21/03/2025
হে মুমিন মুসলমান,যে কারনে মুহাম্মদ রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এব্ং আলীউন ওয়ালিউল্লাহ (আঃ)। তিনি কারামাল্লাহু ওয়াজহাহু। মুমিন ও মুনাফিক এবং হক্ব ও বাতিলের মধ্যে পার্থক্যকারী “ঈমানের শীর্ষচূড়া”।
কায়স (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি ‘আম্মার (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, তোমরা আমাকে সে সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবহিত করো যা তোমরা ‘আলী (রাঃ)-এর ব্যাপারে গ্রহণ করেছো। একি তোমাদের সিন্ধান্ত না এ বিষয়ে রসূল (সা.) তোমাদের কোন আদেশ দিয়েছেন?
তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সা.) সর্বসাধারণকে যে কথা বলেননি, এমন কোন কথা তিনি আমাদেরকেও বলে যাননি। তবে হুযাইফাহ্ (রাঃ) আমাকে বলেছেন যে, নবী (সা.) বলেছেন,আমার সাহাবাদের মাঝে বারোজন মুনাফিক লোক আছে। এদের আটজনের জান্নাতে প্রবেশ করা এমনিভাবে অসম্ভব যেমনিভাবে সূচের ছিদ্র দিয়ে উষ্ট্রের প্রবেশ করা অসম্ভব। ই.ফা. ৬৭৭৮, ই.সে. ৬৮৩৩ ), সহিহ মুসলিম মুনাফিকদের আচরণ এবং তাদের সম্পর্কে বিধান -৬৯২৮। সহীহ মুসলিম হা/২৭৭৯; সহীহুল জামি হা/২১৩১,সহীহ আত্ তারগীব ওয়াত তারহীব হা/ ৩৫৫৮)। হাদিসের মানঃ সহিহ।
আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (সাঃ) আমাকে অবগত করলেন যে, মু'মিন ব্যক্তিরাই আমাকে ভালবাসবে এবং মুনাফিক ব্যাক্তিরাই আমার প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করবে। সুত্রঃ সুনানে ইবনে মাজাহ ১১৪, ১১২ মুসলিম ৭৮, তিরমিযী ৩৭১৭, ৩৭৩৬, নাসায়ী ৫০১৮, ৫০২২, আহমাদ ৬৪৩, ৭৩৩, ১০৬৫। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী: সহীহাহ ১৮২০।সহীহ মুসলিম,১ম খন্ড,হাদিস-১৪৪ (ই:ফা:বা:) আশারা মোবাশশারাঃ পৃঃ ১৯৭ (এমদাদিয়া লাইঃ)কাতেবীনে ওহী,পৃঃ ২১২ ( ইসঃ ফাঃ বাঃ)জামে আত তিরমিজি,৬ষ্ঠ খণ্ড, হাদিস ৩৬৫৫,৩৬৫৪ (ইসলামিক সেন্টার ) মিশকাত,১১ম খণ্ড,হাদিস-৫৮৪১ (এমদাদিয়া লাইঃ)হযরত আলী,পৃঃ ১৪,(এমদাদিয়া লাইঃ)আল আওয়াছিম ওয়াল কাওয়াছিম খ: ৮ পৃ: ১১৪
আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) সূত্রে নবী (সাঃ] থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি তোমাদের আগে হাউয-এর কাছে গিয়ে পৌছব। আর (ঐ সময়) তোমাদের কতিপয় লোককে নিঃসন্দেহে আমার সামনে উঠানো হবে আবার আমার সামনে থেকে তাদেরকে পৃথক করে নেয়া হবে। তখন আমি আরয করব, প্রভু হে! এরা তো আমার সাহাবা। তখন বলা হবে, ‘তোমার পরে এরা কি কীর্তি করেছে তাতো তুমি জানো না’।” [বুখারি – ৬১২৭ ইঃ ফাঃ][৬৫৭৫; মুসলিম ৪৩/৯, হাঃ ২২৯৭, আহমাদ ৩৮১২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১২৭),সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৬৫৭৬,হাদিসের মান: সহিহ হাদিস
আবদুল্লাহ্ ইব্নু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (সাঃ) বলেছেনঃ আমি হাউজে কাউসারের নিকট তোমাদের আগেই হাজির থাকব। তোমাদের থেকে কিছু লোককে আমার নিকট পেশ করা হবে। কিন্তু আমি যখন তাদের পান করাতে উদ্যত হব, তখন তাদেরকে আমার নিকট হতে ছিনিয়ে নেয়া হবে। আমি বলব, হে রব! এরা তো আমার সাথী। তখন তিনি বলবেন, আপনার পর তারা কী ঘটিয়েছে তা আপনি জানেন না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৭৩),সহিহ বুখারী ফিত্না ৭০৪৯, হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস
আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, মহান সত্তার কসম! যিনি বীজ থেকে অঙ্কুরোদগম করেন এবং জীবকুল সৃষ্টি করেন, নবী ( সা.) আমাকে (প্রতিশ্রুতি) দিয়েছেন যে, মু’মিন ব্যক্তিই আমাকে ভালোবাসবে, আর মুনাফিক ব্যক্তিই আমার সঙ্গে শ্ত্রুতাপোষণ করবে। (ই.ফা. ১৪৪; ই.সে. ১৪৮) সহিহ মুসলিম ঈমান ১৪৩, হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস
আবুজার গিফারী (রাঃ), আবু সাইদ খুদরী (রাঃ) , আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ (রাঃ) ও জাবির ইবনে আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে যে , " আমরা সাহাবাগন হযরত আলী (রাঃ) এর প্রতি ঘৃণা দ্বারা মুনাফেক খুঁজে বের করতাম ।"সুত্র - কাতেবীনে ওহী , পৃঃ-২১২, (ইসঃ ফাঃ বাঃ) / সহীহ তিরমিজি , খঃ-৫,পৃঃ-৬৩৫ (মিশর) / জামে আত তিরমিজি, খঃ-৬, হাঃ-৩৬৫৪,৩৬৫৫,(ইসলামিক সেন্টার) / ইবনে মাজাহ, খঃ-১,পৃঃ-৫৫ (মিশর) / সহীহ মুসলিম, খঃ-১, হাঃ-১৪৪, (ইসঃ ফাঃ বাঃ) / আশারা মোবাশশারা, পৃঃ-১৯৭, (এমদাদিয়া লাইঃ) / মিশকাত, খঃ-১১, হাঃ-৫৮৪১ (এমদাদিয়া লাইঃ) / সহীহ মুসলিম, খঃ-১, পৃঃ-৬০ (মিশর) / মুসনাদে হাম্বল, খঃ-১, পৃঃ-৮৪,৯৫, এবং খঃ-৬, পৃঃ-২৯২ (মিশর)
হে বিশ্বাসিগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সত্যবাদীদের সঙ্গী হও। (সূরা তওবা ১১৯)।
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেনঃ আলী রয়েছে সত্যের সাথে এবং সত্য রয়েছে আলীর সাথে। ইয়া আল্লাহ্ ! সত্যকে সেই দিকে ঘুরিয়ে দাও যেদিকে আলী যায়। সুত্রঃ তিরমিজি শরীফ,৬স্ট খন্ড, পৃষ্ঠা-২৯৮ (ইসঃ ফাঃ বাঃ), সহীহ তিরমিজি ( সব খন্ড একত্রে) পৃস্টা-১৭২,এবং-১০৭২ (২০১০ইং), তাজ কোং, ঢাকা। তারীখে বাগদাদ, খন্ডঃ-১৪, পৃঃ-৩২১। ইয়ানাবিউল মুয়াদ্দাত, পৃঃ-৯১। তাফসীরে কাবির, খঃ-১,পৃঃ-১১১ (মিশর)। জামেউস সাগির, খঃ-২, পৃঃ-৭৪,৭৫,১১০। ইমামত অর সিয়াসাত, খঃ-১,পৃঃ-১১১। আরজাহুল মাতালেব, পৃঃ-৯৮২। তারীখে খোলফা, পৃঃ-১১৬। ইযাযাতুল খিফা ( শাহ্ ওয়ালী উল্লাহ্ ) খঃ-১, পৃঃ-১৫৮, ৫৪৮, কেফায়াতুত তালেব,অধ্যায়-৪৪।