Puja Biswas

Directions Website

Puja Biswas ভগবানের সত্য ধর্ম প্রচার এবং কলি জীবের মুক্তির সঠিক পথ প্রদর্শনের লক্ষ্যেই আমার পথ চলা।

একজন ব্যক্তি মারা গেলেন ।যখন তিনি নিজে সেটা উপলব্ধি করলেন দেখেন যে স্বয়ং ঈশ্বর তাঁর দিকে এগিয়ে আসছেন । ঈশ্বরের হাতে একট...
04/10/2026

একজন ব্যক্তি মারা গেলেন ।
যখন তিনি নিজে সেটা উপলব্ধি করলেন
দেখেন যে স্বয়ং ঈশ্বর তাঁর দিকে এগিয়ে আসছেন । ঈশ্বরের হাতে একটা সুটকেস অথবা ব্যাগ জাতীয় কিছু।
ব্যক্তি ও ঈশ্বরের কথোপকথন

ঈশ্বর : এবার যাবার সময় হয়ে গেছে ।
ব্যক্তি : এত তাড়াতাড়ি ? কিন্তু আমার যে অনেক কিছু করার ছিল !
ঈশ্বর : আর কিছু করার নেই । এই সুটকেসটি নাও আর আমার সাথে চলো ।
ব্যক্তি : কি আছে আপনার ঐ সুটকেসে ?
ঈশ্বর : যা কিছু তোমার নিজের .....
ব্যক্তি : আমার নিজের ? মানে আমার জিনিসপত্র, জামাকাপড়, টাকাপয়সা .....
ঈশ্বর : ঐ গুলি এই পৃথিবীর সম্পদ - তোমার নিজের কোনদিনই ছিল না ।
ব্যক্তি : তবে কি ওইগুলো আমার স্মৃতি ?
ঈশ্বর : স্মৃতি শুধুই সময়ের সম্পদ ।
ব্যক্তি : তবে কি আমার প্রতিভা?
ঈশ্বর : নাহ । সেগুলো পরিস্থিতির অবদান ছিল ।
ব্যক্তি : তবে কি এরা আমার পরিবার ও বন্ধুবান্ধব ?
ঈশ্বর : না পুত্র । তারা ছিল তোমার জীবন যাত্রার সঙ্গী ।
ব্যক্তি : আমার স্ত্রী আর সন্তান ?
ঈশ্বর : তারা তোমার হৃদয়ে ।
ব্যক্তি : তবে কি এটা আমার শরীর !
ঈশ্বর : না না । সে তো শুধুই ধুলিকনা।
ব্যক্তি : তবে এ নিশ্চয়ই আমার আত্মা !
ঈশ্বর : তুমি কিন্তু আবার ভুল বললে । তোমার আত্মা - সে তো আমার ।
দু চোখে জলের ধারা । ব্যক্তিটি এবার ভয়ে ভয়ে
তার দিকে বাড়ানো সুটকেসটি খুলল। খুলে দেখল খালি .....ব্যথিত মনে অশ্রুসজল চোখে এবার ঐ ব্যক্তি ঈশ্বরের দিকে চাইল -আমার নিজের বলে কি কিছুই নেই ?
ঈশ্বর : ঠিক তাই । তোমার কোনদিন কিছু ছিলই না ।
ব্যক্তি : তবে আমার বলতে কি আছে ?
ঈশ্বর : তোমার এই পৃথিবীতে কাটানোর মুহুর্ত গুলি । যতটা সময় কাটিয়েছ এই পৃথিবীতে - সেগুলো সব তোমার ছিল ।
এখানে আমাদের কারও কিছুই নেই। যা আছে সবই ভগবান শ্রী কৃষ্ণর।তাই অহংকার না করে ভগবনের দেখানো পথে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।

আসুন জেনে নিই পৌরানিক কাহিনী অনুসারে মায়ের ইতিহাস।অসুরদের অত্যাচারে যখন দেবতারা অতীষ্ঠ তখন অসুর নিধন করতে অবর্তীণ হোন দে...
03/10/2026

আসুন জেনে নিই পৌরানিক কাহিনী অনুসারে মায়ের ইতিহাস।

অসুরদের অত্যাচারে যখন দেবতারা অতীষ্ঠ তখন অসুর নিধন করতে অবর্তীণ হোন দেবী দূর্গা ।

মহিষাসুর সহ সব অসুর নিহত হলেও বেঁচে থাকেন রক্তবীজ নামে এক অসুর যার শরীরের এক ফোটা রক্ত মাটিতে পড়লেই জন্ম হত হাজার অসুরের।

এই অবস্থায় দূর্গার ভীষণ ক্রোধে তাঁর দুই ভ্রু এর মাঝখান থেকে জন্ম নেন দেবী কালী।
কালীর ভয়াল দৃষ্টিতেই নিহত হয় বহু অসুর,দেবীর হুংকারে প্রান যায় আরও অনেক অসুরের । টকটকে লাল জিহবা বের করে মাকালী গ্রাস করে নেন অজস্র অসুরদের।

তারপরেও টিকে থাকেন রক্তবীজ অসুর। এই অবস্থায় দেবী কালী তাঁকে অস্ত্রে বিদ্ধ করে তাঁর রক্ত পান করতে থাকেন । রক্তবীজের একফোঁটা রক্তও যাতে মাটিতে না পড়ে সেই কারনে রক্তবীজের দেহ শূণ্যে তুলে নেন মাকালী । তারপর রক্তবীজের দেহের সবটুকু রক্তপান করে নিথর রক্তশূণ্য রক্তবীজের দেহ ছুড়ে ফেলে দেন মাকালী ।

আকণ্ঠ রক্ত পান করে বিজয়নৃত্য শুরু করেন তিনি । নিহত অসুরের হাত দিয়ে তিনি কোমড়বন্ধনী এবং মাথা দিয়ে গলার মালা বানিয়ে,হাতে অসুরের কাটামুন্ডু ঝুলিয়ে প্রলয়নৃত্য শুরু হয় তাঁর।
মায়ের এই উন্মাদিনী নাচ দেখে প্রমোদ গোনেন দেবতারা । এই প্রলয় নাচ থেকে পৃথিবীকে বাঁচাবার জন্য দেবতারা শিবের শরণাগত হলেন । শিব তখন মাকালীকে নিবৃত্ত হতে বললেন। কিন্তু মাকালী উন্মাদিনীর মত নেচেই চলেছেন,তাই শিবের আহবান শুনতে পেলেন না।

কোনও উপায় না দেখে নৃত্যরতা কালীর পথে গিয়ে শুয়ে পড়লেন শিব। একসময় শিবের দেহের উপর পা পড়ে যায় মা কালীর। আর তখুনি সম্বিত ফিরে থেমে যায় মায়ের নাচ । পায়ের নিচে স্বামীকে দেখে লজ্জায় জিভ কাটেন দেবী কালী।

এটাই মা কালির পৌরানিক কাহিনী। এর পর থেকেই মর্তধামে অসুভশক্তি ধ্বংসের প্রতীক হিসেবে পূজিত হয়ে আসছেন মা কালী।

সাধারনভাবে আশ্বিন কার্ত্তিক মাসের অমাবস্যা তিথিতে দ্বীপান্বিতা কালী রুপেই বেশি জাঁকজমক ভাবে পূজিত হন মা কালী। এছাড়া জৈষ্ঠ্য মাসে ফলাহারিনী,এবং মাঘ মাসে রটন্তি কালী রুপেও তিনি পুজিত হন। আবার অনেক জায়গায় প্রতি অমাবস্যা এবং প্রতি মঙ্গলবার ও শনিবারেও কালীপূজা হয়ে থাকে।

রূপভেদে মা কালী দক্ষিণাকালী, শ্মশানকালী, ভদ্রকালী, রক্ষাকালী,গুহ্যকালী, মহাকালী, চামুণ্ডা ইত্যাদি রুপে পুজিত হয়ে থাকেন।
অনেক মন্দিরে আবার "ব্রহ্মময়ী", "ভবতারিণী", "আনন্দময়ী", "করুণাময়ী" ইত্যাদি নামেও মা কালীর পূজা হয়।

জয় মা কালী

02/10/2026

The unknown facts about
Founding (1916) BMW was founded on March 7, 1916, originally as a manufacturer of aircraft engines. The company was initially named Bayerische Flugzeugwerke (BFW) before being renamed Bayerische Motoren Werke (BMW) in 1922.

2. Aircraft Engine Origins BMW's early success came from building high-performance aircraft engines. The iconic blue and white logo represents the spinning propeller of an aircraft against a blue sky and is inspired by the Bavarian flag.

3. Transition to Motorcycles (1923) After the Treaty of Versailles restricted Germany's aircraft production post-World War I, BMW shifted to manufacturing motorcycles. The first motorcycle, the BMW R32, was launched in 1923 and featured a flat-twin boxer engine, a design still in use today.

4. Entry into Automobiles (1928) BMW entered the automobile market by acquiring the

কেন এই মানব জন্ম ?এই জড় জগতে ৮৪ লক্ষ প্রজাতির জীব রয়েছে।এই ৮৪ লক্ষ জীবের মধ্যে ৯ লক্ষ প্রজাতির জলজ প্রাণী, ১১ লক্ষ প্রজা...
01/10/2026

কেন এই মানব জন্ম ?

এই জড় জগতে ৮৪ লক্ষ প্রজাতির জীব রয়েছে।
এই ৮৪ লক্ষ জীবের মধ্যে ৯ লক্ষ প্রজাতির জলজ প্রাণী, ১১ লক্ষ প্রজাতির কীট পতঙ্গ, ১০ লক্ষ প্রজাতির পাখি, ২০ লক্ষ প্রজাতির গাছপালা, ৩০ লক্ষ প্রজাতির পশু ও ৪ লক্ষ প্রজাতির মানুষ রয়েছে। এখন যারা মানুষ কুলে জন্মগ্রহন করেছেন তারা ইতিপূর্বে ৮০ লক্ষ প্রজাতির দেহ পরিবর্তন করে এসেছেন, ৮০ লক্ষ বার তাদের জন্ম হয়েছে মৃত্যু হয়েছে।
সুতরাং যে জীবাত্মা মনুষ্য দেহ লাভ করেছে সে নিঃসন্দেহে ভাগ্যবান, তাই মনুষ্য জন্মকে বলা হয় সুদুর্লভ।
এখন প্রশ্ন হলো কেন এই মানব জন্ম ?
একসময় প্রতিটি জীবাত্মা ভগবানের নিত্য আলয় শ্রী গোলক বৃন্দাবনে ছিল, সেখানে ভোগ-বাঞ্চা করার কারনে ভগবান অনন্তকোটি জড় ব্রহ্মান্ড সৃষ্টি করে সেখানে জীবাত্মাদের প্রেরণ করেছেন ভোগ বাসনা পূর্ণ করার জন্য, তো জীবাত্মা যখন জড় জগতে পতিত হয় তখন সে ভোগে লিপ্ত হয়। আর এই ভোগউন্মূখ জড় জগতকে ভোগ করার মাধ্যমে জীবাত্মা চরম দুঃখ অশান্তি ডেকে আনে এবং বারবার জন্ম-মৃত্যু, জরা-ব্যাধির দ্বারা ভীষন দুঃখ-কষ্ট পেতে থাকে।
জীবাত্মাদের এমন দুঃখ-কষ্ট দেখে জীবের পরম সুুহৃদ ও জীবের পরম পিতা শ্রী কৃষ্ণ জীবদের এই জড় জগৎ থেকে উদ্ধার হয়ে ভগবদ্ধামে ফিরে যাওয়ার জন্য একটি মানব শরীর দেন। যাতে জীবাত্মার তার ভুল বুঝতে পেরে সাধন ভজন করে ভগবানের কাছে ফিরে যেতে পারে, তাই এই মানব জন্ম হলো ভব সাগর পার হওয়ার নৌকা স্বরুপ। আর এই মানব জন্ম দেওয়া হয়েছে শুধু সাধন-ভজন করে ভগবানের নিত্য আনন্দময় ধামে ফিরে যাওয়ার জন্য।
তাই যারা প্রকৃত বুদ্ধিমান তারা এই সুদুর্লভ মনুষ্য জন্মের সদ্বব্যবহার করে তথা সম্পূর্ণ পাপ মুক্ত হয়ে শ্রীকৃষ্ণের আরাধনা করে এক জীবনেই ভগবানের কাছে ফিরে যেতে চান, তারা অযথা সময় অপচয় করবেন না। সবসময় ভগবানের কথা স্মরণ করেন এবং প্রার্থনা করেন যে, হে ভগবান !! আমাকে তুমি এই দুঃখময় জগৎ থেকে উদ্ধার করো।
তাই আসুন, সুদুর্লভ এই মনুষ্য জন্মকে হরিভজনের মাধ্যমে স্বার্থক করে তুলি এবং ভোগ বাসনাকে ত্যাগ করি, তাহলে অন্তিমে আমরা ভগবানের অপ্রাকৃত আনন্দের ধাম শ্রী গোলক বৃন্দাবনে ফিরে যেতে পারবো।

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে ।

🙏🙏হরে কৃষ্ণ🙏🙏✍গঙ্গায় ডুব দিলে দেহ পবিত্র হয় 👍কিন্তু, দেহের ভিতর আরোও তিনটি জিনিস আছে:-১/ মন২/ আত্মা৩/ বুদ্ধি👉সেখানে তো জ...
01/10/2026

🙏🙏হরে কৃষ্ণ🙏🙏
✍গঙ্গায় ডুব দিলে দেহ পবিত্র হয় 👍
কিন্তু, দেহের ভিতর আরোও তিনটি জিনিস আছে:-
১/ মন
২/ আত্মা
৩/ বুদ্ধি
👉সেখানে তো জল যায় না,
তাহলে
১🌷 মন পবিত্র হয় সত্যের দ্বারা
২🌷বুদ্ধি পবিত্র হয় জ্ঞান দ্বারা "কুটনৈতিক বুদ্ধি দ্বারা নয়
৩🌷আত্মা পবিত্র হয় পূজা,ধ্যান ও হরিনাম সংর্কীতন দ্বারা,

মৃত্যুর পর সবচেয়ে কঠিন সত্য-পত্নী সাথ দিবে চৌকাঠ পর্যন্ত।প্রতিবেশী সাথ দিবে শ্মশান পর্যন্ত।পুত্র সাথ দিবে অগ্নিদান পর্যন...
29/09/2026

মৃত্যুর পর সবচেয়ে কঠিন সত্য-

পত্নী সাথ দিবে চৌকাঠ পর্যন্ত।

প্রতিবেশী সাথ দিবে শ্মশান পর্যন্ত।

পুত্র সাথ দিবে অগ্নিদান পর্যন্ত।

আপনার সাথে যা যাবে তা হলো আপনার কর্ম।।

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ
কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে
হরে রাম হরে রাম
রাম রাম হরে হরে।।

জয় রাধামাধব।

আচ্ছা,আমরা নাম কীর্ত্তনের সময় দু হাত তুলে কীর্ত্তন করি কেন?এ বিষয়টি একটি ঘটনার মাধ্যমে বুঝার চেষ্টা করি|মনেকরো,তুমি সাঁত...
28/09/2026

আচ্ছা,আমরা নাম কীর্ত্তনের সময় দু হাত তুলে কীর্ত্তন করি কেন?এ বিষয়টি একটি ঘটনার মাধ্যমে বুঝার চেষ্টা করি|

মনেকরো,তুমি সাঁতার জানো না|স্নান করতে গিয়ে পুকুরে পড়ে গেলে|পুকুরের জলে তুমি হাবুডুবু খাচ্ছো|তলিয়ে যাচ্ছ জলের অতল গহবরে|তুমি যদি বুদ্ধিমান হও,তুমি তোমার দুটি হাত উপরের দিকে তুলবে|কেউ তোমার হাত দেখে টেনে তুললে তুমি হয়তো বেঁচে যাবে|আর যদি হাত না তোল,জলে তুমি মারা যাবে অবশ্যই|

ঠিক তেমনি,আমরা সংসার নামক মহাসুমুদ্রে বাস করি|ত্রিতাপ জ্বালা ও জাগতিক মায়ার গহ্বর আমরা ক্রমশ তলিয়ে যাচ্ছি|তাই মায়ার পাক থেকে মুক্তির জন্য দু হাত তুলে আমরা নাম কীর্ত্তন করি|যাতে হাতটা ধরে কেউ একজন তোমাকে মুক্তি দিতে পারবে|এই হাত তোলাটাই ডুবন্ত জীবের প্রার্থনা, আকুল মিনতি।শ্রীভগবানের প্রতি।করুণাসিন্ধু শ্রীভগবান অবশ্যই মায়ার গহ্বর থেকে পরিত্রান করবেন। আর হাত না উঠালে তুমি রক্ষা পাবে না,নিশ্চত,তলিয়ে যাবে|এজন্য আমরা দু হাত তুলে কৃষ্ণনাম কীর্ত্তন করি|
জয় রাধামাধব|

জয় শ্রী কৃষ্ণ           "" জন্ম হোক যথা-তথা কর্ম হোক ভালো। ""পুনঃ পুনঃ জন্ম রোধ করতে হলে ঈশ্বরকে জানতে হবে। ঋষির বাক্যে...
27/09/2026

জয় শ্রী কৃষ্ণ
"" জন্ম হোক যথা-তথা কর্ম হোক ভালো। ""

পুনঃ পুনঃ জন্ম রোধ করতে হলে ঈশ্বরকে জানতে হবে।
ঋষির বাক্যে আস্থা স্থাপন করে কাজ করে যেতে হবে।

ঋষি বলেছেন -" হে বিশ্ববাসী অমৃতের পুত্রগণ শোন!
আমি জেনেছি সেই মহান পুরুষকে যাকে জানলে মৃত্যুকেও লংঘন করা যায়। অন্য কোন পথ নাই।"।

অতএব, মহাজনো যেন গতঃ স পন্থাঃ।
ধর্মগ্রন্থ - জ্ঞান মঞ্জুরী, প্রথম খন্ড -১৯৩ পৃষ্ঠা।

" অসতো মা সদগময়
তমসো মা জ্যোতির্গময়
মৃত্যোর্মামৃতং গময়।"

অর্থাৎ, অসৎ হতে আমাকে সৎস্বরূপে নিয়ে যাও।
অন্ধকার হতে আমাকে আলোয় নিয়ে যাও।
মৃত্যু হতে আমাকে অমৃতে নিয়ে যাও।
ধর্মগ্রন্থ- বেদান্ত, বৃহদারণ্যক উপনিষদ।

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে...

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Puja Biswas posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share