The Dream of our Team

The Dream of our Team পরকালের পাথেয় কুড়ানোর লক্ষ্যে... 🤍

17/05/2026

আমরা সবাই এর ভিতর জেনেছি জুল হিজ্জাহ মাস কতোটা গুরুত্বপূর্ণ। এক কথায় বলা চলে লাইলাতুল ক্বদরের মতোই মূল্যবান। এখানে একটা ব্যাপার লক্ষনীয় লাইলাতুল ক্বদর আমরা রমাদানের শেষ দশকে সন্ধান করে থাকি। নির্দিষ্ট করে বলার সুযোগ নেই কবে লাইলাতুল ক্বদর। আর আল্লাহ তাআ’লা জুল-হিজ্জাহ-এর প্রথম দশকের প্রতিটি দিনকেই মহিমান্বিত করে দিয়েছেন। তাই প্রতিটা দিন আমাদের সর্বচ্চো চেষ্টা থাকবে সর্বোত্তমভাবে কাটানোর। একটা নোটে ছোটো খাটো প্ল্যান করা যায়। যেমনটা রমাদান নিয়ে থাকে। যেমন:

১. জুলহিজ্জাহ-এর প্রথম দশকে ইন শা আল্লাহ প্রতিদিনই আওয়াল ওয়াক্তে সালাত আদায় করা, যারা সালাতের ব্যাপারে উদাসিন উনারা কমপক্ষে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত সময় মতো আদায় করে নেন সেদিকে খেয়াল করা। কিয়ামতের মাঠে সালাতের হিসাব না দিয়ে কেউ ১ চুল পরিমানও নড়তে পারবে না তাই যে যতো ভালো কাজ করুক না কেন ফরয সালাতের ব্যাপারে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়া।

২. ফরয পর্দার হুকুম মেনে চলার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়া। প্রতিটা বেপর্দা নারী পুরুষের জন্য মালাইকাগন লানত দিতে থাকেন।

৩. এই ১০ দিনের প্রতিটা দিনই যতোটুকু পারা যায় সাদাকাহ করা। সরাসরি দেয়ার ব্যবস্থা না থাকলে আলাদা একটা বক্সে নিয়্যাত করে রেখে দেয়া। পরে সুযোগ মতো হকদারকে সেটা দিয়ে দেয়া যায়।

৪. প্রতিটা দিনেই বাবা মায়ের খোঁজ নেয়া, সেবা যত্ন আগের চেয়ে বাড়িয়ে দেয়া।

৫. মানুষের মনের অস্থিরতা দূর করে দেয়ার চেষ্টা করা

৬. অসহায় দরিদ্রদের পাশে থাকার চেষ্টা করা। (সেটা শুধু আর্থিকভাবে সহযোগিতা করে না, আর্থিক সামর্থ্য না থাকলে মানসিকভাবে সাপোর্ট দেয়া, সবরের প্রতিদানগুলো রিমাইন্ড করা)

৭. গীবত, মিথ্যা তহমত যেন ভুলেও না হয়ে যায় এবং সেগুলো চিরতরে পরিহার করার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়া

৮. সুন্নাহ এবং নফল সালাত (তাহিয়্যাতুল ওযু, সালাতুল ইশরাক, দোহা, জাওয়াল), লাইলাতুল কিয়াম, যিকির নিয়মিত করা এবং আগের চেয়ে বাড়িয়ে দেয়া

৯. প্রতিটা কাজই আল্লাহ তাআ’লার সন্তুষ্টির জন্য করা এবং সুন্দর নিয়্যাতে শুরু করা

১০. কুরআন তিলওয়াত, তরজমা, তাফসীর পড়া শুরু করা বা যারা নিয়মিত যতটুকু পড়েন পরিমানে আরও বাড়িয়ে দেয়া

১১. ছোটো বড় সবাইকে হাদিয়া দেয়ার চেষ্টা করা

১২. কুরবানীর পশু কেনা এবং জবহ করার পুরো ব্যাপারটা যেন সবাই ইখলাসের সাথে করে সেদিকে খুব করে খেয়াল রাখা। বাজারের সেরা গরু কুরবানী করার রিয়া যেন মনে বাসা না বাধে।

১৩. দৈনন্দিন জীবনের কাজগুলো সুন্নাহ তরীকাতে করার ব্যাপারে বাচ্চাদেরও উৎসাহিত করা।

১৪. আরাফার দিবস নিয়ে তর্ক না করে সম্ভব হলে প্রথম ৯ দিন সিয়াম করা, সম্ভব না হলে দুই দিনই সিয়াম করে নেয়া

১৫. যুলহিজ্জাহ এর চাঁদ উঠার পর থেকে নখ চুল না কাটা

১৬. ৮ এবং ৯ যুলহিজ্জ এই দুই দিন নিচের দুয়াটা কাজের ফাকে যতো বেশি পারা যায় পড়ার চেষ্টা করা

‎لاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللهُ
‎وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَهُ
‎لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ
‎وَهُوَ عَلٰى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

উচ্চারণ:
লা ইলাহা ইল্লাল্লহু
ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু
লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু
ওয়াহুওয়া আলা কুল্লি শাইয়্যিন ক্বদির। (আরবীটা দেখে মিলিয়ে পড়া অবশ্যকর্তব্য)

১৭. তাকবীরে তাশরীক আদায় করা

জিলহজ্ব মাসের ৯ জিলহজ্ব ফজর থেকে ১৩ জিলহজ্ব আসর পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজ সালাত শেষে সালাম ফেরানোর পরপরই কোন প্রকার কথা না বলে একবার তাকবীর বলা ওয়াজিব।

পুরুষের জন্য আওয়াজ করে, আর মহিলাদের জন্য নীরবে নিজে শুনতে পারবে এমন ভাবে বলতে হবে ।।

তাকবীর হলঃ

‎اَللهُ أَكْبَرُ، اَللهُ أكْبَرُ ، اَللهُ أكْبَرُ
‎لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ،
‎وَاللهُ أَكْبَرُ، اَللهُ أَكْبَ
‎ﻭ ﻟِﻠّﻪ الحَمْدُ

আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার
লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু
আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার
ওয়ালিল্লাহিল হামদ (আরবীটা দেখে মিলিয়ে পড়া অবশ্যকর্তব্য)

১৮. সকাল সন্ধ্যার মাসনুন যিকিরগুলো নিজে করা এবং পরিবারের অন্যান্যদেরকে করার ব্যাপারে তাগিদ দেয়া।

সর্বশেষ আমলগুলো কবুল হওয়ার জন্য আল্লাহ তাআ’লার দরবারে বেশি বেশি ফরিয়াদ করা। মালিক আমাদের পরিচিত অপরিচিত সমস্ত ঈমানদার মাইয়্যাতের কাছে পৌছে দিন আমাদের আমলের সওয়াব। রব্বুল আ’লামিন আমাদের পরিপূর্ন হিদায়াত দান করুন এবং স্থির, প্রশান্ত হৃদয়ে উনার কাছে দুয়া করে যাওয়ার তাওফিক দান করুন। হৃদয়বান মানুষ হওয়ার তাওফিক দান করুন। তাকওয়া, তাওয়াক্বুলে পরিপূর্ন করে দিন আমাদের ক্বলবগুলো।

✍🏻Tahmina Islam

01/05/2026

মক্কা বা মদিনাতে সেটেলড হওয়ার ব‍্যপারে একজন আলিমের কাছে দুআ চাইলাম। খুব ছোট এবং সুন্দর একটা দুআ শেখালেন। বললেন, সম্ভব হলে প্রতি নামাজের পর দুআটি পড়ো।

اَللّٰهُمَّ اجْعَلْنِيْ بِهَا قَرَارًا وَاجْعَلْنِيْ فِيْهَا رِزْقًا كَفَافًا طَيِّبًا

বাংলা উচ্চারণঃ

আল্লাহুম্মা ইজ‘আলনী বিহা কারারা
ওয়াজ‘আলনী ফীহা রিজকান কাফাফান ত্বয়্যিবা

অর্থঃ
আল্লাহ! আপনি এখানে আমাকে স্থায়ি বসবাসের ঠিকানা দান করুন এবং পর্যাপ্ত ও হালাল রিযিক দিন।"

✍🏻Rizwanul Kabir

28/04/2026

ব্যাবিলনে দুজন ফেরেশতা নেমে এসেছিলেন মানুষকে পরীক্ষা করতে — পরীক্ষায় মানুষ শোচনীয়ভাবে ফেল করেছিল, আর সবচেয়ে আগে যা শিখতে চেয়েছিল সেটা জানলে স্তব্ধ হয়ে যাবেন
ব্যাবিলন।
প্রাচীন ইরাক।
পৃথিবীর প্রথম বড় সভ্যতার একটি।
এখানেই ঘটেছিল মানব ইতিহাসের অন্যতম রহস্যময় একটি ঘটনা।
আল্লাহ তাআলা দুজন ফেরেশতা পাঠালেন।
হারুত।
মারুত।
কুরআনের সুরা আল-বাকারার ১০২ নম্বর আয়াতে এই ঘটনার কথা আছে।
এই ফেরেশতাদের কাছে অদৃশ্য শক্তি নিয়ন্ত্রণের জ্ঞান ছিল।
কিন্তু তারা কোনো মানুষকে এই জ্ঞান দেওয়ার আগে স্পষ্টভাবে সতর্ক করতেন।
তারা বলতেন —
'আমরা পরীক্ষাস্বরূপ এসেছি।'
'তুমি এই জ্ঞান শিখে কুফরি করো না।'
এটা বাধ্যতামূলক ছিল।
কেউ জ্ঞান নিতে চাইলে আগে এই সতর্কবার্তা শুনতেই হতো।
কিন্তু মানুষ কী করল?
সতর্কবার্তা শুনল।
তারপর যেটা সবচেয়ে ভয়ংকর ছিল সেটা শিখতে চাইল।
কুরআন বলছে —
মানুষ সবচেয়ে আগ্রহী ছিল এমন জাদু শিখতে যা দিয়ে স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটানো যায়।
আবার বলছি।
পৃথিবীর সমস্ত জাদুর ভেতর থেকে তারা বেছে নিয়েছিল সম্পর্ক ভাঙার জাদু।
এটা কি কাকতালীয়?
একটুও না।
শয়তান জানে পরিবার হলো মানব সভ্যতার মেরুদণ্ড।
পরিবার ভাঙলে সমাজ ভাঙে।
সমাজ ভাঙলে মানুষ একা হয়।
একা মানুষ সহজ শিকার।
তাই সে মানুষকে প্রথমেই সেই জ্ঞানের দিকে টেনে নিল।
হাদিসে আছে —
ইবলিসের দরবারে শেষ দিনে যখন সব শয়তান রিপোর্ট দেয় —
সবচেয়ে বেশি পুরস্কার পায় সেই শয়তান যে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বিচ্ছেদ ঘটিয়েছে।
সেই শয়তান ইবলিসের কাছে সবচেয়ে প্রিয়।
সবচেয়ে সম্মানিত।
এখন পৃথিবীর দিকে তাকান।
ডিভোর্সের হার কেমন?
পশ্চিমা দেশগুলোতে প্রতি দুটি বিয়ের একটি ভেঙে যাচ্ছে।
বাংলাদেশেও ডিভোর্সের হার প্রতিবছর বাড়ছে।
এটা কি শুধু সামাজিক পরিবর্তন?
নাকি এর পেছনে আছে সেই প্রাচীন ব্যাবিলনের সেই জাদুর ধারাবাহিকতা?
আধুনিক মোড়কে।
কুরআন কিন্তু সরাসরি বলেছেন।
সুরা বাকারায়।
এই জাদু মানুষ সরাসরি ব্যবহার করেছে।
স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বিচ্ছেদ ঘটাতে।
এখন প্রশ্ন হলো —
সেই ব্যাবিলনের জাদুকরী জ্ঞান কি হারিয়ে গেছে?
না।
সুলাইমান (আ.) সেই কিতাবগুলো মাটিতে পুঁতে রেখেছিলেন।
হাজার বছর পরে ক্রুসেডের সময় 'নাইটস টেম্পলার' সেই কিতাব খুঁজে বের করেছিল।
তারপর সেই জ্ঞান চলে গেছে ইউরোপে।
ইউরোপ থেকে আমেরিকায়।
এখন কি সেই জ্ঞান কোনো না কোনো রূপে এখনো আছে?
আমি আপনাকে একটাই কথা বলব।
আজকের পৃথিবীতে পরিবার ভাঙানোর সবচেয়ে বড় হাতিয়ারগুলো কী?
সোশ্যাল মিডিয়া।
পর্নোগ্রাফি।
নারীবাদের নামে স্বামী-স্ত্রীকে শত্রু বানানো।
সিনেমায় বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ককে গ্লোরিফাই করা।
এগুলো কি সেই ব্যাবিলনের জাদুর আধুনিক সংস্করণ নয়?
পদ্ধতি বদলেছে।
কিন্তু লক্ষ্য একই।
স্বামী-স্ত্রীর মাঝে বিচ্ছেদ।
পরিবার ধ্বংস।
সমাজ ভাঙন।
আর রাসুল (সা.) সতর্ক করেছেন —
সিয়াম রেখে, সালাত পড়ে, আল্লাহর সাথে সংযোগ রেখে —
এই ফিতনা থেকে বাঁচা যায়।
কিন্তু যে ঘরে সালাত নেই —
সেই ঘরে শয়তান সহজেই ঢোকে।
হারুত ও মারুত সতর্ক করেছিলেন।
মানুষ শুনেছিল।
তারপর সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেছিল।
আমরাও একই পথে হাঁটছি না তো?
কুরআন বলছে হাজার বছর আগে মানুষ সমস্ত জাদুর মধ্যে থেকে প্রথমে শিখেছিল সম্পর্ক ভাঙার পদ্ধতি। আজকের পৃথিবীতে ডিভোর্স মহামারি, পর্নোগ্রাফি শিল্প এবং পরিবার ভাঙার সংস্কৃতি কি ব্যাবিলনের সেই প্রাচীন শয়তানি মিশনেরই ডিজিটাল সংস্করণ — নাকি এটা নিছক আধুনিক জীবনের স্বাভাবিক পরিণতি?

কমেন্টে আপনার মত জানান।
✍🏻 আহমাদ রিফআত

বাংলাদেশে প্রচুর পরিমাণে লোক আছে যারা ইহুদিদের হয়ে কাজ করে ও ইসলাম বিরোধী জায়োনিস্ট এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে। তাদের মধ্যে ...
28/04/2026

বাংলাদেশে প্রচুর পরিমাণে লোক আছে যারা ইহুদিদের হয়ে কাজ করে ও ইসলাম বিরোধী জায়োনিস্ট এজেন্ডা বাস্তবায়ন করে। তাদের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সর্বোচ্চ পর্যায়ের যার অবদান বেশী সে আর কেউ নয় বিতর্কিত সংস্থা ব্র্যাকের কর্ণধর স্যার ফজলে হাসান আবেদ।

স্যার ফজলে হাসান এর ভিত্তিতে নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার, ইসলামবিদ্বেষ ও বাংলাদেশের উপর প্রভাব (গবেষণাভিত্তিক বিশ্লেষণ) :-

➡️ প্রাথমিক জীবন ও ক্যারিয়ারের রহস্যজনক মোড়:-
স্যার ফজলে হাসান আবেদের জীবনকালের কিছু পর্যায় প্রশ্ন উত্থাপন করে:

১৯৫৮ সালে মায়ের মৃত্যুর পর তিনি লন্ডন → কানাডা → মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান, যা একটি স্বাভাবিক ক্যারিয়ার ট্র্যাজেক্টরি থেকে ভিন্ন।
১৯৭২ সালে বাংলাদেশে ফিরে অবিলম্বে ব্র্যাক প্রতিষ্ঠা এবং দ্রুততম সময়ে বিশ্বের বৃহত্তম এনজিওতে পরিণত হওয়া।

১. নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডার (NWO) এর হাতিয়ার হিসেবে "ব্র্যাক":

স্যার ফজলে হাসান আবেদের ব্র্যাক শুধু একটি উন্নয়ন সংস্থা নয়, এটি গ্লোবালিস্ট এজেন্ডা বাস্তবায়নের একটি টুল । নিম্নোক্ত প্রমাণগুলো এটিকে সমর্থন করে:

✡️ রকফেলার, গেটস ও ইহুদি লবির ফান্ডিং:-

ব্র্যাকের প্রধান বিনিয়োগকারীদের মধ্যে রয়েছে:- "রকফেলার ফাউন্ডেশন, বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন, ওয়েক্সনার ফাউন্ডেশন (ইহুদি লবি)"। এই সংগঠনগুলো:- জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ (Depopulation Agenda), সেক্যুলারাইজেশন ও নারী স্বাধীনতার নামে ইসলামিক মূল্যবোধ ধ্বংসকরতে কাজ করে।

ইউএন ও বিশ্বব্যাংকের সাথে সম্পর্ক:-
- ব্র্যাক জাতিসংঘের SDG (Sustainable Development Goals) এর সাথে সরাসরি যুক্ত , যা পশ্চিমা দেশগুলোর সামাজিক ইঞ্জিনিয়ারিং প্রজেক্ট।

- বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের ঋণে ব্র্যাকের সম্প্রসারণ **বাংলাদেশকে ঋণের ফাঁদে ফেলার অংশ।

২. ইসলামবিদ্বেষ ও সাংস্কৃতিক ধ্বংসের এজেন্ডা:--
ব্র্যাকের কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশে ইসলামিক মূল্যবোধকে দুর্বল করার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে:
ব্র্যাকের সন্দেহজনক কার্যক্রম

এছাড়াও যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে সম্প্রসারণ: আফগানিস্তান,
দক্ষিণ সুদান ও মধ্যপ্রাচ্যে ব্র্যাকের কার্যক্রম কি শুধু মানবতাবাদী, নাকি ভূ-রাজনৈতিক ইনফ্লুয়েন্স বৃদ্ধির হাতিয়ার?

বাংলাদেশে সামাজিক পরিবর্তন:
নারী ক্ষমতায়ন ও শিক্ষার নামে পশ্চিমা মূল্যবোধের প্রসার।
ইসলামিক মূল্যবোধের বিরুদ্ধে সংস্কৃতিকরণ (Cultural Transformation)। বাংলাদেশে সমকামিতাকে নরমালাইজেশন ও ট্রান্সজেন্ডারদের নরমালাইজেশান করার জন্য নামে বেনামে বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন তৈরী।

নারী স্বাধীনতার নামে পশ্চিমা মূল্যবোধের প্রসার:-
- ব্র্যাকের "নারী ক্ষমতায়ন" প্রকল্পগুলোতে ইসলামিক পর্দা ও পারিবারিক মূল্যবোধকে "অবৈজ্ঞানিক", "পুরুষতান্ত্রিক" " নারী নির্যাতন " ও " নারী উন্নয়নে বাধা" হিসেবে উপস্থাপন করা হয়।

বাংলাদেশে ইসলামের প্রভাব কমাতে পশ্চিমাদের কাছে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের নাটক তৈরী। যার বাংলাদেশের প্রতিটা সরকার অনিচ্ছা থাকলেও পশ্চিমাদের কাছ থেকে বাচতে ইসলামিস্টদের দমন নিপিড়ন সুযোগ তৈরী করা।

মাইক্রো ক্রেডিটের মাধ্যমে নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন করে পরিবার ব্যবস্থাকে দুর্বল করা হচ্ছে। সাথে নারীদের অর্থনৈতিক সচ্ছল করার নামে ইসলাম বিরোধী সুদকে নরমালাইজেশন ও ঘরে ঘরে সুদের কারবারি গড়ে তোলা।

শিক্ষা কার্যক্রমে সেক্যুলারিজম:-
- ব্র্যাক স্কুলগুলোতে ইসলামিক শিক্ষার পরিবর্তে পশ্চিমা লিবারেল ভ্যালু শেখানো হয়।
- লিঙ্গ সমতা (Gender Equality) এর নামে ইসলামের লিঙ্গ ভিত্তিক ভূমিকাকে চ্যালেঞ্জ করা হয়।

স্বাস্থ্য সেবার নামে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ:-
- ব্র্যাকের পরিবার পরিকল্পনা প্রকল্প ইউএন ও গেটস ফাউন্ডেশনের Depopulation এজেন্ডার সাথে যুক্ত।
- গর্ভনিরোধক ও অ্যাবরশন** সেবার প্রসার করে মুসলিম জনসংখ্যা কমাতে সহায়তা করা হচ্ছে।

৩. ইসরায়েলি স্বার্থে কাজ:--

ওয়েক্সনার ফাউন্ডেশন (ইহুদি লবি) -এই ফাউন্ডেশন ইসরায়েলের সমর্থনে বিশ্বব্যাপী নেতৃত্ব তৈরি করে।
যেখান থেকে ফজলে হাসান আবেদের পুরস্কার প্রাপ্তি হয় যা প্রমাণ করে তিনি গ্লোবালিস্ট ইজেন্ডার একজন এজেন্ট।

ইসরায়েল-বাংলাদেশ সম্পর্ক উন্নয়নে ভূমিকা:
- ব্র্যাকের মাধ্যমে বাংলাদেশে ইহুদি-সমর্থক সেক্যুলার এলিট শ্রেণি তৈরি করা হয়েছে, যারা ইসরায়েলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিককরণের পক্ষে।

৪. বাংলাদেশের উপর প্রভাব:-

সাংস্কৃতিক যুদ্ধ (Cultural War):-
- ব্র্যাকের মাধ্যমে ইসলামিক আইডেন্টিটি ধ্বংস করে পশ্চিমা লিবারেলিজম প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।
- নতুন প্রজন্মকে আনরিলিজিয়াস ও নাস্তিক্যবাদী হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে।

অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ:-
- ব্র্যাকের মাইক্রো ফাইন্যান্স ঋণ গ্রামীণ জনগণকে ঋণের দাসে পরিণত করেছে।
- এই ঋণ ব্যবস্থা "বাংলাদেশকে Neo-Colonialism এর ফাঁদে ফেলেছে" ।

✍🏻 Md Shakir Ahamad

24/04/2026

রমজান আসলেই বাকারার ১৮৩, ১৮৪ আর ১৮৫ নম্বর আয়াতগুলো খুব পড়া হয়

যতবারই পড়ি ততবারই নতুন নতুন ইনসাইটস পাই

আজও পেলাম!

সেটা নিয়েই আজকের লেখা:

তবে শুরুর আগে কিছু কথা-

জীবনের লাইফ চেঞ্জিং মোমেন্টগুলো একটু রিকল করুন-

-প্রথম সন্তানকে প্রথমবারের মত কোলে নেওয়াটা

-কিংবা প্রথমবার সেই বিশাল সমুদ্রের সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে অতি ক্ষুদ্র ফিল হওয়াটা

-কিংবা খুব কাছের মানুষটার দীর্ঘদিনের পর প্রথম সুস্থতার খবর পাওয়াটা

-কিংবা একটা ভয়ঙ্কর সেই অ্যাক্সিডেন্ট থেকে অল্পের জন্য বেঁচে যাওয়াটা

-কিংবা অনেক অনেক চেষ্টার পর কাঙ্ক্ষিত সেই অপারচুনিটি পাওয়ার খবরটা

চোখ বন্ধ করে ফিলিংসগুলো একটু রিকল করুন

স্বস্তির যেই ঢেউটা ছিল কিংবা আনন্দের যেই জোয়ারটা ছিল বা যেই গভীর কৃতজ্ঞবোধটা ছিল

তা আবার একটু ফিল করার চেষ্টা করুন।

খেয়াল করে দেখুন

প্রতিটা ফিলিংসগুলোর মধ্যে একটা কমন থ্রেড ছিল

ডিপ গ্রেটিচুড আর অ্যাওয়ারনেস!

ওই ইনস্ট্যান্ট গুলোতে সময় যেন থেমে গিয়েছিলো

চিন্তার ধোঁয়াগুলো যেন গায়েব হয়ে গিয়েছিলো

বোধশক্তি গুলো রেজার শার্প হয়ে গিয়েছিলো

এবং আমরা পরিপূর্ণ ভাবে প্রেজেন্সে ছিলাম

আমাদের অ্যাওয়ারনেস জেগে উঠেছিল

আর একটা ডিপ কৃতজ্ঞবোধ আমাদের পেয়ে বসেছিল!

ওই ইনস্ট্যান্ট গুলোতে আমাদের হার্ট প্রতিটা ব্লেসিংস, প্রতিটা গিফট প্রতিটা মোমেন্ট অ্যাপ্রিশিয়েট করছিলো!

কেন? কারণ-

-এই অ্যাওয়ারনেসই আমাদের ডিপ কৃতজ্ঞবোধ শক্তিকে ট্রিগার করে

-অর্থাৎ এই অ্যাওয়ারনেস থেকেই আসে শুকরিয়ার সেই চিলিক দেয়া অনুভূতিগুলো!

এবার এই কনটেক্সটে বাকারার ১৮৩ থেকে ১৮৫ টা পড়ুন

সামারি করলে যা দাঁড়ায়

১৮৩ তে বলা হচ্ছে;

হে বিশ্বাসীগণ! রোজা রাখো, যেন তোমরা অ্যাওয়ারনেস অ্যাচিভ করতে পারো

১৮৪ তে বলা হচ্ছে:

রোজা খুব বেশি দিনের না , পারলে রাখো আর না পারলে ফিদিয়া দাও

আর ফাইনালি

১৮৫ তে গিয়ে বলা হচ্ছে

এই মাসে রোজা রাখো, আর এটাও জেনে রাখো

এই মাসেই কুরআন নাযিল করা হয়েছে।

এখন এই রিয়ালাইজেশন থেকে তার বড়ত্ব ঘোষণা কর এবং তার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর!

তারমানে কি দাঁড়াচ্ছে?

পুরো মাসটাকে ডিজাইনই করা হয়েছে এমনভাবে যেন

আমরা লাইফ চেঞ্জিং সেই মোমেন্টগুলোতে যেভাবে অ্যাওয়ার হয়ে তার প্রতি কৃতজ্ঞ হয়েছিলাম

সেটা বারবার এক্সপেরিয়েন্স করতে পারি।

কিভাবে?

আপনি যখন রোজা থাকেন, তখন কেমন লাগে?

খিদে লাগে, পিপাসা লাগে, আনকমফোর্টেবল লাগে।

আপনি তখন আপনার নিয়ামতগুলোর প্রতি এটেনশন দেন।

এতদিন যেগুলোকে বাই ডিফল্ট ধরে নিয়েছিলেন

লাইক খাবার পানি, স্বাস্থ্য, কম্ফোর্টনেস-সেগুলোকে অ্যাপ্রিশিয়েট করা শুরু করেন!

ইফতারের মুহূর্তটাই একটু রিকল করুন না -

খেজুরের প্রথম কামড়টা কিংবা পানির প্রথম চুমুকটা

কেমন লাগে?

পানিটা একটু বেশি রিফ্রেশিং মনে হয় না?

খাবারটা একটু বেশিই সুস্বাদু লাগে না?

শুধু কি তাই?

পাশাপাশি এই মাসেই কুরআন যখন অর্থ সহ বুঝে পড়েন

অনেকগুলো আহা মোমেন্ট পান না?

মনে হয় না, ভাগ্যিস এটা নাজিল হয়েছিল

না হলে তো আমরা শত মতবাদের ভিড়ে হারিয়েই যেতাম !

মুখে স্বীকার না করলেও আপনার হৃদয় কিন্তু আসলেই তখন কৃতজ্ঞতায় নেচে উঠে।

সো এই তিন আয়াতের হিকমাটা মোটামুটি ক্লিয়ার:

রমাদান আমাদের টোটাল সিস্টেমের জন্য একটা ট্রেইনিং

-ক্ষুধার মাধ্যমে সে আমাদের বডিকে ট্রেইন করে

-কুরআনের মাধ্যমে সে আমাদের হার্টকে ট্রেইন করে

-আর অ্যাওয়ারনেসের মাধ্যমে গ্র্যাটিটিউড বাড়িয়ে সে আমাদের রূহকে ট্রেইন করে

সো বলতেই পারি যে

রামাদান শুধু উপোষ থাকার জন্য না, এটা একটা ডিজাইন

জীবনের বিশেষ মুহূর্তগুলোতে যেভাবে ফিল করি সেই ফিলিংসগুলো যেন আমরা বারবার এক্সপেরিয়েন্স করতে পারি সেটার ডিজাইন।

তাই রামাদানের এই বিদায়বেলায় একটা ছোট অনুরোধ

সুযোগ হলে রাতের আঁধারে একটু ঠান্ডা মাথায় বসে একটু রিফ্লেক্ট করুন

রিফ্লেক্ট করুন-

-তার কোন কোন নিয়ামতগুলো এতদিন ইগনোর করছিলেন

-তার কোন কোন নিয়ামত আবার নতুন করে রিয়ালাইজ করলেন

-আর তার কোন কোন নিয়ামতগুলোর জন্য গভীর কৃতজ্ঞবোধ থেকে বলে উঠলেন

আল্লাহ তুমি সত্যি আকবার!

আর আমি সত্যি বড় অকৃতজ্ঞ!

✍🏻 সামিউল হক

24/04/2026

খেয়াল করে দেখুন:

যখনই আমরা মাইন্ডটাকে একটু ফ্রি করি

তখনই সে কথা বলা স্টার্ট করে

নতুন নতুন আইডিয়াস জেনারেট করে

-এমন সব আইডিয়াস যা কখনো চিন্তাও করেননি

-এমন সব সলিউশন যা জটপাকানো ডটগুলো কানেক্ট করে

-এমন সব প্রশ্ন, যা শুনলে মনে হয়

-"আরে! এটা যে আমার ভিতর ছিল এটাই তো আমার জানা ছিল না!

অ্যাজ ইফ সে খালি ওয়েট করছিলো যে আমরা কখন একটু ফ্রি হব!

ফ্রি মানে ফ্রি!

নো ফোন, নো স্ক্রিন, নো ডিস্ট্রাকশন এমনকি নো দিবা স্বপ্ন!

কিন্তু যেই না আবার ফোনটা হাতে নেই- সব কিছু আবার আগের মতো

সময় সেই বিদ্যুৎ বেগে গায়েব হয়ে যায়

আইডিয়াগুলো নীরবে প্রস্থান নেয়

বুঝিও না যে তারা চলে যাচ্ছে!

কেন?

আমরা আসলে বিজি আর প্রোডাক্টিভ এর মধ্যে পার্থক্য গুলিয়ে ফেলেছি!

মুভমেন্ট মানেই যেমন প্রগ্রেস না

তেমনি বিজি থাকা মানেই প্রোডাক্টিভ থাকা না !

এটা বুঝতে হলে আমাদের মাইন্ড কিভাবে অপারেট করে সেটা একটু বুঝতে হবে

আমাদের মাইন্ড মূলত দুটো স্টেইটে অপারেট করে

কনসিউমিং স্টেইট আর ক্রিয়েটিভ স্টেইট

আমরা যখন অবসর টাইমেও কনস্ট্যান্টলি স্ক্রিন টাইমে থাকি, আমরা কিন্তু আসলে বিজিই থাকি

আমাদের শরীর হয়তো তখন বিজি না…

কিন্তু আমাদের মাইন্ড ঠিকই বিজি থাকে

তখন সে কনজাম্পশনে বিজি, ক্রিয়েশনে নয়!

আমাদের ব্রেইনের একচুয়েল প্রোডাক্টিভিটি স্টার্ট হয় তখন যখন আমরা সত্যিকার অর্থে ফ্রি হই!

এটা হয় ডিফল্ট মোড নেটওয়ার্ক নামক এক স্টেইটের মাধ্যমে!

শুনতে কঠিন হলেও বিষয়টা কিন্তু সহজ

এই ডিফল্ট মোড নেটওয়ার্ক স্টেইট অ্যাকটিভেট হয় যখন আমরা এক্সটার্নাল সব কিছু থেকে ফোকাস সরিয়ে ফেলি

পার্টিকুলারলি যখন আমরা রেস্টে থাকি কিংবা রিফ্লেক্ট করি

অর্থাৎ যখন আমরা একটু পজ নেই !

আমাদের এই স্টেইটটাই হচ্ছে ক্রিয়েটিভিটি, আইডিয়া জেনারেশন বা ডিপ থিংকিং এর সাথে কানেক্টেড!

পক্ষান্তরে যেই মুহূর্তে আমরা ডিভাইসটা নিয়ে বসি

হোক তা অবসরে কিংবা শুয়ে বসে

আমাদের ব্রেইন তখন আবার ক্রিয়েটিভ স্টেইট থেকে কনসিউমিং স্টেইটে শিফট করে

সে তখন ইনফরমেশন প্রসেস করে, রিঅ্যাক্ট করে, কনসিউম করে

এই স্টেইটে আর যাই হোক আইডিয়া গুলো জেনারেট হয় না !

স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন আসে যে এই আইডিয়াগুলো আসলে জেনারেট হয় কীভাবে?

করে দুটো মেথডে

ফোকাসড থিংকিং আর ইনকিউবেশন থিংকিং

ফোকাসড থিংকিং তো সিম্পল

যেটা আমরা অংক করার সময় করে থাকি

লজিকাল স্টেপ বাই স্টেপ একটিভ থিংকিং।

তবে ইনকিউবেশন থিংকিং হচ্ছে ইন্টারেস্টিং, এটা হচ্ছে আমাদের ব্যাকগ্রাউন্ড থিংকিং

অর্থাৎ এটা হচ্ছে সেই প্রসেস

যা আমরা প্রায়ই এক্সপেরিয়েন্স করে থাকি তবে কখনো খেয়াল করা হয়নি

এই ধরেন, কোন একটা প্রব্লেম অনেক বার চেষ্টা করেও সল্ভ হচ্ছে না

কিছুতেই কিছু হচ্ছে না

আপনি একটু ব্রেক নিলেন…

এবং ব্রেকের মধ্যেই হঠাৎ একটা সলিউশন পপ আপ করলো!

এটাই হচ্ছে ইনকিউবেশন এফেক্ট!

অর্থাৎ আমরা যখন মাইন্ডকে ফোর্স না করি

তখন সে চুপচাপ ব্যাকগ্রাউন্ডে কাজ করতে থাকে

নিবিড়ভাবে…

এবং আকস্মিকভাবে সলিউশন প্রেসেন্ট করে আইডিয়া আকারে!

তাই তো দেখবেন,

অনেক বড় বড় আইডিয়া বা সলিউশন গুলো কিন্তু আমরা পাই আনপ্ল্যানড মোমেন্টে…

হয় বাথরুমে…

নয়তো মর্নিং ওয়াকে।

অর্থাৎ যখন আমরা নিজেকে অ্যালাও করেছিলাম কিছু না করাতে!

এই কিছু না করাটা কিন্তু আসলে কিছু না করা নয়

সেটা মাইন্ডকে একটু সময় দেয়া রিকোভার করার জন্য

যেন সে একটু দম নিতে পারে।

জনাথন স্কুলার নামের একজন রিসার্চার এই বিষয়ে একটা ইন্টারেস্টিং এক্সপেরিমেন্ট কন্ডাক্ট করেন।

তিনি দেখেন যে

যারা কাজের ফাকে একটু পজ নিয়ে তাদের মনকে ঘুরে বেড়াতে দেয়…

তারা ফিরে এসে একই সমস্যার আরও ক্রিয়েটিভ সলিউশন দিতে পারছে!

এটা একটা পাওয়ারফুল ফাইন্ডিং!

এর মানে হলো

স্রষ্টা আমাদের মধ্যে এমন ভাবেই ডিজাইন করেছেন

যেন আমরা স্টিলনেসের মাধ্যমে রিফ্লেক্ট করতে পারি, কানেক্ট করতে পারি এবং প্রব্লেম সল্ভ করতে পারি !

তাই তো দেখবেন

বড় বড় মুনি-ঋষিরা জীবনের কোন না কোন একটা সময় এই স্টিলনেসকে বেছে নিয়েছিলেন!

এতেকাফের কনসেপ্টের মাধ্যমে আমাদেরকেও কিন্তু উৎসাহ দেয়া হয়েছে অ্যাটলিস্ট বছরে একবার হলেও এটা ট্রাই করার!

কারণ এই ডিপ ক্রিয়েটিভ স্টেইট কোলাহলে জাগ্রত হয় না

হয় স্টিলনেসে!

তবে নাফ্স এই স্টিলনেস পছন্দ করে না

তাই তো যখনই আমরা এই নিরাবতা একটু প্রেকটিস করি, আমরা বোর হই

আর সেই বোরডম ঢাকার জন্য না কিছুতে এনগেজ হই

হয় তা স্ক্রলিং দিয়ে নয়তো কোনো ভিডিও দেখে কিংবা কোনো নোটিফিকেশনের রেসপন্ড করে।

আর সেটা করতে গিয়ে আমরা মনের অজান্তেই একটা ইম্পর্টেন্ট এসেট হারাতে বসি

যেখানে আইডিয়া গুলো জন্ম নেয় সেই স্পেসটা হারাতে বসি!

তবে ভয়ের কিছুটা নেই …

এমন না যে এটা আপনি চিরতরে হারিয়ে ফেললেন

এটা আমরা আবারও রিকোভার করতে পারি।

খুব বেশি কঠিন কিছু না

জাস্ট কিছু হেবিট চেঞ্জ করলেই কিন্তু হয়ে যাচ্ছে!

এই ধরেন:

-বাথরুমে গেলেন—ফোনটা রেখে যান

-এমনকি ঘুমানোর আগেও—পারলে ফোনটা একটু দূরে রাখেন

-মসজিদে গেলেন—নফল ই‘তিকাফের নিয়ত করে একটু একা একা বসেন

নোটিফিকেশন আর ডিস্ট্রাকশনের কোলাহল বাদ দিয়ে… একটু ঠান্ডা মাথায় রিফ্লেক্ট করুন।

হোক না তা কয়েক মিনিটের জন্য…

নিজের মাইন্ডকে একটু শান্ত হওয়ার জন্য অ্যালাও করেন !

এই ছোট ছোট ডিসিশনগুলো সিম্পল কিন্তু অনেক পাওয়ারফুল

কারণ ডিসিশনগুলোর মাধ্যমে আমরা ছোট ছোট অনেক গুলো ফ্রি পকেট ক্রিয়েট করি

আর এই পকেট মোমেন্টগুলো ধীরে ধীরে অ্যাড আপ হতে থাকে

একটা সময় গিয়ে আপনি নিজেই বুঝা শুরু করবেন যে —

-আপনার ক্রিয়েটিভ চিন্তাগুলো আবার ফিরে আসছে

-আইডিয়াগুলো আবার জন্ম নিচ্ছে

-ক্ল্যারিটি আসছে

তখন আপনি রিয়েলাইজ করবেন যে

প্রডাক্টিভিটি বাড়ানোর জন্য আসলে আমাদের ব্যস্ততা না

দরকার শুধু একটু ডিস্ট্রাকশন ফ্রি নীরবতা!

✍🏻 সামিউল হক

24/04/2026

একজন প্রশ্ন করলেন

ভাই রাট ২টা ৩টা পর্যন্ত তো জেগেই থাকি

তখন যদি নফল পড়ি

সেটা কি তাহাজ্জুদ হিসেবে গণ্য হবে নাকি সেটা কিয়ামুল লাইল হবে?

প্রশ্নটা এখন পর্যন্ত অনেকেই করেছেন

মনে হলো প্রশ্নটা অনেকের মনেই আছে

তাই কিছু কথা:

আরবিতে স্পেসিফিকালি রাত্রিকালীন ঘুমকে "হাজাদা" বলা হয়

আর এই "হাজাদা" থেকেই তাহাজ্জুদ

আর যদি আরবি গ্রামার ইন ডেপ্থ স্টাডি করেন তাহলে দেখতে পাবেন যে

এই তাহাজ্জুদ এসেছে তাফাউউল ফর্মে

যার বৈশিষ্টই হলো এটা বুঝানো যে "এমন কিছু করা" যা করতে এফোর্ট দিতে হয়

অর্থাৎ তাহাজ্জুদের অর্থ হলো

এফোর্ট দিয়ে ঘুম থেকে উঠে ইবাদাহ করা

সো বাই ডেফিনিশন আপনি যদি জেগেই থাকেন তাহলে তা তাহাজ্জুদ হবে কি করে?

তবে বলে রাখা উচিত যে

রাতের নামাজসমূহকে কিয়ামুল লাইল বলা হয়

কিয়াম অর্থ দাঁড়িয়ে থাকা আর লাইল অর্থ রাত্রি

অর্থাৎ রাত্রিকালীন নামাজে দাঁড়িয়ে থাকাটাই হচ্ছে কিয়ামুল লাইল

তাহাজ্জুদ হচ্ছে এক ধরণের কিয়ামুল লাইল, বাট এ স্পেশাল কিয়ামুল লাইল!

যদিও আরবিতে রাত্রিটা শুরু হয় মাগরিবের পর থেকেই

তবে উলামারা সর্বসম্মতভাবে ভাবে ইশার পর থেকে ফজর পর্যন্ত নফলগুলোকেই কিয়ামুল লাইল হিসেবে গ্রহণ করেছেন।

তবে পাশাপাশি ছোট্ট একটা হিসেবে দেই

ধরেন আমাদের মাগরিব শুরু হয় সাড়ে ৬ টায় আর ফজর শুরু হয় সাড়ে ৪ টায়

এর অর্থ রাত্রিটা হচ্ছে ১০ ঘন্টার

অর্থাৎ একে যদি তিন ভাগ করি তাহলে প্রতি ভাগে ৩ ঘন্টা ২০ মিনিট করে হয়

প্রথম ভাগ: ৬:৩০ থেকে ০৯:৫০ পর্যন্ত

দ্বিতীয় ভাগ: ০৯:৫০ থেকে ১:১০ পর্যন্ত

আর তৃতীয় ভাগ: ১:১০ থেকে ৪:৩০ পর্যন্ত

আল্লাহর রাসূলুল্লাহ আমাদের জানান:

আল্লাহ প্রতি রাত্রির শেষ ভাগে আমাদেরকে ডাকতে থাকেন

তিনি বলতে থাকেন যে

কে আছে যে আমায় ডাকবে, আমি তো তার ডাকে সাড়া দেব?

কে আছে যে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে, আমি তো তাকে ক্ষমা করে দেব?’”

কে আছে যে আমার কাছে চাইবে, আমি তো তাকে যা চাইবে তা ই দিব?

[সহি বুখারি ১১৪৫]

সো তাহাজ্জুদ না কিয়ামুল লাইল সেটা আপাতত সাইডে রাখেন

আপনি যদি ২টা ৩টা পর্যন্ত জেগেই থাকেন

তাহলে বলবো লিস্ট বানিয়ে দাঁড়িয়ে যান

সারা জাহানের মালিক, সারা জাহানের বাদশাহ, সারা জাহানের সব থেকে ক্ষমতাবান সত্তা আপনাকে ওপেন ইনভিটেশন দিচ্ছে যা খুশি চাওয়ার

এই অপরচুনিটি আপনি বাদ দেবেন কেন?

লম্বা সূরা বা দুয়া না জানলে সমস্যা নাই

আবার আরবিটাও পারফেক্টলি জানা না থাকলে সমস্যা নাই

জাস্ট লিস্ট নিয়ে সেজদায় গিয়ে নিজের ভাষায় ফিসফিস করে বলা শুরু করেন

ইয়া রব!

শুনেছি আপনি "কেউ কি আছে?" বলে এখন ডাকছেন

জি আমি আছি, ইয়া রব!

এই মুহূর্তে আপনাকে যে আমার বড্ড দরকার

লম্বা লিস্ট নিয়ে এসেছি!

এখন কি চাওয়া শুরু করতে পারি?

✍🏻 Samiul haq

24/04/2026

পুরো কুরআন জুড়ে খুব সম্ভবত এই একটা জায়গাতেই পেলাম যেখানে আয়াতটা শুরু হয়েছে

"হে বিশ্বাসীগণ" বলে কিন্তু শেষ হয়েছে "আমি অবিশ্বাসীদের গাইড করি না" বলে

[কুরআন ২:২৬৪]

অর্থাৎ এই একটা আয়াতে তিনি এমন একটা পয়েন্ট নিয়ে ডিসকাস করেছেন

যেটা ভায়োলেট করলে বিশ্বাসী থেকে অবিশ্বাসীতে টার্ন নেয়ার পসিবিলিটি থাকে

কি সেই মারাত্মক পয়েন্ট যা বিশ্বাসী থেকে অবিশ্বাসীতে টার্ন করার সামর্থ্য রাখে?

শিরক? হত্যা? না যিনা?

উহু এর কোনোটাই না !

খুব সিম্পল একটা কাজ

প্রতিনিয়তই আমরা করছি!

কাজটা হচ্ছে খোটা দেওয়া!

বিশেষ করে কাউকে ফাইন্যান্সিয়ালি হেল্প করার পর!

সিম্পল কিন্তু বিশাল কনসিকোয়েন্স!

কিন্তু কেন এটা এতো বড় অপরাধ?

কারণটা সিম্পল- হিউম্যান ভ্যালুজ!

স্রষ্টা নিজে যেখানে ঘোষণা দিচ্ছেন

"আমি আদম সন্তানকে সম্মানিত করে পাঠিয়েছি"

[কুরআন ১৭:৭০]

সেখানে আমি আপনি কিভাবে তাদেরকে অসম্মান করি!

এই হিউম্যান ভ্যালুজ নিয়ে রাসূলের একটা বিখ্যাত ঘটনা আমরা পাই যখন তিনি তাওয়াফ করছিলেন

তাওয়াফরত অবস্থায় তিনি কাবাকে ইঙ্গিত করে বলে উঠেন

"হে কাবা, কতই না তুমি মহান, কতই না তোমার পবিত্রতা

কিন্তু তুমি জানো কি?

একজন বিশ্বাসীর পবিত্রতা, তার ধন-সম্পদ ও রক্ত, আল্লাহর চোখে তোমার থেকেও অনেক অনেক বেশি পবিত্র!"

[সুনান ইবনে মাজাহ ৩৯৩২]

আদম সন্তান হিসেবে আমাদের সব থেকে বড় এসেট মনে হয় আমাদের আত্মসম্মান!

কেউ যদি তা ভায়োলেট করে স্রষ্টা তা মেনে নিতে পারে না।

আমরা সাধারণত কারো কাছে হাত পাততে পছন্দ করি না

তখনই পাতি যখন পিঠ একদম দেয়ালে ঠেকে যায়।

এমন অবস্থায় সাইকোলোজিকালি আমরা এমনিতেই ডাউন থাকি, এমনিতেই ট্রমাতে থাকি

এই নাজুক অবস্থায় যদি কেউ আবার যদি হেল্প করার পর খোটা দেয়

কি পরিমান কষ্ট যে তা জেনারেট করে তা বলে বুঝানো যাবে না

একমাত্র ভুক্ত ভোগিরাই তা জানে

এই কষ্ট মজলুমের কষ্ট হিসেবে আরশ পর্যন্ত কিন্তু পৌঁছে যায় !

এই জিব্বা মানুষকে যে পরিমান কষ্ট দিতে পারে অন্য কম অস্ত্রই তা করতে পারে

তাইতো দেখবেন জিব্বার গুনাহকে কঠিন ভাবে নিষেধ করা হয়েছে!

মনে আছে সেই মহিলার কথা ?

যার কথা রাসূলকে বলা হলে তিনি ডিরেক্ট বলে দিয়েছিলেন

"এই মহিলা জাহান্নামী!"

"তার ভিতরে ভালোত্বের লেশমাত্র নেই!"

অথচ তিনি কিন্তু রোজা রাখতেন, সাদাকা দিতেন, এমনকি রাতে তাহাজ্জুদও পড়তেন

তার একটাই অপরাধ ছিল

তিনি মানুষকে জিহবা দ্বারা কষ্ট দেন।

ওই একটা আমল তার সব কয়টা নেক আমলকে বরবাদ করে দিয়েছিলো!

খেয়াল করে দেখেন

এই জিব্বার গুনাহ কিন্তু আমরা অহরহ করে যাচ্ছি

মনের অজান্তেই করছি-

বন্ধুর দুর্দিনে সামান্য কিছু টাকা দিয়েছেন

কিন্তু সেটা দিয়ে বারবার খোটা দিচ্ছেন

টাকাটা না দিলে কিন্তু তোর অবস্থা খারাপই ছিল! বিষয়টা মাথায় রাখিস

কিংবা পাশের বাসার ভাবীকে খোটা দিচ্ছেন

আপনার ছেলেকে তো আমার হাসবেন্ডই চাকরিটা দিলো

না দিলে তো সে এখনো রাস্তায় রাস্তায়ই ঘুরতো।

কিংবা স্বামী স্ত্রীকে খোটা দিচ্ছেন

“তোমার আর কি কাজ, বাসায় যা কিছু করছি, সব তো আমার টাকাতেই করছি —এটা ভুলে যেও না”

কিংবা স্ত্রী স্বামীকে খোটা দিচ্ছেন

“তোমার এই অবস্থায় আসার পেছনে তো আমার বাবার সাপোর্টটাই মূল”

কিংবা কাউকে পড়াশোনার খরচে হেল্প করেছেন

পরে সুযোগ পেলেই খোটা দিলেন

“তোর পড়ালেখাটা কে চালাইছে ভুলে যাস না কিন্তু”

কিংবা কারো বিপদের সময় পাশে দাঁড়িয়েছিলেন

কিন্তু পরে সেটাকে লিভারেজ হিসেবে ব্যবহার করছেন

“ওই সময় আমি না থাকলে তুই আজ কোথায় থাকতি ভাবছিস?”

আজকাল তো আবার দেখি এই খোটা বিষয়টা শিল্পের পর্যায়ে চলে গিয়েছে

সোশ্যাল মিডিয়াতে টেগ মেরে মেরে খোটা দিচ্ছে মানুষ

“আজকে একজনকে হেল্প করলাম, আলহামদুলিল্লাহ” - ফিলিং ব্লেসেড উইথ অমুক !

মানে কি বলবো!

মানুষ কেন এমন করে?

কারণ দেখলাম জিব্বাটা আসলে নাফ্সের সাথে রিলেটেড

কাউকে ছোট দেখিয়ে আমরা বড় হতে মজা পাই

কারণ এতে ডোপামিন রিলিজ হয়

আর এতে যে ইগো বুস্ট আপ হয়

ফলশ্রুতি?

দিন দিন আমরা হয়ে উঠি অ্যারোগেন্ট, হয়ে উঠি অহংকারী

ভুলে যাই রাসূলের সেই হুঙ্কার

“কারো অন্তরে যদি বিন্দু মাত্র অহংকার থাকে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না।”

সাহাবারা উনাকে ক্লিয়ার হওয়ার জন্য জিজ্ঞেস করেন

ইয়া রাসূলুল্লাহ! এখানে অহংকার করাটা কাকে বুঝাচ্ছে?

তিনি খুলে বলেন

এখানে অহংকার করাটা হচ্ছে মানুষকে তুচ্ছ করা!

[সহি মুসলিম ৯১এ]

অর্থাৎ হিউম্যান ভ্যালুজকে তুচ্ছ করা!

ইদানিং খুব শঙ্কিত হয়ে দেখছি

আমাদের এই হিউম্যান ভ্যালুজ দিন দিন প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে আসছে!

সেদিন দেখলাম এক পরিচিত বন্ধু তার মাকে ফোন দিয়ে শাসাচ্ছে, মাকে!

"বাড়িটা কিন্তু আমার, কথাটা ভুইলা যাইয়েন না"

"আছেন ভালো কথা , আমার কথা মত এখন চলতে হবে!"

একটু পর পর মনে করিয়ে দিচ্ছে

"বাড়িটা কিন্তু আমার, কথাটা ভুইলা যাইয়েন না"

"আছেন ভালো কথা , আমার কথা মত এখন চলতে হবে!"

থাকতে না পেরে জোরে একটা ঝাড়ি দিলাম

বললাম "করছিসটা কি!"

ধ্বংস হয়ে যাবি তো!

মায়ের সাথে কেউ এভাবে কথা বলে নাকি?

একে তো মা !

তার উপর আবার তুই খোটা দিচ্ছিস!

কুরআন খুলে আয়াতটা দেখালাম!

বললাম: "যা! পা ধরে গিয়ে মাফ চা গিয়ে!"

টনক নড়ল তার

চোখ ছল ছল করে উঠে গেলো!

দুইদিন পর এসে জানালো

দোস্ত, পা ধরে মাফ চেয়েছি!

মা খুব খুশি হয়েছে!

থেঙ্কস দোস্ত তুই আমায় বাঁচালি!

আজ তাই আয়াতটা শেয়ার করা

পাছে কারো যদি একটু টনক নড়ে!

বিষয় গুলোতে সাবধান হওয়া চাই

নাহলে এর কনসিকোয়েন্স মারাত্মক

মারাত্মক এই কনসিকোয়েন্স এই আয়াতেই তিনি বলেন:

"তোমরা যারা এমনটা করবে

তাদের এক্সাম্পল হলো সেই মসৃণ পাথরের মত

যার উপর কিছু মাটি থাকে, আর প্রবল বৃষ্টিতে এসে তা পরিষ্কার করে ফেলে

অর্থাৎ যা তারা উপার্জন করেছে তার কিছুই আর কাজে আসবে না"

[কুরআন ২:২৬৪]

অর্থাৎ যা কামাই করেছেন সব ধুয়ে শেষ!

সো নেক্সট টাইম মনের কোণে যখনি কাউকে নিচু বা খোঁচা মারার উস্কানিটা আসবে

নিজেকে একটু সজ্ঞানে প্রশ্ন করবেন

এতদিনের কষ্টের জমানো আমল

কেন নষ্ট করব?

এতদিনের কষ্টের জমানো আমল

কেন ধুয়ে ফেলব?

তার থেকেও বড় কথা

এতো দিনের গচ্ছিত ঈমান

সামান্য মজা নিতে গিয়ে তাকে কেন রিস্কে ফেলবো?

✍🏻 সামিউল হক

22/04/2026

""কতটা অসভ্য জাতি হলে এইরকম করে মানুষ!

আজ ভোরে মাংস কিনতে গিয়েছিলাম। সকাল সকাল না গেলে পছন্দমতো মাংস পাওয়া যায় না। গিয়ে দেখলাম, কসাই গরু জবাই করবেন আমার সামনে। ভাবলাম, ভালোই হলো, দেখে শুনে নেওয়া যাবে।

গরু জবাই হলো। জবাই করার সঙ্গে সঙ্গে কসাই ছুরির মাথা দিয়ে গলার ভেতর একটি খোঁচা দিলেন। সঙ্গে সঙ্গে গরু নড়াচড়া বন্ধ করে দিল, রক্ত পড়াও বন্ধ হয়ে গেল। এরপরই কসাই চামড়া ছাড়ানো শুরু করে দিলেন।

আমি কসাইকে বললাম, “রক্তগুলো বের হতে দেন, তারপর চামড়াটা ছাড়ান।” কসাই এক গাল হেসে আমাকে উপেক্ষা করে চামড়া ছাড়াতেই থাকলেন। আমি নির্বাক তাকিয়ে রইলাম তার দিকে।

আমাদের দেশের অধিকাংশ কসাইখানায় গরুর মাংস টকটকে লাল দেখা যায়। এর কারণ হচ্ছে, কসাইরা গরু জবাই করার পর ছুরির মাথা দিয়ে স্পাইনাল কর্ডে খোঁচা দেয়। এতে গরু ব্রেন স্ট্রোক করে দ্রুত নিস্তেজ হয়ে যায় এবং রক্ত তেমন বের হয় না।

একটি গরুর শরীরে প্রায় ২০–২৫ লিটার রক্ত থাকে। যত কম রক্ত বের হবে, তত ওজন বাড়বে।

আমাদের দেশের অনেক মানুষ অভিযোগ করে বলে, গরুর মাংস খেলে অ্যালার্জি হয়। এর মূল কারণ হচ্ছে এই রক্ত, যা কসাইরা বের হতে দেয় না। অনেকেই গরুর মাংস খেলে এলার্জি হয়। বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে এর পেছনে কারণ হতে পারে, মাংসে জমে থাকা রক্ত।

রক্তে বিভিন্ন বর্জ্য পদার্থ (toxins), ইউরিয়া, এবং ব্যাকটেরিয়া থাকার সম্ভাবনা থাকে। সঠিকভাবে রক্ত বের না হলে এগুলো মাংসে থেকে যেতে পারে, যা হজমে সমস্যা, এলার্জি বা চুলকানি ও দ্রুত পচন হতে পারে।

অনেকেই আবার বলেন, কোরবানির মাংস খেলে কোনো সমস্যা হয় না। এর মূল কারণ হলো, কোরবানির পশুর রক্ত বের হতে সময় দেওয়া হয়, তাই সমস্যা হয় না।

সামান্য লাভের আশায় মানুষ কত কিছুই না করে।

ফরিদপুর শহরে এমন একটি কসাইয়ের দোকানও নেই, যেখানে এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয় না। অথেনটিক গরুর মাংস বিক্রি করে, এমন দোকানও নেই বললেই চলে।

কসাইদের অভিযোগ, জবাইয়ের পর সময় দিলে চামড়া ছাড়ানো কঠিন হয়। এই কারণেই তারা দ্রুত চামড়া ছাড়িয়ে ফেলে। যদিও এই অভিযোগের তেমন কোনো ভিত্তি নেই। কারণ, চামড়া ছাড়ানোর সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি হলো গরুকে ঝুলিয়ে চামড়া ছাড়ানো।

কিন্তু এখানেও একই সমস্যা, তাহলে রক্ত সব বের হয়ে যাবে।

সচেতনতা না বাড়লে, এই অবস্থা পরিবর্তন হবে না। এবং এটি শুধু গরু নয়, খাসি, মহিষ, ভেড়া সব একই সিস্টেম।
(সংগৃহীত)

19/04/2026

“আমাদের পূর্ববর্তীগণ দুনিয়ার জন্য কেবল তা-ই রাখতেন, যা তাদের আখিরাত নিশ্চিত করার পর অবশিষ্ট থাকতো।

অন্যদিকে তোমরা তোমাদের আখিরাতের জন্য তা-ই রেখে দাও, যা তোমাদের দুনিয়া নিশ্চিত করার পর অবশিষ্ট থাকে।”

– আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আউন আল-মুযানী রাহিমাহুল্লাহু।

[সিফাতুস সাফওয়া ৩\১০১]

16/04/2026

বিজনেসে লস খেয়ে,যখন আপনি পর্দাকে বিসর্জন দিতে পারবেন তখনই আপনি সফল বিজনেস উইম্যান!

কঠোর পর্দায় থেকে পেটে ভাতে থাকতে দেখেছি,তবে সফল ক্যারিয়ারে রাতারাতি উপরের লেভেলে উঠতে খুব কম মানুষকেই দেখেছি।

বরং বিজনেস করতে অনেককেই দেখেছি,দ্বীন থেকে ছিটকে পড়তে,এরপর তারা হয়ে যায় আপনাদের কাছে বিজনেস আইকন।

হযরত খাদীজা (রা.) এর কথাই ধরুন,
বিজনেসে নিজেকে না দেখিয়ে আল্লাহর রাসূল (সা.) এর মধ্য দিয়ে বিজনেস করেছেন,উনি বাহিরের দিকটাতে নিজেকে কাউকে দেখাননি।

আজকাল আপনাদের বিজনেস আইকনদের দেখলে, তাদের পর্দা নিয়ে আপনারাও উপরের লেভেলে উঠতে চাইলে আমার বরং কষ্টই হয়।
কিভাবে আপনারা শুধুমাত্র নিকাব পরে সবকিছুতে বেপর্দা মহিলার মত আসাটাকে সাপোর্ট করেন.? যারা কিনা প্রতিনিয়ত পুরুষের সঙ্গে উঠবস,বিভিন্ন এঙ্গেলে শর্ট ভিডিও, এই সেই অভিনয়ের মাধ্যমে সবার নজরে আসে.?
তারাই সফল বিজনেস-ওম্যান.?

কমবেশি আমাদের জীবনের সবারই কালো অধ্যায় থাকে,তাই বলে লক্ষ লক্ষ মানুষের সামনে গিয়ে লাইট ক্যামেরা এ্যকশনে গিয়ে বলে দাঁড়ানোকে এপ্রিশিয়েট করছেন.?

আচ্ছা!.
এই যে,নিকাব পরে সবকিছুকে জায়েজ করাটাকে সাপোর্ট করছেন,এটার গুনাহে জারিয়ায় কিন্তু আপনিও শরীক হচ্ছেন।
অনেক আলেমের বৌ-রাও এটাকে জায়েজ মনে করবে। আর এটার জন্যই বছরের পর বছর টিকে থাকার সংসার গুলো ভেঙ্গে যাচ্ছে একটু লোভে পড়ে,এই ফেসবুকের কারনে,অন্যের ভালো থাকা,লাইফস্টাইল দেখে নিজে হতাশ হওয়ার কারনে।

আমার অবাক লাগে,মাদ্রাসা পড়ুয়া আলেমারাও কিভাবে এমন বেপর্দায় থাকা কাজগুলোকে মেনে নিয়ে সমানে পোষ্ট করে!

পর্দা কি এতই সস্তা.?
সত্যি কথা বলতে কি জানেন.?
আজকাল মাদ্রাসা পড়ুয়াদের থেকেও দ্বীনে ফেরা জেনারেলদের পর্দা একেবারেই মজবুত মাশা আল্লাহ। তারা যেটাকে বর্জন করে,সেটাকে একেবারে মন থেকেই বর্জন করে মাশা আল্লাহ।
তারা পর্দাকে এতটাই গুরুত্ব দেয় যে,দামী গাড়ি,দামী বাড়ি,বিলাসবহুল জীবনযাপনকে ছেড়ে দিতে দুইবার ভাবেনা।

আর মাদ্রাসা পড়ুয়া আবেগি বোন কতগুলা আছে,সবকিছুতেই জায়েজ জায়েজ ফতুয়া দেয়।
এদের জামাইরাও অবশ্য আলেম,কিভাবে তারা বৌ-দের এমন কাজকে বাহ্বা দেয় আমার সত্যিই জানা নেই।

এরপরেও আপনারা যা ভালো মনে করেন।
আমার এলার্ট পোষ্ট করে দেওয়ার দরকার মনে করেছি,তাই পোষ্ট করা।
এমন কখনো আমি ভুলকে সঠিক মনে করলে আপনারাও মনে করিয়ে দিবেন আমাকে।

জাযাকুমুল্লাহ খয়রান ফিদদারাইন।
✍🏻Mushfiqaa Zaraa

Address

Dhaka
1310

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Dream of our Team posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to The Dream of our Team:

Share