ইসলাম পৌছুক ঘরে ঘরে।

ইসলাম পৌছুক ঘরে ঘরে। This is just a page to spread Islam everyone. No benefits comes through it. If Allah Grant us for this page, it will more beneficial than whatever in the world.

এটাই আসল কথা!এটাই সত্যি!
19/04/2024

এটাই আসল কথা!
এটাই সত্যি!

12/01/2024

সঙীন সময়ে আমাদের করণীয় :

২০২৪ সাল। পৃথিবী থেকে খিলাফত বিলুপ্তির শতবর্ষ পূরণ হতে চলল। আজ থেকে একশ বছর পূর্বে ১৯২৪ সালের ৩রা মার্চ সর্বশেষ উসমানি খলিফা দ্বিতীয় আবদুল মাজিদকে নির্বাসিত করে আনুষ্ঠানিকভাবে খিলাফতকে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। সেই থেকে আজ সুদীর্ঘ এক শতাব্দীকাল মুসলিম উম্মাহ খিলাফতের কল্যাণ থেকে বঞ্চিত। মুসলিমদের মাথার ওপর থেকে খিলাফতের কল্যাণকর ছায়া সরিয়ে তাদেরকে বাধ্য করা হয়েছে বিভিন্ন শিরকি তন্ত্র ও বাতিল মতাদর্শের কোলে আশ্রয় নিতে। প্রথমদিকে মুসলিম উম্মাহ এসব মানবরচিত তন্ত্রমন্ত্র ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করলেও সময়ের আবর্তনে অনেকের স্বর আজ নিচু হয়ে এসেছে, দ্বীনের ব্যাপারে তারা আপোষ করে জীবন বাঁচাতে শিখে গেছে। ফলে কুফর-শিরকের বাঁধন আরও শক্তিশালী হচ্ছে, ইসলামি বিধি-বিধানের সম্মান ধূলোয় লুটোপুটি খাচ্ছে এবং বিশ্বজুড়ে মুসলিম উম্মাহর লাঞ্ছনা-গঞ্জনা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

যুগটা আধুনিক। সময়টা বড়ই সঙীন। আধুনিকতার যাতাকলে নিষ্পেষিত উম্মাহ শিকড় ভুলে আজ শাখা-প্রশাখা নিয়ে ব্যতিব্যস্ত। ইমানের নুর ছেড়ে দুনিয়ার আলোকসজ্জা নিয়েই তারা আনন্দিত। সত্যকে মাটিচাপা দিয়ে মিথ্যার প্রাসাদে বসবাস করেই তারা অধিক উচ্ছ্বসিত। এ যেন নিজেদের অস্তিত্ব ভুলার মিশনে অসীম প্রতিযোগিতার সূচনা। কে কত আগে নিজেদের মুসলিম পরিচয় মুছে পশ্চিমা সভ্যতাকে আপন করে নিতে পারে, সেটা নিয়েই চলছে পারস্পরিক গর্ববোধ। ইসলামকে তো রাষ্টীয় পর্যায় থেকে অনেক আগেই বিদায় করা হয়েছে। ইসলামের টুটাফাটা যা বাকি ছিল, তা কেবল সামাজিক ও পারিবারিক জীবনেই দেখা যেত। কিন্তু ফিতনার স্রোত এবার সরাসরি মুসলিমদের সমাজ ও পরিবারব্যবস্থায় আঘাত হানতে যাচ্ছে। খুব দ্রুতই প্রতিটি সেক্টরে ইসলাম পালনকে কঠিন করা তোলা হচ্ছে; এমনকি পূর্ণাঙ্গ মুসলিম পরিচয়ে বেঁচে থাকাই দায় হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

মানবেতিহাসের সূচনা থেকেই চলে আসছে হক-বাতিলের লড়াই। সত্য-মিথ্যার এ সংঘর্ষ অনিবার্য। আলো-অন্ধকারের এ দ্বন্দ্ব চিরন্তন। তাই এ লড়াই ততদিন পর্যন্ত থামবে না; যতদিন না হক পরিপূর্ণভাবে বাতিলের ওপর বিজয় অর্জন করে এবং পুরো বিশ্বে ইনসাফ ও মানবতা প্রতিষ্ঠা লাভ করে। হক-বাতিলের এ লড়াই অনেক আগেই শুরু হয়ে গেছে। এ লড়াই কেবল অস্ত্রেরই নয়; বরং শিক্ষা, তাহযিব-তামাদ্দুন ও নীতি-নৈতিকতার লড়াইটাই এখন মূখ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইতিহাস সাক্ষী যে, সম্মুখ সমরের লড়াইয়ে সর্বদা হক বিজয়ী হয়েছে। এজন্যই বর্তমানে সময়ে বৈশ্বিক কুফফার সম্প্রদায় সম্মুখ সমরে লড়ার চেয়ে অন্যান্য অঙ্গনে লড়াই করার দিকেই অধিক মনোযোগ দিয়েছে। তারা মুসলিমদের জন্য সীমিত কিছু ইবাদতের সুযোগ রেখে অন্যান্য সকল বিধি-বিধানের ওপর ক্রমশ কঠোরতা আরোপ করছে এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে তা পালনে বাধা সৃষ্টি করছে।

এ লড়াইয়ে আমরা খুব দ্রুতই হেরে যাচ্ছি। আমাদের বর্তমান প্রজন্মের অবস্থা অত্যন্ত করুণ। এদের ভবিষ্যৎ পুরোটাই অন্ধকারাচ্ছন্ন। না আছে লেখাপড়া, না আছে নীতি-নৈতিকতা, না আছে দ্বীনি শিক্ষা, আর না আছে বিশেষ কর্মদক্ষতা। এদের অধিকাংশই মেতে আছে প্রেম-ভালোবাসা, ফেসবুক-ইউটিউব, গেমস-মুভি, গান-মিউজিক, অনর্থক আড্ডা-আসর ও অর্থহীন দলাদলি নিয়ে। এগুলোর পাশাপাশি বর্তমানে ব্যাপকভাবে শুরু হয়েছে সমকামিতা, হিজড়া সাজার প্রবণতা, বিকৃত যৌনাচার ও অশ্লীলতার প্রচারসহ নানা ফিতনা। ফিতনাগুলো এমন দ্রুততার সাথে আসছে, যেভাবে তাসবিহের সুতো ছিড়ার পর তার দানাগুলো একের পর এক পড়তে থাকে। সামনের দিনগুলোতে নিজেদের ইমান টিকিয়ে রাখাটা অনেক কঠিন হতে যাচ্ছে। তাই ইমান-আমলে শক্তভাবে শান দিতে হবে। দ্বীনকে পুরোপুরি জানতে হবে। এক্ষেত্রে উদাসীন থাকার কোনো সুযোগ নেই। নয়তো দ্বীন ও দুনিয়া সবই ধ্বংস হবে।

সুতরাং বিদ্যমান বাস্তবতায় আমাদের জন্য করণীয় হলো, আমলের নিয়তে যত দ্রুত সম্ভব দ্বীনের প্রতিটি বিষয়ে বেসিক ইলম অর্জন করে নেওয়া। সম্ভাবনা অনেক বেশি যে, সঠিক সোর্স থেকে সঠিক ইলম অর্জনের পথ দ্রুতই রুদ্ধ হয়ে যাবে। পাশাপাশি উপার্জনের জন্য ভালো কোনো স্কিল অর্জন করা। এক্ষেত্রে অনলাইননির্ভর স্কিলের চেয়ে অফলাইননির্ভর স্কিল অধিক নিরাপদ। আশু দুর্ভিক্ষের প্রস্তুতি হিসেবে নিজেদের জমিগুলো আবাদ করার ব্যবস্থা করা এবং সব ধরনের সবজির নন-জিএম বীজ সংগ্রহ করে রাখা। নয়তো ভবিষ্যতে নন-জিএম বীজ পাওয়াটা অনেক দুষ্কর হয়ে পড়বে। বসবাসের জন্য শহরের চেয়ে গ্রামকে প্রাধান্য দেওয়া এবং সম্ভব হলে সমমনা ভালো লোকদের প্রতিবেশী বানানো। সর্বোপরি হিদায়াতের ওপর আমৃত্যু অবিচল থাকার জন্য আল্লাহর কাছে দুআ করতে থাকা। এভাবে চললে আশা করা যায়, আল্লাহ সকল ফিতনা থেকে হিফাযত করবেন।

15/12/2023

আমাদের মুসলিম দের মাঝে হৃদ্যতার এখন ও অনেক ঘাটতি রয়ে গেছে।
হোক সেটা দ্বীনি বুঝ ওয়ালা ভাই ই।
এমনকি দেখলাম ভাই শব্দটা বলতে ও অনেকে কার্পন্য করে 😕

15/12/2023

গ্ৰাম পছন্দ করেন এবং ভবিষ্যতে বা স্বপ্ন গ্ৰামে স্থায়ী হওয়ার, চাই গ্ৰামে অনেক জমিজমা আছে বা না থাকুক।
এমন ভাই থাকলে ইনবক্স এ আসেন

15/12/2023

গ্ৰাম পছন্দ করেন এবং ভবিষ্যতে বা স্বপ্ন গ্ৰামে স্থায়ী হওয়ার, চাই গ্ৰামে অনেক জমিজমা আছে বা না থাকুক।
এমন ভাই থাকলে ইনবক্সে সারা দিন।

Ertugrul Ghazi shompurno dekhechen and jibone dekha shera masterpiece chilo ata vaben,Amon Kew list a thakle knock din i...
22/10/2023

Ertugrul Ghazi shompurno dekhechen and jibone dekha shera masterpiece chilo ata vaben,
Amon Kew list a thakle knock din important bishoy a alocona korbo Insha'Allah.

ইসলামি ইমারাতের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ জানিয়েছেন,আফগানিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা জেনারেল ডিরেক্টরেট অফ ইন্টেলিজেন্স ...
21/10/2023

ইসলামি ইমারাতের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ জানিয়েছেন,
আফগানিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা জেনারেল ডিরেক্টরেট অফ ইন্টেলিজেন্স (GDI) এর সদস্যরা তাদের বেতন থেকে প্রায় ২৪ মিলিয়ন আফগানি হেরাত ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য অনুদান দিয়েছে।

জিডিআই-এর ডেপুটি ডিরেক্টর জেনারেল মোল্লা রহমতুল্লাহ (হাজি নাজিব) হেরাতের ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য এই সাহায্য পাঠিয়েছেন যা একটি সাহায্য সংস্থা কমিটির কাছে হস্তান্তর করা হবে।

19/10/2023

অধঃপতিত জাতির অবাস্তব আশা :

পুরো বিশ্বে আজ সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হচ্ছে মুসলিম জাতি। সংখ্যায় কত বেশি; অথচ বীরত্বে ও শৌর্য-বীর্যে কত দুর্বল! উম্মাহর ক্ষুদ্র একটি দল তবুও নিজেদের সীমিত সামর্থ্য নিয়ে লড়ে যাচ্ছে, কিন্তু আমাদের মুসলিম দেশগুলোর শাসকেরা সব নাকে তেল দিয়ে ঘুমোচ্ছে। শয়ে শয়ে, হাজারে হাজারে শহীদ হচ্ছে, তবুও সবাই চুপ। সদ্যভূমিষ্ট শিশু থেকে নিয়ে বালক, কিশোর, যুবক, বৃদ্ধ কেউই বাদ যাচ্ছে না। অসুস্থ থেকে নিয়ে অসহায় অবলা নারীরা পর্যন্ত রেহাই পাচ্ছে না। তবুও কারও ঘুম ভাঙছে না। সকলেই ব্যস্ত নিজেদের বিলাসিতার জীবন নিয়ে। শাসকশ্রেণীর পাশাপাশি জনগণের অধঃপতনও কম নয়। উম্মাহর এ সঙিন কালে তারা ব্যতিব্যস্ত খেলাধুলার আপডেট আর মুভি-সিনেমার গল্প নিয়ে।মূলত পঁচন ধরেছে একেবারে শেকড়ে, তাই আগায় পানি ঢেলে গাছ বাচানোর প্রচেষ্টা বৃথাই। এমন অধঃপতিত, উদাসীন আর কাপুরুষ উম্মাহ ইতিহাসে কখনো গত হয়নি। দিনে দিনে অনেক ঋণ জমেছে। এ ঋণ পরিশোধ হবে একমাত্র রক্ত দিয়ে। যত দেরি, দেনার পরিমাণ ততই বাড়বে। সন্দেহ নেই যে, এ জাতি যে রক্তিম পথ ধরে সম্মানিত হয়েছিল, তাদেরকে সে পথ ধরেই সম্মানের সিংহাসন উদ্ধার করতে হবে। এ ভিন্ন তাদের সামনে দ্বিতীয় কোনো পথ খোলা নেই।

স্বৈরাচারী কুফফার নেতৃত্বের পতন ও জায়নিস্ট ই.হু.দি.দের নিধনে অনেকে হাজ্জাজ বিন ইউসুফ, মু’তাসিম বিল্লাহ, এমনকি কেউ কেউ হিটলারের আগমন পর্যন্ত কামনা করে বসে আছে। অথচ এতে মুল সমস্যার কোনোই সমাধান হবে না। কেননা, যেখানে মুসলিমরা গভীর ঘুমে নিমজ্জিত এবং চরম উদাসীনতার চাদরে আচ্ছাদিত, সেখানে তাদের পক্ষ হয়ে লড়ে শত্রুদের নিধনে তাদের কী লাভ? তাদের ইমান-আকিদার সংশোধন কে করবে? তাদের ইবাদত-আমলের বৃদ্ধি কে ঘটাবে?? আর সোনালী অতীত স্মরণ করিয়ে তাদের হারানো শৌর্য-বীর্যই বা কে ফিরিয়ে আনবে??? অনেকে আবার অপেক্ষায় আছে আবাবিলের (ঝাঁকে ঝাঁকে পাখিদের) আগমনের, যারা নুড়ি পাথর দিয়ে শত্রুদের ধ্বংস করে দেবে। কিন্তু আমরা কি কখনো ভেবে দেখেছি যে, এটা কতটুকু বাস্তবসম্মত চিন্তা? আব্দুল মুত্তালিবের জামানায় তো বাইতুল্লাহর পক্ষে দাঁড়ানোর মতো জনবল ছিল না, কিন্তু আজকের যুগে দুই বিলিয়ন মুসলিমের অস্তিত্ব থাকতে আমরা কেন আকসার পক্ষে দাঁড়াতে পারছি না? কেন আমরা হারামাইনের মিম্বর থেকে প্রতিরোধের ডাক দিতে পারছি না?? কেন হাজার হাজার দারুল ইফতা থেকে জালিমদের বিরুদ্ধে ফতোয়া প্রকাশ করতে পারছি না???

একটা বিষয় খুব ভালোভাবে অনুধাবন করা দরকার যে, বদরের যুদ্ধে আসমান থেকে ফেরেশতারা তখনই নেমে এসেছিল, যখন জমিনের বান্দারা নিজেদের সর্বোচ্চ শক্তি-সামর্থ্য নিয়ে ময়দানে অবতীর্ণ হয়েছিল। বস্তুত নিজেদের জান-মাল কুরবানির নজরানা পেশ না করে কেবল আসমানি সাহায্যের অপেক্ষায় বসে থাকা হলো অনেকটা পাত্র ছাড়া বৃষ্টির পানি সংগ্রহের আশায় বসে থাকার মতো। কোনো কিছু করার সামর্থ্য না থাকার কারণে বসে থাকা আর স্রেফ খালিদ-তারিক ও সালাহুদ্দিনদের অপেক্ষায় বসে থাকার মাঝে পার্থক্য আছে। প্রথম অবস্থায় চিন্তাগত সমস্যা নেই; বরং সেখানে ওজর আছে। সে ওজর গ্রহণযোগ্য কি-না, সেটা ভিন্ন আলোচনা। কিন্তু দ্বিতীয় অবস্থায় আমাদের চিন্তাতেই সমস্যা। প্রথমে আমাদের চিন্তাগত দুর্বলতা খুঁজে বের করে সেটা দূর করার চেষ্টা করা উচিত। যদি দুর্বলতাই চিহ্নিত না হয় তাহলে সংশোধন কীভাবে হবে? মূল বিষয় হলো খালিদরা তো প্রতিটি যুগেই আসে, কিন্তু সমস্যা হলো, আমরা চিনতে ভুল করি। অতীত ইতিহাস নিয়ে আমরা খুব গর্ব করি, কিন্তু সে অতীতকে ধারণ করে যারা লড়াই করে, তাদেরকেই আমরা টেরোরিস্ট বলে গালি দিই! তাহলে এ জাতি কীভাবে খালিদ-তারিকদের চিনবে? আর কীভাবেই-বা তাদের নেতৃত্বে লড়বে??
Tarekuzzaman

এই গাছ কখনো সরাসরি দেখি নাই তাই ইন্টারনেটে ঘেঁটে নিশ্চিত হলাম এই ছবির গাছটিই সেই গারকাদ গাছ,যে গাছ ইহু'দিদের লুকিয়ে থাক...
17/10/2023

এই গাছ কখনো সরাসরি দেখি নাই তাই ইন্টারনেটে ঘেঁটে নিশ্চিত হলাম এই ছবির গাছটিই সেই গারকাদ গাছ,যে গাছ ইহু'দিদের লুকিয়ে থাকতে সহায়ক হবে।
_____________

আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ কিয়ামত সংগঠিত হবে না যতক্ষন পর্যন্ত মুসলিমগন ইয়াহুদী সম্প্রদায়ের সাথে লড়াই না করবে।
মুসলিমগণ তাদেরকে হত্যা করবে। ফলে তারা পাথর বা বৃক্ষের আড়ালে আত্মগোপন করবে। তখন পাথর বা গাছ বলবে, হে মুসলিম, হে আল্লাহর বান্দা! এই তো ইয়াহুদী আমার পশ্চাতে। এসো, তাকে হত্যা কর।
কিন্তু 'গারকাদ' গাছ এ কথা বলবে না। কারণ এ হচ্ছে ইয়াহুদীদের গাছ।

#তথ্যসূত্রঃ
গ্রন্থঃ সহীহ মুসলিম (ইফাঃ)
হাদিস নম্বরঃ ৭০৭৫
অধ্যায়ঃ ৫৫/ ফিতনা সমূহ ও কিয়ামতের নিদর্শনাবলী (كتاب الفتن وأشراط الساعة) http://www.hadithbd.com/hadith/link/?id=19398

ফিলিস্তিন ওলামা পরিষদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের ওলামায়ে কেরামের প্রতি বিশেষ বার্তা।বিসমিল্লাহির রহমানির রহিমবাংলাদেশের আমা...
16/10/2023

ফিলিস্তিন ওলামা পরিষদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের ওলামায়ে কেরামের প্রতি বিশেষ বার্তা।

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম
বাংলাদেশের আমাদের সহদর ওলামায়ে কেরামের প্রতি।

আস সালামুআলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহি ওয়াবারাকাতুহু

বিষয়: গাজ্জায় চলমান যুদ্ধ ও তুফানুল আকসা 'র প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সম্মানিত ওলামায়ে করামের দায়িত্ব সম্পর্কে তাদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান।

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি সমগ্র বিশ্বের প্রতিপালক। দুরুদ ও শান্তি বর্ষিত হোক আমাদের সর্দার মোহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার সাহাবায়ে কেরামের প্রতি, এবং যারা কিয়ামতের দিন পর্যন্ত তাদেরকে যথাযথভাবে অনুসরণ করে যাবেন তাদের প্রতি।

হে ইসলামী উম্মাহর উলামা ও সত্যের দিশারী!
নিঃসন্দেহে আপনারা ইসরা ও মেরাজের পবিত্র ভূমিতে আপনাদের মুজাহিদ ভাইদের ভূমিকা সম্পর্কে অবশ্যই অবগত হয়েছেন। যে তারা এই জয়নবাদী চক্রের উপর তারা অসাধারণ এক সশস্ত্র সংগ্রাম করেছেন। যার মাধ্যমে এই আগ্রাসী দখল বাদীদের চেহারা কে মলিন করে দিয়েছেন এবং নিকৃষ্ট এক আযাবে তাদেরকে নিপতিত করেছেন। এবং এমন এক যুদ্ধে তাদেরকে অবতরণ করিয়েছেন যার দৃষ্টান্ত এই যুগে বিরল। বস্তুত আল্লাহ তায়ালার এই আয়াতকে বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যেই তারা এই ময়দানে অবতরণ করেছেন:
قاتلوهم يعذبهم الله بايديكم ويخزهم وانصركم عليهم ويشف صدور قوم مؤمنين .سوره التوبه 14
আর তোমরা তাদের সাথে লড়াই কর, আল্লাহ তাআলা তোমাদের হাতেই তাদেরকে শাস্তি দেবেন এবং তাদেরকে লাঞ্ছিত করবেন, এবং তোমাদেরকে তাদের উপর বিজয় দান করবেন এবং মুমিন সম্প্রদায়ের হৃদয়কে আরোগ্য দান করবেন।
সূরা তাওবা আয়াত ১৪।

আপনাদের ভাই ও আপনাদের এই সত্যনিষ্ঠ মুজাহিদ সন্তানদের মাধ্যমে অবশ্যই আল্লাহ তাআলা আপনাদের বক্ষকে শীতল করেছেন । সুতরাং আজকের এই প্রেক্ষাপটে আপনাদের কর্তব্য হবে এ সকল বীরপুরুষদের সহায়তায় এগিয়ে আসা এবং আপনাদেরই পারিবারিক সদস্য এই ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের পাশে এগিয়ে আসা; যারা এই ইহুদীবাদী চক্রের সাথে লড়ে যাচ্ছে এবং সর্বাত্মকভাবে তাদের মোকাবেলা করে যাচ্ছে।

অপরদিকে পশ্চিমা মুনাফিক বিশ্ব আজ তাদের সামরিক, জাগতিক, রাজনৈতিক ও মিডিয়ার শক্তির মাধ্যমে ইহুদী চক্রকে তাদের অপরাধের সহায়তা করে যাচ্ছে। অথচ মুসলিমরা এক্ষেত্রে এগিয়ে থাকা অগ্রগণ্য। বরং তাদের অপরিহার্য কর্তব্য হবে তাদের ভাইদেরকে সহায়তা করার জন্য যথাসম্ভব দ্রুত এগিয়ে আসা এবং সাহসিকতা, সৌর্যবীর্য ও মহানুভবতার ময়দানে সর্বাগ্রে তাদের পাশে দাঁড়ানো।

হে ওলামায়ে কেরামগণ! আপনারাই তো সেই সকল ব্যক্তিবর্গ যারা উম্মাহকে আল্লাহতালার এই আয়াতের শিক্ষা দান করে থাকেন:
والذين كفروا بعدهم أولياء بعض إلا تفعلوه تكن فتنه في الأرض وفساد كبير.
আর যারা কুফুরি করেছে তারা পরস্পরে একে অপরের বন্ধু, যদি তোমরা তা না করো তাহলে দুনিয়াতে সৃষ্টি হবে অনেক বড় ফেতনা এবং অনেক বড় নৈরাজ্য।
সূরা আনফাল আয়াত ৭৩

আজ গাজ্জার মুসলিম ভাইয়েরা ধ্বংসস্তূপের নিচে তাদের শিশু ও সন্তানদেরকে জীবন মৃত্যুর মাঝে রেখে আপনাদের কাছে সাহায্যের জন্য চিৎকার করছে। রক্তাক্ত অবস্থায় এবং বেদনার্ত হৃদয়ে আপনাদের বিবেকের কাছে তাঁরা আর্তনাদ জানাচ্ছে । আপনারা তাদেরকে খালি হাতে ফিরিয়ে দিবেন না।
যে সকল মুজাহিদরা আমাদের ও আপনাদের দুশমনকে তাদের কৃতকর্মের ফল বুঝিয়ে দিচ্ছে, এবং আপনাদের ও সমগ্র মুসলিম বিশ্বের নিরাপত্তার লক্ষ্যে জিহাদ করছে তারা আপনাদের দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে।

হে আমাদের সম্মানিত ওলামা!
এখনই কাজের সময়! এখনই তো সেই সময়, যখন আলেমগণ বীর বিক্রমে সারিবদ্ধ হয়ে এগিয়ে যাবেন এবং সমগ্র জাতির সামনে ওলামায়ে কেরামদের আদর্শ জীবনচিত্র তুলে ধরবেন, যারা আল্লাহর রাস্তায় কোনো নিন্দুকের নিন্দাকে ভয় করেনা।
আল্লাহ তাআলা যাদের ব্যাপারে বলেছেন:
الذين يبلغون رسالات الله ويخشونه ولا يخشون أحدا إلا الله وكفى بالله حسيبا
যারা আল্লাহ তায়ালার পয়গামকে পৌঁছে দেয় এবং তাকেই ভয় করে । আল্লাহ ব্যতীত কাউকে ভয় করে না । আর হিসাব গ্রহণের জন্য একমাত্র আল্লাহই যথেষ্ট সূরা আহযাব আয়াত 39।

ইসলাম ও মেরাজের পবিত্র ভূমিতে ভূমিতে যা ঘটছে পুরা বিশ্ব আজ তা তাকিয়ে দেখছে। সুতরাং হে আমাদের সহদর ওলামা! নিম্নোক্ত ক্ষেত্র সমূহে জাতির পরিচালনা ও দিকনির্দেশনার ক্ষেত্রে আপনাদেরই যেন থাকে সম্মুখে অবস্থান।

এক:
দলজাতি নির্বিশেষে সকলকে ময়দান ও প্রান্তরের দিকে নিয়ে যাওয়া এবং দখলকৃত ফিলিস্তিনের পাশাপাশি সীমানার দিকে নিয়ে যাওয়া( এটা পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর ক্ষেত্রে)। ওলামায়ে কেরাম থাকবেন সে সকল বিক্ষোভ ও মিছিলের প্রথম সারিতে । আমাদের ফিলিস্তিনি ভাইদের সাহায্যের লক্ষ্যে এবং অভিশপ্ত জায়নবাদীদের কলঙ্কিত করার লক্ষ্যে।

দুই:
সর্বশ্রেণীর মানুষকে সর্বপ্রকার ত্যাগ , দান এবং সম্পদের মাধ্যমে জিহাদের প্রতি উৎসাহ প্রদান করা। কেননা আজ সম্পদের মাধ্যমে জিহাদই জান দিয়ে জিহাদ করার সমকক্ষ; যা থেকে পিছিয়ে থাকা বা বিলম্ব করা কোনক্রমেই জায়েজ হবে না। তাই ওলামায়ে কেরামদের কাছ থেকে আমাদের আশা যে, সম্পদ খরচের মাধ্যমে এবং আল্লাহর রাস্তায় সম্পদের মাধ্যমে জিহাদের জন্য তারা যথাযথ প্রচারণা ও উৎসাহ কার্যক্রম চালাবেন।

তিন:
মসজিদ ও বয়ানের মেম্বার সমূহ ও বিভিন্ন বিভিন্ন বিভিন্ন মসজিদ কেন্দ্রিক দরসে এবং ভর মজলিসে ও প্রচার মাধ্যমে এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অব্যাহত আলোচনার মাধ্যমে গাজা ও ফিলিস্তিনের মুজাহিদদের সাহায্য করা এবং জয়নবাদী চক্রের কুকীর্তি বর্ণনা করা।

চার:
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে কুনূতে নাযেলার আমল করা। এবং গাজা ও ফিলিস্তিনের মুজাহিদদের জন্য মানুষকে দোয়া ও অন্যান্য আমল করতে উদ্বুদ্ধ করা।

* আমরা ফিলিস্তিন ওলামা পরিষদ আপনাদেরকে অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে পূর্ববর্তী যে কোন পয়েন্টে বা অন্য কোন ক্ষেত্রেও আমরা আপনাদেরকে সহায়তার জন্য প্রস্তুত রয়েছি, যেটা আমাদের গাজা ও ফিলিস্তিনবাসীদের জন্য সহায়ক হবে।

আপনাদের প্রতি রইল আমাদের যথাযথ শ্রদ্ধা প্রদর্শন ও ভক্তি নিবেদন।

আপনাদেরই ভাই
নাওয়াফ তাকরূরী
প্রেসিডেন্ট ফিলিস্তিন ওলামা পরিষদ।
তারিখ ১১. ১০. ২০২৩
মাওলানা ইয়াসিন বিন রউফ
বারিধারা ঢাকা ১২১৩

14/10/2023

ইসরায়েলি দখলদারিত্ব গাজার ফিলিস্তিনি পরিবারগুলিকে তাদের বাড়িঘর ছেড়ে দক্ষিণ গাজার দিকে স্থানান্তর করতে বলেছিল এবং যখন তারা তাদের প্রস্থান করার কয়েক মিনিট পরেই চলে যাচ্ছিল, তখন ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান সরাসরি তাদের উপর ব্যাপক বোমাবর্ষণ করে।
গাজায় এখন বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের ঘটনা ঘটছে।
😡😡🇮🇱😡😡

পরিস্থিতি যত সামনের দিকে যাবে। সমস্ত মুজা°হিদরা সি'রিয়ার দিকে যাবে। যার কেন্দ্রস্থল হবে আল আক°সা কে নিয়ে। এই ঝড়তুফান এতই...
13/10/2023

পরিস্থিতি যত সামনের দিকে যাবে।
সমস্ত মুজা°হিদরা সি'রিয়ার দিকে যাবে।
যার কেন্দ্রস্থল হবে আল আক°সা কে নিয়ে।
এই ঝড়তুফান এতই গতি বেগে আসবে যে।
ভ'ন্ড মসী°হের ইজ°রেল রক্ষা করতে কু°ফরের ৮০;টা পতাকাবাহী সিরি°য়ায় মিলিত হবে।

আপনারা চিন্তাও করতে পারছেন না হক্ব আর বা°তিলের লড়াই টা কত বড় আকারে হতে যাচ্ছে।
বা°তিল শক্তিগুলো ৫০ বছর আগেই ভ°ণ্ড ম*সীহের ভূমি রক্ষায় প্ল্যান নিয়ে রেখেছে।

সমস্ত কু°ফফার জোট মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক ঘাটি দিয়ে ই°মাম মা-হাদীর বাহিনী কে পরাজিত করার প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে।

খুব শীঘ্রই ই'মানের শিবির কু'ফরের শিবিরের পার্থক্য হতে যাচ্ছে।
আমরা খুব ভয়াবহ মহাযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইসলাম পৌছুক ঘরে ঘরে। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to ইসলাম পৌছুক ঘরে ঘরে।:

Share