গাদীরে খুম টু হাউজে কাউসার

গাদীরে খুম টু হাউজে কাউসার আল গাদীর,কিতাবুল্লাহ,আহলে বাইতে রাসূলুল্লাহ,
আলীউন ওয়ালীউল্লাহ্‌,আলীউন হুজ্জাতউল্লাহ্‌।
(Ishq e AbuTurab 💌 Isqh e Najaf) Ali Un (Wali Ul Allah,Hujjat Ul Allah)

29/05/2025

চিন্তামুক্ত, সমৃদ্ধিযুক্ত এবং পরকাল কেন্দ্রিক ইসলামিক রিপাবলিক অফ বাংলাদেশ চাই,- পর্ব-০১ঃ

হেই ভাইসব,ক্ষমতা বিলিয়ে দেওয়া যাবে না বরং ভেবে চিন্তেই সরকার এবং সরকার ব্যবস্থা গঠন করতে হবে। পাশাপাশি পরকালের নাজাতের ব্যবস্থা মাথায় রাখতে হবে। অবশ্যই দুনিয়ার জীবন মূলত আখেরাতের জন্য।

প্রশ্ন হলঃ জাতীয় বা দলীয় সরকার, স্থানীয় থেকে গ্রাম সরকার, নিবন্ধিত দল এমনকি অনিবন্ধিত দল বলেন, উনাদের নিয়ন্ত্রণ করবে কোন সরকার কোন ব্যবস্থায়?

আর যদি তা ঠিক ঠাক না করা হয় তাহলে কি সংস্কার পরিপূর্ণতা পাবে ? আবারও যেই লাউ সেই কদু। চাই
এমন এক স্থায়ী সমাধান, যার মাঝে যেন কোন নোংরা পলিটিক্স ঢুকতে না পারে। তাই প্রথমে চাই মার্কা ছাড়া সরকার অতঃপর মার্কাওয়ালা চরকার।

01/05/2025

ইসলামিক রিপাবলিক অফ বাংলাদেশ,যা ১৯৭৫ সালে খন্দকার মোশতাক আহমেদ চাইলেও ভারত তা করতে দেয়নি। আজ সময়ের দাবী “ইসলামিক রিপাবলিক”।

আর ইসলামপন্থী দল গুলি যদি না দাঁড়াতে পারে এক কাতারে,তবে কোন দলটি হক্বপন্থি তা প্রমান হবে কোন আয়াতে।

আয়াতঃ আর তোমরা সকলে মিলে আল্লাহর রজ্জুকে আঁকড়িয়ে ধর,পরস্পর বিচ্ছিন্ন (ফেরকাবন্দী) হইও না। সূরা-আলে ইমরান ,আয়াত-১০৩

আল হাদিসঃ রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ নিশ্চয়ই আমি তোমাদের মাঝে দু’টি ভারী মূল্যবান জিনিস আমানত হিসেবে রেখে যাচ্ছি। যদি - তোমরা সকলে মিলে তা শক্তভাবে আঁকড়ে ধর তবে কখনই পথভ্রষ্ট হবে না। সেগুলো একটি অপরটির উপর প্রধান্য রাখে।

প্রথমটি আল্লাহর কিতাব (আল কুরআন) যা আসমান হতে জমিন পর্যন্ত প্রসারিত রহমতের ঝুলন্ত রশির ন্যায় এবং অপরটি আমার বংশধর; আমার আহলে বাইত।

কিয়ামত দিবসে হাউযে কাওসারে আমার সঙ্গে মিলিত না হওয়া পর্যন্ত এঁরা কখনও একে অপর হতে আলাদা হবে না। অতএব, তোমরা লক্ষ্য রেখ যে, আমার ছেড়ে যাওয়া আমানতের সঙ্গে কিরূপ আচরণ করবে। সূত্রঃ আল গাদীর

আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন,রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, মাহদী আমাদের আহলে বাইত থেকে হবে। আল্লাহ তা’আলা তাকে একরাতে খিলাফতের যোগ্য করবেন। হাদিসের মানঃ সহীহ্

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেছেন,“মাহদী আমার মেয়ে ফাতিমার সন্তানদের মধ্য থেকে হবে"।হাদিসের মানঃ সহীহ্

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তোমাদের মধ্যে সবার আগে হাউজে কাওসারে প্রবেশ করবে সেই ব্যক্তি যে সবার আগে ইসলাম গ্রহণ করেছে। আর সে হলো আলী ইবনে আবি তালিব। হাদিসের মানঃ সহীহ্

বাংলাদেশের ইতিহাসে এর চেয়ে উত্তম সময় আমাদের জন্য আর আসবে বলে মনে হয় না। তাই থাকতে সময় যদি লক্ষ্যে পৌঁছানো না যায় তাহলে ভ...
24/04/2025

বাংলাদেশের ইতিহাসে এর চেয়ে উত্তম সময় আমাদের জন্য আর আসবে বলে মনে হয় না। তাই থাকতে সময় যদি লক্ষ্যে পৌঁছানো না যায় তাহলে ভবিষ্যৎ অন্ধকার।

যেহেতু ভোট প্রদান শেষে জনগনের পরিচয় হয় প্রজা, তাই সকলে মিলে দেশের স্বার্থে খুঁজি একজন ‘রাজা”।

জনাব তারেক রহমান, নুরুল হক্ব নুরসহ আরো যারা আছেন দেশ-দরদী, এই যাত্রায় ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস সাহেব আছেন সবার চেয়ে - বিদ্বান, বুদ্ধিজীবী।

14/04/2025

আফসোস! ইহুদীদের মাঝে হারিস, মারহাব,ইয়াসিরগং আজো বর্তমান। কিন্তু মুসলমানদের মাঝে আলী নাই। হে মুমিনগণ! স্বরন করি কামূস দুর্গ বিজয়ের ইতিহাস।

যুদ্ধের ময়দানে প্রায় আঠারো দিন পেরিয়ে গেলো কিন্তু কাঙ্ক্ষিত বিজয় তখনও অনিশ্চিত। হারিস বেশ কিছু সিপাহী সাথে নিয়ে কামূস দুর্গ থেকে বেরিয়ে এলো।
সে উচ্চস্বরে ঘোষণা দিলোঃ হে মুহাম্মদ! আমি হারিস বলছি। হেই মুহাম্মদ! এই এলাকা ছেড়ে চলে যাও। আর যদি না যাও তবে তোমাকে এমন শিক্ষা দেওয়া হবে যা তুমি কখনো ভুলতে পারবে না। সে নিজেকে ইহুদিদের বীর যোদ্ধা দাবী করে এবং রাসুল (সাঃ)সহ উপস্থিত যোদ্ধাদের তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে দুর্গের ভিতরে ফিরে গেল।

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) ঘোষণা দিলেনঃ আগামীকাল পতাকা এমন কারো হাতে তুলে দেব যাকে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল ভালোবাসেন। আর সেও আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলকে ভালোবাসে। সে অবিচল দৃঢ়পদ, কখনো পলায়ন করে না। যখন সকাল হলো, বললেনঃ আলী’ কোথায়? খাসায়েসে নাসায়ী: ৬, সহীহ বুখারী ৫:৮৭ /১৯৭-২৭৯/২৩১, সহীহ মুসলিম ৪:১৮৭১/৩২-৩৪, সুনানে তিরমিযী ৫:৬৩৮/৩৭২৪, মুসনাদে আহমাদ ১:১৮৫ ও ৫: ৩৮৫।

সাহাবীগণ বললেন,ইয়া রাসুলাল্লাহ আলী (রাঃ)তো চক্ষু রোগে আক্রান্ত অবস্থায় আছেন। রাসুল (সাঃ) বললেন, তাকে সংবাদ পাঠাও। আলী (রাঃ) এলেন। রাসুল (সাঃ) তাঁর চোখে থু থু লাগিয়ে দিলেন এবং বললেন, “এই তরবারি গ্রহণ কর যা আল্লাহ্ তাআলা তোমার হাতে সোপর্দ করেছেন। এগিয়ে যাও যতক্ষণ না আল্লাহ্ তাআলা তোমার হাতে বিজয় দান করেন,ততক্ষণ লড়াই করে যাও।”(সহীহুল বুখারী ২৯৪২, ৩০০৯, ৩৭০১, ৪২১০, মুসলিম ২৪০৬, আবূ দাউদ ৩৬৬১, আহমাদ ২২৩১৪) হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস

হযরত ‘উমার (রাঃ) বলেন, শুধু ঐ দিনটি ব্যতীত আমি কখনো নেতৃত্ব লাভে আশা করিনি। এ প্রত্যাশা নিয়ে আমি রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ)-এর নিকট গেলাম, হয়ত এ কাজের জন্য আমাকে ডাকা হতে পারে। রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) আলী ইবনু আবূ তালিবকে ডেকে তাঁর হাতে পতাকা দিলেন। (ই.ফা. ৬০০৪, ই.সে. ৬০৪৩) সহিহ মুসলিম সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) ৬১১৬ হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস

অতঃপর আলী (রাঃ) সামান্য অগ্রসর হয়েই থামলেন, এদিক-সেদিক তাকালেন না। চিৎকার করে বললেনঃ ইয়া রাসুলুল্লাহ,কোন কথার উপর আমি তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করব? রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেনঃ তাদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাও যে পর্যন্ত না তারা সাক্ষ্য প্রদান করে ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ, মুহাম্মাদ রাসুলুল্লাহ।(ই.ফা. ৬০০৪, ই.সে. ৬০৪৩) সহিহ মুসলিম সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) ৬১১৬, হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস

হারিসের লাশ দুর্গের ভিতরে নেওয়া হল। কিছুক্ষণ পর মারহাব অনেক গুলো সিপাহী নিয়ে দুর্গের ভিতর থেকে বেরিয়ে এলো। মারহাবঃ তো তুমি! তুমি আমার ভাই হারিসেকে হত্যা করেছ? জবাবে হযরত আলীঃ আমি তাকে শান্তি এবং নিরাপত্তার প্রস্তাব দিয়েছি কিন্তু সে যুদ্ধে লিপ্ত হয়।। আর একই প্রস্তাব আমি তোমাকেও দিচ্ছি। জবাবে মারহাবঃ আমাকে? হযরত আলীঃ হা তোমাকে। মারহাবঃ কি? আমি হব মুসলমান? আমি মুসলমানদের রক্ত পান করতে এসেছি।

হযরত আলীঃ আল্লাহর সকল দ্বীন একটি আরেকটির ধারাবাহিকতা। যে রাস্তায় হযরত আদম (আঃ) ও নূহ (আঃ), মুসা (আঃ) ও ঈসা (আঃ) এর পথ ধরে এসেছে। সে একই রাস্তায় আমাদের নবী মুহাম্মদ মোস্তফা (সাঃ) মহান আল্লাহর সর্বশেষ নবী এবং রাসুল।

মারহাবঃ তোমরা আমাদের শত্রু। হযরত আলীঃ সকল নবীর উদ্দেশ্য এক। মারহাবঃ আমাদের নবী মুসা সবার চেয়ে শ্রেষ্ট। হযরত আলীঃ তোমাদের নবী আমাদেরও নবী। জবাবে মারহাবঃ আমাদের জন্য আমাদের দ্বীন তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন। যদি মঙ্গল কামনা কর তাহলে মুহাম্মদকে নিয়ে এই এলাকা থেকে বিদায় হও।

মারহাবঃ আলী! খায়বার খুব ভাল করেই জানে আমি মারহাব কতটা ভয়ংকর। যার অস্ত্র ক্ষুরধার ও যুদ্ধের জন্য পরিক্ষিত। কখনো আমি বর্শা দ্বারা বিদ্ধ করি কখনো বা তরবারি দ্বারা আঘাত করি। হযরত আলীঃ মারহাব! আমি আলী ইবনে আবু তালিব। আমার মা আমার নাম রেখেছেন হায়দার’,যার দর্শন বন্য সিংহের মত ভয়ঙ্কর।

অবশেষে উভয়ের মাঝে অনুষ্ঠিত হয় একটি ভয়ংকর যুদ্ধ। ফলাফলঃ হযরত আলী (রাঃ) মারহাবকে হত্যা করে ফেলেন । মারহাবের এমন পরাজয় দেখে ইহুদী সেনাদল তার লাশ ফেলেই দ্রুত দুর্গের ভিতর পলায়ন করে। এমতাবস্থায় হযরত আলী (রাঃ) দুর্গের মূল ফটক খুলে ফেলেন। তাতে মুসলিম সেনাদের দুর্গের ভিতরে প্রবেশ এবং ইহুদী সেনাদের মোকাবিলা করতে আর কোনো বাধা রইলো না। অবশেষে মুসলিমদের বিজয় নিশ্চিত হলে হযরত আলী (রাঃ) দুর্গের উঁচু মিম্বারে উঠেন এবং তিনি সেখানে ইসলামের বিজয় পতাকা ঝুলিয়ে দেন।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ যদি আসমানসমূহ এবং জমিনকে দাঁড়িপাল্লার একপাশে আর আলীর ঈমানকে আরেক পাশে রাখা হয় তাহলে আলীর ঈমানের পাল্লা ভারী হবে।
আর রিয়াদুন নাদরাহ ৩:২০৬, আল ফেরদৌস ৩:৩৬৩/৫১০০, ইমাম আলী (আঃ) – ইবনে আসাকির ২: ৩৬৪/৮৭১ ও ৩৬৫/৮৭২, আল মানাকিব-খারেযমী : ৭৭-৭৮।

28/03/2025

ঈমানের ওজন? স্মরণ করা যাক সেই দিনটি। মদীনা অবরোধকারী কাফির এবং ইহুদি গোত্রের ইসলামের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়া। নবী (সাঃ)-কে হত্যা করাসহ মুসলমানদের নাম-নিশানা দুনিয়া থেকে নিশ্চিহ্ন করা ছিল আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

প্রায় দশ হাজার কাফির সেনার মধ্য হতে দুর্ধর্ষ পাঁচ যুদ্বাঃ আমর ইবনে আবদে উদ,ইকরামাহ্ ইবনে আবী জাহল,হুবাইরা ইবনে ওহাব,নওফেল ইবনে আবদুল্লাহ এবং যিরার ইবনে খাত্তাব- গংদের মোকাবিলা করা যে অতীব জরুরি হয়ে পড়ে। প্রশ্ন হল এটা কুস্তি খেলা নয় যে হেরে গেলেও বেচে গেলাম। মোকাবিলা করতে হবে তরবারি হাতে তরবারির বিরুদ্ধে, যা অতীব ভয়ংকর।

মুসলিম সেনাবাহিনীতে প্রায় তিন হাজার সদস্য।সমস্যা হল মল্লযুদ্ধে প্রতিপক্ষের মুখোমুখি দাড়াতে কেউ রাজি হচ্ছিলেন না। এরই মাঝে নবীজির পাশে দাঁড়ানো প্রথম সারির একজন হাত উঁচু করে জানান দিলেন। মুসলিম শিবির জুড়ে আলোচনায় তখন “আলী ”!!

তিনি বিনয়ের সাথে প্রস্তাব করেন‘ইয়া রাসুলুল্লাহ আমি প্রস্তুত আমাকে অনুমতি দিন। কিন্তু নবীজি তাতে সাড়া দিলেন না। তিনি অপেক্ষায় আছেন অন্য সকলের মধ্য থেকে কেউ এগিয়ে আসে কিনা। আলী (রাঃ) আবারও আরজ করেন, ‘ইয়া রাসুলুল্লাহ আমি প্রস্তুত। নবী (সাঃ) এবারও নিরব রইলেন । এদিকে যুদ্ধক্ষেত্রে কাফিরদের হুঙ্কারধ্বনি ও আস্ফালন এবং অনিষ্টতা বেড়েই চলছে।

নিরুপায় নবী ( সাঃ) অবশেষে সম্মত হলেন এবং তিনি আলী (রাঃ)এর হাতে তরবারি তুলে দিলেন। তিনি (সাঃ) আল্লাহর দরবারে এই বলে মিনতি করেনঃ হে আল্লাহ আলীকে শত্রুর আঘাত থেকে রক্ষা করুন। হে আল্লাহ আমাকে একাকী করবেন না, আর আপনিই সর্বশ্রেষ্ঠ উত্তরাধিকারী।

প্রস্তুত আলী হায়দার। আমরঃ কে তুমি? বর্ম পরিহিত আলী (রাঃ) বললেন,‘আমি আলী ইবনে আবী তালিব। আমরঃ “আমি তোমার রক্ত ঝরাব না। তোমার পিতা ছিলেন আমার পুরনো বন্ধু। আমি তোমার চাচাত ভাই মুহাম্মদের ব্যাপারে ভেবে অবাক হচ্ছি যে সে কোন্ ভরসায় তোমাকে আমার সাথে লড়াই করার জন্য পাঠিয়েছে!! আমি তোমাকে না জীবিত না মৃত এমন অবস্থায় বর্শায় গেঁথে শূন্যে ঝুলিয়ে রাখতে পারি”।

জবাবে হযরত আলী (রাঃ) বললেনঃ তুমি আমার মৃত্যু নিয়ে চিন্তা করোনা। আমি উভয় অবস্থায় সৌভাগ্যবান। আমি নিহত হই বা তোমাকে হত্যা করি। সকল অবস্থায় জাহান্নাম তোমার জন্য অপেক্ষা করছে। আমরঃ আলী এই ধরনের বণ্টন ন্যায়ভিত্তিক নয় যে জান্নাত এবং জাহান্নাম উভয় তোমার সম্পত্তি হবে-।

অতঃপর হযরত আলী (রাঃ) আমরকে যে কয়টি প্রস্তাব করেন আর তা ছিলো প্রথমতঃ আমর-কে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ। জবাবে আমরঃ “আলী! এটা বাদ দাও। কারণ তা সম্ভব নয়। দ্বিতীয় প্রস্তাবঃ যুদ্ধ থেকে ক্ষান্ত হও এবং মুহাম্মদ (সাঃ)-কে তাঁর নিজ অবস্থার ওপর ছেড়ে দাও এবং যুদ্ধক্ষেত্র ত্যাগ কর। আমরঃ এমন প্রস্তাব আমার জন্য লজ্জাজনক। আরবের কবিরা আমার ব্যাপারে ব্যঙ্গ করবে এবং তারা ভাববে, আমি ভয় পেয়ে এমন কাজ করেছি। তখন আলী (রাঃ) বলেনঃ “এখন যখন তোমার প্রতিপক্ষ যুদ্ধক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে, তাহলে তুমিও তোমার ঘোড়া থেকে নেমে এসো”।

জবাবে আমরঃ আলী! আসলে এটি একটি তুচ্ছ প্রস্তাব মাত্র। আমি কখনোই ভাবিনি যে কোনো আরব আমার কাছে এমন প্রস্তাব করতে পারে! অতপর আমর তার ঘোড়া থেকে নেমেই উত্তেজিত হয়ে নিজের ঘোড়ার পা কেটে ফেলে। তাতে করে ঘোড়াটি মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। সে উপস্থিত সবার মাঝে আতঙ্কের সৃষ্টি করে এবং এক পর্যায়ে উভয়ের মাঝে প্রচন্ড লড়াই বেধে যায়।

ফলাফলঃ আমর ইবনে আবদে উদ ও নওফেল ইবনে আবদুল্লাহ্ পরিখার নীচে আলী (রাঃ)-এর তরবারির আঘাতে নিহত হয় এবং বাকিরা দ্রুত পলায়ন করে। অতঃপর যুদ্ধক্ষেত্রের দৃশ্যপটে পরিবর্তন এবং মুসলিম শিবিরে স্বস্তি আসে। উচ্চস্বরে বিজয়ের ধ্বনি ধ্বনিত হয় আহাদুন আহাদ, আহাদুন আহাদ। অবশেষে আসে আল্লাহর সাহায্য,বালুময় তুফান এবং আল্লাহর বাহিনী।

খন্দকের যুদ্ধে রাসূল (সা:) যে দোয়া পড়ে আল্লাহর নিকট সাহায্য কামনা করেছিলেনঃ হে আল্লাহ! হে কিতাব নাজিলকারী! হে তড়িৎ হিসাব গ্রহণকারী! আপনি শত্রু বাহিনীকে পরাস্ত করুন। তাদের পরাস্ত করুন এবং তাদের প্রকম্পিত করে দিন। বুখারি ৬৩৯২

আয়াতঃ হে মুমিনগণ!তোমরা তোমাদের প্রতি আল্লাহর নেয়ামতের কথা স্মরণ কর,যখন শত্রুবাহিনী তোমাদের নিকটবর্তী হয়েছিল,অতঃপর আমি তাদের বিরুদ্ধে (প্রচণ্ড) ঝঞ্ঝাবায়ু এবং এমন সৈন্যবাহিনী প্রেরণ করেছিলাম,যাদেরকে তোমরা দেখতে পাচ্ছিলে না। তোমরা যা কর, আল্লাহ তা দেখেন। (৩৩:৯)

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ "খন্দকের যুদ্ধে আলীর তরবারির আঘাতের মূল্য নিঃসন্দেহে কেয়ামত পর্যন্ত আমার উম্মতের সমুদয় কর্মের চাইতে অধিক মূল্যবান"। আল হাকিম সংকলিত আল মুস্তাদরাক, ৩০তম খণ্ড, পৃ. ৩০-৩২,তারীখে বাগদাদ ১৩:১৯, আল মানাকিব-খারেযমী ১০৭/১১২,(তারীখে বাগদাদ ১৩:১৯,আল্লামা ইযযুদ্দীন ঈজী প্রণীত ‘কিতাবে মুওয়াফেক’ ইস্তামবুলে মুদ্রিত-পৃঃ ৬১৭।, ফখরুদ্দীন রাজী প্রণীত নেহায়াতুল উকুল ফি দেরায়াতিল উসুল। পা-ুলিপি-পৃঃ ১১৪।, আল্লামা তাফতাযানী প্রণীত সারহুল সাকাসেদ ২য় খ-, পৃঃ ২৩০, আল্লামা কান্দুযী প্রণীত “ইয়ানাবিউল মুওয়াদ্দাত’ ৯৫ ও ১৩৭ পৃষ্ঠা। ইস্তামবুলে মুদ্রিত।, আল্লামা মওলভী আদ দেহলভী প্রণীত ‘তাজহীযুল যাহিশ-পা-ুলিপি পৃঃ ৪০৭।,আল্লামা বেহজাত আফিন্দী প্রণীত “তারিখে আলে মুহাম্মদ’পৃঃ ৫৭।

21/03/2025

হে মুমিন মুসলমান,যে কারনে মুহাম্মদ রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এব্ং আলীউন ওয়ালিউল্লাহ (আঃ)। তিনি কারামাল্লাহু ওয়াজহাহু। মুমিন ও মুনাফিক এবং হক্ব ও বাতিলের মধ্যে পার্থক্যকারী “ঈমানের শীর্ষচূড়া”।

কায়স (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি ‘আম্মার (রাঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, তোমরা আমাকে সে সিদ্ধান্ত সম্পর্কে অবহিত করো যা তোমরা ‘আলী (রাঃ)-এর ব্যাপারে গ্রহণ করেছো। একি তোমাদের সিন্ধান্ত না এ বিষয়ে রসূল (সা.) তোমাদের কোন আদেশ দিয়েছেন?

তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ (সা.) সর্বসাধারণকে যে কথা বলেননি, এমন কোন কথা তিনি আমাদেরকেও বলে যাননি। তবে হুযাইফাহ্‌ (রাঃ) আমাকে বলেছেন যে, নবী (সা.) বলেছেন,আমার সাহাবাদের মাঝে বারোজন মুনাফিক লোক আছে। এদের আটজনের জান্নাতে প্রবেশ করা এমনিভাবে অসম্ভব যেমনিভাবে সূচের ছিদ্র দিয়ে উষ্ট্রের প্রবেশ করা অসম্ভব। ই.ফা. ৬৭৭৮, ই.সে. ৬৮৩৩ ), সহিহ মুসলিম মুনাফিকদের আচরণ এবং তাদের সম্পর্কে বিধান -৬৯২৮। সহীহ মুসলিম হা/২৭৭৯; সহীহুল জামি হা/২১৩১,সহীহ আত্ তারগীব ওয়াত তারহীব হা/ ৩৫৫৮)। হাদিসের মানঃ সহিহ।

আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (সাঃ) আমাকে অবগত করলেন যে, মু'মিন ব্যক্তিরাই আমাকে ভালবাসবে এবং মুনাফিক ব্যাক্তিরাই আমার প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করবে। সুত্রঃ সুনানে ইবনে মাজাহ ১১৪, ১১২ মুসলিম ৭৮, তিরমিযী ৩৭১৭, ৩৭৩৬, নাসায়ী ৫০১৮, ৫০২২, আহমাদ ৬৪৩, ৭৩৩, ১০৬৫। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী: সহীহাহ ১৮২০।সহীহ মুসলিম,১ম খন্ড,হাদিস-১৪৪ (ই:ফা:বা:) আশারা মোবাশশারাঃ পৃঃ ১৯৭ (এমদাদিয়া লাইঃ)কাতেবীনে ওহী,পৃঃ ২১২ ( ইসঃ ফাঃ বাঃ)জামে আত তিরমিজি,৬ষ্ঠ খণ্ড, হাদিস ৩৬৫৫,৩৬৫৪ (ইসলামিক সেন্টার ) মিশকাত,১১ম খণ্ড,হাদিস-৫৮৪১ (এমদাদিয়া লাইঃ)হযরত আলী,পৃঃ ১৪,(এমদাদিয়া লাইঃ)আল আওয়াছিম ওয়াল কাওয়াছিম খ: ৮ পৃ: ১১৪

আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) সূত্রে নবী (সাঃ] থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি তোমাদের আগে হাউয-এর কাছে গিয়ে পৌছব। আর (ঐ সময়) তোমাদের কতিপয় লোককে নিঃসন্দেহে আমার সামনে উঠানো হবে আবার আমার সামনে থেকে তাদেরকে পৃথক করে নেয়া হবে। তখন আমি আরয করব, প্রভু হে! এরা তো আমার সাহাবা। তখন বলা হবে, ‘তোমার পরে এরা কি কীর্তি করেছে তাতো তুমি জানো না’।” [বুখারি – ৬১২৭ ইঃ ফাঃ][৬৫৭৫; মুসলিম ৪৩/৯, হাঃ ২২৯৭, আহমাদ ৩৮১২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬১১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬১২৭),সহিহ বুখারী, হাদিস নং ৬৫৭৬,হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌নু মাস’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, নবী (সাঃ) বলেছেনঃ আমি হাউজে কাউসারের নিকট তোমাদের আগেই হাজির থাকব। তোমাদের থেকে কিছু লোককে আমার নিকট পেশ করা হবে। কিন্তু আমি যখন তাদের পান করাতে উদ্যত হব, তখন তাদেরকে আমার নিকট হতে ছিনিয়ে নেয়া হবে। আমি বলব, হে রব! এরা তো আমার সাথী। তখন তিনি বলবেন, আপনার পর তারা কী ঘটিয়েছে তা আপনি জানেন না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৭৩),সহিহ বুখারী ফিত্‌না ৭০৪৯, হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস

আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, মহান সত্তার কসম! যিনি বীজ থেকে অঙ্কুরোদগম করেন এবং জীবকুল সৃষ্টি করেন, নবী ( সা.) আমাকে (প্রতিশ্রুতি) দিয়েছেন যে, মু’মিন ব্যক্তিই আমাকে ভালোবাসবে, আর মুনাফিক ব্যক্তিই আমার সঙ্গে শ্ত্রুতাপোষণ করবে। (ই.ফা. ১৪৪; ই.সে. ১৪৮) সহিহ মুসলিম ঈমান ১৪৩, হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস

আবুজার গিফারী (রাঃ), আবু সাইদ খুদরী (রাঃ) , আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ (রাঃ) ও জাবির ইবনে আবদুল্লাহ আনসারী (রাঃ) হতে বর্ণিত হয়েছে যে , " আমরা সাহাবাগন হযরত আলী (রাঃ) এর প্রতি ঘৃণা দ্বারা মুনাফেক খুঁজে বের করতাম ।"সুত্র - কাতেবীনে ওহী , পৃঃ-২১২, (ইসঃ ফাঃ বাঃ) / সহীহ তিরমিজি , খঃ-৫,পৃঃ-৬৩৫ (মিশর) / জামে আত তিরমিজি, খঃ-৬, হাঃ-৩৬৫৪,৩৬৫৫,(ইসলামিক সেন্টার) / ইবনে মাজাহ, খঃ-১,পৃঃ-৫৫ (মিশর) / সহীহ মুসলিম, খঃ-১, হাঃ-১৪৪, (ইসঃ ফাঃ বাঃ) / আশারা মোবাশশারা, পৃঃ-১৯৭, (এমদাদিয়া লাইঃ) / মিশকাত, খঃ-১১, হাঃ-৫৮৪১ (এমদাদিয়া লাইঃ) / সহীহ মুসলিম, খঃ-১, পৃঃ-৬০ (মিশর) / মুসনাদে হাম্বল, খঃ-১, পৃঃ-৮৪,৯৫, এবং খঃ-৬, পৃঃ-২৯২ (মিশর)

হে বিশ্বাসিগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সত্যবাদীদের সঙ্গী হও। (সূরা তওবা ১১৯)।

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেনঃ আলী রয়েছে সত্যের সাথে এবং সত্য রয়েছে আলীর সাথে। ইয়া আল্লাহ্‌ ! সত্যকে সেই দিকে ঘুরিয়ে দাও যেদিকে আলী যায়। সুত্রঃ তিরমিজি শরীফ,৬স্ট খন্ড, পৃষ্ঠা-২৯৮ (ইসঃ ফাঃ বাঃ), সহীহ তিরমিজি ( সব খন্ড একত্রে) পৃস্টা-১৭২,এবং-১০৭২ (২০১০ইং), তাজ কোং, ঢাকা। তারীখে বাগদাদ, খন্ডঃ-১৪, পৃঃ-৩২১। ইয়ানাবিউল মুয়াদ্দাত, পৃঃ-৯১। তাফসীরে কাবির, খঃ-১,পৃঃ-১১১ (মিশর)। জামেউস সাগির, খঃ-২, পৃঃ-৭৪,৭৫,১১০। ইমামত অর সিয়াসাত, খঃ-১,পৃঃ-১১১। আরজাহুল মাতালেব, পৃঃ-৯৮২। তারীখে খোলফা, পৃঃ-১১৬। ইযাযাতুল খিফা ( শাহ্‌ ওয়ালী উল্লাহ্‌ ) খঃ-১, পৃঃ-১৫৮, ৫৪৮, কেফায়াতুত তালেব,অধ্যায়-৪৪।

12/03/2025

মানব সৃষ্টির ইতিহাসে আদম (আঃ) আসমানে আর মাওলা আলী আল্লাহর ঘর ক্বাবার অভ্যন্তরে। মহান আল্লাহর রহস্যময় সৃষ্টি আল্লাহর সবচেয়ে প্রিয় বান্দা।

নবীজির হাতে বাই'য়াত গ্রহনকারী ইসলামের ইতিহাসে সর্বপ্রথম মোমেন থেকে আল্লাহর সিংহ। মহান আল্লাহর ইচ্ছায় নবীজি কর্তৃক ঘোষিত নবীজির স্থলাভিষিক্ত সকল মুমিন নরনারীর অভিভাবক এবং ইমাম মাহদী (আঃ) সহ সকল ইমাম (আল্লাহর খলিফা)গনের নেতা।
তিনি সর্ব প্রথম ব্যক্তি যিনি রোজ কেয়ামতের ময়দানে হাউজে কাউসারে নবীজির সাথে মিলিত হবেন।

নবী (সাঃ) বলেনঃ আলী বেহেশতের মধ্যে দুনিয়াবাসীর জন্য ভোরের তারকার ন্যায় উজ্জ্বল। আলী আর আমি একই বৃক্ষের দু’টি শাখা। আলী আমা হতে আমি আলী হতে।

আদম সৃষ্টির পূর্বে আমি এবং আলী একত্রে আল্লাহর নিকট এক খণ্ড নূর হিসেবে অবস্থান করতাম। অতঃপর যখন আল্লাহ হযরত আদমকে সৃষ্টি করলেন,তখন তিনি সেই নূরকে দু’খণ্ডে বিভক্ত করলেন। এক খণ্ড আমি এবং অপর খণ্ড আলী।

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ইরশাদ করেন, হাশরের দিনে আল্লাহ্’র কুরসি বা পর্দার আড়াল থেকে ঘোষক ঘোষণা করবে, হে মানুষ! মাথা নত করে দাও। অবনত করো চোখ! মুহাম্মাদ এর কন্যা ফাতিমা পুলসিরাত পেরিয়ে যাবেন। মহা সম্মানে, উচ্চ বরেণ্যতায়, গভীর সম্ভ্রমে
তাঁকে ঘিরে রাখবে জান্নাতের সত্তর হাজার অসূর্যস্পর্শা নারী সত্ত্বা, যারা আলোর চমকের মত হবে। আমিন

মহান আল্লাহ তার সবচেয়ে প্রিয় বান্দাকে এমন এক পুরস্কার, মর্যাদা দান করবেন যা সৃষ্টির ইতিহাসে কোন নবী রাসুলের ভাগ্যে জুটবে না, আর তা হল নবীজির কলিজার অংশ সাইয়্যেদাতুন নিসা-ই আহলিল জান্নাহ, হযরত ফাতেমা তুজ জাহরা (আঃ)। জান্নাতের সম্রাজ্ঞী।

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি আদম (আঃ)কে তাঁর জ্ঞানে, নুহ (আঃ)কে তাঁর ধীশক্তিতে, ইবরাহীম (আঃ)কে তাঁর দূরদর্শিতায়, ইয়াহিয়া (আঃ)কে তাঁর সংযমশীলতায়, মূসা (আঃ)কে তাঁর সাহসিকতায় দেখতে চায় সে যেন আলীর প্রতি লক্ষ্য করে। যাকে আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল ভালোবাসেন আর সেও আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে ভালোবাসে। সে অবিচল দৃঢ়পদ, কখনো পলায়ন করে না।

মুর্শিদ আমার,মাওলা আমার আলী (আঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমিই সর্বপ্রথম ব্যাক্তি যে কিয়ামতের ময়দানে দয়াময়ের সামনে বিবাদের মীমাংসার জন্য হাঁটু গেড়ে বসব।

সহীহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) | অধ্যায়ঃ ৫১/ মাগাযী (যুদ্ধাভিযান) (كتاب المغازى) ২১৭০.ইসলামিক ফাউন্ডেশন নাম্বারঃ ৩৬৭৯, আন্তর্জাতিক নাম্বারঃ ৩৯৬৫।

সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন) | অধ্যায়ঃ ৬৫/(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৩৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৩৮৫)।

সহীহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) | অধ্যায়ঃ ৫২/ ইসলামিক ফাউন্ডেশন নাম্বারঃ ৪৩৮৯, আন্তর্জাতিক নাম্বারঃ ৪৭৪৪ হাদিসের মানঃ সহিহ

02/03/2025

মুমিনদের দল এক কথায় প্রকাশঃ লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ, মুহাম্মদ রাসুলুল্লাহ, আলীউন আসাদুল্লাহ, আলীউন ওয়ালিউল্লাহ, আলীউন হুজ্জাতউল্লাহ হতে সোজা রোজ কিয়ামতের ময়দানে হাউজে কাউসার।

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে সবার আগে হাউজে কাওসারে প্রবেশ করবে সেই ব্যক্তি যে সবার আগে ইসলাম গ্রহণ করেছে। আর সে হলো আলী ইবনে আবি তালিব। আল মুস্তাদরাক-হাকেম ৩:১৩৬,আল ইস্তিয়াব ৩:২৭,২৮,উসুদুল গাবাহ ৪:১৮,তারীখে বাগদাদ ২:৮১,কান্জুল উম্মাল, ২য় খ-, পৃ.২১৪, হাদিস নং ১১৯৩

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ আমি তোমাদের মাঝে দুটি ভারী এবং অতীব মূল্যবান বস্তু রেখেে যাচ্ছি। এর প্রথম বস্তুটি হল আল্লাহর কিতাব আর দ্বিতীয় বস্তুটি আমার বংশধর (আহলে বাইত)। যদি তোমরা সকলে মিলে বস্তু দুটি শক্তভাবে আঁকড়ে ধর তবে কখনই পথভ্রষ্ট হবেনা। আমার সঙ্গে হাউসে কাউসারে মিলিত না হওয়া র্পযন্ত বস্তুটি পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন হবে না।

হাদীস সম্ভার , অধ্যায়ঃ ২৬/ ফাযায়েল রসূল (ﷺ) এর বংশধরের প্রতি শ্রদ্ধা রাখা এবং তাঁদের মাহাত্ম্যের বিবরণ (২৮৭৪) ,(আহমাদ,১১১০৪, হাকেম ৪৫৭৬, সিঃ সহীহাহ ১৭৫০),হাদীস সম্ভার , অধ্যায়ঃ ১৩/ সুন্নাহ পালনের গুরুত্ব ও তার কিছু আদব প্রসঙ্গে (১৫০৯) (মুসলিম ৬৩৭৮), মুসলিম ৩৬-(২৪০৮), সিলসিলাতুস সহীহাহ ১৭৬১, সহীহ ইবনু খুযায়মাহ ২৩৫৭, আল মু'জামুল কাবীর লিত্ব ত্ববারানী ৪৮৮৮,গ্রন্থঃ মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত) অধ্যায়ঃ পর্ব-৩০: মান-মর্যাদা (كتاب المناقب) প্রথম অনুচ্ছেদ - নবী (সা.) -এর পরিবার-পরিজনদের মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য ৬১৪০-[৬], (মুসলিম, ৬৩৮১) গ্রন্থঃ হাদীস সম্ভার , অধ্যায়ঃ ২৬/ ফাযায়েল, রসূল (ﷺ) এর বংশধরের প্রতি শ্রদ্ধা রাখা এবং তাঁদের মাহাত্ম্যের বিবরণ, (২৮৭৩),সহীহ মুসলিম, ৪র্থ খণ্ড, পৃ.১৮০৩, দারেমি এই টেক্সট বা মাতন তথা হাদিসের মূলপাঠটি নিজ ‘সুনান’-শীর্ষক বইয়ে বর্ণনা করেছেন। সূত্র:সুনানে দারেমী, ২য় খণ্ড, পৃ. ৪৩১-৪৩২।

03/02/2025

আল্লাহর রজ্জুঃ “আল কোরআন এবং আহলে বাইতে রাসুলুল্লাহ (সাঃ)”। বাদ বাকি দল সবই ফেরকা এবং তাতে কোন প্রকার ফজিলত নাই। যেমন সুন্নি, শিয়া, খারেজী ইত্যাদি।

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ এই দ্বীন (ইসলাম) প্রতিষ্ঠিত থাকবে, যে অবধি না কিয়ামত আসে এবং তাদের ওপর বারোজন (ইমাম),আল্লাহ্‌র খলীফার শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। সহীহ্ হাদিস।

আল্লাহর খলিফাগনঃ ইমাম আলী থেকে ইমাম মাহদী (আঃ) পর্যন্ত পবিত্র বারোজন ইমাম সকলেই আমাদের নবীজির (বংশধর) এবং মর্যাদায় নবীগনের সমতুল্য।
“মাশাআল্লাহ”।

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ আলী আল্লাহর দ্বীনের সাহায্যকারী। সে আমার স্থলাভিষিক্ত সর্বশেষ্ঠ ওয়াসী এবং তার সন্তানরা সর্বোত্তম ওয়াসী। সহীহ্ হাদিস

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ “মাহ্দী আমার মেয়ে ফাতিমার সন্তানদের মধ্য থেকে হবে”। সহীহ্ হাদিস

আল্লাহ তা’আলা তাকে একরাতে খিলাফতের যোগ্য করবেন। তাকে আত্মপ্রকাশ করতে দেখলে তোমরা বরফের উপর হামাগুড়ি দিয়ে হলেও তার সাথে যোগদান করো, কারণ সে আল্লাহর খলীফা মাহ্দী।

আয়াতঃ আর তোমরা সকলে মিলে আল্লাহর রজ্জুকে আঁকড়িয়ে ধর,পরস্পর বিচ্ছিন্ন (ফেরকাবন্দী) হইও না। (সূরা আল ইমরান, আয়াত ১০৩)।

সুরা আল ইমরান-৬১ এবং সূরা আহযাব-৩৩, নাজিল হলে উভয় ক্ষেত্রে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেন ,“হে আল্লাহ এরাই আমার আহলে বাইত (বংশধর)।,প্রসঙ্গঃ হযরত আলী, হযরত ফাতেমা তুজ জাহরা, হযরত হাসান এবং হযরত হুসাইন (রাঃ)। সনদ সহীহ্

হে মুমিনগণ! জেনে রাখো রোজ কিয়ামতের ময়দানে সকল জান্নাতি এবং জাহান্নামীদের উপস্থিতিতে মহান আল্লাহ' এবং মাওলা আলীর মাঝেই প্রথম সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হবে। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ আলী এবং তাঁর অনুসারীরা নিঃসন্দেহে কেয়ামতের দিন বিজয়ী।“ হক্ব মাওলা”

দ্যা সারমর্মঃ কিতাবুল্লাহ, আহলে বাইতে রাসূলুল্লাহ, আলীউন ওয়ালীউল্লাহ্‌, আলীউন হুজ্জাতউল্লাহ্‌।
সুত্রঃ আল গাদীর

29/01/2025

শীঘ্রই মানুষের ওপর এমন এক যুগ আসবে, যখন ইসলামের অনেক কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না, সেদিন মাসজিদগুলো তো বাহ্যিকভাবে আবাদ হতে থাকবে, কিন্তু হিদায়াতশূন্য থাকবে। আলিমগনের নিকট হতেই (দীনের) ফিতনাহ্-ফাসাদ সৃষ্টি হবে। অতঃপর ফিতনাহ্ তাদের দিকেই ফিরে আসবে।

বিশ্বজুড়ে যখন একদল মুনাফিক,কাফের, মুশরিক একজোট হয়ে মুসলিম হত্যায় ,জুলুম ত্যাচারে মাতোয়ারা, ঠিক তখনও মুসলিমদের মাঝে একশ্রেণির আলিমগন যাহারা নানাবিধ পন্থায় মুসলিমদের মাঝে বিভাজনের মাধ্যমে বস্তুত নিজেদের ফায়দা হাসিলে ব্যস্ত।

অথচ রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন-আমার উম্মত হবে ৭৩ দলে বিভক্ত। এই সব দলই হবে জাহান্নামী একটি দল ছাড়া। {সুনানে তিরমিযী, হাদীস নং-২৬৪১, আল মু’জামুল কাবীর, হাদীস নং-৭৬৫৯, আল মু’জামুল আওসাত, হাদীস নং-৪৮৮৯, কানযুল উম্মাল ফি সুনানিল আকওয়াল ওয়াল আফআল, হাদীস নং-১০৬০}

আফসোস যেখানে ইসলামের পতাকা তলে মুসলিম নামে দুনিয়ার বুকে একটি মাত্র দল বা উপাধি চলমান থাকবে কিন্তু প্রাপ্য তথ্যের ভিত্তিতে শুধু বাংলাদেশে প্রায় ৭০ টি এবং বিশ্বব্যাপী প্রায় ২০০ টির ও বেশি ফিরকার আবির্ভাব ঘটেছে এবং সকল ফিরকাওয়ালা নিজেদের হক্ব বলে দাবী করে অথচ রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, আল্লাহর কিতাব এবং আমার আহলে বাইত।

25/01/2025

হে মুমিনগণ! ফিরকাতো পরের হিসাব। প্রথমত আমরা মুসলিমদের হক্ব এবং বাতিল প্রসঙ্গে চুড়ান্ত সিদ্বান্তে উপনীত হতে হবে। যেখানে আমাদের নবীজির পর সাহাবিগনের যুগেই প্রকৃতপক্ষে ফিরকার আবির্ভাব ঘটেছে। যেমন সুন্নি, শিয়া, খারেজীগং।

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেন,তোমরা খুব শীঘ্রই আমার পরে স্বজনপ্রীতি (স্বার্থপরতা) দেখতে পাবে। যতক্ষণ পর্যন্ত না হাউজে কাউসারে আমার সাথে তোমাদের দেখা হয় ততক্ষণ পর্যন্ত তোমরা ধৈর্য্য ধারণ করতে থাক। সহীহ্, আযজিলাল(৭৫২,৭৫৩), বুখারী, মুসলিম।আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ্। হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস

আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ আমার পরে ব্যাপক মতভেদ হবে। তুমি যদি শান্তিতে থাকতে চাও, তবে থাক। (অর্থাৎ মতভেদ এড়িয়ে চলার চেষ্টা কর।) গ্রন্থঃ মুসনাদে আহমাদ | অধ্যায়ঃ মুসনাদে আলী ইবনে আবি তালিব (রাঃ) [আলীর বর্ণিত হাদীস] (مسند علي بن أبي طالب)
৬৯৫।

আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেনঃ আমার বিদায়ের পর অচিরেই তোমরা দেখতে পাবে অন্যদের অগ্রাধিকার। তখন ধৈর্য ধারণ করবে, দ্বীনের উপর টিকে থাকবে যে পর্যন্ত না তোমরা হাউজে কাউসারে আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ কর। (বুখারী পর্ব ৬৪ : /৫৬ হাঃ ৪৩৩০, মুসলিম ১২/৪৬, হাঃ ১০৬১) হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস

প্রসঙ্গ হক্ব এবং বাতিলঃ
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে সবার আগে হাউজে কাওসারে প্রবেশ করবে সেই ব্যক্তি যে সবার আগে ইসলাম গ্রহণ করেছে। আর সে হলো আলী ইবনে আবি তালিব। আল মুস্তাদরাক-হাকেম ৩:১৩৬,আল ইস্তিয়াব ৩:২৭,২৮,উসুদুল গাবাহ ৪:১৮,তারীখে বাগদাদ ২:৮১,কান্জুল উম্মাল, ২য় খ-, পৃ.২১৪, হাদিস নং ১১৯৩।

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলছেন, হে আম্মার! যদি দেখতে পাও যে আলী একপথে চলেছে আর লোকেরা অন্য পথে, তাহলে তুমি আলীর সাথে চলবে এবং লোকদের ত্যাগ করবে। কারণ, আলী কখনো তোমাকে বক্রপথে পরিচালিত করবে না এবং তোমাকে হেদায়েতের পথ থেকে বাইরে নিয়ে যাবে না। (কানযুল উম্মাল ১১:৬১৩/৩২৯৭২, তারীখে বাগদাদ ১৩:১৮৭)।

হানী বলেন,আম্মার (রাঃ) আলী(রাঃ) এর নিকট প্রবেশ করলে তিনি বলেন, এই পাক-পবিত্র ব্যক্তিকে স্বাগতম। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে বলতে শুনেছিঃ আম্মার এমন একটি পাত্র যার গলা পর্যন্ত ঈমানে ভরপুর। ১৪৫] তিরমিযী ৩৭৯৮, আহমাদ ৭৮১। তাহক্বীক্ব আলবানী: সহীহ। তাখরীজ আলবানী: সহীহা ৮০৭। সুনানে ইবনে মাজাহ ভূমিকা ১৪৭,হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস

আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমরা মসজিদে নাববী নির্মানে একটা একটা করে কাঁচা ইট বহন করছিলাম আর ‘আম্মার (রাঃ) দু’টো দুটো করে কাঁচা ইট বহন করছিলেন। নবী (সা.) তা দেখে তার দেহ হতে মাটি ঝাড়তে লাগলেন এবং বলতে লাগলেনঃ‘ আম্মারের জন্য আফসোস, তাকে বিদ্রোহী দল হত্যা করবে। সে তাদেরকে আহবান করবে জান্নাতের দিকে আর তারা তাকে আহবান করবে জাহান্নামের দিকে। আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪২৮, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৩৪),সহিহ বুখারী ৪৪৭ হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস

ইকরিমা (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) তাকে ও ‘আলীইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌কে বলেছিলেন যে, তোমরা আবূ সা‘ঈদ (রাঃ)-এর নিকট যাও এবং তার কিছু বর্ণনা শোন। অতঃপর আমরা তার নিকট গেলাম। সে সময় তিনি ও তার ভাই বাগানে পানি সেচের কাজে ছিলেন। আমাদের দেখে তিনি আসলেন এবং দু’ হাঁটু বুকের সঙ্গে লাগিয়ে বসে বললেন, মসজিদে নববীর জন্য আমরা এক একটি করে ইট বহন করছিলাম। আর ‘আম্মার (রাঃ) দু’ দু’টি করে বহন করছিল। সে সময় নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার পাশ দিয়ে গেলেন এবং তার মাথা থেকে ধূলাবালি মুছলেন এবং বললেন, আম্মারের জন্য বড় দুঃখ হয়, বিদ্রোহী দল তাকে হত্যা করবে। সে (‘আম্মার) তাদেরকে আল্লাহ্‌র দিকে ডাকবে এবং তারা আম্মারকে জাহান্নামের দিকে ডাকবে। সহিহ বুখারী (জিহাদ) ২৮১২। হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস

প্রসঙ্গ অবাধ্য এবং বিদ্রোহীদলঃ
রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেনঃ হে আলী! শীঘ্রই অবাধ্যদল তোমার সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হবে। অথচ তুমি সত্যের ওপরে অবস্থান করবে। তুমি দুনিয়া ও আখেরাতে মুমিনদের সরদার। অভিসম্পাত তার ওপর যে আমার পরে তোমার সাথে শত্রুতা করবে। (কানযুল উম্মাল ১১:৬১৩/৩২৯৭১)-(আল মুস্তাদরাক-হাকেম ৩:১২৮, আর রিয়াদুন নাদ্রাহ ৩:১২৪, আল ফেরদৌস ৫:৩২৪/ ৮৩২৫)

প্রসঙ্গ বিদ্রোহী এবং অবাধ্য দলঃ সেই দলকে বোঝানো হয়েছে যারা সত্যের বিপক্ষে বাতিল পন্থী। উল্লেখ্য, হযরত আম্মার (রাঃ) সিফ্ফিনের যুদ্ধে হযরত আলী (রাঃ) পক্ষে মুয়াবিয়া ইবনে আবু সুফিয়ানের বাহিনী কর্তৃক নিহত হন। (তুহফাতুল আহ্ওযায়ী,১০ম খণ্ড,পৃ. ৩০১) জামে আত্-তিরমিযী ,৬ষ্ঠ খণ্ড,পৃ. ৩৬৮-৩৬৯, হাদীস নং ৩৭৩৮,বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার ঢাকা কর্তৃক প্রকাশিত]

প্রসঙ্গ আম্মার (রাঃ)এর পরিচয়ঃ বলা হয় ইসলামের ইতিহাসের সর্বপ্রথম পুরুষ শহীদ ইয়াসির ইবনে আমের (রাঃ) ও সর্বপ্রথম নারী শহীদ সুমাইয়া বিনতে খায়্যাত (রা.) ইসলামের পক্ষে প্রাণ উৎসর্গ করেন, অতঃপর আম্মার (রাঃ) নিজেও সরল এবং সঠিক পথের অনুসারী থেকে দুনিয়া থেকে বিদায় নিলেন।
“হক্ব মাওলা”“আলী ইবনে আবি তালিব”।

17/01/2025

ঈমানী পরীক্ষাঃ যে বানী আল্লাহর ইচ্ছায় রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কর্তৃক ঘোষিতঃ “মহান আল্লাহ্‌ আমার মাওলা, আমি মুমিনদের মাওলা, আর আমি যার মাওলা এই আলীও তার মাওলা” সহীহ্ হাদিস। সুত্রঃ আল গাদীর

হে মুমিনগণ! রোজ কেয়ামতের ময়দানে সুন্নি, শিয়া খারেজী অর্থাৎ ফিরকা পরিচয়ে জান্নাত মোটেই সহীহ্ নয়, যেখানে আল্লাহর রজ্জু মানে কিতাবুল্লাহ এবং আহলে বাইতে রাসুলুল্লাহ (সাঃ)। ভুলে গেলে চলবে না মাওলা আলী হতে ইমাম মাহদী (আঃ)সহ বারোজন পবিত্র ইমাম (আঃ)গন সকলেই আমাদের নবীজির বংশধর। সহীহ্ হাদিস

মাওলা আমার সর্বপ্রথম ব্যাক্তি যিনি রোজ কেয়ামতের ময়দানে হাউজে কাউসারে আমাদের নবীজির সাথে মিলিত হবেন এবং তিনিই সর্বপ্রথম ব্যাক্তি যিনি রোজ কিয়ামতের ময়দানে অবিশ্বাসীদের উদ্দেশ্যে মহান আল্লাহর পবিত্র সত্তা প্রমানে আল্লাহর সম্মুখে অবস্থান করবেন । আয়াতঃ “এরা দু’টি কলহরত পক্ষ, তারা তাদের প্রতিপালকের ব্যাপারে বিতর্ক করছে”। সুত্রঃ (সূরাহ হজ্জ ২২/১৯)।

সর্দার আমার আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমিই সর্বপ্রথম ব্যাক্তি যে কিয়ামতের ময়দানে দয়াময়ের সামনে বিবাদের মীমাংসার জন্য হাঁটু গেড়ে বসব। গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) | অধ্যায়ঃ ৫১/ মাগাযী (যুদ্ধাভিযান) (كتاب المغازى) ২১৭০.ইসলামিক ফাউন্ডেশন নাম্বারঃ ৩৬৭৯, আন্তর্জাতিক নাম্বারঃ ৩৯৬৫। গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন) | অধ্যায়ঃ ৬৫/(আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৩৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৩৮৫)গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) | অধ্যায়ঃ ৫২/ ইসলামিক ফাউন্ডেশন নাম্বারঃ ৪৩৮৯, আন্তর্জাতিক নাম্বারঃ ৪৭৪৪ হাদিসের মানঃ সহিহ

অতঃপর মহান আল্লাহ তার সবচেয়ে প্রিয় বান্দা শের ই খোদাকে এমন এক পুরস্কারে ভূষিত করবেন যা সৃষ্টির ইতিহাসে আর কোন মুমিন মোসলমানের ভাগ্যে জুটবে না,আর তাহলঃ“সইয়্যেদাতুন নিসা-ই আহলিল জান্নাহ”

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছিলেনঃ হে আলী! তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও যে মূসা (আ.) এর নিকট হারুন (আ.) যেমন আমার নিকট তুমিও তেমন আর পার্থক্য শুধু এটুকু যে হারুন (আ.) একজন নবী ছিলেন আর আমার পর নবী নাই।

বুখারী ৩৭০৬, মুসলিম ৩৪০৪/১-২, তিরমিযী ৩৭৩১, আহমাদ ১৪৬৬, ১৪৯৩, ১৫০৮, ১৫১২, ১৫৩৫, ১৫৫০, ১৫৮৭, ১৬০৩, ১৬১১; ইবনু মাজাহ ১২১, (ই.ফা. ৬০০৩, ই.সে. ৬০৪২), সহিহ মুসলিম সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) ৬১১৫, (ই.ফা. ৬০০২, ই.সে. ৬০৪১),সহিহ মুসলিম সাহাবা (রাযিঃ)- গণের ফযীলত (মর্যাদা) - ৬১১৪, জামে' আত-তিরমিজি রাসূলুল্লাহ (সা.) ও তাঁর সাহাবীগণের মর্যাদা ৩৭২৪,সহীহ মুসলিম (হাঃ ৭/১২০), ইবনু মাজাহ ১১৫, সহীহাহ ৪/৩৩৫, হাদিসের মানঃ সহিহ হাদিস

Address

Dhaka
1219

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when গাদীরে খুম টু হাউজে কাউসার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share