Dua Therapy

Call Directions Contact the place of worship

Dua Therapy Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dua Therapy, Religious Center, Dhaka.

30/09/2026

27/09/2026

খাদিজা (রা.)-এর জীবনে এমন ৯টি ‘প্রথম’ রয়েছে, যা তাঁকে অনন্য মর্যাদায় আসীন করেছে।

১. প্রথম উম্মুল মুমিনিন, অর্থাৎ মুমিনদের প্রথম মা।

২. নবী মুহাম্মাদ ﷺ-এর প্রথম স্ত্রী।

৩. ইসলাম গ্রহণকারী প্রথম ব্যক্তি।

৪. নবী ﷺ-এর দাওয়াতের প্রতি প্রথম বিশ্বাস স্থাপনকারী।

৫. জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত প্রথম ব্যক্তি।

৬. জিবরাঈল (আ.)-এর মাধ্যমে সরাসরি আল্লাহর পক্ষ থেকে সালাম গ্রহণকারী প্রথম ব্যক্তি।

৭. জিবরাঈল (আ.)-এর পক্ষ থেকে সালাম গ্রহণকারী প্রথম ব্যক্তি।

৮. নবী ﷺ-এর সঙ্গে প্রথম নামাজ আদায়কারী।

৯. নবী ﷺ-এর সঙ্গে প্রথম তাওয়াফকারী।

এসবের পাশাপাশি খাদিজা (রা.) ছিলেন নবী ﷺ-এর প্রথম ভালোবাসা এবং তাঁর জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়ে পরম আশ্রয়।

তাঁর জীবনের এই ‘প্রথম’গুলো শুধু সম্মানের তালিকা নয়, বরং ঈমান, ভালোবাসা, ত্যাগ ও সাহচর্যের এক অনন্য সাক্ষ্য।

© আরিফুল ইসলাম

26/09/2026

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ ﷺ কে একটি উট গিফট করে। বিনিময়ে রাসূলুল্লাহ ﷺ তাকে ৬টি উট গিফট দেন!


রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম গিফটের পর রিটার্ন গিফট দেবার জন্য উৎসাহ দেন।

তাকে কেউ গিফট দিলে, তিনি প্রায় সবসময় রিটার্ন গিফট দিতেন।

এরকম একবার এক বেদুইন তাকে ১টি উট গিফট দিলো।

বিনিময়ে তিনি তাকে ৬টি উট গিফট দেন। (জামে আত-তিরমিজি: ৩৯৪৫)


রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অসাধারণ ব্যক্তিত্বের এই দিকগুলো আমরা জানিই না!

শুধু আমাদের জানানো হয়— তাঁর ঘরে ৩ মাস চুলো জ্বলেনি!

অথচ তাঁর অর্থনৈতিক জীবনের কমপ্লিট পিকচার জানলে, তাঁকে আরো বেশি ভালোবাসবেন।

© আরিফুল ইসলাম

25/09/2026

আমাদের চোখের আড়ালে, গায়েবী জগতে আসমানে অনেক কিছুই ঘটে। পবিত্র কিছু বিষয়। আসমানে ফেরেশতাদের নিরলস ইবাদত। আসমানের ফেরেস্তারা ক্লান্তিহীন আল্লাহর ইবাদত করে যাচ্ছেন।
*
ফেরেশতাদের ক্ষুধা, তৃষ্ণা বা নিদ্রার মতো কোনো মানবিক চাহিদা নেই। তাই তাদের একমাত্র আনন্দ ও দায়িত্ব হলো আল্লাহর গুণগান গাওয়া। সুরা আল-আম্বিয়ার ২০ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেন, ফেরেশতারা দিন-রাত আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে এবং তারা এতে কখনো ক্লান্ত বা অলস হয় না। জিকির ও তাসবিহ পাঠ করা তাদের জন্য অনেকটা আমাদের শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়ার মতোই স্বাভাবিক।
*
নবী (সা:) বলেন, আসমানে এমন অসংখ্য ফেরেশতা রয়েছেন, যারা সৃষ্টির আদি লগ্ন থেকে মহান আল্লাহর ভয়ে ও ভক্তিতে কেবল রুকু অবস্থায় আছেন। আবার একদল ফেরেশতা আছেন যারা চিরকাল সেজদারত। যুগ যুগ ধরে এই দীর্ঘ ইবাদতের পরও তাদের মনে কোনো অহংকার নেই। কেয়ামতের দিন যখন তাদের ইবাদত শেষ হবে, তখন তারা মাথা উঠিয়ে বিনীতভাবে বলবেন, "হে আমাদের রব! আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি, আমরা আপনার যেভাবে ইবাদত করা উচিত ছিল, তা করতে পারিনি।"
*
সপ্তম আসমানে দুনিয়াতে কাবা ঘরের ঠিক বরাবর উপরে ‘বায়তুল মা'মুর’ নামে ফেরেশতাদের একটি বিশেষ ইবাদতখানা বা মসজিদ রয়েছে। আল্লাহর কাছে এই স্থানের মর্যাদা অপরিসীম। রাসুলুল্লাহ (সা:) মিরাজের রাতে এই স্থানটি প্রত্যক্ষ করেন। নবীজি বলেন, প্রতিদিন সেখানে ৭০ হাজার ফেরেশতা ইবাদতের জন্য প্রবেশ করেন। ফেরেশতাদের সংখ্যা এতই বিশাল যে, একবার যে ৭০ হাজার ফেরেশতা বের হয়ে যান, কেয়ামত পর্যন্ত তারা সেখানে দ্বিতীয়বার প্রবেশের সুযোগ পাবেন না। প্রতিদিন সম্পূর্ণ নতুন নতুন ফেরেশতার দল সেখানে ইবাদত করতে আসেন।
*
ফেরেশতাদের নিজস্ব কোনো স্বাধীন ইচ্ছা বা নফস (প্রবৃত্তি) দেওয়া হয়নি। ফলে তাদের পক্ষে পাপ বা অবাধ্যতা করা অসম্ভব। সুরা আত-তাহরিমের আল্লাহ বলেন, আল্লাহ তাদের যে নির্দেশ দেন, তারা কখনই তার অবাধ্য হয় না এবং তারা তা-ই করে যা তাদের আদেশ করা হয়। আল্লাহর আরশ বহনকারী ফেরেশতা থেকে শুরু করে প্রতিটি আসমানের রক্ষী-সবাই পরম নিষ্ঠার সাথে নিজের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
*
ফেরেস্তারা কেবল আল্লাহর তাসবিহ-ই পড়েন না, বরং তারা পৃথিবীর বুকে বসবাসকারী মুমিন বান্দাদের জন্য আল্লাহর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। বিশেষ করে যারা আল্লাহর রাস্তায় দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করে, ইবাদতে লিপ্ত থাকে বা সৎ পথে চলে, আসমানের ফেরেশতারা তাদের জন্য রহমত ও মাগফেরাতের দোয়া করতে থাকেন।
*
মহান আল্লাহর রাজত্ব বিশাল। আমাদের কল্পনার বাইরে। চিন্তার বাইরে। আমরা সেসবের সাক্ষী হতে যাচ্ছি, আমরা সেই জগতে প্রবেশ করব মৃত্যুর মাধ্যমে আমাদের দুনিয়ার জীবনের সমাপ্তি ঘটার মাধ্যমে। কারণ সেই অকল্পনীয় দুনিয়াটাই আমাদের স্থায়ী ঠিকানা। আমরা সেই অকল্পনীয় দুনিয়ায় অনন্তকালের জন্য থাকব।

এই দুনিয়াতো আমাদের জন্য স্রেফ কল্পনা। মৃত্যুর মাধ্যমেই এই দুনিয়ার কল্পনা ভেঙে যাবে। এই দুনিয়াটাই আমাদের জন্য ফ্যাণ্টাসী। জীবন নামক ঘুম মৃত্যুর মাধ্যমে ভাঙলেই আমরা সেখানে প্রবেশ করব।
আমাদের বাস্তবতা অই দুনিয়া যার সব কিছু আমাদের অপেক্ষায় আছে...।

23/09/2026

20/09/2026
18/09/2026

কখনো কি চিন্তা করেছেন, আল্লাহ তাআলা কেন একথা বললেন না যে "প্রতিটি প্রাণীই মারা যাবে"? বরং তিনি বলেছেন, ”প্রতিটি প্রাণীকে মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করতে হবে”।

মৃত্যু কি কোনো খাবার বা পানীয় যে, আমাদের তার স্বাদ নিতে হবে?

আমরা কোরআনের এই আয়াতটি প্রায়ই পড়ি। কিন্তু খুব কম মানুষই (ذَائِقَةُ) বা 'স্বাদ গ্রহণ' শব্দটিতে থেমে একটু গভীরভাবে চিন্তা করেন। আল্লাহ কেন সাধারণ ভাষায় 'আমরা মরে যাব' বা 'ধ্বংস হয়ে যাব' না বলে 'স্বাদ নেওয়া' শব্দটি বেছে নিলেন?

এর পেছনে এমন এক গভীর মনস্তাত্ত্বিক ও আত্মিক রহস্য লুকিয়ে আছে, যা নিয়ে ভাবলে বাস্তবেই কলিজা কেঁপে ওঠে!

আপনি যখন কোনো খাবার মুখে দেন, তার স্বাদ কিন্তু এক সেকেন্ডেই গায়েব হয়ে যায় না। বরং তা আপনার পুরো অনুভূতিতে ছড়িয়ে পড়ে এবং আপনি তা অনুভব করতে থাকেন।

আল্লাহ তাআলা এই শব্দটি ব্যবহার করেছেন এটা বোঝানোর জন্য যে, মৃত্যু হঠাৎ করে নিভে যাওয়া বা 'সুইচ অফ' হয়ে যাওয়ার মতো কিছু নয়! এটি একটি পূর্ণাঙ্গ প্রক্রিয়া। ধীরে ধীরে রূহ টানা হতে থাকে এবং মানুষ তার প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দিয়ে মৃত্যুর প্রতিটি মুহূর্তকে সজ্ঞানে 'উপলব্ধি' করে।

মানুষ তখন ফেরেশতা এবং অদৃশ্যের ওই জগত দেখতে শুরু করে, যা সে দুনিয়াতে ভুলে ছিল।

আল্লাহ বলেন,"আমি তোমার ওপর থেকে পর্দা সরিয়ে দিয়েছি, আজ তোমার দৃষ্টি বড়ই প্রখর!" (সূরা ক্বাফ: ২২)

রূহ একবারে বের হয় না; বরং পায়ের আঙুল থেকে বের হতে শুরু করে ধীরে ধীরে কণ্ঠনালিতে এসে পৌঁছায়।

কোরআনে বলা হয়েছে,

"কখনো নয়! যখন প্রাণবায়ু কণ্ঠনালিতে পৌঁছাবে... আর সে বুঝতে পারবে যে, এটাই বিদায়বেলা!"(সূরা কিয়ামাহ: ২৬-২৮)

যে মুহূর্তে রূহ শরীর ছেড়ে যায়, মানুষের চোখ তখন আসমানের দিকে সেটার পিছু নেয়।

যেমনটা নবীজি (সা.) বলেছেন: "নিশ্চয়ই রূহ যখন কবজ করা হয়, দৃষ্টি তখন তার পিছু নেয় (তাকিয়ে থাকে)।" (সহিহ মুসলিম)

কেন 'স্বাদ' শব্দটিই বেছে নেওয়া হলো?

আল্লাহ কেন বললেন না যে, প্রতিটি প্রাণী মৃত্যুকে 'দেখবে' বা 'শুনবে'?

আপনি কোনো ভয়ংকর দৃশ্য দেখলে চোখ বন্ধ করতে পারেন, কটু শব্দ শুনলে কানে আঙুল দিতে পারেন, গরম কিছু ছুঁয়ে ফেললে হাত সরিয়ে নিতে পারেন।

কিন্তু 'স্বাদ'? মুখে কোনো কিছু চলে গেলে আর জিভে লাগলে, আপনি কিছুতেই তার স্বাদ থেকে পালাতে পারবেন না! সেই অভিজ্ঞতা আপনার 'ভেতরে' প্রবেশ করে এবং আপনার অস্তিত্বের অংশ হয়ে যায়।

মৃত্যু এমন কোনো ঘটনা নয় যা আপনি দূর থেকে দাঁড়িয়ে দেখবেন। বরং মৃত্যু আপনার শিরা-উপশিরায়, কোষের ভেতরে ঢুকে যাবে। আপনি চান বা না চান, এর স্বাদ আপনাকে পেতেই হবে।

যেহেতু মৃত্যুকে 'আস্বাদন' করতে হবে, তাই নিশ্চিতভাবেই এর একটা স্বাদ আছে। খাবারের যেমন আলাদা স্বাদ থাকে, তেমনি আল্লাহর সাথে বান্দার সম্পর্ক আর আমলের ওপর ভিত্তি করে মৃত্যুর স্বাদও একেকজনের জন্য একেক রকম হবে।

নবীজি (সা.) বলেছেন: "পানির পাত্র থেকে যেভাবে সহজে পানি গড়িয়ে পড়ে, মুমিনের রূহ ঠিক সেভাবেই সহজে বেরিয়ে আসে।" (মুসনাদে আহমাদ)

এটি এমন এক স্বাদ, যা প্রশান্তি আর জান্নাতের সুসংবাদে ভরপুর।

নবীজি (সা.) বলেছেন, "ভেজা পশমের ভেতর থেকে কাঁটাযুক্ত লোহার শিঁক যেভাবে টেনে বের করা হয়, (পাপীর) রূহকে ঠিক সেভাবেই টেনে-হিঁচড়ে বের করা হয়।" (মুসনাদে আহমাদ)

এটি চরম কষ্ট, অনুশোচনা আর আক্ষেপের স্বাদ।

এমনকি নবী-রাসূল এবং নেককাররাও 'সাকারাতুল মাউত' বা মৃত্যুর কষ্ট অনুভব করেন। কিন্তু মুমিনের জন্য এই কষ্ট তার মর্যাদা বুলন্দ করার মাধ্যম, যা আল্লাহর সাথে পবিত্র হয়ে সাক্ষাতের আগে তার আমলনামাকে একেবারেই নিখুঁত করে দেয়।

সারকথা হলো, মৃত্যু এমন এক পেয়ালা, যা সব মানুষের হাতে হাতে ঘুরছে। আমরা সবাই এই পেয়ালার পানীয় পান করব। তবে কেউ এর স্বাদ পাবে প্রশান্তি আর জান্নাতের সুবাসে, আর কেউ পাবে চরম ভয় আর আক্ষেপের তিক্ততায়।

আজকের এই দিনে কয়েক মিনিটের জন্য হলেও একা বসে নিজের বিবেককে একটা প্রশ্ন করি, আমার বর্তমান আমল, আমার নামাজ আর আল্লাহর সাথে আমার সম্পর্কের হিসাব অনুযায়ী... আমি নিজের জন্য মৃত্যুর কোন "স্বাদ" তৈরি করছি?

আল্লাহ তাআলা আমাদের সুন্দর মৃত্যু নসিব করুন। মৃত্যুকে আমাদের জন্য সমস্ত অকল্যাণ থেকে মুক্তির উপায় বানিয়ে দিন। আমিন।

18/09/2026

*ইবলিস পাগল ছিল না, সে আলেম ছিল। ইবলিস কাফের ছিল না, সে আল্লাহকে চিনতো। তাহলে সে ধ্বংস হলো কেন?*

এই একটা প্রশ্ন বুঝলে তুমি তোমার পুরো জীবন বুঝে যাবে দরদী।

ইবলিস জানতো আল্লাহ এক। সে আল্লাহর সাথে কথা বলেছে। সে জান্নাত দেখেছে, জাহান্নাম দেখেছে। ফেরেশতাদের ওস্তাদ ছিল সে। তার ইবাদতের কোনো কমতি ছিল না।

তাহলে তার অভাব কিসের ছিল? তার অভাব ছিল একটা জিনিসের - *সে নিজেকে চিনতে পারেনি।*

আল্লাহ তাকে জিজ্ঞেস করেননি - "তুই সিজদা করলি না কেন?"
আল্লাহ জিজ্ঞেস করেছেন - *"মা মানা'আকা?" তোকে কিসে বাধা দিল?*

মানে তোর ভিতরে এমন কি ঢুকলো যে তুই আমাকে মানতে পারলি না?

সেই বাধাটা ছিল *"আনা খাইরুম মিনহু - আমি তার চেয়ে উত্তম।"*

এটাই মারফতের সবচেয়ে বড় পর্দা।

ইবলিস আগুনের তৈরি, আদম মাটির তৈরি - এটা ছিল তার যুক্তি। কিন্তু তার ভিতরের রোগ ছিল - সে নিজের একটা ইমেজ বানিয়ে ফেলেছিল। "আমি অনেক ইবাদত করেছি, আমি ফেরেশতাদের সাথে থাকি, আমি ভিআইপি। আমি কেন মাটির আদমের সামনে মাথা নত করবো?"

দরদী, আল্লাহর দরবারে ভিআইপি বলে কিছু নাই। ওই দরবারে যে নিজেকে ছোট করে, আল্লাহ তাকে বড় করে। যে নিজেকে বড় মনে করে, আল্লাহ তাকে ধ্বংস করে দেয়।

আর তারপর ইবলিস কি করলো জানো? সে তওবা করলো না। সে বললো না - "আল্লাহ ভুল হয়ে গেছে।"

সে উল্টা দোষ দিল। প্রথমে আদমকে দোষ দিল, তারপর আল্লাহকে বললো - *"আপনি আমাকে গোমরাহ করেছেন।"* নাউযুবিল্লাহ।

এইখানেই আদম আর ইবলিসের পার্থক্য।

আদম (আঃ) ভুল করে বলেছিলেন - *"রব্বানা জলামনা আনফুসানা - হে আল্লাহ আমরা নিজের উপর জুলুম করেছি।"*
আর ইবলিস ভুল করে বলেছিল - *"আপনি আমাকে দিয়ে ভুল করিয়েছেন।"*

একজন নিজের দিকে আঙুল তুললো, সে নবী হয়ে গেল।
আরেকজন অন্যের দিকে আঙুল তুললো, সে শয়তান হয়ে গেল।

মারফতের ফকিররা বলেন -
*"ইবলিস মরেনি, ইবলিস তোমার ভিতরেই থাকে।"*

যখন তুমি বলো -
"আমি ঠিক, ও ভুল।"
"আমি এটা করেছি ওর জন্য।"
"আমার কোনো দোষ নাই, পরিস্থিতি খারাপ ছিল।"
"আমি ওর চেয়ে ভালো।"

তখন বুঝবে তোমার ভিতরে ইবলিস কথা বলছে।

শয়তান চায় না তুমি নামাজ ছেড়ে দাও, শয়তান চায় তুমি কখনো নিজের ভুলটা স্বীকার না করো। কারণ যে নিজের ভুল স্বীকার করে না, সে কখনো তওবা করে না। আর যে তওবা করে না, সে কখনো আল্লাহর কাছে ফিরতে পারে না।

তাই আজ আয়নার সামনে দাঁড়াও দরদী। জিজ্ঞেস করো - আমার ভিতরে "আনা খাইরুম মিনহু" টা কোথায় লুকিয়ে আছে?

ওইটাকে মারতে পারলেই তুমি মানুষ। ওইটাকে পুষে রাখলেই তুমি ইবলিস।

সংগৃহীত
#ইবলিশ #মারফত #হাকিত #সাধনা

Address

Dhaka

Telephone

+8801519778664

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dua Therapy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Place Of Worship

Send a message to Dua Therapy:

Shortcuts

Share