03/03/2026
💖💖শুভ শ্রী গৌরপূর্ণিমা ও মহাপ্রভুর আবির্ভাব তিথি 🙏❤️
"অকলঙ্ক গৌরচন্দ্র দিলা দরশন
সকলঙ্ক চন্দ্রের আর কিবা প্রয়োজন?
কলিকালে নামরূপে কৃষ্ণ-অবতার,
নাম হৈতে সর্বজগৎ নিস্তার।।
গৌরবর্ণ দেহে জাগে কৃষ্ণ-অন্তর ধ্বনি,
নামসংকীর্তনে কাঁদে প্রাণ— “হরি! হরি!” বাণী।
মহাপ্রভুর শিক্ষাষ্টকের প্রথম শ্লোক-
"তৃণাদপি সুনীচেন তরোরিব সহিষ্ণুনা।
অমানিনা মানদেন কীর্তনীয়ঃ সদা হরিঃ।।"
শ্রীচৈতন্য চরিতামৃত (অন্ত্যলীলা ২০.২১)
অর্থ- যিনি তৃণ অপেক্ষা নিজেকে ক্ষুদ্র জ্ঞান করেন, যিনি তরুর মতো সহিষ্ণু, যিনি নিজে মান শূন্য এবং অন্য সবাইকে সম্মান প্রদান করেন, তিনি সর্বক্ষণ হরিকীর্তনের অধিকারী।
৫৪০ বছর আগে আজকের এই পুণ্য লগ্নে নদীয়ার নবদ্বীপে অবতীর্ণ হয়েছিলেন পরম দয়ালু শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু। তিনি আমাদের শিখিয়েছেন যে, পাণ্ডিত্য বা আভিজাত্য নয়, কেবল ভক্তি আর প্রেম দিয়েই ঈশ্বরকে পাওয়া সম্ভব।
মহাপ্রভুর দর্শনের মূল কথা:
🌸 জীবে দয়া: প্রতিটি জীবের মাঝেই ভগবানের অংশ বিদ্যমান, তাই কাউকে ঘৃণা নয়, সবাইকে সেবা ও সম্মান করা।
🌸 নিন্মতা ও ধৈর্য: ঘাসের মতো নম্র এবং বৃক্ষের মতো সহনশীল হওয়া।
🌸 নাম সংকীর্তন: কলিযুগের পঙ্কিলতা থেকে মুক্তির একমাত্র পথ হলো হরিনাম।
আজকের এই পবিত্র দিনে আমাদের প্রার্থনা হোক হিংসা, বিদ্বেষ আর অহংকার মুছে গিয়ে যেন সবার হৃদয়ে শান্তি ও কৃষ্ণপ্রেম জাগ্রত হয়।
"ধন্য কলিযুগ, ধন্য নবদ্বীপ ধাম।
ধন্য শচীমাতা, ধন্য গৌর গুণগান।।"
জয় শচিনন্দন গৌরহরি! 🙏🚩