সনাতনী পরিবার

সনাতনী পরিবার সনাতনী পরিবার এর পক্ষ থেকে প্রত্যেক সনাতনীকে ভালবাসা ও শুভেচ্ছা😊❣️

সনাতনী পরিবার পেইজটি সনাতন ধর্ম সম্পর্কে আপনাদেরকে সম্যক ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করে। এছাড়াও বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠান সম্পর্কে জানতে চাইলে যুক্ত থাকুন আমাদের সঙ্গে..নমস্কার।।

আজ মহা শিবরাত্রি-১৪৩২🔱💙পবিত্র শিবরাত্রির এই মহামঙ্গলময় তিথিতে ভগবান শিবের আশীর্বাদে সবার জীবনে আসুক শান্তি, সুস্বাস্থ্য...
15/02/2026

আজ মহা শিবরাত্রি-১৪৩২🔱💙

পবিত্র শিবরাত্রির এই মহামঙ্গলময় তিথিতে ভগবান শিবের আশীর্বাদে সবার জীবনে আসুক শান্তি, সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি।
মহাদেব সকল দুঃখ-দুর্দশা নাশ করে ভক্তদের জীবন ভরিয়ে তুলুন আনন্দ, শক্তি ও সাফল্যে।

শিবলিঙ্গে জল ঢালা মানে শীতলতা ও শান্তির অর্পণ। শিব নীলকণ্ঠ—সমুদ্র মন্থনের সময় হলাহল বিষ পান করে তিনি বিশ্বকে রক্ষা করেছিলেন। তাই তাঁকে শীতল রাখতে এবং বিশ্বশান্তির কামনায় জল নিবেদন করা হয়।
জল অর্পণ মানে নিজের অহংকার, ক্রোধ ও পাপ ধুয়ে ফেলার প্রতীকী প্রকাশ।

হর হর মহাদেব!!!

শ্রী শ্রী রটন্তী কালী পূজা সমস্ত কালীপুজো অমাবস্যা তিথিতে হলেও রটন্তী কালীপুজো চতুর্দশী তিথিতে হওয়ার পিছনে একটা পৌরাণিক...
16/01/2026

শ্রী শ্রী রটন্তী কালী পূজা
সমস্ত কালীপুজো অমাবস্যা তিথিতে হলেও রটন্তী কালীপুজো চতুর্দশী তিথিতে হওয়ার পিছনে একটা পৌরাণিক গল্প রয়েছে। ‘রটন্তী’ শব্দের মধ্যে রয়েছে ‘রটে’ যাওয়া কথাটি। রটে যাওয়া অর্থাৎ মুখে মুখে প্রচারিত হওয়া। কিন্তু কি রটেছিল সেটা জানতে আমাদের ফিরে যেতে হবে রাধা কৃষ্ণের প্রেমের কাহিনীতে।
কথিত আছে, শ্রীকৃষ্ণের বাঁশি যখন বেজে ওঠে শ্রীরাধা আর সংসারে মন দিতে পারেন না। সংসার-লোকলাজ সবকিছু ত্যাগ করে তিনি ছুটে যান শ্রীকৃষ্ণের কাছে। শ্রীরাধার শাশুড়ি এবং ননদ জটিলা এবং কুটিলা তাঁরা এই ঘটনার সাক্ষী থেকেছেন বহুবার কিন্তু কখনই শ্রীরাধার স্বামী আয়ান ঘোষ কে তা বিশ্বাস করাতে পারেননি। মাঘ মাসের ঠান্ডা তার ওপর কৃষ্ণাচতুর্দশী হওয়ায় রাতটি ছিল ঘুটঘুটে অন্ধকার। এমন সময়ে কৃষ্ণের বাঁশি বেজে ওঠে আর সেই বাঁশির আওয়াজ শুনে শ্রীরাধিকা বাড়ি ছাড়েন। হাতেনাতে ধরার জন্য তাঁর পিছু নেন জটিলা-কুটিলা। তাঁরা কুঞ্জবনে শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গে শ্রীরাধার মিলিত হওয়ার দৃশ্য চাক্ষুষ করে দ্রুত বাড়ি ফিরে আয়ান ঘোষকে টানতে টানতে নিয়ে যান কুঞ্জবনে। উদ্দেশ্য আয়ানকে বিশ্বাস করাতেই হবে শ্রীরাধিকার এই গোপন প্রেমের কাহিনী। আয়ান ঘোষ ছিলেন শক্তির উপাসক, কালীর পূজারী। এদিকে শ্রীরাধিকা ভয় পেয়েছেন, কী করবেন তিনি? এবার শ্রীকৃষ্ণ তাঁকে আশ্বস্ত করলেন। আয়ান ঘোষ কুঞ্জবনে পৌঁছে দেখলেন তাঁর আরাধ্যা মা কালী গাছের তলায় বসে রয়েছেন আর নিজের কোলে তাঁর পা টি রেখে সেবা করছেন শ্রীরাধিকা। দেখে আপ্লুত হলেন আয়ান। তাঁর সাক্ষাৎ কালী দর্শন হল।
তিনি স্বচক্ষে দেখলেন যে কালীর সাধনা তিনি এতদিন ধরে করে এসেছেন, কী অনায়াসে শ্রীরাধিকা তাঁর পদসেবা করছেন। আর এই বার্তায় আয়ান ঘোষ এবার ছড়িয়ে দিলেন দিকে দিকে। এই কথাটাই রটে গেল যে তিনি কালীর দর্শন পেয়েছেন। শ্রীকৃষ্ণও এর মাধ্যমে বুঝিয়ে দিলেন কৃষ্ণ এবং কালী অভেদ। মাঘ মাসের কৃষ্ণ চতুর্দশী তিথিতে কালীর দর্শন পাওয়ায় ওইদিন বিশেষভাবে কালীপুজোর প্রচলন হল। আর তার নাম হল রটন্তী কালীপুজো।
তাই এই বিশেষ দিনে তন্ত্র মতে বিশেষভাবে পূজা করলে পারে বিশেষ ফল পাওয়া যায় মায়ের কৃপায় ।।
।সংগৃহীত ।

Address

Dhaka
1100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সনাতনী পরিবার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share