্ঞের প্রভাবে জগন্নাথ দেবের আবির্ভূত ঘটেছিল। সেই কারণে এই তিথিকে জগন্নাথের জন্মদিন হিসেবে পালন করার নির্দেশ দিয়েছিলেন স্বয়ং মনুই। জগন্নাথ দেবের জন্মদিন উপলক্ষ্যে এই বিশেষ তিথিতে তাই স্নান উৎসব পালিত হয়ে থাকে। জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার রথযাত্রার ১৫ দিন আগে স্নানযাত্রা পালন করা হয়।

স্নানযাত্রার প্রথা:

প্রতি বছর দেবস্নান পূর্ণিমায় এই রীতি পালিত হয়। জ্যৈষ্ঠ পূর্ণিমা তিথিতে স্নানযাত্রা হয় বলে একে স্নান পূর্ণিমা বা দেবস্নান পূর্ণিমা বলা হয়ে থাকে। মহাস্নানের আগে অবধি রত্নবেদীতেই অবস্থান করেন জগন্নাথ। প্রথমে জগন্নাথ, তারপর বলভদ্র, শেষে সুভদ্রাকে পুষ্পাঞ্জলি দিয়ে পুজো করেন মন্দিরের সেবায়েতরা। তারপর তিন ভাই বোনকে নিয়ে যাওয়া হয় স্নানবেদীতে। সুন্দর পট্টবস্ত্র দিয়ে ঢেকে জগন্নাথদেব সহ বলরাম ও সুভদ্রাকে স্নানমঞ্চে নিয়ে আসা হয়। সেই সময় চামর ও তালপাতা দিয়ে তিন দেবতাকে বাতাস করা হয়। সেখানে মঙ্গল আরতি ও সূর্য আরাধনার পর তিনজনকে মহাস্নানের জন্য প্রস্তুত করানো হয়। মন্দিরের দক্ষিণ দিকের দরজায় রয়েছে কুয়ো। সেই কুয়ো থেকে ১০৮ ঘটি জল তুলে সেই জলে স্নান করেন জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রাকে।

জগন্নাথের জ্বর:

স্নানের পর জগন্নাথ ও বলরামের হাতিবেশ বা গণেশবেশ পরানো হয়ে থাকে। কথিত আছে, স্বয়ং জগন্নাথদেব মহারাজা ইন্দ্রদ্যুম্নকে নির্দেশ দিয়েছিলেন যে মহাস্নানের পর তাঁর অঙ্গরাগবিহীন রূপ যেন কেউ না দেখেন। তাই স্নানযাত্রার পর থেকে ১৫ দিন পুরীর মন্দিরের দরজা সাধারণের জন্য বন্ধ থাকে। আবার বলা হয়ে থাকে যে ১০৮ কলসি জলে স্নান করে এরপর জ্বর আসে তিন ভাই বোনেরই। সর্দি জ্বর হওয়ার কারণে তাঁদের এই সময় মন্দিরের অন্য একটি ঘরে আলাদা রাখা হয়। রাজ বৈদ্যের দেওয়া ওষুধ ও পথ্য খেয়ে ১৫ দিন পরে আবার বাইরে আসেন জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রা। এরপর যখন নবমূর্তিতে জগন্নাথদেব নানা বেশভূষায় সুসজ্জিত হয়ে দর্শন দেন তখন সেই উৎসবকে বলা হয় নেত্রোৎসব বা নবযৌবন উৎসব।

সাধু- সাবধান 🙏"গোবিন্দ হয় যদি তব বাহুবল; আস্থায়-নির্মল, প্রেমে সুশীতল,কিছুই রবে না আর; শূন্য হবে তব ধরাতল।"
18/11/2023

সাধু- সাবধান 🙏
"গোবিন্দ হয় যদি তব বাহুবল; আস্থায়-নির্মল, প্রেমে সুশীতল,
কিছুই রবে না আর; শূন্য হবে তব ধরাতল।"

Address

Dhaka

Telephone

+8801521439785

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when চৈতন্য জ্ঞান-Chaitanya gyan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to চৈতন্য জ্ঞান-Chaitanya gyan:

Share